গ্রাহকদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করার জন্য স্যামসাং বাংলাদেশ ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চালু করেছে মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ। অ্যাপটি শুধু স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডের লাইফ স্টাইল পণ্য, বই, ভ্রমণ এবং গানের উপর আকষর্ণীয় ছাড় পাবেন। এখন পর্যন্ত মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্র্যান্ড গুলোর মধ্যে উবার, বাগডুম, এবং গো-জায়ানের সাথে পার্টনারশিপ করেছে।


এছাড়াও খুব শীঘ্রই দেশের একটি জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত বিনোদন প্ল্যাটফর্ম মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাথে পার্টনারশিপ করবে। উবারে চলাচল হবে এখন আরও সাশ্রয়ী কারণ মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ এবার উবারের পার্টনার হয়েছে। মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাহায্যে নতুন উবার ব্যবহারকারীরা তাদের প্রথম দুই রাইডে ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট পাবেন। ডিসকাউন্ট পাওয়ার জন্য গ্রাহককে মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাহায্যে কুপন তৈরি করতে হবে। এরপর উবার অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। উবার অ্যাপ ডাউনলোড করার পর গ্রাহককে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এবং এরপরই একজন গ্রাহক তার ডিসকাউন্ট কুপন ব্যবহার করতে পারবেন।

দেশের প্রখ্যাত ই-কমার্স সাইট বাগডুম গ্রাহকদের এক্সক্লুসিভ ডিল দেয়ার জন্য মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সাথেও পার্টনার হয়েছে। ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য ছাড়া বাগডুম তাদের অন্য সব পণ্যে ৮% ছাড় প্রদান করছে। এছাড়াও মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ এবং গো-জায়ান একত্রিত হয়ে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বুকিংয়ে ৫% ডিসকাউন্ট সুবিধা প্রদান করছে। মাই গ্যালাক্সি অ্যাপে দিয়ে সার্ভিস ট্রাকারের সাহায্যে যে কেউ তার মোবাইলফোন মেরামতের অগ্রগতি এবং কোন পর্যায় আছে তা জানতে পারবেন। এই সার্ভিস কেয়ার অপশনটি মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের কেয়ার সেকশনে পাওয়া যাবে। সার্ভিস অগ্রগতি ট্র্যাক করার জন্য একজন গ্রাহককে তার মোবাইল সম্পর্কিত কিছু মৌলিক তথ্য অ্যাপে ইনপুট করতে হবে।

বাংলাদেশে গ্যালাক্সি অ্যাপ চালু হওয়ার পর থেকেই এর বিষয়বস্তু, সুবিধা এবং কেয়ারের জন্য গ্রাহকদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ২০১৭ সালে চালু হওয়ার পর খুব কম সময়ের মধ্যে ১ লাখেরও বেশী ব্যবহারকারী পেয়েছে যা দিনে দিনে বেড়েই চলছে। ব্যবহারকারীদের মধ্যে এই জনপ্রিয়তার দেখে, মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ আরও পার্টনার বাড়ানোর মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনকে আরও সহজ করে তোলার পরিকল্পনা করছে।

মুয়ীদুর রহমান, হেড অফ মোবাইল, স্যামসাং বাংলাদেশ বলেন, “মাই গ্যালাক্সি অ্যাপ বিভিন্ন সুবিধা এবং সহযোগিতা প্রদানের জন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই অনন্য অ্যাপটি শুধু স্যামসাং স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে যার মাধ্যমে একজন গ্রাহক বিভিন্ন ধরণের ডিসকাউন্ট এবং অফার উপভোগ করতে পারবেন।”

স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে থেকে মাই গ্যালাক্সি ডাউনলোড করতে পারবেন। এছাড়াও এই অ্যাপটি স্যামসাং-এর নতুন সব স্মার্টফোনের সাথে আগে থেকেই দেয়া থাকবে। আকর্ষণীয় অফারগুলো উপভোগ করার জন্য গ্রাহকদেরকে মাই গ্যালাক্সি অ্যাপের সার্ভিস সেকশনে যেতে হবে এবং কুপন তৈরি করতে হবে। নির্ধারিত কুপন নাম্বারের সাহায্যে একজন গ্রাহক কেনাকাটাতে ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন।

 

জেমস বন্ড’ তারকা ড্যানিয়েল ক্রেগ ও অস্কারজয়ী অভিনেত্রী র‌্যাচেল ভাইস এক ছাদের নিচে আছেন আট বছর ধরে। তারও আগে পৃথকভাবে সন্তানের মুখ দেখেছেন তারা। এবার তাদের সংসারে আসছে নতুন অতিথি।


৪৮ বছর বয়সে এসে আবারও মা হচ্ছেন র‌্যাচেল ভাইস। তাই সন্তানসম্ভবা হওয়ার কথা জানিয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। এজন্য উচ্ছ্বসিত ড্যানিয়েল ক্রেগ। তবে অনাগত সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে তা জানেন না তারা।

নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘দ্য মমি’ তারকা র‌্যাচেল ভাইস বলেছেন, ‘শিগগিরই আমাদের ঘরে নতুন একজন আসছে। ড্যানিয়েল ও আমি খুব খুশি। তাকে দেখতে আমরা মুখিয়ে আছি। জানি না সে ছেলে নাকি মেয়ে। বলতে পারেন এটা পুরোপুরি রহস্য।’

২০১১ সালের ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে বিয়ের বন্ধনে জড়ান এই ব্রিটিশ দম্পতি। র‌্যাচেল ভাইসের আগের সংসারের ছেলে হেনরির বয়স ১১ বছর। পরিচালক ড্যারেন অ্যারোনোফস্কির সঙ্গে বাগদান হয়েছিল তার। কিন্তু পরে তারা আর ঘর বাঁধেননি।

অন্যদিকে ক্রেগের ২৫ বছর বয়সী এক মেয়ে আছে। তার মা অভিনেত্রী ফিওনা লাউডন। ১৯৯২ সালে ক্রেগ ও তিনি বিয়ে করেছিলেন। দুই বছর টিকেছিল ওই সংসার। বিয়েবিচ্ছেদের পর জার্মান অভিনেত্রী হাইকি মাকাচের সঙ্গে সাত বছর প্রেম করেছেন ক্রেগ। ২০০৪ সালে সেই পাট চুকিয়েছেন তিনি। এরপর প্রযোজক সাতসুকি মিচেলের সঙ্গে ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রেম আর বাগদানও হয়েছিল তার।

সম্প্রতি ‘দ্য মার্সি’ ছবিতে দেখা গেছে র‌্যাচেল ভাইসকে। তিনি এখন নিজের নতুন ছবি ‘ডিসোবেডিয়েন্স’-এর প্রচারণা চালাচ্ছেন। এতে সমকামি চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এটি প্রযোজনাও করেছেন তিনি। এর চিত্রনাট্য তৈরি হয়েছে ব্রিটিশ লেখিকা নাওমি অ্যাল্ডারম্যানের গ্রন্থ অবলম্বনে। আর ড্যানিয়েল ক্রেগ সামনে ‘জেমস বন্ড’ সিরিজের ২৫তম ছবির শুটিং শুরু করবেন।

 

কাজে দক্ষতা বাড়াতে কর্মীদের তাগিদ দিয়েছেন হাই-টেক কোম্পানি টেসলারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলোন মাস্ক। কর্মদক্ষতা বাড়াতে ই-মেইলের মাধ্যমে তাদেরকে সাতটি টিপসও দিয়েছেন তিনি।


১৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি টেসলার মডেল থ্রি ইলেকট্রনিক কারের কাজ আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সপ্তাহে সাত দিন এবং দিনে ২৪ ঘণ্টা প্রতিষ্ঠানটির কাজ চালু রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ইলোন মাস্ক। যেহেতু কর্মীদের বেশি বেশি কাজ করতে হবে, তাই কাজে দক্ষতা বাড়াতে নিজে কিছু টিপস দিয়েছেন।

কাঠখোট্টা নিয়ম মানতে বা মিটিং করতে তেমন পছন্দ করেন না মাস্ক। বুদ্ধি খাটিয়ে দ্রুত হাতের কাজ শেষ করাই তার লক্ষ্য। শুধু যে অন্যদেরকে পরামর্শ দিচ্ছেন তা নয়, বরং অন্যদের থেকেও পরামর্শ আশা করেছেন তিনি।

ই-মেইলে ইলোন মাস্ক বলেন, টেসলার কাজ আরও ভালো করে তুলতে কারো কোনো পরামর্শ থাকলে তাকে যেন জানানো হয়।

যে ৭ পরামর্শ দিয়েছেন ইলোন মাস্ক—

১) বেশি মানুষ নিয়ে মিটিং করাটা শুধুই সময়ের অপচয়

বেশি মানুষ নিয়ে অনেক সময় ধরে মিটিং করাকে সময়ের অপচয় মনে করেন মাস্ক এবং এসব মিটিং বন্ধ করে দেওয়ার উপদেশ দিয়েছেন তিনি। সবাইকে নিয়ে যদি মিটিং করতেই হয় তাহলে তা কম সময়ে সেরে ফেলতে বলেছেন।

২) নিয়মিত মিটিং করার দরকার নেই

খুব জরুরি কোনো বিষয় না থাকলে নিয়মিত মিটিং করার দরকার নেই। জরুরি কাজটা শেষ হয়ে গেলে মিটিংয়ের সংখ্যা কমিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

৩) মিটিং থেকে বের হয়ে যান

‘মিটিংয়ে যদি আপনার উপস্থিত থাকার দরকার না থাকে, তাহলে মিটিং থেকে চলে যান’, বলেন ইলোন মাস্ক। মিটিং থেকে বের হয়ে যাওয়াটা অপমানজনক নয়, বরং মিটিংয়ে বসে অন্যের সময় নষ্ট করাটাই খারাপ।

৪) বিভ্রান্তিকর ভাষা পরিহার করুন

কোনো বিষয়ে কথা বলতে গেলে এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত যা সবাই বুঝবেন। টেসলায় কাজ করতে গেলে বিশেষ ভাষা ব্যবহারের দরকার নেই বলে মনে করেন মাস্ক।

৫) যোগাযোগের ক্ষেত্রে চেইন অব কমান্ড মানার দরকার নেই

কোনো কাজে যোগাযোগের দরকার হলে দ্রুতই সেটা করা উচিত। এক্ষেত্রে চেইন অব কমান্ড মেনে চলার দরকার নেই। এমনকি কোনো ম্যানেজার যোগাযোগের ক্ষেত্রে চেইন অব কমান্ড আরোপের চেষ্টা করলে তাকে চাকরিচ্যুত করার কথা বলেছেন ইলোন মাস্ক।

৬) সরাসরি যোগাযোগ করুন

কোনো বিষয়ে কারো সঙ্গে কথা বলতে হলে সরাসরিই কথা বলা দরকার। এক্ষেত্রেও চেইন অব কমান্ডের দ্বারস্থ না হয়ে নিজ থেকে উদ্যোগ নিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন ইলোন মাস্ক। চেইন অব কমান্ডের বিশাল শেকল পার হতে হতে কাজটা আর হয় না, দাবি করেন তিনি।

৭) নিয়ম মেনে চলতে গিয়ে সময় নষ্ট করার দরকার নেই

‘সবসময় উপস্থিত বুদ্ধি ব্যহার করে কাজ করুন। কোম্পানি রুল যদি কোনো পরিস্থিতিতে উদ্ভট মনে হয় তাহলে ওই নিয়মটা পাল্টে ফেলাই উচিত,’ বলেন মাস্ক।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.