হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। ইতালিয়ান দ্বীপ সারদিনিয়ার কোস্টা ক্যারোলিনায় একটি মার্সিডিজ গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে চোট পেয়েছেন তিনি।


মঙ্গলবার (১০ জুলাই) রাতে ইতালিয়ান গণমাধ্যম এজিআই এ তথ্য জানিয়েছে।
ইতালিতে ‘ক্যাচ ২২’ নামে টেলিভিশনের জন্য নির্মাণাধীন একটি মিনি সিরিজের কাজ করছেন জর্জ ক্লুনি। শুটিং সেটের কাছাকাছি থাকতে কোস্টা ক্যারোলিনার কাছের একটি হোটেলে উঠেছিলেন ৫৭ বছর বয়সী এই আমেরিকান অভিনেতা-পরিচালক। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৮টায় পানতালদিয়া থেকে ওলবিয়ার দিকে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।

কিন্তু নিয়ম না মেনে কোনও পূর্ব সংকেত ছাড়াই একটি মার্সিডিজ গাড়ি আচমকা ডান দিকে ঘুরে যায়। এ কারণে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পেরে মোটরসাইকেল নিয়ে পড়ে যান ক্লুনি। গাড়িচালক নেমে জরুরি সেবা পেতে ১১২ নম্বরে কল করেন। এরপর মিউনিসিপ্যাল পুলিশ ও অ্যাম্বুলেন্স ও অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা হাজির হন। তারা ওলবিয়ার সার্দিনিয়ান শহরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান তাকে।

ইতালির ‘কী’ ম্যাগাজিনের ওয়েবসাইটে জানানো হয়, হাঁটুতে আঘাত পেয়েছেন জর্জ ক্লুনি। তবে তা গুরুতর নয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা শেষে বুধবার সকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে অস্কারজয়ী এই তারকাকে কয়েকদিন পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন চিকিৎসকরা। তার মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, ‘জর্জ ক্লুনি এখন বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছেন। তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন।’


এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইতালির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনসা’র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন এই ঘটনা তদন্ত করে দেখছে স্থানীয় পুলিশ।

ইতালির লেক কোমোতে অনেক বছর আগে একটি বাড়ি কিনেছেন জর্জ ক্লুনি। ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে তার ঘনঘন আসা-যাওয়া আছে। ২০১৪ সালে ইতালিতেই আইনজীবী আমাল আলামুদ্দিনকে বিয়ে করেন এই সুপারস্টার। ২০১৭ সালে যমজ সন্তানের মুখ দেখেন তারা ।

‘ক্যাচ ২২’ সিরিজে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মার্কিন এয়ারফোর্স কমান্ডারের ভূমিকায় অভিনয় করছেন জর্জ ক্লুনি। মার্কিন কথাশিল্পী জোসেফ হেলারের ধ্রুপদী উপন্যাস অবলম্বনে সাজানো হয়েছে এর চিত্রনাট্য। ছয় পর্বের ড্রামা সিরিজটি চ্যানেল ফোরে প্রচার হবে ২০১৯ সালে।


নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, শিশুর বয়স তিনমাস হবার পর থেকেই মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি শক্ত খাবার দিলে তাদের ঘুম ভালো হয়। খবর বিবিসি অনলাইন।


সাধারণত ছয় মাস বয়সের পর শিশুদের বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার দিতে বলা হয়। কিন্তু জেএএমএ পেডিয়াট্রিকস জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়, ছয় মাসের আগেই শক্ত খাবার দিলে মা ও শিশু উভয়েই উপকৃত হয়। শিশুরা বেশি সময় ঘুমায় এবং মায়েদের জীবনের মান উন্নত হয়।

লন্ডনের কিং’স কলেজ এবং সেইন্ট জর্জে’স ইউনিভার্সিটি ১,৩০৩টি তিন মাস বয়সী শিশুর ওপর গবেষণা করে। তাদেরকে দুইটি দলে ভাগ করা হয়। প্রথম দলটিকে ছয় মাস পর্যন্ত শুধুই বুকের দুধ পান করানো হয়। অন্যদেরকে তিন মাস বয়স থেকে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্য খাবারও দেওয়া হয়। ফলাফলে দেখা যায়, যেসব শিশু তিনমাস বয়স থেকে অন্য খাবার খায় তারা-

    লম্বা সময় ঘুমায়
    ঘন ঘন ঘুম ভাঙে না
    অন্যদের তুলনায় ঘুমের সমস্যা কম হয় তাদের (যেমন কান্না বা মেজাজ খিটখিটে হওয়া)

এ শিশুরা যে খুব বেশি সময় ঘুমায় তাও নয়। অন্যদের তুলনায় তারা প্রতি রাত্রে গড়ে ১৬ মিনিট বেশি ঘুমায়। তবে এটুকুও বাবা-মায়ের উপকারে আসতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উপদেশ দেয় শক্ত খাবার দেওয়ার আগে ছয় মাস অপেক্ষা করতে। তবে তাদের এ নিয়ম নিয়ে আবারও পরীক্ষা চলছে। অন্তত চার মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেন অনেক ডাক্তার। শিশুকে ছয়মাসের আগেই খাবার দিতে চাইলে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নিন।

শিশুকে কী খাবার দেবেন?

    আলু, মিষ্টি আলু, গাজর, আপেল, নাশপাতি এসব খাবার সেদ্ধ করে বা চটকে দিতে পারেন।
    বাচ্চার দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারেন নরম ভাত, সিরিয়াল বা নরম কোনো ফল।
    কিছু বাচ্চা একদম মিহি ব্লেন্ড করা খাবার পছন্দ করে, কেউবা একটু চটকে দেওয়াটাই পছন্দ করে।
    বাচ্চা কী খেতে চায়, বিভিন্ন খাবার দিয়ে তা পরীক্ষা করে দেখুন।

 

ভারতের দিল্লির রাবেয়া গার্লস নামে একটি পাবলিক স্কুলে চার থেকে পাঁচ বছরের ১৬ জন বাচ্চাকে স্কুলের বেসমেন্টে টানা পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বেসমেন্টে আটকে রাখার কারণ হিসেবে জানা গেছে, ওই বাচ্চাদের অভিভাবকরা মাসিক বেতন সময় মতো পরিশোধ করতে পারেননি। এ ঘটনায় শিশুদের পরিবার বিস্মিত।


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ থেকে জানা গেছে, স্কুল ছুটি হওয়ার পর অভিভাবকরা বাচ্চাদের নিতে গেলে এ ঘটনা জানতে পারেন। অভিভাবকদের এসময় স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায় বাচ্চাদের আটকে রাখা হয়েছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, সময় মতো স্কুলের বেতন পরিশোধ করতে না পারায় টানা পাঁচ ঘণ্টা কেজি ক্লাসের ১৬ জন ছাত্রীকে তীব্র গরমের মধ্যে স্কুলের বেসমেন্টে আটকে রাখা হয়। এ সময় অনেকবার অনুরোধ করার পরও ওই বাচ্চাদের ছাড়তে অস্বীকার জানায় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

এদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে মাত্র কিছু সময়ের জন্য ওই বাচ্চাদের আটকে রাখা হয়। স্কুলের অধ্যক্ষ এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘বেসমেন্ট শাস্তি দেওয়ার জায়গা নয়। ওই বেসমেন্ট আসলে এক ধরনের ক্লাসরুম। যেখানে বাচ্চাদের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকটিভিটি করানো হয়।’

এদিকে ওই স্কুলের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শিশু আটকে রাখা ও নির্যাতনের মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বয়ান নথি করার জন্য ইতোমধ্যে স্কুল কর্তৃপক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.