Elon-mask-allowed-to-dig-the-soil 

খুব সহজেই মহাকাশে রকেট পাঠিয়ে দিলেও পৃথিবীর মাটিতে হাইপারলুপ তৈরির কাজটা তত সহজ হচ্ছে না ধনকুবের ইলোন মাস্কের জন্য। তবে সম্প্রতি জানা গেছে, নিউ ইয়র্ক এবং ওয়াশিংটন ডিসির মাঝে কিছুটা জায়গায় মাটি খুঁড়ে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাকে।


১৬ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার ইলোন মাস্কের বোরিং কোম্পানির এক মুখপাত্র সংবাদ সংস্থা দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে এই তথ্য জানায়।

৫৩ নিউ ইয়র্ক অ্যাভিনিউ এর রেলিং-ঘেরা এক টুকরো পার্কিং লট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাদেরকে। 

স্পেসএক্স ও টেসলার প্রধান নির্বাহী মাস্ক ২০১৬ সালে বোরিং কোম্পানির ধারণা দিয়েছিলেন। রাস্তায় গাড়ির জ্যামে বিরক্ত হয়ে এমন ধারণা টুইট করেছিলেন এই মার্কিন প্রকৌশলী ও উদ্যোক্তা। তিনি বলেছিলেন যানজট এড়াতে সুড়ঙ্গ তৈরি করে এর ভেতর দিয়ে গাড়ি না চালিয়ে বরং এটিকে একটি পডের উপর বসান হবে, আর ওই পড চলবে একটি নেটওয়ার্কে।



ইলোন মাস্ক নিউ ইয়র্ক, বাল্টিমোর, ফিলাডেলফিয়া এবং ওয়াশিংটন ডিসির মাঝে একটি হাই স্পিড হাইপারলুপ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিলেন। ডিপ্রেসারাইজড টিউব এবং ম্যাগনেট লেভিটেডেড পডের সাহায্যে প্রচণ্ড গতিতে এর মধ্য দিয়ে যাত্রীদের যাতায়াত করানো যাবে।

মাটি খোঁড়ার জন্য তাকে যে জায়গাটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেই জায়গাটিতে হাইপারলুপ স্টেশন তৈরি করা হতে পারে। তবে এর সবটাই এখনো পরিকল্পনার ছকে আছে।

ওয়াশিংটন ডিসির মেয়র মিউরিয়েল ই বাওসারের চিফ অব স্টাফ জন ফ্যালসিচিও জানান, মেয়রের অফিসে ইলোন মাস্কের সঙ্গে আলোচনায় হাইপারলুপের প্রাথমিক একটি ধারণা পেয়েছেন তারা। যাতায়াতের ব্যবস্থা আরও সহজ করে তোলার ব্যাপারে তারা আগ্রহী।

হাইপারলুপের ধারণাটি এমন- প্রতিটি ‘পড’ এর ভেতরে ১৬ জনের মত মানুষ থাকবে এবং ইলেকট্রিক স্লেডের সাহায্যে এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে টানেলের ভেতর দিয়ে সেগুলো যাতায়াত করবে।

মাটির নিচে থাকা টানেল স্টেশনে যাবার জন্য এলিভেটর ব্যবহার করা হবে। এসব স্টেশন হবে ছোট আকৃতির। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই টানেল খোঁড়া অবশ্যই সম্ভব। তবে এর জন্য বেশ সময় এবং অর্থ খরচ হবে। এই পদ্ধতিটি নিরাপদ কিনা, এ নিয়েও সংশয় আছে অনেকের মাঝে।

What-will-the-customer-get-in-the-Four-G 

বহুল কাঙ্ক্ষিত ফোর-জি সেবায় ইন্টারনেটের সুপার হাইওয়েতে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। লাইসেন্স পাওয়ার পরপরই মোবাইল ফোন অপারেটররা দেশে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা তথা ফোর-জি চালু করবে।


বর্তমানে চালু থাকা থ্রি-জি সেবা থেকে ফোর-জি’তে গ্রাহকরা ভয়েস কল ও ডাটা বা ইন্টারনেট সেবায় বেশি সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), মোবাইল ফোন অপারেটর ও বিশেষজ্ঞরা।

বলা হচ্ছে, ফোর-জি সেবা চালু হলে ইন্টারনেটের গতি বাড়বে, ভয়েস কলের ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ থাকবে। আর এতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের পাশাপাশি লাভবান হবেন ই-কমার্স খাত সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা ক্লাবে মোবাইল ফোন অপারেটরদের ফোর-জি লাইসেন্স হস্তান্তর করবে বিটিআরসি। লাইসেন্স পাওয়ার পরপরই মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো ঢাকাসহ বড় বড় শহরে সীমিত পরিসরে ফোর-জি সেবা চালু করবে।

ফোর-জি চালু হলে ইন্টারনেটের গতি বাড়বে এবং ভয়েস কলের ক্ষেত্রে সেবার মান উন্নত হবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির সচিব ও মুখপাত্র মো. সরওয়ার আলম।

বাংলানিউজকে তিনি বলেন, ইন্টারনেটের জন্য গ্রাহক ফিক্সড লাইনের পরিবর্তে মোবাইল নিয়ে যেকোনো স্থানে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

তিনি বলেন, বিদেশ থেকে যে কলগুলো করা হয় ইন্টারনেট ও ভয়েস কলে, সেগুলোর মান ভালো হবে। গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্ন কথা বলতে পারবেন, কলড্রপও কমে যাবে।

‘ফোর-জি’র মাধ্যমে আইওটি বা ইন্টারনেট অব থিংস ধারণার প্রসার ঘটবে। বাইরে থেকে মোবাইল বা ডিভাইসের মাধ্যমে ঘরের দরজা লক, ফ্যান নিয়ন্ত্রণ, গ্যাসের চুলা ঠিকঠাক আছে কিনা- এসব কাজ হাতের নাগালে চলে আসবে’।

ফোর-জিতে ইন্টারনেটের গতি বাড়লে দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি বাণিজ্যিক কাজগুলো সহজ হবে জানিয়ে বিটিআরসি মুখপাত্র বলেন, টেলিমেডিসিন থেকে শুরু করে মোবাইল এডুকেশন বা ই-লার্নিংয়ের মতো কাজগুলো খুবই সহজ হয়ে যাবে।

ফোর-জি চালুর আগ মুহূর্তে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নিলামে অংশ নিয়ে ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে গ্রামীণফোন ৫ মেগাহার্টজ ও ২১০০ মেগাহার্টজে বাংলালিংক ৫ মেগাহার্টজ এবং ১৮০০ মেগাহার্টজে ৫.৬ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনেছে। নিলামের পর গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকের তরঙ্গের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৩৭ ও ৩০.৬ মেগাহার্টজ।

On-the-afternoon-of-the-afternoon-the-Chinese-Szwan-Rice 

আজ ছুটির দিন, তাই বাচ্চাকাচ্চা, বড়, বুড়ো সবাই বাড়িতেই আছে। আর আপনি সবাইকে নিয়ে ছুটির দুপুরে কি খাবেন সেই চিন্তা করছেন? সাদামাটা খাবার তো রোজই খাচ্ছেন। আজ একটু ভিন্ন স্বাদের খাবার খেয়ে দেখুন। কি খাবেন? খুবই দ্রুত তৈরি করে নিতে পারবেন অত্যন্ত সুস্বাদু একটি চাইনিজ রাইস আইটেম সেজোয়ান রাইস। চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক চাইনিজ সেজোয়ান রাইস তৈরির খুবই সহজ রেসিপিটি।


সেজোয়ান সস তৈরি উপকরণ:

শুকনো মরিচ ১ মুঠো
আদা রসুন বাটা ১ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি ১ টি
সয়া সস ১ টেবিল চামচ
ভিনেগার ১ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদ মতো
ঝাল বুঝে মরিচ গুঁড়ো
তেল ৩/৪ টেবিল চামচ

রাইসের জন্য উপকরণ:

রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ
শুকনো মরিচ ১-২ টি
বরবটি বা ফ্রেঞ্চ বীনস আধা কাপ
গাজর কুচি আধা কাপ
সেজোয়ান সস ঝাল বুঝে
ভিনেগার ১ চা চামচ
সয়া সস ১ চা চামচ
ভাত ১-দেড় কাপ (৯০% সেদ্ধ করা)
লবণ স্বাদ মতো
তেল পছন্দ মতো
স্প্রিং অনিয়ন ইচ্ছে (পেঁয়াজ পাতা)

প্রণালি:


সস তৈরি:
প্রথমে গরম পানিতে শুকনো মরিচ ডুবিয়ে রাখুন এবং এরপর তা ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করে নিন।

একটি প্যানে তেল গরম করে নিয়ে এতে আদা রসুন বাটা দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন। পুড়িয়ে ফেলবেন না। এরপর এতে দিন পেঁয়াজ কুচি এবং নরম হয়ে গেলে মরিচের পেস্ট দিয়ে দিন।

যখন তেল ছেড়ে আসবে তখন একে একে বাকি মসলা দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন। সব শেষে ৫-৬ মিনিট চুলায় অল্প আঁচে রেখে নামিয়ে ফেলুন সেজোয়ান সস।

রাইস তৈরি:
প্রথমে প্যানে তেল দিয়ে এতে রসুন কুচি ও একটি শুকনো মরিচ ছিঁড়ে দিয়ে ভালো করে নেড়ে নিন। এতে যোগ করুন ফেঞ্চ বীনস বা কুচি করে কাটা বরবটি ও গাজর।

১ মিনিট উচ্চ তাপমাত্রায় সবজি নেড়ে নিয়ে সেজোয়ান সস দিয়ে নেড়ে নিন। সয়া সস ও ভিনেগার দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে রান্না করা ভাত দিয়ে দিন। উপরে লবণ ছিটিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন।

নামানোর পূর্বে কিছুটা স্প্রিং অনিয়ন দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। এরপর পরিবেশন করুন সুস্বাদু এই চাইনিজ রাইস আইটেম এবং ছুটির দুপুরে মজা নিন চাইনিজ সেজোয়ান রাইসের
Blogger দ্বারা পরিচালিত.