রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শীর্ষস্থানীয় শিল্পকৌশল কোম্পানী যা বিগত ২০ বছরের অধিক সময় ধরে থিম পার্কের রাইড তৈরী ও বিক্রয় করছে। ঢাকার প্রাণকেন্দ্র থেকে কাছেই বসিলাতে ওয়ার্কশপটি হওয়ায় খুব সহজেই আপনি আপনার রাইডটি পছন্দ করতে পারবেন নিয়ে যেতে পারবেন।


রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ পার্ক ডিজাইন ও ডেভেলপ, কিডি ও ফ্যামিলি রাইডস, মাল্টি একটিভিটি প্লে গ্রাউন্ড সিস্টেম, কন্সাল্টেন্ট  এ্যামিউজমেন্ট রাইড ইত্যাদির ম্যানুফ্যাকচারার হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করছে। এই রাইড গুলো আপনি আপনার স্কুল, গার্ডেন এবং পার্ক, কন্সট্রাকশন সাইট অফিস, রেসিডেন্সিয়াল সোসাইটিস, ক্লাব ও রিসোর্ট বা হলিডে হোম এর জন্য নিতে পারবেন।

রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান যেটি মোহাম্মাদপুরের কাছেই বসিলাতে অবস্থিত। এরা যে কোন ধরনের থিম পার্ক বা শিশু পার্ক অথবা স্কুল ও রেসিডেন্ট রাইড ও খেলনা প্রস্তুত ও সরবরাহ করে থাকে।  রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ বিভিন্ন ধরনের রাইড ও খেলনা নকশা এবং উন্নয়নের জন্য অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একটি বড় টিম নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারা তাদের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গর্বিত।


রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ বিভিন্ন ধরনের রাইড, শিশুর আইটেম তৈরী করে। রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট সব সময় তাদের পন্যের মান ও নতুন পন্য নিয়ে কাজ করে চলেছে। রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ উচ্চ মানের এবং যুক্তিসঙ্গত দামে বিভিন্ন পণ্যে বিভিন্ন ধরণের অফার দিয়ে থাকে।

রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের রাইড গুলো দিয়ে ঢাকাসহ ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় ২০টির উপর থম পার্ক ও শিশুপার্ক গড়ে উঠেছে। তাছাড়া শতাধিক প্রতিষ্ঠান ও স্কুল তাদের প্লে গ্রাউন্ডের জন্য রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ থেকে রাইডগুলো নিয়েছেন এবং সন্তুষ্ট আছেন। বর্তমানে রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং দেশের সাথে সাথে বিদেশে পন্য পাঠানোর জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছে। 

আমাদের লক্ষ্য
আমাদের লক্ষ্য হল আমাদের গ্রাহকদের মান নিশ্চিত করা একটি সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চ মানের পণ্য সরবরাহ করা, গ্রাহকের সন্তুস্তি অর্জন ও পন্যের গুণগত মান ঠিক রেখে সেবার মান সর্বোচ্চ করা। প্রায় দুই যুগ ধরে গ্রাহকের সেবাই আমাদের লক্ষ্য।


ম্যানুফ্যাকচারার-প্রত্যক্ষ মূল্যায়ন
রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ থেকে ক্রয় করার সময়, আপনি প্রস্তুতকারকের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় করছেন, এবং ক্রয়ের সময় আপনার পন্য যাচাই বাছাই করে ট্রায়াল দিয়ে নেয়ার সুযোগ ও রয়েছে। বর্তমানের অতি-প্রতিযোগিতামূলক দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির সময়েও আপনি এখানে তুলনামূলক কম মূল্যে রাইড ক্রয়ের নিশ্চয়তা পাবেন এবং আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষিত গ্রাহক পরিষেবা প্রতিনিধিরা আপনাকে পথের প্রতিটি পদক্ষেপে নিয়ে যাবে।


উপকরণ ও গুণমান
রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ প্রতিটি পন্য বা রাইড তৈরীর সময় কঠোর ভাবে এর গুণগত মান নিয়ন্ত্রন করা হয়। বাচ্চাদের জন্য তৈরীকৃত রাইড গুলোর উপকরনগুলো ও বাছাই করা হয় বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে এবং অধিক মজবুত করে।
আমরা কেবল গম্ভীরভাবে গুণ গ্রহণ করি না, আমরা এটি নিশ্চিত করি! আমাদের লক্ষ্য গ্রাহকদের তাদের অর্ডার দিয়ে সম্পূর্ণভাবে সন্তুষ্ট হয় তা নিশ্চিত করা। যদি, কোন কারণে, আপনার অর্ডারের নির্ভুলতার সাথে আপনি 100% সন্তুষ্ট নন, আমরা আপনার অর্ডারটি ঠিক করব, আপনার অ্যাকাউন্টকে ক্রেডিট করব, অথবা সম্পূর্ণ রিফান্ড প্রদান করব।

রাহা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ
 সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে 
তাদের অফিসিয়াল 

 

সবকিছুই ঠিকঠাক। শুটিংও মাত্র শুরু হয়েছে। ঠিক অমনি নিজের বিয়ের অজুহাতে ‌‘ভারত’ ছবি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বিষয়টি নিয়ে বেশ চটেছিলেন ছবির নায়ক সালমান খান।


ঠিক সেই মুহূর্তে পরিচালক-প্রযোজককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করলেন সালমানের সাবেক প্রেমিকা ক্যাটরিনা কাইফ।


প্রিয়াঙ্কার জায়গায় ছবিটিতে কাজ করবেন তিনি। বিশাল বাজেটের ‘ভারত’ পরিচালনা করছেন আলি আব্বাস জাফর।
পরিচালক টুইটারে এ বিষয়ে একটা ঘোষণা দিয়েছেন। এটি এমন, ‘‘আমি সত্যিই ভীষণ আপ্লুত ক্যাটরিনার সঙ্গে কাজ করব বলে। আমাদের নতুন ছবি ‘ভারত’-তে সালমানের সঙ্গে দেখা যাবে তাকে। এমন প্রতিভাবান অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করাটা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক।’’

ছবিটির শুটিং চলতি মাসেই শুরু হয়েছে। তবে ক্যাটরিনা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে টিমের সঙ্গে যুক্ত হবেন। এর শুটিং দেশটির পাঞ্জাব, দিল্লি এবং বিদেশের মধ্যে মাল্টা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে হবে। এতে পাঁচটি ভিন্ন লুকে আসবেন সালমান খান।

সালমান ও ক্যাটরিনাকে একসঙ্গে সর্বশেষ দেখা গেছে ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ ছবিতে। আর সালমান ও আলি আব্বাস এর আগে কাজ করেছেন ব্লকব্লাস্টার ‘সুলতান’-এ।

 

গত দুই দশক ধরেই ইংল্যান্ডের ধনী-গরিবের মধ্যে গড় আয়ুর বৈষম্য বাড়ছে।


দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ হিসেব মতে, লন্ডন নগরীতে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে আয়ুতেও ফারাক তৈরি হয়েছে।


স্টকটনে ধনীদের আয়ু বাড়ছে। তারা পাচ্ছেন দীর্ঘ জীবন। কিন্তু গরিবদের আয়ু তেমন বাড়ছে না। তাদের বেশির ভাগই মারা যাচ্ছেন অল্প বয়সে।


স্টকটনেরই বাসিন্দা রব হিল। স্ত্রী ও আট সন্তানকে রেখে মাত্র ৪৬ বছর বয়সেই তিনি এখন নিজের মৃত্যুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একদিকে তিনি সারা জীবন ধরে সিগারেট পান করেছেন। অন্যদিকে দারিদ্র্যের কারণে সবসময়ই খেয়েছেন সস্তা ও নিম্নমানের খাবার। ফলে সব মিলিয়ে রব হিলের শরীরে বাসা বেঁধেছে রোগ-বালাই। তার আছে এম্ফিসেমা, লিম্ফিডেমা ও টাইপ-২ ধরনের ডায়াবেটিস।

আরও দুই বছর আগেই ডাক্তাররা রবকে মাস ছয়েক সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। তাই আক্ষরিক অর্থেই এখন তিনি বেঁচে আছেন বাড়তি আয়ুর বদৌলতে।

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের মতে, স্টকটনে গরিবের চেয়ে ধনীর আয়ু অন্তত ১৮ বছর বেশি। এই বিভক্তি ও বৈষম্য যুক্তরাজ্যের একটি জাতীয় সমস্যা। গত দুই দশক ধরে আয়ুর এই বৈষম্য বাড়ছে।

জাতীয় হিসেব মতে, ইংল্যান্ডের ধনী পরিবারে জন্ম নেওয়া শিশুরা অপেক্ষাকৃত গরিব পরিবারে জন্ম নেওয়া শিশুদের চেয়ে গড়ে সাড়ে আট বছর বেশি বাঁচে।

স্টকটন শহরের ডাক্তার ডেভিড হজসন বলেন, ‘এ শহরে পুরুষের গড় আয়ুর প্রত্যাশা মোটে ৬৪ বছর। এটি মূলত আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার সমান।

শহরটিতে ধনী-গরিবের আয়ুর ক্ষেত্রে কেন এত বৈষম্য?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গত পাঁচ বছর ধরে একটি গবেষণা করেছেন অধ্যাপক ক্লেয়ার বামব্রা।

গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, আয়ুর ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকলেও মূল কারণ আয়-বৈষম্য। আয়ুর এই বৈষম্য কমাতে দেশটির সরকার বদ্ধপরিকর বলেও জানিয়েছে।

এ বিষয়ে শহরটির সেন্ট বেডস ক্যাথলিক একাডেমির প্রধান বার্নি রিজি-এলান বলেন, ‘মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা ও শ্রেণির বিভেদ দিয়ে আয়ু নিরূপণ হওয়া ঠিক নয়। এই বৈষম্য অবশ্যই কমানো সম্ভব এবং এটি কমবেও। কিন্তু সমাধিস্থানের স্মৃতিফলকগুলোতে চোখ বুলালে দেখা যায়, কত না অল্প বয়সেই ঝরে যাচ্ছে কত প্রাণ।’
Blogger দ্বারা পরিচালিত.