অন্য সবার সঙ্গে রাষ্ট্রায়াত্ব অপারেটর টেলিটকও ফোরজির লাইসেন্স নিয়ে নিচ্ছে, কিন্তু সেবায় আসতে তাদের আরো অনেক সময় লাগবে।কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফোরজি সেবা নিয়ে আসতে আরো অন্তত দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে একমাত্র দেশীয় অপারেটরটিকে।


রাষ্ট্রায়াত্ত্ব কোম্পানির সুবিধায় অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে বরং ১৩ মাস আগেই ২০১২ সালের আগস্টে থ্রিজি সেবা চালু করেছিল টেলিটক। তখন এর জন্যে বাড়তি অনেক গ্রাহকও পেয়েছিল অপারেটরটি। কিন্তু এবার তাদের পক্ষে কিছুই নেই।নেটওয়ার্ক তৈরির জন্যে সরকারের কাছে ৭০০ কোটি টাকা চেয়েছিল সেও গত বছরের শুরুর দিকে।সেই টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু ছাড় করেনি অর্থ মন্ত্রনালয়।

পরে নিজেদের অর্থে অন্তত হাজারখানেক সাইট তৈরি করতে চেয়েছে। কিন্তু সেখানেও বিধিবাম। বোর্ডই বলছে, আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করতে। এর মানে হল অপারেটরটকে আরো বেশ কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে।আমাদের সামনে তেমন কোনো ভবিষ্যত দেখতে পাচ্ছি না। এভাবে একটা অপারেটর চলতে পারে না, বলছিলেন কোম্পানির একজন ক্ষুব্ধ জেনারেল ম্যানেজার।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে তিনি বলেন, রোববার লাইসেন্স ফি’র জন্যে ১০ কোটি টাকা জমা দিয়েছেন তারা। কিন্তু এই টাকা জোগাড় করতেও তাদরেকে সময় নিতে হয়েছে। এতোটাই খারাপ অবস্থায় আছে কোম্পানিটি।আগে থ্রিজি দিয়ে আমরা যতোটা এগিয়েছিলাম। এবার সবার পরে ফোরজি দিয়ে আমরা ততোটাই পিছিয়ে পড়বো, মন্তব্য করছিলেন ওই কর্মকর্তা।

অপারেটরটির হাতে এখন সব মিলে ২৫ দশমিক ২ মেগাহার্ডজ স্পেকট্রাম আছে। এই স্পেকট্র্রামই যথেষ্ট বলে নতুন করে তারা স্পেকট্রাম কেনার নিলামেও বসেনি।অন্যদিকে আবার মঙ্গলবার টেকনোলজি নিউট্রালির জন্যে আবেদন করার শেষ দিন। এখনো আবেদন করার সিদ্ধান্ত হয়নি অপারেটরটির।

তবে টেলিটকের এখন একটাই ভরসা, সেটি হল সরকার যদি তাদের জন্যে কিছু করেন।অপারেটরটিতে এখন সব মিলে ৪৪ লাখ কার্যকর সংযোগ আছে। তবে ফোরজি এবং কয়েক মাসের মধ্যে মোবাইল নাম্বার পোর্টাবিলিটি চালু হওয়ার পর তাদের ওপর বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

লেহেঙ্গা ৩ কোটি, তোয়ালে দেড় লাখ রুপি! 

ভারতীয় সিনেপ্রেমীরা একেবারে আদর্শ হিসেবে মানেন বলিউড তারকাদের। এ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনাও দেখা যায়। এমনকি সিনেমায় তারকারা যে জিনিসপত্র ব্যবহার করেন, তা কিনতে হুলুস্থুল কাণ্ড ঘটে যায়।


যেমন সালমান খানের তোয়ালে। এর দাম উঠেছে প্রায় দেড় লাখ (১ লাখ ৪২ হাজার) রুপি!  ‘মুঝসে শাদি করোগি’ ছবিতে সালমানের ব্যবহৃত সেই তোয়ালে যেন একসময়ের সিম্বল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর তাতেই তো এত চড়া দামে নিলাম।
‘লগান’ ছবিতে আমির খানের ব্যাটের জাদুকরিতেই কুপোকাত হতে হয়েছিল ইংলিশদের। গোটা ‘লগান’ টিম সবাই সই করেছিলেন সেই ব্যাটে। আনাড়ি হাতে তৈরি এ ব্যাটের বিক্রি হয়েছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার রুপিতে!

একবার শাম্মি কাপুর কাশ্মিরে গিয়ে ‘ইয়াহু’ চিৎকার দিলেন! এটা দেখা গেল ‘চাহে কহি মুঝে জঙ্গলি কহে...’ গানের মাধ্যমে। তখন দর্শকের নজর কেড়েছিল শাম্মির পরনের খয়েরি রঙের জ্যাকেটটি। পরে এর দাম উঠল ৮০ হাজার।
‌‘ধাক ধাক করনে লাগা...’ এই গানের কথা মনে আছে? মাধুরী দীক্ষিত হলদে রঙের এক পোশাক পরে নেচেছিলেন। শুটিং শেষে ৮০ হাজার রুপিতে নিলাম হয়েছিল সেটি।

আর ‘দেবদাস’ এর ‘মার ডালা...’ গানটি অন্য সবার দাম ‘মেরে’ দিয়েছিল। সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত এ ছবিতে মাধুরীর ব্যবহৃত সেই লেহেঙ্গার দাম নিলামে উঠেছিল ৩ কোটি রুপি!


বসন্তের ফ্যাশনেবল পোশাক 

আধুনিক তরুণ প্রজন্ম ঝুঁকছে ট্রেন্ডি ফ্যাশনের দিকে। আর সেই ফ্যাশন চাহিদা মেটাতে ঝুট-ঝামেলার অন্ত নেই। সব ঝামেলা মিটিয়ে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ তা দিচ্ছে পোশাকের ক্যানভাসে।


ট্রেন্ডি, ক্যাজুয়াল, এক্সটিক, ভাইব্রেন্ট, স্ট্রিট ও এলিগ্যান্ট রেডি টু ওয়ার ওমেন কালেকশন এবার আইকনিকের ঘরে। হ্যালো স্প্রিং শিরোনামে রঙিন এসব নতুন পণ্য পাচ্ছে সববয়সী প্রতিটি নারী।

প্যাটার্ন ভিন্নতা এবং প্যাশ্চাত্য কাট, আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজের পণ্যে দিচ্ছে সাতন্ত্র্য। হ্যালো স্প্রিং-এর  পাশাপাশি আইকনিকের শোরুমে থাকছে শর্তসাপেক্ষে মূল্যছাড়ের সুযোগও।

ফেসবুকে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজের ফ্যান পেইজ অনুসরণ করলে জানা যাবে নতুন পণ্যের ডিজাইন সম্পর্কে। ‘ফাস্ট ডেলিভারি’  সুবিধায় ফেসবুক পেইজ থেকে পাওয়া যাবে শর্তসাপেক্ষে পণ্য অর্ডারের সুবিধাও।

আইকনিকের উদ্যোক্তা তাসলিমা মলি জানান, ট্রাডিশনাল এবং পাশ্চাত্য পোশাকে নিজেদের গর্জাস লুকে উপস্থাপনার জন্য উজ্জ্বল রঙের পোশাক থাকছে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজে। সবই সমকালিন ফ্যাশন প্যাটার্ন ও কালার প্যালেট অনুসরণ করে তৈরি। তাই আমাদের ক্রেতা মূলত: ট্রেন্ডি এবং ফ্যাশন সচেতন।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.