ক্রিকেটে সাংবাদিক ও ধারাভাষ্যকারদের বহুল-ব্যবহৃত শব্দ—মিনোস। ক্রিকেটের উদীয়মান-শক্তিগুলোকে ‘মিনোস’ হিসেবে অভিহিত করতে কেন যেন ক্রিকেট-সংশ্লিষ্টরা খুব আরাম পান। আইসিসির সহযোগী কোনো সদস্য রাষ্ট্র যদি টেস্ট-খেলুড়ে দেশগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবতীর্ণ হয়, তাহলেই হলো, ‘মিনোস’ ‘মিনোস’ করে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন ধারাভাষ্যকার ও সাংবাদিকেরা। আভিধানিক অর্থ ‘ছোট মাছ’ হলেও উদীয়মান শক্তিগুলোর ‘দুর্বলতা’ বোঝাতে কিংবা দেশগুলোকে হাসাহাসির পাত্রে পরিণত করতে এই ‘মিনোস’ শব্দের জুড়ি মেলা ভার। আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, হল্যান্ড, আরব-আমিরাত, কেনিয়া, আফগানিস্তান—এই দেশগুলোকে তো ‘মিনোস’ হিসেবে অভিহিত করা হয়ই, অবমাননাকর শব্দটি থেকে এখনো রেহাই মেলেনি বাংলাদেশ কিংবা জিম্বাবুয়ের মতো অপেক্ষাকৃত নবীন টেস্ট-খেলুড়ে দেশগুলোরও। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে সহযোগী-সদস্য কিংবা দুর্বল টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ‘মিনোস’ শব্দটি ব্যবহার করতে অনেকেই বিব্রতবোধ করছেন। ব্যাপারটির একটা নমুনা মিললো আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ শুরুর আগ মুহূর্তে স্টার স্পোর্টসের ধারাভাষ্যকারদের আলাপচারিতায়।
ক্যানবেরায় অনুষ্ঠানরত এই ম্যাচটির আগে স্টারস্পোর্টসের নিয়মিত আয়োজনে এর প্রিভিউ করছিলেন ইয়ান বিশপ, শেন ওয়ার্ন ও শন পোলক। হোস্ট হিসেবে ছিলেন ক্রিকেট সম্প্রচারের নিয়মিত মুখ টেলিভিশন সাংবাদিক ও উপস্থাপক মায়ান্তি ল্যাঙ্গার। আলোচনা চলছিল বিশ্বকাপের দুই গ্রুপের দলগুলোর অবস্থান নিয়ে। আলোচনা করতে করতেই বাংলাদেশ, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তান প্রসঙ্গে মায়ান্তি বেশ কয়েকবারই উচ্চারণ করলেন ‘মিনোস’ শব্দটি। ক্রিকেটীয় জ্ঞান আর প্রজ্ঞায় ঋদ্ধ বিশপ, ওয়ার্ন কিংবা পোলকরা কিন্তু মায়ান্তির এই শব্দ-চয়নে যথেষ্ট বিব্রত বোধই করছিলেন। কারণ দুটি গ্রুপেরই অবস্থান বলছে, তথাকথিত শক্তিধর কিংবা মূল টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর সঙ্গে এই ‘দুর্বল’ দেশগুলোরও কোয়ার্টার ফাইনালে স্থান করে নেওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। থাকতে না পেরেই বোধহয় বিশপ মায়ান্তিকে শুধরে দিলেন, ‘দয়া করে “মিনোস” শব্দটা উচ্চারণ কোরো না। আমার কাছে মনে হয় “সহযোগী সদস্য” বলাটাই সবচেয়ে বেশি মানানসই। শেন ওয়ার্ন কয়েকবার ‘মিনোস’ উচ্চারণ করলেন বটে, কিন্তু এর আগে লাগিয়ে নিলেন ‘তথাকথিত’ শব্দটি। বিশপের অনুরোধে মায়ান্তিও যেন কিছুটা বিব্রত। অনুষ্ঠানের বাকি অংশে মিনোস শব্দটির ব্যবহারও থামিয়ে দিলেন তিনি। বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ড, আফগানিস্তানের অসাধারণ পারফরম্যান্স, কিংবা বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের সম্ভাবনা রাতারাতি ক্রিকেট-সংশ্লিষ্টদের মনোভাবে তাহলে পরিবর্তন এনেছে ব্যাপকভাবেই।
বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর থেকেই ‘মিনোস’ শব্দটির বহুল ব্যবহার শুরু হয়। বাংলাদেশ মাঠে নামলেই ধারাভাষ্যকারদের মুখে ‘মিনোস’-‘মিনোস’ করে তুবড়ি ছুটতে থাকে। বাংলাদেশের আগে জিম্বাবুয়ে যখন গোটা নব্বইয়ের দশকে ‘নবীনতম টেস্ট খেলুড়ে দেশ’ হিসেবে পরিচিত ছিল, তখন কিন্তু এই ‘মিনোস’ শব্দটি ব্যবহারে এতটা ব্যাপকতা পরিলক্ষিত হয়নি। এই শব্দটির ব্যবহার যে মর্যাদাশীল রাষ্ট্র ও জাতিকে অবমাননার শামিল—সেটা বোধহয় নতুন করে না বললেও চলে। দুর্বল ও শক্তিতে পিছিয়ে থাকা একটি দেশকে অনেকভাবেই তুলে ধরা যায়, কিন্তু এর বদলে ক্রিকেটে চলেছে অমর্যাদাকর ভাষা ব্যবহারের মহোৎ​সব। সহযোগী সদস্য দেশগুলোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই কেবল থামিয়ে দিতে পারে এই প্রবণতা। নিউজিল্যান্ডকে ২০১০ বিশ্বকাপের আগে ধবল ধোলাই করে কিন্তু বাংলাদেশ অনেকাংশেই কমিয়েছিল এর ব্যবহার।
২০১৫ বিশ্বকাপেই কবর রচিত হোক ‘মিনোস’ শব্দটির।


অস্ত্র মামলায় ইয়েরাওয়াড়া কারাগারে সাজা খাটছেন ‘খলনায়ক’ তারকা সঞ্জয় দত্ত। এবার ‘দাবাং’ তারকা সালমান খানও সম্ভবত অস্ত্র মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন।
১৯৯৮ সালে বিরল প্রজাতির ব্ল্যাকবাক হরিণ শিকার করায় মামলা হয় খান সাহেবের বিরুদ্ধে। সে সময় সালমানের রাইফেল ও রিভলবার জব্দ করা হয়। পরে জানা যায়, আগ্নেয়াস্ত্রগুলোর লাইসেন্সের মেয়াদ পার হয়ে গিয়েছিল। এ জন্য অবৈধ অস্ত্র বহনের অভিযোগে মামলা হয় সালমানের বিরুদ্ধে। যোধপুর আদালতে মামলাটির চূড়ান্ত রায় দেওয়া হবে আগামীকাল ২৫ ফেব্রুয়ারি। সালমানকে সশরীরে হাজির থাকতে হবে আদালতে।
১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের সময় ব্ল্যাকবাক হরিণ শিকারের মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল সালমানকে। যোধপুর কারাগারে অল্প সময়ের জন্য দুবার জেলও খাটতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমানে এই মামলায় জামিনে মুক্ত আছেন সালমান। সম্প্রতি এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।
গত বছর মামলার কার্যক্রম নতুন করে শুরু হয়। রাজস্থান হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেন, সালমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলা থেকে তাঁকে অব্যাহতি দিতে হবে। পরে মামলাটি নিম্ন আদালতে স্থানান্তর করা হয়। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর দিকে মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর ২৫ ফেব্রুয়ারি মামলার চূড়ান্ত রায় দেওয়ার নির্দেশ দেন যোধপুর আদালতের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।


গেইম ছবিতে প্রথমবারের মতো আইটেম গানে পারফর্ম করেছিলেন আলোচিত র‍্যাম্প মডেল রুমা। আবারও আইটেম গানের শিল্পী হিসেবে পারফর্ম করলেন তিনি। ছবির নাম ইউটার্ন। গতকাল সোমবার এফডিসির চার নম্বর ফ্লোরে গানটির শুটিংয়ে অংশ নেন রুমা। আজ মঙ্গলবার গানটির শুটিংয়ের মাধ্যমে শেষ হচ্ছে ইউটার্ন ছবির কাজ। ‘দিলেতে চোট লেগেছে, তার ছিঁড়েছে ব্রেইনে’—এমন কথায় গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন ফুয়াদ।
২০০২ সালে র‍্যাম্পে কাজ শুরু করেন রুমা। এরপর নাটকেও অভিনয় করেন তিনি। আইটেম গানে পারফর্ম করার ব্যাপারে রুমা বলেন, ‘এখন কিন্তু ভিন্ন ধরনের ছবি নির্মিত হচ্ছে। ছবিগুলো প্রশংসিতও হচ্ছে। অনেক দিন থেকেই ইউটার্ন ছবির আইটেম গানে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হচ্ছিল। ভাবনা ভালো লেগেছে। তাই প্রস্তাবে রাজি হয়েছি। ছবিটিতে আইটেম গানের পাশাপাশি ছোট একটি চরিত্রে অভিনয়ও করেছি।’
ইউটার্ন ছবির আইটেম গান সম্পর্কে পরিচালক আলভী আহমেদ বলেন, ‘আমার ছবির গল্পের প্রয়োজনেই আইটেম গানটি রাখা হয়েছে। কয়েকবার গানটির শুটিংয়ের তারিখ নির্ধারণ করেও নানা কারণে শুটিং করতে পারছিলাম না। অবশেষে করতে পারছি। তাই ভালো লাগছে। এই গানের শুটিংয়ের মাধ্যমেই ইউটার্ন ছবির শুটিং শেষ হচ্ছে।’
ইউটার্ন ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিপন, আইরিন, মৌটুসী বিশ্বাস, সোনিয়া, মিশা সওদাগর প্রমুখ।

 

স্বপ্নভঙ্গের যাতনা নিয়ে কয়েক ঘণ্টা পরই দেশে পা রাখার কথা পেসার আল আমিন হোসেনের। বিসিবি জানিয়েছে, দলের শৃঙ্খলা ভাঙার কারণেই তাঁকে দেশে পাঠানো হচ্ছে। যেকোনো ধরনের দুর্নীতি, নির্দিষ্ট করে বললে কোনো জুয়াড়ির সঙ্গে আল আমিনের সম্পর্ক থাকার কথা নাকচই করে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

টিম ম্যানেজমেন্টের অনুমতি না নিয়ে ১৯ ফেব্রুয়ারি পৌনে ১১টায় ব্রিসবেনের হোটেলের বাইরে যাওয়ার জেরেই তাঁকে দেশের ফেরত আসতে হয়েছে বলে জানিয়েছে বিসিবি। জানা যায়, সেদিন আল আমিন রাত পৌনে ১১টার দিকে হোটেল থেকে বেরিয়ে যান। ফিরে আসেন রাত ১২টার দিকে। বিসিবির ভাষ্যমতে, এটা স্পষ্টতই ‘টিম রুলস’ ভঙ্গ। আর এ কারণেই তাঁকে বিশ্বকাপ না খেলেই দেশে ফেরত যেতে হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আল আমিন না হয় অনুমতি না নিয়েই সেদিন রাতে হোটেলের বাইরে গিয়েছিলেন, কিন্তু এত রাতে তিনি হোটেলের বাইরে কেন গিয়েছিলেন, সে উত্তর কিন্তু স্পষ্ট করে দিচ্ছেন না কেউই।

খবর রটেছে, সম্প্রতি আকসু কর্মকর্তারা নাকি আল আমিনকে একটি নির্দিষ্ট নাম ধরে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। একজন ব্যক্তির ছবি দেখিয়ে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে তিনি তাঁকে চেনেন কি না। আল আমিন আকসু-কর্তাদের জানিয়েছেন, ওই লোকটিকে তিনি চেনেন। গত অক্টোবরে চেন্নাইয়ে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়ে ফেরার সময় বিমানবন্দরে নাকি তাঁর সঙ্গে পরিচয়। আকসু সব জেনে আল আমিনকে ওই লোক থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছিল। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার একটি ইংরেজি সংবাদপত্র তো শিরোনামই করেছে, ‘বুকির সঙ্গে যোগ থাকার কারণেই আল আমিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

এ সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে বিসিবির মিডিয়া-প্রধান জালাল ইউনুস বললেন, ‘আকসু আমাদের জানিয়েছে, আল আমিনের বিরুদ্ধে তাদের দুর্নীতি-সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ নেই। তবুও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। কারণ, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের ব্যাপারে আমরা “জিরো টলারেন্স” নীতি গ্রহণ করেছি। তবে বুকিদের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে, এ সংবাদের কোনো ভিত্তি নেই।’



গত বছরের ডিসেম্বরে মুম্বাইয়ের একটি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এআইবি রোস্ট অনুষ্ঠানের ভিডিও ক্লিপ অনলাইনে ফাঁস হওয়ার পর থেকে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় যেন থামছেই না বলিউডে। নোংরা ও কটূক্তিপূর্ণ ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে করণ জোহর, রণবীর সিং ও অর্জুন কাপুরের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। একাধিক তারকা-নির্মাতা অনুষ্ঠানটির পক্ষে-বিপক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন। আমির খান, নানা পাটেকার, কারিনা কাপুর খানের পর এবার অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে সতর্ক মন্তব্য করলেন শাহরুখ খান।
সম্প্রতি বিতর্কিত এআইবি রোস্ট অনুষ্ঠান সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে শাহরুখ বলেন, ‘আমি বরাবরই হাসি-ঠাট্টায় বিশ্বাসী। হাসি-ঠাট্টা এমন একটি বিষয় যা সব সময় প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। হয় আপনি হাসবেন, নয়তো ঘৃণা করবেন। আমার মতো জনপ্রিয় অভিনেতাদের কথা মানুষ শোনেন। অবশ্যই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। সব সময় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলতে থাকবে, প্রশ্ন উঠবে। সে ক্ষেত্রে আমি কারও পক্ষ নিতে পারি না।’ এক খবরে এমনটিই জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ডটকম।
মত প্রকাশের স্বাধীনতায় পুরোপুরি বিশ্বাস করেন জানিয়ে শাহরুখ বলেন, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে। আপনার যদি কোনো কিছু ভালো না লাগে, তবে তা গ্রহণ করবেন না। আমি সব সময় বলি, আপনার যদি কোনো কিছু দেখতে ভালো না লাগে, তবে তা দেখবেন না। কেউ তো আর আপনাকে জোর করছে না। আমি অনেক ছবিই দেখেছি যা আমার ভালো লাগেনি। কিন্তু তাই বলে ছবি যে বানিয়েছে, তাঁর কাছে গিয়ে আমি তো নিন্দা জানাতে পারি না। সেই অধিকার আমার নেই।’
প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বরে এআইবি রোস্ট অনুষ্ঠানে অংশ নেন অভিনেতা রণবীর সিং, অর্জুন কাপুর ও নির্মাতা করণ জোহর। অনুষ্ঠানটির ভিডিও ক্লিপ অনলাইনে ফাঁস হওয়ার পর ইউটিউব এবং সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার বিভিন্ন ওয়েবসাইটে হইচই পড়ে যায়। প্রকাশিত ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে, সোনাক্ষী সিনহা, দীপিকা পাড়ুকোন, আলিয়া ভাটের মতো প্রথম সারির বলিউডের অভিনেত্রীদের পাশাপাশি অসংখ্য দর্শক করণ, অর্জুন ও রণবীরের মুখে অশ্লীল ভাষা শুনে শিস ফুটিয়ে ও চিৎকার করে আনন্দ প্রকাশ করছেন।
করণ, অর্জুন ও রণবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কমেডিধর্মী এআইবি রোস্ট অনুষ্ঠানে চার হাজার দর্শকের সামনে মজা করার ছলে কেবল নোংরা ও কটূক্তিপূর্ণ ভাষাই ব্যবহার করেননি, যৌনতানির্ভর ও কুরুচিকর শব্দও উচ্চারণ করেছেন। এ জন্য চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর দিকে পুলিশি অভিযোগ দায়ের করা হয় তাঁদের বিরুদ্ধে। অনুষ্ঠানটির আয়োজকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে।



বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম দুটো ম্যাচে একেবারেই নিষ্প্রভ ছিলেন ক্রিস গেইল। এতটাই নিষ্প্রভ যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি কবে অবসর নেবেন, এ নিয়ে শুরু হয়েছিল জোর আলোচনা। গেইলকে কটাক্ষ করেই অবসর-আলোচনায় বাতাস দিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি। আজ ক্যানবেরায় জিম্বাবুয়েকে পেয়ে যাবতীয় সমালোচনা ও কটাক্ষের যন্ত্রণাই যেন মেটালেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে করলেন ডাবল সেঞ্চুরি। ২১৫ রানের দানবীয় ইনিংসটি খেলতে গিয়ে মারলেন ১৬টি সুবিশাল ছক্কা। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ডটিও করে নিলেন নিজের। মারলন স্যামুয়েলসকে সঙ্গে নিয়ে ৩৭২ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে শামিল হলেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ যুগলবন্দীতে। একই সঙ্গে তাঁর এই ইনিংস জিম্বাবুয়েকে চাপা দিয়েছে ৩৭২ রানের পাহাড়ে। কিছু দিন আগে ব্রিসবেন উপকূলের ওপর আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় মার্সিয়া আর লামের মতোই আজ ক্যানবেরা যেন দেখল আরেক ঝড়ের প্রলয়। আবহাওয়াবিদেরা পরবর্তী সময়ে যেকোনো ঘূর্ণিঝড়ের নাম নির্দ্বিধায় রেখে দিতে পারেন ক্রিস গেইলের নামে। ঝড়ের নাম হিসেবে ক্রিস গেইলই বোধ হয় সবচেয়ে যথাযথ নাম।
ক্রিস গেইলের ইনিংসটি এসেছে মাত্র ১৪৭ বলে। ১০৫ বলে শতক পূর্ণ করা গেইল ২১৫ রানে পৌঁছে যেতে বল খেলেন আর মাত্র ৪২টি। চারের থেকে যে ইনিংসে ছয়ের মার বেশি, সে ইনিংসটি যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে, সেটা আজ খুব ভালোই বুঝতে পেরেছে জিম্বাবুয়ে। টেলিভিশনের সামনে বসা দর্শকদেরও এই ইনিংসটি দেখতে দেখতে এক ধরনের মিশ্র অনুভূতি কাজ করেছে। বোলারদের প্রতি এতটা নির্দয় হওয়া যায় নাকি।
পুরো ইনিংসটিই ছিল গেইলের নানা ধরনের কীর্তিগাথায় ভরপুর। বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর, ছয় মারার সংখ্যা, জুটি ইত্যাদির রেকর্ড ছোঁয়ার আগেই গেইল আজ প্রবেশ করেছেন নয় হাজার রানের ঘরে। কেবল দ্বিতীয় ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান হিসেবে এই মাইলফলক ছোঁয়া গেইল আজ প্রমাণ করে দিয়েছেন, যে যা-ই বলুক ক্যারিবীয় ক্রিকেট ইতিহাসের ভয়ংকরতম ব্যাটসম্যানের অভিধা দিতে হবে তাঁকেই।
ক্রিস গেইলের প্রলয়ে চাপা পড়ে গেছে মারলন স্যামুয়েলসের দারুণ শতরানটি। ১৩৩ রানে শেষ অবধি অপরাজিত থাকা স্যামুয়েলস গেইলের সঙ্গে ইতিহাসে অমর করে রেখেছেন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ জুটিতে নিজের নাম লিখে। গেইল-স্যামুয়েলস ৩৭২ রানের জুটি পেছনে ফেলেছে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে টন্টনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সৌরভ গাঙ্গুলি ও রাহুল দ্রাবিড়ের ৩১৮ রানের অনন্য জুটিটিকে।
স্যামুয়েলসের ১৩৩ রানের ইনিংসটিতে ছিল ১১ চার ও তিনটি ছয়ের মার। ১৫৬ বলে, ২০৯ মিনিট ধরে খেলা স্যামুয়েলসের ইনিংসটি কম গুরুত্বপূর্ণ নয় এই কারণেই যে তাঁর এই ইনিংসটির কারণেই শেষ অবধি হাত খুলে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন গেইল, ঝড় তুলে তোলপাড় ফেলেছিলেন ক্যানবেরার মানুকা ওভালে।








পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া যাওয়ার পথে পদ্মা নদীতে আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এমভি মোস্তফা নামের যাত্রীবাহী একটি লঞ্চ ডুবে গেছে। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত ২২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা এক শিশুকে হাসপাতালে নেওয়ার পর সে মারা যায়।
তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ জনের লাশ উদ্ধার করার খবর নিশ্চিত করেছে।
এদিকে এ ঘটনায় ধাক্কা লাগা কার্গো জাহাজ নার্গিস-১-এর লস্কর শাহিনুর রহমান (২১), শহিদুল ইসলাম (২৪) ও জহিরুল ইসলামকে (১৬) আটক করেছে শিবালয় থানার পুলিশ।
পাটুরিয়া ঘাটের সুপারভাইজার জুয়েল রানা জানান, দেড় শতাধিক যাত্রী ছিল লঞ্চে। লঞ্চটি ১৪০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন।
পাটুরিয়া ফেরিঘাটে পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক ফজলুর রহমান খানসহ (৫৬) এ পর্যন্ত ১৪ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আরও চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন লাইলি বেগম (৬৫), মো. ইমরান (৮), মো .সেলিম (২২) ও নাসিরউদ্দিন (৪০)।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উদ্ধারকারী জাহাজ আইটি ৩৮৯ ডুবে যাওয়া লঞ্চটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছে। ঢাকা থেকে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের ১৫-১৬ জন ও স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
উদ্ধারকারী জাহাজ থেকে মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, ঘটনার পরপরই নদীতে থাকা অন্যান্য লঞ্চ, নৌকা ও ট্রলার গিয়ে বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার করে। তবে কতজন এখনো নিখোঁজ, তা জানা যায়নি। এখন পর্যন্ত ২২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শিশু ছয়জন, নারী পাঁচজন ও পুরুষ ১২ জন।
ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গুরুতর অবস্থায় এক শিশুকে উদ্ধার করা হয়। শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর শিশুটি মারা যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিকাশ মণ্ডল শিশুটির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
গোয়ালন্দ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার কিয়াম শিকদার জানান, নিহত শিশুটির নাম স্মৃতি। তার বাবার নাম ফারুক শেখ। তাদের বাড়ি এই ওয়ার্ডেই। ফারুক তাঁর ছেলেমেয়ে, স্ত্রী ও শাশুড়িকে নিয়ে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ দুর্ঘটনায় তিনি বেঁচে গেলেও তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়ি এখনো নিখোঁজ। ছেলেকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে উদ্ধার পাওয়া যাত্রী হাফিজুর রহমান শেখের ভাষ্য, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে লঞ্চটি দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছাড়ে। রওনা হওয়ার ১৫ মিনিট পরে আড়াআড়িভাবে আসা একটি কার্গো জাহাজ লঞ্চটির মাঝখান বরাবর আঘাত করে। এতে লঞ্চটি উল্টে ডুবে যায়। তিনি লঞ্চের ডেকে ছিলেন। ধাক্কায় তিনি নদীতে পড়ে যান। তিনি আরও জানান, যাঁরা লঞ্চের ডেকে ছিলেন, তাঁরা বের হতে পেরেছেন। তবে ভেতরে থাকা যাত্রীরা কেউ বের হতে পারেননি। হাফিজুরের বাড়ি বাগেরহাটে।
তদন্ত কমিটি গঠন: লঞ্চডুবির ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন মো. শাজাহান। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নৌযান দুর্ঘটনা তদ‌ন্তের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এর আগে যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সেই কমিটিও আজকের দুর্ঘটনার তদন্ত করবে।
এদিকে, লঞ্চডুবির ঘটনার পরপরই নৌপরিবহমন্ত্রী শাজাহান খান সচিবালয় থেকে ঘটনাস্থলে যান এবং উদ্ধারকাজের তদারকি করেন। তিনি এক শোকবাণীতে লঞ্চডুবিতে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।




ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের রেকর্ড যেমন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের ঠিক তা-ই। এর আগে ৩ ম্যাচ খেলে একটিতেও জিততে পারেনি ভারত। এমনকি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে মুখোমুখি একমাত্র সাক্ষাতেও প্রোটিয়াদের বিপক্ষে হেরেছিল ভারত। আজ যেন পুরোনো রেকর্ড বদলের অঙ্গীকার নিয়েই মাঠে নেমেছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। এমসিজিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৩০ রানে হারিয়ে সে লক্ষ্য পূরণ হলো অনায়াসেই।
ভারতের দেওয়া ৩০৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা প্রোটিয়ারা শুরুতেই দিশেহারা! ৪০ রানেই ফিরে গেলেন দুই ওপেনার। তৃতীয় উইকেট জুটিতে এবি ডি ভিলিয়ার্স-ফাফ ডু প্লেসি একটা চেষ্টা চালিয়েছিল বটে, তবে তা ভেস্তে যায় মোহিত শর্মার দারুণ এক থ্রো’য়ে। ডি ভিলিয়ার্স-ডু প্লেসির এ জুটিতে আসে ৬৮ রান। রান আউটে কাটা পড়ার আগে ডি ভিলিয়ার্সের সংগ্রহ ৩০ রান। তবে ভারতের গলার কাঁটা হয়ে বেশ কিছুক্ষণ উইকেটে ছিলেন ডু প্লেসি। কিন্তু আবারও প্রোটিয়াদের হন্তারক হিসেবে হাজির মোহিত। মোহিতের বলে ধাওয়ানের হাতে ক্যাচে পরিণত হওয়ার আগে ডু প্লেসির ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৫৫ রান। ২২.৪ ওভারে ২ উইকেটে ১০৮ থেকে ৪০.২ ওভারেই ১৭৭ রানে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা—শেষ ৬৯ রানেই পড়ল ৮ উইকেট! ভারতীয় বোলারদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেটে নিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিং করে ৩০৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে ভারত। ধাওয়ানের ক্যারিয়ার-সেরা ১৩৭, রাহানের ৭৯ আর কোহলির ৪৬ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ৫০ ওভারে স্কোরবোর্ডে ৭ উইকেটে ৩০৭ রান তোলে ধোনির দল।
সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েই বিশ্বকাপে খেলতে এসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত প্রোটিয়াদের সেই ধার দেখা গেল কোথায়? স্নায়ুচাপ ভর করলেই প্রোটিয়ারা যেন খোলসের ভেতরে ঢুকে যায়। আজও তা-ই। অন্যদিকে বিপরীত অবস্থা ভারতের। গত তিন মাসে অস্ট্রেলিয়া কন্ডিশনে খাবি খেতে থাকা ভারত বিশ্বকাপে কী দুর্দান্ত চেহারায় না ফিরল! ‘বি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে ভারত। সামনের ম্যাচগুলোয় এ গতি ধরে রাখতে পারলে আরও সুখবরই অপেক্ষা করছে ভারতীয় সমর্থকদের জন্য!




অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলের পেসার আল আমিন হোসেনকে। আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু) তাঁর বিরুদ্ধে ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’র অভিযোগ তোলায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁর বদলি হিসেবে পেসার শফিউল ইসলামকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। ঢাকা থেকে অস্ট্রেলিয়ায় আসার জন্য অ্যামিরেটস এয়ারলাইন্সে আগামীকালের টিকিটও বুকিং দেওয়া হয়েছে তাঁর নামে।

বিসিবির দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অবশ্য স্পষ্ট করে বলা হয়নি আল আমিন ঠিক কী ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন। শুধু বলা হয়েছে ‘টিম রুলস’ ভাঙার অপরাধে তিনি বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলোতে দলে থাকবেন না। তাঁকে যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরত পাঠানো হবে। ম্যানেজারের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টা তদন্ত করে দেখা হবে বলেও জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

আকসুর অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলছেন না টিম ম্যানেজমেন্ট বা বিসিবির কেউই। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড পরিচালক অবশ্য বলেছেন, ‘আকসু যদি সে রকম কিছু পেয়ে থাকে, তারাই এ ব্যাপারে পরবর্তী কার্যক্রম চালাবে।’

অসমর্থিত একটি সূত্র জানিয়েছে, গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আকসু ক্যানবেরা থেকেই আল আমিনের ওপর নজর রাখছিল। সেখানে সন্দেহজনক কিছু লোকের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎও নাকি করেছেন এই পেসার! ব্রিসবেনে যাওয়ার পরও ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১১টা থেকে পৌনে ১২টা পর্যন্ত হোটেলের বাইরে ছিলেন আল আমিন। নিয়ম অনুযায়ী রাত ১০টার পর কোনো খেলোয়াড় হোটেলের বাইরে গেলে তাঁকে টিম ম্যানেজমেন্টের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু আল আমিন ওই এক ঘণ্টা হোটেলের বাইরে ছিলেন টিম ম্যানেজমেন্টের অনুমতি না নিয়েই।



আকসুর কাছ থেকে আল আমিনের ‘শৃঙ্খলাভঙ্গে’র তথ্য পেয়ে তাঁর ব্যাপারে কঠিন সিদ্ধান্তই নিয়েছে বিসিবি। জানা গেছে, ব্রিসবেনে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান এবং কয়েকজন পরিচালক এ ব্যাপারে নিজেদের মধ্যে একটি সভা করেছেন। আল আমিনকে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তটি সেখানেই নেওয়া হয়।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.