BLACK iz IT inistitute এর স্কলারশিপের আওতায় ফ্রিল্যান্সিং, এসইও এবং  ওয়েব-ডিজাইন কোর্সে ভর্তি চলছে। আগামী ১/মে/২০১৫ থেকে কোর্স তিনটির নতুন ব্যাচ নেওয়া হচ্ছে। কোর্স ফি এবং কোর্সের সম্পর্কে বিস্তারিত নীচে দেয়া হল।

কোর্স গুলোর ক্লাস শুরু হবে আগামী ১/মে/২০১৫ তারিখ থেকে। আগামী ২৮/এপ্রিল/২০১৫ থেকে ভর্তি নেওয়া হবে।


কোর্স ফি :

    ক্রিয়েটিভ ওয়েব ডিজাইন, কোর্স ফি ৩,০০০ টাকা।
    এডভান্স এসইও, কোর্স ফি ৩,০০০ টাকা।
   ফ্রিল্যান্সিং, কোর্স ফি ৩,০০০ টাকা।
    তবে যেকোনো দুইটি কোর্সের ফি ৫,০০০ টাকা।



কোর্সের সম্পর্কে বিস্তারিত :

  ওয়েব ডিজাইনিং কোর্সটিতে যা থাকবেঃ

• সাদা পেজ থেকে এইচ.টি.এম.এল কোডের মাধ্যমে সাইট তৈরি।
• সি.এস.এস. ডিজাইন এবং এডিট করা।
• জাভা, জে-কুয়ারি, বা জে-এসএস এর ব্যবহার।
• ড্রিম-ওয়াভারের মাধ্যমে ওয়েব ডিজাইন।
• টেম্পলেট/থিম এডিটিং এবং ওয়েব ডিজাইনিং।
• ড্রপ-ডাউন মেনু এবং স্লাইড তৈরি করা।
• বিভিন্ন প্রকার সিএমএস সেটাআপ/ইন্সটল।
• ডোমেইন প্যানেল পরিচিতি।
• সি-প্যানেল এবং ওয়েব-হোস্ট ম্যানেজার কন্ট্রল।
• ওয়ার্ড-প্রেস, থিম সেট-আপ।
• ওয়ার্ড-প্রেস কাস্টমাইজেশন।
• পিকচার/ছবি ইডিটিং করা।
• ভিবিন্ন ভাষায় ওয়েব ডিজাইন করা।
• ডাইনামিক ওয়েব ডিজাইন।
• রেস্পন্সিভ সাইট ডিজাইন।
• স্টেটেস্টিক ওয়েব ডিজাইনিং।



  অ্যাডভান্স এসইও কোর্সটিতে যা থাকবেঃ


• এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেসন) কি, এসইও কতপ্রকার ও কি কি।
• কী ওয়ার্ড রিসার্চ, কিভাবে বের করবেন ফোকাস কী-ওয়ার্ড।
• অন পেজ অপটিমাইজেশন এর সকল খুঁটিনাটি বিষয়।
• মেটা ট্যাগ এক্সপেরিমেন্ট, টাইটেল।
• কন্টেন্ট রাইটিং মেথর্ড, কী-ওয়ার্ড রিসার্চ, সাইট ম্যাপ।
• সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী সাইট মেকিং
• ওয়েবসাইটের লিংক স্ট্রাকচার।
• অফ পেজ এর বিভিন্ন কলাকৌশল।
• সকল প্রয়োজনীয় টুলস (গুগল এনালাইটিক্স, ওয়েবমাস্টার) এর ব্যবহার।
• ফোরাম ফোরাম পোস্টিং, ব্লগ কমেন্টিং।
• আর.এস.এস সাবমিশন, প্রেস রিলিজ সাবমিশন, ডিরেক্টরি সাবমিশন।
• লিংক হুইল, গেস্ট ব্লগিং, আর্টিকেল মার্কেটিং।
• বেস্ট ব্যাকলিংক ফাইন্ডিং টেকনিক।পীরামিড লিংক (সদ্য আবিষ্কৃত এসইও টেকনিক!)।
• ওয়ার্ডপ্রেস ও ব্লগার ওয়েবসাইট এর সকল এসইও প্লাগিন এর ব্যবহার।
• বিভিন্ন ওয়েব অ্যানালাইজার সেট-আপ এবং মেইনটেন করা।
• এসইও টাইটেল ট্যাগ, এসইও মেটাট্যাগ, এসইও এংকরট্যাগ।
• সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ওয়েবসাইটের URL রেজিট্রেশন করা।
• গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস বানানো এবং এর ব্যবহার পদ্ধতি ।
• ইমেজ/ছবি, ভিডিও বা অডিও সার্চের জন্য আলাদা এসইও টিপস।
• অ্যালেক্সা টুলবার, লিংক, র‍্যাংক সহ ইত্যাদি বিষয়।
• Odesk, freelancer, Elance-এর উপর বিশেষ ক্লাশ।
• অ্যাডভান্স এসইও রিলেটেড অন্নান্য কিছু বিষয়।



  ফ্রিল্যান্সিং কোর্সটিতে যা থাকবেঃ

১. অনলাইন মার্কেট প্লেস পরিচিতি ।
২. মার্কেট প্লেস অ্যানালাইজ ।
৩. কাজ করার ক্ষেত্র ।
৪. মানি ট্রান্সফার পদ্ধতি ও অনলাইন অ্যাকাউন্ট ।
৫. কিভাবে কাজ পাবেন ? অথবা পাওয়ার পদ্ধতি ।
৬. কি ভাবে কাজ শুরু করবেন ?
৭. ক্লাইন্ট এক্সপেকটেশন এবং স্যাটিসফ্যাকসন ।
৯. বিভিন্ন সমস্যা এবং সমাধান ।
১০. আরও অনেক ...




আমাদের ঠিকানাঃ


    ব্লাক-আইজ আইটি ইন্সটিটিঊট ঠিকানাঃ ১নং বিল্ডিং , লেকসার্কাস (২য় তলা ম্যাবস কোচিং   সেন্টার)     কলাবাগান,বাস স্টান্ড, ধানমন্ডি, ঢাকা ১২০৭ - বাংলাদেশ
    ফোন: ০১৯১১৭৭২৩৯৮,০১৬১১৭৭২৩৯৮, ০১৭১৭৬৯৫৬৩১, ০১৯১৮৭৫৬২২২, ০১৬৭১৫০২৩৯৬
    মেইল করুন @: institute@black-iz.com, info@black-iz.com ওয়েব ঠিকানা: inst.black-iz.com

আর আমাদের কোর্স সম্পর্কে আপনাদের আরো জানাবার জন্য এবং ভর্তি রেজিস্ট্রেশন এপ্লাইএর জন্য নিচের লিঙ্ক টিতে ক্লিক করুনঃ  

 

Registration

Information (institute)

বাংলাদেশে ইন্টেরিয়র ডিজাইন এবং দেশসেরা ইন্টেরিয়র ডিজাইনার কোম্পানি | Interior design company in bangladesh
সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের কাজের ক্ষেত্রও বাড়ছে। নিত্য নতুন এসব কর্মক্ষেত্রে নিজেদের যুক্ত করে অনেকেই সফলভাবে তাদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন। আমাদের দেশে তেমনি একটি কর্মক্ষেত্র হচ্ছে ইন্টেরিয়র ডিজাইন। প্রতিটি স্থানকে কাজে লাগিয়ে আসবাব, লাইট, গৃহসজ্জা সামগ্রীর যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে বাড়ি, অফিস বা যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে আরামদায়ক ও নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করাই ইন্টেরিয়র ডিজাইনের প্রধান লক্ষ্য । আর যিনি এ কাজ দক্ষতার সাথে করে থাকেন তিনি ইন্টেরিয়র ডিজাইনার । আগে আমাদের দেশে স্থপতিরাই সাধারনত কোনো ভবন নির্মাণের পাশাপাশি তার ইন্টেরিয়র ডিজাইন করতেন। কিন্তু বর্তমানে আর্কিটেকচার ও ইন্টেরিয়র ডিজাইন পৃথকভাবে করা হচ্ছে ।
মানুষ একদিকে যেমন চায় নিজেকে সুন্দর দেখতে, অন্যদিকে চায় তার আবাসস্থল এবং ভেতরের সাজসজ্জা, অফিস-আদালত, হাসপাতাল, বিদ্যালয় থেকে শুরু করে সব কিছুর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে। আর এ কাজটাই করতে হয় একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনারকে। আপনি যে ঘরে বসবাস করছেন সে ঘরের দেয়াল, মেঝে, দরজা, জানালা, আসবাব এমনকি পর্দাটাই বা কেমন হবে সে হিসাবটা করবেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। এক কথায় বলা চলে, ঘরের দেয়ালের রঙ, মানানসই আসবাবপত্রের ডিজাইন ও রঙ থেকে শুরু করে স্বল্প পরিসরের জায়গাকে কীভাবে বেশি করে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে যাবতীয় ডিজাইন ও বাস্তবায়ন করাটাই ইন্টেরিয়র ডিজাইনারের কাজ।
বর্তমানে আমাদের দেশের তরুণরা এ ক্ষেত্রটিতে নিজেদের যুক্ত করে গড়ে তুলছে অন্যতম একটি সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার। বিভিন্ন আর্কিটেকচারাল কোম্পানি , রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম, ইন্টেরিয়র ডিজাইন ফার্ম, পেইন্ট কোম্পানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের প্রচুর চাহিদা ব্যাপক ।
আই নেক্সটেরিয়র (iNEXTerior Bangladesh) 3D ডিজাইন করা ভিডিওটি দেখে নিতে পারেনঃ



 

ইনটেরিয়র ডিজাইন কী?
Interior শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Intro থেকে - যার অর্থ ভিতর, এর সাথে যুক্ত হয়েছে Design শব্দটি - যার অর্থ নকশা । এই দুটি শব্দ একত্রিত করলে হয় Interior Design । যার আভিধানিক অর্থ দাঁড়ায় আভ্যন্তরীণ নকশা বা অন্দর সজ্জা । অনেকেই চান অফিস বা বাসা সুসজ্জিত হোক। যাতে অফিস বা বাসার মধ্যে কোন স্পেস যাতে নষ্ট না হয়। এই ডেকোরেটেশনকে বলা হয় ইনটেরিয়র ডিজাইন। সাধারণত ইন্টেরিয়র ডিজাইন বলতে ঘর গোছানোকে বুঝে থাকি আমরা, বাস্তবে শুধু ঘর গোছানো নয় ইন্টেরিয়র ডিজাইন আরো ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয় ।
ইন্টেরিয়র ডিজাইন এর বর্তমান চাহিদা :
বাংলাদেশ উন্নয়নশিল দেশ এবং যথেষ্ট ঘনবসতিপূর্ণ । দেশে জায়গার স্ংকট সব যায়গায় । উন্নয়নশিল হওয়াতে উন্নয়েনের ছোঁয়া লাগছে প্রায় সব সেক্টরেই । তাই সবার চিন্তা থাকে অন্য সবার চাইতে আমার অফিস কিমবা বাসাটা একটু ভিন্ন, যুগোপযোগী । এছাড়াও বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় স্বল্প পরিমান জায়গাকে সর্বোচ্চ ব্যবহার উপযোগী করাই সবার মুল লক্ষ থাকে । এরই ধারাবাহিকতায় ইন্টেরিয়র ডিজাইনের চাহিদা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে । কারন ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররাই বলে দেন কিভাবে একটি ছোট্ট এপার্টমেন্ট বা অফিসকে দৃষ্টিনন্দন করার পাশাপাশি এর প্রতিটি স্থানকে সঠিক ও সফল ভাবে ব্যবহার উপযোগী করা যায় ।
বর্তমানে রিয়েল এস্টেট শিল্পের বিকাশের মাধ্যমেই দেশে গড়ে উঠছে হাজার হাজার এপার্টমেন্ট ও কমার্শিয়াল বিল্ডিং । গড়ে উঠেছে দোকান/শো-রুম ইত্যাদি । তাই বেড়ে চলেছে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের গুরুত্ব এবং পাশাপাশি ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের চাহিদা ।
বর্তমানে দেশে অনেক ইন্টেরিয়র ডিজাইন ফার্ম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যারা অত্যন্ত সফলতার সাথে ইন্টেরিয়র ডিজাইন করে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে । ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে অনেক চাকুরীর সুযোগও বাড়ছে । এর পাশাপাশি ইন্টেরিয়র ডিজাইন শেখার পর ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করারও সুযোগ রয়েছে । তবে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করার জন্য সৃজনশীলতার পাশাপাশি চাই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার মানসিকতাও । আমার পরিচিত এমন অনেকেই আছেন যারা ওডেস্ক কিমবা ফ্রিলান্সার ডট কমে অটো ক্যাড অথবা থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স্যের সাহায্যে বিভিন্ন ইন্টেরিওর আইডিয়া ডিজাইন করে আয় করছেন হাজার ডলার ।
বর্তমানে দেশে অনেক ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যারা অত্যন্ত সফলতার সাথে ইন্টেরিয়র ডিজাইন করে যাছে । এদের মধ্যে আমি "আই নেক্সটেরিয়র (iNEXTerior Bangladesh)" এর কথা বলব । এদের অয়েব সাইট আর আর ফ্যান পেইজে এদের কাজ গুলো দেখে সত্যি অবাক হয়েছি । আমাদের দেশেও এই মানের ইন্টেরিয়র ডিজাইন হচ্ছে । এদের সাথে যোগাযোগ করতে ফোন করতে পারেন এই নাম্বারে : +8801717695631 অথবা +৮৮০১৬৭১৫০২৩৯৬ কিম্বা ভিজিট করুন: www.inexterior.black-iz.com এছাড়াও বাংলাদেশে কাজ করছে ঢাকা ডেকর, ইন্টে   রিয়র উইং এবং আরও অনেকে ।

বাংলাদেশে ই কমার্স এর প্রসার এবং শীর্ষ ই কমার্স ডিজাইনার কোম্পানি !
ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বা ই-বানিজ্য একটি বানিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওইয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/ বিক্রয় হয়ে থাকে। আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বানিজ্য কাজ পরিচালনা করে। এছাড়াও মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও অন্যান্য আরো কিছু মাধ্যম ব্যবহৃত হয়। উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশেও ই-কমার্স ব্যবসা দ্রুত জনপ্রিয়টা পাচ্ছে।
দুনিয়া ব্যাপী ই কমার্স ভিত্তিক ব্যাবশা ক্রমেই বাড়ছে । সারা বিশ্বে অনলাইন লেনদেনের বাড়ার কারণে এ অর্থনীতির গতি ও আকার বড় হচ্ছে । অনলাইনে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডপে তাদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে, জানায় বিজনেস টেকে । ২০১২ সালে বৈশ্বিক ই-কমার্স বাজারের আকার ছিল ১৭০ কোটি ডলারের। ওয়ার্ল্ডপের পূর্বাভাস অনুযায়ী, অনলাইনে পণ্য ও সেবা কেনার জন্য ব্যাংকনির্ভর যে কার্ডসেবা (ডেবিট-ক্রেডিট) প্রচলিত রয়েছে, ২০১৭ সালে তার বিকল্প কিছু পদ্ধতিতে ই-কমার্স বাজারের ৫৯ শতাংশ লেনদেনই সম্পন্ন হবে। ওয়ার্ল্ডপের মতে, বিকল্প লেনদেন পদ্ধতিগুলো হবে, অনলাইন (রিয়েল-টাইম) ব্যাংক ট্রান্সফার, ডিরেক্ট ডেবিট, ই-ওয়ালেট ও মোবাইল।
বাংলাদেশে ই-কমার্সবর্তমান অবস্থায় নিজের ব্যাবশাইক অবস্থান ধরে রাখার জন্য ই-কমার্স ছাড়া আধুনিক কন অপশন নেই বললে ভুল হবে না । ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসাকে নিমেষই ছড়িয়ে দিতে পারেন সারা দুনিয়ায় । বলা হয়ে থাকে, ভবিষ্যতে পৃথিবীর সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য এক সময় ই-কমার্সের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে ই-কমার্সের ব্যবহার। বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রভাব হয়তো এখনো পুরোপুরি পড়েনি। তারপরও বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যবসাই এখনো প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের উচিত দ্রুত এ প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তন ঘটিয়ে সবাইকে ই-কমার্সের আওতায় নিয়ে আসা। অন্যথায় বিশ্ববাজারে বাজার হারাবে বাংলাদেশ । বাংলাদেশের গার্মেন্টসশিল্পসহ বেশকিছু পণ্য এখনো বিশ্ববাজারে খুবই সমাদৃত । একে পুরোপুরি ই-কমার্সের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন, না হলে বিশ্ববাজারে নিজ অবস্থানে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। ই-কমার্সের আওতায় সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য চালালে বাইরের দেশের লোকেরা খুব সহজে আমাদের নিজেদের দেশের পণ্যের সঙ্গে অন্যান্য দেশের তুলনা করতে পারবে এবং অপেক্ষাকৃত সস্তা বলে আমাদের দেশের পণ্যের বাজারজাত আরও বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া আমাদের দেশে স্থানীয় বাজারের জন্য ই-কমার্সের ব্যাপক প্রচলন প্রয়োজন। এতে খুব সহজে ঘরে বসে বিস্তর বিবেচনা করে সবকিছু কেনাকাটা করতে পারব। সর্বোপরি ই-কমার্সের প্রচলন করার জন্য সরকারি এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই বাস্তবায়িত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা।
ই কমার্স ওয়েবসাইট ডিজাইন সম্পর্কে আসলে বলার তেমন কিছুই নেই । ওয়েবসাইটটি অনলাইন ক্রেতাদের ক্রয়-বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই মুল কাজ । আপনার ই কমার্স ওয়েবসাইটি এমন ভাবেই সাজান যেন অনলাইন ক্রয় প্রক্রিয়া সহজতর হয় এবং দোকানে গিয়ে পণ্য কেনার মতই অনলাইনে পণ্য কেনার অভিজ্ঞতা লাভ করে। ওয়েবসাইট এর এই রূপান্তর ক্রেতাকে আরও সহজভাবে আপার কম্পানির অফার এবং পণ্য লাইন দেখতে সক্ষম করবে । নতুন ই-কমার্স সাইটটি পণ্যের ক্যাটালগ আরও সংগঠিতভাবে ক্রেতার সামনে উপস্থাপন করানোর চেষ্টা করুন । রাখুন সোশ্যাল মিডিয়েতে আপানার ওয়েব সাইটের ফ্যান পেইজ কিম্বা গ্রুপ । ক্রেতাদের জন্য তাদের পছন্দের ব্র্যান্ড কিম্বা প্রোডাক্ট থাকুক আপনার সাইটে, তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে বা প্রয়োজনীয় পণ্য সার্চ করা কিমবা সহজে অর্ডার করার অপশন দিতে ভুলবেন না ।
বর্তমান সময়টা ই-কমার্সের। একটি পূর্ণাঙ্গ ই-কমার্স সলিউশনের প্রয়োজনীয়তা তাই অনস্বীকার্য। এমন চাহিদা পূরণ করতেই BLACK iz WEBs দিচ্ছে পূর্ণাঙ্গ ই-কমার্স সলিউশন। এর প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফ্রেন্ডলি ইউজার ইন্টারফেস, পূর্ণাঙ্গ কাস্টমার প্রোফাইল, আনলিমিটেড পণ্য কেনা, নিরাপদ অনলাইন গেটওয়ে প্রভৃতি। ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন, হোস্টিং, ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রনিক ইনভয়েস, শপিং কার্ট সলিউশন, স্টক ব্যবস্থাপনা, অনলাইন কাস্টমার ফিডব্যাক, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এবং ই-কমার্সের সাথে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কাজের পূর্ণাঙ্গ সলিউশন প্রদান করতে সক্ষম BLACK iz WEBs । বিশ্বে ই-কমার্সের বাজার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে গ্রাহকরা এখন নগদ লেনদেনের চেয়ে অনলাইন লেনদেনকেই বেশি নিরাপদ মনে করছেন।
বাংলাদেশে ই-কমার্স
.
ই-কমার্স ব্যবসা করতে হলে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকে। কারণ যত লেট করবেন, পিছিয়ে পড়বেন। ২০১৪ সাল যদি হয় আপনার ই-কমার্স ব্যবসা শুরু, অর্থাৎ, সুন্দর একটি সাইট তৈরি, প্রোডাক্ট প্লান (কি ধরনের প্রোডাক্ট থাকবে, তার মার্কেট ডিমান্ড), কাষ্টমার সাপোর্ট সিস্টেম, এরপর আসবে সাইট মার্কেটিং/প্রোমশন ইত্যাদি। এরপর……..২০১৫ সাল হতে শুরু হবে আপনার ব্যবসা/লাভ। তার পূর্বেও হতে পারে। এটা নির্ভর করে আপনার সাইটের প্রোডাক্ট, ভিজিটর, মার্কেটিং ইত্যাদি বিষয়ের উপর। কত লাভ/ইনকাম হবে মাসে? এটা বলা মুশকিল। তবে অনলাইন শপিং মল তো! যদি লক্ষাধিক ভিজিটর ঢুকাতে পারেন সাইটে, ভিজিটর তার কাঙ্খিত ও কোয়ালিটি জিনিষ পায়, তবে তো সারছে! মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা কামাতে পারবেন আপনি। কত লক্ষ? সময়ই বলে দিবে।
ই-কমার্স ব্যবসার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল ইনভেষ্টমেন্ট কম এবং পর্যায়ক্রমে ইনভেষ্টমেন্ট (অর্থাৎ, অবস্থা বুঝে বিনিয়োগ), ফলে ঝুঁকি কম।

সময়ের সাথে সাথে সব ক্ষেত্রেই যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কম্পিউটার, ইন্টারনেট ছাড়া এখন আধুনিক কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কথা চিন্তাও করা যায় না। ব্যবসার প্রয়োজনে এবং কাজের দক্ষতা বাড়াতেই এখন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হচ্ছে সফটওয়্যারের মাধ্যমে, অফিস হয়ে উঠছে অটোমোটেড। ছোট-বড় বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে যেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর পেছনে বাড়তি অর্থ খরচ করা ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে সম্ভব নয়। বড় বড় অফিস বা ব্যবসা কেন্দ্রে প্রিমিয়ামফটওয়্যার গুলোর পেছনে খরচ করাটা বিলাসিতা না হলেও ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো তা চিন্তাও করতে পারে না। আর তাই সফট কোডার্স বাংলাদেশ নিয়ে এলো খুবই কম খরছে অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার । ( Top Accounting Software from Bangladesh )

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে হিসাব-নিকাশের জন্য ভালো একটি সফটওয়্যারের বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সফট কোডার্স বাংলাদেশ এর এই সফটওয়্যারটি(Top accounting Software from Bangladesh) উপরে নির্ভর করতে পারেন আপনি । । তবে যারা অ্যাকাউন্টিংয়ের কাজের জন্য সফটওয়্যারের পেছনে বেসি টাকা খরচ করতে চান না, তাদের কে বলছি সফটওয়্যার টি সুদুমাত্র ১৫০০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে । ডেবিট, ক্রেডিট, ইনভয়েস, ব্যাংক হিসাবসহ অ্যাকাউন্টিংয়ের সব কাজেই পারদর্শী এই সফটওয়্যার । অ্যাকাউন্টিং প্রায় সব ফিচারই রয়েছে এতে। একাধিক মুদ্রার জন্য কনফিগার করা যায় এটি এবং পাশাপাশি এর রিপোর্ট ফিচারটি অত্যন্ত শক্তিশালী। ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি আদর্শ একটি অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার এটি। ( Top Accounting Software from Bangladesh )
Mobile office and banking concept Top Accounting Software from Bangladesh
ওপেন সোর্স এই সফটওয়্যারকে(Top accounting Software from Bangladesh) নিজের পছন্দমতো প্লাস্টমাইজ করে নেওয়ারও সুবিধা রয়েছে। অনেকেই ভাবছেন আমি তো অ্যাকাউন্টিং জানি না, আমি কি শিখতে পারবো? তাদের জন্য বলছি, আগ্রহ থাকলে অবশ্যই পারবেন, তার জন্য আপনাকে অ্যাকাউন্টিং খুব একটা জানতে হবে না। আপনি কি ধরনের হিসাব করবেন তার একটি তালিকা দিলাম আপনাদের সুবিধার্তে। ( Top Accounting Software from Bangladesh )
..

যে প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি ব্যবহার করবেন তার ধরন কি তা জেনে নিই।

১। পন্য ক্রয়
২। স্টক
৩। বিক্রয়
৪। ক্রয় এবং বিক্রয় ফেরত
৫। বিভিন্ন ধরনের খরচ ( বেতন , বিল ইত্যাদি)
৬। ব্যাংকিং

আবার ধরি আপনার একটি কম্পিউটার প্রতিষ্ঠান আছে , যেখানে নিম্নের কাজ গুলি হয়ে থাকেঃ

১। পন্য ক্রয়
২। স্টক
৩। প্রাইস লিস্ট ( খুচরা , পাইকারী, স্পেশাল অফার)
৪। বিক্রয়
৫। সার্ভিসিং
৬। ট্রেনিং
৭। ব্যাংকিং
৮। বিভিন্ন ধরনের খরচ
৯। বিবিধ ইনকাম
..
সফটওয়্যারটির(Top accounting Software from Bangladesh) উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল, সব কাস্টমারের নাম এবং প্রডাক্ট বা আইটেমের নাম ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাতেও এন্ট্রি করা যাবে। ফলে সেলস ইনভয়েজ বা বিল এবং মানি রিসিপ্ট ইংরেজি ও বাংলায় দুই ভাবেই প্রিন্ট নেয়া যাবে। এছাড়া ব্যাংক চেক হাতে না লিখে সফটওয়্যারটি থেকে সরাসরি প্রিন্ট নেওয়ার যাবে।
অন্যান্য সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে, সফটওয়্যারটি(Top accounting Software from Bangladesh) স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেজারে পোস্টিং, লেজার ব্যালেন্স তৈরি, ট্রায়াল-ব্যালেন্স, প্রফিট অ্যান্ড লস, ব্যালেন্স সিট ইত্যাদি সব রিপোর্ট ভাউচার এন্ট্রির সঙ্গে সঙ্গেই তৈরি করে ফেলে। অ্যাকাউন্টসের সঙ্গে পণ্য ব্যবস্থাপনা ইন্টিগ্রেটেড বলে আলাদা করে পণ্যের মজুদের হিসাবও রাখতে হয় না, স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তৈরি হয়ে যায়।
আরেকটি বিশেষ সুবিধা হচ্ছে, নতুন আর্থিক বছরে সব লেজার বা আইটেম আবার নতুন করে তৈরি করতে হয় না। এয়ী লাইট সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূর্ববর্তী বছরের ক্লোজিং ব্যালেন্স নতুন আর্থিক বছরে ওপেনিং ব্যালেন্স হিসেবে নিয়ে এসে কাজ শুরুর করার উপযোগী করে দেয়।
সফটওয়্যার টি সম্পর্কে আরো জানতে এই লিঙ্কে ভিজিট করুন অথবা ফোন করুন, +৮৮০১৯১৮৭৫৬৮৮৮/ +৮৮০১৮৪২৭৫৬২২২

বাংলাদেশে ই কমার্স এর প্রসার এবং শীর্ষ ই কমার্স ডিজাইনার কোম্পানি !
ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বা ই-বানিজ্য একটি বানিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওইয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/ বিক্রয় হয়ে থাকে। আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বানিজ্য কাজ পরিচালনা করে। এছাড়াও মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও অন্যান্য আরো কিছু মাধ্যম ব্যবহৃত হয়। উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশেও ই-কমার্স ব্যবসা দ্রুত জনপ্রিয়টা পাচ্ছে।
দুনিয়া ব্যাপী ই কমার্স ভিত্তিক ব্যাবশা ক্রমেই বাড়ছে । সারা বিশ্বে অনলাইন লেনদেনের বাড়ার কারণে এ অর্থনীতির গতি ও আকার বড় হচ্ছে । অনলাইনে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডপে তাদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে, জানায় বিজনেস টেকে । ২০১২ সালে বৈশ্বিক ই-কমার্স বাজারের আকার ছিল ১৭০ কোটি ডলারের। ওয়ার্ল্ডপের পূর্বাভাস অনুযায়ী, অনলাইনে পণ্য ও সেবা কেনার জন্য ব্যাংকনির্ভর যে কার্ডসেবা (ডেবিট-ক্রেডিট) প্রচলিত রয়েছে, ২০১৭ সালে তার বিকল্প কিছু পদ্ধতিতে ই-কমার্স বাজারের ৫৯ শতাংশ লেনদেনই সম্পন্ন হবে। ওয়ার্ল্ডপের মতে, বিকল্প লেনদেন পদ্ধতিগুলো হবে, অনলাইন (রিয়েল-টাইম) ব্যাংক ট্রান্সফার, ডিরেক্ট ডেবিট, ই-ওয়ালেট ও মোবাইল।
বাংলাদেশে ই-কমার্সবর্তমান অবস্থায় নিজের ব্যাবশাইক অবস্থান ধরে রাখার জন্য ই-কমার্স ছাড়া আধুনিক কন অপশন নেই বললে ভুল হবে না । ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসাকে নিমেষই ছড়িয়ে দিতে পারেন সারা দুনিয়ায় । বলা হয়ে থাকে, ভবিষ্যতে পৃথিবীর সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য এক সময় ই-কমার্সের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে ই-কমার্সের ব্যবহার। বাংলাদেশে ই-কমার্সের প্রভাব হয়তো এখনো পুরোপুরি পড়েনি। তারপরও বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যবসাই এখনো প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের উচিত দ্রুত এ প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তন ঘটিয়ে সবাইকে ই-কমার্সের আওতায় নিয়ে আসা। অন্যথায় বিশ্ববাজারে বাজার হারাবে বাংলাদেশ । বাংলাদেশের গার্মেন্টসশিল্পসহ বেশকিছু পণ্য এখনো বিশ্ববাজারে খুবই সমাদৃত । একে পুরোপুরি ই-কমার্সের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন, না হলে বিশ্ববাজারে নিজ অবস্থানে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। ই-কমার্সের আওতায় সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য চালালে বাইরের দেশের লোকেরা খুব সহজে আমাদের নিজেদের দেশের পণ্যের সঙ্গে অন্যান্য দেশের তুলনা করতে পারবে এবং অপেক্ষাকৃত সস্তা বলে আমাদের দেশের পণ্যের বাজারজাত আরও বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া আমাদের দেশে স্থানীয় বাজারের জন্য ই-কমার্সের ব্যাপক প্রচলন প্রয়োজন। এতে খুব সহজে ঘরে বসে বিস্তর বিবেচনা করে সবকিছু কেনাকাটা করতে পারব। সর্বোপরি ই-কমার্সের প্রচলন করার জন্য সরকারি এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই বাস্তবায়িত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা।
ই কমার্স ওয়েবসাইট ডিজাইন সম্পর্কে আসলে বলার তেমন কিছুই নেই । ওয়েবসাইটটি অনলাইন ক্রেতাদের ক্রয়-বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই মুল কাজ । আপনার ই কমার্স ওয়েবসাইটি এমন ভাবেই সাজান যেন অনলাইন ক্রয় প্রক্রিয়া সহজতর হয় এবং দোকানে গিয়ে পণ্য কেনার মতই অনলাইনে পণ্য কেনার অভিজ্ঞতা লাভ করে। ওয়েবসাইট এর এই রূপান্তর ক্রেতাকে আরও সহজভাবে আপার কম্পানির অফার এবং পণ্য লাইন দেখতে সক্ষম করবে । নতুন ই-কমার্স সাইটটি পণ্যের ক্যাটালগ আরও সংগঠিতভাবে ক্রেতার সামনে উপস্থাপন করানোর চেষ্টা করুন । রাখুন সোশ্যাল মিডিয়েতে আপানার ওয়েব সাইটের ফ্যান পেইজ কিম্বা গ্রুপ । ক্রেতাদের জন্য তাদের পছন্দের ব্র্যান্ড কিম্বা প্রোডাক্ট থাকুক আপনার সাইটে, তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে বা প্রয়োজনীয় পণ্য সার্চ করা কিমবা সহজে অর্ডার করার অপশন দিতে ভুলবেন না ।
বর্তমান সময়টা ই-কমার্সের। একটি পূর্ণাঙ্গ ই-কমার্স সলিউশনের প্রয়োজনীয়তা তাই অনস্বীকার্য। এমন চাহিদা পূরণ করতেই BLACK iz WEBs দিচ্ছে পূর্ণাঙ্গ ই-কমার্স সলিউশন। এর প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফ্রেন্ডলি ইউজার ইন্টারফেস, পূর্ণাঙ্গ কাস্টমার প্রোফাইল, আনলিমিটেড পণ্য কেনা, নিরাপদ অনলাইন গেটওয়ে প্রভৃতি। ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন, হোস্টিং, ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রনিক ইনভয়েস, শপিং কার্ট সলিউশন, স্টক ব্যবস্থাপনা, অনলাইন কাস্টমার ফিডব্যাক, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এবং ই-কমার্সের সাথে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কাজের পূর্ণাঙ্গ সলিউশন প্রদান করতে সক্ষম BLACK iz WEBs । বিশ্বে ই-কমার্সের বাজার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে গ্রাহকরা এখন নগদ লেনদেনের চেয়ে অনলাইন লেনদেনকেই বেশি নিরাপদ মনে করছেন।
বাংলাদেশে ই-কমার্স
.
ই-কমার্স ব্যবসা করতে হলে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকে। কারণ যত লেট করবেন, পিছিয়ে পড়বেন। ২০১৪ সাল যদি হয় আপনার ই-কমার্স ব্যবসা শুরু, অর্থাৎ, সুন্দর একটি সাইট তৈরি, প্রোডাক্ট প্লান (কি ধরনের প্রোডাক্ট থাকবে, তার মার্কেট ডিমান্ড), কাষ্টমার সাপোর্ট সিস্টেম, এরপর আসবে সাইট মার্কেটিং/প্রোমশন ইত্যাদি। এরপর……..২০১৫ সাল হতে শুরু হবে আপনার ব্যবসা/লাভ। তার পূর্বেও হতে পারে। এটা নির্ভর করে আপনার সাইটের প্রোডাক্ট, ভিজিটর, মার্কেটিং ইত্যাদি বিষয়ের উপর। কত লাভ/ইনকাম হবে মাসে? এটা বলা মুশকিল। তবে অনলাইন শপিং মল তো! যদি লক্ষাধিক ভিজিটর ঢুকাতে পারেন সাইটে, ভিজিটর তার কাঙ্খিত ও কোয়ালিটি জিনিষ পায়, তবে তো সারছে! মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা কামাতে পারবেন আপনি। কত লক্ষ? সময়ই বলে দিবে।
ই-কমার্স ব্যবসার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল ইনভেষ্টমেন্ট কম এবং পর্যায়ক্রমে ইনভেষ্টমেন্ট (অর্থাৎ, অবস্থা বুঝে বিনিয়োগ), ফলে ঝুঁকি কম।

ডিজিটাল এই যুগের আপনারও হোক একটি অনলাইন সপ বা ই কমার্স ওয়েব সাইট !

ডিজিটাল এই যুগের আপনারও হোক একটি অনলাইন সপ বা ই কমার্স ওয়েব সাইট !
বাংলাদেশের মত একটি উন্নয়নশীল দেশে বর্তমানে ভার্চুয়াল জগত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে পুরো বিশ্বের অনলাইন তথা ই-কমার্স অত্যন্ত অপরিহার্য বিষয়। তাই বাংলাদেশেও ই-কমার্সের প্রভাব গুরুত্ব পূর্ণ। যেকোনো ব্যাবসা বাণিজ্য প্রসার ও সম্প্রসারনের ক্ষেত্রে ই-কমার্স খুবই সহায়ক ভুমিকা পালন করে। অনলাইনের মাধ্যমে যে কোন ব্যাবসার খবর খুব দ্রুত বিস্তার এবং প্রসার ঘটানো সম্ভব। তাই এক কথায় “ইন্টারনেটে কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যাবসা সম্পর্কিত পণ্য আদান-প্রদান কিংবা যে কোন কিছু লেনদেন পরিচালনাকেই ইলেক্ট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বলে।” আধুনিক ইলেক্ট্রনিক কমার্স সাধারনত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
ই-কমার্সের সাথে যুক্ত থাকলে প্রয়োজনীয় সাইটে গিয়ে যেকোনো পণ্য দেশে বা বিদেশে সহজেই ঘরে বসে পেতে পারেন। তাই এই পদ্ধতিতে দ্রুততম উপায়ে পণ্য সামগ্রি বিক্রয় অথবা কিনতে পারা যায়। এতে সময়, যাতায়াতের অতিরিক্ত খরচ ও শ্রম কম হয়। তাই ইন্টারনেট ব্যাবহারের মাধ্যমে অনলাইনে কেনাকাটা করা যায়। এজন্যই এই বেচা কেনা পদ্ধতির আরেক নাম ই-কমার্স। এ ছাড়াও এ কমার্সের মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশের পণ্যের সাথে বাইরের দেশের পণ্যর মান তুলনা করতে পারবো।
ই-কমার্স শুধুমাত্র বেচাকেনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যেকোনো জায়গা থেকে টাকা স্থানান্তর করা, অনলাইনে বিশ্ব বিদ্যালয়ের ফর্ম পুরন, ট্রেন, বাস, উড়োজাহাজের টিকেট বুকিং সবই ই-কমার্স এর আওতাভুক্ত। তাই এখন আর বিদ্যুৎ বিল এর জন্য, ফর্ম পুরনের জন্য দীর্ঘ লাইনে দারাতে হয়না। যে কোন দূরবর্তী স্থানের হোটেল এর রুম আগে থেকেই বুক করা যায় খুব সহজেই। যা জীবনকে করেছে সহজ, ঝামেলা মুক্ত এবং বেগবান। বর্তমানে বাংলাদেশও এর থেকে পিছিয়ে নেই। এখন স্থানীয় অনেক ব্যাবসাই প্রচলিত পদ্ধতির সাথে অনলাইনের মাধ্যমে অর্থাৎ ই-কমার্সের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। দেশের নানা শ্রেণির নানা পেশার মানুষ এখন ই-কমার্সের সুফল ভোগ করছে। দেশে বর্তমানে ৪০ মিলিয়নের অধিক জনগন ইন্টারনেট ব্যাবহার করে। এর মধ্যে বেশির ভাগই হল বর্তমান প্রজন্মের তরুন তরুণী। এদের মাধ্যমে দেশ তথ্য প্রযুক্তি তে অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। যা উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে তাল মিলিয়ে চলার জন্য অত্যন্ত সহায়ক ভুমিকা পালন করে চলছে।
ডিজিটাল এই যুগের আপনারও হোক একটি অনলাইন সপ বা ই কমার্স ওয়েব সাইট !
বর্তমান সময়টা ই-কমার্সের। একটি পূর্ণাঙ্গ ই-কমার্স সলিউশনের প্রয়োজনীয়তা তাই অনস্বীকার্য। এমন চাহিদা পূরণ করতেই BLACK iz WEBs দিচ্ছে পূর্ণাঙ্গ ই-কমার্স সলিউশন। এর প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফ্রেন্ডলি ইউজার ইন্টারফেস, পূর্ণাঙ্গ কাস্টমার প্রোফাইল, আনলিমিটেড পণ্য কেনা, নিরাপদ অনলাইন গেটওয়ে প্রভৃতি। ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন, হোস্টিং, ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রনিক ইনভয়েস, শপিং কার্ট সলিউশন, স্টক ব্যবস্থাপনা, অনলাইন কাস্টমার ফিডব্যাক, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এবং ই-কমার্সের সাথে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কাজের পূর্ণাঙ্গ সলিউশন প্রদান করতে সক্ষম BLACK iz WEBs । বিশ্বে ই-কমার্সের বাজার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে গ্রাহকরা এখন নগদ লেনদেনের চেয়ে অনলাইন লেনদেনকেই বেশি নিরাপদ মনে করছেন।

পয়েন্ট অফ সেল (Point Of sale) বা POS সফটওয়্যার এখন আপনার হাতের নাগালেই !

পয়েন্ট অফ সেল (Point Of sale) বা POS সফটওয়্যার এখন আপনার হাতের নাগালেই !
পয়েন্ট অফ সেল (Point Of sale) সফটওয়্যারঃ ১৯৮০ সালের দিকে যখন ব্যাংকিং-এ কম্পিউটারের কোন প্রয়োগ ছিল না, তখন গ্রাহকদিগকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাড়িয়ে ক্যাশ কাউন্টার থেকে টাকা উঠাতে হত। ব্যাংকের কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন রেজিস্ট্রারে এন্ট্রি দিয়ে চেক পাশ করতেন। তাতে সময় লাগতো বেশী। কম্পিউটারের প্রচলণের পর গ্রাহকের হিসাবে দ্রুত পোষ্টিং দেওয়া সম্ভব হওয়ায় গ্রাহকদেরকে বেশীক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয় না। দিন, সপ্তাহ, মাস বা বৎসরের শেষে বিভিন্ন হিসাব নিকাশ করা (যেমন গ্রাহকের হিসাবে সুদ বা মুনাফা নির্নয়), বিভিন্ন রিপোর্ট তৈরী, আর্থিক প্রতিবেদন যেমন ট্রায়াল ব্যালেন্স, স্টেটম্যান্ট অফ অ্যাফেয়ার্স, আয়-ব্যায় রিপোর্ট, ব্যালেন্স সীট তৈরী করা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার ছিল। যথাসময়ে আর্থিক প্রতিবেদন তৈরী প্রায় অসম্ভব বিষয় ছিল। সকল শাখার প্রতিবেদন হেড অফিসে একত্রিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরী ছিল বেশ কঠিন কাজ। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে হিসাব নিকাশের কাজ এখন খুবই সহজ হয়ে পড়েছে কারন হাতের নাগালেই রয়েছে পয়েন্ট অফ সেল (Point Of sale) সফটওয়্যারটি।
সফট কোডার্স বাংলাদেশ এর পয়েন্ট অফ সেল (Point Of sale) সফটওয়্যারটি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ব্যবহার ক্রিত সেরা POS সফটওয়্যার । এই পয়েন্ট অফ সেল (Point Of sale) সফটওয়্যারটিতে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে পয়েন্ট অফ সেল মডিউল সংযুক্ত করা হয়েছে। উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী, খুচরা বিক্রেতা, ছোট, বড় ও মাঝারি যে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যারটি উপযোগী । আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন একাউন্টিং এন্ড ইনভেন্টরী ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার এর প্রায় সকল বৈশিষ্টই সফট কোডার্স বাংলাদেশ সফ্টওয়্যার এ বিদ্যমান আছে। সফটওয়্যারটি পৃথক তিনটি ভার্সন এ পাওয়া যাচ্ছে ।
বিশেষভাবে তৈরীকৃত এই সফট্ওয়্যার এর মাধ্যমে আপনি খুব সহযে আপনার কম্পিউটার দোকান, সুপার সপ, গ্রসারি সপ, ফার্নিচার, পেইস্ট্রি সপ থেকে শুরু করে যেকোনো ব্যাবশা প্রতিষ্ঠানের হিসাব রাখতে পারেন। আমাদের এই সফট্ওয়্যার এর বিস্তারিত বিবরণ নিছে তুলে ধরা হলঃ
পয়েন্ট অফ সেল (Point Of sale) বা POS সফটওয়্যার এখন আপনার হাতের নাগালেই !
1. বিক্রয় ও বিল প্রিন্ট
2. অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট
3. এলসি/ আমাদানি রপ্তানি
4. ড্রিসট্রিবিউটর ম্যানেজমেন্ট
5. প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট
6. কাস্টমার ম্যানেজমেন্ট
7. ক্রয়-হিসাব
8. সপ্লাইয়ার হিসাব
9. ইনভেন্টরি মডিউল
10. মার্কেটিং
11. কমিশন সেটআপ
12. অটো ব্যাকআপ,
13. মাল্টিইউজার সাপোর্ট
14. ডিস্কাউন্ট ম্যানেজমেন্ট
15. সেল ট্র্যাকিং
16.বারকোড বেজ প্রাইজ
17.কাস্টমার কার্ড
আরও অনেক কিছু...
দোকানে কেনা কাটা করে যে কোন সময় কার্ড ও পস (POS) টার্মিনাল ব্যবহার করে বিল পরিশোধ করতে পারেন। মোবাইল ফোন ব্যবহার করেও দিনে ২৪ ঘন্টা, বেশকিছু লেনদেন করা যায়।সফটওয়্যার টি সম্পর্কে আরো জানতে এই লিঙ্কে ভিজিট করুন অথবা ফোন করুন, +৮৮০১৯১৮৭৫৬৮৮৮/ +৮৮০১৮৪২৭৫৬২২২

Free Freelancing কোর্স অনলাইনে ঘরে বসে আয় এর কোর্স সিডিউল (2)

বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান ফ্রিল্যান্সিং-এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখে সম্পুর্ন বিনা মূল্যে "চল করি অনলাইনে আয়" নামক একটি ফ্রি ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের ঘোষণা দিল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এবং পরিচিত আইটি স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার BLACK iz IT Institute। আলোচ্য কোর্সটিতে সপ্তাহ ব্যাপি মোট ২০ ঘন্টায় ৯টি ক্লাসের মাধ্যমে ফ্রি ট্রেন-আপ করা হবে। ( সম্পুর্ন Free Freelancing Course )



প্রাথমিক ভাবে প্রথম ১০০ জন এ সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মেহেদি মেনাফা। তিনি জানিয়েছেন, "বাংলাদেশে আমরা প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষকে ফ্রিল্যান্সিং-এ দক্ষ করে গড়ে তুলতে চাই  এবং এ ক্ষেত্রে নতুনদের বেশি প্রাধান্য দেয়া হবে।" তিনি আরও জানিয়েছেন "বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান ফ্রিল্যান্সিং-এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, অনেকেই আছেন যারা সঠিক গাইড লাইনের অভাবে আয় করতে পারছেন না, আমাদের সম্পুর্ন বিনা মূল্যে "চল করি অনলাইনে আয়" নামক কোর্সটির মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করার জন্যে প্রত্যেক্যেই একটি সঠিক দিক নির্দেশনা দেওয়া হবে" এ সংক্রান্ত আরও বিস্তারিত জানা যাবে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে, ফেসবুক পেইজে অথবা ফেসবুক গ্রুপে। ফেসবুকে  "চল করি অনলাইনে আয়" এর জন্য একটি ইভেন্টও রয়েছে।

Free Freelancing কোর্স অনলাইনে ঘরে বসে আয় এর কোর্স সিডিউল (2)

এছারাও "চল করি অনলাইনে আয়" কোর্সটি সম্পর্কে যে কোন তথ্যের জন্য নিম্নের ফোন নাম্বারে যোগাযোগের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ০১৯১৮৭৫৬২২২, ০১৮৪২৭৫৬২২২, ০১৯১১৭৭২৩৯৮, ০১৬১১৭৭২৩৯৮। এছাড়াও সরাসরি অফিস BLACK iz IT Institute এর প্রধান কার্যলয় কলাবাগান বাস স্ট্যান্ড থেকেও "চল করি অনলাইনে আয়" কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।
সম্পুর্ন বিনা মুল্যে "চল করি অনলাইনে আয়" কোর্সটি শুরু হতে যাচ্ছে ১৯ এপ্রিল ২০১৫ থেকে ২৪ এপ্রিল ২০১৫ পর্যন্ত চলবে। এতে সরাসরি অংশগ্রহনের জন্য নির্বাচিত ১০০ জনকে প্রতিদিন নির্দিস্ট স্থানে এসে ক্লাসে অংশগ্রহন করতে হবে এবং বাকিদের অনলাইনে লাইভ ভিডিও ক্লাসে অংশগ্রহন করার সুযোগ দেওয়া হবে।
Free Freelancing কোর্স অনলাইনে ঘরে বসে আয় এর কোর্স সিডিউল (2)
Free Freelancing কোর্স অনলাইনে ঘরে বসে আয় এর কোর্স সিডিউল (2)
খুব শিঘ্রই ক্লাসের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে সকলকে অবহিত করা হবে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহি পরিচালক ইমতিয়াজ বিন আহমেদ। এ ব্যাপারে তিনি বলেন "আমরা খুব দ্রুত প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে আমাদের আলোচ্য আয়োজনের বিষয় বস্তু সকলকে পরিস্কার করব। এছাড়াও আমাদের সম্পুর্ন বিনা মূল্যের কোর্স "চল করি অনলাইনে আয়" সম্পর্কে যেকোন তথ্যের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ এবং গ্রুপে জানান হবে!"
বিঃ দ্রঃ "চল করি অনলাইনে আয়"  একটি সম্পুর্ন Free Freelancing Course। উক্ত Free Freelancing Course টিতে যে কেউ সম্পুর্ন ফ্রিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.