নাইকন কুলপিক্স এস২৮০০: সস্তায় দারুণ তবে গতিতে ধীর

১০ হাজার টাকার মধ্যে সাধারণত ১০ থেকে ১৬ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা পাওয়া যায়। নাইকন সেই রেকর্ড ভেঙ্গে মাত্র সাড়ে ৭ হাজার টাকায় মধ্যে নিয়ে এসেছে অত্যাধুনিক ২০.১ মেগাপিক্সেল ডিজিটাল ক্যামেরা।
নাইকন কুলপিক্স এস২৮০০ তেমনি একটি ক্যামেরা। সস্তায় ভালো মানের ছবির কারণে এ কারণে এটি বেশ পরিচিতি পেয়েছে।
ডিজাইন
ক্যামেরাটি আকারে বেশ পাতলা ও চিকন। খুব সহজেই কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় জিন্সের পকেটে ঢুকিয়ে নিতে পারবেন।
Nikon Coolpix S2800-techshohor-1
শাটার বাটন, পাওয়ার বাটন ও জুম তিনটিই ওপরে দিকে থাকায় সুবিধাও হবে ব্যবহারের সময়।
তবে ফ্ল্যাশ এমন অদ্ভূত একটা জায়গায় বসানো হয়েছে যে ছবি তোলার সময় প্রায়ই আঙ্গুল ফ্ল্যাশের সামনে এসে যেতে পারে।
ফিচার
এতে নাইকর লেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, যেটির অপটিক্যাল জুম ৫এক্স। এফ/৩.২-৬.৫ অ্যাপাচার। টিএফটি এলসিডি মনিটরিটি ২.৭ ইঞ্চি। ভিডিও রেকর্ড করা যাবে ৭২০ পিক্সেলে।
সফটওয়্যার
যারা এর আগে নাইকন ব্যবহার করেছে, সফটওয়্যার কনফিগারেশন বুঝে নিতে তাদের কোনো সমস্যা হবে না।
সিন ও মেনু এ দুটি বাটন প্রধান। অনেক ইউজার শুধু দুটো বাটন দেখে একটু বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন। সিন বাটন চাপ দিয়ে শুটিং মোডে যেতে পারবেন। বাকি সব অপশন এ মেনু বাটনের ভেতরে থাকছে।
nikon_coolpix_s2800_techshohor
পাঁচ ধরনের শুটিং অপশন রয়েছে- দুই রকমের সিন অটো সিলেক্টির, স্মার্ট পোর্টেইট, অটো মোড ও ক্রিয়েটিভ ফিলটার।
স্মার্ট পোর্টেইট-এর ব্লিঙ্কপ্রুফ মোড নিশ্চিত করবে যাতে ছবিতে কোনো বন্ধ চোখের পাতা না আসে।
স্মার্টফোনে যারা ক্যামেরা ব্যবহার করেন, তারা জানেন ছবিতে ফিল্টার কতো জরুরি। ক্যামেরাটির একটা বড় ফিচার হলো এর আকর্শণীয় সব ফিল্টার। ছবি তোলার সময় ১২ রকম ও পরে ১৬ রকমের ফিল্টার প্রয়োগ করতে পারবেন।
পারফরম্যান্স
২০ মেগাপিক্সেল হলেও পারফরমেন্স বেশ স্লো পাওয়া যাবে। ম্যাক্রো শুটিং, সেলফ টাইমার, ফ্ল্যাশ অপশন সবকিছুই সম্পন্ন হতে বেশি সময় নেবে। বিশেষ করে একের পর এক ছবি তোলাটা কষ্টকর কারণ এক ছবি তোলার পর প্রসেস হতে হতেই অনেকক্ষণ লেগে যাবে।
ব্যাটারি
এর ব্যাটারি লাইফ মোটামুটি। ২৫০ থেকে ৩০০ ছবি তুলতে পারবেন, দেড় থেকে দুই ঘণ্টা টানা ভিডিও রেকর্ড করা যাবে।
এক নজরে ভালো
– অনেক রকম মোড ও ফিল্টার
– সুবিধাজনক আকার
এক নজরে খারাপ
– পারফরম্যান্স কিছুটা ধীরগতির