এইচ,টি,সি ওয়ান এ৯

এইচটিসি ফ্ল্যাগশিপ ফোন এম সিরিজের বদলে হঠাৎ চলতি বছর নিয়ে এলো ‘এ’ নামের আরেকটি ফোন। নতুন এ ফোন দেখতে প্রায় আইফোনের মতো। ফিচারেও বেশ উন্নত। এইচটিসি ওয়ান এ৯ বাজারে মূলত আইফোনের সঙ্গেই পাল্লা দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

দোকানে এইচটিসি ওয়ান এ৯ দেখে হঠাৎ যদি আইফোন ভেবে হাতে তুলে নেন, তাহলে অবাক হবেন না। কারণ ফোনটি প্রায় হুবুহু আইফোনের মত। হ্যা, এইচটিসি অ্যাপেলের সঙ্গে পাল্লা দিতে আরেকটি ফোন নিয়ে এসেছে। তবে এটির দাম সর্বশেষ আইফোনের দামের প্রায় অর্ধেক।
a9-review-1
ফোনটির কালো ফ্রন্ট প্যানেল ও পেছনের সলিড বডি খুব ভালো প্রিমিয়াম ফিল এনে দেয়।
একটি ভালো জিনিস যুক্ত করা হয়েছে এখানে, তা হল ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানার। অন্যসব ফোনের মত এখানেও তা হোম বাটনে অবস্থান করছে।

ফোনে থাকছে অ্যামোলেড ডিসপ্লে, যার রেজুলেশন ১০৮০*১৯২০ পিক্সেল ও পিপিআই সংখ্যা ৪৪১। স্ক্রিন কোয়ালিটি বেশ ভালো, কিন্তু তা সেরাগুলোর মতো নয়।
ব্রাইটনেসেও কিছু সমস্যা আছে, তাই সূর্যের আলোতে ডিসপ্লে দেখতে কষ্ট হতে পারে।

ফোনটির একটা সুবিধা হচ্ছে, এটা অ্যান্ড্রয়েড মার্শমেলোর প্রথম ডিভাইসগুলোর মধ্যে একটি। তবে সেটা গুগলের স্টক ভার্সন নয়। এর উপরে যথারীতি এইচটিসির নিজস্ব ‘সেন্স’ ইউজার ইন্টারফেস থাকছে।
Screenshot_5

কোয়াড কোর ১.৫ গিগাহার্জ প্রসেসর ভেতরে রয়েছে। চিপসেট হিসেবে থাকছে স্ন্যাপড্রাগন ৬১৭। এটি একটু ব্যাকডেটেড মনে হতে পারে এবং এর প্রভাব একটু ভারি কাজ করতে গেলেই চোখে পড়বে।
সাধারণ কাজ কর্মে একেবারে স্মুথ থাকবে ফোনটি, কিন্তু হাই গ্রাফিক্সের গেইম ওপেন করলেই ল্যাগ করা শুরু করে। মাল্টিটাস্কিং কাজের সময়ও এমনটি ঘটা অসম্ভব নয়।
ফোনটি ২ জিবি ও ৩ জিবি র্যা মের দুটি ভার্সনে পাওয়া যাচ্ছে। পারফরমেন্স উন্নতি করতে ৩ জিবি র্যা মের ভার্সনটা নিতে পারেন।
Screenshot_6

ক্যামেরায় বেশ ভালো ফোনটি। পেছনের ১৩ মেগাপিক্সেল অসাধারণ সব ছবি তুলে দিতে সক্ষম। অন্ধকার পরিবেশেও তা ঠিক থাকবে ডুয়াল এলইডি ফ্ল্যাশ থাকার কারণে।
সামনে রয়েছে ৪ আলট্রাপিক্সেল ক্যামেরা, যেটা কিনা এইটিসি ওয়ানের রিয়ার ক্যামেরা ছিল। এ ক্যামেরা থেকেও শার্প এবং স্বচ্ছ সব সেলফি উঠবে, বিশেষ করে অন্ধকারে।

২১৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি খুব একটা বেশি নয়। এক চার্জে একদিন চলবে কিনা, তা পুরোপুরি নির্ভর করবে আপনার ব্যবহারের উপরে।

বর্তমানে বাজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২,৮০০ টাকা।

– সুন্দর ডিজাইন
– জাকজমক ডিসপ্লে
– ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার
– অ্যান্ড্রয়েড মার্শমেলো ইউজার ইন্টারফেস

– ভারি অ্যাপে ল্যাগ করে
– বাজে ব্যাটারি লাইফ