মটো এক্স প্লে ভালো কিছুটা ভোগাবে ক্যামেরা



মটো এক্স প্লে ভালো কিছুটা ভোগাবে ক্যামেরা


এখন পর্যন্ত মটরোলার সেরা ফোন হিসেবে খ্যাতি পেয়েছে মটো এক্স। গত বছর বাজারে আসা এ স্মার্টফোন সন্তুষ্ট করছে অনেককেই। উঁচু প্রাইজট্যাগ না হয়েও এটি গ্রাহকদের এমন অভিজ্ঞতা দিয়েছে, যা প্রিমিয়াম লেভেলের ফোনও দেয় না।
এ ফোনের সফলতার ওপর ভিত্তি করে এবার মটো এক্স প্লে এনেছে কোম্পানিটি। এটি নিয়েও স্মার্টফোনপ্রেমীদের আশা-ভরসা ছিল অনেক। সম্প্রতি বাজারে আসা এ ডিভাইসটিও অবশ্য গ্রাহকদের নিরাশ করেনি।
ডিজাইন
অনেকটা মটো এক্সের মত দেখতে। বডির পেছনে একটা মেটাল স্ট্রিপে ক্যামেরা ও লোগো বসানো হয়েছে। আর সব মটোরোলা ফোনের মতো এটিতেও এক্সক্লুসিভ ফিচার ‘মটোমেকার’ রয়েছে।
এ ফিচারের জন্যই মটো এক্স বিপুল গ্রাহকপ্রিয়তা পেয়েছিল। এটি দিয়ে মটোরোলার ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ফোন পছন্দের রঙে ডিজাইন করে নেওয়া যায়। রঙের সেই বিশাল পরিসরে যে কোনো গ্রাহকের কাঙ্ক্ষিত রঙ থাকবেই।

ডিসপ্লে
আজকাল সব ফোনের ডিসপ্লে কিউ-এইচডি ডিসপ্লের দিকে ঝুঁকে পড়লেও মটোরোলা এখনও তাদের এলসিডি ডিসপ্লেতেই রয়েছে। কিন্তু তাই বলে স্ক্রিনটি খারাপ নয়। যথেষ্ট শার্প ও কালারফুল।
দিনের আলোতে ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা বেড়ে যাবে, আবার রাত্রে সেটা কমে পরিমিত অবস্থায় চলে আসবে। ৫.৫ উচ্চতার ডিসপ্লেতে রেজ্যুলেশন হলো ১০৮০*১৯২০ পিক্সেল আর পিপিআই সংখ্যা ৪০৩।
পারফরমেন্স
ডিভাইসটিতে কোয়াড কোর ১.৭ গিগাহার্জ প্রসেসর ও ২ জিবি র‍্যাম ব্যবহার করা হয়েছে। স্পেসিফিকেশন দেখে ভালো লাগবে না, কিন্তু এই ফোনের মসৃণতা বোঝার জন্য চালিয়ে দেখতে হবে।
কোনো জায়গাতেই ল্যাগ পাওয়া যাবে না, তেমনি স্লো হয়েও যাবে না। বড় বড় গ্রাফিক্সের গেইমও এ ফোনে কোনো সমস্যা ছাড়াই চালানো যাবে।
১৬ জিবি ও ৩২ জিবি- এ দুই সংস্করণে পাওয়া যাচ্ছে মটো এক্স প্লে, যা মেমোরি কার্ড দিয়ে ১২৮ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

ক্যামেরা
মাঝারি প্রাইসট্যাগেও এতে থাকছে ৫ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা এবং ২১ মেগাপিক্সলের অসাধারণ ব্যাক ক্যামেরা।
ছবির শার্পনেস ও ডিটেইল অনেক বেশি পাওয়া যাবে এবং কালার রিপ্রোডাকশনও যথেষ্ট ভালো। লো লাইটে যদিও ক্যামেরাটি আশানুরূপ পারফরমেন্স দেয় না।
ক্যামেরাটিতে দুটি আকর্ষণীয় ফিচার আছে। এর মধ্যে একটি হলো ফোনটির লকস্ক্রিন থেকে দুইবার শেইক করে ক্যামেরা অ্যাপে চলে যাওয়া যাবে।
আর অপরটি হলো ক্যামেরা অ্যাপ থেকে ছবি তোলার জন্য দু’বার শেইক করলে চালু হয়ে যাবে ফ্ল্যাশ।
ব্যাটারি
৩৬৩০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিতে একবার চার্জে পুরো একদিন সহজেই টানা যাবে।
দাম
দেশের বাজারে ডিভাইসটির দাম পড়বে ৩৬ হাজার ৯০০ টাকা।

এক নজরে ভালো
– দারুণ ডিসপ্লে
– মটোমেকার ফিচার
– অসাধারণ ক্যামেরা
এক নজরে খারাপ
– লো লাইটের কারণে কিছুটা ভোগাবে ক্যামেরা