এক্সপেরিয়া এম৫ চমৎকার পারফরমেন্স





এক্সপেরিয়া এম৫  চমৎকার পারফরমেন্স

এক্সপেরিয়া এম৫, সদ্য বাজারে আসা সনির মিডরেঞ্জ ফোন। এক্সপেরিয়া জেড ৫ -এর ঠিক আগেই বাজারে আসে এই ডিভাইস। অল্প দাম সত্ত্বেও এখানে সনির সেরা সব হাতিয়ার দিয়ে বোঝাই করা হয়েছে। মিডরেঞ্জ মার্কেট যে এখন সনির অনেকটা দখলে চলে আসবে তা এখন স্পষ্ট।
ডিজাইন
সনির টিপিক্যাল ফ্ল্যাট বডি ডিজাইন রয়েছে। ডিভাইসটি মাত্র ৭.৬ মিলিমিটার পুরু। পেছনে চকচকে ভাবটাও রয়েছে। সব মিলিয়ে একে প্রথম সারির এক স্টাইলিশ ফোন বলেই মনে হয়।
ডিভাইসটি কালো, সাদা ও সোনালি রঙে পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে, সোনালি রঙে ফোনটি বেশি চমৎকার লাগে।
জেড সিরিজের মতো এটাও পানি প্রতিরোধক। ১.৫ মিটার গভীরতায় সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট পর্যন্ত পানির নিচে থাকতে পারবে।

ডিসপ্লে
১০৮০x১৯২০ পিক্সেল রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লে। পিপিআই সংখ্যা ৪৪১। বেশ ভালো মনে হলেও বাস্তবে অতটা নয়। ব্রাইটনেসের বেশ অভাব এবং কালার রেন্ডারিং সাদামাটা। কিন্তু শার্পনেস, ভিউ অ্যাঙ্গেল অসাধারণ, মিডিয়াতে যেটা ব্রাইটনেসের ঘাটতি মিটিয়ে দেয়।
ক্যামেরা
ডিভাইসটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণটা ক্যামেরায়। ২১.৫ মেগাপিক্সেলের অবিশ্বাস্য ক্যামেরা জুড়ে দেওয়া হয়েছে পেছনে। শুধু তাই না, সামনেও ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে।
অবশ্যই, যত বড় সংখ্যা, মান তত নয়। কিন্তু তাও এটা মিড-রেঞ্জ বাজারের আর সব ক্যামেরার ঊর্ধ্বে বলা যায়।
৪কে ভিডিওসহ ক্যামেরা অ্যাপে এতই ফিচার ঢুকানো হয়েছে যে, স্টোর থেকে বাড়তি কোন ক্যামেরা অ্যাপ ডাউনলোড করা লাগবে না।

পারফরমেন্স
মিডিয়াটেক এক্স ১০ চিপসেটের অক্টাকোর প্রসেসর রয়েছে, যার ক্লক স্পিড ২.০ গিগাহার্জ। রয়েছে ৩ জিবির বিশাল র্যা ম।
সবকিছু গতিশীল এবং মসৃণ। পেছনে অনেকগুলো অ্যাপ খোলা থাকলেও স্লো হবে না ডিভাইস।
হাই-গ্রাফিক্স গেইমে যদিও হালকা ল্যাগ করতে পারে ডিভাইস। কিন্তু তা সব সময় নয়। ইন্টারনাল মেমোরি ১৬ জিবি থাকছে, মেমোরি কার্ড দিয়ে যা ২০০ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।
ব্যাটারি
২৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি অতিরিক্ত ব্যবহারেও সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা চলবে। কিন্তু সাবধানে ব্যবহার করলে একদিন সহজেই টানা যাবে।

দাম
ডিভাইসটি দেশের বাজারে ৩১ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে।
এক নজরে ভালো
– অসাধারণ ক্যামেরা
– ভালো পারফরমেন্স
– সুন্দর ডিজাইন
এক নজরে খারাপ
– অনুজ্জ্বল ডিসপ্লে