এখন স্মার্টফোনের সঙ্গে দিনের বেশির ভাগ সময় কাটানো মানুষের সংখ্যা কম নয়। যাঁদের স্মার্টফোনের সঙ্গে দিন যায়, তাঁদের স্মার্টফোনের নিরাপত্তার বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে খেয়াল রাখা দরকার। সাইবার হামলার হাত থেকে স্মার্টফোন সুরক্ষায় পাঁচটি সহজ উপায় আছে। দেখে নিন সেই পাঁচ উপায়
 

 
জটিল পাসওয়ার্ড: স্মার্টফোনে জোরালো ও জটিল পাসওয়ার্ড দিন। ফোন চুরি বা তথ্য অপব্যবহারের হাত থেকে এতে সুরক্ষিত থাকবে। এতে নিরাপত্তাব্যবস্থা ভাঙার বিষয়টি ঠেকানো যাবে।

অ্যাপ ডাউনলোডে সতর্কতা: অ্যাপ ডাউনলোডের সময় বাড়তি সতর্ক থাকুন। অপরিচিত ও অবৈধ উৎস থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না। অপরিচিত উৎস থেকে অ্যাপ ডাউনলোড সাইবার আক্রমণের মূল উৎস। কারণ, অবিশ্বস্ত উৎস থেকে আসা এসব অ্যাপে ম্যালওয়্যার থাকে, যা একবার ইনস্টল হলে ফোনে আরও ভাইরাস ইনস্টল করে, তথ্য চুরি করে।

তথ্য ব্যাকআপ রাখুন: ফোনে যেসব তথ্য আছে, সেগুলো কোনো কম্পিউটার, স্টোরেজ কার্ড বা ক্লাউডে ব্যাকআপ রাখুন। ফোন চুরি হলে বা হারালে এই তথ্য কাজে লাগবে।

তথ্য মুছে ফেলুন: পুরোনো ফোন বিক্রি করার আগে আপনার প্রাইভেসির বিষয়টি মাথায় রাখুন। ফোন থেকে সব তথ্য মুছে ফেলে ফোন রিসেট দিন। ইনিশিয়াল ফ্যাক্টরি সেটিংস দিয়ে ফোন থেকে সব তথ্য মুছে ফেলুন।

নিরাপত্তা সফটওয়্যার: নিরাপত্তা সফটওয়্যার ভাইরাস শনাক্ত ও দূর করতে পারে। যখন ফোন কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কম্পিউটারে যুক্ত করা হয়, তখন ভাইরাস আসতে পারে। তাই ফোন সুরক্ষার অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।

১৫ ডিসেম্বর থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) শুরু হচ্ছে তিন দিনের ‘ল্যাপটপ মেলা ২০১৬’। মেলার আয়োজক এক্সপো মেকার। এবারের মেলায় ১টি মেগা প্যাভিলিয়ন, ৬টি প্যাভিলিয়ন, ৬টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ৪৪টি স্টলে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য প্রদর্শন করবে।

গতকাল সোমবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ল্যাপটপ মেলা ২০১৬-এর সমন্বয়ক নাহিদ হাসনাইন সিদ্দিকী বলেন, ‘২০০৮ সাল থেকে প্রতিবছর এই মেলা আয়োজন করা হচ্ছে। আগের মেলাগুলোতে শিক্ষার্থী, তরুণ প্রজন্মসহ সবার অংশগ্রহণ ছিল প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। আমরা প্রত্যাশা করছি এবারের মেলা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।’

এই প্রদর্শনীতে ল্যাপটপ কম্পিউটারের পাশাপাশি ট্যাবলেট কম্পিউটার, ইন্টারনেট সিকিউরিটি পণ্য ও ল্যাপটপের আনুষঙ্গিক যন্ত্রও পাওয়া যাবে। ছাড় ও উপহারের পাশাপাশি মেলায় বেশ কয়েকটি নতুন মডেলের ল্যাপটপের মোড়ক উন্মোচন করা হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে।

এবারের মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক টেকশহর ডটকম। সহপৃষ্ঠপোষক এসার, আসুস, ডেল, এইচপি, লেনোভো ও ওয়ালটন। এ ছাড়া স্মার্টফোন সহযোগী হিসেবে লাভা, টিকিট বুথ সহযোগী হিসেবে অ্যাভিরা সিকিউরিটি এবং পার্টনার হিসেবে রয়েছে পিপলস রেডিও ও এডুমেকার থাকছে।
বিজ্ঞপ্তি


মার্কিন প্রেসিডেন্ট? ডোনাল্ড ট্রাম্প? কাউকেই নাকি আর পরোয়া করে না টুইটার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি অবশেষে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। সে বক্তব্য যদি হবু মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকেও আসে, তবু তারা এই বিধিনিষেধ প্রয়োগ করতেও পিছপা হবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে থেকেই বিদ্বেষপূর্ণ ও হিংসাত্মক বক্তব্য দিয়ে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে টুইটার এক বার্তায় জানিয়েছে, বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যের বিরুদ্ধে যে বিধিনিষেধ করা হয়েছে, তা অমান্য করলে তারা যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, এমনকি প্রেসিডেন্টের অ্যাকাউন্টও বাতিল করবে। টুইটারের এক মুখপাত্র এই বিধিনিষেধ সম্পর্কে বলেন, ‘সব অ্যাকাউন্টের জন্য এটা সমানভাবে প্রযোজ্য।’

মজার ব্যাপার হলো, ফেসবুকের কৌশল এ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন। কর্মীদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও, ফেসবুক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সবার জন্য নির্ধারিত নিয়মকানুন ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্টের জন্য প্রযোজ্য হবে না।


দেশের বাজারে জিআর ফাইভ স্মার্টফোনের ২০১৭ সংস্করণটি বাজারে আনছে হুয়াওয়ে। হুয়াওয়ে বলছে, এটি তাদের ফ্ল্যাগশিপ ফোন। স্মার্টফোনটির বিশেষ ফিচার হচ্ছে এর ক্যামেরা। জিআর ফাইভ স্মার্টফোনটির পেছনের দিকে দুটি ক্যামেরা লেন্স আছে। একটি ১২ ও অপরটি ২ মেগাপিক্সেলের। সেলফি তোলার জন্য ফোনটির সামনে আছে প্যানারোমিক ফিচারযুক্ত আট মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। পেশাদার আলোকচিত্রীরা স্মার্টফোনটিতে প্রো ফটো মোড ও কম আলোতে ভালোমানের ছবি তোলার সুবিধা পাবেন।

স্মার্টফোনটিতে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লে আছে, যা হাই ডেফিনেশন মানের ভিডিও দেখাতে পারে। অ্যান্ড্রয়েড মার্শম্যালো অপারেটিং সিস্টেমের ফোনটিতে রয়েছে অক্টাকোর প্রসেসর, তিন জিবি র‍্যাম। দুই সিমের ফোনটিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর রয়েছে। এর ব্যাটারি ৩ হাজার ৩৪০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের।
বাংলাদেশের বাজারে নতুন এ ফোনটির এখনো দাম ঘোষণা করেনি হুয়াওয়ে কর্তৃপক্ষ।



গুগল প্লে সেবাটি কয়েকটি মডেলের অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য বন্ধ করতে যাচ্ছে গুগল। পুরোনো সংস্করণের অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহৃত হচ্ছে এমন কিছু স্মার্টফোনে আগামী বছর থেকে প্লে সেবাটি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে গুগল।

গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড (অ্যান্ড্রয়েড ২.৩) ও হানিকম্ব সংস্করণে গুগল প্লে সেবাটি সমর্থন করবে না।

বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ অ্যান্ড্রয়েড পণ্যে জিঞ্জারব্রেড ব্যবহৃত হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে গুগল কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রায় ছয় বছর পুরোনো জিঞ্জারব্রেড। এখন অনেক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ নির্মাতা এ সংস্করণের জন্য অ্যাপ তৈরি করেন না। নতুন উদ্যোগ নেওয়ার ফলে অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে নতুন উন্নত অ্যাপ তৈরি হবে।


অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে মাল্টিটাস্কিং বা বিভিন্ন ধরনের কাজের ক্ষেত্রে প্রিমো এক্স-ফোর মডেলটিকে জুতসই বলে দাবি করেছে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। সম্প্রতি বাজারে আনা ফোনটি বেশ সাড়া জাগিয়েছে বলে দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি। ফ্ল্যাগশিপ ফোন হিসেবে প্রিমো এক্স-ফোর স্মার্টফোনটিতে ধাতব কাঠামো ব্যবহার করেছে ওয়ালটন। এ ছাড়া স্মার্টফোনটি নকশার দিক থেকে অনেকের নজর কাড়তে পারে।

ওয়ালটনের নতুন এই স্মার্টফোনে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চির ইন-সেল ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। ডিসপ্লের সুরক্ষায় ব্যবহৃত হয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৪। ফলে যেকোনো ধরনের দাগ থেকে ডিসপ্লে সুরক্ষিত থাকবে। ফোনটিতে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, অসাধারণ থ্রিডি গেমিং এবং দ্রুত ভিডিও লোড ও ল্যাগ-ফ্রি ভিডিও স্ট্রিমিং-সুবিধা দিতে রয়েছে ৪ জিবি র‍্যাম।

মাল্টি টাস্কিং-সুবিধা ও উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিতে প্রসেসর হিসেবে রয়েছে উচ্চ ক্ষমতার ৬৪ বিট সম্পন্ন ১ দশমিক ৮ গিগাহার্টজ অক্টা কোর প্রসেসর। ব্যবহৃত হয়েছে মালি টি-৮৬০ গ্রাফিকস। এ ছাড়া রয়েছে সংরক্ষণের জন্য রয়েছে ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ এবং মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে আরও ১২৮ জিবি পর্যন্ত বর্ধিত মেমোরি ব্যবহারের সুবিধা। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাকআপ নিশ্চিতের জন্য ৩১৩০ এমএএইচ লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারিসহ সুবিধা। ফোনটিতে তথ্যের নিরাপত্তায় রয়েছে দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতাযুক্ত ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার, যা শূন্য দশমিক ৩ সেকেন্ডের মধ্যে হ্যান্ডসেট আনলক করতে সক্ষম।

স্মার্টফোনটির পেছনে পিডিএএফ প্রযুক্তির অটোফোকাস, এলইডি ফ্ল্যাশ-সুবিধাসহ বিএসআই সেন্সরযুক্ত ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা রয়েছে, যার অ্যাপারচার এফ ২.০। আলট্রা পিক্সেল মোড অপশনটির সাহায্যে অনেক বেশি রেজল্যুশনের ছবি তোলা যায় এতে। এমনকি ডিএসএলআর এর মতো ম্যাক্রো ছবিও তোলা যাবে এই ক্যামেরা দিয়ে। ভিডিও কল ও সেলফির জন্য প্রিমো এক্স-ফোর স্মার্টফোনটির সামনে রয়েছে বিএসআই সেন্সরের ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, যার অ্যাপারচার এফ ২ দশমিক ২।

ফোনটিতে অন্যান্য ফিচার হিসেবে রয়েছে ডুয়েল ব্যান্ড ওয়াইফাই, ব্লুটুথ সংস্করণ ৪, ওয়্যারলেস ডিসপ্লে শেয়ারিং, ওয়াই-ফাই হটস্পট, ওটিএ ও ওটিজি-সুবিধা। দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য রয়েছে আধুনিক ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট-সুবিধা। ওটিজি থাকায় স্মার্টফোনটিতে ইউএসবি কি-বোর্ড, গেমিং কনসোল, পেন ড্রাইভ ব্যবহার করা যাবে।
ফোরজি-সমর্থিত হ্যান্ডসেটটির দাম ২২ হাজার ৯৯০ টাকা।

বাজারে নতুন গ্রে রঙের ফ্ল্যাগশীপ মডেল পি৯ এনেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ও স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হুয়াওয়ে।
 
উন্মোচনের পর থেকে দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে অত্যাধুনিক লাইকার ডুয়েল লেন্স ক্যামেরার হ্যান্ডসেট পি৯-এর। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী ক্রেতাদের উল্লেখযোগ্য সাড়া পাওয়ায় হুয়াওয়ে সম্প্রতি নতুন গ্রে রং-এ পি৯ উন্মুক্ত করেছে। উল্লেখ্য, সারা বিশ্বে এখন পর্যন্ত নয় মিলিয়ন পি৯ ও পি৯ প্লাস বিক্রি করেছে হুয়াওয়ে।
 
পি৯ ক্রয়ের ক্ষেত্রে একটি উন্নতমানের ট্রাইপড বিনামূল্যে উপহার হিসেবে দিচ্ছে হুয়াওয়ে। এছাড়া দেশব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে হুয়াওয়ে যার মাধ্যমে ক্রেতারা বিনামূল্যে পি৯ জেতার পাশাপাশি সুপারস্টার নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ

লেইকো ও কুলপ্যাড, বিকাশমান স্মার্টফোন বাজারে আলাদা দুই ব্র্যান্ড। প্রতিষ্ঠান দুটি ধীরে ধীরে বাজারের শীর্ষস্থানীয় ফোন কোম্পানিগুলোর তালিকায় নিজেদের জায়গাটা করে নিয়েছে। অন্যান্য স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের তুলনায় প্রায় অর্ধেক দামের ডিভাইসে প্রিমিয়াম লেভেলের কনফিগারেশন দিয়েই এটা সম্ভব করেছে তারা।

বিপুল গ্রাহক চাহিদার কারণে কিছু দিন পর পর নতুন স্মার্টফোন এনে বাজার মাতিয়ে রেখেছে লেইকো ও কুলপ্যাড। ওই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠান দুটি এবার একজোট হয়েছে, বাজারে আনতে যাচ্ছে ‘কুল’ নামের একটি স্মার্টফোন, যাতে থাকছে ৬ জিবি র‍্যাম।
উন্নত কনফিগারেশনের এই ফোনের দামও মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যেই থাকছে, কারো পকেটের উপর-ই বাড়তি কোনো চাপ ফেলবে না বলে দাবি নির্মাতাদের। 
এই স্মার্টফোনের সবথেকে বড় ফিচার হতে চলেছে তার র্যাপম ও প্রসেসর। গিজমো চায়নার মতে, ৫.৫ ইঞ্চির নতুন স্মার্টফোনে থাকবে ২.৩৫ গিগাহার্টজের স্ন্যাপড্রাগন ৮২১ প্রসেসর, সঙ্গে ৪ বা ৬ জিবি র‍্যাম। ডিভাইসটি ৩২, ৬৪ ও ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ ক্যাপাসিটির তিনটি সংস্করণে বাজারে আসবে।
ফোনটিতে ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ থাকছে, যার দুটিই ১৬ মেগাপিক্সেলের। সেলফির জন্য এতে ৮ এমপি-র ফ্রন্ট ক্যামেরা থাকছে। ব্যাটারিও বেশ শক্তিশালী, ৪০০০ এমএএইচ।

স্মার্টফোনের কাজ অনেক। ফলে ব্যবহৃত হয় বেশি। আর বেশি ব্যবহারের কারণে চার্জ ফুরিয়ে যায় দ্রুত। এ নিয়ে প্রায়শই বিপাকে পড়তে হয় ব্যবহারকারীদের। এই ঝামেলা থেকে বাঁচাতে নতুন এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন আমেরিকার সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক, যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই স্মার্টফোন সম্পূর্ণ চার্জ হওয়াতে সাহায্য করবে।
 
 
গবেষকদের দাবি, 'ফ্লেক্সিবল সুপারক্যাপাসিটর' নামের ওই প্রযুক্তিতে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চার্জ দেওয়া যাবে স্মার্টফোনে। এর মাধ্যমে শুধু মোবাইল ফোনেই নয়, চার্জ দেওয়া যাবে অন্যান্য বৈদ্যুতিক সামগ্রীতেও।
 
গবেষকদের দলে রয়েছেন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক, যার নাম নিতিন চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, মোবাইল ফোনে ব্যাটারির বদলে এই ‘সুপারক্যাপাসিটর’ রাখলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্য ফুল চার্জ হয়ে যাবে স্মার্টফোন। এরপর এক সপ্তাহ চার্জ না দিলেও আপনাকে এ ব্যাপারে উদ্বেগে থাকতে হবে না।
 
অন্যান্য গবেষকরা জানিয়েছেন, গ্রাফিন, ২ ডি মেটেরিয়াল, ন্যানোমিটার-এর মতো কয়েক লাখ তার দিয়ে তৈরি এই সুপারক্যাপাসিটর। খুব দ্রুত এর মধ্যে দিয়ে ইলেকট্রন ট্রান্সফার হতে পারে। যার ফলে শীঘ্রই চার্জ হয়ে যায় ফোন।

আশপাশের কোথায় ওয়াই-ফাই সুবিধা আছে, তা খুঁজে দেবে ফেসবুক। এ-সংক্রান্ত একটি নতুন ফিচার আনছে প্রতিষ্ঠানটি।

গতকাল মঙ্গলবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, তারা এমন একটি ফিচার নিয়ে আসছে, যাতে রিয়েল টাইম বা তাৎক্ষণিক তথ্য শেয়ার করতে নিকটস্থ ওয়্যারলেস হটস্পটের তথ্য জানাতে পারবে। আগে ফেসবুক ‘পেজেস’ থেকে ওয়াই-ফাইয়ের অবস্থান শনাক্ত করত।

প্রযুক্তি-বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য নেক্সট ওয়েবের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শক্তিশালী ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া লাইভ ভিডিও দেওয়া কষ্টকর হয়। ওয়াই-ফাইয়ের নিকটতম অবস্থান সম্পর্কে ফেসবুক যতটা তথ্য দিতে পারবে, তাৎক্ষণিক তথ্য বিনিময়ের মান আরও বেড়ে যাবে।

শিগগিরই অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্যাটফর্মের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা এ সুবিধা পেতে পারেন। তবে ফেসবুক এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সরাসরি না হলেও ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার থেকে ফেসবুকের কোনো ভিডিও নিজের সংগ্রহে রাখার কাজটা কিন্তু বেশ সহজ। ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার বা ব্রাউজারের সামান্য একটা কৌশলে বৈধভাবেই নামানো যাবে ফেসবুকের ভিডিও। এখানে মনে রাখা জরুরি, ভিডিওটি ফেসবুকের হতে হবে। ইউটিউব বা অন্য কোথাও হোস্ট করা ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করা হলে সেটা একই পদ্ধতি ব্যবহার করে নামানো যাবে না।

ফেসবুকের যে ভিডিওটি নামাতে চান প্রথমে সেটি প্লে করে তাতে ডান ক্লিক করুন। তালিকা থেকে Show video URL অপশনে ক্লিক করুন। ভিডিওটির ওপর দিকে একটি বাক্সে ভিডিও ইউআরএল বা ওয়েব ঠিকানা দেখাবে। ঠিকানাটি কপি করুন। ব্রাউজারে নতুন ট্যাব খুলে ওয়েব ঠিকানা লেখার ঘরে ছেড়ে দিয়ে এন্টার বোতাম চাপুন। এখন ওয়েব ঠিকানাটির প্রথমে থাকা www অংশটি কেটে সেখানে শুধু m লিখে আবার এন্টার চাপুন। ব্রাউজারে তখন ভিডিওটির মুঠোফোন সংস্করণ চালু হবে। প্রক্রিয়াটি শেষ করতে ভিডিওটি আবার চালু করুন। সবশেষে চলতি ভিডিওটিতে মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করলে Save video as...নামে নতুন একটি অপশন পাওয়া যাবে। এমপিফোর ফরম্যাটে ভিডিওটি তখন নিজের কম্পিউটারে সংরক্ষণ করুন।

এভাবে অন্যান্য ভিডিও ফাইলের মতোই পরবর্তী সময়ে অফলাইনে থেকেই ফেসবুক ভিডিও যখন ইচ্ছা আবার দেখা যাবে।


ওয়াই-ফাই এখন মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জীবনের দৈনন্দিন চাহিদা ও বিলাসবহুল পণ্যের চেয়েও ওয়াই-ফাইকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে মানুষ। প্রতি ১০ জনের মধ্যে চারজন শারীরিক সম্পর্ক, চকলেট ও অ্যালকোহলের চেয়ে ওয়াই-ফাইকে অধিক গুরুত্ব দেন। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ১ হাজার ৭০০ জনকে নিয়ে এক সমীক্ষা চালায় ওয়াই-ফাই সংযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আইপাস। ওয়াই-ফাই ব্যবহারকারীদের অভ্যাস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে এ সমীক্ষা চালানো হয়।

সমীক্ষায় মানুষের বিলাসবহুল ও নিত্যব্যবহার্য পণ্যের সঙ্গে ওয়াই-ফাইকে তুলনা করতে বলা হয়। ১ থেকে ৪ নম্বরের মধ্যে তাঁদের নম্বর দিতে বলা হয়। এর মধ্যে ১ অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং ৪ সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়।

সমীক্ষায় দেখা যায়, ওয়াই-ফাইকে ৪০ দশমিক ২ শতাংশ জরিপের উত্তরদাতা অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করেছেন। এরপর রয়েছে ৩৬ দশমিক ৬ শতাংশ শারীরিক সম্পর্ক ও ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ চকলেট। অ্যালকোহলকে গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন ৮ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা।

আইপাসের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা প্যাট হিউম বলেন, ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে ওয়াই-ফাই শুধু গুরুত্বপূর্ণ উপায়ই নয়, এটি মানুষের অনেক বিলাসবহুল পণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় বিষয়কেও ছাপিয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ওয়াই-ফাইয়ের প্রভাবের কারণে অন্যান্য বিষয়ের চেয়ে একে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন উত্তরদাতারা। এক-তৃতীয়াংশ ব্যক্তি মনে করেন, ওয়াই-ফাই তাঁদের জীবনমান উন্নত করেছে।

জরিপে জানানো হয়, এখনকার পর্যটকদের অধিকাংশ ভ্রমণে যাওয়ার আগে হোটেলে ওয়াই-ফাই সুবিধা আছে কি না, তা পরীক্ষা করে নেন।

অগ্নিকাণ্ড নিয়ে মোটামুটি লঙ্কাকাণ্ড বাধালেও মার্কিন ভোক্তারা বলছেন, এখনো স্যামসাং স্মার্টফোনে তাঁরা আগের মতোই আস্থা রাখেন। অর্থাৎ স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭ নিয়ে অনেক দুর্ঘটনার কথা শোনা গেলেও তা প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড ভ্যালুতে আঘাত করেনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের করা এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

samsung galaxy note 7

গত ২৬ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত শুধু মার্কিন ভোক্তাদের ওপর জরিপ চালায় রয়টার্স। অনলাইনে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যেই জরিপটি চালানো হয়। এদের মধ্যে স্যামসাং ফোন ব্যবহার করেন এমন ২ হাজার ৩৭৫ জন এবং আইফোন ব্যবহার করেন এমন ৩ হাজার ১৫৮ জন জরিপে অংশ নেন।

রোববার প্রকাশিত সে জরিপের প্রতিবেদনে দেখা যায়, বর্তমান স্যামসাং মুঠোফোন ব্যবহারকারীরা ব্র্যান্ডের প্রতি ঠিক ততটাই অনুগত, যেমনটা আইফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপল ব্র্যান্ডের প্রতি। আগুন ধরা এবং নোট ৭ ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনা তাঁদের ব্র্যান্ডের ভাবমূর্তিতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেনি। তবে বিনিয়োগকারীদের ধারণা ছিল, স্যামসাং গ্রাহকেরা হয়তো বিকল্প কিছু, বিশেষ করে আইফোন ৭-এ আকৃষ্ট হবেন।

জরিপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নোট ৭ ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনা যাঁরা জানেন, তাঁদের ২৭ শতাংশ বিকল্প ফোন হিসেবে স্যামসাং ফোন বেছে নেবেন। আর যাঁরা তা জানতেন না, তাঁদের ২৫ শতাংশ পরবর্তী ফোন হিসেবে স্যামসাং পণ্যের খোঁজই করবেন। এই হিসাবটা তাঁদের, যাঁরা বর্তমানে স্যামসাং ফোন ব্যবহার করেন না। আর যাঁরা বর্তমানে স্যামসাং মুঠোফোন ব্যবহারকারী, তাঁদের ৯১ শতাংশ নতুন ফোন হিসেবে স্যামসাং মুঠোফোনকেই বেছে নেবেন।

ব্র্যান্ডের প্রতি একই ধরনের আনুগত্য দেখা গেছে আইফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে। বর্তমান আইফোন ব্যবহারকারীর ৯২ শতাংশ পরবর্তী স্মার্টফোন হিসেবে আইফোনই বেছে নেবেন। আর ৮৯ শতাংশ অন্য কোনো অ্যাপল পণ্য কিনবেন বলে জানিয়েছেন।

তবে রয়টার্সের এ প্রতিবেদনে এটা পরিষ্কার না যে নোট ৭ ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় গ্রাহকের মনে তা ঠিক কতটা প্রভাব ফেলেছে।

স্যামসাংয়ের ৪ নভেম্বরের বক্তব্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৮৫ শতাংশ নোট ৭ ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এখন বলছে, তারা গ্রাহক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আগুন ধরার ঘটনার মূল কারণ খুঁজে বের করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

ফেসবুক নাকি মিথ্যার কারখানা! সেখানে ভুয়া খবরের ছড়াছড়ি! মার্কিন নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পর ফেসবুকের ভুয়া খবর ছড়ানোর ভূমিকা নিয়ে নানা সমালোচনা সইতে হচ্ছে জাকারবার্গকে। অবশ্য জাকারবার্গ এ ধারণাকে ‘পাগলামি’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে সমালোচনা থামছে কোথায়? মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা পর্যন্ত সমালোচকদের দলে। শেষমেশ বাধ্য হয়ে ফেসবুকে ভুয়া খবর ঠেকানোর পরিকল্পনা নিয়ে বলতে হলো জাকারবার্গকে। মার্ক জাকারবার্গ গতকাল শনিবার ফেসবুকে সমালোচকদের উদ্দেশে একটি পোস্ট লিখেছেন।


ওই পোস্টে জাকারবার্গ জাকারবার্গ লিখেছেন, ‘অনেকেই ফেসবুকে ভুয়া তথ্যের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। আমি তাঁদের জ্ঞাতার্থে কিছু হালনাগাদ তথ্য জানাচ্ছি।’

জাকারবার্গের ভাষ্য, ‘আমরা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। আমাদের লক্ষ হচ্ছে মানুষের কাছে অর্থবহ কোনো খবর পৌঁছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা। আমরা জানি, মানুষ সঠিক তথ্য পেতে চায়। দীর্ঘদিন ধরেই এ সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে। আমরা দায়িত্বটি গুরুত্ব দিয়ে নিচ্ছি। আমরা অনেক দূর এগিয়েছি, তবে আরও কাজ বাকি। ধারাবাহিকভাবে আমরা কোনটি সঠিক আর কোনটি ভুয়া, তা বুঝতে ফেসবুক কমিউনিটির ওপর নির্ভর করি। যে-কেউ ফেসবুকের যেকোনো লিংককে ভুয়া বলে অভিযোগ দিতে পারে। ওই অভিযোগগুলো ধরে এবং কিছু সাইটের সহায়তার ভুয়া পোস্টগুলো শনাক্ত করা হয়। স্প্যাম, স্ক্যাম, ক্লিকবেইটের মতো বিষয়গুলোকে কঠোরভাবে ঠেকানো হয়, যাতে তা নিউজফিডে ছড়াতে না পারে। এই প্রক্রিয়া কারিগরি ও দর্শনের দিক থেকেও যথেষ্ট জটিল।’

জাকারবার্গ বলেন, ‘মানুষকে কথা বলার ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে আমরা বিশ্বাসী। যার অর্থ, মানুষ যখন যা চায় তার পক্ষে তা যেন শেয়ার করা সম্ভব হয়। মানুষ যাতে তাদের মতামত শেয়ারে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ে, সে বিষয়টি আমাদের খেয়াল রাখতে হবে বা ভুল করে সঠিক কনটেন্ট প্রকাশে যাতে বাধা না পড়ে, তা দেখতে হবে।’

জাকারবার্গ আরও বলেন, ফেসবুকে ভুয়া তথ্যের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জাকারবার্গ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে আরও অনেক কাজ বাকি। আমাদের যে কাজ চলছে, সে বিষয়ে এখনই আর বিস্তারিত কিছু বলতে চাই না। তবে বিষয়টিকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে এ বিষয়ে কিছু প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভুয়া খবর শনাক্ত করার শক্তিশালী পদ্ধতি, ভুয়া খবর সম্পর্কে অভিযোগ দেওয়ার সহজ পদ্ধতি, থার্ড পার্টির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা, সতর্ক করা, ওই খবর সম্পর্কে আরও খবর জানানো ও ভুয়া খবর থেকে অর্থ আয় ঠেকানোর মতো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে খবরে সত্যতা যাচাই করার কাজও করা হবে। তবে এ ধারণাগুলোর মধ্যে সব কটি কাজ নাও করতে পারে। ফেসবুক কমিউনিটির জন্য এর গুরুত্ব ভেবে এটি ঠিক করতে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বাজার দখলের 'মেকানিজম' ঠিকঠাক থাকলে শীর্ষস্থান ধরে রাখাটা ব্যাপারই না। এটাই দেখিয়েছে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি 'এ' সিরিজের ফোনগুলো। এবার এই সিরিজের আরেকটি ফোন আনতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ান হ্যান্ডসেট জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি, যার নাম 'গ্যালাক্সি এ৭ (২০১৭)'।
 
এই ফোনটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফিচার হবে ক্যামেরা। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া তথ্যে এমনটাই দাবি করা হচ্ছে।
 
ফাঁস হওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে স্যাম মোবাইল বলছে, গ্যালাক্সি এ৭ (২০১৭) হ্যান্ডসেটে থাকতে পারে ৫.৭ ইঞ্চির সুপার অ্যামোলিড ফুল এইচডি ডিসপ্লে, যা পুরনো মডেলটির (৫.৫ ইঞ্চি) তুলনায় সামান্য বড়। এতে স্যামসাং এক্সিনস অক্টা কোর প্রসেসরের সঙ্গে থাকতে পারে ৩ জিবি র‍্যাম, ইন্টারনাল মেমোরি হতে পারে ৩২ জিবি।
 
আর এর মূল আকর্ষণ হবে ক্যামেরা। ফ্রন্টে ১৬ মেগাপিক্সেলের (এমপি) ক্যামেরায় দুর্দান্ত সেলফি তোলা যাবে। রিয়ার ক্যামেরাও হতে পারে ১৬ এমপির। 
 
আরেক প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দাবি করছে, ধুলো ও জলে এই হ্যান্ডসেটের কোনও ক্ষতি হবে না। মেটাল বডির স্মার্টফোনটিতে থাকতে পারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরও। 
 
চমক থাকবে ডিভাইসটির ব্যাটারিতেও। দুর্নাম ঘুচাতে এতে জুড়ে দেয়া হতে পারে ৩৬০০ এমএএইচ-এর ব্যাটারি। 
 
বাজারে জোর গুঞ্জন, আগামী ডিসেম্বরেই গ্যালাক্সি এ৭ (২০১৭) উন্মোচন করতে পারে স্যামসাং।
 
স্মার্টফোনটির দামের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তথ্য ফাঁসকারীদের ভাষ্য, দামটাও আকাশছোঁয়া হবে না, মধ্যবিত্তদের নাগালের মধ্যেই থাকবে।

আইফোন চীনে তৈরি হয়, এ কথা সবারই জানা। কিন্তু চীন বাদ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আইফোন তৈরির বিষয়টি নিয়ে ভাবছে মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল।


গত বৃহস্পতিবার অ্যাপলের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে প্রযুক্তিবিষয়ক কয়েকটি ওয়েবসাইট উল্লেখ করেছে, এশিয়ার দুই আইফোন সংযোজন প্রতিষ্ঠানকে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করা সম্ভব কি না, তা পরীক্ষা করে দেখতে বলা হয়েছে। ফক্সকন টেকনোলজি গ্রুপ ও পেগাট্রনকে গত জুন মাসে ওই অনুরোধ করে অ্যাপল। ওই প্রতিবেদন বিষয়ে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ অবশ্য কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে আইফোন তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথার প্রতিফলন। গত জানুয়ারি মাসে নির্বাচনী প্রচারের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, অন্য দেশের পরিবর্তে অ্যাপলকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য তৈরি করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে ৮ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অবশ্য, যুক্তরাষ্ট্রে আইফোন তৈরি হলে তার দাম বেশি হবে বলে উল্লেখ করেছেন বিশ্লেষকেরা।
ধারণা করা হচ্ছে, আইফোনের কিছু যন্ত্রাংশ শুধু যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি করা সম্ভব হতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক কর্মীদের একটি চিঠি দেন। তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন, ‘আমরা দারুণ কাজ করি এবং সামনের দিকে এগিয়ে পৃথিবীকে উন্নত করি।’

উল্লেখ্য, এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান ট্রাম্পের বিপক্ষে ছিল।

বিশ্বজুড়ে নকিয়া ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনের অপেক্ষায় আছেন নকিয়া-ভক্তরা। এ বছরেই নকিয়ার ফোন আসতে পারে বলে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও তা বাস্তবের মুখ দেখেনি। তাই নকিয়া-ভক্তদের চোখ আগামী বছরে। নকিয়া কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি তাদের ‘ক্যাপিটাল মার্কেটস ডে ২০১৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে আগামী বছরে নতুন স্মার্টফোন বাজারে ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নকিয়া কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ২০১৭ সালে স্মার্টফোনের দুনিয়ায় ফিরে আসছে নকিয়া ব্র্যান্ড। বিষয়টি নকিয়া নিশ্চিত করায় এ নিয়ে সব সন্দেহ দূর হবে।

গত কয়েক মাসে অ্যান্ড্রয়েডচালিত বেশ কয়েকটি মডেলের নকিয়া স্মার্টফোনের তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক ওয়েবসাইটগুলোতে উঠে আসে। এর মধ্যে নকিয়া ৫৩২০, নকিয়া ১৪৯০, নকিয়া ডি১সির নাম শোনা যায়। তবে এ ফোনগুলো সম্পর্কে নিশ্চিত করেনি নকিয়া।

নকিয়ার যে ফোনগুলো বাজারে আসবে, তাতে শুধু নকিয়ার ব্র্যান্ড নামটি ব্যবহৃত হবে। এ ফোনগুলো তৈরি করবে ফিনল্যান্ডের কোম্পানি এইচএমডি গ্লোবাল। এইচএমডির কাছে ১০ বছরের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও ট্যাবলেট তৈরির লাইসেন্স বিক্রি করেছে নকিয়া।

নকিয়ার যে ফোনগুলো ঘিরে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ডি১সি মডেলটি। এ ফোনটিতে কোয়ালকমের প্রসেসর, তিন জিবি র‍্যাম, পেছনে ১৩ মেগাপিক্সেল ও সামনে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকতে পারে।

নকিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠেয় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করবেন নকিয়ার প্রধান নির্বাহী রাজীব সুরি। ওই অনুষ্ঠানেই নকিয়া ফোনের ঘোষণা দেবেন তিনি। আগামী বছর নকিয়া কী আনে, তা-ই এখন দেখার বিষয়।



স্মার্টওয়াচেও নকিয়া?

‘মুনরকার’ নামে স্মার্টওয়াচ তৈরি করছে নকিয়া। দীর্ঘদিন ধরেই প্রযুক্তিবিশ্বে এ নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে। তবে নকিয়ার এই স্মার্টওয়াচটি কখনো আলোর মুখ দেখেনি। সম্প্রতি ইউটিউবে নকিয়ার নতুন এই স্মার্টওয়াচের ইন্টারফেস নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে নকিয়াবার নামের একটি চ্যানেলে। নকিয়ার এ স্মার্টওয়াচে অ্যান্ড্রয়েড ওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে নানা আধুনিক ফিচার। নকিয়ার এই স্মার্টওয়াচ আলোর মুখ দেখবে কি না, তা নিয়ে অবশ্য এখনো সংশয় রয়েছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

কর্মপরিবেশের বিচারে গুগল বিশ্বের সেরা কর্মস্থলের স্বীকৃতি পেয়েছে একাধিকবার। এর পেছনে অনেক কারণ আছে। মনোরম পরিবেশ, ছিমছাম, যা খুশি তা–ই করো, চাইলে ঘুমাও ইত্যাদি ইত্যাদি। সবচেয়ে বিখ্যাত কারণটা বোধ হয় কর্মীদের জন্য বিনা মূল্যের খাবার—যা ইচ্ছা, যত ইচ্ছা খাও। প্রত্যেক কর্মীর ২০০ ফুটের মধ্যে পর্যাপ্ত খাবারের সরবরাহ নিশ্চিত করা হয় বলে প্রচলিত আছে। প্রশ্ন হলো, কর্মীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা বিনা মূল্যে খাবারের ব্যবস্থা থাকে কেন?


ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গত বুধবার গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট ইনকরপোরেটেডের নির্বাহী চেয়ারম্যান এরিক স্মিট কারণটি জানিয়েছেন। ধারণাটি প্রথম অ্যালফাবেটের প্রেসিডেন্ট সের্গেই ব্রিনের মাথায় আসে। একসঙ্গে খাবার সাধারণত পরিবারের সঙ্গে ঘরে বসে খাওয়া হয়। কর্মস্থলে পর্যাপ্ত খাবার রাখার পেছনে ঠিক একই কারণ। সের্গেই চেয়েছিলেন, কর্মীরা যেন কর্মস্থলে সহকর্মীদের নিয়ে এক পরিবারের মতো কাজ করেন, তাই এই ব্যবস্থা। এরিকের মতে, এই একটি পরিবর্তন কর্মপরিবেশ আমূল বদলে দিয়েছে।

তাই বলে নিজের ঘর মনে করলে চলবে না— মজা করে বলেন এরিক। কাজের জায়গায় তুমি যা ইচ্ছা করো, চাইলে ঘুমাতেও পারো, কেউ বাধা দেবে না। তবে বসবাসের অন্য একটা জায়গা থাকতে হবে। কর্মক্ষেত্রে গুগলের ড্রেস কোড বা পোশাকবিধি কী? এরিক বলেন, প্রচলিত ধারণা যা-ই হোক, আমাদের কিন্তু ড্রেস কোড আছে। আর তা হলো, কিছু একটা অন্তত পরতে হবে!



যেকোনো প্ল্যাটফর্মে অ্যাপ নির্মাতার কাজে লাগতে পারে, এমন টুল বা সফটওয়্যার উন্মুক্ত করেছে মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস ও উইন্ডোজ অ্যাপ নির্মাণের ক্ষেত্রে এই টুল ব্যবহার করা যাবে।
‘কানেক্ট কনফারেন্স’ শীর্ষক বার্ষিক সম্মেলনে এ টুলটির ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট।



নতুন টুল উন্মুক্ত করা ছাড়াও প্লাটিনাম সদস্য হিসেবে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার

ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে লিনাক্স ফাউন্ডেশনে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট।

মার্কিন নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক এমনিতেই বেশ বিপাকে। এদিকে আগুনে ঘি ঢালার মতো গত বুধবার নতুন এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাজফিড নিউজ। সেখানে বলা হয়, মার্কিন নির্বাচনের আগে নির্বাচনী প্রচারণার সঠিক খবরের তুলনায় ফেসবুকে ভুয়া খবর ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশি ছড়িয়ে পড়ে।


মার্কিন নির্বাচনের দিন অর্থাৎ ৮ নভেম্বর থেকে আগের তিন মাসের মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে এমন ২০টি ভুয়া সংবাদ নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে বাজফিড। এসব সংবাদ ফেসবুকে ৮৭ লাখ বার শেয়ার (ভাগাভাগি) করা হয়েছে। অন্যদিকে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও হাফিংটন পোস্ট-এর মতো প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমের জনপ্রিয় ২০টি নির্বাচনী সংবাদ নিয়েও বিশ্লেষণ করে বাজফিড। এই খবরগুলো শেয়ার হয়েছে ৭৪ লাখ বার। এ ছাড়া প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যও আমলে নেওয়া হয়।

বাজফিডের প্রতিবেদনে এটা পরিষ্কার যে নির্বাচনের আগের সেই তিন মাসে ফেসবুকের মাধ্যমে সঠিক খবরের চেয়ে ভুয়া খবরগুলো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছেছে। ভুয়া সংবাদগুলো ব্যবহারকারীদের নির্বাচনী সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। আর তাতে ট্রাম্প নির্বাচনে এগিয়ে যান বলে ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে।

ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক এক সম্মেলনে জাকারবার্গ এই অভিযোগকে পাগলামি ছাড়া আর কিছু নয় বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, খুব কম ভুয়া খবরই ফেসবুকে ছড়ায়।

সবকিছু মিলিয়ে ফেসবুক যে বেশ বিব্রত, তা স্পষ্ট। গুগল এবং ফেসবুক গত মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভুয়া সংবাদ ছড়ায় এমন ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপনী আয় কেটে নেওয়া হবে। প্রথম সারির এই দুই তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এখন থেকে ভুয়া সংবাদের বিরুদ্ধে কাজ করবে।

আগামী বছরে যে অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোনগুলো বাজারে আসবে তার মধ্যে অধিকাংশ স্মার্টফোনে থাকবে কোয়ালকমের তৈরি ‘স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫’ নামের একটি চিপ। সম্প্
রতি ফ্ল্যাগশিপ চিপ হিসেবে নতুন এই চিপটি উন্মুক্ত করেছে মার্কিন প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানটি।


কোয়ালকম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের তৈরি ১০ ন্যানোমিটার প্রসেসর ব্যবহার করে স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ চিপ তৈরি করবে স্যামসাং। ১০ ন্যানোমিটার (১০ এনএম) সমান পানির এক অণু বা এক তন্তু চুলের এক হাজার ভাগের এক ভাগ।

স্যামসাংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজের ঘোষণা দিয়ে কোয়ালকমের পণ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট কেইথ ক্রেসিন বলেন, মোবাইল শিল্পকে নেতৃত্ব দেবে এমন পণ্য তৈরিতে স্যামসাংয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমরা রোমাঞ্চিত। ১০ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ প্রসেসর অধিক শক্তিসাশ্রয়ী, উন্নত কার্যক্ষমতা দেখাতে সক্ষম হবে।

১৪ ন্যানোমিটার আকারের প্রসেসরের তুলনায় ১০ ন্যানোমিটার প্রসেসরে জায়গা কম লাগবে বলে স্মার্টফোন নির্মাতারা ফোন আরও বেশি হালকা-পাতলা করতে পারবেন। ফোনে ব্যাটারির জন্য জায়গা বাড়বে।

নতুন এই প্রসেসর কোয়ালকমের কুইক চার্জ ৪.০ প্রযুক্তি সমর্থন করবে। এতে মোবাইল ফোনে দ্রুত চার্জ দেওয়া সম্ভব হবে। অর্থাৎ ১৫ মিনিট চার্জ দিলেই ৫০ শতাংশের বেশি চার্জ হবে।

২০১৭ সালের প্রথমার্ধেই এই প্রসেসর চালিত ফোন বাজারে দেখা যাবে। কোয়ালকমের প্রসেসর দিয়ে অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর ফোন তৈরি করে এলজি, স্যামসাং, লেনোভো, এইচটিসি। তবে অ্যাপল তাদের আইফোনের জন্য নিজস্ব প্রসেসরের নকশা করে। অ্যাপলের আইফোন ৭ ও ৭ প্লাসে কোয়ালকমের মডেম ব্যবহার করা হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়ায় স্বয়ং প্রধান নির্বাহীকে ‘প্রশাসনিক’ ছুটিতে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়াগো শহরের এক সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান। মার্কিন নির্বাচনের রাতেই প্যাকেটস্লেড নামের সে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাট হ্যারিগান ফেসবুকে লেখেন, ‘আমি নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে হত্যা করব।


গত সোমবার প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে হ্যারিগানের ছুটিতে পাঠানোর খবর প্রকাশ করা হয়। সেখানে লেখা ছিল, ‘প্রধান নির্বাহীর সাম্প্রতিক মন্তব্য আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। সে মন্তব্য সম্পর্কে জানার পরেই আমরা দ্রুত গোয়েন্দা বাহিনীকে তা জানিয়েছি। যেকোনো অনুসন্ধানে আমরা সাহায্য করব।’ তাঁর সে মন্তব্য প্যাকেটস্লেড, এর কর্মচারী, বিনিয়োগকারী কিংবা অংশীদারদের চিন্তাধারার প্রতিফলন যে নয়, তা-ও উল্লেখ করা হয়েছে।

হ্যারিগান পরে তাঁর লেখা সে মন্তব্য মুছে ফেলেন, অ্যাকাউন্টটিও নিষ্ক্রিয় (ডিঅ্যাকটিভেট) করে দেন। তাতে অবশ্য শেষ রক্ষা হয়নি। ততক্ষণে সে মন্তব্য আরেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

সাম্প্রতিক মন্তব্যের জন্য টুইটারে ক্ষমা চেয়েছেন হ্যারিগান। নিতান্তই কৌতুকবশত করা সে মন্তব্যে মোটেও হত্যার হুমকি ছিল না বলেও জানিয়েছেন। মার্কিন গোয়েন্দা বাহিনী হ্যারিগানের মন্তব্য সম্পর্কে জানলেও এ নিয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি।

দ্বিতীয় প্রজন্মের জেনফোন গো (জেডবি ৪৫২ কেজি) স্মার্টফোনটি দেশের বাজারে আনছে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আসুস। জেনফোন গো স্মার্টফোনটির প্রথম প্রজন্মের তুলনায় নতুন এই মডেলটিতে থাকছে ভিন্ন নকশা, উন্নত প্রসেসর ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি।

আসুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাড়ে চার ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোনটিতে রয়েছে কোয়ালকম এমএসএম ৮২১২ স্ন্যাপড্রাগন ২০০ কোয়াড কোর প্রসেসর। ফোনটিতে রয়েছে ১ গিগাবাইট র‍্যাম ও ৮ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ। এ ছাড়া মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করে ৬৪ গিগাবাইট পর্যন্ত মেমোরি বৃদ্ধি করা যাবে ফোনটিতে।

স্মার্টফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.০ অপারেটিং সিস্টেম। ফোনটির ইউজার ইন্টারফেসে থাকছে আসুসের নিজস্ব জেন ইউআই। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী খুব সহজেই ফোনের লঞ্চার, থিম কিংবা আইকন পছন্দমতো পরিবর্তন করতে পারবেন। এতে আরও আছে জেন মোশন, স্ন্যাপ ভিউ, ট্রেন্ড মাইক্রো সিকিউরিটিসহ আরও অনেক ফিচার, যা ফোনটির ব্যবহারকারীকে দেবে নতুন অভিজ্ঞতা।

ফোনটিতে ছবি তোলার জন্য থাকছে ডুয়েল টোন এলইডি ফ্ল্যাশসহ ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। জেনফোন গো-এর পিক্সেল মাস্টার প্রযুক্তির ক্যামেরা অ্যাপ্লিকেশনে রয়েছে লাইভ ছবি সম্পাদনা, ফিল্টার ব্যবহার, সেলফি প্যানোরোমা, এইচডিআর মোডসহ নানা ফিচার। এ ছাড়া কম আলোতে ফোনটি দিয়ে তোলা যাবে চমৎকার মানের ছবি। সেলফি ও ভিডিও চ্যাটের জন্য সামনে রয়েছে ভিজিএ ক্যামেরা।

ডুয়েল সিম ব্যবহারের সুবিধাসহ ফোনটিতে রয়েছে ২ হাজার ৭০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। সাদা, কালো ও নীল রঙের আসুস জেনফোন গো সেকেন্ড জেনারেশন ফোনটিতে থাকছে এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা। ফোনটির দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

প্রযুক্তির উৎকর্ষের সঙ্গে বাড়ছে যন্ত্রের ওপর মানুষের নির্ভরতা। মানুষের শ্রম লাঘব এবং মানব ত্রুটি এড়িয়ে দ্রুত কাজ সমাধায় যন্ত্রকে কাজে লাগাতে নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। শিল্প খাতে রোবটের ব্যবহার এরই অংশ। এবার নিউজিল্যান্ডে গ্রাহকের দরজায় পিৎজা সরবরাহে ড্রোন ব্যবহার করে সে প্রচেষ্টাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক ফাস্ট ফুড জায়ান্ট ডোমিনো।


ডোমিনোর নিউজিল্যান্ড শাখা জানায়, গতকাল বুধবার তারা ড্রোনের মাধ্যমে পিৎজা সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এর মাধ্যমে পৃথিবীতে প্রথমবারের মতো উড়োযানের মাধ্যমে গ্রাহকের দরজায় পণ্য সরবরাহের সূচনা ঘটল।

ডোমিনোর প্রধান নির্বাহী ডন মেইজ বলেন, প্রাথমিকভাবে অকল্যান্ডের উত্তরে হাঙ্গাপারাওয়ায় এক গ্রাহকের কাছে চালকবিহীন উড়োযান বা ড্রোনের মাধ্যমে দুটো পিৎজা সরবরাহ করা হয়েছে। ড্রোনগুলো যানজট ও ট্রাফিক সিগন্যাল এড়িয়ে নিরাপদে এবং কম সময়ে গ্রাহকের দরজায় পৌঁছাতে সক্ষম।

ডন মেইজ বলেন, ‘এটাই ভবিষ্যৎ। আজকের এই সফল সরবরাহ এই ধারণার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।’ তিনি জানান, চলতি সপ্তাহজুড়ে ড্রোনের মাধ্যমে পিৎজা সরবরাহের এই উদ্যোগের ওপর হাঙ্গাপারাওয়ায় আরও পরীক্ষা চালানো হবে। সফল হলে আগামী বছর এর ব্যাপ্তি বাড়ানো হবে।

ডোমিনো জানায়, শুধু নিউজিল্যান্ডেই নয়, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, জাপান ও জার্মানিতেও ড্রোনের মাধ্যমে পিৎজা সরবরাহের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। ডোমিনো গত মার্চে নিউজিল্যান্ডে রোবট-বাহন উন্মুক্ত করে, যা বিশ্বের প্রথম চালকবিহীন সরবরাহ যান বলে প্রতিষ্ঠানটির দাবি।

কারও সঙ্গে জরুরি কথা বলার দরকার হলে অ্যাকাউন্টে ঢুকে তারপর তার সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি বিরক্তিকর বলে মনে হতে পারে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে ব্যবস্থা নিচ্ছে মাইক্রোসফট। স্কাইপের ওয়েব সংস্করণে এখন থেকে অ্যাকাউন্টে সাইন ইন না করেই তা ব্যবহার করার সুযোগ দিচ্ছে মাইক্রোসফট।


এ সেবা ব্যবহার করতে স্কাইপ ডটকমে গিয়ে ব্যবহারকারীর নাম লিখতে হবে। এরপর কথোপকথনের একটি লিংক পাবেন ব্যবহারকারী। এ লিংক থেকে আলোচনা শুরু করা যাবে। লিংকটি ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি বা গ্রুপের সঙ্গে চ্যাট শুরু করা যাবে। যিনি এ লিংক পাবেন, তিনিও চাইলে সাইন ইন না করেই আলাপ করতে পারবেন।

মাইক্রোসফট এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে, অতিথি ব্যবহারকারীদের জন্য স্কাইপের অনেক ফিচার উন্মুক্ত করা হয়েছে। এ ফিচারের মধ্যে রয়েছে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি ও গ্রুপ ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং, ভয়েস ও ভিডিও কল, স্ক্রিন শেয়ারিং ও ফাইল শেয়ারিং সুবিধা। সাইন ইন না করেও ব্যবহারকারী ৩০০ ব্যক্তিকে আলাপে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ ও ২৫৬ ব্যক্তিকে বিনা মূল্যে ভয়েস বা ভিডিও কলে আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন।

২০১৬ সালের জন্য এশিয়া-ওশেনিয়া অঞ্চলের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠনগুলোর সংস্থা অ্যাসোসিওর দেওয়া পুরস্কারের দুটি এল বাংলাদেশের ঘরে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে অ্যাসোসিও সামিট ২০১৬-এর নৈশভোজে তিনটি বিভাগে অ্যাসোসিও পুরস্কার দেওয়া হয়। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ পেয়েছে অ্যাসোসিও ডিজিটাল সরকার পুরস্কার। আউটস্ট্যান্ডিং আইসিটি কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশের স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড পুরস্কার পেয়েছে।


আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহমুদ সাইফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম আউটস্ট্যান্ডিং আইসিটি কোম্পানির পুরস্কার গ্রহণ করেন। এবারে তিনটি বিভাগে ২৪টি পুরস্কার দেওয়া হয়। আউটস্ট্যান্ডিং আইসিটি কোম্পানি বিভাগে ১১টি, আউটস্ট্যান্ডিং ইউজার অর্গানাইজেশন বিভাগে ৬টি এবং ডিজিটাল সরকার বিভাগে ৭টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে মিয়ানমারের পরিবহন ও যোগাযোগমন্ত্রী উ থান জেমা বক্তৃতা করেন।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার আইসিটিতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার তথ্যপ্রযুক্তির নানা খাতে ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে। অ্যাসোসিও পুরস্কার প্রদানের আগে এক বৈঠকে উ থান জেমা ও জুনাইদ আহ্মেদ এ আশা ব্যক্ত করেন। জুনাইদ আহ্মেদ ডিজিটাল বাংলাদেশের নানা কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৭ সাল নাগাদ বাংলাদেশ নিজস্ব কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করবে। এ ছাড়া তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সরকারি সেবা, ই-গভর্নেন্স ইত্যাদি ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের কথাও তুলে ধরেন। মিয়ানমার চাইলে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারবে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

উ থান জেমার কথাতেও ছিল একই সুর। তিনি জানান মিয়ানমার ই-গভর্নমেন্ট মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দ্রুত বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। তাঁরা দুজনই সাইবার অপরাধ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে জ্ঞান বিনিময় এবং এ খাতের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবে বলে দুই মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। বৈঠকে মিয়ানমার কম্পিউটার ফেডারেশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি আলী আশফাক, বেসিসের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি ইউসুফ আলী, বিসিএসের মহাসচিব সুব্রত সরকার, পরিচালক শাহিদ-উল মুনীরসহ অনেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

মাঝেমধ্যেই দেখা যায়, পাশাপাশি বসে থাকা দুজন মানুষের একজন মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ কিন্তু অন্যজনকে যেন মশারা দেখছেই না। এমনটা কেন হয়, তার জবাব হয়তো খুঁজে পাওয়া গেল এবার।

যুক্তরাজ্যের একদল বিজ্ঞানী বলছেন, শরীরের বিশেষ ধরনের ডিএনএ মশার জন্য চুম্বকের মতো কাজ করে। পরীক্ষার সময় ওই বিজ্ঞানীরা ১৮ জোড়া ‘আইডেনটিক্যাল’ ও ১৯ জোড়া ‘ফ্র্যাটারনাল’ যমজ বোনকে একটি ইংরেজি অক্ষর ‘ওয়াই’ আকৃতির টিউবের দুই মাথায় বসিয়ে দেন। এরপর টিউবের তৃতীয় সোজা প্রান্তটি থেকে ২০টি ক্ষুধার্ত মশা ছেড়ে দেওয়া হয়। মশাগুলো ডান না বামদিকের পথে এগোয়, তা দেখাই ছিল এর উদ্দেশ্য। ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ১৮ জোড়া ‘আইডেনটিক্যাল’ যমজের দিকেই মশাগুলো বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে। সুনির্দিষ্টভাবে বললে ৬৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই মশাদের আকৃষ্ট করার পেছনে জিন বা বংশগতির ভূমিকা রয়েছে। যমজ হচ্ছে দুধরনের—‘আইডেনটিক্যাল’ ও ‘ফ্র্যাটারনাল’। আইডেনটিক্যাল যমজ হয় একটি মাত্র কোষ থেকে আর ফ্র্যাটারনাল হয় দুটি ডিম্বাণু থেকে।

গবেষকেরা বলছেন, বিশেষ ধরনের ডিএনএগুলো এমন কিছু মাইক্রো ব্যাকটেরিয়াকে আকৃষ্ট করে, যাদের নিজস্ব গন্ধ থাকে। আর মশা তারই আকর্ষণে ছুটে যায়। 

বিজ্ঞানীদের ভাষ্যমতে, প্রতিটি মানুষের শরীরই ১০০ ট্রিলিয়নের মতো অণুজীব দিয়ে ঢাকা থাকে। এই অণুজীবের জগৎ রক্তে ভিটামিন এবং অন্যান্য রাসায়নিক তৈরি করে। এসব রাসায়নিক থেকেই গন্ধের উৎপত্তি। অণুজীবগুলোর বেশির ভাগই মানুষে মানুষে ভিন্ন। একেক অণুজীবের তৈরি রাসায়নিকের গন্ধ একেক রকম। আর বিভিন্ন জাতের মশা শরীরের বিভিন্ন অংশের ভিন্ন ভিন্ন গন্ধে আকৃষ্ট হয়। এ কারণেই দেখা যায়, ম্যালেরিয়ার জীবাণুবাহী অ্যানোফিলিস মশা বেশি কামড়ায় মানুষের হাত ও পায়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ির যন্ত্রাংশ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হারমান ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিজকে ৮০০ কোটি মার্কিন ডলারে কিনছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। ইন্টারনেট সংযোগ-সুবিধার গাড়ি তৈরির লক্ষ্যে দ্রুত বর্ধিঞ্চু গাড়ির প্রযুক্তি বাজারে ঢুকতে চাওয়া থেকেই স্যামসাংয়ের এই উদ্যোগ।


বিশ্বের বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা নগদ অর্থে যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাটভিত্তিক ওই প্রতিষ্ঠান কিনতে সম্মত হয়েছেন। স্যামসাংয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আর্থিক মূল্যের ভিত্তিতে এটাই হবে স্যামসাংয়ের সবচেয়ে বড় কোনো কোম্পানি অধিগ্রহণের ঘটনা। এই চুক্তির ফলে ইন্টারনেট সংযুক্ত গাড়ির যন্ত্রপাতির বৈশ্বিক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করতে পারবে প্রতিষ্ঠানটি।

স্যামসাংয়ের ভাইস চেয়ারম্যান ওন ওহ-হুন বলেন, প্রযুক্তি, পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে হারমান স্যামসাংয়ের সঙ্গে যায়। দুটি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে যুক্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই গাড়ির প্রযুক্তি নিয়ে পরিকল্পনা সম্প্রসারিত হবে। গাড়ির প্ল্যাটফর্মে স্যামসাংয়ের এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে শক্ত ভিত্তি হবে হারমান।

জেনারেল মোটরস ও ফিয়াটের ক্রিসলারের মতো গাড়ির জন্য উচ্চমানের অডিও সিস্টেম ও অন্যান্য ইন্টারনেট-সুবিধার বিনোদন যন্ত্রপাতি তৈরি করে হারমান।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে এখন এবং আগামী দিনগুলোতে এশিয়ার দেশগুলোই নেতৃত্ব দেবে—এমন আশা নিয়ে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে শুরু হয়েছে অ্যাসোসিও আইসিটি সামিট ২০১৬। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা তাই এশিয়ার দেশগুলোকে একজোট হয়ে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।


আজ মঙ্গলবার সকালে ইয়াঙ্গুনে এশিয়া ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠনগুলোর সংস্থা অ্যাসোসিওর এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন মিয়ানমারের পরিবহন ও যোগাযোগমন্ত্রী উ থান জেমা। তিনি এ সময় বলেন, মিয়ানমারে দ্রুতই বিকাশ ঘটছে তথ্যপ্রযুক্তির। সরকারের বিভিন্ন কাজেও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বৈশ্বিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্স—উইটসার সভাপতি ইভান চো অনুষ্ঠানে দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, এই ডিজিটাল যুগে এসে এশিয়ার দেশগুলোই তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব দেবে। বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তি বাজারের ৯০ শতাংশ উইটসার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে। ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করবে। ডিজিটাল অর্থনীতি বেগবান করতে সব দেশ একসঙ্গে কাজ করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিওর সভাপতি বুনরাক সারাগানান্দা, নবনির্বাচিত সভাপতি ডেভিড ওয়ানসহ অনেকে বক্তৃতা দেন। মূল প্রবন্ধে মিয়ানমার কম্পিউটার ফেডারেশনের (এমসিএফ) প্যাট্রোন থিয়েন উ জানান, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ করার জন্য মিয়ানমার এখন চমৎকার একটি স্থান। মিয়ানমারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাত দ্রুত বিকাশ লাভ করছে।

দুই দিনের অ্যাসোসিও সামিট ২০১৬-এর আয়োজক এমসিএফ। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) নেতৃত্বে ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল এই সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ দুপুরে ইয়াঙ্গুন এসে পৌঁছেছেন। বিকেলে মিয়ানমারের পরিবহন ও যোগাযোগমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় সভা হওয়ার কথা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর অ্যাসোসিও ই-কমার্স অ্যালায়েন্সের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ছাড়া এবারের সামিটে অ্যাসোসিও স্মার্টসিটি এবং হিউম্যান ক্যাপিটাল নিয়ে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে। আজ সন্ধ্যায় অ্যাসোসিও পুরস্কার ২০১৬ বিতরণ করা হবে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বাংলাদেশ দুটি পুরস্কার পাচ্ছে বলে জানা গেছে।

এদিকে গতকাল সোমবার অ্যাসোসিওর ২০১৬-১৮ মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি আলী আশফাক। আগামীকাল এ সম্মেলন শেষ হবে।


খবরের সাইটে আসল সত্যকে আড়াল করে ভুয়া তথ্য দিয়ে পাঠক টানা যাবে না। ইন্টারনেটের দুনিয়ায় পাঠকের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়, এ ধরনের অনেক ভুয়া সাইট এখন চোখে পড়ে। এ ধরনের সাইটগুলোর মালিক বা প্রকাশকদের জন্য দুঃসংবাদ। ভুয়া খবরের সাইটগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে গুগল


গুগলের প্যারেন্ট কোম্পানি অ্যালফাবেট সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে, ভুয়া খবরের সাইট হলে গুগলের বিজ্ঞাপন বিক্রির সফটওয়্যার অ্যাডসেন্স ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। গুগলের অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে এ ধরনের সাইটগুলোর মালিকেরা অর্থ উপায় করেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গুগল তাদের নীতিমালা হালনাগাদ করছে, যাতে ভুয়া খবর পরিবেশন করে—এমন সাইটগুলোতে অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা যাবে না। অ্যাডসেন্স বন্ধ করলে হয়তো ওই সাইটগুলো থেকে ভুয়া খবর প্রকাশ হওয়া ঠেকানো যাবে না, কিন্তু ওই সাইট থেকে অর্থ আয়ের সুযোগ বন্ধ হওয়ায় তা স্বয়ংক্রিয় বন্ধ হয়ে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি প্রভাব ফেলেছে বলে সমালোচনার মুখে পড়েছে ফেসবুক। অবশ্য ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘এটা পাগলের ধারণা’। তবে বাজফিড নামের এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভুয়া খবরের প্রচারে মার্কিন নির্বাচন কতটা প্রভাবিত হয়েছে, এ বিষয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত করছে ফেসবুক।



গুগল গ্লাসের মতো একধরনের নতুন স্মার্টগ্লাস বা স্মার্টচশমা তৈরির পথে হাঁটছে মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। এই স্মার্টগ্লাসে এক জোড়া সাধারণ কাচের পাশাপাশি একটি অগমেন্টেড রিয়্যালিটি ডিসপ্লে থাকবে। সহজ ভাষায় বাস্তব বস্তুর তথ্য সংগ্রহ করে ভার্চ্যুয়াল অভিজ্ঞতা তৈরির প্রযুক্তিকে অগমেন্টেড রিয়্যালিটি বা এআর প্রযুক্তি বলা হয়ে থাকে।


সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাপল এখনো স্মার্টগ্লাসের বাজার পর্যবেক্ষণ করছে। তাই কবে নাগাদ অ্যাপলের স্মার্টগ্লাস বাজারে আসবে, তার নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করা কঠিন। তবে ২০১৮ সালের শুরুর দিকে এ স্মার্টগ্লাস বাজারে আসতে পারে।

দীর্ঘদিন ধরেই অ্যাপল অগমেন্টেড রিয়্যালিটি (এআর) প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গোপনে কাজ করছে। এ বছরের প্রান্তিক আয় ঘোষণার সময়ও অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক এআর-সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের জবাব দেন। তাঁর ভাষ্য, ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি প্রযুক্তির তুলনায় অগমেন্টেড রিয়্যালিটি প্রযুক্তি অধিক সম্ভাবনাময়। তবে এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি ও অগমেন্টেড রিয়্যালিটি দুই প্রযুক্তির বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দেওয়া শুরু করে অ্যাপল।

ইতিমধ্যে নিয়ার আই-ডিসপ্লে নির্মাতা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যন্ত্রাংশ সরবরাহের জন্য আলোচনাও শুরু করেছে অ্যাপল। এ ছাড়া প্রাইমসেন্স, মেটাইও, ফ্লাইবাইয়ের মতো এআর, থ্রিডি ম্যাপিং, কম্পিউটার ভিশন সফটওয়্যার নির্মাতা কয়েকটি উদ্যোগও অধিগ্রহণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

অ্যাপলের লক্ষ্য হচ্ছে, এমন একটি স্মার্টগ্লাস তৈরি করা, যা তারবিহীন উপায়ে আইফোনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ স্মার্টগ্লাস পরিধানকারীর চোখের সামনে তথ্য তুলে ধরতে পারবে।

অগমেন্টেড রিয়্যালিটি প্রযুক্তি এখনো ততটা উন্নত হয়নি। গুগল গ্লাসের মুখ থুবড়ে পড়া তারই প্রমাণ। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উন্নত অগমেন্টেড রিয়্যালিটি হেডসেট হিসেবে মনে করা হয় মাইক্রোসফটের হলোলেন্সের ডেভেলপার সংস্করণটিকেই। এর দাম তিন হাজার মার্কিন ডলার। ম্যাজিক লিপ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান গোপনে এআর প্রযুক্তি তৈরিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটির পণ্য তৈরিতে ঝুঁকেছে। গুগল তৈরি করেছে ডেড্রিম প্ল্যাটফর্মের ভিউ হেডসেট। ফেসবুকের অকুলাস ভিআর ও স্যামসাং ভিআর উন্নত ভিআর প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করছে। তবে অ্যাপল কবে নাগাদ এ প্রযুক্তির দিকে হাত বাড়াবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। সম্প্রতি এআর প্রযুক্তি প্রসঙ্গে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বলেছেন, ‘এখানে অনেক কঠিন প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু এটা যখন এত বিশাল আকারে আসবে, তখন আমরা আশ্চর্য হয়ে যাব। এটা ছাড়া আমরা চলতে পারব না।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো তথ্যপ্রযুক্তি জগতের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও বিকাশের দিক থেকেও এই অঞ্চল এগিয়ে রয়েছে। তাই এই শিল্পের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এদিকে বেশি নজর দিচ্ছে। মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে অ্যাসোসিও আইসিটি সামিট ২০১৬-এ অতিথি হয়ে আসা ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সের (উইটসা) সভাপতি ইভান চো এ কথা বলেন।


উইটসার প্রথম নারী সভাপতি হিসেবে তাইওয়ানের ইভান চো দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, উইটসা এশিয়ার দেশগুলোকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। ৮০টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত উইটসা পরবর্তী পাঁচটি বার্ষিক ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস এশিয়াতেই আয়োজন করবে। ২০২১ সালে এই সম্মেলন বাংলাদেশে আয়োজন করা হবে।

এশিয়া-ওশেনিয়া অঞ্চলের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প খাতের সংগঠনগুলোর সংস্থা অ্যাসোসিওর আইসিটি সামিট ২০১৬-এর মূল আয়োজন আজ মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে। মিয়ানমার কম্পিউটার ফেডারেশন এর আয়োজক। সামিটের আগে গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে অ্যাসোসিওর বার্ষিক সাধারণ সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন অ্যাসোসিওর সভাপতি থাইল্যান্ডের বুনরাক সারাগানান্দা।

বার্ষিক সাধারণ সভায় অ্যাসোসিওর ২০১৬-১৮ মেয়াদের জন্য সাত সদস্যের পরিচালনা পর্ষদও নির্বাচন করা হয়। পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মালয়েশিয়ার ডেভিড ওয়ান ওং নান ফে। এবারে অ্যসোসিও পরিচালনা পর্ষদে আবারও স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ। ছয়জন সহসভাপতির একজন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি আলী আশফাক। বাকি পাঁচজন সহসভাপতি নেপাল, জাপান, ভিয়েতনাম ও হংকংয়ের প্রতিনিধি। এর আগে ২০১২-১৪ মেয়াদে অ্যাসোসিওর সভাপতি ছিলেন বাংলাদেশের আবদুল্লাহ এইচ কাফি।

ডেভিড ওয়ান প্রথম আলোকে বলেন, ‘২৪টি দেশের এই সংগঠনকে আমরা আরও ভালোভাবে গড়ে তুলতে পারি। এশিয়ার দেশগুলোর জন্য সমন্বিত ই-কমার্স নিয়ে অ্যাসোসিও কাজ করবে।’ নবনির্বাচিত সহসভাপতি আলী আশফাক বলেন, অ্যাসোসিও স্মার্ট সিটির ধারণা নিয়ে কাজ করছে। এটা থেকে বাংলাদেশের লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

দুই দিনের অ্যাসোসিও আইসিটি সামিটে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ আজ ইয়াঙ্গুনে এসে সম্মেলনে যোগ দেবেন। এই সম্মেলনে অ্যাসোসিওর বার্ষিক পুরস্কারও দেওয়া হবে।


যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির তারকা উদ্যোক্তাদের মধ্যে অধিকাংশই ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপক্ষে ছিলেন। একজন ছিলেন ট্রাম্পের ঘোর সমর্থক। তিনি পিটার থায়েল। সিলিকন ভ্যালির অন্য তারকা উদ্যোক্তারা যখন ট্রাম্পকে প্রত্যাখ্যান করেন, তখন ট্রাম্পের পক্ষে দাঁড়ান কোটিপতি এই উদ্যোক্তা। নির্বাচনী প্রচারে নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেন। ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে ট্রাম্প জিতে যাওয়ায় পিটার থায়েলও প্রযুক্তি বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন।
 

 
মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পর এখন প্রযুক্তি ও উদ্যোগসংক্রান্ত সব বিষয়েই ট্রাম্পের চোখের মণি হয়ে উঠেছেন ৪৯ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তা।

থায়েলের জন্ম জার্মানিতে। তাঁর বয়স যখন এক বছর, তখন তাঁর পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসে এবং সানফ্রান্সিসকো বে এরিয়াতে বসবাস শুরু করে। স্ট্যানফোর্ডে পড়াশোনা করেন দর্শনশাস্ত্রে। পরে আইন বিষয়ে ডিগ্রি নেন।

ফেসবুকে বিনিয়োগ ও পেপ্যাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে থায়েলের বড় সাফল্য আসে। ম্যাক্স লেভচিন ও এলন মাস্কের (গাড়ি নির্মাতা টেসলার প্রতিষ্ঠাতা) সঙ্গে পেপ্যাল প্রতিষ্ঠাতা করেন তিনি।

মার্কিন নির্বাচনের আগে যখন তিনি ট্রাম্পের পক্ষে তাঁর সমর্থন ঘোষণা করেন, সিলিকন ভ্যালির অনেকেই তাঁর নিন্দা শুরু করেন। ফেসবুক বোর্ড থেকে এবং সিলিকন ভ্যালির ওয়াই কমবাইনেটর নামের প্রতিষ্ঠানের পরামর্শক পদ থেকে তাঁকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। যখন অধিকাংশ মার্কিন গণমাধ্যম ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে অযোগ্য বলে ঘোষণা করে, তখন থায়েল সতর্ক করে বলেন, মিডিয়া ট্রাম্পকে সব সময় আক্ষরিকভাবে নিয়েছে। কখনো তাঁকে গুরুত্ব দিয়ে নেয়নি। কিন্তু ভোটাররা ঠিক উল্টোটা ভেবেছেন। তাঁরা ট্রাম্পকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

পিটার থায়েল বিতর্কিত মতামত তুলে ধরতে কখনো পিছপা হননি। ১৯৯৯ সালে তিনি থায়েল ও ডেভিড স্যাকস মিলে ‘দ্য ডাইভারসিটি মিথ’ নামের একটি বই লেখেন, যেখানে কলেজগুলোর বৈচিত্র্যময় বিষয়ে সমালোচনা করা হয়।

থায়েল দাবা খেলোয়াড় হিসেবে বেশ পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের ২১ বছরের কম বয়সী দাবাড়ুদের মধ্যে একসময় তাঁর র‍্যাংক ছিল শীর্ষে। প্রযুক্তিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার আগে তিনি এক বিচারকের ক্লার্ক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। পরে তিনি ক্রেডিট সুসি গ্রুপে ট্রেডার হিসেবে কাজ শুরু করেন। ওই সময় ম্যাক্স লেভেনচিনকে নিয়ে শুরু করে পেপ্যাল নামের একটি উদ্যোগ। পরে এলন মাস্কের এক্স ডটকমের সঙ্গে যুক্ত হয় পেপ্যাল। ২০০২ সালে ইবে ১৫০ কোটি মার্কিন ডলারে পেপ্যাল কিনে নেয়। পেপ্যালের সহযোগী প্রতিষ্ঠাতারা অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর হিসেবে কাজ শুরু করেন। থায়েল ওই অর্থ থেকে ৫৫ মিলিয়ন ডলার পেয়েছিলেন নিজের ভাগে। ওই অর্থ দিয়ে ক্ল্যারিয়াম ক্যাপিটাল নামের হেজ ফান্ড গঠন করেন।

২০০৪ সালে মার্ক জাকারবার্গ তাঁর উদ্যোগ হিসেবে ফেসবুক শুরু করেন। পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে ১০ শতাংশ মালিকানা নেন থায়েল। এর মধ্যে ৩ শতাংশ রাখেন নিজের নামে। ফেসবুকের ওটাই ছিল প্রথম বিনিয়োগ। পরে ফেসবুক যখন আইপিও ছাড়ে, থায়েল তখন তাঁর শেয়ার বিক্রি করে দেন এবং ১০০ কোটি ডলার আয় করেন।

২০০৪ সালে আরেক উদ্যোক্তা আলেকজান্ডার কার্পের সঙ্গে প্ল্যানানটির নামে একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন থায়েল। এই প্রতিষ্ঠানে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা বিনিয়োগ করে।

প্রতিষ্ঠানটি সন্ত্রাসী কার্যক্রম শনাক্ত করতে সফটওয়্যার তৈরিতে কাজ করে। ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে প্ল্যানানটির সফটওয়্যার। সিলিকন ভ্যালির সবচেয়ে গোপন সফল প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচয় দাঁড়িয়ে গেছে থায়েলের ওই প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির মূল্য ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হলেও পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে এটি আনতে চান না তিনি।

ছোটবেলা থেকে থায়েল মা-বাবা তাঁকে টিভি দেখতে দিতেন না। তবে তিনি জে আর আর টলকিনের লেখা ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’ বই পড়তে ভালোবাসতেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামকরণে ওই বইয়ের বিভিন্ন বিষয়ের অনুপ্রেরণা দেখা যায়।

এখন থায়েলের বড় পরিচয় ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট হিসেবে। তাঁর প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডার্স ফান্ড সম্পর্কে তিনি একবার বলেছিলেন, ‘আমরা উড়ুক্কু গাড়ি চাই, তাই পরিবর্তে পেলাম ১৪০ অক্ষর।’ উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ভালো ধারণা উঠে না আসায় আক্ষেপ তাঁর। অবশ্য বর্তমানে ৮০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানে তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে।

থায়েল সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটির সমাধান করতে কাজ করছেন, তা হচ্ছে মৃত্যুকে ঠেকানো। বয়স বাড়ার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করার বিষয়ে কাজ করছেন তিনি। থায়েল বলেন, তিনি ১২০ বছর বাঁচার পরিকল্পনা করছেন। এ জন্য তিনি প্রতিদিন মানুষ বেড়ে ওঠার বিশেষ হরমোন নেন। বয়স কমানোর প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করা মেথিউলিস ফাউন্ডেশনে তিনি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার দান করেছেন। এ ছাড়া তিনি বয়স থামিয়ে দেওয়ার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা এসইএনএস রিসার্চ ফাউন্ডেশনের কাজে সমর্থন করছেন। এ ধরনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে তিনি নানা সহযোগিতা করছেন।

থায়েল মনে করেন, কলেজের পেছনে যে পরিমাণ খরচ হয়, তার তুলনায় লাভ কম। তাই স্মার্ট তরুণদের উদ্যোক্তা হতে উৎসাহ দেন তিনি। এ লক্ষ্যে থায়েল ফেলোশিপ চালু করেছেন তিনি। তরুণ উদ্যোক্তারা তাঁদের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠার জন্য এক লাখ মার্কিন ডলারের বৃত্তি ও দুই বছরের সমর্থন পান। এ বৃত্তি পেতে গেলে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী হিসেবে দুই বছর পার করতে হবে। এখন পর্যন্ত ২২ বছরের কম বয়সী ১০৪ জন এ বৃত্তি পেয়েছেন।

ভুয়া খবর বেশি করে প্রচার পাওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প সুবিধা পেয়েছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে ফেসবুকের বিরুদ্ধে। অবশ্য এ অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। তবে ফেসবুকে আসল খবরের ছদ্মবেশে প্রচুর ভুয়া খবর আসার বিষয়টি স্বীকার করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ১০ নভেম্বর আসল তথ্যের আড়ালে ভুয়া খবরগুলোকে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করার ঘোষণা দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
 

ফেসবুকের পণ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডাম মোসেরি স্বীকার করেছেন, ফেসবুকে ভুয়া খবরটিই এখন আসল সমস্যা। তিনি বলেন, ‘আমরা ফেসবুকের তথ্যকে খুব গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করি। আমরা প্রকৃত যোগাযোগকে অধিক গুরুত্ব দিই এবং নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কথা শুনি। ফেসবুকের বিরুদ্ধে যে সমালোচনা হচ্ছে, এ বিষয়টিকে আমরা খুব গুরুত্ব দিয়ে থাকি। নিউজফিডের মধ্যে এ ধরনের ভুয়া খবরের প্রবাহ ঠেকাতে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি।’

মোসেরি স্বীকার করেছেন, ফেসবুকের আরও অনেক কিছু করার আছে। তাই ভুয়া তথ্য শনাক্ত করার দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়টিতে আরও গুরুত্ব দিচ্ছে ফেসবুক। অবশ্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের পরিকল্পনা বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।


আগামী বছরের শুরুতে তিনটি নতুন মডেলের আইপ্যাড বাজারে আনতে পারে মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারক্লেইসের বিশ্লেষকেদের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে প্রযুক্তি-বিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যাপল ইনসাইডার।


 
বিশ্লেষকেরা বলেন, আগামী বছরের মার্চ মাসে নতুন আইপ্যাড বাজারে আসতে পারে। তিনটি মডেলের মধ্যে দুটি মডেল হবে বর্তমানে বাজারে থাকা আইপ্যাডের হালনাগাদ সংস্করণ এবং একটি হবে সম্পূর্ণ নতুন মডেল।

বাজার বিশ্লেষকেদের মতে, নতুন আইপ্যাড হিসেবে ১০ দশমিক ৯ ইঞ্চি মাপের একটি নতুন মডেল আনতে পারে অ্যাপল। এ ছাড়া ৯ দশমিক ৭ ইঞ্চি মাপের আইপ্যাড প্রো থেকে ‘প্রো’ কথাটি বাদ দিয়ে একটি মডেল আসতে পারে। এ মডেলের দাম এবার কিছু কমাতে পারে অ্যাপল। আইপ্যাড মিনির পাশাপাশি নতুন এই আইপ্যাড বিক্রি হবে।

১২ দশমিক ৯ ইঞ্চি মাপের আইপ্যাড প্রো মডেলটির একটি হালনাগাদ সংস্করণ আনতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ১০ দশমিক ৯ ইঞ্চি মডেলের আইপ্যাডে ডিসপ্লে প্যানেল ভবিষ্যতের আইফোনের ডিসপ্লে সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে। অবশ্য এ বিষয়ে অ্যাপল কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। তবে অ্যাপলের কাছে ডিসপ্লে সরবরাহকারী শার্পের প্রেসিডেন্ট টাই জেং-ইয়ু বলেছেন, আইফোনে ওএলইডি প্যানেল ব্যবহৃত হবে।

পিক্সেল স্মার্টফোনে অত্যন্ত সুরক্ষিত নিরাপত্তা ফিচারের দাবি করে গুগল। কিন্তু এক মিনিটেরও কম সময়ে গুগলের এই স্মার্টফোন হ্যাক করে দেখিয়েছেন চীনের নিরাপত্তা সফটওয়্যার নির্মাতা ‘কুইহো ৩৬০’-এর হ্যাকাররা।


সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অনুষ্ঠিত ‘২০১৬ পনফেস্ট’ হ্যাকিং প্রতিযোগিতায় গুগলের নতুন পিক্সেল ও পিক্সেল এক্সএল ফোন এক মিনিটেরও কম সময়ে হ্যাক করে দেখান হ্যাকাররা। এতে তাঁরা পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার পেয়েছেন।

এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে গুগল এ ধরনের একটি হ্যাকিং চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিল। এর আগে ‘প্রজেক্ট জিরো প্রাইজ’ নামে নেক্সাস ৬পি ও নেক্সাস ৫ এস হ্যাকিংয়ের জন্য চ্যালেঞ্জ ছোড়ে গুগল। এ ধরনের চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মাধ্যমে হ্যাকারদের ফোনের দুর্বলতা খুঁজে দিতে বলে গুগল। যাঁরা গুগলের ফোনের দুর্বলতা বের করেন, তাঁদের অর্থ পুরস্কার দেয় গুগল।

স্মার্টফোন এখন শুধু কথা বলার মাধ্যম নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু। নানা কাজে ব্যবহার করা হয় ডিভাইসটিকে। তবে ব্যবহারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চার্জ ফুরায় বলে ঝামেলাতেও পড়তে হয় ব্যবহারকারীদের। 
 
 
ব্যাটারির চার্জ নিয়ে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বিড়ম্বনার শেষ নেই। দ্রুত চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ার কারণে চাইলেও অনেক কাজ করা যায় না। এই ঝামেলা থেকে বাঁচাতে নতুন এক প্রযুক্তি আনতে কাজ করছেন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে একদল গবেষক।
 
তারা এমন একটি উপাদান আবিষ্কার করেছেন, যা ব্যবহারে মাত্র একবার চার্জ করলে তিন মাস আর মোবাইল চার্জ করার প্রয়োজন পড়বে না।
 
এই উপাদানকে বলা হচ্ছে 'ম্যাগনেটো ইলেকট্রিক মাল্টিফেরোইক'। গবেষকদের দাবি, এই উপাদান ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপেও ক্রমাগত বিদ্যুৎ সরবরাহ করার প্রয়োজন পড়বে না। মাঝে মধ্যে প্রয়োজন মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করে দেবে উপাদানটি। তার ফলেই সচল থাকবে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ। 
 
শুধু কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল-ই নয়, যে কোনও নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহার্য ইলেকট্রনিক বস্তুতে যদি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, তবে সারা বিশ্বে বিদ্যুৎ খরচের মাত্র উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে।
 
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রবীণ গবেষক জানিয়েছেন, এই প্রযুক্তি আসতে এখনও কিছু বছর সময় লাগবে। তবে যখন এর ব্যবহার শুরু হবে তখন বিশ্বজুড়ে বিদ্যুতের ব্যবহার এক ধাক্কায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।


২০১৪ সালের অক্টোবরে সামাজিক নেটওয়ার্কিং অ্যাপ্লিকেশন ‘রুমস’ উন্মুক্ত করেছিল ফেসবুক। কিন্তু এক বছরের মাথায় তা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু রুম অ্যাপের ধারণাটি পুরোপুরি বাদ দেয়নি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। প্রযুক্তি-বিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেসেঞ্জার চ্যাট আপে রুমস ফিচারটিকে যুক্ত করছে ফেসবুক। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাতে এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আলোচনার জন্য ‘রুমস’ সেবাটি চালু করতে যাচ্ছে ফেসবুক।


টেকক্রাঞ্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন বিষয় এবং আগ্রহী বস্তু নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনার জন্য রুমস-সেবা। প্রতিটি রুমে একটি লিংক থাকবে, যা শেয়ার করা যাবে। এতে যেকোনো মেসেঞ্জার ব্যবহারকারী ওই লিংক ধরে আলোচনায় অংশ নিতে পারবেন। নতুন ব্যবহারকারীদের আমন্ত্রণ করা বা অনুমোদন দেওয়ার নিয়ন্ত্রণও থাকবে ব্যবহারকারীর হাতে।

ফেসবুক মেসেঞ্জারের পণ্য ব্যবস্থাপক ড্রিউ মোক্সন বলেন, অপরিচিতজনদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার সুবিধার জন্য রুমস-সুবিধা আনা হয়েছে। গ্রুপ চ্যাট বিষয়টি যেহেতু পরিবার ও বন্ধুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ, তাই রুমস ব্যবহার করে নির্দিষ্ট বিষয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা করা যাবে।


স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি নোট ৭-এর পর এবারে আইফোন ৭ প্লাসে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে। গিজমোচায়না নামের একটি ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, চীনের ইউনান প্রদেশে এক ব্যক্তির হাত থেকে দুর্ঘটনাবশত এটি মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাতে আগুন লেগে যায়। এতে ফোনটি ডিসপ্লে সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে ফোন থেকে পৃথক হয়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় ফোনটিতে কম্পন সৃষ্টি হয় এবং দ্রুত ধোঁয়া বের হতে থাকে। 


নতুন আইফোন বিস্ফোরণ নিয়ে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি।
এ বছরে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো আইফোন বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেল। এর আগে গত অক্টোবর মাসে অস্ট্রেলিয়ার এক সার্ফার তাঁর নতুন আইফোনে আগুন লাগার ঘটনা জানান। এতে তাঁর গাড়ি পুড়ে যায়।

ম্যাট জোন্স নামের ওই সার্ফারের দাবি, গাড়িতে কাপড়ের স্তূপের মধ্যে ফোনটি রাখা ছিল। সেটি বিস্ফোরিত হয়ে কাপড়ে আগুন লাগে এবং পুরো গাড়িতে আগুন লেগে যায়। জোন্স দাবি করেন, তিনি কখনো আইফোনের চার্জার বাদে অন্য চার্জার ব্যবহার করেননি কিংবা ফোনটি কখনো পড়ে যায়নি। সিগারেট বা অন্য কোনোভাবে আগুন লাগার ঘটনাও অস্বীকার করেন তিনি। ফোনের ভেতরেই কিছু গড়বড় ছিল বলে মনে করেন তিনি।

তার আগে এক রেডিট ব্যবহারকারী তাঁর সহকর্মীর নতুন আইফোন ৭ প্লাস বিস্ফোরণ হওয়ার কথা জানান।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ফোনের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে অ্যাপল খুব জোর দেওয়ার দাবি করে। কিন্তু পরপর চারবার ফোন বিস্ফোরণের ঘটনায় অ্যাপলকে বিষয়টির দিকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

অবশ্য স্মার্টফোন বিস্ফোরণ বা আগুন লাগার ঘটনা শুধু অ্যাপল স্যামসাংয়ের বেলায় ঘটছে তা নয়; সম্প্রতি ভারতে রিলায়েন্স লিফ নামের একটি ফোনে বিস্ফোরণ ঘটে। গত জুলাই মাসে শিয়াওমির এমআই ৪ আই মডেলের ফোনে বিস্ফোরণ ঘটে।

প্রতিযোগিতাটি মোবাইল ফোনের অ্যাপ তৈরির। আর এতে অংশ নিচ্ছেন দেশের ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ইএটিএল-প্রথম আলো অ্যাপস প্রতিযোগিতা ২০১৬-এর বুটক্যাম্প গতকাল শনিবার বসেছিল রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে। প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বুটক্যাম্প সারা দিনই ছিল জমজমাট।


সকালে সুরের ধারার শিল্পীদের পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু হয় এ আয়োজন। বুটক্যাম্পের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আবৃত্তির ঢঙে তিনি বলেন, ‘জ্ঞান বড় সম্পদ, চর্চায় বেড়ে যায়, থেমে গেলে নদীর মতো মরে যায়। তোমরা জ্ঞানের চর্চা করবে তো?’ শিক্ষার্থীরা হ্যাঁ সূচক জবাব দিলে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে ডিজিটাল করেছি। এখন তোমাদের দায়িত্ব বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এ কে আবদুল মোমেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার, বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি মোখলেসুর রহমান, এথিকস অ্যাডভান্স টেকনোলজিস লিমিটেডের (ইএটিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান, প্রযুক্তি উপদেষ্টা রাজেশ পালিতসহ অনেকে বক্তৃতা করেন।

বুটক্যাম্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল যাঁদের ধারণাপত্র প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছে, তাঁদের অ্যাপ তৈরির বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া। দিনব্যাপী এ আয়োজনে প্রতিযোগীদের জন্য বেশ কটি অধিবেশন।

প্রতিযোগীদের অনুপ্রেরণামূলক কথা শোনান বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং জনপ্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ ও প্রথম আলোর যুব কর্মসূচি সমন্বয়ক মুনির হাসান।

বিভিন্ন অধিবেশনে অ্যাপের কারিগরি দিক নিয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশে গুগলের কান্ট্রি মার্কেটিং কনসালট্যান্ট হাশমী রাফসানজানি, গোল্ডেন ফর্গের রাকিব-উল-আলম, প্রথম আলো ডিজিটালের ব্যবস্থাপক (ডিজিটাল বিক্রয়) স্টিভ অ্যান্থনী জ্যাকব, রাজেশ পালিতসহ অনেকে।

এম এ মুবিন খান বলেন, এটি শুধু প্রতিযোগিতা নয়, নিজেদের তুলে ধরা এবং দক্ষতা বাড়ানোর একটি মাধ্যম। ২৫ থেকে ২৬ নভেম্বরে নির্বাচিত প্রতিযোগীরা বিচারকদের সামনে নিজেদের ধারণাপত্র উপস্থাপন করবেন। প্রতিযোগিতায় সেরা অ্যাপের জন্য রয়েছে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার।

ইএটিএল ও প্রথম আলো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষক বিশ্বব্যাংক ও কানাডা। সহযোগিতা করছে সরকারের আইসিটি বিভাগ ও চ্যানেল আই।

ফেসবুক প্রোফাইলে পরিচিত কাউকে ‘মৃত’ দেখালে আঁতকে উঠবেন না। কারণ, ভুলবশত প্রায় ২০ লাখের বেশি ফেসবুক প্রোফাইলে ‘মৃত’ কথাটি পোস্ট হয়ে গেছে। এসব প্রোফাইলের মধ্যে মার্ক জাকারবার্গের প্রোফাইলটিও ছিল। গতকাল শুক্রবার এক সফটওয়্যার ত্রুটির কারণে এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। 


ফেসবুকের এক মুখপাত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘স্বল্প সময়ের জন্য মৃত মানুষের স্মরণে যেসব প্রোফাইল তৈরি করা হয়, তা অন্য অ্যাকাউন্টে পোস্ট হওয়া শুরু হয়ে যায়। এই মারাত্মক ভুলটি পরে দ্রুত ঠিক করা হয়।’ 

প্রায় ২০ লাখ প্রোফাইল পাতায় ভুলবশত মৃত বলে ঘোষণা উঠে আসে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। 

এ ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছে ফেসবুক।
অনেকে এ ঘটনাকে আবার বাঁকা চোখে দেখছেন। ফেসবুকের মেমোরিয়াল ফিচারটির প্রচার করতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

কিছু অর্জন আছে, যা গুগলের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানকেও গর্বিত করে তোলে। গুগলের তৈরি ইন্টারনেট ব্রাউজার এমন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। গুগল ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটির বেশি যন্ত্রে সক্রিয়ভাবে ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহৃত হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে ক্রোম ডেভেলপার সম্মেলনে ক্রোম ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডারিন ফিশার ক্রোমের এই মাইলফলক ছোঁয়ার ঘোষণা দেন।

ফিশার বলেন, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল সব ধরনের প্ল্যাটফর্ম মিলিয়ে গুগল ক্রোম ইনস্টল ও সক্রিয় ব্যবহারকারী সংখ্যা ২০০ কোটি ছাড়িয়েছে। গুগলের কোনো সফটওয়্যার বা পণ্যের ক্ষেত্রে ২০০ কোটির মাইলফলক পেরোনোর ঘটনা এটাই প্রথম। এর আগে গুগলের পণ্য হিসেবে ১০০ কোটির মাইলফলক পেরিয়েছে বেশ কয়েকটি সেবা। এর মধ্যে আছে গুগল ম্যাপস, অ্যান্ড্রয়েড, গুগল প্লেস্টোর, গুগল সার্চ ও জিমেইল।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কোন পোস্টটি বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে, তা বিশ্লেষণ করার সফটওয়্যার ক্রাউডট্যাংগল কিনে নিল ফেসবুক।

গতকাল শুক্রবার ফেসবুক ক্রাউডট্যাংগলকে কেনার এ ঘোষণা দিয়েছে।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র ই–মেইল বার্তায় বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘বিশ্বজুড়ে প্রকাশকেরা ক্রাউডট্যাংগল ব্যবহার করে বিভিন্ন কনটেন্টের জনপ্রিয়তার পাশাপাশি এর পারফরম্যান্স ও প্রভাব শনাক্ত করেন। ক্রাউডট্যাংগলের সঙ্গে কাজ করে প্রকাশকদের আরও বেশি বিশ্লেষণী তথ্য দিতে পারব বলে আমরা রোমাঞ্চিত।’

ক্রাউডট্যাংগল তাদের ওয়েবসাইটে বার্তার মাধ্যমে ফেসবুকে অধীনে যাওয়ার খবর জানালেও আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি প্রকাশ করেনি।

ক্রাউডট্যাংগলের ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে কনটেন্টের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করতে এ সফটওয়্যার কাজে লাগে। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, টিভি, ডিজিটাল মিডিয়া, এনজিও বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এর গ্রাহক।

আনুষ্ঠানিকভাবে ১৬ জিবি মডেলের রিফারবিশড বা পরিমার্জনকৃত আনলক ‘আইফোন ৬ এস প্লাস’ ১৫ শতাংশ ছাড়ে বিক্রি করছে অ্যাপল। অ্যাপলের অনলাইন স্টোরে এই আইফোন বিক্রি হচ্ছে। 

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোজ গোল্ড রঙের ৬৪ জিবি মডেলের ৬ এস প্লাসের দাম উল্লেখ করা হয়েছে ৫৮৯ মার্কিন ডলার আর সিলভার বা রুপালি রঙের ১৬ জিবি মডেলের দাম উল্লেখ করা হয়েছে ৫২৯ মার্কিন ডলার। 

নতুন ফোনের মতোই রিফারবিশড ফোনেও এক বছরের ওয়ারেন্টি দিচ্ছে অ্যাপল। রিফারবিশড ফোনগুলোতে নতুন করে ব্যাটারি ও বাইরের কাঠামো যুক্ত করেছে অ্যাপল। 

অন্যান্য পণ্যের মধ্যে রিফারবিশড করা ম্যাক, আইপ্যাড, ম্যাকবুক, ম্যাকের বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও বিক্রি করছে অ্যাপল।
এর আগে ২০০৭ সালে রিফারবিশড আইফোন বিক্রি করেছিল অ্যাপল।

বিশ্বজুড়ে ৯০ লাখ ইউনিট পি৯ স্মার্টফোন বিক্রি হয়েছে বলে দাবি করেছে চীনের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। এ বছরের এপ্রিল মাসে এ ফোন বাজারে আনে প্রতিষ্ঠানটি।
এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে হুয়াওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, তারা মোট ৬০ লাখ ইউনিট পি৯ স্মার্টফোন বিক্রি করেছে। অর্থাৎ, গত দুই মাসে ৩০ লাখ ইউনিট পি৯ বিক্রি হয়েছে।

পি৯ স্মার্টফোনটির বড় ফিচার হচ্ছে এর পেছনে দুটি ক্যামেরা, যা ক্যামেরা নির্মাতা লেইকার সঙ্গে মিলে তৈরি করেছে হুয়াওয়ে। ফোনটির পেছনে দুটি ১২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা আছে যার অ্যাপারচার এফ/২.২। এর সামনে রয়েছে আট মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। অ্যান্ড্রয়েড ম্যার্শমেলো অপারেটিং সিস্টেমের ফোনটিতে ৫ দশমিক ২ ইঞ্চি মাপের ফুল এইচডি ডিসপ্লে আছে। ফোনটিতে হাই-সিলিকন কিরিন ৯৫৫ অক্টাকোর প্রসেসর, ৩ জিবি র‍্যাম, ৩২ জিবি বিল্টইন স্টোরেজ আছে। এর ব্যাটারি তিন হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে স্মার্টসিটি সমাধান নিয়ে হ্যাকাথন প্রোগ্রাম। প্রেনিউর ল্যাব ও গ্রামীণফোনের উদ্যোগ হোয়াইট বোর্ডের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানটি ১১ থেকে ১২ নভেম্বর গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ৩৬ ঘণ্টার এ স্মার্টসিটি হ্যাকাথনে তরুণেরা বিভিন্ন উদ্ভাবনী ধারণার মাধ্যমে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন।


গ্রামীণফোন সূত্রে জানা গেছে, স্মার্টফোন হ্যাকাথনে ৪৩০টি দল নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে বাছাইকৃত ৩০টি দল মূল পর্বে অংশ নিচ্ছে। স্মার্টসিটি হ্যাকাথনের উদ্দেশ্য হচ্ছে, প্রতিভা শনাক্ত করা ও বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়ে তরুণদের ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা গ্রামীণফোনের কার্যালয় জিপি হাউসে তিন মাস কাজ করার সুযোগ, ছয় মাসের স্টার্টআপ মেন্টরশিপ ও ইনকিউবেশন সহযোগিতা। উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবসায়িকভাবে সফল করতে মোট পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান পাওয়ার সম্ভাবনাও থাকবে। মূলত স্যানিটেশন, পরিষ্কার রাস্তাঘাট ও সবুজ পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে ক্লিন সিটি, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ইফিসিয়েন্ট লিভিং, শহর ব্যবস্থাপনা আরবান ম্যানেজমেন্ট, শহরের বস্তিবাসীর জন্য সুষ্ঠু ও উন্নত জীবনব্যবস্থা বেটার স্লাসন, ট্রাফিক ও ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থাপনা ট্রাফিক অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট, নারীদের জন্য নিরাপদ শহর সিটি ফর উইমেন, লাইফস্টাইল, সহজ যোগাযোগব্যবস্থা টাউন হল, শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য সুন্দর ও নির্মল শহর ফিউচার সিটিজেন এবং গতানুগতিক চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে ভিন্নধর্মী উদ্ভাবন ওপেন আইডিয়াজ নিয়ে কাজ করবে অংশগ্রহণকারী দলগুলো।

এ নিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের এই আয়োজন তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করবে। এই হ্যাকাথনের মাধ্যমে মেধাবী তরুণেরা ঢাকা শহরকে আরও নাগরিকবান্ধব করে তুলতে নানা ডিজিটাল সমাধান নিয়ে আসবেন।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.