ফিচার, অবন্তী জামান তন্বীঃ  রেস্তোরাঁয় গিয়েছে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে কিংবা কিছুটা সময় কাটাতে। সঙ্গী হিসেবে আপনি কফির অর্ডার দিলেন। কোন ধরনের কফির অর্ডার দিলেন তার মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পাবে। পছন্দের দিক থেকে আরো গরম কফি আবার কারো কোল্ড কফি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। কিন্তু গরম বা ঠান্ডার মধ্যে কফির বৈচিত্র্য সীমাবদ্ধ নয়। ক্যাপুচিনো, অ্যামিরিকানো, ফ্র্যাপে, ফ্র্যাপেচিনো আরো অনেক ধরনের কফি পাওয়া যায়।
ওয়ান ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়ে।ছে, এক দেখায় যদি কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে বুঝতে হয় তাহলে তার কফি অর্ডারের ধরন দেখে অনেকটাই বুঝতে পারবেন আপনি। তাহলে আসুন একঝলকে দেখে নেয়া যাক কফি আপনার ব্যক্তিত্বের কোন বৈশিষ্ট্যগুলি ফাঁস করে

এক্সপ্রেসো অথবা ব্ল্যাক কফি:
আপনার পছন্দ যদি হয় এক্সপ্রেসো তাহলে তার অর্থ হল আপনি কোনো জিনিস থেকে চট করে বেরিয়ে আসতে পারেন না। সবকিছুর শেষপর্যন্ত দেখা আপনার পছন্দ। আপনি খুব দৃঢ়মনস্ক। জীবনকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করেন। আপনি তর্কবাগীশ হলেও শিল্পের কদর করেন। সময় নষ্ট করা, অলস মনোভাব আপনার পছন্দ নয়।

কোল্ড কফি:
কোল্ড কফি যাদের পছন্দ তারা খুব শান্ত স্বভাবের হন। নিজের সঙ্গে সময় কাটাতে এরা খুব পছন্দ করেন। অন্যরা তাদের সম্পর্কে কী ভাবছেন তা নিয়ে মাথা ঘামানো পছন্দ নয় তাদের।

অ্যামিরাকানো:
যারা খুব প্রাণবন্ত হন এবং জীবনে অল্প বয়সেই অল্প সময়েই অনেককিছু অর্জন করেছেন তারা এই ধরনের কফি পছন্দ করেন। নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন। পরিকল্পনামাফিক চলতে পছন্দ করেন তারা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের পারফেকশনিস্ট বলা হয়ে থাকে। কাজ পাগল হয়তো সঠিক শব্দ হবে এতে। তারা এতটাই কাজ ভালবাসের যে চান না জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কাছের মানুষটিও তার ও তার কাজের মাঝে আসুক।

ল্যাটে কফি:
এরা নিজেকে নিয়ে থাকতে ভালবাসেন। নিজের মতো করে জীবনকে চালিত করতে চান এরা। নিজের শর্তে জীবনযাপন করতে পছন্দ করেন এবং সেই শর্তগুলি নিয়ে অত্যন্ত গোঁড়া হন। তবে এরা যা ভাবেন মুখেও তাই বলেন।

ক্যাপাচিনো:
এই কফি যারা পছন্দ করেন তারা নিজেকে নিয়েই সারাদিন ব্যস্ত থাকেন। নিজের প্রশংসা নিজেরাই করেন। এরা অনেকটা সেইসব জিনিসের মতো হয়, যা দেখতে খুব সুন্দর হয়, কিন্তু সেভাবে ব্যবহারে আসে না। তাদের চিন্তাভাবনার কোনো ভিত হয় না। যে যেমন বোঝায় সেরকমই বুঝে যায়। তারা ভীষণ চঞ্চল মনেরও হয়। এরা একা চলতে পারেন না। আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকে।

চা:
এরা মাটিতে পা রেখে চলে। খুব সাধারণ জীবনযাপনই এদের পছন্দ। এরা আড্ডা দিতে খুব ভালবাসেন। নিজেদের জন্য নয়, এরা সবসময় অন্যদের কথা ভাবেন। অন্যদের জন্য কিছু করতে পারলে খুশি হন। প্রশংসা নেয়ার জন্য কোনো কাজ করেন না। বরং আড়ালে থেকে কাজ করতে পছন্দ করেন।

ফ্র্যাপেচিনো:
ফ্র্যাপেচিনো পছন্দ মানে আপনি নিজেই নিজের ফেভারিট। শরীর স্বাস্থ্য সম্পর্কে এরা খুব সচেতন হন। সম্পর্ক ধরে রাখার ক্ষেত্রে এরা ততটা দৃঢ় হন না। খুব তাড়াতাড়ি কোনো কিছুতে বা কোনো ব্যক্তির বিষয়েও বিরক্ত হয়ে যেতে পারেন। এরা খুব জেদি ধরনের হন।

এখন থেকে স্যামসাংয়ের টিভি কিনলেই পাওয়া যাবে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্য ছাড়। সঙ্গে ফ্রিতে মিলবে স্মার্টফোন। স্যামসাংয়ের ‘স্মার্ট হোম’ ক্যাম্পেইনের আওতায় এই অফার দিচ্ছে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ।
‘স্মার্ট হোম’ ক্যাম্পেইনটি স্যামসাংয়ের ১৫ টি মডেলের টিভিতে গ্রাহকদের দিচ্ছে সর্বনিম্ন ২ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ মূল্য ছাড়। এ ছাড়াও গ্রাহকরা পাচ্ছেন স্যামসাং ৪০এইচ৫১০০, ৪০এইচ৫৫০০, ৩২জে৬৩০০ ও ৪০জে৬৩০০ মডেলের টিভিতে গ্যালাক্সি জে১ এইস হ্যান্ডসেট এবং স্যামসাং ৪০এইচ৬৪০০ ও ৪৮এইচ৬৪০০ মডেলের টিভিতে গ্যালাক্সি জে২ হ্যান্ডসেট।
এই অফারটি ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। গ্রাহকরা এই সময়ের মধ্যে অফারটি উপভোগ করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানটির হেড অব কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ফিরোজ মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের জন্য ‘স্মার্ট হোম’ অফারটি ঘোষণা করতে পেরে খুবই আনন্দিত। গ্রাহকদেরকে বিশ্বের সর্বাধিক বিক্রিত টিভি ব্র্যান্ড স্যামসাংয়ের নতুন টেলিভিশন ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে আমরা স্যামসাংয়ের বিভিন্ন মডেলের টিভিতে দিচ্ছি নগদ মূল্যছাড় ও ফ্রি গ্যালাক্সি হ্যান্ডসেট।’
আগ্রহী ক্রেতাগণ বিস্তারিত জানার জন্য ০৯৬১২-৩০০-৩০০ নম্বরে ফোন করতে পারবেন। স্যামসাং টিভি ও রেফ্রিজারেটরের অনুমোদিত ড্রিস্টিবিউটর হচ্ছে ট্রান্সকম ডিজিটাল, ইলেক্ট্রা ইন্টারন্যাশনাল, সিঙ্গার ও র‌্যাংগস।
a


বিশ্বের শীর্ষ ধনী বিল গেটস প্রতিষ্ঠিত বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের নাম প্রায় সবারই জানা। গরিব দেশগুলোর মানুষে জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এই দাতব্য সংস্থাটি। চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে এতদিন কাজ করলেও সম্প্রতি কাজের ধরনে পরিবর্তন এনেছে গেটস ফাউন্ডেশন। যেসব প্রযুক্তি নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য সুবিধা করে দিতে পারে এখন এমন ক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ করছে বিল গেটস এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।
বাংলাদেশে বিকাশ খুব সহজলভ্য এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে সহজেই এক যায়গা থেকে অন্য যায়গায় টাকা লেনদেন ও মোবাইল ওয়ালেটের কাজ করা যায়। এর সম্ভাবনার দিক বিবেচনা করেই ২০১৫ থেকে বিকাশে বিনিয়োগ শুরু করেন বিল গেটস।
এ সম্পর্কে ব্লুমবার্গকে বিল গেটস বলেন, ‘আমার যা ধারণা ছিল তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং। এর আগেও ক্ষুদ্রঋণ ও সমবায়ের মাধ্যমে চেষ্টা করা হয়েছিল তবে এসবের লেনদেনের ফি ছিল খুব বেশি। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খুব স্বল্প ফি দিয়ে লেনদেনের এই সুবিধা চালু না হলে ব্যাংকিং শুধুমাত্র ধনীদের বিষয়ই হয়ে থাকতো।’
২০১১ সালে বাংলাদেশে বিকাশের যাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশি-আমেরিকান উদ্যোক্তা কামাল কাদির ও তার ভাই ইকবাল কাদির বিকাশ প্রতিষ্ঠা করেন। তাদের আগের ব্যবসার লভ্যাংশ ও ব্যাংকিং সুবিধার বাইরে থাকা মানুষদের কাছে মোবাইলভিত্তিক লেনদেন নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বিকাশের যাত্রা।
শুরুর বছরই ২০ লাখ মানুষকে আকৃষ্ট করতে সমর্থ হয় বিকাশ। আর ২০১৫ সালে এসে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৭০ লাখ।

 
দেশে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি ও এয়ারটেলের একীভূতিকরণে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করেছে দুই কোম্পানি।
রবির মালিকানায় রয়েছে মালয়েশিয়াভিত্তিক আজিয়াটা গ্রুপ অন্যদিকে এয়ারটেলের মালিক ভারতের ভারতী এয়ারটেল। চুক্তি অনুযায়ী একীভূতিকরণের পর নতুন নাম হবে রবি।
একীভুতিকরণে আজিয়াটার শেয়ার থাকছে ৬৮.৩ শতাংশ। অন্যদিকে ভারতী এয়ারটেলের থাকছে ২৫ শতাংশ এবং বাকি ৬.৭ শতাংশ অপর শেয়ারহোল্ডার জাপানের এনটিটি ডকোমোর কাছে ।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রবি জানায়, ২০১৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুই কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসায়িক কার্যক্রম একীভূত করার সম্ভাবনার বিষয়ে আলোচনা শুরুর পর এটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘এই চুক্তির কার্যকারিতা টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ (রেগুলেটরি), সরকার এবং আদালতের অনুমোদন পাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। এই প্রক্রিয়া আগামী দুই মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একীভূতকরণের মাধ্যমে ব্যবসা কাঠামো উন্নততর হলে ব্যবসায়িক লাভ এবং শেয়ার হোল্ডারদের বিনিয়োগ সুরক্ষিত হবে।
আজিয়াটার প্রেসিডেন্ট এবং গ্রুপের প্রধান নির্বাহী দাতোশ্রী জামালুদ্দিন ইব্রাহিম বলেন, আজিয়াটার একীভূতকরণ এবং আত্মীকরণ কৌশলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিভিন্ন দেশে আমরা নিজেদের অবস্থান জোরদার এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ ধরণের একীভূতকরণে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়েছি।
ভারতী এয়াটেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও (ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া) গোপাল ভিত্তাল বলেন, দুটি কোম্পানির শক্তিকে একত্রিত করার পেছনে অত্যন্ত যৌক্তিক কারণ রয়েছে। একীভূত এই সত্তা তার কার্যক্রমের সমন্বয় ঘটিয়ে গ্রাহকদের বিশ্বমানের আরও দারুণ সেবা দিতে সক্ষম হবে এবং বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
রবির সিইও সুপুন বীরাসিংহে বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান অসম প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং প্রতিযোগিতার টেলিকমিউনিকেশন খাতে একীভূতকরণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এই একীভূতকরণের মাধ্যমে আজিয়াটা এবং ভারতী এয়ারটেল উভয়েই বর্ধিত আকার এবং দক্ষতার ফলশ্রুতিতে ব্যয় সংকোচনের সুবিধা পাবে।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে মোবাইল ফোন অপারেটর ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ শেয়ার কিনে নিয়ে বাংলাদেশে যাত্রা করে এয়ারটেল। তখন অপারেটরটির ৭০ শতাংশ শেয়ার ভারতীয় এ কোম্পানি কিনেছিল মাত্র ১ লাখ ডলার মূল্য দেখিয়ে। এরপর ২০১৩ সালে বাকি ৩০ শতাংশ কিনে নেয় ৮৫ মিলিয়ন ডলারে।
অন্যদিকে ১৯৯৭ সালে টেলিকম মালয়েশিয়া (টিএম) ইন্টারন্যাশনাল ও বাংলাদেশের এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে একটেল নামে কোম্পানির যাত্রা শুরু হয়। ২০০৮ সালের শেষের দিকে জাপানের ডোকোমো ইনকরপোরেটেড টিএম গ্রুপের সঙ্গে যোগ দেয়। এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানির মালিকানায় থাকা একটেলের ৩০ শতাংশ শেয়ার ৩৫ কোটি মার্কিন ডলারে কিনে নেয় ডোকোমো।
২০১০ সালের ২৮ মার্চ একটেল রবি আজিয়াটা লিমিটেড হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এরপর ২০১৩ সালে ডোকোমো তাদের অংশীদারিত্ব কমিয়ে ৮ শতাংশে নিয়ে আসে। অন্যদিকে আজিয়াটা নিজেদের অংশীদারিত্ব বাড়িয়ে ৯২ শতাংশ করে।

কারোও বুদ্ধি ক্ষুরধার, কারও বা ভোঁতা। মানুষের বুদ্ধিমত্তা কী যে কোনও পরিস্থিতিতে তফাৎ গড়ে দিতে পারে। বুদ্ধি যদি সঙ্গী থাকে তাহলে যে কোনও পরিস্থিতিতে শুরু বুদ্ধির জোরেই বাজিমাত করাও সম্ভব। কিন্তু বুদ্ধি এমন একটি জিনিস যাকে প্রতিনিয়ত ঘষামাজা করতে হয়। মাথাকে যদি কাজ না করানো যায়, তাহলে সেই ত্বেজী বুদ্ধি নিজের ত্বেজ হারাতেও সময় নেয় না।  আচ্ছা ধ্যান, যোগাভ্যাস কী বুদ্ধি তীক্ষ্ন করতে সাহায্য করে? উত্তর হবে, কিছু ক্ষেত্রে হ্যাঁ।
আচ্ছা এমন কোনও বিশেষ অভ্যাসের জন্য কী আপনার বুদ্ধির ধার কমতে পারে? উত্তর, অবশ্যই। এটুকু শুনেই বেশি ঘাবড়ে যাবেন না। সবসময় একটি জিনিস মাথায় রাখবেন, সুস্থ বুদ্ধি, সুস্থ শরীরেই বসবাস করে। সুস্থ বলতে এখানে শুধু শরীর নয়, মনও বটে। অর্থাৎ শরীরের পাশাপাশি মনকেও সুস্থ রাখতে হবে।  আর সেক্ষেত্রে অবশ্যই জানা দরকার কোন কোন বদভ্যাস থেকে আপনার বুদ্ধি খর্ব হতে পারে।

অতিরিক্ত ঘুম : কোনও কিছুই মাত্রাতিরিক্ত করা ভাল নয়। ঘুমও নয়। অতিরিক্ত ঘুম মানসির স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই উপকারি নয়। অতিরিক্ত ঘুমের ফলে ক্রমে মস্তিষ্ক অলস হতে শুরু করে। এর ফলে মন খারপ অসুখেও পরিণত হতে পারে।
ধূমপান : ধূমপান মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজে বাধা প্রদান করে। ফলে মস্তিষ্ক তার স্বাভাবিক কাজ করতে পারে না। ধীরে ধীরে বুদ্ধির ধার কমতে থাকে। পাশাপাশি স্মৃতিশক্তিতেও প্রভাব পড়ে।

অপুষ্টি : অপুষ্টির জেরেও বুদ্ধি লোপ পেতে শুরু করে। কারণ মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য যে পুষ্টিগুন আমাদের প্রয়োজন তা সঠিক পরিমান আমাদের শরীরে ঢুকছে না। এই জন্য রোগা হওয়ার জন্য না খেয়ে থাকা, ক্র্যাশ ডায়েট করা একেবারেই উচিত নয়।
মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ নেওয়া : আজকালকার প্রতিযোগিতার দুনিয়ায় মানসিক চাপ ক্রমশই বেড়ে চলেছে। কিন্তু অকারণে মানসিক চাপ নেওয়া অনেকের চারিত্রিক বৈশিষ্টর মধ্যে পড়ে। এর ফলে মস্তিষ্কে চাপ পড়ে, আর এর ফলে আপনার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজের গতিবিধি ব্যহত হয়।

জীবনযাপন : আপনার জীবন যদি গতানুগতিক হয়, সেক্ষেত্রেও আপনার মানসিক স্বাস্থ্যে তার প্রভাব পড়তে পারে। সচল জীবনযাপন আপনার মাথাকে অতিরিক্ত অক্সিজেন জোগায়। যা আপনার বুদ্ধিকে ঘষে মেজে তৈরি করতে সাহায্য করে।

অপর্যাপ্ত ঘুম : বেশি ঘুমও যেমন শরীরের পক্ষে ভাল না, তেমনই ৭-৮ ঘন্টার কম ঘুমও শরীরের পক্ষে ভাল না। অনেকেই আছেন, সকাল তাড়াতাড়ি কাজে বেরনো সত্ত্বেও দেরি করে ঘুমতো যান। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দেরি করে ঘুমলে গভীর ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ কম থাকে। তার উপর ৭-৮ ঘন্টা ঘুম না হলে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। যা আপনার বুদ্ধিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

অ্যালকোহল অতিরিক্ত পরিমানে অ্যালকোহল সেবন করলে তার ফলে ডিপ্রেশন বা সারাক্ষণ উদ্বিগ্ন থাকার সমস্যা দেখা যেতে পারে। এর ফলে আপনার মানসিক শক্তিতে প্রভাব পড়তে পারে।

মাথার ব্যায়াম: যে কোনও যন্ত্রপাতি বহুদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে তাতে জং পড়ে যায় কাজ করতে পারে না যন্ত্রপাতিগুলি। আমাদের মাথার মধ্যেও এরকম একাধিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। কিন্তু আমরা যদি নতুন কিছু শেখার মা জানার চেষ্টা না করি, মাথা যদি না খাটাই তাহলে মাথার ভিতরেরে যন্ত্রপাতিগুলোও অচল হয়ে পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে বুদ্ধি লোপ পেতে থাকে।

একাকীত্ব :  সবসময় চেষ্টা করুন একার সঙ্গে সময় না কাটিয়ে, ভারচুয়াল লাইফের বাইরে বাস্তব জীবনে মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করুন। একার সঙ্গে সময় কাটাতে থাকলে সামাজিক জীবনের অভাব আপনার মস্তিষ্কে ও বুদ্ধিমত্তায় পড়তে পারে।


দেশের সবচেয়ে পুরনো সেলফোন অপারেটর প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড; সিটিসেল নামেই যার পরিচিতি। যাত্রার সময় এটি ছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সেলফোন অপারেটর।

দেশের সবচেয়ে পুরনো সেলফোন অপারেটর প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড; সিটিসেল নামেই যার পরিচিতি। যাত্রার সময় এটি ছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সেলফোন অপারেটর। তীব্র প্রতিযোগিতাসহ নানা কারণে অন্য অপারেটরদের তুলনায় ক্রমেই পিছিয়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রাহক সংখ্যায় যেমন, তেমনি আয়ের বিবেচনায়ও। এ সংকট কাটিয়ে উঠতে মালিকানা বদলের প্রচেষ্টাও শুরু হয়। সম্প্রতি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। দৈনিক বণিক বার্তার প্রতিবেদক সুমন আফসার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছেন। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিটিসেলের ৪৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ারের মালিক সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিঙ্গটেল এশিয়া প্যাসিফিক ইনভেস্টমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৩৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ প্যাসিফিক মোটরস লিমিটেড ও ১৭ দশমিক ৫১ শতাংশের মালিকানা ফারইস্ট টেলিকমের। অপারেটরটির সিংহভাগ শেয়ারের মালিক সিঙ্গটেল ২০১২ সালে নতুন বিনিয়োগ বন্ধ করে দেয়ায় আর্থিক সংকটে পড়ে সিটিসেল।

জানা গেছে, দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গত বছরই মালিকানা বদলের বিষয়ে আলোচনা শুরু করে সিটিসেল কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি আলোচনা চূড়ান্ত করেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দুটি। তবে বিনিয়োগের পরিমাণ নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে। মালিকানা বদলের বিষয়ে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক সম্মতি পেলে দেশে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে সিটিসেল। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে কোম্পানিটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সবকিছু চূড়ান্ত হলে সিঙ্গাপুর স্টক এক্সচেঞ্জকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে সিঙ্গটেল। আর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) জানাবে সিটিসেল। নতুন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান থ্রিজি ও ফোরজি প্রযুক্তির সেবাদানে আগ্রহী বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করা হলেও মন্তব্য করতে রাজি হননি সিটিসেলের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা। কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে গ্রাহক হারিয়ে চলেছে দেশের সবচেয়ে পুরনো সেলফোন অপারেটরটি। ফলে দেশে সেবাদানকারী ছয় অপারেটরের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যায় তাদের অবস্থান সবার নিচে। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে গ্রাহক সংখ্যায় সিটিসেলকে পেছনে ফেলেছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান টেলিটক।

বিটিআরসি সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের এপ্রিলে সিটিসেলের গ্রাহক ছিল ১৮ লাখ ১ হাজার। ১৭ মাস পর ২০১৩ সালের অক্টোবরে গ্রাহক বৃদ্ধির ধারায় ফিরে আসে অপারেটরটি। আর প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ গ্রাহক ছিল ২০১০ সালের অক্টোবরে। সে সময় তাদের গ্রাহক সংখ্যা পৌঁছেছিল ১৯ লাখ ৩৩ হাজারে। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর শেষে সিটিসেলের গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৭ হাজারে। বছরটিতে সিটিসেলের গ্রাহক কমেছে আড়াই লাখের বেশি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির মার্কেট শেয়ার ১ শতাংশেরও নিচে। গ্রাহক কমে যাওয়ার পাশাপাশি গত কয়েক বছরে লোকসানও বেড়েছে সিটিসেলের। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের পরিমাণ ছিল ১৯৬ কোটি টাকা। ২০১২ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২২৬ কোটি টাকায়। ২০১৩ সালে লোকসান আরো বেড়ে হয় ৩২০ কোটি ও ২০১৪ সালে ৪৮০ কোটি টাকা।

একমাত্র সেলফোন অপারেটর হিসেবে নব্বইয়ের দশকে একচেটিয়া ব্যবসা করে সিটিসেল। কলরেট ও হ্যান্ডসেটের উচ্চমূল্য সত্ত্বেও সে সময় আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতো প্রতিষ্ঠানটির এ সেবা। তবে ওই দশকের শেষে সেলফোন সেবার লাইসেন্স দেয়া হয় একাধিক প্রতিষ্ঠানকে। এতে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে অপারেটরটি। দেশের সিডিএমএ (কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস) প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেবাদানকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান সিটিসেল। বাকি পাঁচ সেলফোন অপারেটর— গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, এয়ারটেল ও টেলিটক সেবা দিচ্ছে জিএসএম (গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন্স) প্রযুক্তির মাধ্যমে।

সিডিএমএর তুলনায় স্বল্প ব্যয়ে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের সুযোগ থাকায় বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে জিএসএম প্রযুক্তি। পাশাপাশি এ প্রযুক্তির উন্নয়নও হয়েছে ধারাবাহিকভাবে। এক্ষেত্রেও অন্য অপারেটরদের তুলনায় প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে সিটিসেল। ২০১২ সালের এপ্রিলে জিএসএম প্রযুক্তির সেবা দিতে তরঙ্গ বরাদ্দের জন্য বিটিআরসির কাছে আবেদন করে সিটিসেল। এতে প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া ৫ মেগাহার্টজ সিডিএমএ তরঙ্গ পরিবর্তন করে ইজিএসএম ব্যান্ডে ৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ এবং ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে অতিরিক্ত ৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ চাওয়া হয়।

ওই বছরের জুনে অন্য এক আবেদনে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করে, সিডিএমএ ডিভাইসে ইকোসিস্টেম না থাকায় চেষ্টা সত্ত্বেও জিএসএম অপারেটরের তুলনায় সিটিসেলের মার্কেট শেয়ার কমছে। ২০০৭ সালে যেখানে সিটিসেলের মার্কেট শেয়ার ছিল ৪ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি, ২০১২ সাল নাগাদ তা ২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া সিডিএমএ ডিভাইসে ভর্তুকি হিসেবে ২০১২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫০০ কোটি টাকা।

এদিকে নিয়মিত অর্থ পরিশোধ না করায় সিটিসেলের কাছে সরকারের পাওনাও বাড়ছে। গত বছরের নভেম্বর শেষে প্রতিষ্ঠানটির কাছে সরকারের পাওনা দাঁড়িয়েছে ২৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এর মধ্যে টুজি লাইসেন্সের আওতায় তরঙ্গ বরাদ্দ ও নবায়ন ফি বাবদ পাওনার পরিমাণ ২২৯ কোটি টাকা। এছাড়া রাজস্ব ভাগাভাগি বাবদ পাওনা দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা, তরঙ্গ বরাদ্দ চার্জ বাবদ ১৯ কোটি ৭৫ লাখ, সামাজিক সুরক্ষা তহবিলের ৭ কোটি ৪৫ লাখ ও লাইসেন্স ফি বাবদ ৫ কোটি টাকা। আর্থিক সংকটের কারণে এ অর্থ পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জানিয়েছে সিটিসেল। এজন্য একাধিকবার অর্থ পরিশোধের সময় বৃদ্ধির আবেদনও করে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে সিটিসেলের ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার বেশি। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এরই মধ্যে রবি আজিয়াটা ও এয়ারটেল বাংলাদেশ এক হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটির একীভূতকরণের আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সিটিসেলের মালিকানা বদলের মাধ্যমে সেলফোন সেবা খাতে আরো একটি বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

কিছুদিন আগেই হয়ে গেল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের ৬০ তম বছর পূর্তি। নিজেদের বিগত সময়ের কাজ পর্যালোচনা করতে গিয়ে তারা পেলেন এক অদ্ভুত  তথ্য। প্রতি বছর তাদের কাছে ১৭৪ টি দেশ থেকে আসে প্রায় ৫০,০০০ এপ্লিকেশন। এর মধ্যে ৬০০০ এপ্লিকেশন মনোনিত হয়। তারা খেয়াল করলেন, ঘোষিত অধিকাংশ রেকর্ড আজব আজব সব বিষয় নিয়ে। চলুন ফিরে দেখি সেইসব অদ্ভুত বিষয়ের দিকে যেগুলো যত অদ্ভুতই হোক না কেন ঠিকই জায়গা করে নিতে পেরেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এ ।

১। সবচেয়ে ওজন নিয়ে রেকর্ড করেন দুই জমজ-
১৯৭৮ সালে রেস্টলার্স বিলি ও বেনি ম্যাককেরি  world’s heaviest twins হিসেবে রেকর্ড করেন। তাদের ওজন ছিল যথাক্রমে ৭৪৩ পাউন্ড এবং ৭২৩  পাউন্ড ।

২। সবচেয়ে ধনী বিড়াল-
১৯৮৮ সালে ব্লাকি wealthiest cat হিসেবে রেকর্ড গড়ে। তার মালিকের মৃত্যুর পর সে ১২.৫ মিলিয়ন ডলারের মালিক হয়েছিল।

৩। কার্ড দিয়ে বানানো সবচেয়ে বড় বাড়ি-
১৯৯২ সালে ব্রায়ান বার্গ লোয়া অঞ্চলের স্পিরিট লেকের পাশে কার্ডের বাড়ি বানান এবং সেটি  largest house of cards হিসেবে রেকর্ড তৈরি করে। তার বানানো বাড়িটি ছিল ৭৫ তলা।
৪।দ্রুততম বগ-স্নোরকেলিং ট্রেইথলন-
১৯৯৪ সালে ডানিয়েল বেন্ট  fastest ever time in the bog-snorkeling triathlon হিসেবে রেকর্ড করেন। বিশ্ব বগ-স্নোরকেলিং চ্যাম্পিয়নশীপে ২ ঘন্ট ২৩ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে তিনি এই রেকর্ড করেছিলেন।

৫। সবচেয়ে লম্বা এস্কেলেটরে ভ্রমণ-
১৯৯৮ সালে শ্রীলংকার সুরেশ জসীম longest escalator rider হিসেবে স্বীকৃতি পান। এস্কেলেটরটি অস্ট্রেলিয়ার বারউডে ওয়েস্ট ফিল্ড শপিং সেন্টারে অবস্থিত।

৬। নাক দিয়ে সবচেয়ে বেশী দুধ নিঃসরণ-
১৯৯৯ সালে গেরি বাসও জুনিয়র most milkshake dispensed through the nose  এর জন্য রেকর্ড করেন। তিনি  ১.৮২ আউন্স পরিমাণ দুধ এবং চকলেটের মিশ্রণ নাক দিয়ে বের করেন ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলস এ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের টিভি পোগ্রামে।

৭। চাবির রিং থেকে চাবি বের করা! -
২০০১ সালে স্মাডজ নামের চাবির রিং থেকে সবচেয়ে বেশী চাবি সবচেয়ে দ্রুত সময়ে বের করে রেকর্ড করেন।
৮। সবচেয়ে বড় বাবলগাম বাবল-
২০০৪ সালে চাদ ফেল ২০" বড় বাবল ফোলান বাবলগাম থেকে। Largest bubblegum bubble এর জন্য রেকর্ড হয় তার।

৯। এক মিনিটে মাথা দিয়ে সবচেয়ে বেশী টয়লেট সীট ভেংগে রেকর্ড-
২০০৮ সালে কেভিন শেলী most toilet seats broken by one’s head in one minute এর জন্য রেকর্ড করেন জার্মানির কলোং এ। তিনি ৪৬ টি টয়লেট সীট ভাংতে পেরেছিলেন।

১০। সবচেয়ে লম্বা নখধারী পুরুষ-
ম্যালভিন বুথ এর ছিল longest finger nails on a pair of male hands ever। ৩২ ফুট ৩.৮ ইঞ্চি লম্বা নখ ছিল তার যখন মিশিগান এর ট্রয়ে এটি মাপা হয়েছিল।

১১। সবচেয়ে ভারী পেঁয়াজ-
বিশ্বের সবচেয়ে ভারী পেঁয়াজ হিসেবে রেকর্ড গড়া পেঁয়াজটির ওজন ছিল ১৭ পাউন্ড ১৫.৫ আউন্স। পেট গ্লেজব্রুক ২০১১ সালে এটি প্রদর্শন করেন উত্তর ইংল্যান্ড এর  Harrogate Autumn Flower Show তে।

১২। টুথপেস্ট টিউবের বিশাল সম্ভার-
জর্জিয়ার ভাল কল্পাকভ ২০১২ সালে ২,০৩৭ টি টুথপেস্ট টিউবের সম্ভার দেখিয়ে  largest collection of toothpaste tubes এর রেকর্ড করেন।

১৩। সবচেয়ে বড় চোখের পাপড়ি, কুকুরের!-
রানমারু, একটি অস্ট্রেলিয়ান ল্যাব্রাডুডল কুকুর ২০১৪ সালে তার ৬.৬৯ ইঞ্চি চোখের পাপড়ির জন্য  longest eyelashes on a dog এর রেকর্ড করে।
১৪। সবচেয়ে বড় জুম্বা নাচের ক্লাশ-
২০১৫ সালে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার পাশের ম্যান্ডালায়ং এ ১২,৯৭৫  জন নৃত্যশিল্পী একসাথে world’s largest Zumba class এর রেকর্ড করেন।


পাশ্চাত্য ঘরানার ফাস্ট ফুডের স্বাদ যখন থেকে বাঙ্গালি জিহ্বা পেয়েছে, তখন থেকেই বাঙ্গালির ভোজন রসিকতায় এসেছে নতুন মাত্রা। যদিও এটি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল শহুরে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেই এখনো সীমাবদ্ধ। এর মধ্যেও রয়েছে ব্র্যান্ড। নামী-দামী ফাষ্টফুডের শপগুলোর রয়েছে তাই বাড়তি খ্যাতি। ঢাকা শহরের নামী-দামী ফাষ্ট ফুড শপগুলোর মধ্যে কে এফ সি অন্যতম। বস্তুতঃ এটি ফাষ্টফুডের ক্ষেত্রে একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড। সুস্বাদু বিভিন্ন আইটেমের মাধ্যমে ভোজন রসিকদের জিহ্বার তপ্ত লালাকে তৃপ্ত করতে শপটি তার নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং সেই সাথে চেষ্টা চালাচ্ছে তার নামের মর্যাদা ধরে রাখতে।
২০০৩ সালে এ দেশে প্রথম এসেছে পিৎজা হাট। তার ঠিক তিন বছর পর কেএফসি। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এটি ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেড গুলশান আউটলেটের মাধ্যমে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে। দেশের চারটি জেলায় ২৬টি স্থানে ৩৩টি রেস্তোরাঁ খোলা হয়েছে কেএফসি, পিৎজা হাট ও পিৎজা হাট ডেলিভারির। এর মধ্যে ১৮টি কেএফসি, আটটি পিৎজা হাট এবং সাতটি পিৎজা হাট ডেলিভারি।
এসব তথ্য জানানো হলো ২৩ জানুয়ারি এক অনুষ্ঠানে। পুরান ঢাকার ওয়ারীর র্যা ঙ্কিন স্ট্রিটে কেএফসি রেস্টুরেন্টে আয়োজন করা হয় এটি। এতে উপস্থিত ছিলেন ওয়ারীতে বেড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক মডেল ও ফ্যাশন ব্যক্তিত্ব বিবি রাসেল, উপস্থাপক শারমীন লাকি, অভিনেত্রী বন্যা মির্জা, সংগীতশিল্পী তপু এবং ট্রান্সকম ফুড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আক্কু চৌধুরী।
অনুষ্ঠানটি শুরু হয় ‘আয় আয় প্রাণের উৎসবে’ গানের সঙ্গে নাচের মাধ্যমে। পরে কথা বলেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। আক্কু চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছা আগামী ২০২০ সালের মধ্যে সারা দেশে ১০০টি রেস্টুরেন্ট চালু করার। আমরা ভালো মানের খাবার নিয়ে ক্রেতাদের কাছে যেতে চাই। সেই চেষ্টা সব সময় অব্যাহত থাকবে।’ বিবি রাসেল বলেন, ‘আমি এখানে বড় হয়েছি। আমাদের জন্য আনন্দের খবর যে কেএফসি ও পিৎজা হাট ওয়ারীতে এসেছে। আশা করি, তাদের এ যাত্রা সফল হবে।’





মুক্তির প্রথম দিনেই অক্ষয় কুমারের নতুন সিনেমা 'এয়ারলিফট' বলিউড বক্স অফিসে বাজিমাত করেছে। ভারতীয় ট্যাবলয়েড মিড ডে জানায়, শুক্রবার মুক্তি পাওয়া এ ছবিটি প্রথম দিনেই আয় করেছে ১২ কোটি ৩৫ লাখ রুপি।
১৯৯০ সালের ইরাক-কুয়েত যুদ্ধের সময় ভারতীয়দের উদ্ধারের গল্প নিয়েই মূলত তৈরি করা হয়েছে 'এয়ারলিফট' সিনেমা। সিনেমার বিষয়ে বলিউডের বাণিজ্য বিশ্লেষক তরণ আদর্শ জানিয়েছেন, মুক্তির প্রথম দিনেই দর্শকদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পেয়েছে ছবিটি। সপ্তাহ শেষে এই আয় দ্বিগুণ হতে পারে।
রাজা কৃষ্ণা মেনন পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন অক্ষয় কুমার, নিমরাত কৌর, ফেরইয়ান ওয়াজহির, পুরব কোহলি প্রমুখ।
এর আগে গত বছর মুক্তি পাওয়া অক্ষয় কুমারের ‘বেবি’ ছবিটি মুক্তির প্রথম দিনে আয় করেছিল ৯ কোটি ৩০ লাখ রুপি। এ বছর মুক্তি পাওয়া তিনটি ছবির মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রথম দিনের সর্বোচ্চ আয় ‘এয়ারলিফট’ ছবিটির।

 

মতিঝিল অফিস পাড়া কিংবা আরামবাগ, টিকাটুলি এবং আশপাশের এলাকার ভোজন বিলাসী মানুষগুলোর কথা ভেবে নতুন মাত্রা নিয়ে আসছে নতুন রেস্তোরাঁ ‘ইন্ডিয়ান স্পাইস রেষ্টুরেন্ট’। নামেই যেন খাবারের তৃপ্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এই রেস্তোরাঁ। নটরডেম কলেজের বিপরীতে ব্র্যাক ব্যাংকের পাশেই আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হয়েছে এ রেস্তরাঁটি। এটি হবে মূলত ইন্ডিয়ান এবং বাংলা খাবারের কম্বিনেশন। ইন্ডিয়ান স্পাইস রেষ্টুরেন্ট হতে যাচ্ছে এইচ-কিউ গ্রুপের একটি তত্ত্বাবধানে একটি নতুন ধরনের খাবার দোকান। 


২২শে জানুয়ারী শুক্রবার এটির শুভ উদ্বোধন করেন নারায়নগনজ্ঞ - ৩ আসনের আওয়ামীলীগ দলীয় সাবেক এমপি এবং এইচ-কিউ গ্রুপের উপদেষ্টা জনাব কায়সার হাসনাত জানিয়েছেন সানজিদ হাসনাত। তাদের বিশেষ আকর্ষন হচ্ছে মুখরোচক সকালের নাস্তা এবং দুপুরের খাবার। সকাল ৬টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ে রকমারি ইন্ডিয়ান এবং  বাংলাদেশী স্বাদে ক্রেতারা পাবেন নানা স্বাদের খাবার। তিন বেলা পৃথক পৃথক মেন্যুর সাথে থাকছে আপনার পছন্দনীয় সব ধরনের খাবারের বিশাল তালিকা।

 

এখানে থাকবে দোসা, রাজকাচুরি, দই ফুচকা, বাসমতী চালের কাচ্চি, মোরগ পোলাও, সরিষা ইলিশ, বিভিন্ন ধরনের কাবাব সহ হরেক প্রকার খাবারের বিশাল সমারোহ। সম্পূর্ণ দেশীয় পাঁচক দ্বারা প্রস্তুতকৃত এই খাবারের স্বাদ, আমেজ ও আতিথেয়তা পেতে নিমন্ত্রণ রইলো এই নতুন রেস্তোরাঁতে। তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং নতুন নতুন সব অফার এবং রেসিপির খবর জানতে তাদের ফেসবুক পেইজে ঘুরে আসতে পারেন -fb.com/IndianSpicyRestaurant

এইচ-কিউ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সানজিদ হাসনাত আরো জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই তারা ব্যাস্ত মতিঝিল পাড়ার কর্পোরেট কাষ্টমারদের জন্য ফোনে অফিস ডেলিভারীর ব্যবস্থাও যোগ হতে যাচ্ছে। সুতরাং, প্রচন্ড ব্যস্ততার ভিতর আপনার অফিসে কিংবা কাজের ক্ষেত্রে বসেও ইন্ডিয়ান স্পাইসি'র স্বাদ নিতে পারবেন শুধুমাত্র একটি ফোন কিংবা অনলাইন খাবারের অর্ডার করে।

গতিময় ইন্টারনেটের কল্যানে কমে গেছে ফাইল ডাউনলোডের প্রবণতা। বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ভিডিও ডাউনলোড করার পরিবর্তে মুহূর্তেই সার্চ করে দেখে নিতে পারেন।



আর অনলাইনে এমন ভিডিও দেখতে অধিক জনপ্রিয় সাইট ইউটিউব। যার নিকট শক্তিশালী প্রতিদন্দী তেমন নেই বললেই চলে। অনলাইনে ভিডিও ভিউ নিয়ে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং সাইট ইউটিউবের ধারের কাছেও নেই সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই অনলাইনে ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে উঠে এসেছে ফেসবুকের পরাজয়। সেন্ডভাইন নামে একটি নেটওয়ার্কিং প্রতিষ্ঠান ওই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সাইট দুইটির ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে ওই রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইউটিউবের ব্যবহার হয়েছে ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০১৪ সালে যা ছিল ১৪ শতাংশ। অন্যদিকে ফেসবুকের ব্যবহার হয়েছে ২ দশমিক ৫ শতাংশ। আগের বছরের চেয়ে যা দশমিক ৫ শতাংশ কম।

বিশ্বজুড়ে ফেসবুকের ৫০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী প্রতিদিন সাইটটি থেকে ৮ বিলিয়ন ভিডিও দেখে থাকেন। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি তাদের সাইটে ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও দেখার সেবা যুক্ত করেছে। পাশাপাশি লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং সেবাও পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। এতো কিছুর পরও এই খাতে কোন অগ্রগতি হয়নি প্রতিষ্ঠানটির।

মজার বিষয় হলো দুই বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ইউটিউব ও ফেসবুকের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে নেটফিক্স।

এর  আগে গত এক বছর বা তার চেয়ে কিছু বেশি সময় ধরে ফেসবুক অনেকটা আক্রমণাত্বকভাবে তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভিউ বাড়াতে নানা উদ্যোগ নেয়। ওই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছিল ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জনপ্রিয় সাইট ইউটিউবকে পেছনে ফেলা।

ইসলাম ধর্মের অবমাননা করে তৈরি সিনেমা ‘ইনোসেন্স অফ ইসলাম’ আপলোড হওয়ার ঘটনায় ২০১২ সালে ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব-এর উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘ তিন বছর পর তুলে নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।



‘ইনোসেন্স অফ মুসলিমস’ নামে বিতর্কিত ওই চলচ্চিত্র নিয়ে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় ওঠে বাংলাদেশসহ মুসলিমপ্রধান দেশগুলোতে। আর এতে অভিনয় করা শিল্পীরা অভিযোগ করেছিলেন তাদের না জানিয়েই ইসলামবিদ্বেষী কনটেন্ট ঢোকানো হয়েছে সিনেমাটিতে।

চলচ্চিত্রটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের মধ্যে লিবিয়ায় খুন হন সেদেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত। মিশর, তিউনিশিয়া, লেবানন, ইয়েমেন আর সুদানসহ অনেক দেশেই প্রাণ হারান মানুষ।
সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে পাকিস্তানে ইউটিউবের একটি বিশেষ সংস্করণ চালু করা হয়েছে। ওই সংস্করণটি শুধু পাকিস্তানের জন্যই করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্কাই নিউজ। এতে কোনো কনটেন্ট আক্রমণাত্মক মনে হলে পাকিস্তান সরকার তা মুছে ফেলার ক্ষমতা রাখে।
পাকিস্তানের তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউটিউবের নতুন ওই সংস্করণে পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ) চাইলে কোনো আক্রমণাত্মক কনটেন্ট ব্লক করার জন্য বলতে পারবে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, পিটিএ-এর সুপারিশে পাকিস্তানের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের পাকিস্তান সরকার দেশটির জন্য চালু করা ইউটিউবের সামপ্রতিক সংস্করণ অ্যাকসেস করার অনুমোদন দিয়েছে।

পাকিস্তানে ইসলাম ধর্মকে অবমাননার দায়ে সাজা হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আইন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত দেশটিতে বিশেষ ওই কারণে সাজার প্রয়োগ করা হয়নি।

এ বিষয়ে ইউটিউবের একজন মুখপাত্র বলেন, “আঞ্চলিকতার ভিত্তিতে আমাদের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যদি কোনো ভিডিও এই নীতি লঙ্ঘন করে, আমরা তা সরিয়ে দেই। সরকার কোনো কনটেন্ট সরানোর অনুরোধ করলে তা যাচাই করা হবে আর আমাদের ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্টে তা অন্তর্ভূক্ত করা হবে।”


প্রতিবার ফোনে কথা বলার সময় কলড্রপ হলেই মোবাইল ফোনের গ্রাহকেরা ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১ মিনিট ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। শুক্রবার সামাজিক সাইট ফেসবুকে নিজের পেজে পোস্ট করে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ‘মোবাইল ফোনের গ্রাহকেরা এখন থেকে প্রতি কলড্রপে এক (০১) মিনিট করে ক্ষতিপূরণ পাবেন। গ্রাহক সন্তুষ্টি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান লক্ষ্য।’

ওই পোস্টে তারানা হালিম আরও জানিয়েছেন, আমি সকল অপারেটরদের সিইও দের বৈঠক করেছিলাম আপনারা সবাই জানেন। তাদেরকে সময় বেঁধে দিয়েছিলাম তাদের নেটওয়ার্কের মান এবং গ্রাহক সেবার মান উন্নয়ন করার। পাশাপাশি আমাদের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বলেছিলাম কল ড্রপ নিয়ে কার্যকরি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। এই সকল কার্যক্রমের সমন্বয়েই আজকের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। গ্রাহক সেবা এবং সন্তুষ্টিই আমাদের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান উদ্দেশ্য। সকলকে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।’

বর্তমানে তিনিমালয়েশিয়া ও সিংগাপুরে সফররত আছেন তারানা হালিম। গত ৬ জানুয়ারি সরকারের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে তারানা হালিম জানিয়েছিলেন, চলতি বছরের মধ্যে কলড্রপের জন্য গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ বাস্তবায়িত হবে।

এর আগে গত বছরের অগাস্টে মোবাইল ফোন অপারেটরদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে দ্রুত কলড্রপ সমস্যার সমাধান করতে অপারেটরদের নির্দেশনা দেন তারানা। এ সময় তিনি বিটিআরসিকে কলড্রপ সমস্যার সমাধান না হলে গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে গ্রামীণফোনসহ তিনটি অপারেটর কলড্রপে ক্ষতিপূরণের সুবিধা চালু করলেও পরে তা বন্ধ কর দেয়। এ বিষয়ে অপারেটররা বলেছিল এটা পরীক্ষামূলক প্রচারণা ছিল। বর্তমানে দেশে ৬ অপারেটরের ১৩ কোটি ৪০ লাখের মতো সিম চালু আছে।

প্রতিবার ফোনে কথা বলার সময় কলড্রপ হলেই মোবাইল ফোনের গ্রাহকেরা ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১ মিনিট ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। শুক্রবার সামাজিক সাইট ফেসবুকে নিজের পেজে পোস্ট করে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
tarana-halim-corporateপোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ‘মোবাইল ফোনের গ্রাহকেরা এখন থেকে প্রতি কলড্রপে এক (০১) মিনিট করে ক্ষতিপূরণ পাবেন। গ্রাহক সন্তুষ্টি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান লক্ষ্য।’
ওই পোস্টে তারানা হালিম আরও জানিয়েছেন, আমি সকল অপারেটরদের সিইও দের বৈঠক করেছিলাম আপনারা সবাই জানেন। তাদেরকে সময় বেঁধে দিয়েছিলাম তাদের নেটওয়ার্কের মান এবং গ্রাহক সেবার মান উন্নয়ন করার। পাশাপাশি আমাদের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বলেছিলাম কল ড্রপ নিয়ে কার্যকরি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। এই সকল কার্যক্রমের সমন্বয়েই আজকের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। গ্রাহক সেবা এবং সন্তুষ্টিই আমাদের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান উদ্দেশ্য। সকলকে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।’
বর্তমানে তিনিমালয়েশিয়া ও সিংগাপুরে সফররত আছেন তারানা হালিম। গত ৬ জানুয়ারি সরকারের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে তারানা হালিম জানিয়েছিলেন, চলতি বছরের মধ্যে কলড্রপের জন্য গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ বাস্তবায়িত হবে।
এর আগে গত বছরের অগাস্টে মোবাইল ফোন অপারেটরদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে দ্রুত কলড্রপ সমস্যার সমাধান করতে অপারেটরদের নির্দেশনা দেন তারানা। এ সময় তিনি বিটিআরসিকে কলড্রপ সমস্যার সমাধান না হলে গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে গ্রামীণফোনসহ তিনটি অপারেটর কলড্রপে ক্ষতিপূরণের সুবিধা চালু করলেও পরে তা বন্ধ কর দেয়। এ বিষয়ে অপারেটররা বলেছিল এটা পরীক্ষামূলক প্রচারণা ছিল। বর্তমানে দেশে ৬ অপারেটরের ১৩ কোটি ৪০ লাখের মতো সিম চালু আছে।
- See more at: http://corporatenews.com.bd/%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%aa-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%82.html#sthash.RW4JM38J.dpuf
প্রতিবার ফোনে কথা বলার সময় কলড্রপ হলেই মোবাইল ফোনের গ্রাহকেরা ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১ মিনিট ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। শুক্রবার সামাজিক সাইট ফেসবুকে নিজের পেজে পোস্ট করে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
tarana-halim-corporateপোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ‘মোবাইল ফোনের গ্রাহকেরা এখন থেকে প্রতি কলড্রপে এক (০১) মিনিট করে ক্ষতিপূরণ পাবেন। গ্রাহক সন্তুষ্টি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান লক্ষ্য।’
ওই পোস্টে তারানা হালিম আরও জানিয়েছেন, আমি সকল অপারেটরদের সিইও দের বৈঠক করেছিলাম আপনারা সবাই জানেন। তাদেরকে সময় বেঁধে দিয়েছিলাম তাদের নেটওয়ার্কের মান এবং গ্রাহক সেবার মান উন্নয়ন করার। পাশাপাশি আমাদের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বলেছিলাম কল ড্রপ নিয়ে কার্যকরি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। এই সকল কার্যক্রমের সমন্বয়েই আজকের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। গ্রাহক সেবা এবং সন্তুষ্টিই আমাদের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান উদ্দেশ্য। সকলকে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।’
বর্তমানে তিনিমালয়েশিয়া ও সিংগাপুরে সফররত আছেন তারানা হালিম। গত ৬ জানুয়ারি সরকারের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে তারানা হালিম জানিয়েছিলেন, চলতি বছরের মধ্যে কলড্রপের জন্য গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ বাস্তবায়িত হবে।
এর আগে গত বছরের অগাস্টে মোবাইল ফোন অপারেটরদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে দ্রুত কলড্রপ সমস্যার সমাধান করতে অপারেটরদের নির্দেশনা দেন তারানা। এ সময় তিনি বিটিআরসিকে কলড্রপ সমস্যার সমাধান না হলে গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে গ্রামীণফোনসহ তিনটি অপারেটর কলড্রপে ক্ষতিপূরণের সুবিধা চালু করলেও পরে তা বন্ধ কর দেয়। এ বিষয়ে অপারেটররা বলেছিল এটা পরীক্ষামূলক প্রচারণা ছিল। বর্তমানে দেশে ৬ অপারেটরের ১৩ কোটি ৪০ লাখের মতো সিম চালু আছে।
- See more at: http://corporatenews.com.bd/%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%aa-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%82.html#sthash.RW4JM38J.dpuf
প্রতিবার ফোনে কথা বলার সময় কলড্রপ হলেই মোবাইল ফোনের গ্রাহকেরা ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১ মিনিট ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। শুক্রবার সামাজিক সাইট ফেসবুকে নিজের পেজে পোস্ট করে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
tarana-halim-corporateপোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ‘মোবাইল ফোনের গ্রাহকেরা এখন থেকে প্রতি কলড্রপে এক (০১) মিনিট করে ক্ষতিপূরণ পাবেন। গ্রাহক সন্তুষ্টি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান লক্ষ্য।’
ওই পোস্টে তারানা হালিম আরও জানিয়েছেন, আমি সকল অপারেটরদের সিইও দের বৈঠক করেছিলাম আপনারা সবাই জানেন। তাদেরকে সময় বেঁধে দিয়েছিলাম তাদের নেটওয়ার্কের মান এবং গ্রাহক সেবার মান উন্নয়ন করার। পাশাপাশি আমাদের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বলেছিলাম কল ড্রপ নিয়ে কার্যকরি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। এই সকল কার্যক্রমের সমন্বয়েই আজকের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। গ্রাহক সেবা এবং সন্তুষ্টিই আমাদের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান উদ্দেশ্য। সকলকে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।’
বর্তমানে তিনিমালয়েশিয়া ও সিংগাপুরে সফররত আছেন তারানা হালিম। গত ৬ জানুয়ারি সরকারের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে তারানা হালিম জানিয়েছিলেন, চলতি বছরের মধ্যে কলড্রপের জন্য গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ বাস্তবায়িত হবে।
এর আগে গত বছরের অগাস্টে মোবাইল ফোন অপারেটরদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে দ্রুত কলড্রপ সমস্যার সমাধান করতে অপারেটরদের নির্দেশনা দেন তারানা। এ সময় তিনি বিটিআরসিকে কলড্রপ সমস্যার সমাধান না হলে গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে গ্রামীণফোনসহ তিনটি অপারেটর কলড্রপে ক্ষতিপূরণের সুবিধা চালু করলেও পরে তা বন্ধ কর দেয়। এ বিষয়ে অপারেটররা বলেছিল এটা পরীক্ষামূলক প্রচারণা ছিল। বর্তমানে দেশে ৬ অপারেটরের ১৩ কোটি ৪০ লাখের মতো সিম চালু আছে।
- See more at: http://corporatenews.com.bd/%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%aa-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%82.html#sthash.RW4JM38J.dpuf
প্রতিবার ফোনে কথা বলার সময় কলড্রপ হলেই মোবাইল ফোনের গ্রাহকেরা ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১ মিনিট ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। শুক্রবার সামাজিক সাইট ফেসবুকে নিজের পেজে পোস্ট করে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
tarana-halim-corporateপোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ‘মোবাইল ফোনের গ্রাহকেরা এখন থেকে প্রতি কলড্রপে এক (০১) মিনিট করে ক্ষতিপূরণ পাবেন। গ্রাহক সন্তুষ্টি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান লক্ষ্য।’
ওই পোস্টে তারানা হালিম আরও জানিয়েছেন, আমি সকল অপারেটরদের সিইও দের বৈঠক করেছিলাম আপনারা সবাই জানেন। তাদেরকে সময় বেঁধে দিয়েছিলাম তাদের নেটওয়ার্কের মান এবং গ্রাহক সেবার মান উন্নয়ন করার। পাশাপাশি আমাদের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বলেছিলাম কল ড্রপ নিয়ে কার্যকরি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। এই সকল কার্যক্রমের সমন্বয়েই আজকের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। গ্রাহক সেবা এবং সন্তুষ্টিই আমাদের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রধান উদ্দেশ্য। সকলকে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।’
বর্তমানে তিনিমালয়েশিয়া ও সিংগাপুরে সফররত আছেন তারানা হালিম। গত ৬ জানুয়ারি সরকারের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এক সংবাদ সম্মেলনে তারানা হালিম জানিয়েছিলেন, চলতি বছরের মধ্যে কলড্রপের জন্য গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ বাস্তবায়িত হবে।
এর আগে গত বছরের অগাস্টে মোবাইল ফোন অপারেটরদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে দ্রুত কলড্রপ সমস্যার সমাধান করতে অপারেটরদের নির্দেশনা দেন তারানা। এ সময় তিনি বিটিআরসিকে কলড্রপ সমস্যার সমাধান না হলে গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বলেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে গ্রামীণফোনসহ তিনটি অপারেটর কলড্রপে ক্ষতিপূরণের সুবিধা চালু করলেও পরে তা বন্ধ কর দেয়। এ বিষয়ে অপারেটররা বলেছিল এটা পরীক্ষামূলক প্রচারণা ছিল। বর্তমানে দেশে ৬ অপারেটরের ১৩ কোটি ৪০ লাখের মতো সিম চালু আছে।
- See more at: http://corporatenews.com.bd/%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%aa-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%82.html#sthash.RW4JM38J.dpuf

এক সিমেই সব মোবাইল অপারেটরের টেলি সুবিধা বা এমএনপি চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেও নিলাম, দরদাম ও শর্তের বেড়াজালে আটকে আছে। প্রক্রিয়ার শুরুতে দীর্ঘ সময় পার হলেও আলোর মুখ না দেখায় সংশ্লিষ্টরা সংশয় প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। যদিও এর বিপরীতে বলা হচ্ছে, শিগগিরই এমএনপির নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।


















ভয়েস কল ও ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য, দুর্বল নেটওয়ার্ক কাভারেজ, নেটওয়ার্ক সমস্যা, ভয়েস কলের নিম্নমান, গ্রাহক সেবার অসন্তুষ্টিই এই এমএনপি সেবা চালু করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে উৎসাহিত করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। টুজি লাইসেন্স নবায়ন গাইডলাইনের মধ্যেই এমএনপির উল্লেখ আছে। সেখানে বলা হয়েছে, এমএনপি চালু হলে লাইসেন্সধারী অপারেটর এই সেবা বাস্তবায়ন করবে। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে কালক্ষেপণ করা হয়েছে ৩ বছরের বেশি সময়। এতো উদ্যোগের পরে এই সেবা বাস্তবায়ন করতে আর কতদিন প্রয়োজন হবে এখন সেটাই দেখার বিষয়।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানিয়েছেন, এমএনপির নিলাম মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে যৌক্তিক সময়ে নিলামের ঘোষণা দেওয়া হবে।

জানা গেছে,নিলামের মাধ্যমে একটি অপারেটরকে ১৫ বছর জন্য এমএনপি লাইসেন্স দেওয়া হবে। নিলামের ভিত্তিমূল্য হবে ১ কোটি টাকা। বার্ষিক লাইসেন্স ফি দিতে হবে ২০ লাখ টাকা। প্রথম বছরে নয়, তবে দ্বিতীয় বছর থেকে অপারেটরটি সরকারের সঙ্গে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ হারে রাজস্ব ভাগাভাগি করবে।

একটি নিবন্ধিত বাংলাদেশি বা প্রবাসী বাংলাদেশি মালিকানার কোম্পানি নিলামে অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। তবে কোনও বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি কোম্পানির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে ওই বিদেশি কোম্পানির শেয়ারের পরিমাণ হতে পারবে সর্বোচ্চ ৫১ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটিকে বৈদেশিক মুদ্রায় বিনিয়োগ করতে হবে। ফলে দেশের বাজারে বিনিয়োগ করা অর্থ তুলে নিয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ থাকবে না।

এমএনপির চূড়ান্ত হওয়ায় নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, নিলামে অংশ নিতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে এক বা একাধিক দেশে ন্যূনতম তিন বছর এই সেবা দিতে হবে এবং গ্রাহক হতে হবে ১০ মিলিয়ন বা ১ কোটি।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৫টি দেশের ৫ অপারেটর দেশে এমএনপি সেবা দিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, লেবানন, দক্ষিণ আফ্রিকা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোম্পানি। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কোম্পানির প্রতিনিধিরা ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে যোগাযোগ করে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে গেছে। তবে এই বিভাগের একটি সূত্র বলছে, এই কোম্পানিগুলো চূড়ান্ত বিচারে হয়তো টিকবে না। কারণ এর বাইরেও অনেক দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিতে যোগাযোগ করেছে বলে ওই সূত্র দাবি করেন।

বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব এম রায়হান আখতার বলেন, আমরা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরকে বলেছি, টেকনিক্যাল কমিটিকে এই বিষয়গুলো দেখতে। আমাদের যুক্তি, একাধিক দেশে এই সেবা দিলে এবং তার গ্রাহক এক কোটি হলে সে প্রকৃত পক্ষেই এমএনপি অপারেটর। আমাদের বিশ্বাস, পশ্চিমা দেশের কোনও অপারেটর হলে তার পক্ষে এক দেশে এক কোটি গ্রাহক পাওয়া সম্ভব হবে না এবং তাকে একাধিক দেশে সেবা দিতে হবে। ফলে তাকে অবশ্যই এমএনপি অপারেটর হতেই হবে।

জানা যায়, এমএনপির নীতিমালায় (সংশোধিত) তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এই সেবা দেওয়ার কথা বলা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে নিলামের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টিও চূড়ান্ত করা হয়েছে। নিলামে লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠান ৬ মোবাইলফোন অপারেটরকে একটি প্ল্যাটফর্মে এনে এমএনপি চালু করবে। এক্ষেত্রে প্রতিবার অপারেটর বদলের জন্য গ্রাহকের ব্যয় হবে ৩০ টাকা।

জানা যায়, একটি সিমে অপারেটররা ৩০০ টাকা কর দিয়ে থাকে। কিন্তু একজন গ্রাহক সংযোগ কেনার ৪৫ দিন পর অন্য অপারেটরে সুইচ করলে সেই সিম কর কে দেবে, কিভাবে দেবে সেই বিষয়টিরও সমাধান করতে হবে। দেশে এ নিয়ে কোনও গবেষণা বা জরিপ না থাকায় ঠিক কত শতাংশ গ্রাহক এই সেবা নিতে চায় তারও কোনও ধারণা কারও নেই। দেশে এ বিষয়ক অবকাঠামোর কি অবস্থা সে বিষয়েও ধারণার অভাব রয়েছে। যে অবকাঠামো রয়েছে তা এই ব্যবস্থার জন্য প্রস্তুত কি না তা-ও জানতে হবে।

বিটিআরসির ভাষ্য, এমএনপি চালু হয়েছে, এমন দেশগুলোয় অপারেটরগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা তুলনামূলকভাবে বেশি। গ্রাহক ধরে রাখতে প্রত্যেক অপারেটরই সেবার মানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ধরনের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সামগ্রিকভাবে লাভবান হন গ্রাহকরা।

কমিশন মোবাইল অপারেটরদের জন্য সেলুলার মোবাইলফোন অপারেটর লাইসেন্সের নবায়নের সময় নবায়নকৃত লাইসেন্সিং গাইডলাইনে অপারেটরদের এমএনপি চালু করার শর্ত প্রদান করা হয়।এমএনপি অপারেটর নিয়োগের বিষয়টি ইতিমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে অপারেটর নিয়োগে নিলাম প্রক্রিয়ায় কোন ধরনের পরিবর্তন আসছে বা আদৌ আসছে কি না তা এখনও পরিস্কার নয়।

১৯৯০ সালের শেষ দিকে ২০০০ সালের শুরুর দিকে টেলিযোগাযোগে এগিয়ে থাকা দেশগুলো এমএনপি চালু করে। বর্তমানে বিশ্বের ৭২টি দেশে এমএনপি সেবা চালু রয়েছে। মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি সুবিধা প্রথম চালু হয় ১৯৯৭ সালে সিঙ্গাপুরে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে পাকিস্তানে এই সেবা চালু হয় ২০০৭ সালের মার্চে। ২০১১ সালে ভারতও এই সেবা চালু করে।

২০১৩ সালের ১৩ জুন বিটিআরসির দেওয়া এক নির্দেশনায় মোবাইলফোন অপারেটরগুলোকে পরবর্তী ৭ মাসের এমএনপি চালু করতে বলা হয়। নির্দেশনায় এমএনপি চালুর জন্য ৩ মাসের মধ্যে সব অপারেটরকে একটি কনসোর্টিয়াম গঠন করতে বলা হয়। কনসোর্টিয়াম পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে এমএনপি সিস্টেম গড়ে তুলবে যা কেন্দ্রীয়ভাবে একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে কাজ করবে। বেঁধে দেওয়া সময় গত বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝিতে শেষ হয় কিন্তু চালু হয় না এমএনপি। পরবর্তী সময়ে এমএনপি চালুর জন্য একই বছরের মে মাসে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে দেয় বিটিআরসি। ওই কমিটিকে এ ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। কমিটি কাজের জন্য কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে আগস্ট মাসে প্রতিবেদন দেয়। সেটি ছিল অন্তবর্তীকালীন প্রতিবেদন। ওই প্রতিবেদনে এমএনপি চালু করতে ৫ বছর সময় প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে (আইডিবি ভবন) সিটিআইটি ২০১৬ মেলায় বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের পণ্যে বেশকিছু অফার দিচ্ছে।
সোমবার থেকে শুরু হওয়া সাত দিনব্যাপী মেলায় প্রথম দিন থেকেই অফার দিচ্ছে প্রযুক্তি ব্র্যান্ড আসুস। এ ব্র্যান্ডের পণ্য কিনে স্ক্র্যাচ কার্ড অফারে আছে ল্যাপটপ, জেনফোন, রাউটার, জ্যাকপট ও টি-শার্ট জেতার সুযোগ।
লেনেভোর পণ্য কিনেও স্ক্র্যাচ কার্ড ঘষে ক্রেতারা পেতে পারেন কম্পিউটার মনিটর, প্রিন্টার, ট্যাব, মোবাইল ফোন, পেনড্রাইভ ও মাউস।

CITYIT Fair 2016 

এ ছাড়া এইচপি ও  ডেলের পণ্য কিনলে রয়েছে ৫০০ টাকার নিশ্চিত গিফট ভাউচার। পাশাপাশি ডেল দিচ্ছে র‍্যাফেল ড্রয়ে আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ।
‘ডিজিটাল শিক্ষা শিশুদের অধিকার’ স্লোগান দিয়ে শুরু হওয়া সিটিআইটি মেলা চলবে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত।
মেলায় প্রবেশের টিকিটের মূল্য ১০ টাকা। প্রতিবন্ধী ও স্কুল শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবেন।

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের কম্পিউটার সিটি সেন্টারে (মাল্টিপ্লান) বুধবার থেকে শুরু হওয়া ‘ডিজিটাল আইসিটি ফেয়ার ২০১৬’ স্ক্র্যাচ কার্ডে নানান উপহার দিচ্ছে প্রযুক্তিপণ্য পরিবেশক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ব্র্যান্ড (প্রা.)।
ছয় দিনব্যাপি মেলায় আসুস, লেনোভো ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ এবং রাপু ব্র্যান্ডের কম্পিউটার অ্যাক্সেসরিজ নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড।
স্ক্র্যাচ ইউর লাক অফারের আওতায় মেলায় রাপুর পণ্য কিনলে ক্রেতারা পাবেন একটি স্ক্র্যাচ কার্ড। তা ঘঁষে ক্রেতারা পেতে পারেন স্পিকার, উইন্টার জ্যাকেট, টি-শার্টসহ আকর্ষণীয় উপহার।

Global Brand 

মেলায় আসুস ও লেনোভো দিচ্ছে ‘বিশেষ অফার’। ‘আসুস স্ক্র্যাচ অ্যান্ড উইন’ স্ক্র্যাচ কার্ডের মাধ্যমে ক্রেতারা পেতে পারেন ল্যাপটপ , আসুসের জেনফোন, রাউটার, উইন্টার জ্যাকেট এবং টি-শার্ট।
লেনোভোর ‘নিউ ইয়ার ফেস্টিভ্যাল’ অফারে ল্যাপটপ কিনলে স্ক্র্যাচ কার্ডে ট্যাবলেট পিসি, এলইডি টিভি, স্মার্টফোন, পেনড্রাইভ, ব্রাদার প্রিন্টার, পান্ডা ইন্টারনেট সিকিউরিটি, মাউস অথবা টি-শার্ট পাবেন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে (আইডিবি ভবন) শুরু হওয়া সিটিআইটি-২০১৬ মেলায় রাউটার ফেস্টিভাল অফার দিচ্ছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড।
অফারের আওতায় টোটোলিংকের যেকোনো রাউটার কিনলে ক্রেতারা একটি স্ক্র্যাচ কার্ড পাবেন। স্ক্র্যাচ কার্ড ঘঁষে ক্রেতারা পেতে পারেন বাইসাইকেল, আসুস জেনফোন,  হার্ডড্রাইভ, পাওয়ার ব্যাংক, সেলফি স্টিক, ইয়ারফোন, পেনড্রাইভ, স্পিকার, টি-শার্টসহ আকর্ষণীয় সব উপহার ।

totolink 


এছাড়াও ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আইডিবি ভবনের গ্লোবাল ব্র্যান্ডের নির্দিষ্ট স্টল থেকে টোটোলিংক রাউটার কিনলে ক্রেতারা এই উপহার পাবেন।

দেশের মোট রফতানিতে গতি আসলেও সফটওয়ার ও কম্পিউটার সার্ভিসেস খাতের আয় সে তুলনায় অনেক পিছিয়ে।
অর্থবছরের প্রথমার্ধে জুলাই ডিসেম্বর সময়ে সামগ্রিকভাবে রপ্তানি আয় বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সাত দশমিক ৮৪ শতাংশ। সেখানে সফটওয়ার ও কম্পিউটার সার্ভিসেস খাতের প্রবৃদ্ধি মাত্র এক দশমিক ৬২ শতাংশ।
অবশ্য বরাবরের মতো রপ্তানি আয়ের তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে এক মাস পিছিয়ে রয়েছে এ খাত।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এ খাত থেকে আয় এসেছে ৫ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এ সময়ে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। এ হিসেবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে আয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমান ছিল ৫ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে এ খাতের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার।
২০১৪-১৫ অর্থবছরে এ খাত থেকে মোট আয় হয়েছে ১৩ কোটি ২৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ১৪ কোটি ডলার।

গ্রাহকের পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন শুরু হচ্ছে। আইএমইআই ডেটাবেজ চালু করতে মোবাইল ফোন আমদানীকারকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বহুল আলোচিত এ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচেছ।
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেটের প্রথম গ্রাহক পরিচয় সনাক্তকারী এ ডেটাবেজের উদ্বোধন করবেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা  হালিম।
ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল স্টেশন ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি বা আইএমইআই নামে ১৫ ডিজিটের একটি নম্বর রয়েছে, যেটি একটি হ্যান্ডসেটের স্বতন্ত্র একটি পরিচয়।

smartphone-techshohor

দেশে আমদানি করা সব হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নিবন্ধন করা সম্ভব হলে এর মাধ্যমে হ্যান্ডসেটটির পরিচয় নিশ্চিত হবে।
ডেটাবেজের উদ্বোধনের খবর নিশ্চিত করেছেন মোবাইল ফোন ইমপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিএ) সাধারন সম্পাদক রেজওয়ানুল হক।
রেজওয়ানুল হক বলেন, সিমের নিবন্ধনের মাধ্যমে নিরাপত্তার অর্ধেকটা নিশ্চিত হবে। এরপর হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন করা গলে নিরাপত্তার শতভাগ নিশ্চিত হবে।
ইতিমধ্যে সরকার সিমের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শুরু করেছে, যেটি এপ্রিলের মধ্যে শেষ হবে।
এর আগে তারানা হালিমও হ্যান্ডসেটের নিবন্ধনের বিষয়টির ওপর জোর দেন। তবে তার আগে থেকেই ডেটাবেজ তৈরির জন্য কাজ শুরু করেছে আমদানিকারকরা।
বিএমপিএ সাধারন সম্পাদক জানান, বর্তমানে প্রতি বছর আড়াই কোটির কিছু বেশি হ্যান্ডসেট আমাদনি হয়। বৈধ পথে আমদানি হওয়া সব সেটের নিবন্ধন হলে তখন অবৈধ পথে আমদানি হওয়া সেটের নিয়ন্ত্রণও সম্ভব হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, এ ডেটাবেজ নিবন্ধনের সঙ্গে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকেও যুক্ত করতে হবে। আইএমইআই ডেটাবেজে কোনো সেট নিবন্ধিত না হলে সেটি কোনো মোবাইল ফোন অপারেটরের নেটওয়ার্কে কাজ করবে না। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন তারা।
এতে হ্যান্ডসেটে থেকে সরকারের যে রাজস্ব আয় হয় তাও অনেকটা বাড়বে বলে ধারণা আমদানিকারকদের।
রেজওয়ানুল হক বলেন, তাদের ধারণা বর্তমানে ২০ শতাংশ হ্যান্ডসেট আসে অবৈধ পথে। ফলে প্রতিটি হ্যান্ডসেট আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক থেকে বঞ্চিত হয় সরকার।

বাংলায় অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার তৈরি করেছে পিয়ার্স সলিউশন্স লিমিটেড।
হালখাতা’ নামে সফটওয়্যারটির গুরুত্বপূর্ণ ফিচারের মধ্যে রয়েছে অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, লেজার তৈরি করা, মেমো কাটার সময় নির্দিষ্ট ক্রেতার দেনাপাওনা দেখা, মেমো প্রিন্ট করা, স্টকে নির্দিষ্ট পণ্যের পরিমাণ দেখা, গুদাম পরিবর্তন করাসহ বিভিন্ন বিষয় ।



software

পিয়ার্স সলিউশন্সের কর্ণধার মোহাম্মাদ শাহজালাল জানান, প্রত্যেকটি হালখাতা সফটওয়্যারের সাথে দেওয়া হচ্ছে ফ্রি ইনস্টলেশন সাপোর্ট। এছাড়া কাগজের হিসাবকে হালখাতা সফটওয়্যারে উঠানোসহ কর্মীদের বিনামূল্যে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা, বিক্রির পর তিনমাস বিনামূল্যে সাপোর্টের ব্যবস্থা রয়েছে।
শাহজালাল বলেন, অনেক মাঝারী এমনকি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও হালখাতা সহজে ব্যবহার করে উপকৃত হবেন। কারণ এটি তাৎক্ষণিক নির্ভুল হিসাব-নিকাশ, লাভ-ক্ষতি, দেনা-পাওনা ইত্যাদির ফলাফল দিতে সক্ষম যা প্রচলিত কাগজের হিসাবে সম্ভব নয়। এই সফটওয়্যারটি খুব সহজ বাংলা ইন্টারফেসে রয়েছে যা ব্যবহার করতে কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না।

চলতি বছরে বাজারে অবস্থান ধরে রাখতে চীনের স্মার্টফোন নিমার্তা প্রতিষ্ঠান জিওমি একের পর এক স্মার্টফোন নিয়ে হাজির হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রতিষ্ঠানটি ‘রেডমি নোট ৩ প্রো’ আনার ঘোষণা দিয়েছে। বরাবরের মত এটিও কম দামে উন্নত কনফিগারেশনের সুবিধা দেবে।

৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের ফোনটির রেজুলেশন হলো ১০৮০*১৯২০ ও ৪০৩ পিপিআই। এতে কোয়ালকম স্ন্যাপ্নড্রাগন ৬৫০ কোয়ার্ড কোর ১.২ করটেক্স এ৫৩ প্রসেসর ও অ্যান্ডেনো ৫১০ জিপিইউ।
ছবি তোলার জন্য ডিভাইসটির পিছনে থাকবে ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও সামনে থাকবে ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা।


Xiaomi-Redmi-Note-3-Snapdragon-650-back

২ ও ৩ গিগাবাইট র‍্যামের স্মার্টফোনটির সংস্করণ যথাক্রমে ১৬ ও ৩২ গিগাবাইট মেমোরিতে পাওয়া যাবে।
এ ছাড়া ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, এফএম রেডিও ইত্যাদি সুবিধা থাকবে ফোনটিতে। অধিক ব্যাটারি সুবিধা দিতে এতে থাকবে ৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি।
ফোনটির মূল্য ধরা হয়েছে মাত্র ১৫১ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১১ হাজার ৮০০ টাকা।
স্মার্টফোনের বাজারে গত বছর সুবিধাজনক অবস্থানে ছিলো না জিওমি। তাই চলতি বছর মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে চীনের অ্যাপল খ্যাত প্রতিষ্ঠানটি।
ইতোমধ্যে ১০০ ডলারের রেডমি ৩ স্মার্টফোনের ঘোষণা দিয়ে বাজারে চমক সৃষ্টি করেছে জিওমি।

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফ্রেন্ড ফাইন্ডার ফিচারটিকে জার্মানিতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।
২০১০ সালে ফেডারেশন অব জার্মান কনজিউমার অর্গানাইজেশনস (ভিজেডবিভি)-এর দায়ের করা মামলার রাতে এ আদেশ দেন আদালত।
ফ্রেন্ড ফাইন্ডার ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারী যে ই-মেইল দিয়ে সোশ্যাল সাইটটিতে অ্যাকাউন্ট করেছেন তার কন্টাক্ট লিস্ট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ফেইসবুকে অ্যাকাউন্ট নেই এমন ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানায়।

Facebook Opens Third artificial intelligence lab

ই-মেইলে ইনভিটেশন পাঠানোকে বিজ্ঞাপন উল্লেখ করে একে হয়রানি মূলক বলেছেন আদালত। আদালতের রায়ে বলা হয় ই-মেইল থেকে নেওয়া তথ্য কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে তা গ্রাহকদের সঠিকভাবে জানায় না ফেইসবুক।
ফেইসবুকের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন আদালতের রায়ের কপি পাওয়ার পর ফ্রেন্ড ফাইন্ডার সেবাটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সোশ্যাল সাইটটি।

‘এমআই টিভি ৩’ নামের ৭০ ইঞ্চির একটি টিভি বাজারে আনতে যাচ্ছে জিওমি। ‘এমআই টিভি ২’ জনপ্রিয়তা পাওয়ায় বড় স্ক্রিনের এই টিভি আনছে চীনা প্রতিষ্ঠানটি। ডিভাইসটি স্যামসাং ও এলজির ইউএইচডি টিভিগুলোর সাথে টেক্কা দেবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
প্রাথমিকভাবে এমআই টিভি ৩ চীনের বাজারে ছাড়া হবে। আকারের দিক থেকে এটা জিওমির সবচেয়ে বড় পর্দার টিভি।
এমআই টিভি৩ চীনের বাজারে ৯ হাজার ৯৯৯ চীনা ইয়েনে পাওয়া যাবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা।



Xiaomi Mi TV 3

আকারে বড় হলেও টিভিটি অনেক হালকাপাতলা। এটি ১২.৯ মিলিমিটার পাতলা এবং ৩৮.৬ মিলিমিটার পুরু।
৩৮৪০ x২১৬০ পিক্সেলের ফোরকে ডিসপ্লের এই টিভিতে ঝকঝকে ছবি দেখার জন্য রয়েছে ১৭৮ ডিগ্রি ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল। মেটাল ব্যাক প্লেট দিয়ে তৈরি ২ জিবি র্যা মের এই ডিভাইসে ৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ সুবিধা পাওয়া যাবে। এতে কোয়াড-কোর এমস্টার ৬এ৯২৮ (করটেক্স-এ১৭) প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে আছে ১.৪ গিগাহার্জের মালি-৭৬০ এমপি৪ জিপিইউ।
কানেক্টিভিটির দিক থেকে টিভিটি ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ৪.১ এলই, এইচডিএমআই ২.০ (৩এক্স), মাইক্রো ইউএসবি, ইউএসবি ৩.০ এবং ইথারনেট পোর্ট সমর্থন করবে।
এই টিভিতে ২.৫ ইঞ্চির ফুল রেঞ্জ স্টেরিও স্পিকার্স রয়েছে। এছাড়াও এতে রয়েছে ডলবি ডিটিএস ভার্চুয়াল সারাউন্ড সাউন্ড এবং বেজ বুস্ট, যা ভালো মানের সাউন্ড দেবে।
স্মার্টফোনের বাজারে একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে জিওমি। সাশ্রয়ী দামে উন্নত কনফিগারেশনের ডিভাইস এনে এই অবস্থান তৈরি করেছে চীনা প্রতিষ্ঠানটি। আর এখানে বিপুল গ্রাহকপ্রিয়তা পেয়ে টিভি ও ল্যাপটপ-নোটবুকের বাজারে প্রবেশের ঘোষণা দেয় উন্নয়নশীল বিশ্বে তুমুল জনপ্রিয় এই প্রতিষ্ঠান।

সাশ্রয়ী দামে উন্নত কনফিগারেশনের স্মার্টফোন বাজারে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তথ্যপ্রযুক্তি নিমার্তা প্রতিষ্ঠানগুলো। এতে এতদিন এগিয়ে ছিল চীনের স্মার্টফোন নিমার্তা প্রতিষ্ঠান জিওমি। এবার সস্তায় উন্নত কনফিগারেশনের ‘লেনোভো লেমন ৩’ নতুন স্মার্টফোন বাজারে এনেছে লেনেভো।
স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৫ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লে, যার রেজুলেশন ১৯২০x১০৮০ পিক্সেল। এতে ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপ ড্রাগন ৬১৬ চিপসেট, রয়েছে দুই গিগাবাইট র‍্যাম। স্টোরেজ সুবিধার জন্য রয়েছে ১৬ গিগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরি।

maxresdefault

ছবি তোলার জন্য ডিভাইসটিতে ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং সেলফি ও ভিডিও চ্যাটের জন্য সামনে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা।
উন্নত ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২ হাজার ৭৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার। ফোর জি সুবিধাযুক্ত ডিভাইসটিতে দুটি সিম ব্যবহার করা যাবে।
এ ছাড়া রয়েছে ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, মাইক্রো ইউএসবি সুবিধা। সাউন্ড সুবিধার জন্য এতে রয়েছে ডুয়েল অডিও স্পিকার।
স্মার্টফোনটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১০৫ মার্কিন ডলার বা মুদ্রা বিনিয়ম হারে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার টাকা।
এর আগে প্রায় কাছাকাছি দামে জিওমি রেডমি ৩  মডেলের নতুন ফোন বাজারে বিক্রির ঘোষনা দিয়েছে জিওমি। সেটা চলতি মাসের শেষ নাগাদ বিক্রি শুরু হবে।
এখন দেখার বিষয় সাশ্রয়ী দামের ফোনের বাজারে কে এগিয়ে থাকে।

ভিডিও গেইম বিক্রির শীর্ষে স্থান করে নিয়েছে ‘কল অব ডিউটি : ব্ল্যাক অপস থ্রি’। ২০১৫ সালে ফার্স্ট পারসন শুটিং গেইমটির ২৫ কোটি ইউনিট বিক্রি হয়েছে। এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে ইলেকট্রনিক আর্টসের মার্কিন ফুটবলভিত্তিক ‘ম্যাডেন এনএফএল ১৬’।
কল অব ডিউটির পরিবেশক অ্যাক্টিভিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ট্রেয়ার্ক স্টুডিওয়ের এ সিরিজের ব্ল্যাক অপস থ্রি ২০১৫ সালে নভেম্বরে বাজারে আসার তিন দিনের মাথায় ৫৫ কোটি ডলারের বেশি ব্যবসা করে।
গেইমটি পিএস৪, এক্সবক্স ওয়ান, এক্সবক্স ৩৬০, পিসএস৩ ও পিসি সংস্করণ বাজারে আসে।

Call-of-duty-3-Multiplayer

কল অব ডিউটি একটি যুদ্ধভিত্তিক ফার্স্ট পার্সন শুটার গেম সিরিজ। এটি মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবলম্বনে তৈরি। তবে ব্ল্যাক অপস থ্রি ভিয়েতনাম যুদ্ধ ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি।গত বছরজুড়ে বেশি বিক্রির তালিকায় থাকা অন্য গেইমগুলো হলো – ফলআউট ৪, স্টার ওয়ার্স ব্যাটলফ্রন্ট, জিটিএ ৫, মাইনক্রাফট, মরটাল কমব্যাট এক্স, ফিফা ১৬ ইত্যাদি।
বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এ গেইমের সিরিজটি ২০০৩ সালের অক্টোবরে প্রথম বাজারে আনা হয়।

তাৎক্ষণিক বার্তা আদান-প্রদানের সেবা হোয়াটসঅ্যাপের জন্য আর বছরে ০.৯৯ মাকির্ন ডলার ব্যয় করতে হবে না। এখন থেকে একদম বিনামূল্যে ব্যবহার করা যাবে এই অ্যাপটি। সোমবার এক ব্লগপোষ্টে এই ঘোষণা দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।
এতদিন ব্যবহারকারীরা প্রথম বছর বিনামূল্যে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে পারতেন। কিন্তু এরপর থেকে জনপ্রিয় এই সেবাটি ব্যবহার করতে হলে বছরে ০.৯৯ মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হতো।

whatsapp-azul-tick-doble

হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ বেশ জনপ্রিয় একটি সেবা। প্রায় ৯০০  মিলিয়ন ব্যবহারকারী এই সেবাটি ব্যবহার করছে। বিশ্বের সব দেশে অনলাইনে পেমেন্ট সেবা নিয়ে গ্রাহকদের ধারণা নেই। তাই এক বছর পর অনেক ব্যবহারকারী এই সেবাটি ব্যবহার করতে পারছে না। তাই গ্রাহকদের কথা ভেবে এই সেবাটি একেবারে ফ্রি করে দেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি হোয়াটঅ্যাপে অডিও ও ভিডিও কলিং ফিচার যোগ করা হয়েছে। নতুন এই ফিচারটির কারণে অ্যাপ্লিকেশনটির জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে জ্যান কউম ও ব্রায়ান এক্টন হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে আসেন।  ২০১৪ সালে এক হাজার ৯২০ কোটি মার্কিন ডলারে হোয়াটসঅ্যাপকে কিনে নেয় ফেইসবুক। বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী ১০০ কোটি।

 
ফিচার, অবন্তী জামান তন্বীঃ  ঢাকার খাবারদাবারের ঐতিহ্য আর ইতিহাস বহু পুরনো। এখনও সেই খাবারের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে পুরনো ঢাকা। সেখান থেকে ঘুরে এসে মজাদার খাবার নিয়ে লিখেছেন তৌহিদুল ইসলাম তুষার। ছবি তুলেছেন সৈয়দ অয়ন
ইতিহাস আর ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী পুরান ঢাকা। প্যারিসের পারি আর বাংলার পুরান ঢাকার মধ্যে রয়েছে বেশ সখ্য। পারি যেমন একদিকে পুরনো ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে, অন্যদিকে রসনা বিলাসে পরিপূর্ণ শহরটি। তার রাস্তার দু’ধারেই গড়ে উঠেছে সারি সারি খাবারের দোকান। এর সুবাস পাওয়া যায় এক কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে। সন্ধ্যা নামলেই চালু হয় দোকানগুলো। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত চলে এসব রেস্তোরাঁ। এ যেন এক রাতের নগরী। পুরো নগরী হয়ে ওঠে কর্মচঞ্চল। ঠিক একই রকম সুখ্যাতি আছে পুরান ঢাকার। পুরান ঢাকা মানেই জিভে জল এসে যাওয়ার মতো সব খাবার-দাবার। পূর্ণ স্বাদের এমন তৃপ্তি খুঁজে পাওয়া ভার। খাবারের এ সমারোহে কোনোটিই যেন কম নয় কোনোটি থেকে।

ঐতিহাসিকেরা বলছেন, ৪০০ বছর আগে ঢাকা যখন প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পায়, তারও আগে ঢাকায় জনবসতি ছিল। তাদের খাদ্যতালিকা, রন্ধনপ্রণালি ছিল এক রকম। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার আদি খাবারে অন্য সব সংস্কৃতির প্রভাব পড়ে। বহু বিবর্তনের পর খাবারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন-বিয়োজনে নতুন ধারার খাবারদাবার আত্মপ্রকাশ করে। ঢাকাই খাবার বলে যে খাবারটা প্রচলিত, সেটা মূলত মোগলাই খাবার। তবে এর রকমভেদ আছে। পারস্যের খাদ্যরীতির সঙ্গে ঢাকার খাদ্যরীতির মিশেল ঘটেছে। রান্নার ঢঙে পরিবর্তন এসেছে। পারস্যের রান্নায় যে মসলা ব্যবহূত হয়, তার পরিবর্তে দেশীয় মসলা যুক্ত হয়েছে। কালক্রমে তৈরি হয়েছে নতুন এক ধারার খাবার। এটাই ঢাকাই খাবার।

ঢাকার জনপ্রিয় কিছু খাবার ও প্রাপ্তি স্থান:

কাচ্চি বিরিয়ানি
কাজী আলাউদ্দিন রোড, নাজিমুদ্দিন রোড, উর্দু রোড, বংশাল, সিদ্দিক বাজার, চকবাজার, নবাবপুর, ইসলামপুর, ওয়ারী, মালিটোলা ও মৌলভীবাজার এলাকায় কাচ্চি বিরিয়ানির দোকান আছে। মান ও স্বাদের জন্য বিখ্যাত কাজী আলাউদ্দিন রোডের হাজির বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি। মৌলভীবাজার রোডের নান্না বিরিয়ানি, কলকাতা বিরিয়ানি, উর্দু রোডের রয়েল বিরিয়ানি, নারিন্দায় ঝুনার কাচ্চি বিরিয়ানি, মালিটোলার ভুলু বিরিয়ানি, নবাবপুর স্টার হোটেলের কাচ্চি বিরিয়ানি, সুরিটোলার রহিম বিরিয়ানি এবং নাজিমুদ্দিন রোডের মামুন বিরিয়ানির সুনাম আছে।

তেহারি
রয়েল রেস্টুরেন্ট, হাজির বিরিয়ানি, নান্না মিয়ার বিরিয়ানি, ফকরুদ্দিন বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি, তৃপ্তি বিরিয়ানি ও তেহারি ঘরে ভালো তেহারি পাওয়া যায়।

শাহী মোরগ পোলাও
লালবাগ চৌরাস্তা, নাজিমুদ্দিন রোড ও নান্না মিয়ার বিরিয়ানির দোকানে ভালো শাহী মোরগ পোলাও পাওয়া যায়।

লাবাং
পুরান ঢাকার লালবাগ, চকবাজার, নাজিমুদ্দিন রোডে ভালো লাবাং পাওয়া যায়। এ ছাড়া লালবাগের রয়েল হোটেলে এবং বিরিয়ানি ও কাবাবের দোকানে লাবাং পাওয়া যায়।

বাখরখানি
জিঞ্জিরার বরিশুর, ঢাকার লালবাগ, নাজিমুদ্দিন রোড, চানখাঁরপুল, জিন্দাবাহার, কসাইটুলি, নাজিরাবাজার, নবাববাড়ি, আওলাদ হোসেন লেন, নবরায় লেন ও সূত্রাপুরে বাখরখানির দোকান ও কারখানা আছে।

সুতি কাবাব
চকবাজার, লালবাগ, নবাবপুর, জনসন রোড এলাকায় সুতি কাবাব পাওয়া যায়।

বিউটি লাচ্ছি
রায়সাহেব বাজার ও জনসন রোড।

মাঠা
শাঁখারিবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ছাড়াও ইসলামপুর, লক্ষ্মীবাজার, একরামপুর, নবাবপুর, চকবাজার, লালবাগ উর্দু রোড, আমলিগোলা, ওয়ারী, কায়েতটুলি, নাজিরাবাজার, নারিন্দা, চানখাঁরপুলে মাঠা পাওয়া যায়।

জাফরান মিষ্টি
মদিনা মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, লালবাগ রোড।

নবাববাড়ির সাঁচি পান
নবাববাড়ি গেট, ইসলামপুর

পুরি
কসাইটুলি, নাজিমুদ্দিন রোড, লালবাগ শিকসাবাজার, জিন্দাবাহার, বাদামতলী কায়েতটুলি, পাকিস্তান মাঠ, নবাবপুর, বকশিবাজারে খাতা পুরি পাওয়া যায়। পুরান ঢাকার ফুটপাতের ছোট ও মাঝারি হোটেলগুলোতে আলুপুরি, ডালপুরি ও কিমা পুরি পাওয়া যায়।

দই-চিঁড়া
মানিক সুইটমিট, জনসন রোড।

• হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি, গ্লাসি, মোরগ পোলাও।
• লালবাগ রয়্যালের কাচ্চি, জাফরান-বাদামের শরবত, চিকেন টিক্কা আর সেরা লাবান, কাশ্মীরী নান।
• নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসির লেকুশ, চিংড়ি ,ফালুদা।
• নবাবপুর আরজু হোটেল এর মোরগ পোলাও, নাশতা আর কাচ্চি।
• নারিন্দার ঝুনু বিরিয়ানি।
• নাজিরা বাজারের হাজীর বিরিয়ানি।
• নাজিমুদ্দিন রোডের হোটেল নিরবের অনেক ধরনের ভর্তা।
• নাজিরা বাজারের হাজি বিরিয়ানি এর উল্টা দিকের হানিফের বিরিয়ানি।
• বংশালের শমসের আলীর ভূনা খিচুড়ি, কাটারী পোলাও।
• নাজিরা বাজার মোড়ে বিসমিল্লার বটি কাবাব আর গুরদার।
• বেচারাম দেউরীতে অবস্থিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ-পোলাও।
• ঠাটারীবাজার স্টার এর কাচ্চি বিরিয়ানি, লেগ রোস্ট আর ফালুদা।
• ঠাটারী বাজারের গ্রিন সুইটস এর আমিত্তি, জিলাপি।
• রায় সাহেব বাজারের গলিতে মাখন মিয়ার পোলাও।
• সুত্রাপুর বাজারের রহিম মিয়ার খাসির বিরিয়ানি।
• গেন্ডারিয়ার রহমানিয়া এর কাবাব।
• কলতাবাজারের নাসির হোটেলের বিখ্যাত গরুর মাংস আর পরাটা।
• ভিক্টোরিয়া পার্কের সুলতান ভাইয়ের চা ১।
• দয়াগঞ্জের সিটি বিরিয়ানি ও কাচ্চি।
• নারিন্দার সফর বিরিয়ানি।
• আরমানিটোলা তারা মসজিদের পাশে জুম্মন মামার চটপটি।
• সিদ্দিক বাজারের মাজাহার সুইটস।
• সুত্রাপুর ডালপট্টির বুদ্ধুর পুরি।
• আবুল হাসনাত রোড এর কলকাতা কাচ্চি ঘর।
• রায় সাহেব বাজারের বিউটি লাচ্ছি আর চকবাজারের নুরানী শরবত।
• গেন্ডারিয়ার সোনা মিয়ার দই।
• লালবাগ মোড় এর মীরা মিয়ার চিকেন ফ্রাই আর গরুর শিক।
• লালবাগ চৌরাস্তার খেতাপুরি।
• মতিঝিল শাপলা চত্বর হিরাঝিলের চা।
• নাজিরা বাজারের ডালরুটি।
• গেন্ডারিয়া ভাটিখানার হাসেম বাঙ্গালির ডালপুরি।
• রায়সাহেব বাজারের আল ইসলামের মোরগ পোলাও, চিকেন টিক্কা।
• বাংলাবাজারের বিখ্যাত কাফে কর্নার এর কাকলেট ও চপ।
• বাংলাবাজারের বিখ্যাত চৌরঙ্গী হোটেলের পরাটা, ডাল।
• রায়সাহেব বাজারে কাফে ইউসুফের নান ও চিকেন টিক্কা।
• নবাব পুরের মরণ চাঁদ মিষ্টির দোকানের ভাজি-পরোটা, মিষ্টি ও টক দই।
• লক্ষীবাজার এর মাসহুর সুইটমিট এর লুচি, ভাজি আর ডাল।
• লালবাগের পাক-পাঞ্জাতন এর মজার তেহারি।
• দয়াগঞ্জ এর ঢাকা কাবাব।
• ওয়াইজ ঘাটের নানা রেঁস্তোরা।
• শাখারী বাজারের অমূল্য সুইটস এর পরোটা-ভাজি।
• তাতিবাজারের কাশ্মীর এর কাচ্চি।
• নারিন্দায় সৌরভ এর মাঠা আর ছানা।
• আবুল হাসনাত রোডের কলকাতা কাচ্চি ঘর।
• আবুল হাসনাত রোডের দয়াল সুইটস এর মিষ্টি।
• নারিন্দায় অবস্থিত রাসেল হোটেলের নাশতা।
• ঠাটারী বাজারের বটতলার কাবাব।
• টিপু সুলতান রোডে অবস্থিত হোটেল খান এর টাকি মাছের পুরি।
• লক্ষীবাজার পাতলাখান লেনের লুচি-ভাজি।
• বেচারাম দেউড়িতে হাজী ইমাম এর বিরিয়ানি।

বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ঢাকাবাসীর কাছে প্রিয় ঢাকাই খাবার। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকাই খাবারের সুখ্যাতি। এখনো রোজার মাসজুড়ে পুরান ঢাকার চকবাজারে চলে ঢাকাই খাবারের বেচাকেনা। চকবাজার ও এর আশপাশের এলাকা বাহারি খাবারের সুবাসে এখন ম-ম করছে। কয়েক শ বছরের পুরনো চকবাজারে এখনো বিরিয়ানি, মুরগি মোসাল্লাম, বিভিন্ন জাতের কাবাবের পাশাপাশি শরবত বিক্রি হয়।


রাজধানীর আইডবি ভবনে আগামীকাল (সোমবার) থেকে শুরু হওয়া ‘ সিটি-আইটি ফেয়ার ২০১৬’তে বিশ্বখ্যাত ‘আসুস’ ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ এবং কম্পিউটার এক্স্যেসোরিজ নিয়ে অংশগ্রহন করছে দেশীয় বাজারে আসুসের একমাত্র পরিবেশক গ্লোবাল ব্র্যান্ড (প্রা:) লিমিটেড।
বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিল্পের অন্যতম পরিবেশক এই প্রতিষ্ঠানটি মেলা উপলক্ষ্যে আসুস পণ্যে বিশেষ অফার ঘোষণা করেছে।
গ্লোবাল ব্র্যান্ড এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,  ১৮-ই জানুয়ারি থেকে ২৪-শে জানুয়ারি পর্যন্ত সাতদিন ব্যাপি এই মেলার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে থাকছে বিশ্বখ্যাত আইটি পণ্য নির্মাতা আসুস। মেলা উপলক্ষ্যে আসুসের পক্ষ থেকে রয়েছে বিশেষ অফার।
আসুসের পক্ষ্য থেকে রয়েছে ‘আসুস স্ক্র্যাচ এন্ড উইন’ শীর্ষক বিশেষ অফার। এই অফারের আওতায় আসুস ল্যাপটপ ক্রয়ে ক্রেতারা পাচ্ছেন একটি স্ক্র্যাচ কার্ড। স্ক্র্যাচ কার্ডের মাধ্যমে ক্রেতারা পেতে পারেন ল্যাপটপ , জেনফোন, রাউটার , উইন্টার জ্যাকেট এবং টি-শার্ট সহ অরো আকর্ষণীয় সব উপহার।
এছাড়াও আসুসের পক্ষ্য থেকে গেমারদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে সাইবার গ্যামিং প্রতিযোগিতা। সাইবার গ্যামিং প্রতিযোগিতার জন্য আসুসের রয়েছে গেমিং জোন।


বর্ন ফর শুটিং’ স্লোগান নিয়ে দেশের স্মার্টফোন বাজার মাত করতে এলো ওয়ালটন প্রিমো জেডএক্স।শুক্রবার থেকেই ক্রেতারা হাতে পাচ্ছেন এই সেট।
ওয়ালটন প্লাজা ও ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর ছাড়াও রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত বসুন্ধরা শপিং সেন্টারে হ্যান্ডসেটটি পাওয়া যাচ্ছে বলে ওয়ালটনের এক কর্মকর্তা জানান।
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রসেসর সংবলিত সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার হ্যান্ডসেট এটি। ইতোমধ্যে বাজারে বেশ সাড়া ফেলেছে জেডএক্স।
ওয়ালটন সেলুলার ফোনের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ জানিয়েছে, যারা হ্যান্ডসেট ব্যবহার করবেন তাদের আলাদা করে ক্যামেরা ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। এজন্যই জেডএক্সকে বলা হচ্ছে ‘বর্ন ফর শুটিং’। অর্থাৎ, ছবি তোলা বা ভিডিও করার জন্যই এর জন্ম।
১৬ মেগাপিক্সেল অটোফোকাস ব্যাক ক্যামেরায় পাওয়া যাবে নিখুঁত প্রফেশনাল ছবি। ওয়ালটন জেডএক্সে আছে সর্বাধুনিক মানের ৮ মেগাপিক্সেল অটো ফোকাস ফ্রন্ট ক্যামেরা।
সেটটির ক্যামেরায় রয়েছে লারগান এম-৮ লেন্স। ৮ স্তরের এই লেন্সগুলোর সামনে স্যাফায়ার গ্লাসও থাকছে। এর কাস্টমাইজড ফ্লাশ লাইট অন্যান্য এলইডির চেয়ে শতকরা ৬০ ভাগ বেশি উজ্জ্বল আলো দেবে। এর ফলে কম আলো বা অন্ধকারেও গ্রাহকরা ছবি তুলতে পারবেন।
এছাড়া মোবাইল ফোনসেট জগতের সবচেয়ে বড় (ওয়ান বাই ২.৩ ইঞ্চি) বিএসইআই সেন্সর থাকায় এলইডি ফ্লাশ ছাড়াও নয়েসলেস ছবি নেওয়া যায়।
আধুনিক সিএনসি (কম্পিউটার নিউমেরিক্যালি কন্ট্রোল) পদ্ধতিতে তৈরি প্রিমো জেডএক্স সেটের রয়েছে ৫.৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি ডিসপ্লে। স্ক্রিন প্রটেক্টর হিসেবে গরিলা গ্লাস-৩ ডিসপ্লে প্যানেলকে দেবে অধিকতর সুরক্ষা। ২.২ মিলিমিটারের সরু ফ্রেম বর্ডারের কারণে সেটটিকে আকর্ষণীয় করেছে।
সিঙ্গেল মাইক্রোসিম চেম্বারের এই ফোনে আছে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সেবা। প্রথম বারের মতো নয়েজ ক্যানসেলেশনের জন্য তিনটি বিশেষ মাইক্রোফোন রয়েছে এতে। কথা বলার সময় নয়েস হবে না। ভিডিও রেকর্ডিং এ পাওয়া যাবে নিখুঁত শব্দ। আছে উন্নত মানের ইয়ারফোনও।
এছাড়া স্মার্টফোনটিতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৪.২.২ সুবিধা, আছে প্রসেসিং ইউনিট ক্রেইট৪০০, ২.২ গিগাহার্টজ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ প্রসেসর, সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতার ৩ জিবি ৠাম, ৩২ গিগাবাইটের বিশাল রম।
প্রয়োজনীয় তথ্য, ছবি, মিউজিক, অডিও, ভিডিও, অ্যাপস ইনস্টল এবং স্টোরের জন্যও রয়েছে পর্যাপ্ত জায়গা।
উচ্চ মানের গ্রাফিক্স প্রসেসিংয়ের জন্য থাকছে অ্যাডরিনো ৩৩০ জিপিইউ। ওপেন জিএলইএস ৩.০ লাইব্রেরি থাকায় সর্বোচ্চ মানের ভিডিও গেমস খেলা যাবে।
মাল্টিমিডিয়াতে ফোরকে ভিডিও প্লেব্যাকের সঙ্গে পাওয়া যাবে ফুল এইচডি ভিডিও রেকর্ডিং, এফএম রেডিও, মিউজিক প্লেয়ারসহ নানারকম সুবিধা।
কানেকটিভিটিতে নতুন যোগ হয়েছে নেয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন-এনএফসি। এতে ফাইল ট্রান্সফার হবে দ্রুত। আরো আছে ডুয়েল ব্যান্ড ওয়াইফাই (২.৪ এবং ৫ গিগাহার্টজ), ইউএসবি ওটিজি এবং ব্লুটুথসহ সব ধরনের কানেকটিভিটি সুবিধা। জেডএক্সে ১০টিরও বেশি সেন্সর আছে। প্রিমো সিরিজে প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে প্রেসার সেন্সর।
এতসব অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে প্রিমো জেডএক্স ব্যবহারকারীকে সহায়তা করবে ২৭৫০ মিলি অ্যাম্পিয়ার লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি।
হ্যান্ডসেটটির দাম ধরা হয়েছে ৩০ হাজার ৯৯০ টাকা।

 
বর্তমান সময়ে অনলাইনে কেনাকাটা এবং অর্থ লেনদেনে এটিএম কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড সর্বাধিক ব্যবহার করা হয়। তবে অনলাইনে পণ্য ক্রয় বা অর্থ লেনদেনে ঝুঁকি রয়েছে। আন্তর্জাতিক এক সমীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বড় ধরনের অর্থ প্রতারণার অধিকাংশ ঘটনাগুলোই এই অনলাইনে লেনদেন বা ক্রেডিট কার্ড হ্যাকের কারণে ঘটেছে।
তাই নিজের যে ব্যাংক একাউন্টে কষ্ট উপার্জিত অর্থ সঞ্চয় করে রাখছেন সেখানে চুরি হোক তা কারও কাছেই কাঙ্খিত নয়। তাই অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরী।
শুধুমাত্র নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের বৃত্তান্ত দিন
অনলাইন থেকে বই কিনতে কিংবা অন্যান্য যেকোন পণ্য ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কেনা যায়। এসময় সাইট থেকে পণ্য কেনার সময় সেখানে ক্রেডিট কার্ডের বিভিন্ন তথ্য প্রদান করতে হয়। এক্ষেত্রে লক্ষ্যনীয় যে, সব সময় বৈধ পণ্য ক্রয় করতে হবে এবং নির্ভরযোগ্য সাইট থেকে পণ্য ক্রয় নিশ্চিত করতে হবে। ইমেইলের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড বা মাস্টার কার্ডের তথ্য দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এর পাশাপাশি ব্রাউজারের Url থেকে দেখে নিতে হবে যে, ওয়েবসাইটটির ঠিকানা https এ আছে কি-না। এ ছাড়াও আন্তর্জাতিকভাবে পণ্য বিকি-কিনির জন্য স্বীকৃত, এমন ওয়েবসাইট থেকেই পণ্য কেনাকাটা নিরাপদ। তাই অপরিচিত বা অনির্ভরযোগ্য কোন ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কেনাকাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।
পণ্য কেনাকাটায় অনলাইন প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার
অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের পরিবর্তে প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার করে পণ্য কেনাকাটা করা যায়। এক্ষেত্রে অনলাইন প্রিপেইড কার্ড সেবা প্রদানকারী অনেক সাইট রয়েছে সেখান থেকে সামান্য মূল্যের ব্যয়ে প্রিপেইড কার্ড ক্রয় করা যায়। এই প্রিপেইড কার্ডে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা রিচার্জ করা যাবে। এর সুবিধা হচ্ছে- এই কার্ডে দেয়া তথ্য হ্যাক হলেও ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। এখানে শুধুমাত্র ওই টাকাই হ্যাকার হাতিয়ে নিতে পারবে যেটি রিচার্জ করা আছে। বর্তমানে পেপাল, ভিসা এবং পায়নোনিয়ার সহ অনেক প্রতিষ্ঠানই অনলাইন প্রিপেইড কার্ড সেবা দিয়ে থাকে। এই প্রিপেইড কার্ড দ্বারা অনলাইনে যেকোন সাইট থেকে পণ্য কেনা যাবে। এছাড়াও টাকা শেষ হয়ে গেলে পুনরায় ক্রেডিট কার্ড থেকে প্রিপেইড কার্ডে টাকা রিচার্জও করার ব্যবস্থা রয়েছে।
পণ্য কেনার সময় ওয়েবসাইটের বিবৃতি লক্ষ্য করুণ
অনলাইনে যেকোন ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কেনার সময় লক্ষ্য করতে হবে, যে তারা কী তথ্য সংগ্রহ করছে এবং তাদের অন্যান্য কোন শর্ত আছে কি-না। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা হ্যাকিংয়ের ঘটনায় প্রযোজ্য শর্ত না পরেই পণ্য কেনাকাটা সম্পন্ন করাকেই বিশেষজ্ঞরা দায়ী করেছেন। তাই পণ্য কেনার সময় অবশ্যই ওয়েবসাইটের বিবৃতিগুলো সময় নিয়ে পরে নেওয়াই নিরাপদ। অন্যথায়, কার্ড হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি থেকে যায়। আর বিবৃতিতে কোন ধরনের জটিলতা দেখা গেলে ওই ওয়েবসাইট থেকে পণ্য ক্রয় করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
ক্রেডিট কার্ডের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
অনলাইনে কার্ড হ্যাকিং ঠেকাতে ক্রেডিট কার্ডে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়। কিছুকিছু প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত ক্রেডিট কার্ডে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগে থেকেই চালু করা থাকে। এক্ষেত্রে ভিসা এবং মাস্টারকার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য ‘সিকিওর কোড’ নামে ফিচার অ্যাপ রয়েছে। এখানে প্রতিবার পণ্য কেনার সময় মাস্টারকার্ডে একটি পৃথক নিরাপদ কোড পাওয়া যাবে। যে কোড দিয়ে নিরাপদে যেকোন পণ্য কেনাকাটা করা যাবে।
এছাড়াও এই কোড হাতিয়ে নিয়ে কখনোই হ্যাকার কার্ড থেকে টাকা তুলতে বা পণ্য কিনতে পারবে না। কারণ এই কোড পরিবর্তনশীল, তাই ব্যবহার নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য। এছাড়াও প্রতিবার সফল পণ্য কেনার জন্য মোবাইলে একটি ধন্যবাদ বার্তাও প্রেরণ করবে। এজন্য [http://bit.ly/1A2xyyk] ঠিকানা থেকে লগইন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পণ্য ক্রয় শেষে নিজের একাউন্টের ব্যালেন্স ওয়েবসাইট থেকে দেখে নেয়া যাবে। এই ‘সিকিওর কোড’ ফিচারটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। একাউন্টের ব্যালেন্স দেখার সময় অ্যাপটি ফোনে একটি গোপন কোড পাঠাবে যেটি প্রবেশ করিয়ে ঢুকতে হবে। অন্যথায় একাউন্টে প্রবেশ করা যাবে না।
ব্রাউজারে নিয়ন্ত্রিত সেটিংস
সহজে কাজ করার সুবিধার্থে অনেকই ব্রাউজারে ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড সহ অন্যান্য অনেক তথ্য যুক্ত করে রাখেন। ফলে পরবর্তীতে যেকোন সময় প্রয়োজন হলে ব্রাউজারে ওয়েবসাইটকে সকল তথ্য সহজেই দিয়ে থাকে। এতে করে ব্যবহারকারীকে কোন তথ্য লিখে দিতে হয় না। এমন সেটিংস ব্যবহারে ঝুঁকির পরিমান দ্বিগুন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র ব্রাউজারের উপর নজরদারী করেই একজন হ্যাকার সকল তথ্য হাতিয়ে নিতে পারবে। এজন্য গুগলক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা Settings অপশন থেকে নিচের Show Advanced Settings অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে Passwords and Forms ট্যাবের নিচে থাকা Manage Auto-fill Settings অপশনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর কোন তথ্য দেয়া থাকলে তা ডিলিট করে দিতে হবে। এরপর Enable Auto-fill to fill অপশনের পাশে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে বের হয়ে আসতে পারে। এ ছাড়াও মোজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা Menu এ গিয়ে Settings অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর উপরের Privacy ট্যাব থেকে History নামক ড্রপ- ডাউন মেন্যুতে ক্লিক করতে হবে। সেখানে custom settings for history অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এবার Remember search and form history অপশনের পাশে থাকা টিক চিহ্নটি তুলে দিয়ে বের হয়ে আসতে হবে।

 
মাঝখানে এক বছরের ধাক্কা সামলে দেশে সচল মোবাইল সিম বৃদ্ধি আবার গতিতে ফিরেছে।
সোমবার টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন প্রকাশিত হিসেবে দেখা গেছে, ২০১৫ সালে ১ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার সিম আগের বছরের সঙ্গে যোগ হয়েছে।
প্রকাশিত হিসাব অনুসারে শেষ হওয়া বছরটিতে সিম বৃদ্ধির হার ছিল ১১ দশমিক ১২ শতাংশ। আর তাতে বছর শেষে কার্যকর থাকা সিমের সংখ্যা হয়েছে ১৩ কোটি ৩৭ লাখ ২০ হাজার।
এর আগের বছর সিম বিক্রি হয়েছিল ৬৫ লাখ ৬৬ হাজার। ওই বছর প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ। তবে দুটি বছরেই বৃদ্ধি পাওয়া সিমের তুলনায় ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধিতে বাড়তি গতি পেয়েছে।

২০১৫ সালে দেশে ইন্টারনেটের নতুন ১ কোটি ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩৯৬টি সংযোগ যুক্ত হয়েছে। এই বছর তথ্যপ্রযুক্তির এই খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৪ দশমিক শূন্য এক শতাংশ। আর সব মিলে বছর শেষ হয়েছে ৫ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার।
এর আগের বছর নতুন ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধি পেয়েছিল ৭৮ লাখ ৫২ হাজার। সে বছর প্রবৃদ্ধি ছিল ২১ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
বিটিআরসির এক বছরের হিসেবে থেকে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বড় অপারেটর গ্রামীণফোন এই বছরটিতে ৫১ লাখ ৭৫ হাজার সিম তাদের নেটওয়ার্কে বাড়াতে পেরেছে। তাতে বছর শেষে অপারেটরটির সচল গ্রাহক হয়েছে ৫ কোটি ৬৬ লাখ ৭৯ হাজার।
একীভূতিকরণের অপেক্ষায় থাকা দুটি অপারেটর এয়ারটেল এবং রবি যথাক্রমে ৩২ লাখ ৫ হাজার এবং ৩০ লাখ ২৮ হাজার গ্রাহক যোগ করতে পেরেছে নিজ নিজ নেটওয়ার্কে। আর তাতে করে রবি ২ কোটি ৮৩ লাখে এবং এয়ারটেল এক কোটি ৭ লাখে বছর শেষ করেছে।
বাংলালিংক ১৯ লাখ ৬৫ হাজার গ্রাহক পেয়েছে ২০১৫ সালে। তাদের বছর শেষে হয়েছে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৫ হাজার গ্রাহকে।
বছরটি সবচেয়ে খারাপ গেছে সিটিসেলের। তারা দুই লাখ ৮৬ হাজার গ্রাহক হারিয়েছে। আর সরকারি অপারেটর টেলিটক এক বছরে দুই লাখ ৮৩ হাজার গ্রাহক বাড়াতে পেরেছে।
মোবাইল ফোন অপারেটররা ইন্টারনেটেও নিজেদের শক্ত অবস্থানের প্রমাণ দিতে পেরেছে। মোট বৃদ্ধি পাওয়া ইন্টারনেট গ্রাহককের মধ্যে ৯২ লাখ ৭৯ হাজার নিজেদের নেটওয়ার্কে নিয়ে এসেছে তারা।
বছরটা ভালো গেছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের জন্যেও। কিন্তু ওয়াইম্যাক্স অপারেটররা দুই লাখ ৩৩ হাজার গ্রাহক নিয়ে বছর শুরু করে বছর শেষ করেছে ১ লাখ ৪৮ হাজার গ্রাহকে এসে।
বিভিন্ন বছরে মোবাইল সংযোগ বৃদ্ধি :
২০১৫   ১.৩৪ কোটি
২০১৪   ৬৫.৬৬ লাখ
২০১৩  ১.৬৬ কোটি
২০১২   ১.১৭ কোটি
২০১১   ১.৬৮ কোটি
২০১০   ১.৬২ কোটি
২০০৯   ৭৮ লাখ
২০০৮  ১.৩০ কোটি



আগামী মাসে নতুন একটি স্মার্টফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে মাইক্রোসফট। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, মাইক্রোসফটের মিড রেঞ্জের এই স্মার্টফোনটি হতে পারে লুমিয়া ব্র্যান্ডের সর্বশেষ স্মার্টফোন। সব মিলিয়ে এ বছরের মধ্যেই মোবাইল ফোন থেকে ‘নকিয়া’ নামটি বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে মাইক্রোসফট, এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে।
উইন্ডোজ সেন্ট্রাল জানিয়েছে, ৬৫০ মডেলের এই স্মার্টফোনটি গত বছর বাজারে আসা লুমিয়া ৬৪০ এর পরবর্তী সংস্করণ। স্মার্টফোনটি ২০১৫ সালে ক্রেতাদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।
কয়েক মাস আগেই এই স্মার্টফোনটির বিভিন্ন ফিচার অনলাইনে ফাঁস হয়ে যায়। স্মার্টফোনটিতে থাকছে ৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে। থাকবে ১ গিগাবাইট র‌্যাম, ৮ গিগাবাইট বিল্ট-ইন স্টোরেজ, ৮ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা প্রভৃতি।
এতে কোয়ালকম ২১০ কিংবা কোয়ালকম ২১২ চিপসেট ব্যবহার করা হতে পারে। উইন্ডোজ সেন্ট্রাল আরও জানিয়েছে, এই ডিভাইসটিই হতে পারে লুমিয়া ব্র্যান্ডের সর্বশেষ স্মার্টফোন।
আর যদি তা নাও হয়, সেক্ষেত্রে অন্তত ২০১৬ সালে মাইক্রোসফট এই সিরিজের আর কোন স্মার্টফোন বাজারে আনবে না বলেও ওয়েবসাইটটি জানিয়েছে। উইন্ডোজ ৭ চালিত স্মার্টফোন বাজারে আনতে নকিয়া প্রথম ‘লুমিয়া’ সিরিজ চালু করে।
পরবর্তীতে মাইক্রোসফট নকিয়া অধিগ্রহণ করার পর ‘নকিয়া লুমিয়া’ নামটির পরিবর্তে ‘মাইক্রোসফট লুমিয়া’ নাম ব্যবহার শুরু করে।
গত বছরের শেষের দিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, ‘সারফেস’ নামে নতুন একটি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন সিরিজ চালু করতে লুমিয়া সিরিজকে বিদায় জানাতে পারে মাইক্রোসফট।
২০১৬ সালেই সারফেস সিরিজের প্রথম স্মার্টফোন বাজারে আসতে পারে বলেও তখন বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল। মাইক্রোসফট ‘সারফেস’ সিরিজের আওতায় ইতোমধ্যেই ট্যাব এনেছে বাজারে যা একই সাথে ল্যাপটপেরও বিকল্প। ইতোমধ্যেই বেশ জনপ্রিয়তাও পেয়েছে এই সিরিজটি।

সেলফি এখন এতটাই জনপ্রিয় যে মানুষ এর জন্য মৃত্যুঝুঁকি নিতেও দ্বিধা করছে না। বিশ্লেষকরা এই আসক্তিকে এখন একটি ব্যধি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সেলফি পাগল মানে এই না যে, এর জন্য মৃত্যুঝুঁকি নিতে হবে। কিন্তু কিছু মানুষ সে ঝুঁকি নিচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত মারাও যাচ্ছে। ২০১৫ সালে সেলফি তুলতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে ভারতে। ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।
ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের প্রতিবেদনে জানায়, সেলফি তুলতে গিয়ে বিশ্বব্যাপী যারা মারা যায় তার অর্ধেকই ভারতের। গত বছর সেলফি তুলতে গিয়ে ভারতে ২৭ জন মারা যায়।
এখন পর্যন্ত সেলফি তুলতে যেসব ঝুঁকি নেওয়ার ফলে মানুষ মারা যায় সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- চলন্ত ট্রেনের সামনে সেলফি, ছাদের রেলিঙে দাঁড়িয়ে সেলফি ইত্যাদি।
গত বছরের মতো এ বছরও সেলফি তুলতে গিয়ে মানুষের মৃত্যু অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে এ কারণে মুম্বাইয়ে দু’জন মারা যায়। আর সেজন্যই মুম্বাই পুলিশ বেশ কয়েকটি জায়গাকে ‘নো সেলফি জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

Opera Mini


অপেরা মিনি হলো মোবাইল ফোনের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে অগ্রগামী ওয়েব ব্রাউজার যার মাসিক ২৪০ মিলিয়ন এরও বেশি একটিভ ব্যাবহারকারী রয়েছে। এটা প্রায় সব ফোনেই কাজ করে এবং ২জি বা ৩জি নেটওয়ার্কে দ্রুত ব্রাউজ করার সুবিধা দিয়ে থাকে। অপেরা মিনি একটি ওয়েবসাইটকে ৯০% এর মত সংকোচন করে ফেলে, যাতে অন্য ব্রাউজার এর তুলনায় দ্রুত ব্রাউজ করা যায়।

অপেরা মিনির বৈশিষ্ট্য

অপেরা মিনির নিজস্ব ডাটা অপটিমাইজেশান সমাধান রয়েছে এবং একারণে এই ব্রাউজার ওয়েব পেজের সাইজকে ৯০% পর্যন্ত কমিয়ে আনে যার মাধ্যমে ওয়েব সার্ফ করা অনেক সাশ্রয়ী ও দ্রুত। অপেরা মিনির তার বৈশিষ্ট্যগুলো যেমন, স্পীড ডায়ালের মাধ্যমে জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে তৎক্ষণাৎ এক্সেস, বিভিন্ন ট্যাবে মাল্টিটাস্ক, সহজেই ওয়েবপেজ পড়ার ক্ষমতা এবং মোবাইল স্ক্রীন এর অধিকাংশ ব্যবহার করার মধ্যে দিয়ে ব্যবহারকারীর ভালো অভিজ্ঞতার সুযোগ দেয়। এটির মাধ্যমে আপনি পরবর্তীতে পড়ার জন্য বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করার জন্য যেকোন পেজ সেভ করে রাখতে পারবেন। ডাউনলোড ম্যানেজার এর মাধ্যমে আপনার সুবিধার্থে রিযিউম অপশানসহ আপনি যেকোন ধরনের কন্টেন্ট আপনার ডিভাইসে ডাউনলোড করতে পারবেন ।

কো-ব্র্যান্ডেড অপেরা মিনি

এই কো-ব্র্যান্ডেড সুবিধার মাধ্যমে অপেরা মিনি অ্যাপ্লিকাশান চালু করার সময় সাবস্ক্রাইবার রবি এবং অপেরা লোগো উভয়ই দেখতে পাবে স্ক্রিনে। ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ধরনের এন্টারটেইনমেন্ট ও তথ্য চাহিদার কথা মাথায় রেখে রবি আরো দিচ্ছে ৪টি পূর্ব নির্ধারিত স্পীড ডায়াল, ৫টি এক্সটেনশান বার এবং জনপ্রিয় ৫টি ওয়েবসাইটের সাজেস্টেড ইউআরএল।

যেভাবে অপেরা মিনি পাওয়া যাবে

এই লিঙ্ক থেকে অপেরা মিনি ডাউনলোড করা যাবেঃ http://mini.opera.com অথবা স্মার্টফোনের বিভিন্ন অ্যাপস্টোর (এন্ড্রয়েড মার্কেট, অ্যাপস্টোর, ব্ল্যাকবেরী ওয়ার্ল্ড, উইন্ডোজ মার্কেটপ্লেস ইত্যাদি) থেকেও ডাউনলোড করা যাবে। অপেরা মিনি সংক্রান্ত আরো তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে ভিজিট করুন, http://www.opera.com/help/mini
Blogger দ্বারা পরিচালিত.