ইন্টারনেটের দাম কমাতে অপারেটরদের খরচের খোঁজ নেবে বিটিআরসি

ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ কমাতে অপারেটর পর্যায়ে ‘কস্ট মডেলিং’ সার্ভে করবে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
সম্প্রতি এক কমিশন বৈঠকে বিটিআরসি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তারা।
এই সার্ভে হলে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অপারেটরের সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ খরচ সম্পর্কে নিয়ন্ত্রক সংস্থা পরিস্কার ধারণা পাবে। এরপর তার ওপর ভিত্তি করেই মোবাইল ফোন অপারেটর এবং অন্যান্য অপারেটরদের প্যাকেজ অনুমোদন দিতে পারবে তারা।
এখন পুরোপুরি ধারণাগত অবস্থান থেকে ইন্টারনেট প্যাকেজের অনুমোদন দেয়া হয়। এক্ষেত্রে আগের প্যাকেজের তথ্য এবং খরচকেই মূলত বিবেচনায় নেয়া হয়ে থাকে।



সফটওয়্যার, রফতানি, বাংলাদেশ, টেক শহর

এর আগে বিটিআরসি ভয়েস কলের ক্ষেত্রে কস্ট মডেলিং করলেও ইন্টারনেট ডেটার ক্ষেত্রে কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েও শেষ পর্যন্ত কস্ট মডেলিং আর করা হয়ে ওঠেনি।
মাঝে একবার আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের কাছে এ বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ পরামর্শক চেয়েছিল বিটিআরসি। কিন্তু বিনা খরচায় আইটিইউ এই পরামর্শক দিতে চায়নি। পরে অনেক আলোচনার পর এখন প্রায় ত্রিশ লাখ টাকা খরচের মাধ্যমে পরামর্শক আসবে আইটিইউ থেকে।
বিটিআরসি কর্মকর্তারাই জানিয়েছেন, উন্নত বিশ্বের কোনো দেশই কস্ট মডেলিং ছাড়া ইন্টারনেটের প্যাকেজ সাজায় না। এক্ষেত্রে একেক দেশ একেক পদ্ধতি অবলম্বন করে। কিন্তু অপারেটরদের খরচ, বিনিয়োগ এবং লাভের অংক ধরেই পরে প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
বিটিআরসি সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, অপারেটররা অসংখ্য ধাপ এবং খরচের প্যাকেজ গ্রাহকদের অফার করে। ফলে সেখান থেকে সঠিক খরচের বিষয়টি বের করা তাদের জন্যে অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা হয়ে যায়। ফলে একটি সার্বিক কস্ট মডেলিং হলে তখন তাদের পক্ষেও সিদ্ধান্ত নেওয়টা সুবিধাজনক হবে।