ফেসবুক পিছিয়ে ইউটিউব এর চেয়ে

গতিময় ইন্টারনেটের কল্যানে কমে গেছে ফাইল ডাউনলোডের প্রবণতা। বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ভিডিও ডাউনলোড করার পরিবর্তে মুহূর্তেই সার্চ করে দেখে নিতে পারেন।



আর অনলাইনে এমন ভিডিও দেখতে অধিক জনপ্রিয় সাইট ইউটিউব। যার নিকট শক্তিশালী প্রতিদন্দী তেমন নেই বললেই চলে। অনলাইনে ভিডিও ভিউ নিয়ে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং সাইট ইউটিউবের ধারের কাছেও নেই সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই অনলাইনে ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে উঠে এসেছে ফেসবুকের পরাজয়। সেন্ডভাইন নামে একটি নেটওয়ার্কিং প্রতিষ্ঠান ওই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সাইট দুইটির ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে ওই রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইউটিউবের ব্যবহার হয়েছে ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০১৪ সালে যা ছিল ১৪ শতাংশ। অন্যদিকে ফেসবুকের ব্যবহার হয়েছে ২ দশমিক ৫ শতাংশ। আগের বছরের চেয়ে যা দশমিক ৫ শতাংশ কম।

বিশ্বজুড়ে ফেসবুকের ৫০০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী প্রতিদিন সাইটটি থেকে ৮ বিলিয়ন ভিডিও দেখে থাকেন। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি তাদের সাইটে ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও দেখার সেবা যুক্ত করেছে। পাশাপাশি লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং সেবাও পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। এতো কিছুর পরও এই খাতে কোন অগ্রগতি হয়নি প্রতিষ্ঠানটির।

মজার বিষয় হলো দুই বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ইউটিউব ও ফেসবুকের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে নেটফিক্স।

এর  আগে গত এক বছর বা তার চেয়ে কিছু বেশি সময় ধরে ফেসবুক অনেকটা আক্রমণাত্বকভাবে তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভিউ বাড়াতে নানা উদ্যোগ নেয়। ওই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছিল ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জনপ্রিয় সাইট ইউটিউবকে পেছনে ফেলা।