দেশজুড়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে পিৎজা হাট-কেএফসি


পাশ্চাত্য ঘরানার ফাস্ট ফুডের স্বাদ যখন থেকে বাঙ্গালি জিহ্বা পেয়েছে, তখন থেকেই বাঙ্গালির ভোজন রসিকতায় এসেছে নতুন মাত্রা। যদিও এটি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল শহুরে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেই এখনো সীমাবদ্ধ। এর মধ্যেও রয়েছে ব্র্যান্ড। নামী-দামী ফাষ্টফুডের শপগুলোর রয়েছে তাই বাড়তি খ্যাতি। ঢাকা শহরের নামী-দামী ফাষ্ট ফুড শপগুলোর মধ্যে কে এফ সি অন্যতম। বস্তুতঃ এটি ফাষ্টফুডের ক্ষেত্রে একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড। সুস্বাদু বিভিন্ন আইটেমের মাধ্যমে ভোজন রসিকদের জিহ্বার তপ্ত লালাকে তৃপ্ত করতে শপটি তার নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং সেই সাথে চেষ্টা চালাচ্ছে তার নামের মর্যাদা ধরে রাখতে।
২০০৩ সালে এ দেশে প্রথম এসেছে পিৎজা হাট। তার ঠিক তিন বছর পর কেএফসি। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এটি ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেড গুলশান আউটলেটের মাধ্যমে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে। দেশের চারটি জেলায় ২৬টি স্থানে ৩৩টি রেস্তোরাঁ খোলা হয়েছে কেএফসি, পিৎজা হাট ও পিৎজা হাট ডেলিভারির। এর মধ্যে ১৮টি কেএফসি, আটটি পিৎজা হাট এবং সাতটি পিৎজা হাট ডেলিভারি।
এসব তথ্য জানানো হলো ২৩ জানুয়ারি এক অনুষ্ঠানে। পুরান ঢাকার ওয়ারীর র্যা ঙ্কিন স্ট্রিটে কেএফসি রেস্টুরেন্টে আয়োজন করা হয় এটি। এতে উপস্থিত ছিলেন ওয়ারীতে বেড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক মডেল ও ফ্যাশন ব্যক্তিত্ব বিবি রাসেল, উপস্থাপক শারমীন লাকি, অভিনেত্রী বন্যা মির্জা, সংগীতশিল্পী তপু এবং ট্রান্সকম ফুড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আক্কু চৌধুরী।
অনুষ্ঠানটি শুরু হয় ‘আয় আয় প্রাণের উৎসবে’ গানের সঙ্গে নাচের মাধ্যমে। পরে কথা বলেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। আক্কু চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছা আগামী ২০২০ সালের মধ্যে সারা দেশে ১০০টি রেস্টুরেন্ট চালু করার। আমরা ভালো মানের খাবার নিয়ে ক্রেতাদের কাছে যেতে চাই। সেই চেষ্টা সব সময় অব্যাহত থাকবে।’ বিবি রাসেল বলেন, ‘আমি এখানে বড় হয়েছি। আমাদের জন্য আনন্দের খবর যে কেএফসি ও পিৎজা হাট ওয়ারীতে এসেছে। আশা করি, তাদের এ যাত্রা সফল হবে।’