বিশ্বের পাঁচটি ভয়ঙ্কর শহর, যেখানে যাওয়ার কথা স্বপ্নেও ভাববেন না

 
বিশ্ব ভ্রমণে বেরনোর পরিকল্পনা করছেন? আপনার মতো অনেকেই হাতে প্রচুর টাকা এলে, কীভাবে তা খরচ করবেন তা ভাবার শুরুতেই বিশ্ব ভ্রমণের কথা চিন্তা করে থাকেন। ভালো কথা। বিশ্ব ভ্রমণ তো স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। কিন্তু যাওয়ার আগে ভালো করে সার্ভে করে নিন যে কোথায় কোথায় যাবেন। যেখানে গেলে আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হবে না। আমরা আপনাকে কোথায় যাবেন তা না বলে জানিয়ে দিচ্ছি কোথায় কোথায় যাওয়ার কথা স্বপ্নেও ভাববেন না।
১) মোগাধিসু, সোমালিয়া-
বিশ্ব ভ্রমণের লিস্টে কখনওই মোগাধিসুর নাম রাখবেন না। অন্যান্য দেশের মতো এখানেও ক্রাইম হয়। হয়তো আপনার সঙ্গেও ক্রাইম হল। আপনি প্রতিবাদও করলেন। কিন্তু সমস্যাটা হবে অন্য জায়গায়। আপনি কোনও বিচার পাবেন না। কারণ, এই দেশে আইন বলে কোনও জিনিস নেই। মোগাধিসু একটি আইনবিহীন দেশ। আর তাই এখানে দিনের পর দিন ক্রাইম করে পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা।
২) মেসিও, ব্রাজিল-
এখন মেক্সিকোই একমাত্র দেশ নয় যেখানকার বেশিরভাগ মানুষ ড্রাগে আক্রান্ত। মেসিও এমন একটি শহর যেখানে প্রত্যেক দিন বহু মানুষ ড্রাগের নেশায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। তার থেকেও বড় কথা এখানে মাদকদ্রব্য পাওয়াটা খুবই সহজলভ্য। কোকেনের মতো মাদক খুব সহজেই হাতে পেয়ে যান এখানকার মানুষ। এমনকী যাঁরা খুব গরীব তাঁরাও সহজে পেয়ে যান। তাই ভুলেও মেসিওয়ে যাওয়ার কথা ভাববেন না। দেখা গেল হয়তো সেখানে গিয়ে আপনিও ড্রাগে আক্রান্ত হয়ে গেলেন‌!
৩) কাবুল, আফগানিস্তান-
যদিও এখন পাকিস্তান আফগানিস্তানের নাম শুনলে সেখানে বেড়াতে যাওয়ার কথা অনেকেই ভাবেন না। তবুও যদি আপনার কখনও আফগানিস্তানে বেড়াতে যাওয়ার কথা মনে হয়, তাহলে বলি, এখনই সেই চিন্তা মন থেকে দূর করে দিন। কারণ, কাবুলে মানব বোমার খুব চল রয়েছে। কখন আপনার পাশে সেই মানব বোমা চলে আসবে আর ভ্রমণ করতে গিয়ে আপনি একেবারে ওপরে চলে যাবেন। তাই কাবুলে যাওয়ার আগে অবশ্যই এগুলো ভেবে দেখবেন।
৪) কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা-
আজকাল বহু মানুষ কেপ টাউনে বেড়াতে যান। আপনারও যদি সেরকম পরিকল্পনা থেকে থাকে তাহলে শুনুন। কেপ টাউনে ক্রাইমের সংখ্যাটা ক্রমশ বাড়ছে। খুন, অপহরণের মতো ক্রাইম রোজ লেগেই রয়েছে। তাই যেখানে ক্রাইম জলভাত, সেখানে গিয়ে নিজেকে বিপদে ফেলার কী দরকার বলুন?
৫) কারাকাস, ভেনিজুয়েলা-
ভেনিজুয়েলার এই সুন্দর শহরটি আসলে কিন্তু মোটেও নিরাপদ নয়। ২০১৩ সালে প্রেসিডেন্ট হিউগো চাভেজ মারা যাওয়ার পর থেকে কারাকাস শহরে ক্রাইমের পরিমান আরও বেড়ে গিয়েছে। প্রতিবাদ করার ফলেও কোনও লাভ হয়নি। কারাকাসের বর্তমান সরকারের ক্রাইম প্রতিরোধের ক্ষমতাও নেই। তাই মনে হয় না যেখানে নিরাপত্তাই নেই, সেখানে খামোকা বেড়াতে যাওয়ার কোনও দরকার আছে বলে।