জিমেইল ইনবক্স ব্যবহারের ৬ টিপস জেনে নিন


ইমেইল অনেকের জন্যই বিভ্রান্তিকর বিষয়। ওয়েবসাইটে লগইন করে তারপর মেইল চেক করার পেছনে প্রচুর সময় ও উদ্যম ব্যয় হয়। তবে জিমেইল ব্যবহারকারীরা এখন কিছু অ্যাপের সহায়তায় এ বিষয়টি সহজ করে ফেলতে পারেন। এ লেখায় রয়েছে তেমন কয়েকটি সুবিধার কথা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট। গুগলের একটি অ্যাপের নাম ‘গুগল ইনবক্স।’ আর এ ইনবক্সের জন্য নিত্যনতুন ফিচার আনার কাজ করছে গুগল। কিন্তু এক্ষেত্রে নতুন কোনো সংযোজন আনা হচ্ছে না জিমেইল সার্ভিসে। গুগল ইনবক্স সার্ভিস ব্যবহার করা যায় অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে। এছাড়া এটি ক্রোম, ফায়ারফক্স ও সাফারি ব্রাউজারেও ব্যবহার করা যায়। এতে মেইলকে নানাভাবে অর্গানাইজ করা যায় ও পরবর্তী সময়ের জন্য স্নুজ করা যায়। 
১. গুগল ইনবক্স ব্যবহার করুন জিমেইল ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে-এমনটাই বহু ব্যবহারকারীর মত। এর কারণ এখন বহু ব্যবহারকারীই সরাসরি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে জিমেইল চেক করেন না। তার বদলে তারা নানা স্মার্ট অ্যাপ ব্যবহার করেন। এ অ্যাপগুলোর মাধ্যমে স্মার্টফোন, ট্যাব ও কম্পিউটারের সহায়তায় জিমেইল চেক করা যায়। এটি ব্যবহার করে সহজেই আপনার ইনবক্সকে কাস্টমাইজ করা যায়।

২. অফলাইনে জিমেইল ইমেইল ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল। তবে অফলাইনেও এটি ব্যবহার করা যায়। এতে সব সময় আপনার অনলাইনের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে এমনটা নয়। একবার অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে মেইলগুলো ডাউনলোড করে নিলেই হলো। এরপর আবার প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে মেইলগুলো একত্রে জবাব দেওয়া বা অনুরূপ কাজ করা যেতে পারে। এজন্য অফলাইন প্লাগইন ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩. ইনবক্স পজ করা আপনি যদি অনলাইনে ইমেইল আর না চান তাহলে ইনবক্স পজ ব্যবহার করতে চান। এটি মূলত একটি এক্সটেনশন। এটি অন করার পর আপনার ইনবক্সে আর কোনো মেইল আসবে না। ফলে পুরনো মেইলগুলোর কাজ শেষ করে আবার নতুন করে মেইল গ্রহণ করা যাবে।

৪. স্বয়ংক্রিয় জবাব আপনি যদি একই মেইল ক্রমাগত জবাব দিতে গিয়ে বিরক্ত হয়ে যান তাহলে অটোমেটেড রেসপন্স ব্যবহার করুন। এতে কোনো একটি শব্দ ব্যবহারে আপনার জবাব কেমন হবে তা আগে থেকেই নির্ধারণ করা যাবে। ফলে বহু মেইলের জবাব কী দিতে হবে তা নিয়ে আপনার না ভাবলেও চলবে।

৫. নিরাপত্তা আপনার মেইল কতখানি নিরাপদ তা নির্ভর করবে আপনি কয় স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, তার ওপর। এক্ষেত্রে আপনি যদি জিমেইলের দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তাহলে তা নিরাপত্তা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেবে। জিমেইলের এ দুই স্তরের নিরাপত্তায় রয়েছে অনলাইনের পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় যাচাই। এক্ষেত্রে আপনার মোবাইল ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে তা আবার অনলাইনে ইনপুট দিতে বলে জিমেইল। এটি আপনার হাতে মোবাইল ফোনটি থাকা পর্যন্ত নিরাপদ।

৬. জিমেইলের নিয়ম তৈরি করন জিমেইলে আরও বহু বিষয় সংযুক্ত করা যায়। এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে আপনার নিজস্ব কিছু নিয়ম তৈরি করা। যেমন আপনি ঠিক করে দিতে পারেন কার কার মেইল গ্রহণ করবেন, কোন কথা সাবজেক্ট লাইনে থাকবে ইত্যাদি বিষয়। এগুলোর জন্য সেটিংস মেনুতে গিয়ে নিজস্ব ট্যাবগুলো নির্ধারণ করে নিতে হয়।