নবাবগঞ্জের খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকের হাতে অমানবিক প্রহারের শিকার ১০ম শ্রেনীর ছাত্র


নবাবগঞ্জ উপজেলার খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকের হাতে অমানবিক প্রহারের শিকার হলো ১০ম শ্রেনীর ছাত্র। থানায় সাধারণ ডায়রি দ্বায়ের ।

ডায়রির অনুলিপি দেওয়া হলো :

বরাবর, অফিসার ইনচার্জ নবাবগঞ্জ থানা ঢাকা জেলা বিষয়ঃ- সাধারণ ডায়রি করার আবেদন প্রসঙ্গে। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্ন সাক্ষরকারী মমতা রানী সরকার (৪০) স্বামী অনিল সরকার সাং খানেপুর থানা নবাবগঞ্জ জেলা ঢাকা। থানায় আসিয়া এই মর্মে বিবাদী ০১। মুজাফফর আহম্মেদ (৪৫) পিতা মোতাহার আলী সাং খানেপুর থানা নবাবগঞ্জ জেলা এর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়রি করার আবেদন করিতেছি যে, ০১ নং বিবাদী খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর সহকারী শিক্ষক আমার পুত্র সোহাগ সরকার (১৮) খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর ১০ম শেনীর ছাত্র। আমার ছেলে ইভটিজিং প্রতিরোধে বিদ্যালয়ে এক পরিচিত মুখ। বিদ্যালয়ের অন্যান্য সকল শিক্ষক আমার ছেলে সোহাগ সরকার কে অনেক স্নেহ করে। ০১ নং বিবাদী ইভটিজিং কারী ব্যক্তিদের পক্ষ নিয়া আমার ছেলে সোহাগ কে প্রায় সময় বিদ্যালয়ে বিবক্ত করিত। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৬/০৩/২০১৬ ইং তারিখ সকাল ১১ টা ৩০ ঘটিকার সময় আমার ছেলে সোহাগ কে বিদ্যালয়ের নিচ তলায় শিক্ষক এর চেয়ারে বসা দেখিলে এই চেয়ারে কেন বসলা বলিয়া এলোপাথারি কিল ঘুষি মারিয়া নিলাকুলা জখম কর। ০১ নং বিবাদী আমার ছেলেকে মালায়ন বলিয়া গালি দেয়। তোকে মারার জন্য অনেক দিন ধরিয়া সুযোগ খুজছি ইত্যাদি বলিয়া গালিগালাজ জরে। এই বিষয়ে কোন প্রকার নালিশ বা কাউকে জানালে প্রানে মারিয়া ফেলিবে বলিয়া হুমকি দেয়। বিষয় টি ভবিষ্যতের জন্য সাধারন ডায়রী করা একান্ত প্রয়োজন। অতএব উপরিউক্ত বিষয় টি সাধারণ ডায়রী করিতে আপনার একান্ত মর্জি হয়।

শিক্ষককে অপসারনের দাবিতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য এলাকায় পুলিশ টহোলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।