ভবিষ্যতে আসছে যেসব অত্যাধুনিক অস্ত্র


‘অস্ত্র যার হাতেই থাকুক না কেন, চালালেই ভয়ংকর।’ তবে অস্ত্র সম্পর্কে জানতে সে ভয় নেই। কাঠের ফেমের ‍দু’নলা বন্দুকের যুগ শেষ হয়ে পৃথিবী এখন আধুনিক সব অস্ত্রে সজ্জিত। আসুন জেনে নেই কিছু ফিচার সমৃদ্ধ অস্ত্র সম্পর্কে।  

প্রজেক্ট এক্সেটো: 
এক্সেটো প্রজেক্ট ডারাপ দ্বারা পরিচালিত হয়। এই ৫০ কেলিবার স্নাইপার রাইফেলটির সাথে যুক্ত আছে কম্পিউটার যা ব্যবহার করে সেকেন্ডে ৫০ বার লক্ষ্য পরিবর্তন করা যায়। এক্সেটো বিশেষ ভাবে লক্ষ্য পরিবর্তনের জন্য ব্যবহার করা হয়।
মেগপাল এফএমজি-৯
মেগপাল এফএমজি-৯ সাবমেশিন গানটি ল্যাপটপের ব্যাটারির সমান আয়তকার খণ্ডে ভাঁজ করা যায়। এটি ধাতুর পরিবর্তে পলিমার দিয়ে তৈরি।

 
এক্সএম ২৫ সিডিটিই
এক্সএম ২৫ সিডিটিই কে ‘শাসক বা শাস্তিপ্রদানকারী’ বলে। এই অতি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন গ্রেনেড লঞ্চার ছোড়া মাত্র গ্রেনেডের বিস্ফোরণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ১০ ফুট দূরত্বে থেকে এটি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ছাউনির নিচে বা দেয়ালের পিছনে লুকিয়ে থাকা লক্ষ্যকে আঘাত করার জন্য এক্স এম ২৫ সিডিটিই অতুলনীয়।
দ্য লিবারেটর
দ্য লিবারেটর এমন একটি বন্দুক যা ঘরে বসে তৈরি করা যায়। এটি একটি ত্রিমাত্রিক প্রিন্টার দিয়ে বানানো সম্ভব। বন্দুকটি বানানোর নকশা ইন্টারনেটে ছাড়া হয় যা এখনো কোন কোন সাইটে পাওয়া যেতে পারে।
কর্নার শট
কর্নার শট মূলত বন্দুকের সাথে লাগোয়া একটি প্লাটফর্ম। এই সংযুক্ত অংশটি ও সরাসরি ভিডিও ক্যামেরার মাধ্যমে প্রকৃত অর্থেই কৌণিক শট দিয়ে কোণের বা তীক্ষ যেকোনো স্থানে লক্ষ্যবস্তুকে টার্গেট করা সম্ভব।
দ্য নয়েজি ক্রিকেট
দ্য নইজি ক্রিকেট হলো সূঁচালো পাইপ যুক্ত হাতবন্দুক যা দেখা গিয়েছিলো ‘ম্যান ইন ব্ল্যাক’ চলচিত্রে। দেখতে ছোট ও কম মারাত্মক মনে হলেও উইল স্মিত যেভাবে লাফিয়ে গুলি করে তাতে বুঝা যায় এটি কত ভয়ংকর!
আর্মাটিক্স আইপি১
আর্মাটিক্স আইপি১ ও একটি হাত ঘড়ি থাকে যুক্ত আছে। এই হাত ঘড়িতে বন্দুকটি ব্যবহারের সতর্কতা দেয়া থাকে। বন্দুকটিতে বিভিন্ন রঙের লাইট থাকে। এই লাইট গুলোর এক একটি রঙ এক একটি সতর্কতা প্রদর্শন করে এবং এতে একটি ক্যামেরাও রয়েছে। বন্দুকটি হাতঘড়ি থেকে ১০ ইঞ্চির বাহিরে থাকলে চালানো সম্ভব হয় না। এতে আরও দেখা যায় কতটি শট করা হয়েছে ও আরো আনুসঙ্গিক বিষয়।