রবি-এয়ারটেলের মূল্যায়ন প্রতিবেদন দিতে আরও সময়

 রবি-এয়ারটেল নিয়ে  চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আরও সময় পেল সরকার ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
অপারেটর দুটির এই একীভূতিকরণ নিয়ে মূল্যায়ন দিতে বিটিআরসিকে ২২ মার্চ এবং সরকারকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন আদালত।
এর আগে একীভূতিকরনের আবেদনের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আদালতে আবেদন করে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ জানুয়ারি আদালত বিটিআরসিকে ছয় সপ্তাহের(৭ মার্চ) মধ্যে রবি ও এয়ারটেলের মূল্যায়ন প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা নির্দেশ দেন। আর ওই প্রতিবেদন পাওয়ার দুই সপ্তাহের (৩০ মার্চ) মধ্যে সরকারকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন আদালতে জমা দিতে বলেন।
পরে বিটিআরসির  প্রতিবেদন তৈরিতে আদালতের কাছে সময় বৃদ্ধির আবেদন করে। বৃহস্পতিবার আদালত এই বর্ধিত সময়সীমা দেন।
robi-airtel-techshohor
বিটিআরসি’র কর্মকর্তারা জানান, তারা এক মাসের সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু ১৪ এপ্রিল আদালতের ছুটি শুরু হয়ে যাবে বলে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দেন। ১১ এপ্রিল এ বিষয়ে শুনানি করবেন আদালত।
রবি-এয়ারটেল একীভূতিকরণ বিষয়ে কুয়ালালামপুরে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসারে, এক হওয়া পর কোম্পানি রবি নামেই ব্যবসা পরিচালনা করবে। একীভূত কোম্পানির ৬৮ দশমিক ৭ শতাংশ শেয়ার থাকবে আজিয়াটার হাতে। আর ভারতীর কাছে থাকবে ২৫ শতাংশ । ৬ দশমিক ৩ শতাংশ থাকবে বর্তমানে রবির আরেক শেয়ারহোল্ডার জাপানের এনটিটি ডকোমো কাছে।
দুই কোম্পানি এক হলে তাদের গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ৪ কোটি। এর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অপারেটরে পরিণত হবে। এখন সবচেয়ে বেশি গ্রাহক আছে গ্রামীণফোনের। প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি। আর ৩ কোটি ২৮ লাখ গ্রাহক নিয়ে বাজারে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বাংলালিংক।