জিপি অ্যাকসেলারেটরে নির্বাচিত পাঁচ স্টার্টআপ

জিপি অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামের প্রথম ব্যাচের জন্য সেরা পাঁচ স্টার্টআপ নির্বাচিত হয়েছে। কয়েকশ স্টার্ট-আপ আবেদন থেকে সাক্ষাৎকার, ডেমো প্রেজেন্টেশন শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এই বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।
সেরা পাঁচটি স্টার্টআপ হলো-যেকোনো ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইট ডিজাইনের কাজ করা স্টার্টআপ এনোভেশন। ব্যবহারকারীদের লক স্ক্রিনে কন্টেন্ট নিয়ে আসার মতো বুদ্ধিমান একটি অ্যাপ নিয়ে কাজ করা ক্যান্ডি। ঘুরে বেড়ানোর জন্য পুরো ঢাকা শহরের মধ্যে কারপুলিং সেবা দেওয়ার স্টার্টআপ শেয়ার ইংক। ঘরের সব কাজের সহযোগিতা করার স্টার্টআপ সেবা এবং অনলাইন কোর্সের মার্কেটপ্লেস হিসেবে কাজ করা রেপটো।
GP
মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও স্টার্টআপদের নিয়ে কাজ করা এসডি এশিয়া যৌথভাবে অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে।
এসডি এশিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোস্তাফিজুর রাহমান খান বলেন, সেরা দশের প্রত্যেকটি স্টার্টআপই এত সম্ভাবনাময় ছিল যে, তাদের মধ্য থেকে পাঁচটি বাছাই করা খুব কঠিন ছিল।
ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই সেরা স্টার্টআপগুলো অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হবে।
গ্রামীণফোনের চিফ স্ট্র্যাটিজি অফিসার এরল্যান্ড পেস্টগার্ড বলেন,  শুধুই টেলিকম কোম্পানির তকমা পেরিয়ে এখন গ্রামীণফোন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ টেক শিল্পের সাথে জড়াতে চায়। এসডি এশিয়াকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশের স্টার্টআপকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে গ্রামীণফোন।
দুটি সেশনে অনুষ্ঠিত ওই প্রোগ্রামের প্রথম ব্যাচ চূড়ান্ত হলেও দ্বিতীয় সেশনটি হবে জুনে। প্রতিটি সেশনে বাছাইকৃত সেরা পাঁচটি স্টার্টআপ তাদের প্রজেক্টগুলো বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরবে।
পরে তাদের মধ্যে থেকে নির্বাচিতরা প্রায় ১১ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয় ‘জিপি হাউজে’ সম্পূর্ণ ফ্রিতে অফিস স্পেস পাবেন। পাবেন মেন্টরিংয়ের সুবিধা।