এই গ্রীষ্মে কোন সানগ্লাস পরবেন? কেন পরবেন?


গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে রোদের তাপ। সঙ্গে দোসর বাতাসে ভেসে বেড়ানো ধূলিকণা এবং দূষণ। আর এসবের হাত থেকে বাঁচতে সানগ্লাসের জুড়ি মেলা ভার। সানগ্লাস শুধু চোখের সুরক্ষাই দেয় না। চোখের আরামও দেয়, সঙ্গে ফ্যাশনও।
চলতি ফ্যাশন হিসেবে সব আবহাওয়াতেই আজকাল পকেটে থাকে এটি। যাঁদের ধুলোতে অ্যালার্জি, তাঁদের জন্য সানগ্লাস শুধু ফ্যাশন নয়, অত্যাবশ্যকীয়ও বটে। চোখের সংক্রমণ এড়াতেও পরতে পারেন রোদচশমা। একই সঙ্গে এটি ফ্যাশন অনুষঙ্গও। কিন্তু যাঁরা পাওয়ারের চশমা পরেন, তাঁরা কী করবেন? তাঁরাও চাইলে পরতে পারেন হাল ফ্যাশনের যে কোনও সানগ্লাস। শুধু চোখের পাওয়ারের সঙ্গে মিল রেখে পরিবর্তন করে নিন সানগ্লাসের কাচটি। যাঁরা বাইকে ঘোরেন, তাঁদের জন্য সানগ্লাস অতি জরুরি। তীব্র গতিতে বাতাসে ভেসে বেড়ানো ধুলো এসে চোখে আঘাত করে। নীল, সবুজ, লাল, বিভিন্ন ধরনের ট্রেন্ডি সানগ্লাস এখন নজর কেড়েছে। বিঙিন্ন স্টাইলের সানগ্লাস বাজারে পাওয়া যায়।
১. সাধারণত গরমের হাত থেকে চোখকে বাঁচাতে অ্যাভিয়েটর, ব্রোলিন, রেট্রো, রাউন্ড, ওয়েফেয়ারার সানগ্লাস বেশি উপযোগী।
২. যাঁরা বাইক বা কোনও হুড খোলা গাড়িতে ট্র্যাভেল করেন তাঁদের জন্য স্পোর্টস সানগ্লাস খুব উপযোগী। এতে চোখের ভিতরে ধুলো ঢুকতে পারেনা।
৩. মহিলাদের জন্য ক্যাট আই, বাটারফ্লাই, গোগোগ্লাস বেশি চলে। তবে গোগোগ্লাস চোখের অনেকটা জায়গা কভার করে রাখে বলে বেশি আরাম পাওয়া যায়।
সানগ্লাসের কাচ পোলারাইজ্‌ড হলে চোখের আরাম হয় বেশি।
ব্র্যান্ডের রকমফেরে সানগ্লাসের দামেরও পার্থক্য হয়।  বিখ্যাত ব্র্যান্ডগুলো পাওয়া যাবে ১৫০০ থেকে ৫০০০ এর মধ্যে। নন ব্র্যান্ডের সানগ্লাস সর্বোচ্চ ৩০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যেই মিলবে।