পোশাক নিয়ে এ তথ্যগুলো হয়তো আপনি জানেন না


পশ্চিমা দেশগুলিতে আধুনিক মেয়েদের শর্ট পরে চলাফেরা করতে দেখা যায়। আধুনিক দেশগুলোর দেখাদেখি এখন বাংলাদেশের কন্যারাও শর্টপ্যান্টের স্টাইল অনুসরণ করছে।  কিন্তু জানেন কি, শর্ট পরা নিয়ে শুধু রক্ষণশীল দেশগুলোতেই নয়, আপত্তি ছিল ব্রিটেনেও। তবে শুধু শর্টস নয়, পোশাক নিয়ে নানা অজানা কাহিনী জেনে নিতে পারেন—
-    ১৫৮৬ সালে জার্মানিতে প্রথম ফ্যাশন ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়।
-    ইতালির জেনোয়া সৈনিকরা জিনস বলে এক ধরনের সুতির প্যান্ট পরতেন। তার থেকেই জিনস প্যান্টের প্রচলন এসেছে।
-    একজন আমেরিকানের কাছে গড়ে সাতটি জিনস থাকে।
-    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে মেয়েরা শর্টস পরার অনুমতি পায়। কারণটা খুবই অদ্ভুত। যুদ্ধের সময় বাড়ির পুরুষদের লড়াইয়ের জন্য বাইরে যেতে হয়েছিল বলে মেয়েরা বাইরে কাজ করতে বাধ্য হয়। আর কাজের সুবিধার জন্য শর্টস পরার অনুমতি পায় মেয়েরা।
-    পশ্চিমা দেশের মেয়েরা দশ থেকে পঁচিশ শতাংশই ব্রা পরেন না। আবার পরলেও ৭৫ থেকে ৮৫ শতাংশ মেয়ে ভুল সাইজের ব্রা পরেন।
-    পুরুষদের শার্টের বোতাম হয় ডানদিকে এবং মহিলাদের বোতাম হয় বাঁদিকে।
-    মধ্যযুগে পোশাকের রং দেখে মানুষের সামাজিক অবস্থান এবং পেশা বোঝা যেত। উচ্চ শ্রেণীর লোকেরা লাল রঙের পোশাক পরত, তেমনই নিম্ন শ্রেণীর লোকেরা পরত ব্রাউন এবং ধূসর রঙের পোশাক। রোমে পার্পল রঙের পোশাক পরার অধিকার একমাত্র ছিল উচ্চবিত্ত মানুষের।
-    স্যান্ডেল পরার প্রচলন ছিল যিশু খ্রিষ্টের জন্মের আগেও।
-    আরব সমাজে জুতো পরাকে নোংরা স্বভাব বলে মনে করা হত।