রবি-এয়ারটেল নিয়ে মালয়েশিয়া হাইকমিশনের তদবির

রবি এবং এয়ারটেলের একীভূতিকরণের পক্ষে মত দেয়ার জন্য টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের(বিটিআরসি) কাছে আবেদন করেছে বাংলাদেশের মালয়েশিয়া হাইকমিশন।
মার্চের ৩ তারিখের এক চিঠিতে তারা বলেছে, একীভূতিকরণ হলে এর মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়ী এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সম্পর্ক আরও উন্নত হবে।
তাছাড়া এর মাধ্যমে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদেরও বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ করতে উৎসাহী করবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে মালয়েশিয়া হাইকমিশন বলেছে, বাংলাদেশের বড় অপারেটরটির সঙ্গে আলাদাভাবে রবি বা এয়ারটেল কুলিয়ে উঠতে পারছে না।
robi-airtel-techshohor
দুই কোম্পানি এক হওয়ার পর রবি নামে বাংলাদেশে কার্যক্রম চালাবে এটি। তাদের মোট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ৪ কোটি। এর মাধ্যমে দ্বিতীয় বৃহত্তম অপারেটরেও পরিণত হবে একীভূত কোম্পানি। এখন সবচেয়ে বেশি ৫ কোটি গ্রাহক আছে গ্রামীণফোনের।
এর আগে রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ ও এয়ারটেলের মালিক ভারতি এয়ারটেল বাংলাদেশে নিজেদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম একীভূত করতে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর আলোচনা শুরু করে। চলতি বছর ২৮ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে এ বিষয়ে চুক্তি করে।
অপারেটর দুটির আবেদনে বিটিআরসি প্রাথমিক সম্মতি দিলেও এখন বিভিন্ন দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। রবি ও এয়ারটেলের একীভূত হওয়ার আর্থসামাজিক প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের দুই শিক্ষককে দিয়ে দুটি প্রতিবেদন তৈরী করা হয়েছে এবং তারাও একীভূতিকরণের পক্ষে বলেছেন।
তাছাড়া গত ১৭ ফেব্রুয়ারি অপারেটর দুটির একীভূতিকরণের বিষয়ে গণশুনানি করেছে বিটিআরসি।