জিপির সিম পুনর্নিবন্ধন করেছেন ২ কোটি ৩২ লাখ গ্রাহক

দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের দুই কোটি ৩২ লাখ গ্রাহক বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম পুনর্নিবন্ধন করেছে। যা অপারেটরটির মোট গ্রাহকের ৪১ শতাংশ বলে উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
গত বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ দিয়ে সিম নিবন্ধন। তারপর থেকে অপারেটরটি উদ্যোগ নিয়ে গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং আঙ্গুলের ছাপ নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজে রক্ষিত তথ্যের সাথে মিলিয়ে দেখে এই নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে।
গ্রামীণফোনে চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন বলেন, গ্রাহকরা নিজ থেকেই বাঙোমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন করছেন। চ্যানেল পার্টনাররাও বিরাট এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে খুবই ভালোভাবে সহায়তা করছে।
biometric-verification-techshohor
তবে সম্প্রতি বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এবং অপারেটরগুলো গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করছে এমন অভিযোগ রয়েছে। বুধবার এই নিয়ে অপারেটরদের সঙ্গে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম একটি বৈঠক ডেকেছেন।
তবে গ্রামীণফোন বরাবরই বলে আসছে তারা কোনো ধরনের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করছে না। গ্রামীণফোন জানায়, একটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেইজে চলে যায়। সেখান থেকে শুধু তাদের জানিয়ে দেওয়া হয় হ্যাঁ অথবা না বার্তা। জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে শুধু মিলিয়ে দেখা হয়।
সরকারের বেঁধে দেওয়া সময় আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সকল সিম পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে। সেজন্য সারাদেশে গ্রামীণফোনের ৪৩ হাজারের বেশি বায়োমেট্রিক নিবন্ধন পয়েন্ট খুলেছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, একটি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং যে সিমটি নিবন্ধন করা হবে তা সাথে নিয়ে গিয়ে গ্রাহকরা তাদের সিম পুনর্নিবন্ধন করতে পারবেন।