এক যুগে পা বাংলালিংকের

বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর ১১ বছর পূর্ণ করল বাংলালিংক। দিন বদলের স্লোগান নিয়ে ২০০৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি মোবাইল ফোন অপারেটরটি সেবা দেওয়া শুরু করে। গ্রাহক সংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় স্থানে থাকা অপারেটরটি এখন ‘নতুন কিছু কর’ স্লোগান নিয়ে পথ চলছে।
এক যুগে পা রাখার এ মাইলফলকের স্মরণীয় মুহূর্তে অপারেটরটি গত দু’বছরের মতো এবারও বর্ষপূতিতে আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন করেনি।
অপারেটরটির কর্মীদের দিনের শুরুটা হয় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অসের শুভেচ্ছার ই-মেইল দিয়ে।
Banglalink-techshohor
এরপর বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নিজেদের মধ্যে কেককাটাসহ ছোটখাট কিছু আয়োজন করেছে অপারেটরটি।
এতদিন পর্যন্ত সকলে ১২ ফেব্রুয়ারিকে বাংলালিংকে বর্ষপূতির দিন জানলেও সিইও’র ই-মেইলেই এবার তা বদলে গেল বলে জানিয়েছেন অপারেটরটির পুরনো কয়েকজন কর্মকর্তা।
সাড়া জাগানো আয়োজনের মাধ্যমে ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশে সেবা টেলিকম রূপান্তরিত হয় বাংলালিংকে। এর আগে ডিসেম্বরে সেবা টেলিকমের কাছ থেকে অপারেটরটির মালিকানা কিনে নেয় মিসরের কোম্পানি ওরাসকম টেলিকম হোল্ডিং।
পরে অবশ্য আরও একবার মালিকানা বদল হয়। নেদারল্যান্ডভিত্তিক কোম্পানি ভিম্পেলকম টেলিকম এ দেশে অপারেটরটির সব শেয়ার কিনে নেয় ওরাসকমের কাছ থেকে।
Banglalink 11 years-techshohor
শুরুর সে সময়ে রাজত্ব ছিল গ্রামীণফোন ও তখনকার একটেলের। সিটিসেলও কিছু মাত্রায় নিজেদের অবস্থান নিয়ে ছিল। এ অবস্থায় বাজারে যাত্রা শুরুর সময় হৈ চৈ ফেলে দেয় বাংলালিংক।
চার অপারেটরের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে থাকা বাংলালিংক অল্প কিছুদিনের মধ্যেই কলরেটে চমক তৈরি করে চতুর্থ থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে আসে।
নতুন প্যাকেজের সঙ্গে হ্যান্ডসেট দেওয়ার বিষয়টি ছিল তখনকার দিনে গ্রাহকদের জন্য মহাচমকের বিষয়।
এখন ছয় অপারেটরের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যার বিচারে বেশ কিছু দিন থেকে দ্বিতীয় অবস্থানটি নিজেদের দখলে রেখেছে অপারেটরটি।
জানুয়ারি শেষে অপারেটরটির গ্রাহক দাঁড়িয়েছে তিন কোটি ৩০ লাখ। এক কোটি ৩০ লাখের বেশি ইন্টারনেট সংযোগও রয়েছে।