সব মানুষকেই কোনো না কোনো পর্যায়ে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। কিন্তু এটি হতে পারে নানা উপায়ে। অনেকেই জানান, ধূমপান করা ও শারীরিক পরিশ্রম না করার ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তবে এক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ হিসেবে আছে কিছু অবাক করা বিষয়।
বহু নারীই বিভিন্ন কারণে বড় স্তন চান। এর মধ্যে থাকতে পারে আকর্ষণীয় দেখানো। অনেকে স্তনের আকার নিয়ে অসন্তুষ্টিতে ভোগেন। কিন্তু যেসব নারীর স্তনের আকার গড়পড়তা তারাই সবচেয়ে ভাগ্যবান। কারণ স্বাভাবিক স্তনের চেয়ে বড় আকারের স্তনধারীরা বহু শারীরিক সমস্যায় ভোগে। আর এসবের ফলে বহু নারী তাড়াতাড়ি মৃত্যুমুখে পতিত হয় বলে জানা গেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। বড় স্তনধারীরা পিঠ, বাহু ও ঘাড়ের ব্যথায় বেশি ভুগেন। এ ছাড়াও তাদের মাথাব্যথা ও মেরুদণ্ডের সমস্যা হয়ে থাকে। কাজের সময়েও এটি নানা সমস্যা করে। এসব কারণে বড় স্তনধারী নারীদের গড়ে পাঁচ বছর আগেই মৃত্যু হয়।
২. অতিরিক্ত কফি পান
কফি পান করা একটি চমৎকার অভ্যাস। এর কিছু উপকারিতাও রয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণে কফি পান করা আপনার বহু স্বাস্থ্যগত সমস্যা তৈরি করে। আর এসবের ফলে অনেকেই তাড়াতাড়ি মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
মেয়ো ক্লিনিক প্রসেডিংস জার্নালে প্রকাশিত এক লেখায় দেখা যায়, ৫৫ বছর বয়সের নিচের যারা দিনে চার বা তার চেয়ে বেশি কাপ কফি পান করে কিংবা সপ্তাহে ২৮ কাপের বেশি কফি পান করে তাদের বিপদটা অনেক বেশি। পরিসংখ্যানে প্রকাশিত হয়েছে, এ ধরনের ব্যক্তিদের অকালমৃত্যুর হার ৫৬ ভাগ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
এর কারণ হিসেবে জানা গেছে, কফিতে রক্তচাপ বেড়ে যায়। এছাড়া এপিনেফরিন উৎপাদন বেড়ে যাওয়া এবং ইনসুলিনের কার্যক্রম থেমে যাওয়ায় এ ধরনের মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়।
৩. দানাদার খাদ্য খাওয়া
অনেকেই দানাদার খাদ্য খাওয়াকে ভালো বলে মনে করেন। কিন্তু খাবারের নানা পুষ্টিকর উপাদান দানাদার খাবার থেকে দেহে প্রবেশ করতে পারে না। খাবারের আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক ও ক্যালসিয়াম এভাবে দেহে প্রবেশ নাও করতে পারে। আর এর ফলে খাবারগুলো দেহে তেমন কোনো কাজে আসবে না।
৪. ঘুমের ওষুধ খাওয়া
বহু মানুষেরই অনিদ্রার মতো সমস্যা হয়। আর এ সমস্যার সমাধানে তারা বেছে নেন ঘুমের ওষুধ। আর ঘুমের ওষুধের সঙ্গে পাওয়া গেছে তাড়াতাড়ি মৃত্যুর একটি সম্পর্ক। দেখা গেছে, যারা ঘুমের ওষুধ সেবন করেন তাদের স্বাভাবিক সময়ের আগে মৃত্যুবরণ করার সম্ভাবনা পাঁচ গুণ বেশি। আর এ ওষুধের ডোজ যদি অতি সামান্যও হয়, তার পরেও মৃত্যুর সম্ভাবনা বাদ যায় না। এর হার হতে পারে বছরে ৪ থেকে ৪৮টি পিল তাহলেও ঝুঁকি কমে না। আর এ ঝুঁকি তাদের ৩.৬ গুণ বেশি।
৫. অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
আপনার যদি ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া অভ্যাস থাকে তাহলে দ্রুত তা বন্ধ করুন। এগুলোর ভেতরে ফ্যাট ছাড়াও থাকে অতিরিক্ত সোডিয়াম। টেক্সাস মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সতর্ক করে দিয়েছে যে, অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার খেলে আপনার মৃত্যু হতে পারে।
অতিরিক্ত লবণের কারণে কিডনির পাথর ও হাইপারটেনশন হতে পারে। আর হাইপারটেনশনের কারণে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
যারা হাইপারটেনশনে ভোগেন তাদের প্রতিদিন ১,৫০০ মিলিগ্রামের চেয়ে কম লবণ গ্রহণ করা উচিত। কিন্তু ফার্স্ট ফুড খেলে আপনার এ মাত্রা কোনোভাবেই বজায় রাখা সম্ভব হবে না। কারণ ম্যাকডোনাল্ডসের একটি বার্গারেই অনেক সময় ১১০০ মিলিগ্রাম লবণ থাকে। ফলে অন্যান্য খাবারের লবণ গ্রহণ করার পর এ মাত্রা অনেকখানি বেড়ে যায়।
৬. একাকি মানুষ
যেসব মানুষ একাকি বাস করেন, তারা অন্যদের তুলনায় তাড়াতাড়ি মৃত্যুমুখে পতিত হন। তবে এ বিষয়টি ৫২ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সের মানুষের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য।
ব্রিটিশ একটি গবেষণায় সাড়ে ছয় হাজার ব্যক্তির ওপর সমীক্ষা করে এ ফলাফল পাওয়া যায়। বয়স্ক একাকি ব্যক্তিরা অন্যদের তুলনায় বেশি মানসিক সমস্যা ও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।
৭. অতিরিক্ত বসে থাকা
আপনার যদি অতিরিক্ত চেয়ারে বসে থাকা অভ্যাস থাকে তাহলে তা অকাল মৃত্যুর কারণ হতে পারে। ইউনিভার্সিটি অফ লেইসেস্টারের গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থাকলে বহু শারীরিক সমস্যা হতে পারে। এটি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ায়।
অস্ট্রেলিয়ান এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দিনে ১১ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় চেয়ারে বসে কাটায়, তাদের অকালে মৃত্যুর গড় হার ৪০ ভাগ বেড়ে যায়।
৮. নিঃশ্বাসের বায়ু
শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে আমরা যে বায়ু গ্রহণ করছি, তা যদি বিশুদ্ধ না হয় তাহলে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিশেষ করে আপনি যদি ঢাকার মতো বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরগুলোর একটিতে বাস করেন তাহলে বায়ু দূষণের কারণে হওয়া নানা শারীরিক সমস্যায় মৃত্যুর সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
গবেষণায় জানা গেছে, বায়ু দূষণের কারণে আপনার মৃত্যুর সময় স্বাভাবিকের তুলনায় ১০ বছর এগিয়ে আসতে পারে।
৯. মানসিক চাপ ও অসন্তুষ্টিপূর্ণ চাকরি
কর্মক্ষেত্রে যদি অতিরিক্ত চাপ থাকে তাহলে তা মৃত্যুর কারণ হয়।
লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজের এক গবেষণায় দেখা গেছে, অীতরিক্ত চাপযুক্ত চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের স্বাভাবিকের তুলনায় হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ২৩ ভাগ বেড়ে যায়। এছাড়া যারা দিনে ১১ ঘণ্টার বেশি কাজ করে তাদের বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। আর এভাবেই বেড়ে যায় মৃত্যুর সম্ভাবনা।
১০. যৌন শীথিলতা
উপযুক্ত যৌনতা না করার কারণেও মৃত্যুর হার বেড়ে যায়। অন্যদিকে যারা নিয়মিত যৌনতা করে, তাদের জীবনের দৈর্ঘ্য বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত যৌনতা মানুষের রক্ত চলাচল বেড়ে যায়, রক্তচাপ কমায় ও কোলেস্টেরল মাত্রা ঠিক রাখে। এ ছাড়াও যৌনতা মানুষের ওজন কম রাখতে সহায়তা করে।
ডিউক ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারী নিয়মিত যৌনতা করে, তাদের জীবনে গড়ে আট বছর যোগ হয়। আর যারা নিয়মিত যৌনতা করে না, তাদের অকালমৃত্যুর হার ৫০ ভাগ বেড়ে যায়।

আঙুলের ছাপে (বায়োমেট্রিক পদ্ধতি) সিম নিবন্ধনে আরো একবছর সময় পাচ্ছেন প্রবাসীরা। গত রোববার টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে বিটিআরসিসহ সকল মোবাইল অপারেটরকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে প্রবাসীদের দিয়ে অবৈধভাবে কেউ সুবিধা নিলে তার শাস্তি কি হবে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আজ মঙ্গলবার তারানা হালিম  বলেন, বিদেশে যেসব বাংলাদেশি আছেন, তাদের জন্য একটি নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম পুনর্নিবন্ধিনের জন্য তাদের যেন এক বছরের সময় দেয়া হয়। তিনি আরো বলেন, প্রবাসীদের এক বছরের মধ্যে সিমটি নিবন্ধন করে নিতে হবে। প্রবাসীদের মাধ্যমে কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান অন্যায়ভাবে সুবিধা নেয়ার বিষয়টিকে কটোর ভাবে দমন করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী


দুই দিন ধরে আরিফিন শুভকে ফোন দিচ্ছেন মারজান জেনিফা। উদ্দেশ্য একসঙ্গে ফটোশুট করবেন। কিন্তু একবারও ফোন রিসিভ করেননি শুভ। এ নিয়ে বেশ মন খারাপ মারজানের। অভিমান করেই বললেন, ‘ছবিটা যেন শুধুই আমার। নায়কের কোনো দায়ভার নেই। তা ছাড়া পরিচালকও আছেন অস্ট্রেলিয়ায়। যোগাযোগ করে তাঁকেও পাওয়া যায় না। মনে হচ্ছে, পাবলিসিটির সব দায়িত্ব কেবল আমারই। পত্রিকা অফিস, টিভি চ্যানেল, এমনকি কাকরাইলেও যেতে হচ্ছে। এভাবে কতক্ষণ পারা যায়! এমনিতেই আমি নতুন। কোথায় নায়ক আমাকে একটু হেল্প করবেন, তা না; তিনি ব্যস্ততা দেখাচ্ছেন।’
সত্যিই কি মারজানের ফোন ধরছেন না শুভ! তিনি এখন কোথায়? খবর নিয়ে জানা গেল, সকাল-বিকাল ডাবিং করছেন। সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর শুটিং শেষ করে দেশে ফিরেছেন। এখন এই ছবির ডাবিং করছেন। সামনেই মুক্তি পাবে অনন্য মামুনের ‘অস্তিত্ব’। ছবিটির টুকটাক কাজ বাকি। সেখানেও সময় দিতে হচ্ছে। ফলে ‘মুসাফির’ নিয়ে খুব একটা ঢাকঢোল পেটাতে পারছেন না বেচারা।
অবশ্য পহেলা বৈশাখের পুরো দিনটা ‘মুসাফির’-এর পেছনে ব্যয় করেছেন শুভ। আর সেদিনই নায়ককে সর্বশেষ পাশে পেয়েছেন মারজান। টিপ্পনী কেটে বললেন, ‘শুভ ভাইয়া যা ব্যস্ত! এর মধ্যে একটা দিন আমাকে দিয়েছেন, এটাই বা কম কী? ভাবতেই ভালো লাগছে, বিশেষ দিনে আমি তাঁকে পাশে পেয়েছি।’ সেদিন শুভ-মারজান ছিলেন ধানমণ্ডির রবীন্দ্রসরোবরে। ‘মুসাফির’-এর ব্যানার হাতে নিয়ে টি-শার্ট পরে প্রচারণা চালিয়েছেন। ভক্তদের সঙ্গে কথা বলেছেন, ছবির গল্প শুনিয়েছেন এবং অটোগ্রাফ দিয়েছেন। ‘আমি সব সময়ই ভক্তদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করি। সেদিন অনেকের সঙ্গে মিশেছি। একসঙ্গে সবাই দুপুরের খাবার খেয়েছি। সবার সঙ্গে সেলফিও তুলেছি। এবারের পহেলা বৈশাখটা দারুণ কাটল।’
‘মুসাফির’ নিয়ে মারজান যতটা উত্ফুল্ল, শুভ ঠিক ততটা নন। বরং ভয়ে আছেন। কিন্তু কেন? এর মধ্যে ছবিটির ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। সেটা দর্শক ও প্রদর্শকরাও লুফে নিয়েছেন। চারদিকে প্রশংসার বাণী। তাহলে! বিষয়টি পরিষ্কার করলেন শুভ, “বেশিদিন হয়নি আমি চলচ্চিত্রে। এই স্বল্প অভিজ্ঞতায় দেখেছি, যে ছবির ট্রেলার সাড়া ফেলে, সেটি প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের মন জয় করতে পারে না। এর কারণটা কী ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। এর আগে আমার আর আশিক ভাইয়ের ‘কিস্তিমাত’-এর ট্রেলার দেখে সবাই মুগ্ধ হয়েছিলেন। আমরা আকাশছোঁয়া স্বপ্নও দেখেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হতাশ হতে হয়েছে। যতটা আশা করেছিলাম, ততটা ফিডব্যাক পাইনি। এবারও কী হবে? সত্যিই ভয় হচ্ছে, বলতে পারেন সংশয়ে আছি।”
মারজানের হাতে এখন কয়েকটি ছবির প্রস্তাব। অনন্য মামুনও তাঁর পরবর্তী ছবিতে চুক্তিবদ্ধ করে রেখেছেন মারজানকে। কিন্তু এখনই শুটিং শুরু করতে রাজি নন মারজান। আগে ‘মুসাফির’ ছবির ফলাফল দেখেতে চান। ছবিতে মারজান ডাক্তার আর শুভ খুনি। মারজানকে খুন করতে গিয়েই প্রেমে পড়েন। মারজান বলেন, ‘হিট করার মতো অনেক উপকরণ আছে ছবিতে। গল্পে রহস্য আছে, মারপিটেও আছে নতুনত্ব। গানও শ্রুতিমধুর। ডাবিং-এডিটিংয়ের সময় ছবির কালার দেখে প্রশংসা করেছেন অনেকেই। বাকিটা দর্শকদের ওপর।’
শুভর হাতে অনেক ছবি। জাকির হোসেন রাজুর ‘প্রেমী ও প্রেমী’র শুটিং শুরু মের প্রথম সপ্তাহে, জুনে করবেন বদিউল আলম খোকনের ‘জানোয়ার’। সোহানুর রহমান সোহানের ‘জেদি’র শুটিং করবেন জুলাইতে। প্রতিটি ছবিই তাঁর ক্যারিয়ারে নতুন কিছু যোগ করবে বলে মনে করছেন শুভ।


চলতি মাসে নজিরবিহীন দেশজুড়ে টানা তিন সপ্তাহ ধরে চলছে দাবদাহ। এপ্রিল মাসে এত দীর্ঘ দাবদাহ গত ৩০ বছরের মধ্যে দেখা যায়নি। আগামী পাঁচদিন কিছু এলাকায় তাপমাত্রা আরো বৃদ্ধির পূর্বাভাস রয়েছে বলেও জানান আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ৬ তারিখ থেকে শুরু হওয়া দাবদাহটি গতকাল মঙ্গলবার ২০ দিন অতিক্রম করেছে।
১৯৮৬ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত গত ৩০ বছরের মধ্যে এপ্রিলে সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা ছিল ২০১০ ও ২০১৪ সালে। ওই দুই বছরই এপ্রিলের গড় তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাকি বছরগুলোর কোনোটিতেই এপ্রিলে গড় তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেনি। কিন্তু চলতি মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশের গড় তাপমাত্রা হিসাব করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। নজিরবিহীন এই দাবদাহে শুকিয়ে যাচ্ছে জলাভূমি। ফল-ফসলে দেখা দিচ্ছে ক্ষতিকর উপসর্গ, যা নিয়ে শঙ্কিত কৃষক।
জানা গেছে, গরমের তীব্রতায় খুব দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে বোরো ধানের মাঠ। ফসল রক্ষায় ঘন ঘন সেচ দিতে হচ্ছে কৃষককে। এতে বেড়ে যাচ্ছে ফসলের উত্পাদন খরচ।
গত সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড যশোরে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে দেশের ছয়টি জেলায়। ২৮টি জেলায় তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেছে। এ হিসাবে গত ৩০ বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি কমে গেছে বৃষ্টিপাতও। দেশে ৭৫ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস শঙ্কা আরো বাড়িয়ে তুলছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা ও মংলা অঞ্চলগুলোয় তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে। এছাড়া চাঁদপুর, মাইজদীকোর্ট, শ্রীমঙ্গল অঞ্চলসহ রংপুর ও বরিশাল বিভাগ এবং খুলনা, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আরো দুদিন অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
প্রকৃতির এমন আচরণের বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তাসলিমা ইমাম বলেন, এ সময় সাধারণত বঙ্গোপসাগর থেকে দখিনা বাতাস দেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে বজ্র বৃষ্টি সৃষ্টি করে। কিন্তু এবার তা দেখা যচ্ছে না। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসা পশ্চিমা বায়ু এ সময় বাংলাদেশে প্রবেশ করে দখিনা বাতাসকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজারসহ কয়েকটি জেলার দিকে ঠেলে দিয়েছে। আবার উত্তর গোলার্ধের ওপর খাড়াভাবে সূর্য কিরণ দিচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের বিশাল এলাকাজুড়ে এল নিনোর প্রভাবে এ সময় স্বাভাবিক বৃষ্টি হচ্ছে না।
এ বিষয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অন সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার আন্ডার ক্লাইমেট চেঞ্জ’-এর সাবেক ডেপুটি চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কৃষির এখন সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব। কয়েক বছরের ব্যবধানে সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা যেমন বেড়েছে, তেমনি সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রাও বেড়েছে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ফল, শস্য ক্ষেতে দাবদাহের প্রভাব দেখা দিয়েছে। ফলের মুকুল ঝরে যাচ্ছে, শস্যের উত্পাদনশীলতা কমে যাচ্ছে; যার প্রভাব সামনের দিনে ফল ও শস্যের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
তিনি বলেন, ঘাতসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনে এখনই নজর দিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, খরা ও বন্যাসহিষ্ণু ধানের জাত এলেও এখনো পর্যন্ত হিট বা তাপমাত্রাসহিষ্ণু জাত আসেনি। আবার উদ্ভাবনের পর তা সম্প্রসারণে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। নীতিগতভাবে পানির সুষ্ঠু ব্যবহারে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এদিকে তাপদাহের ফলে হাসপাতালগুলোতেও শিশুরোগী ভর্তির হার বেড়ে গেছে।


যান্ত্রিক এ জীবনে সুক্ষ্ম সুরের দ্যোতনা জানায় মনের তৃষ্ণার কথা। এ শহরে কিচির মিচির পাখির ডাক খুঁজে পাওয়া কঠিন। একঘেয়ে জীবনে তাই ভিন্নতার আলাপও পাওয়া যায় না। শ্রবণেন্দ্রিয় হাঁপিয়ে ওঠে কলকার খানার ঘ্যানর ঘ্যানর শুনতে শুনতে। থাকার জন্য ছোট্ট একটু ঠাঁই যাদের মেলা কঠিন সেখানে বাড়ির সামনে গাছ লাগিয়ে পাখির কিচিরমিচির শোনার সে সুপ্ত বাসনা অনেক বেশি বিলাসিতা। তাইতো খুঁজতে হয় বিকল্প ব্যবস্থা। অন্তত কিছুটা আমেজ আনতে পারলেও খুশির শেষ থাকে না। শহুরে জীবনে তাইতো পাখির কিচিরমিচিরের বদলে উইন্ড চাইমের মিষ্টি টুংটাং দিয়ে কিছুটা হলেও কানকে প্রশান্তি দিতে হয়।
বাজারে সাধারণত একই ধরনের উইন্ড চাইম দেখতে দেখতে আমরা অভ্যস্ত। কাজেই নিজ হাতে বানালে উইন্ড চাইমে দেয়া যেতে পারে ভিন্ন রূপ। সাধারণত সবগুলো উইন্ড চাইম তৈরি করার মূল পদ্ধতি একই রকম।
সমুদ্রে পাড়ে বেড়াতে গেলে শামুক কুড়াতে কার না ভালো লাগে! অনেকেই সমুদ্রে বেড়াতে গেলে শামুকের খোসা বাজার থেকে কিনে ঘরের শোপিস হিসেবে ব্যবহার করেন। সে শামুকের খোসা এমনি এমনি ঘরে সাজিয়ে না রেখে উইন্ড চাইম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
বাসায় অব্যবহৃত কাচের বোতল থাকে। সে বোতলের চারপাশে ছোট পুঁতি, ছোট সিলভারের চামচ ইত্যাদি বেধে ঝুলিয়ে দিলে অন্য রকম সৌন্দর্য পাবে।
অনেকে পুরনো চামচ বেঁধে উইন্ড চাইম তৈরি করে থাকে। চামচগুলোর মাঝে রঙিন পুঁতি বা ছোট্ট নুড়ি পাথর লাগিয়ে দিলে তার সৌন্দর্য আরও বাড়ে। শব্দও তৈরি হয় শ্রুতিমধুর।
ফুলের টব দিয়ে বড় থেকে ছোট্ট ক্রমানুসারে উইন্ড চাইম তৈরি করা যেতে পারে। টবের নিচে ছিদ্র করে ট্রান্সপারেন্ট সুতার সাহায্যে এসব ঝুলিয়ে দেয়া যেতে পারে। টবগুলো যেহেতু মাটির তৈরি; কাজেই ইচ্ছেমতো নকশাও করা যেতে পারে।
শুধু চামচ কেন, চাইলে টি-পট, কাপ ইত্যাদির সংমিশ্রণে উইন্ড চাইম তৈরি করা যেতে পারে। আর এসবের সঙ্গে আরও আকর্ষণীয় করতে নানা রঙের পাথর, পুঁতি ইত্যাদির ব্যবহার তো আছেই!
এসব ঝামেলার মধ্যে যেতে না চাইলে, বাজার থেকে কিনে নিতে পারেন পছ্ন্দ অনুযায়ী উইন্ড চাইম। প্লাস্টিক, কাঠ বা মাটির তৈরি নানা রকম উইন্ড চাইম পাওয়া যায় এখানে। দামও হাতের নাগালে। এবার ঘরের দক্ষিণদুয়ারে বা জানালার ধারে ঝুলিয়ে দিন। ঝিরিঝিরি বাতাসের আলতো ছোঁয়ায় দুলতে থাকবে আর টুংটাং আওয়াজ তুলবে। কেউ কেউ ঘরে প্রবেশপথেও ঝুলিয়ে দেন, যাতে ঘরে ঢুকতে বের হতে মাথায় লেগে বেজে ওঠে। কেউ আবার ইচ্ছা করেও ওটা একটু নাড়িয়ে যান। উইন্ড চাইমের আওয়াজে নিজেকেও একটু চাঙা করে নেন এই সুযোগে।


সুস্বাদু ও বাহারি আইটেমের ভর্তাসহ আকর্ষণীয় খাবারে ভরপুর জাহাঙ্গীরনগর বিশববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বটতলায় খুব সস্তায় পাওয়া যায় বিভিন্ন রকমের ভর্তা। 
ক্যাম্পাসে এ সকল খাবারের দোকানগুলো ‘বটতলা’ নামে বেশ পরিচিত। ‘বটতলা’ বিশ্ববিদ্যালয়ের আ ফ ম কামাল উদ্দিন হল থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু হল পর্যন্ত, যেখানে ২৫-৩০টি খাবারের দোকান রয়েছে। 
প্রায় ৭০০ একরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যঘেরা এই সবুজ ক্যাম্পাসে প্রতিনিয়তই নামে ভ্রমণ ও সৌন্দর্যপিপাসুদের ঢল। রাজধানীর স্থানীয়রা সময় পেলেই পরিবারসহ চলে আসে ঘুরতে নিরিবিলি এই পরিবেশে। এমনকি ঢাকার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা সফরটাও করে নেয় এই ক্যাম্পাসে। আর ঘুরতে আসা এসকল মানুষের জন্য রয়েছে সুন্দর খাবারের ব্যাবস্থা। ভর্তার স্বাদে পাগল হয়ে একবার হলেও ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসেন ঢাকাবাসী। 
একদিকে যেমন এ ভর্তাগুলোর দাম খুব সামান্য তেমনি তা সুস্বাদু। যেকোনো ধরনের ভর্তা পাওয়া যায় ভরপুর। এ সকল ভর্তার মধ্যে রয়েছে বাদাম, সরিষা, সিম, ধনেপাতা, কালোজিরা, বেগুন, ভেন্ডি, টমেটা, আলু, লাউশাক, কলা, কচুসহ রয়েছে ইলিশ মাছের ভর্তা, শুটকি মাছের ভর্তা, চিংড়ি মাছের ভর্তা, টাকি মাছের ভর্তা, রুই মাছের ভর্তা, রসুন ভর্তা, ডাল ভর্তা, ডিম ভর্তা প্রভৃতি হরেক রকমের ভর্তা। প্রতিটি ভর্তার দাম মাত্র ৫ টাকা।
ভর্তাসহ খাবারের দোকানগুলোতে বিভিন্ন রকমের চপ/বড়া পাওয়া যায়। এ ছাড়াও রয়েছে মাছ-,মাংসসহ সকল প্রকারের বাঙালি খাবার। এ সকল খাবার খুব সস্তায় খেতে পারে শিক্ষার্থীসহ ভ্রমণার্থীরা।
ঢাকা থেকে পরিবারসহ ঘুরতে আসা নিঝুম সান্তা বলেন, ‘বটতলার এসব ভর্তা আমিসহ আমার পরিবারের সকলেই খুব পছন্দ করি। অল্প দামে এত সুস্বাদু ভর্তা পাওয়া দুষ্কর। যখনই আমি সময় পাই জাবি ক্যাম্পাসে ছুটে আসি।’
ভর্তা সম্পর্কে বটতলার দোকানদার কাদের বলেছেন, ‘আমরা সব সময় যত্নসহকারে ভর্তা তৈরি করি। ক্যাম্পাসের ছাত্র-ছাত্রীসহ ঘুরতে আসা সকলেই ভর্তা খেতে চায়। ভর্তাতে লাভ-লোকসানের কথা চিন্তা না করে কাস্টমারের কথাই বেশি চিন্তা করি।’
দেখা যায়, ছুটির দিনগুলোতে ক্যাম্পাসের বটতলায় খাবারের দোকানে একটু বেশি করে আয়োজন করা হয় হরেক রকমের ভর্তার। কেননা ছুটির দিনগুলিতে ক্যাম্পাসে ভিড় নামে অতিথিদের।


ভারতের সকল ধরনের হ্যান্ডসেটে আগামী বছর থেকে আসছে প্যানিক বাটন। এই বাটন দিয়ে ফোন ব্যবহারকারী আত্মরক্ষার জন্য জরুরি সংকেত পাঠাতে পারবেন। 
ফোনে প্যানিক বাটন সংযোজন করতে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। ২০১৭ সাল থেকে ‘সিঙ্গেল কি’র ‘প্যানিক বাটন’ ছাড়া কোনো ফোন বিক্রি করা হবে না বলে জানিয়েছে সরকার। 
এর ফলে আপতকলীন অবস্থায় ফোনে ওই বোতামে চাপ দিয়ে রাখলে সংকেত বার্তা অন্যের কাছে পৌঁছে যাবে।
দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছেন, প্রযুক্তি মানব জীবনকে আরও উন্নত করে। মহিলাদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই বিশেষ ‘কি’-এর প্রয়োজন।
তিনি বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ২০১৭ এর ১ জানুয়ারি থেকে ‘প্যানিক বাটন’ ছাড়া কোনও মোবাইল বিক্রি করা যাবে না। এবং ২০১৮ এর ১ জানুয়ারি থেকে সমস্ত মোবাইলে বাধ্যতামূলকভাবে থাকতে হবে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম।
তিনি আরও বলেন, সমস্ত মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক সংস্থাকে এই নিয়ম মানতে হবে। না হলে ভারতে ফোন বিক্রি করা যাবে না।


কোনো খরচ ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন হোয়াটস অ্যাপ, ফেসবুক। যেকোন চ্যাটিং অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে বিনামূল্যে। আসছে এমন চ্যাটিং সিম। এই চ্যাটিং সিমে লাগবে না ইন্টারনেটও।
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে একটা নম্বর ব্যবহার করেই বিনামূল্যে চ্যাট করার সুবিধা মিলবে এতে। কাটবে না রোমিংও, না কোনো ভাওতা নয়। বাজারে আসছে চ্যাট সিম। এক বছরের প্যাকেজ, যেখানে খুশি যান, যত খুশি চ্যাট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকরা।
ট্রেনে, বাসে, বিমানে চেপে একপ্রান্ত থেকে অন্য কোনো প্রান্ত যাওয়ার পথে কাছের মানুষ আর কাজের মানুষ দুই থেকেই দূরত্ব তৈরি হয়।মন না চাইলেও নেটওয়ার্ক সমস্যা, তার ওপর রোমিংয়ে পকেটে চাপ! চ্যাট সিম ব্যবহার করলে সমস্ত প্রতিবন্ধকতা থেকে একেবারে মুক্ত গ্রাহক। লাইন, ইমো, ফেসবুক ম্যসেঞ্জার, উইচ্যাট, টেলিগ্রাম, বিবিএম, হোয়াটস অ্যাপ, কিউ কিউ, কাকাও টক, হাইক-পৃথিবীর সমস্ত ইউসার ফ্রেন্ডলি ও বহুল প্রচলিত চ্যাট অ্যাপ বিনা মূল্যে কোনো ইন্টারনেট ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহক।


২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে আসছে লোনোভোর ভাইব এস ১ ফোনটি। এই ফোনটির দাম ভারতের বাজারে ২ হাজার টাকা কমেছে। ই-কমার্স ওয়েবসাইট অ্যামাজন ডটকমে এটি এখন পাওয়া যাবে ১২ হাজার ৯৯৯ রুপিতে। এটির পূর্ব মূল্য ছিল ১৫ হাজার ৯৯৯ রুপি।
ফোনটিতে আছে ৫ ইঞ্চির ক্যাপসিটিভ আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে। ডিসপ্লের রেজুলেশন ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল। ডিসপ্লের সুরক্ষার জন্য এতে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৩ প্রটেকশন আছে।
ফোনটিতে ৩ জিবি র‌্যাম ব্যবহার করা হয়েছে। এর ব্যাটারি ২৪২০ মিলিঅ্যাম্পায়ার আওয়ারের। 
অ্যানড্রয়েড ৫.১ ললিপপ অপারেটিং সিস্টেম চালিত এই ফোনটিতে আছে ১.৭ গিগাহার্জের মিডিয়াটেকের কর্টেক্স এ-৫৩ প্রসেসর। 
৩২ জিবি বিল্টইন মেমোরির ফোনটিতে মাইক্রোএসডি কার্ডের মাধ্যমে মেমোরি ১২৮ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। 
ফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেলের। সেলফি ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেলের।


সিনেপ্লেক্স, বসুন্ধরা সিটি, ঢাকা
♦   শঙ্খচিল
     প্রদর্শনী : ১১-১০
     ১-৫০, ৪-৩০, ৭-২০
♦   পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনি ২
     প্রদর্শনী : ১০-৫০
     ৪-২০
♦   দ্য জাঙ্গল বুক [থ্রিডি]
     প্রদর্শনী : ১১-০০
     ১-১৫
♦   ব্যাটম্যান ভার্সাস সুপারম্যান : ডন অব জাস্টিস [থ্রিডি]
     প্রদর্শনী : ৪-০০, ৭-২০
♦   দ্য হান্টসম্যান : উইন্টার্স ওয়ার [থ্রিডি]
     প্রদর্শনী : ১১-২০
     ১-৪০, ৪-৪০, ৭-১০
♦   মুসাফির
     প্রদর্শনী : ১-৩০, ৭-০০

ব্লকবাস্টার সিনেমাজ, যমুনা ফিউচার পার্ক, ঢাকা
♦   শঙ্খচিল
     প্রদর্শনী : ১২-০০, ২-৩০ ৫-২০
♦    পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনি ২
     প্রদর্শনী : ১২-৩০, ৩-৩০ ৭-৪০
♦    কৃষ্ণপক্ষ
     প্রদর্শনী : ১২-০০, ৮-০০
♦     ব্যাটম্যান ভার্সাস সুপারম্যান : ডন অব জাস্টিস [থ্রিডি]
     প্রদর্শনী : ১২-০০, ১২-৩০ ৩-৩০, ৪-০০, ৬-৩০
     ৭-০০
♦    গড অব ইজিপ্ট [থ্রিডি]
     প্রদর্শনী : ১২-০০, ২-৪০ ৫-২০, ৮-০০
♦    অ্যালিজেন্ট
     প্রদর্শনী : ১২-৩০, ৩-০০
     ৫-৩০, ৮-০০


ইসলাম ধর্মে প্রত্যেক নর এবং নারীর জন্য মহান রব্বুল আলামিন বিয়েকে ফরয করেছে। জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যায়ে পা দেয়ার আগে তাই প্রত্যেক মুসমানকেই জেনে রাখা উচিত কোন নারীদের বিয়ে করতে আল্লাহ রব্বুল আলামিন নিষেধ করেছেন। নিচে এ বিষয়ে কোরআনের আলোকে কিছুটা ব্যাখ্যা করা হলো-

মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ২২ থেকে ২৪ নম্বর আয়াতের মধ্যে এ বিষয়ে স্পষ্ট ভাবে বর্ণনা করেছেন।
(২২)  وَلاَ تَنكِحُواْ مَا نَكَحَ آبَاؤُكُم مِّنَ النِّسَاء إِلاَّ مَا قَدْ سَلَفَ إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَمَقْتًا وَسَاء سَبِيلاً
অর্থ : যে নারীকে তোমাদের পিতা-পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা তাদের বিবাহ করো না। কিন্তু যা বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।-(সুরা নিসার ২২)।
(২৩)  حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ وَبَنَاتُكُمْ وَأَخَوَاتُكُمْ وَعَمَّاتُكُمْ وَخَالاَتُكُمْ وَبَنَاتُ الأَخِ وَبَنَاتُ الأُخْتِ وَأُمَّهَاتُكُمُ اللاَّتِي أَرْضَعْنَكُمْ وَأَخَوَاتُكُم


مِّنَ الرَّضَاعَةِ وَأُمَّهَاتُ نِسَآئِكُمْ وَرَبَائِبُكُمُ اللاَّتِي فِي حُجُورِكُم مِّن نِّسَآئِكُمُ اللاَّتِي دَخَلْتُم بِهِنَّ فَإِن لَّمْ تَكُونُواْ دَخَلْتُم بِهِنَّ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ وَحَلاَئِلُ أَبْنَائِكُمُ الَّذِينَ مِنْ أَصْلاَبِكُمْ وَأَن تَجْمَعُواْ بَيْنَ الأُخْتَيْنِ إَلاَّ مَا قَدْ سَلَفَ إِنَّ اللّهَ كَانَ غَفُورًا رَّحِيمًا   
অর্থ : তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।-(সুরা নিসা ২৩)
(২৪)  وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاء إِلاَّ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ كِتَابَ اللّهِ عَلَيْكُمْ وَأُحِلَّ لَكُم مَّا وَرَاء ذَلِكُمْ أَن تَبْتَغُواْ بِأَمْوَالِكُم مُّحْصِنِينَ غَيْرَ مُسَافِحِينَ فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً وَلاَ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُم بِهِ مِن بَعْدِ الْفَرِيضَةِ إِنَّ اللّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا   
অর্থ : এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম। এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে, তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়। অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ।-(সুরা নিসা ২৪)।

 
বর্তমান পৃথিবীর অন্যতম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। প্রায় প্রতিদিনই সাইটটিতে নানা কিছু শেয়ার করে থাকেন ব্যবহারকারীরা। এক্ষেত্রে যারা আলোচনার জন্ম দিতে পারেন তারা বনে যান ‘ফেসবুক সেলিব্রেটি’। বন্ধু সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে তাদের অ্যাকাউন্ট ‘ভেরিফায়েড’ হওয়ার মর্যাদা পায়।
 
এসব ‘ভেরিফায়েড’ ব্যবহারকারীরা বেশ পরিশ্রম করে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট পোস্ট করেন। এতে পাওয়া যায় লাইক ও কমেন্ট। কিন্তু যদি লাইক-কমেন্ট ছাড়া টাকাও পাওয়া যায়, কেমন হয় ব্যাপারটা? অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে তো?
 
অতো অবিশ্বাসের কিছু নেই। আগামীতে ফেসবুকে দেওয়া পোস্ট থেকে অর্থ উপার্জনের সুবিধা যোগ করার চিন্তা-ভাবনা করছে সংশ্লিষ্টরা।
 
সম্প্রতি নিজেদের ব্যবহারকারীদের নিয়ে একটি সমীক্ষা করেছে ফেসবুক। সেই সমীক্ষায় ফেসবুক ব্যবহার করে কীভাবে ব্যবহারকারীরা আয় করতে পারেন তা নিয়ে একাধিক পরামর্শ উঠে এসেছে। তার মধ্যে অন্যতম হল, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটটিতে ‘ভার্চুয়াল টিপ জার’ নামের একটি অপশন যোগ করা, যা দিয়ে ভেরিফায়েড ‘ফেসবুক সেলিব্রেটি’কে অনুদান দেবেন তার ভক্তরা।
 
এ ব্যাপারে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ফেসবুক পোস্ট থেকে অর্থ আয় করার সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, কিন্তু ফেসবুকের সহযোগীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই অর্থ আয়ের মডেল দাঁড় করানোর বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। বর্তমানে তাদের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করছি। সূত্র- দ্যা নেক্সট ওয়েব।


বছরের প্রথম তিন মাসে, অর্থাৎ প্রথম প্রান্তিকে ১ কোটি ৪৮ লাখ ইউনিট ফোন বিক্রি করেছে চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা শিয়াওমি। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএএইচএস টেকনোলজির বিশ্লেষক কেভিন ওয়ং এ দাবি করেছেন। চীন ও চীনের বাইরে বিভিন্ন দেশে বিক্রি হওয়া ফোন মিলিয়ে প্রথম প্রান্তিকে বাজিমাত করেছে শিয়াওমি।
ওয়ং দাবি করেছেন, এ বছরে প্রথম প্রান্তিকে শিয়াওমি যে পরিমাণ ফোন বিক্রি করেছে, তা প্রায় গত বছরের প্রথম প্রান্তিকের সমান। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার ইউনিট ফোন বিক্রি করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। অবশ্য এ বছরের প্রথম প্রান্তিকের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো প্রকাশ করেনি শিয়াওমি।
২০১৬ সালকে গুরুত্বপূর্ণ বছর হিসেবে মনে করছে শিয়াওমি। গত বছরে চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড লেনোভো ও হুয়াওয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতার কারণে শিয়াওমির বার্ষিক লক্ষ্য পূরণ হয়নি। গত বছর তারা সর্বমোট সাত কোটি ইউনিট ফোন বিক্রি করেছে, যা তাদের ধারণার চেয়ে কম ছিল। অবশ্য লক্ষ্য পূরণ না হলেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্মার্টফোন বাজারে গত বছর শীর্ষে ছিল শিয়াওমি। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যানালিস ও স্ট্র্যাটেজি অ্যানালাইটিকস দাবি করেছে, এ বছর চীনের বাজারে শীর্ষ অবস্থানে যেতে হুয়াওয়ের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে শিয়াওমি।


গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে সবচে পাতলা ম্যাকবুক বাজারে আনলো অ্যাপল। এটির ওজন মাত্র ৯০০ গ্রাম। এই ম্যাকবুকটিকে একবার চার্জ দিলে চলবে ১০ ঘণ্টা। ততক্ষণ আপনি যত খুশি ব্রাউজিং করতে পারেন। অ্যাপেলের এই ম্যাক বুকটিকে ১২ ইঞ্চি থেকে কমিয়ে করা হল মাত্র ১৩.১ মিলিমিটার পুরুত্ব। 
অন্যান্য ম্যাকবুকের তুলনায় এটিই সবচেয়ে হালকা। তবে হালকা হলেও এর ব্যাটারি কিন্তু মোটেই দুর্বল নয়। ব্যাটারি এবং প্রসেসরকে আরও শক্তিশালী করে একেবারে নতুন চেহারায় পাওয়া যাবে অ্যাপেলের ম্যাক বুকটিকে। শুধু তাই নয়, ম্যাক বুকটি পাওয়া যাবে নতুন আরও একটি রঙেও। আজ থেকে দেশে অ্যাপেলের বিভিন্ন স্টোরে পাওয়া যাবে ম্যাক বুকটি। 
ম্যাকবুকটিতে আছে ডুয়েল কোর ইন্টেল কোর প্রসেসর। ১৮৬৬ মেগাহার্জ মেমোরি এবং  ব্লু-টুথ ৪.০।
আর এর দাম শুরু হচ্ছে সোয়া লাখ টাকা থেকে।


অনেক ক্ষেত্রেই বলা হয়, অতিরিক্ত কখনোই যথেষ্ট নয়। জীবনের বহু বিষয়ে কথাটি সত্য হতে পারে। কিন্তু প্রযুক্তিপণ্যের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। বিশেষ করে স্মার্টফোন নির্মাতারা ক্রেতাদের চাহিদার অজুহাতে ভুল ধারণা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বেশি মানেই ভালো বলে অপপ্রচার চালান তারা। ফোনের স্পেসিফিকেশন যত বেশি হবে, ক্রেতারা মনে করেন পণ্যটি তত ভালো।
তাইওয়ানের প্রসেসর নির্মাতা মিডিয়াটেক জানায়, মানুষ মনে করে অক্টা-কোর প্রসেসর কোয়াড-কোর প্রসেসরের চেয়ে ভালো। বিভিন্ন কোরের প্রসেসর নিয়ে মাতামাতি হলেও কোয়ালকম জানায়, তাদের কোয়াড-কোর স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ প্রসেসরটি এযাবৎকালের সবচেয়ে ভালোগুলোর একটি।
ক্যামেরার রেজ্যুলেশনের বিষয়টি মিথে পরিণত হয়েছে। বেশি রেজ্যুলেশন মানেই ভালো ক্যামেরা নয়। মেগাপিক্সেল কখনো ভালো ছবির শর্ত নয়। আসলে উচ্চ রেজ্যুলেশনের পর্দা বেশি উজ্জ্বল ছবি দেখায়। কিন্তু এর একটি গ্রহণযোগ্য সীমা রয়েছে।
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ এবং এস৭ এজ-এর ক্যামেরায় সেরা মানের ছবি তোলা যায়। অথচ লেনোভো ভাইব এক্স৩-এর ২১ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরার ছবি তুলনামূলক অনেক বাজে মানের। নকিয়ার ৪১ মেগাপিক্সেলের পিওরভিউ ক্যামেরায় যখন ৮ মেগাপিক্সেল পিওরভিউ মোডে চালানো হয়, তখন সবচেয়ে ভালো ছবি ওঠে।
র‌্যামের বিষয় নিয়েও একই সমস্যা চলে। যত বেশি র‌্যাম তত দ্রুত ফোন চলবে বলে মনে করা হয়। কিন্তু নির্মাতাদের আরো বেশি শক্তির ব্যাটারি ও স্টোরেজ দেওয়া উচিত।
জিয়াওমি এমআই৫ নামের ফোনে আধুনিক ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের সব স্পেসিফিকেশনই দেওয়া রয়েছে। ৩ জিবি র‌্যাম আর ফুল-এইচডি পর্দা নিয়ে দারুণ এক ফোন এটি। কিন্তু এর সবকিছু শতভাগ কাজ করে না। তবে দামের তুলনায় ভালো মানের একটি ফোন।
এ ক্ষেত্রে অ্যাপল একটি উদাহরণ হতে পারে। তারা দেখে স্মার্টফোনে আসলে কি লাগবে? তাদের স্পেসিফিকেশন অন্যের সঙ্গে তুলনা করলে আইফোনকে দুর্বল মনে হবে। আসলে কি তাই? এরা পৃথিবীর অন্যতম সেরা ফোন নির্মাণ করে।
দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, সাধারণত ক্রেতাদের মনে বেশি স্পেসিফিকেশন মানেই বেশি ভালো ফোনের ধারণা ঢুকে গেছে। অথচ এর মাধ্যমে কখনো গুণগত মান নির্ধারিত হয় না। এটা আসলে মার্কেটিংয়ের একটি উপায়।


আপনার প্রিয় আইফোনটির জন্য এলো নতুন ক্যামেরা গ্রিপ। এই গ্রিপ ফোনে সংযুক্ত করলো ডিএসএলআর ক্যামেরার মতই ছবি তোলা যাবে। এই গ্রিপটি বাজারে এনেছে মিগ্গো। গ্রিপটির নাম পিকটার। 
এই কিকস্ট্যার্টার প্রতিষ্ঠানটি ডিভাইসটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য তহবিল সংগ্রহে নেমেছে।  এজন্য তারা একটি ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজন ১ লাখ ডলার। ক্যাম্পেইন শেষ হবার ৩৬ দিন বাকি থাকতে তহবিলে জমা পড়েছে ৩৮ হাজার ১৪৮ ডলার।
গ্রিপটি আইফোনের সঙ্গে লাগিয়ে এতে ডিএসএলআর ক্যামেরার সকল ‍সুবিধাই নেয়া যাবে। এতে আছে শাটার রিলিজ বাটন। এই বাটনে হাফ প্রেস করলে সাবজেক্ট ফোকাস হবে। ফুল প্রেস করলে ছবি উঠবে। ডিএসএলআর ক্যামেরার শাটার রিলিজ হওয়ার মতই গ্রিপটি থেকে শব্দ পাওয়া যাবে।  
গ্যাজেটটিতে আছে জুম রিং। এই রিং দিয়ে জুম ইন জুম আউট করা যাবে। এই রিংয়ে হাত রেখে ফ্রন্ট কিংবা ব্যাক ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। 
গ্রিপটির ডান পাশে আছে এক্সপোজার কনপেনসেশন হুইল। যা দিয়ে আলো কমানো বাড়ানো যাবে। স্মার্ট হুইলটিতে দিয়ে সাতটি মোড নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এতে অটোমোড, প্রোট্রেইট মোড, ল্যান্ডস্কেপ মোড, স্পোর্টস মোড, স্নো মোড, সেলফি মোড এবং ভিডিও মোড রয়েছে। অ্যাডভান্স সেটিংয়ে আছে শাটার প্রায়োরিটি, আইএসও প্রায়োরিটি এবং মেন্যুয়াল কন্ট্রোলস। 
গ্রিপটি আইফোন ৪. আইফোন ৪ এস, আইফোন ৫, আইফোন ৫সি, আইফোন ৫ এস, আইফোন ৬, আইফোন ৬এস এবং আইফোন এসই তে ব্যবহার করা যাবে। 
খুব শিগগিরই ডিভাইসটি অ্যাপলের ৬ প্লাস এবং ৬এস প্লাসের জন্য কর্মক্ষম করে তৈরি করা হবে। 
৯০ ডলার দিয়ে ডিভাইসটি বুকিং দেয়া যাবে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তহবিল পাওয়া গেলে এই নভেম্বর থেকে এটি বাজারে পাওয়া যাবে।


কুখ্যাত দস্যু বীরাপ্পনকে নিয়ে পরিচালক রামগোপাল ভার্মার ছবি 'কিলিং বীরাপ্পন' মু্ক্তি পাচ্ছে ২৭ মে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে 'ছবিটির অফিসিয়াল ট্রেলার; যা দেখলে এখনও বীরাপ্পনের ভয়ে কেঁপে উঠবেন আপনি! 


অল্প বয়সে জীবনটাকে উপভোগ করতে চাই সকলেই। আনন্দ, ফূর্তির মাঝেই করে ফেলি বেশ কিছু ভুল। সেই ছোটখাট ভুলগুলোই বাধা হয়ে যায় উন্নতি, স্বপ্নপূরণ, জীবনে খুশির পথে। বয়স ৩০ পেরোলেই আস্তে আস্তে বুঝতে পারি ভুলগুলো। জেনে নিন এমনই ১০ ভুল যা প্রায় আমরা সকলেই করে থাকি।  খারাপ স্মৃতি: জীবনে ওঠা-নামা আসবেই। খারাপ সময় থেকে এগিয়ে যেতে হয়। কিন্তু অল্প বয়সে আমরা খারাপ স্মৃতি, ব্রেক-আপ নিয়েই আঁকড়ে বসে থাকি। সকলকে খুশি করার চেষ্টা: কে আমাকে নিয়ে কী ভাবছে অল্প বয়সে সেই চিন্তা মাথায় ঘুরতে থাকে। সকলকে খুশি করার চেষ্টা করি আমরা।পরে বুঝতে পারি চেষ্টাটাই বৃথা। সময়ের চেয়ে টাকার মূল্য বেশি: অল্প বয়সে আমরা অনেকেই টাকার পিছনে ছুটতে গিয়ে পরিবার, বন্ধু, কাছের মানুষদের সময় দিই না। পরে বুঝতে পারি সময় কতটা মূল্যবান। ফোনের পিছনে অতিরিক্ত সময়: ফোনে কথা বলা, স্মার্টফোনে চ্যাট, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক করে কতটা সময় নষ্ট করেছি আমরা? কৃতজ্ঞতা: অল্প বয়সে আমরা নিজেদের নিয়ে এতটাই মশগুল থাকি যে অন্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করি না। অনেক সময় কে আমার জন্য কী করছে তা বুঝতেও পারি না। অযথা জটিলতা: জীবনকে সহজ ভাবে না নিয়ে একগাদা জিনিস নিয়ে এসে জটিলতা, খরচ বাড়াই। এর বেশির ভাগই অপ্রয়োজনীয়। সব প্ল্যান কাজ করবে: আমরা ভাবি নিজেদের সব প্ল্যান কাজ করবে। কিন্তু জীবন নিজের মতো চলে। যখনই নিজেদের পরিকল্পনা, প্রত্যাশা আনুযায়ী কিছু হয় না তখনই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। শোনা ও বোঝা: অন্যরা কী বলছে যা মন দিয়ে না শুনে, না বুঝে শুধু উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা কথা বলি। অথচ নিজের গুরুত্ব বাড়াতে গেলে অন্যদের কথা শোনা প্রয়োজন। বলতে গেলে বোঝা দরকার। মুহূর্ত: একটার পর একটা ইচ্ছা, লক্ষ্য, স্বপ্ন পূরণের দিকে ছুটতে গিয়ে জীবনের মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে ভুলে যাই। অথচ এই ছোট ছোট মূল্যবান মুহূর্ত নিয়েই তৈরি হয় জীবন। পরে সকলেই আফশোষ করি। সব কিছুতে আবেগ: যে কোনও সমস্যাতেই আমরা আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ি। ফলে সমস্যার সমাধান খোঁজার থেকে বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ি। অথচ সেই সমস্যা হয়তো মাত্র ১০ দিন স্থায়ী হয়।


গরমের দিনে একটু ভারী কাপড় পরে থাকা যেমন কষ্টকর, তেমনি খোলা চুলে থাকা আরও কষ্টকর। এতে গরম বাড়িয়ে দেয় অনেক বেশি। তারওপর আবার প্রকৃতিতে উড়ছে ধুলাবালি। তাই বলে তো ঝামেলামুক্ত থাকতে আর ঘরে বসে থাকা যাবে না। প্রয়োজনে বাইরে বের হতেই হবে। তবে বের হওয়ার আগে নিজের গেটআপটা যদি আরামদায়ক হয় তবে ঝামেলা কমে যায় অনেকটায়। সেজন্য, মেয়েদের চুলের সাজের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। আসুন দেখে নেয়া যাক গরমের দিনে বিভিন্ন পোশাকে আরামদায়ক কিছু চুলের সাজ।
ফ্রেঞ্চ বেণি

মুখের সঙ্গে মানিয়ে সিঁথি করে নিতে হবে। এবার সিঁথির এক পাশ থেকে অল্প চুল নিন। এই চুলগুলো তিন ভাগ করে ফ্রেঞ্চ বেণি শুরু করুন। বেণির বাঁধনের প্রতিটি ধাপে নিচ থেকে একগোছা চুল বেণিতে ঢুকিয়ে দিতে হবে। এক পাশের বেণি শেষ করে কানের কাছে আটকান। একইভাবে সিঁথির অন্য পাশেও বেণি করুন। এবার পেছনের সব চুল নিয়ে খেজুর বেণি করুন। ফ্রেঞ্চ বেণির মতোই খেজুর বেণি করা হয়। শুধু চুল তিন ভাগ না করে দুই ভাগ করুন। এক ভাগ থেকে একগোছা চুল নিয়ে অন্য ভাগে মিলিয়ে দিন। এভাবে পরপর একগোছার চুল আরেক গোছায় দিন। চুলের আগায় এসে একটা সুন্দর ব্যান্ড দিয়ে বেঁধে নিন। হয়ে গেল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ বেণি। গরমের দিনে চুলও আটকে থাকলো, ধুলোময়লা কম জমলো। উপরন্তু গরম লাগবে কম।
লো পনিটেল
চুল আঁচড়ে এক পাশে সিঁথি করে নিতে হবে। মাথার তালুর অংশের চুল একটু পাফ করে অল্প ফুলিয়ে নিতে পারেন। এবার সামনের অংশে সিঁথির এক পাশের চুল থেকে একগোছা চুল নিয়ে দড়ির মতো পেঁচিয়ে টুইস্ট করুন। এভাবে পাশের আরেক গোছা চুল টুইস্ট করুন। এক পাশের সব চুল টুইস্ট হলে কানের পাশে ক্লিপ দিয়ে আটকে দিন। 
একইভাবে অন্য পাশের চুলগুলো টুইস্ট করে কানের পাশে আটকান। এবার পেছনের সব চুল একত্র করে মাথার নিচে ঘাড়ের কাছে রাবার ব্যান্ড দিয়ে আটকে ফেলুন। চাইলে এভাবেই রাখতে পারেন। আবার গরমে বেশি আরাম পেতে পনিটেল করা চুলগুলো একটু উঁচু করে একটা পাঞ্চ ক্লিপ আটকে দিতে পারেন।

হাই পনিটেল
ভাপসা গরমে চটজলদি চুলের সাজ চাইলে ট্রাই করুন এই স্টাইলটি। এক পাশে সিঁথি করে মাথার মাঝের চুলগুলো হালকা পাফ করুন। সামনের চুলে লেয়ার কাট থাকলে ছেড়েই রাখুন। চাইলে সিঁথির দুই পাশের চুল কানের দুই পাশে ক্লিপ দিয়ে আটকে দিতে পারেন। এবার পেছনের সব চুল আঁচড়ে উঁচু করে রাবার ব্যান্ড দিয়ে একটা পনিটেল (ঝুঁটি) করুন।
টুইস্ট খোঁপা

দাওয়াতের সাজে এই মৌসুমে শাড়ির সঙ্গে একটা খোঁপা না হলেই নয়। সাজে জমকালো ভাব আনতে সহজ এই খোঁপার জুড়ি নেই। টুইস্ট খোঁপার জন্য চুল ভালো করে আঁচড়ে নিন। সামনে লেয়ার কাট থাকলে এক পাশে সিঁথি করতে পারেন। সিঁথি ছাড়াও খোঁপাটি বেশ ভালো দেখায়। প্রথমে কপালের সামনের চুলগুলো আলাদ করুন। মাথার মাঝের চুলগুলো পাফ করে অল্প করুন। এবার সমনের চুলগুলো কয়েকটি গোছা করে নিন। প্রতিটি গোছাকে একে একে পেঁচিয়ে টুইস্ট করে পাফ করা চুলের ওপর দিয়ে পেছনে এনে ক্লিপ দিয়ে আটকে দিন। সামনের সব চুল টুইস্ট হয়ে গেলে পেছনের চুলগুলো রাবার দিয়ে আটকে নিন। সামনের মতো পেছনের চুলগুলোকে বেশ কয়েকটি গোছা করে নিন। প্রতিটি গোছাকে টুইস্ট করে পেঁচিয়ে খোঁপার শেপ করুন। আকর্ষণীয় লুক পেতে খোঁপার এক পাশে ফুল গুঁজে দিতে পারেন।


নতুন স্মার্টফোন কিনতে চান? দাম দেখে কিনবেন, নাকি মান যাচাই করে? স্মার্টফোন কেনার সময়ে যারা শুধু দাম দেখেন, তারা ভুল করেন। বাজেট অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হল ফোনের কনফিগারেশন। 

স্মার্টফোন হঠাৎ করেই কেনা ঠিক না। অনেক কিছু দেখে-শুনে-বুঝে তবেই কেনা উচিত ফোন। তাছাড়া আপনি ঠিক কীভাবে ফোনটি ব্যবহার করবেন তার উপরও নির্ভর করে স্ক্রিন সাইজ, র‌্যাম এবং ডিসপ্লে কেমন হবে। 

ফোন কেনার আগে যেসব বিষয় ভেবে নেয়া উচিত: 

১) যদি বাজেট অনেকটা বেশি থাকে, আইফোন কেনাই ভাল। তবে সস্তাদামের সেকেন্ড হ্যান্ড বা অনেক পুরনো ভার্সনের নয়। আপডেটেড ভার্সনের দাম অনেক। অত টাকা পকেটে না থাকলে অ্যানড্রয়েড কিনুন। 

২) ব্ল্যাকবেরি যে কিনবেন না তা আর নিশ্চয়ই নতুন করে বলতে হবে না। ঠিক তেমনই উইনডোজ ফোন কেনার আগে দু’বার ভাববেন। প্রথমত, মাইক্রোসফট স্টোরে বেশি অ্যাপ থাকে না আর যদি শুধু ফোন করা আর ফোন ধরার জন্যেই ফোন কিনতে হয় তবে আর দামি স্মার্টফোন কেন, সাধারণ ফোন কেনাই ভাল। 

৩) ফোন কেনার আগে সবচেয়ে প্রথমে যেটি দেখবেন সেটি হল প্রসেসর। ভাল প্রসেসর মানেই ফোন হবে সুপারফাস্ট, গেম খেলার সময়ে ফোন হ্যাং করবেন না এবং ফটো এডিটিং হবে তাড়াতাড়ি। স্ন্যাপড্র্যাগন ৬০০ সিরিজের প্রসেসর থাকে মাঝারি রেঞ্জের ফোনে কিন্তু সবচেয়ে ভাল হল কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ এবং ৮১০ প্রসেসর। আইফোনের ক্ষেত্রে ৬৪ বিট, এ৯ চিপ হল বেস্ট। যা রয়েছে আইফোন সিক্সে। 

৪) যদি দেশে এখনো ফোরজি ডেটা কানেকশন চালু হয়নি। কিন্তু চালু হতেও খুব বেশি দেরি নেই। নতুন ফোন কিনলে ফোরজি সাপোর্ট করবে এমন ফোন কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ। 

৫) র‌্যাম হল আর একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি পকেটের জোর থাকে তবে ৪ জিবি র‌‌্যামের ফোন কেনাই ভাল। নাহলে অন্তত ২ জিবি র‌্যাম যেন থাকে। কারণ এখন মাঝারি রেঞ্জের সব ফোনেই ২ জিবি র‌্যাম থাকে এমনকী আইফোন সিক্সেও তাই। 

৬) র‌্যাম, ফোরজি, প্রসেসরের পরেই দেখবেন ডিসপ্লে। চেষ্টা করবেন অ্যামোলিড ডিসপ্লের ফোন কিনতে। চড়া রোদে দাঁড়ালেও পরিষ্কার দেখতে পাবেন স্ক্রিন। কোয়াড এইচডি ২৫৬০x১৪৪০ পিক্সেলের ফোনগুলির দাম অনেক বেশি। মাঝারি রেঞ্জের ফোন কিনলে রেজুলিউশন যেন অন্ততপক্ষে ১২৮০x৭২০ পিক্সেল হয়।  

৭) এর পরেই দেখবেন স্টোরেজ কেমন। কখনও এক্সপ্যান্ডেবল স্টোরেজ নেই এমন ফোন কিনবেন না। যাঁরা স্মার্টফোন ঠিকঠাক ব্যবহার করতে পারেন, তাঁরা প্রচুর অ্যাপ ডাউনলোড করেন। এর জন্য অনেকটা স্টোরেজ স্পেস লাগে। যাতে প্রয়োজনে মাইক্রো-এসডি কার্ড ব্যবহার করতে পারেন, সেই অপশনটি খোলা রাখবেন। অন্ততপক্ষে ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমরি আছে এমন ফোনই কিনবেন। 

৮) ফ্রন্ট ক্যামেরা নেই এবং এলইডি ফ্ল্যাশ নেই এমন ফোন না কেনাই ভাল। এখন মাঝারি রেঞ্জের ফোনে স্ট্যান্ডার্ড ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা থাকে। আইফোন সিক্সএস প্লাস, গ্যালাক্সি এস৭, গ্যালাক্সি এস৭ এজ, এইচটিসি ১০-এর ক্যামেরা খুবই ভাল। আরও মজার এলজি জি৫। এতে দু’রকমের রিয়ার ক্যামেরা সেটিং রয়েছে। একটি সাধারণ এবং অন্যটি ওয়াইড অ্যাঙ্গেল শ্যুটের জন্য।

৯) ব্যাটারি লাইফ হল আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একবার ফুলচার্জ দেওয়ার পরে যে সমস্ত ফোরজি ফোনে টানা ৮ ঘণ্টা নেট সার্ফিং করা যায়, সেই ফোনই সবচেয়ে ভাল। ব্যাটারি লাইফ গড়ে ৩০০০ এমএএইচ হলেই ভাল। মাঝারি রেঞ্জের ফোনে ২৫০০ এমএএইচ-এর কম ব্যাটারি লাইফের ফোন না কেনাই ভাল। 

১০) ওয়াইফাই সব স্মার্টফোনেই থাকে। চেষ্টা করবেন ব্লু-টুথ ৩.০ রয়েছে এমন ফোন কিনতে কারণ এই ভার্সনটি থাকলে স্মার্টওয়াচের সঙ্গে মোবাইলটি কানেক্ট করা যায়। তাছাড়া জিপিএস রয়েছে এমন ফোন কেনাই ভাল যাতে ফোন হারিয়ে গেলে ট্র্যাক করতে সুবিধে হয়। আর যদি ম্যাগনেটোমিটার সেন্সর থাকে তবে স্মার্টফোন কম্পাসেরও কাজ করবে। 

১১) ডলবি অ্যাটমোস সারাউন্ড সাউন্ড এখন স্মার্টফোনের অন্যতম লেটেস্ট ফিচার। লেনোভোর সাম্প্রতিক প্রায় সব ফোনেই এই ফিচার রয়েছে। যাঁরা ফোনে ভিডিও দেখেন, গান শোনেন বা সিনেমা দেখেন তাঁরা ডলবি স্পিকার রয়েছে এমন ফোনসেট কিনলেই ভাল।

১২) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সিকিউরিটি, শাটারপ্রুফ, স্ক্র্যাচ-প্রুফ স্ক্রিন, গোরিলা গ্লাস, ওয়াটারপ্রুফ, এনএফসি ট্যাগ এই সবকিছু অত্যাধুনিক স্মার্টফোন ফিচার্স। বাজেট যত বাড়বে, ততই এই সবকিছু যোগ হবে ফোনের ফিচারে। যদি সমর্থন করতে পারেন তবে এই সমস্ত সুবিধা রয়েছে এমন ফোনই কিনবেন। আবার অনেক বাজেট স্মার্টফোনেও এগুলির মধ্যে একটি দু’টি পাওয়া যায়। 

এসি এর বাজার গরম হয়ে উঠে মূলত এই গরমেই। আর তাই গরমের এই বাদভাঙ্গা তীব্র দাবদাহ হতে মুক্তি পেতে এসি এর বিকল্প নেই। এসি কেবল ক্রয় করলেইতো হবে না খেয়াল রাখতে হবে আরো অনেক কিছু। তেমনি এসি ক্রয় করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক যা একজন ক্রেতার জানার একান্তই প্রয়োজন। সর্বপ্রথম নিজ বাড়ীর ধরণ থেকে আরম্ভ করে সেটিং পর্যন্ত আরো অনেক কিছুই খেয়াল রাখতে হয় একজন ক্রেতার।

   
নিম্নে এই গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো উল্লেখসহ ব্যাখ্যা করা হলোঃ-

১. উইন্ডো এসিঃ-

  নিজ ঘরে একটি সুন্দর জানালা থাকলে বসাতে পারেন একটি উইন্ডো এসি । উইন্ডো এসি-এর মূলত কাজ হচ্ছে ভেতরের গরম হাওয়া বাইরে বের করে দেয়া। ঠিক অন্যদিকে বাইরের ঠাণ্ডা হাওয়া ঘরের ভেতরে নিয়ে আসতে সাহায্য করা। তবে যদি একটা মাত্র ঘরের জন্য এসি চান তাহলে উইন্ডো এয়ার কন্ডিশনার সঠিক অপশন। টাকা পয়সার সাশ্রয় হবে। আবার ঘরের কুলিং সিস্টেমও অক্ষুণ্ণ থাকবে।


২. পোর্টেবল এসি:-
 
 যদি পোর্টেবল এসি কেনার প্রতি আগ্রহী হোন তাহলে অবশ্যই অ্যাডজাস্টেবল হোসটি দেখে কেনা উচিত। কারণ এক্ষেত্রে ডুয়েল হোসের এসির চেয়ে সিঙ্গেল হোসের এসি ঘর ঠাণ্ডা রাখে বেশি। যদি বসার ঘর বাড়ির অন্যান্য ঘরের চেয়ে বড়ো হয় এক্ষেত্রে ঘরের আয়তন তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বড়ো হয়ে থাকে এসব ক্ষেত্রে স্প্লিট এসি বা ডাক্টলেস এসি ব্যাবহার করাটাই বেশী শ্রেয়।

৩. আধুনিক এসিকে প্রাধান্য দেয়াঃ- বর্তামানে চিরাচরিত এয়ার কন্ডিশনারকে পেছনে ফেলে বাজারে আসছে অনেক স্মার্ট অপশন সম্বলিত সব অত্যাধুনিক এসি। এর ফলে পাওয়া যাবে অনেক অত্যাধুনিক সব অপশন। ফলে নানা ভালো ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন দ্বারা নিয়ন্ত্রন করা যাবে এসির নানা অপশন। তবে এক্ষেত্রে কেবল ওয়াইফাই কানেকশনটি থাকতে হবে। অপশনটি অপারেট করার জয় কেবল নিজ স্মার্টফোনে একটি অ্যাপ ইন্সটল করে নিতে হবে। সেই অ্যাপ চালু থাকলে আপনার এসি আপনা থেকেই বুঝে যাবে কখন আপনি ঘরে আছেন, কখনই বা নেই। সেই মতোই হবে ঘর ঠাণ্ডা রাখার ব্যবস্থা।    

lesspricebd air conditioner genarel carrier৪. এসির দরদাম সম্পর্কে পূর্বধারণা থাকাঃ- নিজ পছন্দের এসির দরদাম সম্পর্কে পূর্বধারনা থাকলে অনেক সুবিধা হয়ে থাকে । পূর্বধারনার ফলে বাজেটের চেয়ে অনেক বেশি খরচ হওয়ার অনেকাংশ কমে যায়। অন্যদিকে এসি ক্রয় করার পূর্বেই অনেক ভালো করে নিজের ঘরের আয়তন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা প্রয়োজন। ঘরের আয়তন অনুযায়ি এসির সেটাপ করলে ঘর অনেকাংশ ঠান্ডা থাকে।  

৫. কেমন বাজেট হওয়া উচিত-

নিজ পছন্দের ব্র্যান্ডের এসি ক্রয় করলে অনেকাংশ লাভবান হAir Conditioner bEST aIR conditionerওয়া যায়। কোন ব্র্যান্ডের এসি কিনছেন, তার উপরে অনেকটাই নির্ভর করছে এসির দাম। দেড় টনের উইন্ডো এসি ক্রয়ের জন্য সর্বনিম্ন বাজেট হওয়া উচিত ৩৫ হাজার টাকার মতো৷ অন্যদিকে এক টনের উইন্ডো এসির জন্য ২৫ হাজার টাকার মতো খরচ পড়বে। অন্যদিক স্প্লিট এসির দাম তুলনামূলক ভাবে অন্যান্যগুলোর চেয়ে একটু বেশি। ঘর যদি সত্যিই বড়ো হয় তাহলে অন্তত: দেড় টনের এয়ার কন্ডিশনার না কিনলে তেমন লাভ হবে না। দেড় টনের স্প্লিট এসির জন্য বাজেট রাখুন ৪৫ হাজার টাকা।তবে ৩৫ হাজারেও দেড় টনের এসি পাবেন। ১ টন পোর্টেবল এয়ার কন্ডিশনারের দাম পড়বে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকার মতো। ওয়াইফাই এনাবেলড এসির দাম স্বাভাবিক ভাবেই একটু বেশি। এক টনের ওয়াইফাই এনাবেলড এসির দাম পড়ে যাবে চল্লিশ হাজার টাকার কিছু বেশি।    

৬. ছোট ঘরের জন্য কেমন এসি প্রয়োজনঃ- মিনি কুলার ছোট ঘরকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য যথেষ্ট বলা চলে। এক্ষেত্রে বাজেট রাখুন তিন হাজার টাকার মতো। অন্যদিকে যেই এয়ার কন্ডিশনার বা এয়ার কুলারই ক্রয় করুন না কেন, অবশ্যই ভালো করে দেখে নিন যে এয়ার কুলারটি সক্ষমতা কেমন বিদ্যুতের সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে। উপরিউক্ত পয়েন্টগুলো যেকোন সময় এসি ক্রয়ের ক্ষেত্রে মনে রাখলে আশা করা যায় নিজ পছন্দের এসিটি পেয়ে যাবেন। লেখাটি ভালো লাগলে এবং Air Conditioner সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সাইট থেকে ঘুরে আসতে পারেন!


এক সপ্তাহের মধ্যে চার চার বার কাঁপলো পৃথিবী। বড় ভূকম্পন হয়ে গেলো। কখনও কাঁপল ভারতীয় উপমহাদেশ, কখনও কেঁপে উঠল পৃথিবীর পূর্বতম সেই প্রান্ত, যেখানে সূর্যোদয় হয় সবার আগে। কখনও কাঁপল সুদূর লাতিন আমেরিকা। উপর্যুপরি এত কম্পন কি অশনিসঙ্কেত?
বিজ্ঞান বলছে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। পৃথিবীর প্লেটগুলো খুব অল্প সময়ে পর পর কয়েক বার নড়াচড়া করে ফেলেছে বটে, কিন্তু নীল গ্রহের গর্ভে অস্বাভাবিক কিছু ঘটার লক্ষণ এখনও দেখা যায়নি। বরং অনেক আগে থেকেই আজকাল বুঝে নেওয়া যাচ্ছে, পৃথিবীর ঠিক কোন অংশ কখন কাঁপতে চলেছে।
আয়নোস্ফেরিক সায়েন্স হল সেই বিজ্ঞান, যা প্রায় নির্ভুল ভাবে বলে দিতে পারে, কোন অঞ্চলে ভূকম্পন হতে চলেছে। কম্পনের অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে সেই আভাস দিতে পারেন আয়নোস্ফেরিক সায়েন্সের বিশেষজ্ঞরা।
ঠিক কী ভাবে পাওয়া যায় এই আভাস? ভারতের সত্যেন্দ্রনাথ বসু জাতীয় মৌল বিজ্ঞান কেন্দ্রের সিনিয়র প্রফেসর সন্দীপ চক্রবর্তী বললেন, ‘বায়ুমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ারে একটা বিশেষ অস্বাভাবিকতা থেকে বোঝা যায়, ভূমিকম্প আসতে চলেছে।’ কী সেই অস্বাভাবিকতা? অধ্যাপক চক্রবর্তী জানালেন, আয়নোস্ফিয়ারের সবচেয়ে নীচের স্তরে মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেলেই বোঝা যায়, কম্পন হবে। উপযুক্ত পরিকাঠামো ব্যবহার করলে এটাও বোঝা যায় যে পৃথিবীর ঠিক কোন অঞ্চল কাঁপতে চলেছে।
আয়নোস্ফেরিক সায়েন্সের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুমণ্ডলের আয়ন স্তরে যে সব গ্যাস রয়েছে, সেগুলি আয়নীয় অবস্থায় থাকে, কারণ প্রচণ্ড তাপের কারণে অণুগুলি থেকে ইলেকট্রন ছিটকে বেরিয়ে যায়। সূর্যরশ্মিতে যে অতিবেগুনি রশ্মি এবং অবলোহিত রশ্মি থাকে, তা আয়নোস্ফিয়ারের তাপ অনেক বাড়িয়ে দেয়। তার জেরেই গ্যাসের অণু থেকে ইলেকট্রন ছিটকে বেরিয়ে প্রচুর আয়ন তৈরি হয় তার পাশাপাশি প্রচুর ইলেকট্রন সেখানে মুক্ত অবস্থায় ঘুরতে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই পৃথিবীর যে অংশে যখন দিন, সেই অংশের উপরের আয়নোস্ফিয়ারে তখন মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা বেশি হয়। যে অংশে রাত, সেখানে মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা কম হয়। শুধু তাই নয়, আয়নোস্ফিয়ারের উপরের অংশ বেশি তপ্ত হওয়ায় সেখানে মুক্ত ইলেকট্রন যে সংখ্যায় থাকে, তলার দিকের স্তরে তার চেয়ে ওই সংখ্যা অনেক কম থাকে। আয়নোস্ফেরিক সায়েন্স বায়ুমণ্ডলের এই তলার স্তর বা ডি রিজিয়নের ইলেকট্রন সংখ্যা দেখেই বলে দিতে পারে, ভূকম্পের সম্ভাবনা রয়েছে কি না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি দেখা যায় রাতেও আয়নোস্ফিয়ারের ডি রিজিয়নে মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা অস্বাভাবিক বেশি, তা হলে বুঝতে হবে সূর্যরশ্মির কারণে নয়, ভূগর্ভ থেকে নির্গত র‌্যাডন গ্যাসের কারণে সেটা হয়েছে। এই র‌্যাডন গ্যাস ভূগর্ভের বিভিন্ন খাঁজে জমে থাকে। টেকটনিক প্লেট নড়াচড়া করলে ওই গ্যাস বাইরে বেরিয়ে আসে। তা সোজা আয়নোস্ফিয়ারে পৌঁছে ডি রিজিয়নে আটকায়। সেই গ্যাসের অণু থেকেও ইলেকট্রন মুক্ত হতে থাকে এবং ডি রিজিয়নে মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। আয়নোস্ফিয়ারের যে অংশে এই অস্বাভাবিকতা দেখা যায়, সেই অংশের নীচে পৃথিবীর কোন দেশ রয়েছে তা খতিয়ে দেখেন বিজ্ঞানীরা। সেই দেশে বা তার আশেপাশে অবস্থিত টেকটনিক প্লেটেই যে নড়াচড়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায় এবং বিজ্ঞানীরা বলে দেন, কোথায় কম্পন হবে। কম্পনের ৭২ ঘণ্টা আগেই এই আভাস দেওয়া যায়।


যুগের সাথে তাল মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে পোশাক। পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে বিভিন্ন উপাদান। রেশম থেকে শুরু করে বাদ যায়নি প্লাস্টিক। কিন্তু এবারের পোশাকে ব্যতিক্রম।
পোশাকে নারীর দারুণ মানায় এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু সে পোশাক যদি হয় দুধের। পোশাক পছন্দ করে না এমন নারীর সংখ্যা নেহায়েতই কম। কত নামের বাহারী পোশাক তা
না লিখে মুখস্ত করে রাখা দায়।
ভিন্ন আঙ্গিকের শোশাকটি দুধের। কেউ হয়তো কল্পনাও  করেনি এতোদিন এ ধরনের পোশাকের কথা। বাস্তবে সেটাই দেখালেন বিখ্যাত ফটোগ্রাফার জেরোসল্যাভ।
ফটোগ্রাফার জেরোসল্যাভের তোলা অসাধারণ ছবিতে ফুটে উঠেছে বিশ্বের প্রথম দুধের তৈরি পোশাক। মডেলের দেহে শোভা পাচ্ছে এমন পোশাক। কিন্তু বাস্তবে কি তাই!
বিষয়টি সত্যি না হলেও মডেলের গায়ে ছুড়ে দিয়ে এমনভাবেই ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে। মডেলের অভিনয়ে ঝরছে দুধ। দৃশ্যটি দেখতে ভালো লাগলেও কিন্তু ক্ষণিকের।

ক্যামেরার অনন্য ব্যবহার এবং ফটোশপ এতে কাজে লাগানো হয়েছে।
তবে গায়ে লেপ্টে থাকা দুধের স্রোত দেখে মনে হবে পোশাকের মতই। এ ছবি মেইল অনলাইনের


স্মার্টফোনে ব্যাটারি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সারাদিন সবকাজ করে স্মার্টফোনে চার্জ থাকা চ্যালেঞ্জের বিষয়। সমস্যা সমাধানে চীনের বিখ্যাত প্রযু্ক্তি প্রতিষ্ঠান লেনোভো নিয়ে এলো ৫ হাজার মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ফোন। ফোনটির মডেল ভাইভ পি১ টার্বো। 
৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের ফোনটির রেজলুশন ১০৮০x১৯২০ পিক্সেলস। ডিসপ্লেতে রয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৩ প্রটেকশন। পিক্সেল ডেনসিটি ৪০১ পিপিআই।
স্ন্যাপড্রাগন ৬১৫ অক্টাকোর প্রসেসরের সঙ্গে রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম। বিল্ট ইন মেমোরি ৩২ জিবি, ১২৮ জিবি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে।
অপারেটিং সিস্টেম অ্যানড্রয়েড ললিপপ।
ভাইভ পি১ টার্বোতে ১৩ মেগা পিক্সেলের রিয়ার এবং সেলফি প্রেমীদের জন্য ৫ মেগা পিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে। 
ডুয়েল সিমের ফোনটির মূল্য ১৭ হাজার ৯শ ৯৯ রুপি। ভ্যাট ও ট্যাক্স ছাড়া বাংলাদেশি মুদ্রায় ২১ হাজার ৫৯৮ টাকা।


মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল সম্প্রতি সম্পূর্ণ নতুন মডেলের ম্যাকবুক বাজারে এনেছে। নতুন এ ম্যাকবুকে রয়েছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় রঙের সমাহার, যার মধ্যে রয়েছে পিংকও। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
ম্যাকবুকের এ নতুন মডেলটিতে আগের মডেলের দুর্বলতাগুলো দূর করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যাপল। এছাড়া এতে ব্যবহৃত হয়েছে আগের তুলনায় উন্নতমানের প্রসেসর, দ্রুতগতির র‌্যাম ও উন্নতমানের গ্রাফক্স। এতে নতুন ম্যাকবুকের পারফর্মেন্স যেমন বাড়বে তেমন কাজও সহজ হয়ে আসবে বলে দাবি অ্যাপলের। ২০১৫ সালে ম্যাকবুক বেশ কয়েকটি সাধারণ কাজ করতেও দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছিল। একসঙ্গে বেশ কয়েকটা ক্রোম ট্যাব খোলার অসুবিধা ও অন্যান্য কয়েকটা অ্যাপ চালানোর সে দুর্বলতাগুলো এবার কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা। অ্যাপল আগের মডেলগুলোর তুলনায় এবার প্রসেসরসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশের মান উন্নত করায় ধারণা করা হচ্ছে এর পারফর্মেন্স যথেষ্ট ভালো হবে।
অ্যাপলের নতুন ম্যাকবুকের গতিশীল প্রসেসর, উন্নত মান ও হালকা-পাতলা ডিজাইনের পরও অনেক বিশেষজ্ঞ একে দামের তুলনায় যথেষ্ট কার্যকর বলে মানতে নারাজ। এর মূল কারণ দাম। নতুন ম্যাকবুকের ১২ ইঞ্চি মডেলের দাম ১,২৯৯ ডলার। এটি একই ধরনের অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় যথেষ্ট বেশি।
ম্যাকবুকের নতুন ল্যাপটপটির কনফিগারেশন, ওজন ইত্যাদি বিবেচনায় কাছাকাছি বেশ কয়েকটি মডেল রয়েছে। সেসব ল্যাপটপের তুলনায় ম্যাকবুকের দাম বেশি বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অ্যাপলের ল্যাপটপে প্রচুর উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও প্রকৌশল ব্যবহৃত হলেও একই ধরনের কনফিগারেশনের ল্যাপটপকে যদি বিবেচনা করা হয় তাহলে নতুন ক্রোমবুকের দাম বেশি বলেই ধরতে হবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এ তালিকায় রয়েছে অ্যাপলেরও বেশ কিছু মডেল। যেমন ১৩ ইঞ্চি ম্যাকবুক প্রোতে রয়েছে কোর আই৫ প্রসেস। এটি কোর এম প্রসেসরের তুলনায় শক্তিশালী। এছাড়া ১৩ ইঞ্চি ম্যাকবুক এয়ার-এর মূল্য ৯৯৯ ডলার।
বাজারে বর্তমানে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমচালিত বহু ল্যাপটপ রয়েছে। এগুলো ম্যাকবুকের মতো হালকা ও পাতলা না হলেও উভয়ের পার্থক্য অতি সামান্য। উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম এগুলোর আকর্ষণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
৮০০ ডলার মূল্যে রয়েছে এলজি গ্র্যাম। এটি ২.১৬ পাউন্ড ওজনের। অন্যদিকে ম্যাকবুকের ওজন ২.০৩ পাউন্ড। তবে এটির স্ক্রিন নতুন ম্যাকবুকের চেয়ে এক ইঞ্চি বড় (১৩ ইঞ্চি)। এ মডেলটি কিনলেও পাঁচশ ডলার সাশ্রয় করা সম্ভব।
ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে আপনি যদি শুধু স্লিম মডেল চান তাহলে স্যামসাং গ্রালাক্সি ট্যাব প্রো এস দেখতে পারেন। ১২ ইঞ্চি স্ক্রিনের এ মডেলটি মাত্র ০.২৪ ইঞ্চি পুরু, ১.৫ পাউন্ড ওজনের এবং উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের। এর মূল্য ৯০০ ডলার, যা অ্যাপলের নতুন ম্যাকবুকের তুলনায় ৪০০ ডলার কম।


দাম্পত্য সঙ্গী যদি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে থাকে, তাহলে সেটা জানাবে এবার বেডরুমের বিছানা! প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এই বিছানা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বা আইফোনে এসএমএস পাঠিয়ে জানাবে যে, অন্য কারো সঙ্গে বিছানায় অবৈধ সম্পর্কে রয়েছে দাম্পত্য সঙ্গী।

স্পেনের ডারমেট নামক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে অভিনব এই বিছানা বা গদি। স্মার্টট্রেস নামক এই গদিতে রয়েছে লাভার ডিটেকশন সিস্টেম।

২৪ সেন্সরযুক্ত এই গদি বিছানার নীচে রাখলে, আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার বিছানাটি যদি সন্দেহজনক উপায়ে ব্যবহার হয়ে থাকে, যেমন বিছানায় জাম্পিং হয়, তাহলে তৎক্ষণাৎ মোবাইলে মেসেজ চলে আসবে। এছাড়া থ্রিডি ম্যাপের সাহায্যে মোবাইলে প্রদর্শিত হবে, বিছানায় কোন জায়গায় বেশি প্রেসার প্রয়োগ হয়েছে।

স্মার্টট্রেস নামক এই গদিটি দেখতে সাধারণ গদির মতোই, তাই এটি যে প্রযুক্তিসম্পন্ন সেটা দাম্পত্য সঙ্গীর পক্ষে বোঝার উপায় নেই।

অবিশস্ত সঙ্গীর অবৈধ সম্পর্ক জানার এই প্রযুক্তিসম্পন্ন গদি স্পেনের বাজারের জন্য তৈরি করা হলেও, নির্মাতাদের বিশ্বাস, বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এটি সাড়া ফেলবে। কারণ এটি বিশ্বের প্রথম বিছানা, যার মাধ্যমে সহজেই সঙ্গীর অবৈধ মেলামেশা ধরা যাবে।

স্মার্টট্রেস গদির দাম ধরা হয়েছে ১৭৫০ ইউএস ডলার। নির্মাতাদের দাবী, মনের শান্তির জন্য এই অল্প মূল্যে বিছানাটি পেতে কেউ আগ্রহী হবে অনেকেই।


হাতে হাতে ফোন মানেই এখন স্মার্টফোন। আর স্মার্টফোন মানেই তাতে থাকতে হবে অ্যান্ড্রয়েড। অ্যান্ড্রয়েড ছাড়া স্মার্টফোন ভাবাই যায় না। অপারেটিং সিস্টেমগুলির মধ্যে এখন সবথেকে জনপ্রিয় অ্যান্ড্রয়েড। কিন্তু এই অ্যান্ড্রয়েডের সম্পর্কে কতটা জানেন? জেনে নিন অ্যান্ড্রয়েডের অজানা ৫টি তথ্য।
১) সারা বিশ্বে যত স্মার্টফোন রয়েছে, তার মধ্যে ৮১ শতাংশ স্মার্টফোনেই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে।
২) আমরা অনেকেই মনে করি গুগল আর অ্যান্ড্রয়েড একই কোম্পানি। কিন্তু আসলে তা নয়, গুগল অ্যান্ড্রয়েড তৈরি করেনি।
৩) প্রথম অ্যান্ড্রয়েড প্রোটোটাইপ অনেকটা ব্ল্যাকবেরির মতো দেখতে ছিল।
৪) ২০০৮ সালে প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন লঞ্চ করেছিল।
৫) এখনও পর্যন্ত অ্যান্ড্রয়েডের সব ভার্সনের নামই মিষ্টির নামে রাখা হয়েছে।


অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের জন্য সব পেশা নয়। কিছু পেশা রয়েছে তাতে অন্তর্মুখী ব্যক্তিরা ভালো করেন। এ লেখায় রয়েছে তেমন কিছু পেশার কথা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১০. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার
অন্তর্মুখী ব্যক্তিরা মোটেও মানুষকে অপছন্দ করেন না। তারা মূলত আশপাশে উৎসুক মানুষকে অপছন্দ করেন। আর এ কারণে বহু অন্তর্মুখী ব্যক্তিরই পছন্দ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাজ করা। এক্ষেত্রে একটি ভালো কাজ হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। অসংখ্য ফেসবুক কিংবা টুইটারের মেসেজ আদান-প্রদান ও ভক্তদের সামলানো তাদের কাজ। ভার্চুয়াল জগতে বিচরণ ও অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ দক্ষতা তারা এতে সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।
৯. স্মল-ইঞ্জিন মেকানিক
অনেকের কাছেই ইঞ্জিন ঠিক করা কিংবা ইঞ্জিন নিয়ে পড়ে থাকাকে একঘেয়ে মনে হতে পারে। কিন্তু এটি অন্তর্মুখীদের জন্য অত্যন্ত ভালো কাজ। তারা এ কাজ থেকে যথেষ্ট ভালো উপার্জন করতে পারেন। এছাড়া একাগ্রভাবে কাজ করায় তাদের এক্ষেত্রে ভালো উন্নতিও হতে পারে।
৮. বনকর্মী
কোনো পার্কে কিংবা বনভূমিকে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করা অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের জন্য হতে পারে খুবই আকর্ষণীয় কাজ। তারা প্রকৃতির মাঝে বিভিন্ন গাছপালা ও পরিবেশ বিষয়ে নানা তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। এ কাজে গাছপালা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ যাদের ভালো লাগে তাদের জন্য যথেষ্ট আকর্ষণীয়।
৭. কিউরেটর ও মিউজিয়াম টেকনিশিয়ান
অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের জাদুঘর, লাইব্রেরি ইত্যাদিতে থাকতে ভালো লাগে তারা এ ধরনের কাজ দেখতে পারেন। এ কাজে জাদুঘরে অসংখ্য প্রত্নবস্তু যত্ন করে রাখা কিংবা লাইব্রেরিতে অসংখ্য বইয়ের মাঝে নিজের আনন্দ খুঁজে নেওয়া যেতে পারে। আর এমন চাকরিতে বেতনও কম নয়।
৬. ওয়েব ডেভেলপার
ওয়েবসাইট তৈরি কিংবা উন্নয়ন করা হতে পারে অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের অন্যতম প্রিয় পেশা। এ কাজে সারাক্ষণ কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকতে হয় না। নানা সৃজনশীলতা ব্যবহার করে ওয়েবসাইট উন্নয়ন করতে হয়। এ কারণে অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের মাঝে এটি অন্যতম জনপ্রিয় পেশা।
৫. শিল্পী
শিল্পীরা রং-তুলি, ভাস্কর্য কিংবা পেন্সিল নিয়ে তাদের দিন পার করে দিতে পারেন। এ কাজে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ ও কথাবার্তার তুলনায় নিজের সৃজনশীলতার বিকাশই গুরুত্ব পায়। আর এ ধরনের পেশায় প্রচুর অর্থও কামানো যায়।
৪. ভিডিও গেম আর্টিস্ট
ভিডিও গেমের বিভিন্ন চরিত্র ও দৃশ্য বাস্তবতার সঙ্গে তুলনা করে ভার্চুয়াল জগতে স্থাপন করার কাজ এটি। এ কাজে অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের সৃজনশীলতা প্রকাশের বহু উপায় রয়েছে।
৩. প্রাইভেট শেফ
রান্নার কাজটি অনেকে হেলাফেলা করলেও এটি মূলত মোটেও তেমন কাজ নয়। সঠিক স্থানে নিয়োজিত হতে পারলে এ কাজের উপার্জন যথেষ্ট বেশি। অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের সৃজনশীলতা প্রকাশের জন্যও এটি খুবই ভালো কাজ। নিজের উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও ধৈর্য প্রকাশ করা যায় এতে।
২. পরিসংখ্যানবিদ
বিভিন্ন পরিসংখ্যানের বিষয় নিয়ে কাজ করেন পরিসংখ্যানবিদরা। এ কাজগুলো যারা করেন তারা সারাক্ষণ হিসাবপত্র নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের মাঝে এ কাজগুলো যাদের প্রিয় তারা যথেষ্ট ভালো বেতনের এ কাজটি দেখতে পারেন।
১. পেট্রলিয়াম জিওলজিস্ট
অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের মাঝে সবচেয়ে ভালো বেতন পান পেট্রলিয়াম জিওলজিস্টরা। এটি অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের চরিত্রের সঙ্গেও মানিয়ে যায়। তেল ও গ্যাস তোলার জন্য বড় এলাকার ইঞ্জিনিয়ারিং, মডেলিংয়ে ও নানা উপাত্ত বিশ্লেষণে সময় কাটান এ ধরনের ব্যক্তিরা।


স্মার্টফোনের বাজারে শক্ত অবস্থানে নেই মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ফোন। আর তাইতো ফোনের নিত্যনতুন কনসেপ্ট নিয়ে ভাবছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি ফোনের জনপ্রিয় ব্লগ সাইট প্রাইজপোনি মাইক্রোসফটের কনসেপ্ট ফোন ড্রাশফোন নিয়ে একটি রিভিউ প্রকাশ করেছে। 
এই ফোনটির বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ভাঁজ করা যায়। ভাঁজ করা অবস্থায় এটি ফোন। ভাঁজ খুললো ট্যাবলেটের আকার নেয়।ডিভাইসটিকে চমকপ্রদ ডিজাইনে এটি তৈরি করা হয়েছে। ফোনটিকে ভাঁজ করে পকেটে কিংবা হাতের তালুরে ভরে নেয়া যায়।  

মাইক্রোসফটের এই কনসেপ্ট ফোনটিকে তিনধাপে ভাঁজ করা যায়। এটি খুবই পাতলা ও হালকা। 
ফোনটি ফুল মেটাল ফ্রেমে ডিজাইন করা হয়েছে। এর ক্যামেরাও এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, এটাকে ভাঁজ করলেও ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
ফোনটির রিয়ারে তিনটি ফিজিক্যাল বাটন এবং ডুয়েল ফ্রন্ট স্পিকার রয়েছে। 
ফোনটির কনফিগারেশন সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 
দেখুন ভিডিওতে:


বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বেতন প্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হলেন গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি গত বছর যে পরিমাণ অর্থ গুগল থেকে পেয়েছেন, তা শুনলে অবাক নয় হতবাক হবেন।
গত বছর গুগল থেকে তার প্রাপ্ত অর্থ ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৭৭৮ কোটি টাকার বেশি। গত বছরের আগষ্ট মাসে কোম্পানি পুনর্গঠনের সময় অ্যালফাবেট ইনকরপোরেশন গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সুন্দর পিচাইকে নিয়োগ দেয়।
২০১৫ সালে সুন্দর পিচাই মোট ১০০ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বেতন পেয়েছেন। অথচ গুগলের অভিভাবক সংস্থা অ্যালফাবেট ইনকরপোরেশনের নির্বাহী চেয়ারম্যান এরিক ই স্মিডটের এ অঙ্কটা কমে দাাঁড়ায় ৮ মিলিয়ন ডলারে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুন্দর পিচাইয়ের মূল বেতন ছয় লাখ ৫২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার।


নানা ফিচারের নিত্যনতুন স্মার্টফোন সাশ্রয়ী দামে গ্রাহকদের হাতে তুলে দিতে বাজারে বরাবরই এগিয়ে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। এরই ধারাবাহিকতায় ওয়ালটন এবার বাজারে নিয়ে এসেছে প্রিমো জিএইচ সিরিজের স্বল্প মূল্যের আকর্ষণীয় ফিচারের নতুন স্মার্টফোন ‘প্রিমো জিএইচ-ফাইভ মিনি’।

অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ললিপপ অপারেটিং সিস্টেমে চালিত এই স্মার্টফোনটিতে রয়েছে আইপিএস এবং ওজিএস প্রযুক্তির ৪.৫ ইঞ্চি এফডব্লিউভিজিএ স্ক্রিনের ডিসপ্লে। স্ক্র্যাচ থেকে ডিসপ্লে সুরক্ষায় ব্যবহৃত হয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস।

প্রসেসর হিসেবে রয়েছে ১.৩ গিগাহার্জ কোয়াড কোর প্রসেসর, গ্রাফিক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে মালি ৪০০। মেমোরির ক্ষেত্রে রয়েছে ১ জিবি র‌্যাম, ১৬ জিবি ইন্টারনাল মেমোরি এবং মেমোরি কার্ডের মাধ্যমে আরো ১২৮ জিবি পর্যন্ত বর্ধিত মেমোরি ব্যবহারের সুবিধা। ফলে সেটটিতে অনেক বেশি ভিডিও, ছবি, মিউজিক, অ্যাপস প্রভৃতি সংরক্ষণ করা যাবে।

ডুয়াল সিম, ডুয়াল স্ট্যান্ডবাই সুবিধার এই হ্যান্ডসেটটির উভয় সিম স্লটেই থ্রিজি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা যাবে।


স্মার্টফোনটিতে রিয়ার ক্যামেরার ক্ষেত্রে রয়েছে অটোফোকাস ও এলইডি ফ্ল্যাশ সুবিধাসহ বিসিআই সেন্সরযুক্ত ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। রিয়ার ক্যামেরার ফিচার হিসেবে রয়েছে ফেস ডিটেকশন, ডিজিটাল জুম, সেল্ফ টাইমার, অটো ফোকাস, টাচ ফোকাস ও টাচ শট। রিয়ার ক্যামেরার সাহায্যে নরমাল মোড ছাড়াও বিভিন্ন আকর্ষণীয় মোডে ছবি তোলা যাবে। যেমন ফেস বিউটি, এইচডিআর, জিফ এবং প্যানারোমা মোড। এছাড়া রিয়ার ক্যামেরার সাহায্যে এইচডি ভিডিও ধারণ করা যাবে।

ভিডিও কল ও সেলফির জন্য রয়েছে ২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। সেলফির ক্ষেত্রে নরমাল মোড, ফেস বিউটি ও জিফ মোডে সেলফি তোলা যাবে। ডিজিটাল জুম, সেল্ফ টাইমার, টাচ শট ফিচার সুবিধা রয়েছে ফ্রন্ট ক্যামেরায়।

ইয়ারফোনে গান শোনা ও মুভি দেখায় রয়েছে ডিটিএস সাউন্ড সিস্টেম। ফলে অনেক বেশি জীবন্ত ও পরিস্কার শব্দানুভূতি পাওয়া যাবে।

যেহেতু এখনকার বাচ্চারা অভিভাবকের স্মার্টফোনে গেমস খেলার জন্য বায়না করে থাকে, তাই ওয়ালটনের নতুন এই ‘প্রিমো জিএইচ-ফাইভ মিনি’ স্মার্টফোনটিতে রয়েছে চিলড্রেন মোড সুবিধা। ফলে গেমস বা অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট ব্যবহারে ছোট বাচ্চাদের হাতে ফোন থাকাকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপস, ফাইল বা ছবি মুছে যাওয়ার আশংকা থাকবে না। চিলড্রেন মোডে শুধু শিশুদের উপযোগী বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া অ্যাপস রাখার সুবিধা থাকায়, ফোনের গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো থাকবে নিরাপদ।


প্রিমিয়াম আউটলুকের এই হ্যান্ডসেটটিতে অন্যান্য আকর্ষণীয় ফিচারের মধ্যে রয়েছে ডাবল টেপ টু ওয়াক অ্যান্ড স্লিপ (স্ক্রিনে দুবার টোকা দিয়ে স্ক্রিন অন/অফ করা), রেকর্ডিং সুবিধাসহ এফএম রেডিও, ফুল এইচডি ভিডিও প্লেব্যাক, জিপিএস সুবিধা এবং ১৮৫০এমএএইচ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি।

কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে রয়েছে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট, ওয়াই-ফাই হটস্পট এবং ওটিএ সুবিধা। সেন্সর হিসেবে রয়েছে অ্যাকসিলেরোমিটার (থ্রিডি), লাইট (ব্রাইটনেস), ম্যাগনেটিক ফিল্ড (কম্পাস), ওরিয়েন্টেশন ও প্রক্সিমিটি।

এতসব আকর্ষণীয় ফিচারসমৃদ্ধ ওয়ালটনের প্রিমো জিএইচ-ফাইভ মিনি স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে মাত্র ৫ হাজার ৬৯০ টাকায়। মেটালিক ব্ল্যাক, পিওর হোয়াইট, স্কাই ব্লু- এই ৩টি ভিন্ন কালারে বাজারে এসেছে নতুন এই স্মার্টফোনটি।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.