এই প্রথম জানা গেল মঙ্গলে প্রাণের রহস্য!


আজ যেমন অবস্থায় আছে, ঠিক সেই রকম পরিত্যক্ত আর শীতল হয়েই যদি অন্তরীক্ষে পড়ে থাকত লাল গ্রহ, তবে সেখানে কি প্রাণের অস্তিত্ব থাকত?
কখনই নয়! উত্তাপ ছাড়া যে প্রাণ থাকা সম্ভব নয়, সে তো শিশুরাও জানে।
তাহলে মঙ্গলের মাটিতে প্রাণ এল কী করে?
সেই তথ্যই এবার প্রকাশ্যে এনে চমকে দিচ্ছেন মহাকাশ-বিজ্ঞানীরা। তাঁদের দাবি, ধূমকেতু আর গ্রহাণুর বিস্ফোরণই মঙ্গলে প্রাণের জন্ম দিয়েছিল। ক্রমাগত বিস্ফোরণ আর তাপবিকিরণে উত্তপ্ত হয়েই মঙ্গল প্রাণের অনুকূল একটি গ্রহে পরিণত হয়েছে।
মঙ্গলে যে প্রাণ ছিলই- সে বিষয়ে যত দিন যাচ্ছে, নিশ্চিত হচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যেই প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে যে লাল গ্রহে একদা বহতা জলের ধারার অস্তিত্ব ছিল। খোঁজ মিলেছে শুকিয়ে যাওয়া শতাব্দী-প্রাচীন নদীখাত, ব-দ্বীপ এবং নদীতটেরও!
সেই সূত্র ধরেই বিজ্ঞানীরা কম্পিউটার সিমুলাইজেশনের সাহায্যে খুঁজতে নেমেছিলেন মঙ্গল গ্রহের উষ্ণ এবং শীতল তাপপ্রবাহের গতিবিধি। দেখা গেল, অসংখ্য ধূমকেতু আর গ্রহাণুর বিস্ফোরণে প্রাণের উপযোগী উষ্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছিল মঙ্গলের মাটিতে। তবে, সেটুকুর কথা বাদ দিলে বেশির ভাগ সময়টাই মঙ্গল কাটিয়েছে শীতল থেকে শীতলতর দশায়!
একই অবস্থা হতে পারত পৃথিবীরও। হয়নি কেবল তার সমুদ্রপৃষ্ঠের অস্তিত্বের জন্য। সমুদ্রপৃষ্ঠ স্রোত ক্রমাগত বহমান হয়ে ধরে রেখেছে পৃথিবীর উষ্ণতা, ফলে পৃথিবীতে প্রাণ থেকে গেছে, অভিমত বিজ্ঞানীদের। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2016/04/08/345064#sthash.qTvhkKbu.dpuf