বিশ্বের সেরা তিন হোটেল স্যুট


এই পৃথিবী এক অর্থে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য। এই গ্রহের মানুষ হওয়া স্বত্ত্বেও খুব অল্পসংখ্যক মানুষই আছেন যারা গোটা পৃথিবীর অধিকাংশ জায়গা ঘুরে দেখতে পারেন। ইবনে বতুতা কিংবা ফা হিয়েনের সময় শেষ হয়ে এখন চার্লসদের সময়। একটা সময় ছিল যখন ভ্রমণপিপাসু ব্যাক্তিরা পথের ক্লান্তি দূর করা কিংবা কিছুদিন যাত্রাবিরতি নেবার জন্য বিভিন্ন সরাইখানায় থাকতেন। কিন্তু সময় এখন পাল্টেছে, মানুষ এখন কোথাও যাবার আগেই সেই স্থান এবং বাসস্থানের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জেনেই তবে যায়। তাই যারা ভ্রমণপিপাসু আছেন, তারা চাইলে এমন তিনটি হোটেল এবং সেই হোটেলের দামি স্যুটগুলোর নাম জেনে রাখতে পারেন, যাতে পৃথিবীর আভিজাত্যের জগতটাও একটু ঘুরে দেখা যায়।
রয়েল স্যুট – বুর্জ আল আরব, দুবাই
burj-al-arab-royal-two-bedroom-suite-11-hero
দুবাইয়ের এই রাজকীয় হোটেলে প্রবেশ করলে মনে হবে যেন স্বপ্নের মহলে প্রবেশ করেছেন। আধুনিক সুযোগসুবিধার সবকিছুই পাওয়া যাবে এই হোটেলটিতে। হোটেলের দুই কক্ষ বিশিষ্ট রয়েল স্যুটগুলোতে রয়েছে দুটি করে বেডরুম। রুম দুটির আভ্যন্তরীন শিল্পশৈলী ও কারুকাজ নজর কাড়ার মত। হোটলটিতে রয়েছে ব্যাক্তিগত ভাবে সিনেমা দেখার জায়গা ও অতিথিদের জন্য নিজস্ব রুমবয়। এছাড়া হোটেলের রুমের জানালা দিয়ে দুবাইয়ের সুন্দর ও মনোরম দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগতো থাকছেই।
মান্তা রিসোর্ট – আন্ডারওয়াটার স্যুট
uw-room
আফ্রিকায় অবস্থিত এই রিসোর্টের স্যুট অবস্থিত ভারত মহাসাগরের ১৩ ফুট নিচে। রিসোর্টটিতে রয়েছে সার্বক্ষণিক খানসামা ব্যবস্থা,। রয়েছে অতিথিদের জন্য ব্যাক্তিগত বার। এছাড়া অথিতিদের জন্য থাকবে আইপ্যাড ও আইম্যা এর ব্যবস্থা। তবে এই হোটেলটি পানির নীচে নানা প্রজাতির মাছ দেখার জন্য বিখ্যাত। অনেক ভ্রমণপিয়াসী পানির নীচে মাছদের এই অবাধ বিচরণ দেখার জন্যও হোটেলটিতে আসেন।
ফোর সিজন হোটেল – তাই ওয়ার্নার স্যুট
21
নিউইয়র্কের দি ওয়ার্নার স্যুট পৃথিবীর দ্বিতীয় ব্যায়বহুল স্যুটগুলোর মধ্যে একটি। ৩৬০ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেলে তৈরি এই হোটেল রুমটিতে বসে নিউইয়র্ক শহরের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। এছাড়া রুমের বেশির ভাগ দেয়ালেই চোখে পড়বে ফ্রান্সের চিত্র শিল্পীদের আঁকা নানান চিত্রকর্ম।