পৃথিবীর বিধ্বংসী ১০ বন্দুক

যুদ্ধে সৈনিকদের বড় ভরসা বন্দুক। হাতে ভাল বন্দুক থাকলে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করা যায় সহজেই। সৈন্য বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা অত্যাধুনিক এবং বিধ্বংসী রাইফেল ব্যবহার করা শুরু করেছে। এক ঝলকে দিন পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ১০টি বন্দুক। 

থম্পসন এম১৯২১ সাব-মেশিনগান
এই বন্দুক শুধু সেনাবাহিনী নয়, বিভিন্ন দেশের পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থা এবং অন্যান্য নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি ব্যবহার করে। আন্ডারওয়ার্ল্ডেও এই বন্দুকের খুব চাহিদা।
ডিএসআর-প্রিসিশন ডিএসআর ৫০
ডিএসআর-প্রিসিশন ডিএসআর ৫০ স্নাইপার রাইফেল জার্মানিতে তৈরি এই রাইফেলকে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী রাইফেল মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। গতি, ক্যালিবার এবং আঘাতের ক্ষমতা, এই তিন মাপকাঠিতেই অন্য সব রাইফেলের চেয়ে এগিয়ে এই রাইফেল। এই বন্দুকে অতিরিক্ত গুলি মজুত করার জায়গা থাকায় লড়াইয়ের সময় খালি হয়ে যাওয়া ম্যাগাজিন ফের ভরে নিতে সময় লাগে না।
উজি
উজি একটি সাব-মেশিনগান। এটি ইজরায়েলে তৈরি। আকারে ছোট অথচ প্রবল শক্তিশালী হওয়ায়
এই বন্দুক ব্যবহার করা সুবিধাজনক। এক সঙ্গে অনেক রাউন্ড ফায়ার করা এবং প্রয়োজনে
নিশানা করে গুলি চালানো, দু’ধরনের কাজেই এই বন্দুক ব্যবহার করা যায়।
এক্সএম ৩০৭ এসিএসডব্লিউ
এক্সএম ৩০৭ এসিএসডব্লিউ অ্যাডভান্সড হেভি মেশিনগান আমেরিকায় তৈরি এই বন্দুক দু’জনে মিলে চালাতে হয়। এক মিনিটে ২৬০ রাউন্ড গুলি ছোড়া যায়।
এমজি৩ মেশিনগান
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এই বন্দুক খুব ব্যবহৃত হয়েছিল। প্রবল গতির কারণে এই বন্দুকের চাহিদা খুব।
এফ-২০০০ অ্যাসল্ট রাইফেল
বেলজিয়ামে তৈরি এই বন্দুকের গুলির আকার বেশ বড়। ভারী গুলি বর্ষণের জন্য উপযুক্ত।
থম্পসন এম ১৯০ মেশিনগান
এক মিনিটে ৬০০ রাউন্ড গুলি চালাতে পারে এই বন্দুক।
হেক্লার অ্যান্ড কশ এইচকে ৪১৬
হেক্লার অ্যান্ড কশ এইচকে ৪১৬ অ্যাসল্ট রাইফেল জার্মান সংস্থাটির তৈরি এই রাইফেল ভয়ঙ্করতম বন্দুকের তালিকায় অষ্টম স্থানে। একে আমেরিকার এম৪ রাইফেলের উন্নত সংস্করণও বলা হয়।
এমজি৪ এমজি৪৩ মেশিনগান
জার্মান সংস্থা হেক্লার অ্যান্ড কশ-এর তৈরি এই বন্দুক ২০০১ সালে বাজারে এসেছে। খুব অল্প সময়ে প্রচুর গুলি চালানো এবং টার্গেটে নির্ভুল আঘাত হানতে পারে বলে একে ‘কিলার মেশিন’ও বলা হয়।
কালাশনিকভ একে ৪৭
রাশিয়ায় তৈরি এই রাইফেল গোটা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত। সক্ষমতার তালিকায় এটি দশম স্থানে। মিনিটে ৫৮০টি গুলি ছোড়া যায়।