কাপরে লাগল বৈশাখী রং

পয়লা বৈশাখ মানে লাল-সাদা নাকি অন্য রঙেও উৎসব উদ্যাপন—এ নিয়ে কাটাছেঁড়া চলছেই। ডিজাইনাররাও অবশ্য এর পরীক্ষা দিচ্ছেন গত তিন-চার বছর ধরে। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের পোশাকে নকশা আর রঙে দুটোতেই প্রতিবছর কোনো না কোনো পরিবর্তন আসছে। এবারও ব্যতিক্রম নয়। লাল-সাদার বাইরে অন্য উজ্জ্বল রঙের বাহার। তারপরও লাল-সাদার শাড়ি-পাঞ্জাবির আবেদন কি কখনো ফুরোবে? ঐতিহ্যের টান বলে কথা!ডিজাইনার আমিনা রহমানের মতে, ঐতিহ্যের আবেদন সব সময় থাকবে। এটি অফুরান। তিনি বলেন, ‘যত কিছুই হোক আটপৌরে সুতি আর গরদ শাড়িতেই তো আমাদের মা-খালারা বৈশাখ উদ্যাপন করেছেন, যার ধারাবাহিকতা এখনো বহমান। তবে এবার আমি একেবারে ইতিহাসের গোড়ায় যাওয়ার চেষ্টা করেছি। শাড়ির নকশায় ফুটিয়ে তুলেছি মোগল মিনিয়েচার, যাদের হাত ধরে পয়লা বৈশাখ উদ্যাপন শুরু। লাল পাড় আর সাদা শাড়ির আঁচলে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মূল নকশা। জমিনে আছে নানা পুঁতির কাজ। পাঞ্জাবিতেও পুরোনো ধাঁচকে নতুন করে আনা হয়েছে। এ ছাড়া পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে গয়না ও জুতাও করেছি। মূল চিন্তা ছিল ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মিশেল ঘটানো।’
ঐতিহ্য ধরে এগিয়ে চলা। আবার উৎসব বটে। তাই শুধু লাল-সাদায় থেমে থাকলে কী চলবে? এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন ডিজাইনার আইভি হাসান। তিনি বলেন, উৎসব মানেই রঙিন পোশাক। আর পয়লা বৈশাখ তো সর্বজনীন। সবাই শামিল হয় উৎসবে। তাই পোশাকে উজ্জ্বল রং প্রাধান্য পেয়েছে এবারের পোশাকে। শাড়ি, পাঞ্জাবি, ফতুয়া ও সালোয়ার-কামিজে লাল-সাদার পাশাপাশি কমলা, হলুদ, নীল, খয়েরি, সবুজ প্রভৃতি রঙের ব্যবহার করেছি । কাপড় হিসেবে বেছে নিয়েছি সুতি, সিল্ক ও মসলিন। আর নকশা এগিয়েছে প্রকৃতি, লোকজ মোটিফ, গুহাচিত্র ও আদিবাসীদের কথা মাথায় রেখে। যামিনী রায়ে কিছু ড্রয়িং ও রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতার ক্যালিগ্রাফি দিয়ে শাড়ির নকশা করেছি।’
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ফ্যাশন হাউসগুলোও সেজেছে নানা সাজে। বর্ণিল সব পোশাকের সম্ভার নিয়ে সাজ সাজ রব তাদের। চট্টগ্রামের আফমি প্লাজার দেশী দশে এখন ক্রেতাদের আনাগোনা বেশ। ষোলোশহরের আড়ং ক্রেতার ভিড়ে ঠাসা। বিক্রিও চলছে সমানে। এ ছাড়া শৈল্পিক, ডলস হাউস, মিয়া বিবি, পিণন, রওশনস, অনিন্দ্য, নক্ষত্র, মিরনস, মুনমুনস, চারু চট্টগ্রাম, বাঙালিবাবু প্রভৃতি ফ্যাশন হাউসে চলছে জমজমাট বিকিকিনি। এদিকে নগরের টেরিবাজার, রিয়াজউদ্দিন বাজার, সানমার, নিউমার্কেট, লাকী প্লাজায়ও বৈশাখী পোশাকের বিক্রি চলছে সমানে।
পোশাকের নকশায় দেখা গেছে, দেশীয় নানা মোটিফ—ঘুড়ি, কলস, হাতপাখা, ফুল, ময়ূর, টেপা পুতুল প্রভৃতি। কাপড়ে প্রাধান্য পেয়েছে সুতি, সিল্ক, মসলিন ও লিলেন। শাড়িতে রয়েছে সাঁওতালদের ঘরের আলপনার নকশা, তাসের দেশ, যামিনী রায়ের আঁকা ছবি, শখের হাঁড়ির রং, ফুল ও গাছের নকশা। নজরকাড়া কাজ সালোয়ার-কামিজেও। ছেলেদের পাঞ্জাবি, ফতুয়া ও টি-শার্টের নকশায়ও আনা হয়েছে বৈচিত্র্য।
কিছু ফ্যাশন হাউস শিশুদের জন্য শাড়ি এনেছে। আবার ছোটদের তো শাড়ি সামলানো মহা হ্যাপা। এই সমস্যা কাটাতে রয়েছে তৈরি (রেডিমেড) শাড়ি। কুচি সেলাই করা এই শাড়িগুলো স্কার্টের মতো পরে নেওয়া যায়। সঙ্গে ব্লাউজও থাকে। এ ছাড়া পাঞ্জাবি, টি-শাট, ফতুয়া, স্কার্ট, টপস তো আছেই।
ইতিহাসের গোড়ায় যাওয়ার চেষ্টা করেছি। শাড়ির নকশায় ফুটিয়ে তুলেছি মোগল মিনিয়েচার, যাদের হাত ধরে পয়লা বৈশাখ উদ্যাপন শুরু। লাল পাড় আর সাদা শাড়ির আঁচলে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মূল নকশা। জমিনে আছে নানা পুঁতির কাজ। পাঞ্জাবিতেও পুরোনো ধাঁচকে নতুন করে আনা হয়েছে। এ ছাড়া পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে গয়না ও জুতাও করেছি। মূল চিন্তা ছিল ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মিশেল ঘটানো।’
ঐতিহ্য ধরে এগিয়ে চলা। আবার উৎসব বটে। তাই শুধু লাল-সাদায় থেমে থাকলে কী চলবে? এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন ডিজাইনার আইভি হাসান। তিনি বলেন, উৎসব মানেই রঙিন পোশাক। আর পয়লা বৈশাখ তো সর্বজনীন। সবাই শামিল হয় উৎসবে। তাই পোশাকে উজ্জ্বল রং প্রাধান্য পেয়েছে এবারের পোশাকে। শাড়ি, পাঞ্জাবি, ফতুয়া ও সালোয়ার-কামিজে লাল-সাদার পাশাপাশি কমলা, হলুদ, নীল, খয়েরি, সবুজ প্রভৃতি রঙের ব্যবহার করেছি । কাপড় হিসেবে বেছে নিয়েছি সুতি, সিল্ক ও মসলিন। আর নকশা এগিয়েছে প্রকৃতি, লোকজ মোটিফ, গুহাচিত্র ও আদিবাসীদের কথা মাথায় রেখে। যামিনী রায়ে কিছু ড্রয়িং ও রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতার ক্যালিগ্রাফি দিয়ে শাড়ির নকশা করেছি।’
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ফ্যাশন হাউসই সেজেছে নানা সাজে। বর্ণিল সব পোশাকের সম্ভার নিয়ে সাজ সাজ রব তাদের। চট্টগ্রামের আফমি প্লাজার দেশী দশে এখন ক্রেতাদের আনাগোনা বেশ। ষোলোশহরের আড়ং ক্রেতার ভিড়ে ঠাসা। বিক্রিও চলছে সমানে। এ ছাড়া শৈল্পিক, ডলস হাউস, মিয়া বিবি, পিণন, রওশনস, অনিন্দ্য, নক্ষত্র, মিরনস, মুনমুনস, চারু চট্টগ্রাম, বাঙালিবাবু প্রভৃতি ফ্যাশন হাউসে চলছে জমজমাট বিকিকিনি। এদিকে নগরের টেরিবাজার, রিয়াজউদ্দিন বাজার, সানমার, নিউমার্কেট, লাকী প্লাজায়ও বৈশাখী পোশাকের বিক্রি চলছে সমানে।
পোশাকের নকশায় দেখা গেছে দেশীয় নানা মোটিফ—ঘুড়ি, কলস, হাতপাখা, ফুল, ময়ূর, টেপা পুতুল প্রভৃতি। কাপড়ে প্রাধান্য পেয়েছে সুতি, সিল্ক, মসলিন ও লিলেন। শাড়িতে রয়েছে সাঁওতালদের ঘরের আলপনার নকশা, তাসের দেশ, যামিনী রায়ের আঁকা ছবি, শখের হাঁড়ির রং, ফুল ও গাছের নকশা। নজরকাড়া কাজ সালোয়ার-কামিজেও। ছেলেদের পাঞ্জাবি, ফতুয়া ও টি-শার্টের নকশায়ও আনা হয়েছে বৈচিত্র্য।
কিছু ফ্যাশন হাউস শিশুদের জন্য শাড়ি এনেছে। আবার ছোটদের তো শাড়ি সামলানো মহা হ্যাপা। এই সমস্যা কাটাতে রয়েছে তৈরি (রেডিমেড) শাড়ি। কুচি সেলাই করা এই শাড়িগুলো স্কার্টের মতো পরে নেওয়া যায়। সঙ্গে ব্লাউজও থাকে। এ ছাড়া পাঞ্জাবি, টি-শাট, ফতুয়া, স্কার্ট, টপস তো আছেই।