চলছে MAGGI Mega Offer! MAGGI নুডল্‌স ৪টি প্যাক-এর সাথে পাচ্ছেন ১টি Food Container, ৮টি প্যাক-এর সাথে ১টি Water Bottle এবং ১২টি প্যাক-এর সাথে ১টি Tiffin Box ফ্রি। আপনার সোনামণিকে সারপ্রাইজ গিফট হিসেবে কোনটি দিচ্ছেন?

গরুর সেই একই রকম মাংস ভুনা আর কতদিন খেতে ভালো লাগে? তাই গরুর মাংস দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন নতুন কোনো আইটেম। সবাই খাবার টেবিলে চায় নতুন নতুন ও ভিন্ন স্বাদের সব খাবার আইটেম। তাই আপনি তৈরি করতে পারবেন গরুর মাংসের নতুন ৮টি পদ।

The-new-8-beef-recipes

গার্লিক বিফ: যারা গরুর মাংস ঝাল করে খেতে পছন্দ করেন তাদের জন্য গার্লিক বিফের তুলনা হয় না। ঈদের দিন ঘরেই পাবেন রেস্তোরার গার্লিক বিফের মজাদার স্বাদ।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, হলুদ ও মরিচ গুঁড়া ১ কাপ, আদা ও রসুন বাটা আধা চা চামচ, রসুনের কোয়া ৪/৫টি, ধনে ও জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, টেস্টিং সল্ট সামান্য, তেল আধা কাপ, মাংসের মসলা আধা চা চামচ, টমেটো সস আধা কাপ, টক দই ১ কাপ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো।


 
প্রস্তুত প্রণালী: মাংস ধুয়ে কেটে নিন। একটি পাত্রে মাংস, হলুদ, মরিচ, টক দই, আদা, রসুন, লবণ , ধনে, জিরা গুঁড়া, টেস্টিং সল্ট ভালো করে মিশিয়ে ২০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে মাংস দিয়ে নেড়ে কষাতে হবে।

কষানো হলে সামান্য পানি দিয়ে নেড়ে ঢেকে রাখতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে টমেটোসস, কাঁচামরিচ ফালি ও রসুনের কোয়া দিয়ে ১০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

গরুর মেজবানি মাংস: বিয়ের অনুষ্ঠানে বা রেস্টুরেন্টে গেলে খেতে পারেন গরুর মেজবানি মাংস। কিন্তু চাইলে এইে ঈদে আপনিও ঘরে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু ও ঐতিহাসিক গরুর মেজবানি মাংস।

প্রয়োজনীয় উপকরণ: গরুর মাংস ২ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ ও মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, ধনে ও জিরা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ১ কাপ, মাংসের মসলা ১ চা চামচ, টক দই ১ কাপ, কাঁচামরিচ ১০/১২টি, গোলমরিচ ১ চা চামচ, দারচিনি ও এলাচ ৫/৬টি, জয়ফল ও জয়ত্রী আধা চা চামচ, মেথি গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো।


 
প্রস্তুত প্রণালী: মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটি পাত্রে মাংস, তেল, টক দই, হলুদ, মরিচ, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, লবণ ও সব মসলা নিয়ে মেরিনেট করে রাখুন। অর্ধেক পেঁয়াজ তেলে ভেজে বেরেস্তা করে নিন।

চুলায় হাঁড়ি বসিয়ে মেরিনেট করা মাংস কষাতে থাকুন। হাঁড়িতে ২ কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে আরো কিছুক্ষণ কষাতে হবে। মাংস থেকে পানি ঝরে গেলে মৃদু আঁচে মাংস সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।

মাংসের পানি শুকিয়ে এলে কাঁচামরিচ, ধনে, জিরা গুঁড়া দিয়ে মৃদু আঁচে ১০ মিনিট দমে রেখে নামিয়ে পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু গরুর মেজবানি মাংস।

কাটা মসলায় বিফ ভুনা: ঈদের দিন খিচুরী বা পোলাও দিয়ে গরুর মাংস ভুনা খাওয়ার কথা চিন্তা করলেই জিভে পানি এসে যায়। আর এই ভুনা মাংস যদি হয় কাটা মসলার ভুনা তাহলে তো কথাই নেই। ঈদের আনন্দ হয়ে যাবে দ্বিগুণ।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, আদা বাটা ১ টেবিল চাচমচ, রসুন বাটা আধা টেবিল চামচ, জয়ফল ও জয়ত্রী আধা টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া সামান্য, দারচিনি, এলাচ, তেজপাতা ১/২ টি, শুকনো মরিচ কাটা ১৫/২০টি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, টক দই আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, তেল পরিমাণমতো।

 
 
প্রস্তুত প্রণালী: টক দই দিয়ে মাংস আধা ঘণ্টা ভালো করে মেরিনেট করে রেখে দিতে হবে। চুলায় তেল গরম হলে মাংস ছেড়ে দিয়ে ভালো করে ভাজতে হবে। ভাজা হলে পেঁয়াজ কুচি ও শুকনো মরিচ দিতে হবে। এবার সব মসলা মাংসে দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে।

কষানো হলে একটু পানি দিয়ে দমে বসিয়ে রাখতে হবে। মাংসের ওপর তেল ভেসে উঠলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন কাটা মসলায় বিফ ভুনা।

গরুর কড়াই গোস্ত: কাশ্মীরি পোলাও এর সঙ্গে সব থেকে বেস্ট যে আইটেমটি যায় তাহলো গরুর কড়াই গোস্ত।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, হলুদ ও মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, রসুন কোয়া ২/৩টি, মাংসের মসলা ১ চা চামচ, দারচিনি ও এলাচ ৩/৪ টুকরো, জয়ফল ও জয়ত্রী বাটা ১ চা চামচ, টক দই ১ কাপ, টমেটো কিউব ১ কাপ, তেজপাতা ২টি, তেল ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো।


 
প্রস্তুত প্রণালী: মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিয়ে একটি পাত্রে মাংস, টক দই, লবণ ও সব মসলা একসঙ্গে ভালো করে মেখে ২০ মিনিট মেরিনেট করে রাখুন। হাঁড়িতে তেল গরম করে অর্ধেক পেঁয়াজ কুচি, দারচিনি, এলাচ, তেজপাতা হালকা বাদামী করে ভেজে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে নেড়ে কষাতে হবে। ৪ কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে।
মাংস সিদ্ধ হয়ে আসলে ও মাংসের ওপর তেল ভেসে উঠলে নামিয়ে রাখতে হবে। তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি, রসুনের কোয়া, টমেটো কিউব হালকা বাদামী করে ভেজে মাংস কড়াইএ দিয়ে ২/৩মিনিট দমে রেখে নামিয়ে ফেলুন। ব্যস তৈরি হয়ে যাবে গরুর কড়াই গোস্ত।

আলু বোখারায় টক ঝাল গরুর মাংস:  কোরবানির ঈদ মানেই ঈদের দিন খাবার টেবিলে থাকতে হবে গরুর মাংসের হরেক রকম পদ। তাই খাবার টেবিলে আইটেমে চমক ও নতুনত্ব আনতে তৈরি করুন আলু বোখারায় টক ঝাল গরুর মাংস।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাংস দেড় কেজি, পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ, বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আদা বাটা ২ টেবিল চামচ, টক দই ১কাপ, লেবুর রস ১ চা চামচ, শুকনা মরিচ টালা গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৪/৫ টি, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, আলু বোখারা ১০/১২টি, কিসমিস বাটা ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ৪/৫টি, ঘি ৩/৪ কাপ, জয়ফল ও জয়ত্রী বাটা আধা চা চামচ।

 
 
প্রস্তুত প্রণালী: পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে আদা, রসুন, পেঁয়াজ বাটা, লবণ দিয়ে কষিয়ে মাংস ঢেলে আবার কষাতে হবে। দই, হলুদ,মরিচ, গোলমরিচ ও সামান্য গরম পানি দিয়ে আবার কষাতে হবে। বাদাম ও কিসিমিস বাটা ও অর্ধেক আলু বোখারা বাটা(বিচি ফেলে) ও বাকি অর্ধেক আলু বোখারা আস্ত ছিটিয়ে ৫ মিনিট পর নামিয়ে ফেলুন নতুন এই মজাদার আইটেমটি।

গরুর মাথার মাংস ভুনা: অনেকেই আছেন গরুর মাংস থেকে গরুর মাথার মাংস খেতে বেশি পছন্দ করেন। তবে যেমন তেমন করে রান্না করলে কেউ তেমন একটা পছন্দ করবে না এই খাবারটি। তাই নতুন রেসিপি দিয়ে এবার রান্না করেই দেখুন গরুর মাথার মংস ভুনা।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাথার মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ, সরিষার তেল আধা কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, তেজপাতা ২টি, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ।


 
প্রস্তুত প্রণালী: তেলে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে হলুদ গুঁড়া, তেজপাতা, মরিচ গুঁড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, টমেটো দিয়ে কষাতে হবে। তারপর পরিমাণ মতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন। গরম মসলা গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, জয়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন ভাতের সঙ্গে।

লেবু পাতা দিয়ে গরুর মাংস : ঈদের দিন পোলাও, খিচুরী ছাড়াও অনেক বাসাতেই মাংসের টেবিলে পরোটা বা চালের রুটি থাকে। তারা এবার কোরবানির ঈদে চালের রুটি বা পরোটার সঙ্গে খেতে পারেন বিফের এক নতুন কারি। লেবুপাতা দিয়ে রান্না করলে ভিন্নস্বাদ আসবেই গরুর মাংসে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া  আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, গরম মসলা কয়েকটি, টক দই ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ আধা চা চামচ, লেবু পাতা ৭/১০ টি।


 
প্রস্তুত প্রণালী: তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে গরম মসলা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, আদা ও রসুন বাটা, জিরা ও ধনে, টক দই দিয়ে ভালো করে কষান। মাংস ঢেলে ভালোভাবে ভুনা করুন। পরিমাণমতো পানি দিন। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে লেবুপাতা ও লেবুর রস দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। চালের রুটি বা গরম পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন লেবু পাতার গরুর মাংস।

গরুর কালা ভুনা: গরুর মাংসের এই মজার খাবারটি সম্পর্কে অনেকেই জানেন। তবে এর আসল রেসিপি জানেন না অনেকেই। ঐতিহাসিক এই লোভনীয় খাবারটি এই ঈদে আপনার খাবারের মেনুতে নিয়ে আসতে পারে টুইস্ট।

প্রয়োজনীয় উপকরণ: গরুর মাংস দেড় কেজি, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা টেবিল চামচ, এলাচ, দারচিনি , তেজপাতা কয়েকটি, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল পরিমাণমতো, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ। 

প্রস্তুত প্রণালী: গরুর মাংসের সঙ্গে সব উপকরণ এক সঙ্গে মেখে রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে এলে লোহার কড়াই এ সরিষার তেলে হালকা আঁচে মাংস কালো করে ভেজে তুলে নিন।


নারকেল পোস্ত ও মুরগি 

উপকরণঃ

মুরগি – ৫০০ গ্রাম
নারকেল – ১টা
পেঁয়াজ – ২টো কুচোনো
বাটার জন্যে যা লাগবে:-
পোস্ত- ২ চা চামচ
সরষে – ১/২ চা চামচ
মেথি – ১০/১২ দানা
আদা – দেড় ইঞ্চি
রসুন – ৫/৬ কোয়া
আর যা লাগবে
জিরে‚ হলুদ‚ লঙ্কা গুঁড়ো – প্রতিটা ১/২ চা চামচ করে
ভিনিগার – ১ টেবিল চামচ
ঘি – দেড় চামচ
নুন – আন্দাজমতো

আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন!

প্রণালীঃ

মুরগি ছোটো টুকরো করে নুন দিয়ে সিদ্ধ করে নিন | নারকেলের দুধ বার করে নিন দেড় কাপ | ঘিয়ে পেঁয়াজ হালকা ভেজে বাটা এবং গুঁড়ো মশলা সব দিন | অল্প জলের ছিটে দিয়ে কষে নিন | মুরগি যেটা সিদ্ধ করেছেন জল সমেত মশলায় দিন | নারকেলের দুধটা দিন | ঢাকা না দিয়ে রান্না করুন ৩/৪ মিনিট | সবশেষে ভিনিগার মিশিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে ফেলুন ।

আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন!





আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) পদ্ধতিতে সিম পুনর্নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হচ্ছে আজ রাত ১২টায়। এ সময়ের মধ্যে যেসব সিম নিবন্ধিত হবে না, সেগুলো কাল থেকে বন্ধ হয়ে যাবে। আর বন্ধ হয়ে যাওয়া এসব সিম আবার চালু করতে চাইলে এখন থেকে একজন গ্রাহককে গুনতে হবে ১৫০-২০০ টাকা।

 কাল থেকে সিম নিবন্ধনে ১৫০-২০০ টাকা লাগবে


বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে সিম নিবন্ধন না করার জরিমানা হিসেবে ব্যবহারকারীদের বাড়তি এ অর্থ দিতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে আগের কঠোর অবস্থান কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। এত দিন বিটিআরসির সিদ্ধান্ত ছিল, আগামীকাল থেকে বন্ধ হয়ে যাওয়া সিমগুলো আগামী দুই মাস পর্যন্ত জব্দ (ফ্রিজ) অবস্থায় থাকবে। অর্থাৎ যে ব্যবহারকারী এত দিন সিমটি ব্যবহার করে এসেছেন, তিনি আগামী দুই মাস পর্যন্ত সেটি নিবন্ধনের মাধ্যমে চালু করার সুযোগ পাবেন না। দুই মাস সময় পার হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়মে অর্থাৎ ১৫০-২০০ টাকা খরচ করে সিমটি আবার চালু করা যাবে—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
তবে আগের নিয়ম থেকে সরে এসে বিটিআরসি বলছে, নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধন সম্পন্ন করে বন্ধ হয়ে যাওয়া সিমটি আবার চালু করা যাবে। এ জন্য দুই মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। গতকাল সোমবার বিষয়টি মুঠোফোন অপারেটরদের জানিয়ে এ–সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। 
বিটিআরসির সচিব ও মুখপাত্র সরওয়ার আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘গ্রাহক স্বার্থের কথা বিবেচনা করেই সিম নিবন্ধনের সময়সীমা এক মাস বাড়ানো হয়েছিল। সময় বাড়ানোর পরও যাঁরা সিম পুনর্নিবন্ধন করেননি, তাঁদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিজের পরিচয় নিশ্চিত করেই সিম চালু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিটিআরসির নির্ধারিত নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
বিটিআরসির নিয়ম অনুযায়ী, একটি সিম একটানা ১৮ মাস বা ৫৪০ দিন বন্ধ থাকলে সেটির মালিকানা গ্রাহকের থাকে না। এর মধ্যে ১৫ মাস বা ৪৫০ দিন সময় পার হলে মুঠোফোন অপারেটররা একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিষ্ক্রিয় সংযোগটি পরের ৯০ দিনের মধ্যে চালু করার জন্য গ্রাহককে অনুরোধ করে। এভাবে মোট ১৮ মাস সময়ে সিমটি চালু করা না হলে সেটির মালিকানা বর্তমান ব্যবহারকারীর থাকে না। কাল থেকে বন্ধ হতে যাওয়া সংযোগের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
বর্তমানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নতুন সংযোগ কিনতে অপারেটর ভেদে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা দাম রাখা হয়। এর মধ্যে সরকার সিম কর হিসেবে ১০০ টাকা পায়। বাকি অর্থ সিমের মূল্য হিসেবে অপারেটররা পেয়ে থাকে।
বিটিআরসির হিসাব অনুযায়ী, গতকাল সোমবার পর্যন্ত ১০ কোটি ৪৮ লাখ ৬৫ হাজার সিম নিবন্ধিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে মোট চালু থাকা সিমের সংখ্যা ১৩ কোটি ১৯ লাখ। সে হিসেবে গতকাল পর্যন্ত চালু থাকা সিমের ৭৯ শতাংশ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছে।




উপকরণঃ

মাংস – ৫০০ গ্রাম
দেরাদুন রাইস – ৩০০ গ্রাম
বড় আলু – ২টে
মুসুর ডাল – ১০০ গ্রাম
ভাজা মুগ ডাল – ১৫০ গ্রাম
পেঁয়াজ বাটা – ২টো বড়
রসুন বাটা – ১ টেবিল চামচ
আদা বাটা – ১ টেবিল চামচ
টক দই – ১০০ গ্রাম
টমেটো – ২টো
আস্ত পেঁয়াজ – ১০০ গ্রাম
গরমমশলা – ছোটো ১ চামচ
ঘি – পরিমাণমতো
সরষের তেল – ১০০ গ্রাম
কাঁচালঙ্কা – ৬-৮টা
নুন ও চিনি – পরিমাণমতো
হলুদগুঁড়ো – ১ টেবিল চামচ
লঙ্কাগুঁড়ো – সামান্য
জিরে‚ তেজপাতা‚ শুকনো লঙ্কা – ফোড়নের জন্য

আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন!

প্রণালীঃ

মাংস‚ পেঁয়াজ‚ আদা‚ রসুন বাটা‚ টক দই‚ হলুদ‚ লঙ্কা গুঁড়ো মাখিয়ে ১ ঘন্টা ম্যারিনেট করুন | কড়াইতে আধ কাপ তেল দিয়ে মাখা মাংস দিয়ে কষতে থাকুন | তেল ছেড়ে দিলে গরম জল দিন | সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা দিয়ে রান্না করুন | বেশ ভাজা ভাজা করে নামিয়ে রাখুন | এবার ডেকচিতে বাকি তেল ও ঘি দিয়ে জিরে‚ তেজপাতা‚ শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন | চাল ও ডাল ভালো করে ভেজে নিন | এরপর বাকি মশলা ও আলু দিয়ে দিন | জল দিয়ে ঢাকা দিন | যতটা চাল ও ডাল তার দ্বিগুণ জল দিয়ে বসাবেন | ঢাকা দিয়ে রান্না করুন | হয়ে এলে রান্না মাংসটা মিশিয়ে দিন |

আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন!

Eid-Exhibition

ঈদ উপলক্ষে আরমাদিও নতুন পোশাক নিয়ে আয়োজন করছে পোশাক প্রদর্শনী। থাকবে সুতি কাপড়, লিনেন, জর্জেট ও সিল্কের ওপর কারুকাজ করা মেয়েদের কামিজ, শাড়ি ও ছেলেদের পাঞ্জাবি। প্রদর্শনী চলবে ৩ জুন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। বনানীর ১৭ নম্বর সড়কে (ব্লক–সি) তাদের দোকানে।
                                                                                                                                 -শাম্মী আখতার

Makeup-Festival

৩ ও ৪ জুন রাজধানীর হোটেল সারিনায় হবে মেকআপ উৎসব। বাংলাদেশ মেকআপ ফেস্টিভ্যাল-২ শিরোনামে এই উৎসবের আয়োজন করেছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বাংলা শপার লিমিটেড। প্রসাধনসামগ্রী বিক্রি করে—এমন ৩০টির বেশি অনলাইন প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে এই উৎসবে। উৎসব চলবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। উৎসবে মেকআপ আর্টিস্টদের পরামর্শ পাওয়া যাবে বিনা মূল্যে। এ ছাড়া সেলফি প্রতিযোগিতাও থাকছে উৎসবে।

                                                                                                                             -শাম্মী আখতার

Persona-Discount

তিনটি বিশেষ প্যাকেজ দিচ্ছে পারসোনা। ১ হাজার ৩০০ টাকার গ্লোয়িং অ্যাঞ্জেল, ১ হাজার ৮০০ টাকার গ্লোরিয়াস বিউটি ও ২ হাজার ৭০০ টাকার ড্যাজলিং স্টার নামের তিনটি প্যাকেজের আওতায় থাকছে তিন ধরনের সুবিধা। এ ছাড়া রিবন্ডিং করালে পাওয়া যাবে ১৫ শতাংশ ছাড়। চুলে ১০টি স্টিক হাইলাইট করালে দুটি করা যাবে বিনা মূল্যে। ১৫ রমজান পর্যন্ত এ সুবিধা পাবেন গ্রাহকেরা।

                                                                                                                                     -শাম্মী আখতার

 ছোটবেলায় ললি খেতে সবারই ভাল লাগত।আর সেই ললি যদি তৈরি হয় আপনার ঘরে তাহলে কেমন হয় ? চলুন আজ জেনে নেই ঝটপট লেমন ললির সহজ রেসিপি -

Lemon-instant-heat-cold-to-touch-loli

উপকরণ : 
পানি ৪ কাপ, চিনি ১ কাপ, লেবুর রস ৬ টেবিল-চামচ, লবণ আধা চা-চামচ, লেমন এসেন্স ৭-৮ ফোঁটা, সবুজ রং প্রয়োজনমতো।

প্রণালি : 
ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মিলিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। আইসক্রিমের ছাঁচে ঢেলে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ডিপ ফ্রিজে জমিয়ে পরিবেশন করুন।

                                                                                                                               -শাম্মী আখতার

মজাদার টক-ঝাল-মিষ্টি জাম মাখার নাম শুনলেই তো জিভে জল চলে আসে। প্রিয় এই ফলটি দিয়ে চাইলে বাসায় বসেই বানিয়ে নিতে পারেন জেলি। অত্যন্ত মজাদার হয় এই জেলী।

Blackberries-jam-jelly

আসুন জেনে নেই রেসিপি –

উপকরণঃ

  • জামের রস ২ কাপ
  • চিনি দেড় কাপ
  • পানি ৪ কাপ
  • আগার আগার ১ চা চামচ


প্রণালিঃ

জাম পানি দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে। ভাল করে সিদ্ধ হলে পাতলা কাপড়ে পানিটা ছেঁকে নিতে হবে। প্রতি কাপ রসের জন্য চার ভাগের তিনভাগ চিনি নিতে হবে। একসাথে জ্বাল দিতে হবে। আগার আগার অল্প পানি দিয়ে জ্বাল দিয়ে জেলির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। ঘন হয়ে আসলে অল্প পানিতে জেলি ছেড়ে দেখতে হবে, যদি পানিতে মিশে না যায় তখন নামিয়ে পরিষ্কার বোতলে ভরে রাখতে হবে। ঠাণ্ডা হলে বোতলের মুখ বন্ধ করে রাখতে হবে।

                                                                                                                             -শাম্মী আখতার

কালোজাম গ্রীষ্মকালের একটি জনপ্রিয় ফল। জাম বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ এবং স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী। জাম খাওয়াও খুব সহজ কারণ এর খোসা ছারাতে হয়না। এর মিষ্টি রসালো স্বাদ ছোটদের খুব প্রিয়। ত্বক, চুল ও সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারী জাম। জামের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা জেনে নিই চলুন।

Black-blackberries-Health-Benefits

১। ডায়াবেটিসের জন্য ভালো

ঐতিহ্যগতভাবেই জাম ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জামের গ্লিসামিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি ডায়াবেটিসের জন্য ভালো বলে বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত। কমপ্লিমেন্ট থার মেড এ প্রকাশিত একটি গবেষণা পর্যালোচনায় জানা যায় যে, জামের ডায়াবেটিক বিরোধী গুণ আছে। অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে জামের বীচি রক্তের সুগার লেভেল ৩০% পর্যন্ত কমাতে সাহায্য করে। এই ফলটি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

২। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

জামে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান যেমন- ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন সি থাকে। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে জাম অতুলনীয়ভাবে কাজ করে। এছাড়াও শরীরের হাড়কে শক্তিশালী করতেও সাহায্য করে জাম।

৩। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

জামে এলাজিক এসিড বা এলাজিটেনিন্স, এন্থোসায়ানিন এবং এন্থোসায়ানিডিন্স থাকে যা প্রদাহরোধী হিসেবে কাজ করে। এই উপাদানগুলো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে বলে কোলেস্টেরলের জারণ রোধ করে এবং হৃদরোগ সৃষ্টিকারী প্লাক গঠনে বাঁধা দেয়। এছাড়াও হাইপারটেনশন প্রতিরোধেও সাহায্য করে জাম। কারণ এতে প্রচুর পটাসিয়াম থাকে। ১০০ গ্রাম জামে ৫৫ গ্রাম পটাসিয়াম থাকে।

৪। ইনফেকশন ভালো করে

ঐতিহ্যগতভাবেই জাম গাছের বাকল, পাতা ও বীজ ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়ে আসছে। ম্যালিক এসিড, গ্যালিক এসিড, অক্সালিক এসিড এবং ট্যানিন থাকে জাম উদ্ভিদে। একারণেই জাম উদ্ভিদ ও এর ফল ম্যালেরিয়া রোধী, ব্যাকটেরিয়ারোধী এবং গ্যাস্ট্রোপ্রোটেক্টিভ হিসেবে কাজ করে।

৫। পরিপাকে সাহায্য করে

আয়ুর্বেদিক ঔষধে জাম পাতা ব্যবহার করা হয় ডায়রিয়া ও আলসার নিরাময়ে। এছাড়াও মুখের স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন সমস্যার ঔষধ তৈরিতেও ব্যবহার হয় জামপাতা। জাম খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়, দাঁত ও মাড়ি শক্ত ও মজবুত করে এবং দাঁতের মাড়ির ক্ষয় রোধে সাহায্য করে।

৬। ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে

বিভিন্ন গবেষণায় জামের কেমোপ্রোটেক্টিভ বৈশিষ্ট্য প্রমাণিত হয়েছে। জাগেতিয়া জিসি এন্ড কলিগস এর করা এক গবেষণা মতে জানা যায় যে, জাম ফলের নির্যাসে রেডিওপ্রোটেক্টিভ উপাদান আছে। এতে আরো বলা হয় জামের নির্যাস ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ফ্রি র‍্যাডিকেলের কাজে এবং বিকিরণে বাঁধা দেয়।

৭। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি

কালোজাম টিস্যুকে টান টান হতে সাহায্য করে। যা ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত হতে সাহায্য করে। জাম ব্রেইন অ্যালারট হিসেবে কাজ করে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

এছাড়াও জামে প্রচুর পরিমাণে পানি ও ফাইবার থাকে বলে হাইড্রেটেড থাকতে ও ত্বককে স্বাস্থ্যবান করতে সাহায্য করে। ডিটক্সিফায়ার হিসেবেও কাজ করে জাম।

                                                                                                                                       -শাম্মী আখতার
               

 

দিনাজপুর শহরের পলিটেকনিক্যাল কলেজের মোড়ে দাঁড়ালেই পাঁচতলা ভবনের ওপর উঁচু টাওয়ারটা চোখে পড়ে। একটু এগোলে দেখতে পাবেন সাইনবোর্ড। তাতে ইংরেজিতে লেখা ‘রাফুসফট’। 

 স্বপ্নের ‘আইটিপুর ’ রাফুর

৯ মে সন্ধ্যায় আমরা বসে ছিলাম রাফুসফটের প্রতিষ্ঠাতা এস এম রাফায়েত হোসেনের অফিস ঘরে। তাঁর ডাকনাম রাফু। তথ্যপ্রযুক্তিতে দিনাজপুরের অগ্রগতি, আর এর পেছনের তরুণদের কথা বলতে গিয়ে রাফায়েত হোসেন তখন ভীষণ উত্তেজিত! কখনো নড়েচড়ে বসছেন, কখনো চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন। ‘আস্তে ভাই আস্তে, এক এক করে বলেন’—আমরা তাঁকে শান্ত করার চেষ্টা করি।
রাফায়েত হোসেন জানালেন কীভাবে তাঁরা দিনাজপুরকে ‘ডিজিটাল দিনাজপুর’ হিসেবে গড়ে তুলছেন। কেমন করে এই জেলা শহরের নিরিবিলিতে বসে দেশ-বিদেশের নামী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে তাঁর দল। দিনাজপুরেই তাঁরা যেন দেখতে চান ‘আইটিপুর’।
দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদের আশপাশের এলাকা, নিমনগর বালুবাড়ি, ফুলবাড়ি বাসস্ট্যান্ড...এমন কয়েকটি জায়গায় বিনা মূল্যে তারহীন ওয়াই–ফাই ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যাবে। সরকারি সহায়তায় এই ব্যবস্থা করে দিয়েছে রাফুসফট। রাফায়েত হোসেনের বক্তব্য, ‘ছেলেমেয়েরা ইন্টারনেট ব্যবহার করুক। আগ্রহ তৈরি হোক। এটাই আমাদের চাওয়া।’
সে চাওয়াকে পাওয়াতে পরিণত করতে তাঁদের চেষ্টার কোনো অন্ত নেই। ‘শহরের যেকোনো জায়গায় কেউ যদি প্রোগ্রামিং বা কম্পিউটার বিষয়ক কর্মশালা করতে চায়, আমরা লোক পাঠিয়ে দিই। শুধু যাওয়া-আসার খরচটা দেবেন। ব্যস, লোক হাজির,’ বলছিলেন তিনি। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে প্রোগ্রামিং, ওয়েবসাইট তৈরি ও গ্রাফিক ডিজাইন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, নেটওয়ার্কিংসহ বেশ কিছু বিষয়ে কোর্স চালু আছে। নির্দিষ্ট ফি দিয়ে যে-কেউ এসব কোর্সে অংশ নিতে পারবেন। বেকার তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন রাফায়েত। বলছিলেন, ‘এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছে। আমার প্রতিষ্ঠানেও কেউ কেউ কাজ করছে। ছোট ছেলেমেয়েগুলো যে কী ভালো কাজ পারে, আপনি না দেখলে বিশ্বাস করবেন না।’
বর্তমানে রাফুসফটের কাজের পরিধিটাও বিশাল। অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্প অনুমোদিত ওয়েবসাইটগুলোর নিরাপত্তার দিকটি দেখাশোনার দায়িত্ব তাঁদের। এ ছাড়া দেশের বাইরেও বেশ কিছু সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছেন তাঁরা। দেশি-বিদেশি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজের স্বীকৃতির সনদ ঝুলছে রাফুসফটের অফিসঘরে।
এই সবকিছুর শুরুটা হয়েছিল কোবরা অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে। রাফায়েত হোসেনের হাতেই তৈরি হয়েছিল এই সফটওয়্যার। ছয়–সাত বছর আগে দেশে তৈরি অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। এরপর মাইক্রোসফট যখন একের পর এক উইন্ডোজের নতুন সংস্করণ বাজারে আনতে থাকল, তখন নিবন্ধন জটিলতায় অ্যান্টিভাইরাসটির স্বত্ব ভিনদেশি একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছিলেন। রাফায়েত বলছিলেন, ‘কোবরা অ্যান্টিভাইরাসই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। বর্তমানে ভেক্রাস বিডি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান কোবরা নেক্সট জেনারেশন অ্যান্টিভাইরাস নিয়ে আসছে। সোনামণি গার্ড (প্যারেন্টাল কন্ট্রোল) ও কোবরা নেক্সট জেনারেশন ফায়ারওয়াল তৈরি করাটাও আমাদের পছন্দের কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম।’
এতসব কাজের ভিড়ে রাফায়েত হোসেনের সব ভাবনার কেন্দ্রে সব সময় থাকে দিনাজপুর। বলছিলেন, ‘আমরা তো আর ভ্যাটিকান সিটি বানাতে পারব না। কিন্তু আমাদের শহরের তরুণদের নিয়ে আমরা আমাদের মতো করে দিনাজপুরকে তথ্যপ্রযুক্তির দিক দিয়ে উন্নত একটা শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

মূল অনুষ্ঠান তখনো শুরু হয়নি৷ যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউয়ের শোরলাইন অ্যাম্ফিথিয়েটারে তখন হাজার সাতেক মানুষ মেতে উঠেছে অন্যরকম এক খেলায়৷ হাতের মোবাইল ফোনটিকে সবাই যেন কাগজের উড়োজাহাজের মতো উড়িয়ে দিচ্ছে৷ আর তখনই হরেক রঙে রঙিন উড়োজাহাজ দেখা যাচ্ছে বিরাট পর্দায়৷ পুরো প্রাঙ্গণ দেখল আমাদের উড়োজাহাজ ঢাকা থেকে ছেড়ে থেমেছে লন্ডনে৷ এ এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা৷ সাত হাজার মানুষ একসঙ্গে খেলছে রঙিন আকাশে৷ কখনোবা সবাই মিলে আঁকছে কোনো ছবি৷ চোখ ছানাবড়া করার এমন সব আয়োজনই অনুষ্ঠানের প্রতিটি অংশে। গুগল আইও এমনই৷ গুগলের এই বার্ষিক সম্মেলন প্রযুক্তি বিশ্বের চিন্তার সীমানা বাড়িয়ে দেয়৷

 চোখ ধাঁধানো মিলনমেলা গুগলের

এবার আইওর আয়োজন ছিল দশমবারের মতো৷ ২০০৬ সালে গুগল আইও শুরু হয়েছিল অনেকটা ঘরোয়া পরিবেশে, গুগলের নিজ বাড়ি গুগলপ্লেক্সের আঙিনায়৷ এরপর প্রতিবছর আইওর পরিসর বেড়েছে অনেক৷ এ বছর আইও ফিরে এসেছে নিজ বাড়িতে, গুগলপ্লেক্স-সংলগ্ন মাউন্টেন ভিউয়ের শোরলাইন অ্যাম্ফিথিয়েটারে। ১৮ থেকে ২০ মে আয়োজন হয়েছে সবচেয়ে বড় আইওর৷ শতাধিক দেশের সাত হাজার মানুষ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন আইওতে৷ বাংলাদেশ থেকে এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম আমরা চারজন৷ আমি গিয়েছিলাম গুগল ডেভেলপার গ্রুপ (জিডিজি) বাংলার প্রতিনিধি হয়ে৷ বাকিরা হলেন জিডিজি ঢাকার মাহবুব হাসান, জিডিজি সোনারগাঁয়ের ইশতিয়াক রেজা ও উইমেন টেকমেকার্সের রাখশান্দা রুখহাম৷
গুগলের সেরা নতুন ৭
গুগল আইওর মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই থাকে সব বড় ঘোষণা৷ এ বছর দুই ঘণ্টার এই রোমাঞ্চকর পর্বটি পরিচালনা করেন গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই৷ ছোট-বড় অনেকগুলো প্রযুক্তি আর চমকের ঘোষণা এসেছে৷ এর মধ্যে সাতটি তুলে ধরা হলো।
১. গুগল অ্যাসিসটেন্ট: সুন্দর পিচাই সবচেেয় আশাবাদী এই সেবা নিয়ে৷ কণ্ঠনির্ভর তথ্য খোঁজার বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসছে ‘গুগল অ্যাসিসটেন্ট’ নামে। গুগলের কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা আর অভিনব তথ্যবিন্যাসে সাজানো এই সেরা মানুষের জীবনকে আরও সহজ করে দেবে বলে বিশ্বাস সুন্দর পিচাইয়ের৷ এর সাহায্যে মুখের কথায় আরও সহজে কাজ করবে অ্যান্ড্রয়েড-চালিত যেকোনো যন্ত্র। তিনি একটি উদাহরণ দেন৷ ধরেন, আপনি কোনো একটি বিখ্যাত স্থাপনার সামনে দাঁড়িয়ে কোনো নাম না নিয়ে শুধু বললেন, ‘এটি কে তৈরি করেছে?’ গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট তখন ঠিক উত্তরসহ প্রাসঙ্গিক সব তথ্য দেবে আপনাকে।
২. গুগল হোম: গান শোনা, টিভি কিংবা ভিডিও দেখা থেকে শুরু করে গৃহস্থালির নানান কাজ আরও সহজ করে দিতে আসছে গুগল হোম৷ গুগল নেস্টের অভিজ্ঞতা পুরোটাই বদলে দেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট-চালিত এই গ্যাজেট৷ গুগল হোম বাজারে আসবে এ বছরের শেষ প্রান্তিকে৷
৩. অ্যালো: গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শক্তিতে নতুন ধরনের এক বার্তা আদান-প্রদানের অভিজ্ঞতা করিয়ে দিতে আসছে ‘অ্যালো’ নামের এক মেসেঞ্জার। সাধারণ বার্তা আদান-প্রদান সেবার বাইরে এটি নিজ থেকেই অনেক বার্তা ও প্রাসঙ্গিক তথ্য তৈরি করে দেবে৷
৪. ডুয়ো: এটি গুগলের নতুন ভিডিও বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ্লিকেশন৷ এখানে কল রিসিভ করার আগেই যিনি কল করছেন, তাঁর ছবি ও অভিব্যক্তি দেখা যাবে৷
৫. অ্যান্ড্রয়েড এন: অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণ৷ কোনো অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল না করেও ওয়েব থেকে ব্যবহারের সুযোগ থাকবে এতে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বেশ কিছু সুবিধা যুক্ত হচ্ছে এতে৷ নিরাপত্তার বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এটিতে৷
৬. ডেড্রিম: গুগল এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটির উন্নয়নে। অ্যান্ড্রয়েডে ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটিকে নতুন করে তুলে ধরবে ‘ডেড্রিম’ সিরিজের নানান সেবা। সে জন্য তারা ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি দেখার নিজস্ব যন্ত্রও নিয়ে আসছে।
৭. অ্যান্ড্রয়েড ওয়্যার ২.০: স্মার্ট ঘড়ির প্রযুক্তিতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসছে এই নতুন সংস্করণ৷ অন্য আরেকটি মোবাইল ফোনের সঙ্গে যুক্ত না থেকেই এটি নিজের মতো করে চলতে পারবে৷

সংখ্যায় গুগল
গুগল আইওতে সুন্দর পিচাই কিছু তথ্য তুলে ধরেন৷ সংখ্যায় সংখ্যায় সেগুলো তুলে ধরা হলো৷
৩০ কোটি থেকে ৩০০ কোটি
১৭ বছর আগে গুগল প্রতিষ্ঠার সময় সারা পৃথিবীতে ৩০ কোটি মানুষ ইন্টারনেটে যুক্ত ছিল৷ এখন ৩০০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে৷
৯২%
এখন পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শীর্ষ ১২৫টি মোবাইল অ্যাপের ৯২ শতাংশ তৈরি হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিও ব্যবহার করে৷
৫০%
এখন গুগলে ৫০ শতাংশ তথ্য খোঁজা হয় মোবাইল ফোন থেকে।
২০%
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গুগলে যত তথ্য খোঁজা হয়েছে, তার ২০ শতাংশ ছিল ভয়েসনির্ভর সার্চ৷
১৪০ বিলিয়ন
গুগল ট্রান্সলেট প্রতিদিন ১০০টি ভাষায় গড়ে ১৪০ বিলিয়ন শব্দ অনুবাদ করে৷
আড়াই কোটি
এখন পর্যন্ত আড়াই কোটি ক্রোমকাস্ট বিক্রি হয়েছে৷
২৪ বিলিয়ন সেলফি
গত বছর গুগল ফটোসে ২৪ বিলিয়ন সেলফি জমা হয়েছে

এত দিন পাবলিক ওয়াই-ফাই স্পটে মোবাইল ফোন সংযুক্ত করলে হ্যাকিংয়ে আশঙ্কার কথা শুনেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরিচিত কোনো স্থানে মোবাইল চার্জ দিলেও হ্যাক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিমানবন্দর, ক্যাফে বা কোনো জনবহুল স্থানে ডিভাইসে ইউএসবি চার্জার দিয়ে চার্জ দিলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই স্মার্টফোন হ্যাক হয়ে যেতে পারে।

মোবাইলে চার্জ দেওয়ার সময় সাবধান

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি ল্যাবের গবেষকেরা বলছেন, দুর্বৃত্তরা ভাইরাস কিংবা থার্ড পার্টির অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করে রাখতে পারে, যা কম্পিউটার থেকে ইউএসবি কেবলের মাধ্যমে স্মার্টফোনে চলে যায়। মাত্র তিন মিনিটেই ওই স্মার্টফোন হ্যাক করা হয়ে যেতে পারে।

গবেষকেরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড দুটি প্ল্যাটফর্মেই চার্জিং অবস্থায় ডিভাইসের নাম, নির্মাতা, সিরিয়াল নম্বরসহ অনেক ফাইল চুরি করা যায়।

২০১৪ সালে গবেষকেরা ইউএসবি চার্জার হ্যাকিংয়ের বিষয়টি সম্পর্কে জানালেও প্রমাণ করতে পারেননি। তবে এবারে ক্যাসপারস্কির গবেষকেরা তা করে দেখিয়েছেন।

ক্যাসপারস্কি ল্যাবের গবেষক অ্যালেক্সি কোমারোভ বলেন, নিরাপত্তা ঝুঁকি আছেই। যদি নিয়মিত ব্যবহারকারী হন, তবে ডিভাইস আইডি ধরে ওই ফোনে অ্যাড্রওয়্যার কিংবা র‍্যানসমওয়্যার ভাইরাস ঢোকানো হতে পারে। তবে দুর্বৃত্ত যদি বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে, তবে বড় পেশাদার হ্যাকারদের কবলে পড়ার আশঙ্কা অমূলক নয়।

ক্যাসপারস্কির গবেষকেরা বলেন, এ ধরনের হ্যাকিং শেখার জন্য ভালো দক্ষতা থাকতে হয়। ইন্টারনেট ঘেঁটেও অনেক দুর্বৃত্ত এটা করে ফেলতে পারে।


যেভাবে রক্ষা পাবেন
১. অপরিচিত কম্পিউটারের সঙ্গে ইউএসবি লাগিয়ে চার্জ দেবেন না।
২. মোবাইলে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। ফিঙ্গারপ্রিন্ট থাকলে তা ব্যবহার করুন। চার্জ দেওয়ার সময় আনলক করবেন না।
৩. যোগাযোগের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করুন।
৪. অ্যান্টিভাইরাস বিরক্তিকর হলেও এ ক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে।
৫. মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হালনাগাদ রাখুন। তথ্যসূত্র: টেলিগ্রাফ অনলাইন।

Infiinity-discounts

ইনফিনিটির চারটি শাখায় গরমের পোশাকে  দেওয়া হচ্ছে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ ছাড়। ঢাকার বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, উত্তরা ও সিলেটের ইনফিনিটি শাখায় এ সুবিধা পাবেন।

                                                                                                                                        -শাম্মী আখতার
               

এলার্জির কারণে অস্বস্তিতে ভোগেন অনেকেই। যন্ত্রণাদায়ক এই এলার্জি অনেক কারণেই হতে পারে। এলার্জির সমস্যা যে কতোটা তীব্র, তা শুধু ভুক্তভোগীরাই জানেন। এর কারণে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ রাখতে হয় অনেক প্রিয় খাবার। আর চুলকানির যন্ত্রণা তো রয়েছেই। 

An-easy-way-to-remove-allergy

কিন্তু চাইলে খুব সহজেই ঘরোয়া উপায়ে বিদায় জানাতে পারেন এলার্জিকে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক-

           ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় ভরে রাখুন। এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন।

          ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আধঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন। 

         প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে। 

কার্যকারিতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরু, চিংড়ি- এসব সহজেই খেতে পারবেন।
                                                                                                 
                                                                                                                                  -শাম্মী আখতার

Sana-bread-daibara

►উপকরণ: 
ছানা আধা কাপ, বড় পাউরুটি ৩ টুকরা, টক দই ২ কাপ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ চা-চামচ, মরিচ ভাজা গুঁড়া আধা চা-চামচ, জিরা ভাজা গুঁড়া ১ চা-চামচ, জৈন ভাজা গুঁড়া ১ চা-চামচ, পুদিনাপাতা বাটা ২ টেবিল-চামচ, কাঁচা মরিচ বাটা ১ চা-চামচ, তেঁতুলের মাড় ১ টেবিল-চামচ, বিট লবণ ১ চা-চামচ।

►প্রণালি: 
বড় পাউরুটির পাশের অংশ বাদ দিয়ে পানিতে ভিজিয়ে সঙ্গে সঙ্গে উঠিয়ে ভালো করে মথে রাখতে হবে।
ছানা ভালো করে মথে পাউরুটি, সামান্য লবণ, অল্প কাঁচা মরিচ ও পুদিনাপাতা বাটা, অর্ধেক জৈন গুঁড়া ও বেকিং পাউডার দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। এটি গরম ডুবোতেলে ভেজে দইয়ের মিশ্রণের মধ্যে রাখতে হবে।

►দইয়ের মিশ্রণ তৈরি:
টকদই, তেঁতুলের মাড়, পুদিনা পাতা ও কাঁচা মরিচ বাটা, জিরা, মরিচ, টেলে ভাজা গুঁড়া, লবণ, চিনি, বিটলবণ, গোলমরিচ গুঁড়া দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।
দইবড়া ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করতে হবে।

                                                                                                                              -শাম্মী আখতার

Litchi-payesh


উপকরণ:
দুধ  ৪  কাপ
চিনি  ১  ১/২  কাপ
ছোট  এলাচ  গুঁড়ো  ১  চা  চামচ
লিচু  ১০  /১৫  টি  বীজ  ও  খোসা  ছাড়ানো

প্রণালী:
দুধ  ভালো  করে  ফুটিয়ে  ঘন  করে  নিন।  তাতে  চিনি  মিশিয়ে  ফোটান।  অনবরত  দুধ  নাড়তে  থাকুন।  ঘন  হয়ে  আসবে।  কিছুক্ষণ  রেখে  ঠান্ডা  হতে  দিন।  অন্যদিকে  লিচু  গুলি  ১/২  কাপ  মতো  জল  দিয়ে  হালকা  করে  সেদ্ধ  করে  নিন।  দুধ  আর  লিচু  পুরোপুরি  ঠান্ডা  হয়ে  গেলে  একসঙ্গে  মিশিয়ে  দিন।ওপর  থেকে  এলাচের  গুঁড়ো  ছড়িয়ে  ফ্রিজে  রেখে  ঠান্ডা  করে  পরিবেশন  করুন।

                                                                                                                                  -শাম্মী আখতার

গ্রীষ্মের আগমনের সাথে সাথে এই সুস্বাদু ও রসালো ফলের আগমন ঘটে। মিষ্টি ও পুষ্টিকর হবার পাশাপাশি গ্রীষ্মের কঠোর তাপ থেকে রেহাই পাবার জন্য মানব শরীরের তাপমাত্রায় শীতল প্রভাব বৃদ্ধি করে। 

Lets-do-not-know-nutrient-Litchi


►লিচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা -


১. প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে ৬৬ ক্যালরি রয়েছে। যা আঙ্গুরের তুলনায় অনেক কম। লিচুতে কোন সম্পৃক্ত চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। কিন্তু, এতে ভালো পরিমাণে খাদ্য তালিকাগত ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহ রয়েছে।



২. গবেষকরা বলেছেন, তারা লিচুতে প্রচুর পরিমাণে “অলিগনাল” নামক একটি আণবিক উপাদান পেয়েছেন। যা পলিফেনলের একটি আণবিক উপাদান। অলিগনাল এ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস কর্ম রয়েছে। যা বিভিন্ন ধরণের রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়াও রক্ত পরিবাহনের মাত্রা উন্নত করে, ওজন হ্রাস করে ও সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মি হতে ত্বককে রক্ষা করে।



৩. লিচু একটি লেবু জাতীয় ফলের মত। এতে লেবুর মত প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। ১০০ গ্রাম তাজা ফল ৭১.৫ মিলিগ্রাম বা শরীরের দৈনন্দিন প্রস্তাবিত ১১৯ শতাংশ ভিটামিন প্রদান করে। গবেষণায় পাওয়া গেছে, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল শরীরের সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। শরীরের প্রদাহজনিত ময়লা পরিষ্কার করে। মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়তা করে।



৪. থিয়ামিন, নিয়াসিন ও ফলেটস এর মত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এর সবথেকে ভালো উৎস হল লিচু। এই উপাদানগুলো শরীরের জন্য অনেক কার্যকরী। কারন, এ সকল উপাদানে শরীরের প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও চর্বি রয়েছে। যা শরীরের জন্য অপরিহার্য।



৫. লিচুতে খুব ভালো পরিমাণে কপার ও পটাসিয়াম এর মত খনিজ রয়েছে। পটাসিয়াম আমাদের শরীরের কোষের জন্য অনেক উপকারী। এছাড়াও আমাদের হার্টের সুরক্ষা প্রদান করে, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।


তাই, এই গ্রীষ্মে এই মজাদার সুস্বাদু ফল গ্রহণ করুন। লিচুর নানা প্রকারের সুবিধা ভোগ করে স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করুন।

                                                                                                                                    -শাম্মী আখতার






উপকরণ
বড় রুই মাছের টুকরো – ৮/৯ পিস
হলুদ – ১/২ চা চামচ
নুন – আন্দাজমতো
দই – ১০০ গ্রাম
পেঁয়াজবাটা – ২ টো
আদাবাটা – ১ চা চামচ
কিসমিসবাটা – ২ চা চামচ
জিরের গুঁড়ো – ১ চা চামচ
সাদা তেল – ৪ টেবিল চামচ
ক্রিম – ১০০ গ্রাম
ঘি – ২/৩ চা চামচ
গরমমশলা – ১ চা চামচ
চিনি – ১ চা চামচ
মৌরিবাটা – ১ টেবিল চামচ
লাল লঙ্কার গুঁড়ো – ১ চা চামচ
প্রণালীঃ
মাছ নুন‚ হলুদ মাখিয়ে ভেজে তুলে রাখুন | ক্রিম‚ ঘি‚ গরমমশলা বাদে তেলে সব মশলা দিন | কষা হলে দই ভালো করে ফেটিয়ে কষা মশলায় দিন | কিছুক্ষণ বাদে তেলে ভাজা মাছগুলো দিন | ১ কাপ জল দিন | জল শুকিয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে ঘি‚ গরমমশলা‚ ক্রিম দিন | কোর্মা তৈরি |
এখন গরম গরম পরিবেশন করুন।

মেদ ভুঁড়ি কিংবা একটু বাড়তি ওজন কমানোর জন্য বেশিরভাগ মানুষ সবসময়ই অনেক চিন্তিত থাকেন। কী করলে ওজন কমবে, কী কী না খেলে ওজন কমবে, কোন কোন খাবার ওজন কমায়, ডায়েট করতে চাইলে কীভাবে করতে হবে এই সব ভেবে ভেবে ঘন্টার পর ঘণ্টা পার হয়ে যায়। অনেকেই আছেন যারা ওজন কমাবার জন্য রাতের খাবার খান না। কিন্তু আপনি জানেন কি? ওজন কমানোর জন্য রাতের বেলার খাবারের গুরুত্ব কতটা? দীর্ঘ ৮-১০ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হবে, তাই রাতের বেলা খাওয়া বাদ দিয়ে ডায়েট করে মোটেও ভালো কোনো বুদ্ধি নয়।

রাতের ৩টি কার্যকর ডায়েট  ওজন কমাতে................

রাতের বেলা খাবার না খেয়ে থাকলে লাভের থেকে ক্ষতির পরিমাণই বেশী। ওজন তো কমবেই না বরং স্বাস্থ্যহানি ঘটবে। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল চটজলদি ওজন কমাতে সহায়ক রাতের বেলার ৩ টি ডায়েট প্ল্যান। রাতে বেলা না খেয়ে থাকার চেয়ে একটি ডায়েট চার্ট অনুসরণ করুন। দ্রুত ওজন কমাতে পারবেন।

ওজন কমাতে রাতের বেলার ৩টি কার্যকর ডায়েট প্ল্যানঃ

ডায়েট প্ল্যান-১ঃ যারা ভাত জাতীয় খাবার পছন্দ করেনঃ

অনেকেই আছেন যারা ভাবেন ভাত খেয়ে ওজন কমানো যায় না। কথাটি সম্পূর্ণ ভুল। পরিমিত পরিমাণ ভাত ওজন কমাতে বেশ সহায়ক। নিয়ম করে রাতের বেলা এই চার্টটি অনুসরণ করেই দেখুন ওজন কমে কিনা!

১ কাপ ভাতঃ ভাতের পরিমাণ ১ কাপই হতে হবে। কোনো ভাবেই এর চাইতে বেশী নয়।
১ টুকরো মাছ/ মাংসঃ মাঝারি আকৃতির এক টুকরো মাছ/ মাংস শরীরের আমিষের চাহিদা পূরণ করবে।
১ কাপ সবজিঃ কম তেলে বা তেল বিহীন সবজিভাজি ফ্যাট অনেকাংশে কমায়। ১ কাপ পরিমাণ সবজি অবশ্যই ডায়েট চার্টে রাখবেন। সব চাইতে ভালো হয় কাঁচা সবজির সালাদ রাখলে।
১ কাপ ডালঃ ডাল ফ্যাট কাটতে সহায়তা করে। পাশাপাশি পুষ্টি যোগায় শরীরে।
১ টি ফল ও দইঃ খাবার শেষে ১ টি কলা বা ১ টি আপেল কিংবা ১ টি কমলা খাবেন। এই ফলগুলো ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। আর ১/৪ কাপ টক দই। এটা খাবার হজমে সাহায্য করবে।
ডায়েট প্ল্যান-২ঃ যারা রুটি জাতীয় খাবার পছন্দ করেনঃ

অনেকে রাতে ভাত খেতে পারেন না বা খেতে চান না। তাদের জন্য এই ডায়েট চার্ট। অনুসরন করে দেখুন, ওজন কমবে দ্রুত।

২/৩ টি পাতলা আটার রুটিঃ রুটিটি অবশ্যই আটার হতে হবে। লাল আটা হলে ভালো হয়। ময়দা ও পাউরুটি হলে চলবে না। কারন ময়দার রুটি ও পাউরুটি খেলে ওজন বাড়ে
১/২ কাপ সবজিঃ কম তেলে বা তেল বিহীন সবজিভাজি আটার রুটির সাথে খেতে পারেন।
১/২ টি ডিমের সাদা অংশঃ ডিম প্রোটিনের খুব ভালো একটি উৎস। ডিমের সাদা অংশে ক্যালোরি অনেক কম থাকে। তাই ১/২ টি ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন। কিংবা এক টুকরো মাছ বা মাংস যা আপনার পছন্দ।
১/২ টি ফলঃ কলা, আপেল কিংবা কমলা এই তিনটি ফলের যে কোন ১ টি খাবেন। দই খেতে চাইলে ২/৩ টেবিল চামচ খেতে পারেন।
ডায়েট প্ল্যান-৩ঃ সবচাইতে দ্রুত ওজন কমানোর জন্যঃ

এই ডায়েট প্ল্যানটি যে কেউ অনুসরণ করতে পারেন খুব দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে। দ্রুত ওজন কমাতে খুবই কার্যকরী একটি চার্ট।

আধা কাপ হাই ফাইবার কর্ণফ্লেক্সঃ হাই ফাইবার কর্ণফ্লেক্স ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে কর্ণফ্লেক্স অবশ্যই চিনি ছাড়া হতে হবে। যদি চিনি ছাড়া খেতে না পারেন তবে মধু ব্যবহার করতে পারেন।
১ কাপ মাখন ছাড়া দুধঃ মাখন ছাড়া দুধে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক কম থাকে। তাই ডায়েট চার্টে ১ কাপ মাখন ছাড়া দুধ অবশ্যই রাখবেন।
ফলঃ এই ডায়েট চার্টে ফলের গুরুত্ব অনেক বেশী। বেশী করে ফল খাবেন রাতে। বিশেষ করে কলা ও সবুজ আপেল। এরা ফ্যাট কমাতে অনেক সহায়তা করে।
কর্ণফ্লেক্স, দুধ ও ফল এক সাথে মিশিয়ে খেয়ে নিন। দুধটা ঠাণ্ডা না খেয়ে গরম খাবেন। সাথে খেতে পারেন এক মুঠো কাঠ বাদাম

গরম চায়ের মধ্যে বিস্কুট চুবিয়ে খাওয়ার প্রচলন বেশ পুরোনো। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক অঞ্চলের মানুষের মধ্যে এই অভ্যাস দেখা যায়। তারা মনে করেন, বিস্কুট ছাড়া চা যেন ঠিক জমে না।

কোন বিস্কুট সেরা চায়ের মধ্যে ভিজিয়ে খেতে ?

তবে ভেবে দেখেছেন কী, চায়ে চুবিয়ে খাওয়ার জন্য কোন বিস্কুট সবচেয়ে উপযোগী? এ ক্ষেত্রে টোস্ট বিস্কুটের নামটাই প্রথমে মনে পড়ে। তবে সঠিক উত্তরের খোঁজে যুক্তরাজ্যের একদল বিজ্ঞানী রীতিমতো গবেষণা চালিয়েছেন। এতে শীর্ষস্থান পেয়েছে ‘রিচ টি’ নামের বিস্কুট। কারণ, এটি গরম চা বা কফিতে ১৪ বার চুবানোর পরও আস্ত থাকে। সেই তুলনায় অন্যান্য বিস্কুট চায়ের সংস্পর্শে আরও আগেই ভেঙে পড়ে।

‘জিনজার নাটস’, ‘ডাইজেস্টিভস’ ও ‘হবোনবস’ বিস্কুট যুক্তরাজ্যে বেশ জনপ্রিয় হলেও এগুলো গরম চায়ে মাত্র দুবার চুবালেই ভেঙে যায়। যুক্তরাজ্যে আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় বিস্কুট দিবস। এ উপলক্ষে ম্যাকভাইটিজ ব্র্যান্ডের বিস্কুট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ওই গবেষণার উদ্যোগ নেয়।

বিবিসি রেডিওর সাপ্তাহিক ‘লাইফ সায়েন্স’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ডা. ফার্ডিনান্ড বলেন, গরম চায়ে বিস্কুট চুবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস একধরনের শিল্প। ব্রিটেনে এর সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে। তাই এভাবে খাওয়ার জন্য সেরা বিস্কুট খুঁজে বের করাটা অবশ্যই দরকার।

দুই হাজার মানুষের ওপর পরিচালিত ওই গবেষণায় আরো দেখা যায়, চায়ে চুবিয়ে বিস্কুট খাওয়ার প্রবণতা যুক্তরাজ্যে বাড়ছে। ৫৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের চেয়ে তরুণদের মধ্যে এ অভ্যাস ২০ শতাংশ বেশি। জরিপে অংশগ্রহণকারী ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের ৮২ শতাংশই চায়ে চুবিয়ে বিস্কুট খান। আর তাদের ২৪ শতাংশ প্রতিদিনই এভাবে বিস্কুট খান।

কোন পেশার মানুষ কী রকম বিস্কুট পছন্দ করেন, তার অনুসন্ধান করে গবেষকেরা দেখতে পান, ব্যাংকারদের কাছে ‘জাফা কেকস’ বিস্কুটের কদর বেশি। আইনজীবীরা ‘মিল্ক চকলেট’ ভালোবাসেন। দমকল বাহিনীর সদস্য, পুলিশ, ডাক্তার, নার্স ও শিক্ষকদের পছন্দ ‘চকলেট ডাইজেস্টিভ’।

জরিপে দেখা যায়, চায়ে চুবিয়ে খাওয়ার জন্য ৩৪ শতাংশের পছন্দ ‘ডাইজেস্টিভ’। এ ক্ষেত্রে ‘রিচ টি’ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ব্যাংকারদের মধ্যে চায়ে ডুবিয়ে বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস সবচেয়ে বেশি।

ম্যাকভাইটির ব্র্যান্ড ডিরেক্টর ক্যারি ওয়েনস বলেন, এক কাপ চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়াটা মানুষের জীবনের সহজলভ্য একটি আনন্দ। চা পান করাটা একটা পুরোনো ঐতিহ্যও বটে। জাতীয় বিস্কুট দিবসের লক্ষ্য ভালো বিস্কুট পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে জনসাধারণের মুখে হাসি ফোটানো। এতে করে তাদের প্রতিদিনের আয়েশি মুহূর্তটা আরেকটু বেশি আনন্দময় হতে পারে।

বাংলাদেশেও দেশি বিদেশি বহু ব্র্যান্ডের বিস্কুট পাওয়া যায়। চায়ের সাথে ভিজিয়ে খেতে এর মধ্যে কোনটা বেশি উপযোগী তা নিয়ে এদেশে ভবিষ্যতে কোনো গবেষণা হয় কিনা তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। তবে গবেষকরা এগিয়ে না এলেও আয়েশি মানুষ তার দৈনন্দিন অভিজ্ঞতায় ঠিকই খুঁজে নেবেন সঠিক ব্র্যান্ডটি।

ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম এবং মাইক্রোসফট বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। 

মাইক্রোসফট নারীদের প্রশিক্ষণ দেবে

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসএসএফ ব্রিফিং রুমে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি সই করেন এটুআই প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার ও মাইক্রোসফট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাইক্রোসফটের সাউথ-ইস্ট এশিয়া নিউ মার্কেটস বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার মিশেল সিমন্স। 
এটুআইয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চুক্তির আওতায় দেশব্যাপী ৫ হাজার ২৭৩টি ডিজিটাল সেন্টারের নারী উদ্যোক্তাদের কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে ডিজিটাল সেন্টারগুলোর সরাসরি সার্ভিস সেন্টারের সেবা দেবেন তাঁরা। 
অনুষ্ঠানে কবির বিন আনোয়ার বলেন ‘প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন এবং প্রতিটি কেন্দ্রে একজন নারী এবং পুরুষ উদ্যোক্তার অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। নারী উদ্যোক্তা থাকায় গ্রামাঞ্চলে নারীদের সেবার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ডিজিটাল সেন্টারের নারীদের মাইক্রোসফটের এ প্রশিক্ষণ তাদের আরও একধাপ এগিয়ে নেবে। 
সোনিয়া বশির কবির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আমি অনেক বেশি উচ্ছ্বসিত। চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে মাইক্রোসফট বাংলাদেশ দেশের ডিজিটাল সেন্টারের ৫ হাজার ২০০ জন নারীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশের নারীদের প্রযুক্তিতে যুক্ত করার ব্যাপারে অনেক বেশি আশাবাদী। এই খাতে নারীদের চাকরি করার যোগ্যতা অর্জনের পাশাপাশি পেশাগত জীবনে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি।’ 
ডিজিটাল সেন্টার হল ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ডে স্থাপিত তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর সেবাকেন্দ্র। অনলাইন নিবন্ধন, জমির পরচা, সরকারি ফরম পূরণ, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল, অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, অনলাইন জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ই-মেইল, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ডিজিটাল সেন্টারে ৫ হাজার ২৭৩ জন গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান হয়েছে। এদের মধ্যে ১১টি সিটি করপোরেশনের ৪০০ জন এবং ১৫টি জেলা থেকে এক হাজার ৫০০ জন নারী উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে মাইক্রোসফট। এ বছর পাঁচ হাজার ২০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেবে মাইক্রোসফট।


মাইক্রোসফট যে প্রশিক্ষণ দেবে

গত বছরের মার্চে ‘উইন্ডোজ উইমেন’ শীর্ষক একটি উদ্যোগ নেয় মাইক্রোসফট বাংলাদেশ। এর আওতায় কয়েকজন উদ্যোক্তাকে মাইক্রোসফট ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নিযুক্ত করে। এ ছাড়া ৬৪টি জেলা সরকারি স্কুলের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী, ৩৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থী, ‘ইয়ং বাংলা’ প্রকল্প থেকে নারী উদ্যোক্তা, ১১টি সিটি করপোরেশন ও ১৫টি জেলার মোট এক হাজার ৯০০ জন নারীকে প্রশিক্ষণ দেয় মাইক্রোসফট। প্রশিক্ষণে মাইক্রোসফটের পণ্য উইন্ডোজ ১০ ও অফিস ৩৬৫ বিষয় শেখানো হয়। পরে তাঁদের মাইক্রোসফট ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বানানো হয়। তাঁরা মাইক্রোসফট অফিস ব্যবহার করার সুযোগ পান। মাইক্রোসফটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে আসল সফটওয়্যার ব্যবহার সম্পর্কে মানুষকে পরামর্শ দিতে ও পাইরেসির বিরুদ্ধে বলতে কাজ করবেন তাঁরা।




গোটা দুনিয়া কম্পিউটার হাতে এগিয়ে যাবে আর শিশুদের বেলায় বলা হবে ‘আগে বড় হও’, তা চলবে না!

 ডিজিটাল শিক্ষা শিশুদের জন্য

সারি সারি ডেস্কে পেটমোটা সব কম্পিউটার। সামনে বসে আছে একদল শিশু। ভাবভঙ্গি গুরুগম্ভীর হলেও উত্তেজনায় চোখ চকচক করছে। আজ নতুন কিছু শিখবে তারা, মজার কিছু। গত শতকের আশির দশকের ঘটনা এটি। তা-ও আবার মার্কিন মুলুকে। স্টিভ জবসের অ্যাপল কম্পিউটার সবে পরিচিতি পেতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে তিনি একবাক্যে ঘোষণা দিলেন, ‘কিডস কান্ট ওয়েট’। গোটা দুনিয়া কম্পিউটার হাতে এগিয়ে যাবে আর শিশুদের বেলায় বলা হবে ‘আগে বড় হও’, তা চলবে না! ১০-১১ বছরে প্রথম কম্পিউটার দেখেছেন স্টিভ জবস। প্রথম দেখায় প্রেম। আর তাই শিশুশিক্ষায় কম্পিউটারের অন্তর্ভুক্তি ছিল অ্যাপলের অগ্রাধিকার। শিশুদের জন্য মজার মজার সব কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি করেছে তারা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কম্পিউটার সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। মোটকথা, শিক্ষা যেন অ্যাপলের ‘ডিএনএ’তেই ছিল।
শনিবার বেসিস সভাকক্ষে আনন্দ কম্পিউটার্সের প্রধান নির্বাহী মোস্তাফা জব্বার পুরোনো স্মৃতি এভাবেই রোমন্থন করছিলেন। সে সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে অ্যাপল কম্পিউটার ইনকরপোরেটেডের সেই উদ্যোগ দেখে অনুপ্রাণিত হন। নিজ দেশে এমন কিছু শুরুর কথা ভাবেন। অ্যাপলের কিছু সফটওয়্যার কিনে আনেন তিনি। বাংলায় রূপান্তরের চেষ্টা করেন। তবে সেই চেষ্টায় সফলতার মুখ দেখে যখন নিজেরা নতুন করে অ্যানিমেশন ও শব্দ সংযোজনার মাধ্যমে এমন সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নেন। মূলত সেটাই ছিল বিজয় শিশুশিক্ষা তৈরির ইতিকথা।
এরপর ১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর গাজীপুরে আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুল স্থাপন করা হয় পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে। ধীরে ধীরে সারা দেশেই স্কুলের নতুন নতুন শাখা খোলা হয়। এই স্কুলগুলোতে বিজয় শিশুশিক্ষার মাধ্যমে কম্পিউটারভিত্তিক শিক্ষার হাতেখড়ি দেওয়া হয় শিশুদের। এদিকে চলতে থাকে বিজয় শিশুশিক্ষার উন্নয়ন। ২০১১ সাল নাগাদ প্রাক–প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের জন্য পূর্ণাঙ্গ সফটওয়্যার তৈরি হয়। মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘এরপর আমার স্বপ্ন ছিল স্কুলের বাচ্চাদের হাতে কম্পিউটার পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু ৪০-৫০ হাজার টাকার কম্পিউটার তো আর দেওয়া সম্ভব না। কম খরচের কম্পিউটারের খোঁজে লেগে পড়ি। এদিকে আমাদের সফটওয়্যারের উন্নয়ন চলছেই। প্রিস্কুল পর্বের কাজ হলো, পাঠ্যবই ধরে প্রথম-দ্বিতীয় শ্রেণিও হলো। কিন্তু আমরা চাইছিলাম সফটওয়্যারটি শুধু শ্রেণিকক্ষে না, শিশুদের হাতে পৌঁছে দিতে।’এর মধ্যে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় নেত্রকোনার পূর্বধলার এক স্কুলের অধ্যক্ষের সঙ্গে। সৈয়দ আরিফুজ্জামান নামের সেই অধ্যক্ষের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেন তাঁরা। এরপর গত বছরের শেষে এই প্রচেষ্টার উদ্বোধন করা হয়। মোস্তাফা জব্বার জানান সারা দেশে এই শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়াই এখন আমাদের পরিকল্পনা। এ বছর পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিষয়বস্তু (কনটেন্ট) তৈরি করব আমরা।

পূর্বধলার স্কুলে ডিজিটাল শিক্ষা
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার আরবান একাডেমির অধ্যক্ষ সৈয়দ আরিফুজ্জামানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিদ্যালয়টির ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমে বিজয় শিশুশিক্ষার প্রাক্-বিদ্যালয় বিষয়বস্তুগুলো শ্রেণিকক্ষে বড় পর্দায় দেখানো শুরু করি। এতে বেশ ভালো ফল পাওয়া যায়। শিক্ষার্থীরা আগ্রহের সঙ্গে পড়াশোনা করে।’ এরপর তিনি ভেবে দেখেন, যদি প্রতিটি শিশুর হাতে তা পৌঁছে দেওয়া যায়, তবে আরও ভালো হয়। এর মধ্যে বিজয় শিশুশিক্ষা দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা উপকরণ তৈরি করে ফেলে। এগিয়ে আসে বেসরকারি সংস্থা ডিনেট। ওদিকে মোস্তাফা জব্বার সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ে চেষ্টা চালিয়ে যান স্বল্পমূল্যে ট্যাবলেট কম্পিউটারের খোঁজে। অবশেষে সব ব্যবস্থা হয়ে গেলে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর আরবান অ্যাকাডেমির প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ৪০ শিক্ষার্থীর হাতে কি-বোর্ডযুক্ত ট্যাবলেট কম্পিউটার তুলে দেওয়া হয়। ‘স্বদেশ’ নামের এই ট্যাবলেট কম্পিউটার বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে শিশুদের পাঠদানের উপযোগী করে। প্রতিটি ট্যাবলেটে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের প্রথম শ্রেণির সিলেবাস অনুসরণ করে তৈরি করা বিজয় প্রাথমিক শিক্ষা-১ সফটওয়্যার ইনস্টল করা আছে৷ উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চলা এসব কম্পিউটার ও ডিজিটাল শ্রেণিকক্ষের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে বিজয় ডিজিটাল৷ সৈয়দ আরিফুজ্জামান ২০১৮ সালের মধ্যে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর হাতে এই ট্যাবলেট কম্পিউটার পৌঁছে দেওয়ার আশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘খুব দ্রুত এই শিক্ষার্থীরা ট্যাবলেট কম্পিউটারের ব্যবহার আয়ত্ত করে ফেলেছে। শিখছেও দ্রুত। এই মাধ্যমে শিক্ষা খুব কার্যকর হচ্ছে।’ 
আশির দশকে যুক্তরাষ্ট্রে যে বিপ্লবের সূচনা হয়েছে, আমাদের দেশে তা হচ্ছে এত দিন পর। তবু তো চাকা গড়াল! সে জন্যও উদ্যোক্তারা একটা ধন্যবাদ তো পেতেই পারেন। তথ্যপ্রযুক্তির হাত ধরে একদিন জ্যোতির্ময় বাংলাদেশ গড়ে উঠবে এমনটাই সবার প্রত্যাশা।

ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ মহাকাশে থাকা তিন নভোচারীর সঙ্গে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে যুক্ত হবেন ১ জুন। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে বসবাসরত তিন নভোচারীর সঙ্গে ১ জুন ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে যুক্ত হবেন জাকারবার্গ।

জাকারবার্গ নভোচারীদের সঙ্গে ফেসবুক লাইভে থাকবেন

 নাসার ফেসবুক পেজে পৃথিবী থেকে মহাশূন্যের ওই আলাপচারিতার বিষয়টি সরাসরি ফেসবুকে দেখতে পাবেন ব্যবহারকারীরা। ২০ মিনিটের ও ওই ভিডিও কলে নাসার নভোচারী টিম কোপরা, জেফ উইলিয়ামস ও ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির টিম পিকে কথা বলবেন। নাসার ফেসবুক পেজে ব্যবহারকারীর পোস্ট করা প্রশ্নগুলোর মধ্যে থেকে বাছাই করে জাকারবার্গ তাঁদের প্রশ্ন করবেন। ইতিমধ্যে ফেসবুক পেজে বেশ কিছু প্রশ্ন পোস্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে খাবার পচতে কত দিন লাগে? আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন কি কখনো ব্যক্তিমালিকানায় যাবে? প্রভৃতি প্রশ্ন।
বিশ্বের নেতৃত্বস্থানীয় পরীক্ষাগার হিসেবে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ছাড়া প্রযুক্তি উন্নয়নে এটি কাজ করে। মহাকাশে মানুষ বা রোবট পাঠানোর আগে প্রযুক্তির উন্নয়ন ও পরীক্ষাগার হিসেবে এই স্টেশনকে ব্যবহার করা হয়। তথ্যসূত্র: আইএএনএস।

আপনি কি কখনো তরমুজ বা লেবুর বীজ খাওয়ার কথা চিন্তা করেছেন? এ বীচিগুলো ছুড়ে ফেলে দেয়াই স্বাভাবিক, কিন্তু এই বীচিগুলো ছুড়ে ফেলে দেয়ার সাথে সাথে আপনি কিছু পুষ্টি উপাদানও ছুড়ে ফেলে দিচ্ছেন। কিছু ফলের বীচি বিষাক্ত নয় এবং এগুলো খেলে আপনার পাকস্থলীতে কোন গাছও জন্মাবেনা, তাই নিশ্চিন্তেই এদের খাওয়া যায়। আসলে কিছু ফলের বীচিতে উপকারি এমাইনো এসিড, ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। এমন কয়েকটি ফলের বীজের কথাই আজ জেনে নিই চলুন যা খেলে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

Watermelon,-lime-and-some-fruit-seeds-Health-Benefits


১। তরমুজের বীচি

তরমুজের বীচি অনেক বেশি পুষ্টিকর একটি খাবার যা খেলে আপনার চুল, নখ ও ত্বক উজ্জ্বল হয়। স্বাস্থ্যকর ওলেইক ও লিনোলিয়াম এসিডের চমৎকার উৎস হচ্ছে তরমুজের বীচি। তরমুজের বীচিতে জিংক, ফাইবার ও আয়রন থাকে। জিংক বিভিন্ন ধরণের এনজাইম পরিচালনার জন্য এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য প্রয়োজনীয়।  দুর্ভাগ্যবশত এই পুষ্টি উপাদানটি দীর্ঘদিন শরীরে জমা থাকেনা। তাই আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় জিংক সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। তরমুজের বীচিতে উচ্চমাত্রার অ্যামাইনো এসিড আরজিনিন থাকে। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং করোনারি হার্ট ডিজিজ নিরাময়ে সাহায্য করে। তরমুজের বীচি উচ্চমাত্রার ভিটামিন বি, নায়াসিন এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ।

২। লেবুর বীচি

সকল ধরণের সাইট্রাস ফলের বীচিই নিরাপদ। তাই কমলা বা আঙ্গুর খাওয়ার সময় বীচিতে কামড় পড়লে বা জুসের সাথে খেলে কোন সমস্যা নাই। লেবুর বীচিতে স্যালিসাইলিক এসিড থাকে যা অ্যাসপিরিনের প্রধান উপাদান। তাই কয়েকটি লেবুর বীচি খেয়ে ফেললে কোন ক্ষতি নাই বরং এরা আপনাকে বেদনানাশক উপকারিতাই দিবে।

৩। পেঁপের বীচি

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে যারা বাস করেন তাদের দেহে পরজীবীর সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য পেঁপের বীচি উপকারি। পেঁপের বীচিতে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম, পেপেইন শরীরকে প্যারাসাইট মুক্ত করে। এছাড়াও পেঁপের বীচিতে এন্থেলমিন্টিক উপক্ষার কারপেইন থাকে। যা পরজীবী ক্রিমি ও অ্যামিবা ধ্বংস করতে সাহায্য করে। পেঁপের বীচিতে উপকারি গ্লুকোট্রোপিওলিন থাকে যা শরীরে বিপাকের মাধ্যমে শক্তিশালী ক্যান্সার বিরোধী উপাদান আইসোথায়োসায়ানেট উৎপন্ন করে।

৪। কিউইর বীচি 

কিউই ফলের কালো বীচি ভিটামিন ই এবং ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিডের চমৎকার উৎস। এই পুষ্টি উপাদানগুলো যথেষ্ট পরিমাণে গ্রহণ করলে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ হয় এবং উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৫। কালোজামের বীচি

কালোজামের বীচিতে ওমেগা৩ ও ওমেগা৬ ফ্যাটি এসিড থাকে। এছাড়াও ফাইবার, ক্যারোটিনয়েড এবং প্রোটিন থাকে। কালোজামের বীচিতে পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৫। অ্যাভোকাডোর বীচি

অ্যাভোকাডোর বীচিতে উচ্চমাত্রার দ্রবণীয় ফাইবার ও অ্যান্টিওক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। পটাসিয়ামের ভালো উৎস অ্যাভোকাডোর বীচি। অ্যাভোকাডোর বীচির উচ্চমাত্রার ফেনোলিক অ্যান্টিওক্সিডেন্ট হাই ব্লাড প্রেশার ও হাই কোলেস্টেরল কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

এখন থেকে আর এই ফলের বীজগুলো ফেলে দেবেন না তো? 

                                                                                                                              -শাম্মী আখতার

লম্বা হতে কে না চায় বলুন? নারী-পুরুষ সবাই চায় লম্বা হতে। লম্বা হলে দেহের আকৃতিও সুন্দর দেখায়। সেই সঙ্গে সব ধরণের পোশাক-আশাকই মানিয়ে যায় বেশ সহজেই। আর তাই নিজের কিংবা নিজের সন্তানের উচ্চতা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন।

Vegetables-that-will-be-long


সাধারনত বংশগত বৈশিষ্ট্যের উপর কার উচ্চতা কেমন হবে তা নির্ভর করে অনেকাংশেই। কিন্তু বংশগত বৈশিষ্ট্য ছাড়াও পুষ্টির উপরও উচ্চতা নির্ভর করে। কিছু কিছু খাবার উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। সাধারণত পুরুষের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত ও নারীর উচ্চতা সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। আর এই বেড়ে ওঠার সময়টাতে উচ্চতা বিশেষ খাবার গুলো খাবার তালিকায় নিয়মিত রাখলে উচ্চতা বৃদ্ধি পায় অনেকখানি।
সবজি দেখলে না কুঁচকে ফেলেন? একটুও ভালো লাগে না সবজি খেতে? তাহলে এবার নিজেকে তৈরি করে নিন। কেননা উচ্চতা বাড়াতে চাইলে এবার কিছু সবজি খেতেই হবে আপনাকে।
বাজারে মিলবে অসাধারণ সব সবজি যা দেহে গ্রোথ হরমোনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে লম্বা হতে সহায়তা করবে আসুন জেনে নেয়া যাক উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ৫টি সবজি সম্পর্কে।
বাঁধাকপি:
বাঁধাকপিতে আছে ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান। এছাড়াও বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। এই উপাদান গুলো সম্মিলিত ভাবে শরীরের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে এবং গ্রোথ হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায়।
মটরশুঁটি:
শীতকালীন এই সবজিটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ও সবার কাছে বেশ জনপ্রিয়। বড় ছোট সবাই খুব পছন্দ করে মটরশুঁটি খেয়ে থাকেন। মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লু্টেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক।
ব্রোকলি:
ব্রোকলি হলো ফুলকপি গোত্রের একটি সবজি। দেখতে ফুলকপির মত এই সবজিটির রঙ সবুজ। ব্রোকলি খুবই পুষ্টিকর একটি সবজি। ব্রোকলিতে ভিটামিন সি, অনেক রকম ফাইবার ও আয়রন আছে। এছাড়াও ব্রকলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। ব্রকলি গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।
ঢেঁড়স:
কিছুটা আঠালো এই সবজিটি অনেকেরই প্রিয় খাবার। আবার আঠালো ভাবের জন্য কেউ কেউ অপছন্দও করেন ঢেঁড়স সবজিটি। ঢেঁড়স কারো কারো কাছে ভেনডি নামেও পরিচিত। ঢেঁড়স একটি পুষ্টিকর সবজি। এতে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার। এই উপাদানগুলো গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।
পালং শাক:
পালং শাক পৃথিবীর সবচাইতে বেশি পুষ্টিকর খাবারগুলোর মধ্যে একটি। পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল আছে। ফলে পালং শাক গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।
                                                                                                                   -শাম্মী আখতার

ছেলেবেলায় মায়ের কাছে বাটার বনের বায়নার কথা মনে আছে? বেশিরভাগ সময়েই মা উত্তর দিতেন- “ক্রিম ভালো না, পেট ব্যথা করবে” ইত্যাদি আরও কত কী! তবে সেই দিন এবার ফুরোলো। একদম অল্প সময়ে নিজের বাড়িতেই তৈরি করে ফেলতে পারবেন দারুণ মজার বাটার বন। ছেলেমেয়েরা তো বটেই, খুশি হবে বড়রাও। আর ঘরে তৈরি বলে বলাই বাহুল্য যে অনেকটাই স্বাস্থ্যকর।

Create-a-delicious-butter-forest-home


আসুন, জেনে নেই চমৎকার রেসিপিটি।

উপকরণ
সাড়ে ৪ কাপ ময়দা, ৪ চা চামচ শুকনো ইস্ট (বা ২৮ গ্রাম এর প্যাকেট), ১ কাপ দুধ, ৩/৪ কাপ পানি, ১/৪ কাপ মার্জারিন বা ১/৪ কাপ মাখন বা ১/৪ কাপ তেল, ১/৩-১/২ কাপ সাদা চিনি, ১/২ চা চামচ লবণ, ডিম এর কুসুম ২ টি ( সামান্য তেল আর পানি দিয়ে ফেটে নিতে হবে )

প্রণালী
প্রথমে কুসুম গরম পানিতে ইস্ট ভিজাতে হবে। এরপর তেল বাদে সব এক সঙ্গে নিয়ে ভালো ভাবে মাখাতে হবে।

খামির বা ডো তৈরি হয়ে গেলে মাখন/তেল দিয়ে আরো একবার ভালোভাবে মথে ঢেকে রাখতে হবে ৪ থেকে ৬ ঘন্টা। হালকা গরম জায়গায়।

এরপর খামিরটা যখন ফুলে উঠবে তখন আরো একবার মাখিয়ে নিন।

লম্বা বাটার বন আকৃতির রুটি তৈরি করে বেকিং ট্রে-তে হালকা তেল মাখিয়ে তার ওপরে সাজান। ওপরে খাঁজকাটা ডিজাইনের জন্য ব্লেড দিয়ে হালকা করে চিড়ে নিন। আবার ৩০ মিনিট উষ্ণ জায়গায় রেখে দিন।

রুটি ফুলে উঠলে উপরে ডিম এর প্রলেপ দিয়ে ১৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রি হিট করা ওভেনে ৩০ মিনিট বেক করতে হবে। হয়ে গেলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে।
(অনেক সময় অনেক ওভেন ভেদে তাপমাত্রা ওঠা নামা করে। সেই ক্ষেত্রে বেক-এর সময় ও ৩ থেকে ৪ মিনিট আগে পরে হতে পারে।)

ক্রিম তৈরি
২০০ গ্রাম এর বাটার, আইসিং সুগার ৪ টেবিল চামচ, লিকুইড দুধ ১ টেবিল চামচ
সব একত্রে নিয়ে ভালো ভাবে বিট করে নিতে হবে। এর পর রুটির মাঝ বরাবর কেটে ক্রিম দিতে হবে। তৈরী হয়ে গেল মজাদার বাটার বন।

                                                                                                                              -শাম্মী আখতার

সামনেই পবিত্র রমজান । আবার বসবে মুখরোচক ইফতারের পসরা। ইফতারের একটি আইতেম হল জিলিপি। জিলাপি তৈরি করতে অনেক সময় লাগে বলেই ধারণা সকলের। ব্যটার তৈরি করে কয়েক ঘণ্টা রেখে না দিলে সঠিকভাবে জিলাপি তৈরি করা যায় না বলে মনে করেন। কিন্তু আপনি জানেন কি? ৪০ মিনিটেরও কম সময়ে আপনি তৈরি করে ফেলতে পারবেন অত্যন্ত সুস্বাদু জিলাপি। অবাক হচ্ছেন? তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক সুস্বাদু ইনস্ট্যান্ট জিলাপি 


40-minitei-made-sweets


উপকরণঃ

- ১ কাপ ময়দা
- আধা কাপ টকমিষ্টি দই
- ১ চা চামচের সামান্য বেশি বেকিং পাউডার
- কয়েক ফোঁটা কমলা ফুড কালার
- ঘি বা ডালডা ভাজার জন্য
- ২ কাপ চিনি
- ১ কাপ পানি

পদ্ধতিঃ

- প্রথমেই চিনি ও পানি একসাথে দিয়ে প্যান চুলায় বসিয়ে জ্বাল করতে থাকুন শিরা তৈরির জন্য। মাঝারি আচে জ্বাল দিয়ে মাঝারি ঘন শিরা তৈরি করে নিন। শিরা ঠিকমতো হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য ঠাণ্ডা পানিতে কয়েক ফোঁটা শিরা ফেলে দেখুন। শিরা ছড়িয়ে না পড়ে যদি গোল বলের মতো হয় তাহলে বুঝবেন শিরা তৈরি হয়ে গিয়েছে। তাহলে নামিয়ে রাখবেন।
- শিরা জ্বাল করতে করতেই ময়দা ও বেকিং পাউডার একসাথে ভালো করে মিশিয়ে ফেলবেন। এবং এতে মেশাবেন দই ও ফুড কালার। ভালো করে মিশিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঘন মসৃণ ব্যটার তৈরি করে নিন।
- ব্যটার খুব ঘন হবে না বা পাতলাও হবে না। বেগুনী বা আলুর চপ ভাজার জন্য যেমন অল্প ঘন ধরণের বেসনের ব্যটার তৈরি করেন ঠিক তেমনটা।
- কেকের উপরে ক্রিম সাজানোর যে পাইপিং ব্যাগ পাওয়া যায় তাতে নিন এই ব্যটারগুলো। যদি না থাকে একটি প্ল্যাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিন এই ব্যটার এবং ব্যাগের এক কিনারে একটু গোল ফুটো করে দিন।
- একটি তলা ভারী কড়াইয়ে ডুবো তেলে ভাজার জন্য ঘি বা ডালডা দিয়ে গরম করুন। যদি ঘি বা ডালডা ব্যবহার করতে না চান তাহলে সাধারন তেলেও চলবে। তেল অতিরিক্ত গরম করবেন না। মাঝারি ধরণের গরম করে নিন।
- ব্যাগ চেপে হাত ঘুরিয়ে জিলাপির প্যাঁচ তৈরি করে জিলাপি ফেলুন তেল বা ঘি তে। সোনালি বাদামী রঙের করে ভেজে নিন দুপাশ এবং তুলে হালকা গরম শিরার মধ্যে ফেলুন।
- ৩-৪ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন শিরাতে তারপর তুলে নিন। ব্যস, এবার পরিবেশন করুন ইফতারে। ১৫ মিনিট শিরা তৈরি এবং পাশাপাশি ব্যটার তৈরি এবং ভেজে ৩-৪ মিনিট শিরায় ডুবিয়ে পরিবেশন। দেখলেন তো ৪০ মিনিটেরও কম সময়ে তৈরি করে ফেলতে পারবেন সুস্বাদু জিলাপি।

                                                                                                                          -শাম্মী আখতার


মাহে রমজান উপলক্ষে টপটেন ফেব্রিক্স অ্যান্ড টেইলার্স দিচ্ছে সব ফেব্রিক্সে ১০% ছাড়। এ ছাড় চলবে পুরো রমজান থেকে চাঁদরাত পর্যন্ত। রমজানকে সামনে রেখে টপটেন এবার এনেছে বিদেশি শার্ট, প্যান্ট, ব্লেজার ও স্যুটের কাপড়।

Ramadan-topten-ten-percent-discount


ক্রেতাদের পছন্দনুসারে বিশ্বসেরা বিভিন্ন ব্র্যান্ড রেমন্ড, অরবিন্দ, রিড অ্যান্ড টেইলর, মন্টি, মকসা, ক্লাব, গাবিয়া, মুরজি, ওসিএম ও লিলেন ইত্যাদি পিস কাপড় ও থান কাপড়ে সাজানো হয়েছে ১৬টি আউটলেট।

এছাড়া উদ্বোধন এর অপেক্ষায় আছে টপ টেন ফেব্রিক্স অ্যান্ড টেইলার্স এর আরো দুটো নতুন শো-রুম। আধুনিক ফ্যাশনেবল শার্ট, প্যান্ট, ব্লেজার, স্যুটসহ সব রকম মানানসই পোশাক তৈরির সুযোগ টপ টেন ফেব্রিক্স অ্যান্ড টেইলাস । ফোন: ৯৬১১৫৬৯।  

                                                                                                                                -শাম্মী আখতার
   
Blogger দ্বারা পরিচালিত.