ত্বকের সৌন্দর্য দীর্ঘস্থায়ী করবে এই খাবারগুলি


সুন্দর ত্বক পেতে গেলে তার পুষ্টি প্রয়োজন হয়। ঠিকমতো খাদ্যগ্রহণ না করলে, ত্বক আর্দ্র না রাখলে, দূষিত পরিবেশে বেশিক্ষণ থাকলে ও অসংলগ্ন জীবনযাত্রার কারণে ত্বক খসখসে ও বিশ্রী হয়ে পড়ে। তাই সুস্থ ও সৌন্দর্যযুক্ত ত্বক পাওয়ার জন্য বেছে খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা যা খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করি, তা আমাদের ত্বকের পুষ্টিতে সাহায্য করে। ফলে অস্বাস্থ্যকর খাবার ত্বকের ক্ষতি করে দেয়। কেউ কেউ আবার ত্বকের রং ও লাস্যময়তা ফেরাতে স্কিন হোয়াইটনিংয়ের আশ্রয় নেন। তবে তা যথেষ্ট নয়। এই ধরনের চিকিৎসা অনেক ব্যয় সাপেক্ষ ও তারপরে তা দেখভালেরও অনেক ঝক্কি। এর চেয়ে স্বাভাবিক উপায়ে যদি ত্বকের রং ও জেল্লা দুটোই ধরে রাখা যায় তাহলে ক্ষতি কি? নিচের লেখায় দেখে নিন, কোন কোন খাবার ডায়েটে রাখলে ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে বিশেষ সুবিধা হবে আপনার-

 
ব্রকোলি
ব্রকোলিতে থাকা উপাদান ত্বকের জেল্লা বাড়ায়। এতে রয়েছে ভিটামিন সি ও এ যা ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী। ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে ও ভিটামিন এ ত্বককে অতি বেগুনি রশ্মির হাত থেকে বাঁচায়।
 
অলিভ অয়েল
ত্বকের জন্য দারুণ কাজ করে অলিভ অয়েল। এতে থাকা ভিটামিন এ, ই ও উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে আর্দ্র রাখে। ফলে ত্বকের নমনীয়তা ও কোমলতা অক্ষুণ্ণ থাকে ও ত্বক মসৃণ ও জেল্লাদার হয়।
 
আঙুর
আঙুরে রয়েছে ভিটামিন সি যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসের কাজ করে ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। এতে থাকা ফোটোকেমিক্যালস শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে ত্বকের জেল্লা ধরে রাখে।
 
পালং শাক
পালং শাকে থাকা নানা উপাদান শরীর ও ত্বকের প্রভূত কাজে লাগে। ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়া থেকে বাঁচানো, ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করা সহ একাধিক উপকার করে পালং শাক।
 
গ্রিন টি
গ্রিন টিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস যা ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। এছাড়া ত্বকে ভাঁজ পড়া, দাগ তৈরি হওয়া, চামড়া খসখসে হওয়া থেকেও ত্বককে বাঁচিয়ে সুন্দর করে তোলে গ্রিন টি।