যে ৭টি কারণে নিয়মিত খাবেন চিনাবাদাম


চিনাবাদাম অনেকেরই বেশ পছন্দের একটি খাবার। পার্ক কিংবা লেকের পাশে বসে আছেন আর চিনাবাদাম খাবেন না তা কী করে হয়? আপনি হয়তো স্বাদের জন্য চিনাবাদাম খাচ্ছেন, কিন্তু এই চিনাবাদামেরও রয়েছে বিস্ময়কর কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা।
১। সোডিয়ামের মাত্রা কমানো
লবণ খাওয়া অনেকের অভ্যাস। লবণ শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি করে থাকে। কিন্তু চিনাবাদামে লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন, এটি আপনার লবণ খাওয়ার আগ্রহ পূরণ করে থাকে,আবার সোডিয়ামের মাত্রাও বৃদ্ধি করে না।
২। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে
চিনাবাদাম ২১% পর্যন্ত ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। এটি শর্করা শোষনকে ধীরগতি করে থাকে। সকালের নাস্তায় চিনাবাদাম রাখুন, এটি সারাদিন আপনার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখবে।
৩। পাকস্থলির পাথর দূর
চিনাবাদাম পাকস্থলির পাথর দূর করতে সাহায্য করে থাকে। এক আউন্স চিনাবাদাম অথবা চিনাবাদামের মাখন পাকস্থলির পাথর ২৫% পর্যন্ত দূর করে থাকে।
৪। ক্যান্সার প্রতিরোধে
চিনাবাদামে পলি- ফেনোলিক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা পাকস্থলি ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে দুইবার চিনাবাদাম খাওয়া ২৭% পুরুষ এবং ৫৮% মহিলাদের কোলন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে থাকে।
৫। হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে
The Journal of Nutrition একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে যেখানে বলা হয়, যারা নিয়মিত চিনাবাদাম খেয়ে থাকেন, তাদের ৩৫% পর্যন্ত হার্টের রোগ হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে। এছাড়া চিনাবাদাম খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে ভাল কোলেস্টেরল তৈরি করে, যা হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে।  
৬। হতাশা দূর করতে
সেরোটোনিন নামক উপাদান হতাশা দূর করে থাকে। চিনাবাদামে থাকা ট্রিপটোফেন উপাদান হতাশা রোধ করে থাকে। নিয়মিত চিনাবাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন অথবা প্রতি সপ্তাহে দুই টেবিল চামচ পিনাট বাটার খান।  এটি হতাশা কাটাতে সাহায্য করবে।
৭। ত্বক সুস্থ রাখে
চিনাবাদামের ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই রিংকেল, বলিরেখা এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া রোধ করে থাকে। এতে রিসভেরাটোল যা সাধারণত রেড ওয়াইন এবং আঙ্গুরের রসে পাওয়া যায় আছে যা ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে ত্বক থেকে টক্সিন পর্দাথ দূর করে।