সেরা রোমান্টিক পর্নোমুভিতে হাজার কোটির ব্যবসা!


রাখঢাক যতই থাকুক, পর্নোগ্রাফির জনপ্রিয়তাকে অস্বীকার করা যায় না। একটা সময় পর্নোগ্রাফি ছবির দর্শক বেশির ভাগটাই ছিল পুরুষতান্ত্রিক। দিন বদলেছে। এখন বহু নারীও খোলাখুলি স্বীকার করেন, তিনি পর্নো দেখেন। ২০১৫ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিশ্বের প্রতি ৩ জন নারীর একজন পর্নোগ্রাফি উপভোগ করেন।
এর ফলস্রুতিতেই বিশ্বজুড়ে কিছু রোমান্টিক অ্যাডাল্ট ছবি কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করেছে।
তবে পর্নো ফিল্ম বলতে যা বোঝায়, এসব ছবি মোটেই সেরকম নয়। চিত্রনাট্য ও অভিনয়ের জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছে এসব ছবি। টানটান চিত্রনাট্য, রোম্যান্সে ভরা সেই সব ছবি দর্শকদের রীতিমতো মুগ্ধ করেছে।
সেরকমই তিনটি ছবি হল টর্ন (নিউ সেনসেশন্স), হার্ট স্ট্রিংস (উইক্ড পিকচারস) ও ম্যারেজ ২.০। 
টর্ন (নিউ সেনসেশন্স)
২০১২ সালে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। সাড়া ফেলে দিয়েছিল দর্শকমহলে। অভিনয়, চিত্রনাট্য- সব দিক থেকেই। ভালোবাসা, সম্পর্ক ও প্যাসন-এর মিশেলে এই ছবি মন ছুঁয়ে যায়। এক মধ্যবয়স্ক বিবাহিত ব্যক্তি প্রেমে পড়েন তার চেয়ে বয়সে অনেক ছোট এক তরুণীর। সেই সম্পর্ক ঘিরেই তৈরি ছবির চিত্রনাট্য। উঠে এসেছে সম্পর্কের নানা দিক, খুঁটিনাটি।
হার্ট স্ট্রিংস (উইক্ড পিকচারস)
ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ২০১১ সালে। এক ছোট্ট শহরের আগন্তুকের সঙ্গে এক তরুণীর সম্পর্কের ইতিকথা। অনেকটা সিন্ডেরেলা-র মতো রূপকথা। ছবিটি আপনাকে নিয়ে যাবে এক স্বপ্নের দেশে। রোম্যান্স আচ্ছন্ন করবে মনকে। টানটান চিত্রনাট্য। দর্শকমহলে খুবই প্রশংসিত হয়েছিল ছবিটি।
ম্যারেজ ২.০
২০১৫ সালে রিলিজ হওয়া এই ছবিটিও পর্ন মুভির চিরাচরিত ধারণাকে ছাপিয়ে যায়। চিত্রনাট্য, সংলাপ, অভিনয়- সব কিছুই প্রশংসার যোগ্য। এই ছবির চিত্রনাট্য মনের গভীরে প্রবেশ করে। একটি নিঃশর্ত প্রেমের সম্পর্কে কতদূর পৌঁছনো যায়? বহু সাধারণ মানুষ নিজের জীবনের সঙ্গে মিল পাবেন। যৌনতা রয়েছে, চিত্রনাট্যের তাগিদে, ‘প্রয়োজনে, অযথা নয়’।