তথ্যপ্রযুক্তি জগতের নজর এখন এশিয়ায়

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো তথ্যপ্রযুক্তি জগতের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও বিকাশের দিক থেকেও এই অঞ্চল এগিয়ে রয়েছে। তাই এই শিল্পের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এদিকে বেশি নজর দিচ্ছে। মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে অ্যাসোসিও আইসিটি সামিট ২০১৬-এ অতিথি হয়ে আসা ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সের (উইটসা) সভাপতি ইভান চো এ কথা বলেন।


উইটসার প্রথম নারী সভাপতি হিসেবে তাইওয়ানের ইভান চো দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, উইটসা এশিয়ার দেশগুলোকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। ৮০টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত উইটসা পরবর্তী পাঁচটি বার্ষিক ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস এশিয়াতেই আয়োজন করবে। ২০২১ সালে এই সম্মেলন বাংলাদেশে আয়োজন করা হবে।

এশিয়া-ওশেনিয়া অঞ্চলের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প খাতের সংগঠনগুলোর সংস্থা অ্যাসোসিওর আইসিটি সামিট ২০১৬-এর মূল আয়োজন আজ মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে। মিয়ানমার কম্পিউটার ফেডারেশন এর আয়োজক। সামিটের আগে গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে অ্যাসোসিওর বার্ষিক সাধারণ সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন অ্যাসোসিওর সভাপতি থাইল্যান্ডের বুনরাক সারাগানান্দা।

বার্ষিক সাধারণ সভায় অ্যাসোসিওর ২০১৬-১৮ মেয়াদের জন্য সাত সদস্যের পরিচালনা পর্ষদও নির্বাচন করা হয়। পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মালয়েশিয়ার ডেভিড ওয়ান ওং নান ফে। এবারে অ্যসোসিও পরিচালনা পর্ষদে আবারও স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ। ছয়জন সহসভাপতির একজন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি আলী আশফাক। বাকি পাঁচজন সহসভাপতি নেপাল, জাপান, ভিয়েতনাম ও হংকংয়ের প্রতিনিধি। এর আগে ২০১২-১৪ মেয়াদে অ্যাসোসিওর সভাপতি ছিলেন বাংলাদেশের আবদুল্লাহ এইচ কাফি।

ডেভিড ওয়ান প্রথম আলোকে বলেন, ‘২৪টি দেশের এই সংগঠনকে আমরা আরও ভালোভাবে গড়ে তুলতে পারি। এশিয়ার দেশগুলোর জন্য সমন্বিত ই-কমার্স নিয়ে অ্যাসোসিও কাজ করবে।’ নবনির্বাচিত সহসভাপতি আলী আশফাক বলেন, অ্যাসোসিও স্মার্ট সিটির ধারণা নিয়ে কাজ করছে। এটা থেকে বাংলাদেশের লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

দুই দিনের অ্যাসোসিও আইসিটি সামিটে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ আজ ইয়াঙ্গুনে এসে সম্মেলনে যোগ দেবেন। এই সম্মেলনে অ্যাসোসিওর বার্ষিক পুরস্কারও দেওয়া হবে।