শীতের সময়টাই হচ্ছে পিঠা খাওয়ার সময়। কিন্তু পিঠা মানেই কি রসে ডুবানো, সিরায় ভেজানো, গুঁড় দিয়ে ভরা হবে? আচ্ছা হল নয়তো সব মিষ্টি স্বাদের। সেটা তো তাদের জন্য ভালো যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন। আর যারা মিষ্টি খতে পারেন না বা পছন্দ করেন না। আর যারা শুধু ঝাল পিঠা খেতে চান, তাদের কি হবে? তাদেরও হবে তাদের জন্য রইলো ঝাল স্বাদের পিঠা। চলুন শিখে নেয়া যাক মাত্র ২০ মিনিটের ঝটপট বিকেলে গরম গরম মজার স্বাদের ‘মাংস পুলি’ তৈরির খুব সহজ রেসিপিটি। 

শীতের সময়টাই হচ্ছে পিঠা খাওয়ার সময়। কিন্তু পিঠা মানেই কি রসে ডুবানো, সিরায় ভেজানো, গুঁড় দিয়ে ভরা হবে? আচ্ছা হল নয়তো সব মিষ্টি স্বাদের। সেটা তো তাদের জন্য ভালো যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন। আর যারা মিষ্টি খতে পারেন না বা পছন্দ করেন না। আর যারা শুধু ঝাল পিঠা খেতে চান, তাদের কি হবে? তাদেরও হবে তাদের জন্য রইলো ঝাল স্বাদের পিঠা। চলুন শিখে নেয়া যাক মাত্র ২০ মিনিটের ঝটপট বিকেলে গরম গরম মজার স্বাদের ‘মাংস পুলি’ তৈরির খুব সহজ রেসিপিটি।


উপকরণ:


রান্না করা মাংস ১ কাপ

পেঁয়াজ কুচি ৩/৪ টি

আদা-রসুন বাটা আধা চা চামচ

মরিচ কুচি ৩ টি কাঁচা

ময়দা ২ কাপ

বেকিং পাউডার ১ চা চামচ

লবণ স্বাদ মতো

পানি প্রয়োজন মতো

তেল ভাজার মতো

সামান্য কালিজিরা (ইচ্ছা)

প্রণালি:


প্রথমে শুরু করুন ময়দা মাখানো দিয়ে। ময়দাতে লবণ, কালিজিরা ও বেকিং পাউডার মিশিয়ে নিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে রুটি তৈরির মতো ডো তৈরি করুন এবং ঢাকনা দিয়ে ঢেকে গরম স্থানে রেখে দিন।

এরপর চুলায় প্যান দিয়ে সামান্য তেল গরম করে আদা রসুন বাটা দিয়ে একটু ভেজে নিন এবং পেঁয়াজ দিয়ে নরম করে নিন।

পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে রান্না করা মাংস হাত দিয়ে চটকে ঝুরি করে প্যানে দিয়ে দিন এবং সাথে মরিচ কুচি দিয়ে খানিকক্ষণ ভেজে নামিয়ে নিন।

মেখে রাখা ডো থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে গোল পাতলা ছোট লুচির মতো তৈরি করে নিন। এরপর লুচির অর্ধেকটা অংশে ভেজে রাখা মাংস পুর হিসেবে দিন এবং বাকি অংশ ঢেকে অর্ধেক চাঁদের আকৃতি দিয়ে ভালো করে কিনার মুড়ে দিন। এভাবে পুরো ডো ও পুর দিয়ে পুলি তৈরি করুন।

প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল দিন এবং দুটি করে পুলি লালচে করে ভেজে কিচেন টিস্যুতে রেখে বাড়তি তেল ঝড়িয়ে নিন।

এবার পছন্দ মতো চাটনী দিয়ে পরিবেশন করুন গরম গরম ‘মাংস পুলি’

বছর ঘুরে আবার এলো লোকশিল্প মেলা 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’। বাংলার আদিম ঐতিহ্যকে সামনে রেখে প্রতি বছর জাদুঘর প্রাঙ্গনে আয়োজিত হয় মাসব্যাপী মেলা। ২০১৮ সালেও তার ব্যাতিক্রম হবে না। বছরের ১ম মাসের প্রথমার্ধেই শুরু হচ্ছে নগরবাসীর প্রাণের এই মেলা। মেলা আয়োজন করে থাকে ‘বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন’।


২০১৮ এর লোকজ ও কারুশিল্প মেলা শুরু হবে ১৪ জানুয়ারি থেকে, চলবে ফেব্রুয়ারির ১৪ তারিখ পর্যন্ত পুরো ১ মাস। গত ২৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার মেলার প্রস্তুতি সভ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরের পরিচালক রবীন্দ্র গোপ। এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য মো. লিয়াকত হোসেন খোকা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীনুর ইসলাম, সোনারগাঁও থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. মোরশেদ আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডে সাবেক ডেপুডি কমান্ডার মো. ওসমান গনিসহ স্থানীয় সাংবাদিক বৃন্দ। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় ফাউন্ডেশনের সভা কক্ষে।

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনটি ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করেছিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের হাত ধরে। দেশীয় প্রাচীন শিল্প ও ঐতিহ্য রক্ষায় নানান কাজ করে থাকে ফাউন্ডেশনটি। তার মধ্যে একটি এই মেলা। মেলাটি এশিয়ার ২য় ব্ররহত্তম মেলা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

লোকশিল্প মেলায় জামদানি শাড়ি, পিতল-কাসার সামগ্রী, মাটির পুতুল, তালপাতার পাখাসহ পাওয়া যাবে এমন অনেক কিছুই যা স্মরণ করিয়ে দেবে ছেলাবেলার শ্যামল বাংলাকে।

 

ক্লাউড সেবা গ্রহণের জন্য সম্প্রতি মোবাইল ফোন অপারেটর রবি’র সাথে একটি চুক্তি সই করেছে দেশের শীর্ষ রেকর্ড ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ডেটাফোর্ট। ডেটাফোর্ট হচ্ছে ইনফোফোর্ট এলএলসি’র একটি প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশসহ ১৯টি দেশে রেকর্ড ম্যানেজমেন্ট সল্যুশন প্রদান করে।


চুক্তিটি শুধু ডেটাফোর্ট লিমিটেড’র মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর আওতায় ডেটাফোর্ডের সহযোগী ও অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোও রবি’র সেরা ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার প্যাকেজ’র সর্বোত্তম অফারগুলো উপভোগ করতে পারবে।

রবি’র কানেকটেড বিজনেস’র ভাইস প্রেসিডেন্ট জায়েদ সাদাত এবং ডেটাফোর্ট’র ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও এম এইচ খসরু সম্প্রতি রাজধানীর রবি কর্পোরেট অফিসে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিটি সই করেন।

এসময় রবি’র লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স’র ভাইস প্রেডিডেন্ট আহমেদ ইকবাল পারভেজ, ফিন্যান্সর’র ভাইস প্রেসিডেন্ট অজয় দাস, কোম্পানি সেক্রেটারিয়েট’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শাহিদুর রহমান, কানেকটেড বিজনেস’র জেনারেল ম্যানেজার ফিরোজ রাজ্জাক, জেনারেল ম্যানেজার সৈয়দ আসিফ আহমেদ, কানেকটেড বিজনেস’র ম্যানেজার আমরান কবির, ফিন্যান্স’র ম্যানেজার মো. আমিরুল ইসলাম, ফিন্যান্স’র ম্যানেজার মো. শহীদুল আমিন এবং ডেটাফোর্ট’র হেড অব বিজনেজ অপারেসন্স মো. সৈকত হুসাইন চৌধূরী, হেড অব কর্পোরেট আইটি ইয়াসিন হুদা এবং কর্পেরেট আইটি’র ম্যানেজার ফয়সাল মোহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

টেলিযোগাযোগ কোম্পানি হিসেবে রবি’ই প্রথম দেশে ক্লাউড সল্যুশন প্রদান করছে। ‘লোকাল ক্লাউড, গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড’ ট্যাগলাইন’র দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে রবি’র স্থানীয় ক্লাউড গ্রাহকদের দ্রুত ও সাশ্রয়ী মূল্যে ডেটা ট্রান্সফারের নিশ্চিয়তা প্রদান করছে। ডিজিটাল অবকাঠামো সেবায় বিশ্বমানের মান বজায় রেখে স্থানীয় প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় রবি ক্লাউড সল্যুশন ইতোমধ্যে বাজারে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

একযোগে ৬৪ জেলায় শিশু চলচ্চিত্র উৎসব 

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশব্যাপী একযোগে ৬৪টি জেলায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের ‘বাংলাদেশ শিশু চলচ্চিত্র উৎসব’।


৪ দিনের এই উৎসব ২৮ ডিসেম্বর শুরু হয়ে চলবে ৩১ তারিখ পর্যন্ত। শিল্পকলা একাডেমি মনে করে, শিশুদের সৃজনশীল করে গড়ে তুলতে চলচ্চিত্রের ভূমিকা অপরিসীম। চলচ্চিত্রের সেই গুরুত্ব অনুধাবন করেই এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

আজ (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন শিল্পী মুস্তাফা মানোয়ার, চলচ্চিত্র সংগঠক মুনিরা মোরশেদ মুন্নি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী ও সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

উৎসবের সূচি
এছাড়াও স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক মোঃ বদরুল আনম ভূঁইয়া।

‘বাংলাদেশ শিশু চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৭’ উপলক্ষে গঠিত সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি সিলেকশন কমিটির সদস্যবৃন্দ উৎসবে শিশুতোষ ও শিশু নির্মাতাদের চলচ্চিত্র উভয়ক্ষেত্রে প্রদর্শনীর জন্য ৪০টি চলচ্চিত্র মনোনীত করেছেন। এছাড়াও শিশুতোষ চলচ্চিত্র ও শিশু নির্মাতাদের চলচ্চিত্র উভয়ক্ষেত্রে পৃথকভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ নির্মাতা এবং বিশেষ জুরি পুরস্কার প্রদান করা হবে। আর পুরো উৎসবটি একই সূচি নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে একযোগে দেশের ৬৪ জেলায় অবস্থিত শিল্পকলা একাডেমিতে।

উৎসবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি থাকবে ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ‘চলচ্চিত্র অনুধাবন’ শীর্ষক কর্মশালা। এছাড়াও ২৯ ডিসেম্বর বিকাল ৪টায় জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭ ডিসেম্বর একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়। এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষক ড. সাজেদুল আউয়াল এবং একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক মোঃ বদরুল আনম ভূঁইয়া।

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র ফোন, দৈর্ঘ্য মাত্র ১.৮৪ ইঞ্চি 

বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা বড় আকারের ফোনের দিকে ঝুঁকছে। ইন্টারনেট ব্যবহার কিংবা গেমিং এ বড় আকারের ফোনের চাহিদা বেশি তবে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র ফোনের ফ্যান ও কম নেই। জ্যানকো টাইনি টি১ ফোনটি দেখতে একেবারে ছোট একটি খেলনার মতো, কিন্তু এই ফোন ভয়েস কল ও টেক্সট মেসেজ আদান প্রদানে সক্ষম।


জ্যানকো নামের একটি মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ০.৪৯ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই ফোন তৈরি করেছে। প্রতিষ্ঠানের দাবি, এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মোবাইল ফোন। ফোনটির দৈর্ঘ্য মাত্র ১.৮৪ ইঞ্চি, প্রস্থে ০.৮৩ ইঞ্চি। আর ওজন মাত্র ১৩ গ্রাম।

এই ফোন শুধু টুজি নেটওয়ার্কেই চলবে। ফোনটিতে ন্যানো সিম ব্যহার করা যাবে। এবং ফোনবুকে রাখা যাবে ৩০০ নাম্বার।

২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির এই ফোন একবার চার্জ দিলে চলবে টানা তিনদিন এবং কথা বলা যাবে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত। চার্জ দেওয়া যাবে মাইক্রো ইউএসবি এর মাধ্যমে।

কিকস্টার্টার থেকে সর্বোচ্চ ৩৯ পাউন্ড দিয়ে ফোনটির জন্য বুকিং দেওয়া যাবে। আগামী বছরের মে মাস থেকে ফোনটি গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেবে প্রতিষ্ঠানটি।

ইন্সপেক্টর নটি কে হাজির 

আগামী ১৯ জানুয়ারি পর্দায় আসছে যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’। ছবিটি নিয়ে প্রায় সবকিছু প্রস্তুত। একেবারে শেষ দিকে এসে প্রকাশিত হলো এর ট্রেলার।


এর মাধ্যমে দর্শক দেখতে পেল ছবির প্রধান দুই শিল্পী জিৎ ও নুসরাত ফারিয়ার চরিত্র দুটি। রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) ট্রেলারটি জাজ মাল্টিমিডিয়ার ইউটিউবে অবমুক্ত করা হয়েছে।

এখানে দেখা যায়, ফারিয়া বাঙালি বংশোদ্ভূত ইতালিয়ান পুলিশ। আর জিৎ কলকাতা থেকে ইতালিতে গিয়েছেন। তিনি নিজেকে সবসময় ‘বেঙ্গল পুলিশ’ দাবি করেন। যদিও জিৎ তা নন।

কলকাতার অভিনেতা জিৎ ও বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়া জুটির তৃতীয় ছবি ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’।
জিৎ-ফারিয়া জুটি বেঁধে এর আগে ‘বাদশা-দ্য ডন’ ও

‘বস টু’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। পর পর দুই ঈদে ছবি দুটি মুক্তি পেয়েছিল।

‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ পরিচালনা করেছেন কলকাতার অশোক পাতি। যৌথভাবে প্রযোজনার এ ছবিটি নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া ও জিতের নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জিৎ’স ফিল্মওয়ার্ক।

এমন চা যার স্বাদ নিতে হবে জীবনে একবার হলেও! 

চা ছাড়া কি চলে? যারা চা ভালোবাসেন তাদের কাছে চা ছাড়া একটি দিন যেন বিভীষিকা। আর তাই যেখানেই যান না কেন আর যে অবস্থাতেই থাকুক না কেনো চা তাদের চাই। আর এই চা-কে ঘিরেই যখন গড়ে উঠেছে চা এর রাজধানী শ্রীমঙ্গল তখন এটি তো চা প্রেমীদের তীর্থস্থান।


ভেবে দেখুন তো চায়ের রাজধানীতে চা বাগানের মধ্যে বসে এক কাপ অসাধারণ চায়ে চুমুক দেওয়ার অনুভূতি কেমন হতে পারে? ঠিক যে অসাধারণ অনুভূতিটি আপনার কল্পনায় ভাসছে তাকে অন্তত আরও ৭ গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে ‘নীলকণ্ঠ টি কেবিন’। জানতে চান কীভাবে? এখানে আপনি পাবেন ১২ বছরের বেশি সময় ধরে চায়ের জগতে বিস্ময় সৃষ্টি করে চলা ৭ রঙের চা।

না, মোটেও ৭ টি আলাদা কাপে ৭ রং এর চা নয়। এই চা পরিবেশিত হয় একই গ্লাসে ৭ টি আলাদা আলাদা স্তরে। এই স্তরগুলো একটির উপর একটি একেবারে আলাদা আলাদা ভাবে থাকে। এর প্রতিটি স্তরের স্বাদ ভিন্ন।। এর স্বাদের পাশাপাশি যে বিষয়টি ভিন্ন তা হলো আপনি বাংলাদেশে মাত্র ৩ জায়গায় পাবেন এই ৭ রঙ্গয়ের চা। এর মধ্যে ২ টি জায়গাই সিলেটের শ্রীমঙ্গলে। ১ টি হলো শ্রীমঙ্গলের রামনগর আর অন্যটি হলো ১৪ রাইফেল ব্যাটালিয়ন ক্যান্টিন যা শ্রীমঙ্গলের কালীঘাটে অবস্থিত।

এই ২টির মালিক একই ব্যক্তি আর তিনি হলেন বাংলাদেশে ৭ সাত রঙয়ের চায়ের উদ্ভাবক জনাব রমেশ রাম গৌড়। তার এই দুইটি চায়ের দোকানের নামই নীলকণ্ঠ টি কেবিন। এগুলোকে অবশ্য দোকান বলা যায় না। বেশ বড় বড় জায়গার উপর গড়ে তোলা এই নীলকণ্ঠ টি কেবিনে আছে ভেতরে ও বাইরে বসার ব্যবস্থা। আর একটি তো চা বাগানের ঠিক মাঝখানে। এমন আসাধরণ একটি স্থানে বসে সাত রঙের চায়ে চুমুক দিতে দিতে আপনি হারিয়ে যেতে পারবেন এক মনোমুগ্ধকর অনুভূতির জগতে।

যেভাবে যাবেন:


ঢাকা থেকে ট্রেনে যেতে পারেন শ্রীমঙ্গল। আছে কালনি, জয়ন্তিকা, পারাবত, উপবনসহ বিভিন্ন ট্রেন আছে এই রুটে। তাই আপনার সময়মতো যেকোনোটিতে চড়ে চলে আসুন শ্রীমঙ্গল। আপনি চাইলে বাসেও আসতে পারবেন। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে রিকশায় যেতে পারবেন নীলকণ্ঠ টি কেবিন। আর ভাড়া পড়বে ১৪ রাইফেল পর্যন্ত ২০ টাকা। যদি আপনি রামনগরে চা বাগানের পরিবেশ বেছে নেন তাহলে রিকশা ভাড়া পড়বে ৪০-৫০ টাকা। নীলকণ্ঠ টি কেবিনে ৭ রং ছাড়াও নানা ধরনের চা পাওয়া যায়। প্রতি কাপ চায়ের মূল্য তাদের মূল্য তালিকায় দেওয়া থাকে। তাই এই নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই। শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য জন্য রয়েছে সব ধরনের ব্যবস্থা। গ্র্যান্ড সুলতান, লেমন গার্ডেনের মতো রিসোর্টের পাশাপাশি আছে অনেক সাধারণ মানের হোটেল।

আজ থেকে ইউটিউবে আসছে বিটিভি 

বিভিন্ন টেলিভিশনের প্রোগ্রামগুলো তাদের ইউইউবে দেখার সুযোগ থাকলেও বাংলাদেশ টেলিভিশনের এই সুবিধা এতদিন ছিল না। বিটিভির কোথাও কেউ নেই, বহুব্রীহি, সংশপ্তক, এইসব দিনরাত্রি, ঢাকায় থাকির মতো জনপ্রিয় নাটকগুলো বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পর্ব ইউটিউবের বিভিন্ন চ্যানেলে পাওয়া গেলেও সঠিক ভাবে পাওয়া যায় না।


২৫ ডিসেম্বর সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে বিটিভির ইউটিউব চ্যানেল। চ্যানেলটির ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চ্যানেলটির আনুষ্ঠানিক পথচলার এই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

ইউটিউব চ্যানেলে বিটিভির চলমান সব অনুষ্ঠানের সঙ্গে থাকছে আগের সব নাটক, গান ও ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের মূল কপি। পুরো প্রক্রিয়ার দায়িত্বে আছেন বিটিভির ঢাকা কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক মো. মাসুদুল হক।

প্রাথমিকভাবে চ্যানেলে যোগ হয়েছে ধারাবাহিক নাটক কোথাও কেউ নেই, বহুব্রীহি, সংশপ্তক, এইসব দিনরাত্রি, ঢাকায় থাকি। জনপ্রিয় আরও অনুষ্ঠান পরে যোগ হবে এই চ্যানেলে।

‘ফাইবার অ্যাট হোমে’র ক্যাবল কাটা পড়ায় ইন্টারনেটে ধীরগতি 

ইন্ট্যারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) অপারেটর ‘ফাইবার অ্যাট হোম’-এর ক্যাবল কাটা পড়ায় দেশের ইন্টারনেটে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে প্রতিষ্ঠানটির চিফ স্ট্যাটেজিক অফিসার সুমন আহমেদ হাবিব  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


সুমন জানান, ঈশ্বরদী-কুষ্টিয়া অংশে তাদের লাইনে কেবল কাটা পড়ায় গত দুই ঘণ্টা ধরে ইন্টারনেট ডাউন রয়েছে। সেখানে মেরামত কাজ শুরু হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, শিগগিরই লাইন ঠিক হবে, গতি ফিরে আসবে।

দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সংগঠন আইএসপিএবি’র সভাপতি আমিনুল হাকিমও আইটিসি ডাউন থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ছয়টি আইটিসি অপারেটর রয়েছে। এই অপারেটরগুলো ভারত থেকে দেড়শ ব্যান্ডউইথ নিয়ে আসে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ আনে ‘ফাইবার অ্যাট হোম’। অন্য অপারেটররা জানিয়েছেন তাদের লাইন সচল রয়েছে।

বড়দিনের বিশেষ রেসিপি: আস্ত মোরগের রোস্ট 

উৎসব মানেই দারুণ দারুণ সব খাবার। বাসায় আয়োজন, বাইরে আয়োজন। আর বাঙালি আয়োজনের অন্যতম অনুসঙ্গ পোলাও মাংস, মাছ। সুতরাং বড়দিন হবে মোরগের রোস্ট হবে না তাতো নয়। দেশি মোরগ রোস্টের স্টাইলের সঙ্গে ফিউশন করে একটা রোস্ট করেই দেখুন না।


উপকরণ :

 মোরগ একটি (মাঝারি), আদা বাটা এক টেবিল চামচ, রসুন বাটা দুই চা চামচ, টকদই আধা কাপ, মিষ্টি দই- দুই টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি – এক কাপ, হলুদ-ফুড কালার সামান্য, লেবুর রস-হাফ কাপ, ফ্রেশ ক্রিম দুই টেবিল চামচ, তেল আধা কাপ, জিরা গুঁড়া- ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণ মতো,

লবণ দিয়ে ভাজা আপেল কুচি- আধ কাপ, সেদ্ধ ডিম-২টি, ফালি করা আলু-৪টি।

যেভাবে করবেন: আস্ত মোরগের পেট পরিষ্কার করে ধুয়ে মোরগের গায়ে ছুরি দিয়ে আঁচড় কেটে নিন। এবার সব মসলা দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন। আলাদা করে পেঁয়াজ বেরেস্তা করে গুঁড়া করে নিতে হবে। এবং সেই মিশ্রণে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার মোরগটি ভালোমতো মসলা মিশিয়ে ২ ঘণ্টা রাখতে হবে মেরিনেশনের জন্য। মোরগের মসলায় আলুও দিয়ে দিতে হবে।মোরগের পেটের ভেতর ভাজা আপেল কুচি এবং ডিম  ঢুকিয়ে দিতে হবে। এবার চুলায় তেল দিয়ে তাতে মোরগ ছেড়ে দিবেন। অল্প আঁচে আধঘণ্টা ভেজে। ওভেনে ঢুকিয়ে দিন। একইসঙ্গে আলুও দিয়ে দিন ওভেনে আধঘণ্টা বেক করে, থেকে যাওয়া মসলার মিশ্রণ কষিয়ে মোরগের ওপর ব্রাশ করে দিন। এসময় এক মুঠো রোজমেরি, বাসিল বা অরিগনো ছড়িয়ে দিতে পারেন। গরম গরম পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন। গরম গরম রোস্টের সঙ্গে আলু ও আপেল ভাজার ঘ্রাণ খাবারকে করে তুলবে আরও মোহনীয়।


বাংলাদেশ হোক কিংবা ভারত, ঋতুস্রাব নিয়ে কথা বলাকে এখনও বাঁকা চোখে দেখা হয়। কয়েকদিন আগে সোনম কাপুর তার ঋতুস্রাবের অভিজ্ঞতার কথা বলেছিলেন গণমাধ্যমে। জানিয়েছিলেন, তাকে তার দাদি ঋতুস্রাব চলাকালীন সময়ে রান্নাঘর ও মন্দিরে ঢুকতে দিতেন না। এবার একই প্রসঙ্গে খোলামেলা কথা বললেন বলিউড নায়িকা রাধিকা আপ্তে। তার আসন্ন ‘প্যাডম্যান’ সিনেমার প্রচারণায় এসে নিজের প্রথম মাসিকের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন তিনি।


বরাবরই সোজাসাপ্টা কথা বলেন ‘অহল্যা’ অভিনেত্রী রাধিকা। এর আগে নিজের নগ্ন ছবি ফাঁস হওয়ার বিতর্কেও সরাসরি মন্তব্য করতে দ্বিধা করেন নি। এবার তার প্রথম মাসিকের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি জানান, অন্যান্য মেয়েদের মতো তার ক্ষেত্রে এমনটা ঘটেনি। তার প্রথম মাসিক হওয়ার অভিজ্ঞতা আর পাঁচজন মেয়ের থেকে একেবারেই আলাদা। তিনি বলেন, তার বাড়ির বেশিরভাগ সদস্যই চিকিৎসক। আর তাই প্রথম থেকেই তাকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছিল। তবে প্রথম ঋতুস্রাব হওয়ার পর তারও ভয় করেছিল। কিন্তু তার সে ভয় ভাঙিয়ে দিয়েছিলেন বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা।

'প্যাডম্যান' সিনেমার গান প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসে রাধিকা আরও জানান, তার প্রথম ঋতুস্রাব হওয়ার খবরে সকলেই তাকে উপহার দিয়েছিল। বাড়িতে একপ্রকার পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। তাদের আসন্ন সিনেমা ‘প্যাডম্যান’ ঋতুস্রাব নিয়ে থাকা বিভিন্ন দ্বিধা, কুসংস্কার, রক্ষণশীলতাগুলিই ভাঙাতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। মাসিকের প্রচলিত ট্যাবুগুলিকে ভাঙতেই অক্ষয় কুমার আসছেন সত্যি ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত সিনেমা ‘প্যাডম্যান’ নিয়ে। ছবির নতুন গান প্রকাশ করতে সাংবাদিকদের সামনে এসেছিলেন প্রযোজক টুইঙ্কল খান্না, পরিচালক আর বাল্কি সহ অক্ষয় ও রাধিকা। সিনেমায় একটি বিশেষ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সোনম কাপুর।


ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য রক্ষায় আমন্ড অয়েল 

ত্বকের স্বাভাবিক রং ও উজ্জ্বলতার আবেদন সবসময়ই অনেক বেশী। প্রাকৃতিকভাবেই একজন নারীর ত্বকে প্রকৃতি প্রদত্ত এই বৈশিষ্ট্য দুইটি থাকে। তবে সময়ের সাথে সাথে কমে যেতে থাকে ত্বকের এই স্বাভাবিক সৌন্দর্য। ত্বক হারিয়ে ফেলে তার হারিয়ে উজ্জ্বলতা ও রং। আবহাওয়াগত সমস্যা, চারপাশের পরিবেশের দূূূ ষণ, বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যালযুক্ত পণ্য ব্যবহার এক্ষেত্রে অনেকটা দায়ী।


তবে আশার কথা হচ্ছে প্রাকৃতিক দারুণ একটি তেল ত্বকের স্বাভবিক ধর্ম ফিরিয়ে আনতে দারুণ কার্যকরি। দারুণ এই তেলটি হচ্ছে আমন্ড অয়েল। কাঠবাদাম থেকে তৈরিকৃত এই তেলের সাথে অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা যায় ত্বকের যত্নে চমৎকার কিছু মিশ্রণ। যা সাহায্য করবে ত্বকের স্বাভাবিক রং ও উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে।

আমন্ড অয়েলের সাথে মধু


আধা চা চামচ আমন্ড অয়েল এবং মধু মিশিয়ে পুরো মুখে মাখিয়ে সারারাতের জন্য রেখে দিতে হবে। সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করলেই হবে।

আমন্ড অয়েলের সাথে অ্যালোভেরা জেল


আধা চা চামচ আমন্ড অয়েলের সাথে এক চা চামচ অ্যালোভেরা জেল মেশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখের ত্বকের ৫-১০ ভালোভাবে ঘসতে হবে। এরপর হালকা ধাঁচের কোন ক্লিনজার ও কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট। 

আমন্ড অয়েলের সাথে গোলাপ জল


আধা চা চামচ আমন্ড অয়েলের সাথে এক চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে মুখে মাখাতে হবে। সারারাতের জন্য রেখে দিয়ে সকালে হালকা ধাঁচের ক্লিনজার ও কুসুম গরম পানির সাহায্যে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। দ্রুত ফলাফল পেতে সপ্তাহে ৩-৪ বার এই মিশ্রণ ব্যবহার করতে হবে।

আমন্ড অয়েলের সাথে দুধ


আধা চা চামচ আমন্ড অয়েল এবং দুই চা চামচ দুধ একসাথে ভালভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণকে ফেসিয়াল ক্লিনজার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তুলার বলের সাহায্যে পুরো মুখে এই মিশ্রণ ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়ে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এক সপ্তাহের মাঝে দুইবার এই মিশ্রণ ব্যবহার করাই যথেষ্ট।

আমন্ড অয়েলের সাথে ব্রাউন সুগার


এক টেবিল চামচ আমন্ড অয়েলের সাথে এক চা চামচ পরিমাণ ব্রাউন সুগার মিশিয়ে নিতে হবে ভালোভাবে। তৈরিকৃত স্ক্রাব ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করতে হবে ৫-৮ মিনিট। ম্যাসাজ শেষে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। ত্বকের রং ফিরে পেতে প্রতি সপ্তাহে একবার এই মিশ্রণ ব্যবহার করতে হবে।

আমন্ড অয়েলের সাথে লেবুর রস


আধা চা চামচ আমন্ড অয়েলের সাথে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখের ত্বকে মাখাতে হবে। এরপর ৫-১০ মিনিট সময় অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানিতে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার এই মিশ্রণ ব্যবহার করতে হবে।

আমন্ড অয়েলের সাথে গ্রিন টি


আধা চা চামচ পরিমাণ আমন্ড অয়েলের সাথে কে চা চামচ পরিমাণ গ্রিন টি মিশিয়ে মুখে ভালোভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। কিছুক্ষন পর হালকা ধাঁচের ক্লিনজার ও কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। প্রতি সপ্তাহে একবার এই মিশ্রণ ব্যবহার করাই যথেষ্ট।

আমন্ড অয়েলের সাথে শসা


কয়েক টুকরো শসা ভালোভাবে থেঁতলে নিয়ে তার সাথে এক চা চামচ পরিমাণ আমন্ড অয়েল মেশাতে হবে। পুরো মুখে মিশ্রণটি মাখিয়ে ১-৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। চমৎকার এই মিশ্রণটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করতে হবে।

১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্রোমে বিল্টইন অ্যাড ব্লকার 

চলতি বছরের জুন মাসে অ্যালফাবেট মালিকানাধীন গুগল এক ঘোষণায় জানিয়েছিল, অ্যাড স্ট্যান্ডার্ড বা বিজ্ঞাপণী মানদণ্ড না মানা বিজ্ঞাপনগুলো ব্লক করে দেওয়া হবে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে গুগল এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে শুরু করবে বলে হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওইদিন থেকে গুগল ক্রোমে বিল্টইন অ্যাড ব্লকার যুক্ত হতে যাচ্ছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, স্ট্যান্ডার্ড বা বিজ্ঞাপনী মানদণ্ড মেনে ওয়েবসাইটে যেসব বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না।

নীতিমালায় ব্লক করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি- পপআপ অ্যাড, অটো প্লে অডিও সমৃদ্ধ অ্যাড, প্রেস্টিশিয়াল ব্যানার, লার্জ স্টিকি ব্যানারে। আর মোবাইল ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে এগুলোসহ সম্পূর্ণ ডিসপ্লে জুড়ে দেখায় এমন অ্যাড এবং বড় স্টিকি ব্যানার অ্যাড ব্লক করা হবে।

যে কারণে ব্লক করেও ঠেকানো যায় না অপ্রয়োজনীয় এসএমএস 

ব্লক করেও মোবাইল ফোনে যখন-তখন অনাকাঙ্ক্ষিত ও অযাচিত এসএমএস আসা বন্ধ করা যাচ্ছে না। কাজের মধ্যে বা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায় এগুলো। অনেক সময় প্রয়োজনীয় এসএমএস খুঁজে পাওয়া যায় না বা অযাচিতগুলোর ভিড়ে হারিয়ে যায়। ফলে উপকারের চেয়ে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এসব।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপ্রয়োজনীয় এসএমএস আসার পেছনে আছে মূলত তিনটি কারণ। এগুলো হলো— মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর বাল্ক (একসঙ্গে অনেক) এসএমএস বিক্রি, গ্রাহকদের মাস্কিং প্রযুক্তির চর্চা ও একাধিক নম্বর ব্যবহার করে এসএমএস পাঠানো।

তবে এ বিষয়ে প্রতিকারের জন্য সহযোগিতা চাওয়া যাবে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশনে (বিটিআরসি)। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে গিয়ে কিংবা কল করেও অনাকাঙ্ক্ষিত এসএমএস বন্ধের সুযোগ রয়েছে।

সব মোবাইল অপারেটরের এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নম্বর থাকলেও সেগুলোতে মেসেজ পাঠালে অনাকাঙ্ক্ষিত এসএমএস আসা বন্ধ হয়— সংশ্লিষ্টরা এমন দাবি করেন। তবে তা পুরোপুরি বন্ধ হয় না বলে অভিযোগ আছে।

এছাড়া মাঝরাত থেকে ভোর পর্যন্ত গ্রাহকদের মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানোতে কড়াকড়ি থাকলেও তা মেনে চলা হয় না। গ্রাহকদের দাবি, মাঝরাত থেকে ভোরেও মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সেবামূলক তথ্যসংবলিত এসএমএস আসে।
বিটিআরসির সচিব সরওয়ার আলম জানান, এ বিষয়ে ২০১৫ সালের মে মাসে ‘ডিরেক্টিভস অন সার্ভিস অ্যান্ড ট্যারিফ’ বিষয়ক একটি নির্দেশনা জারি করে বিটিআরসি। ওই নির্দেশনায় গ্রাহকের স্বার্থ সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা এসব সেবা না চাইলে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রয়েছে এতে।

বিটিআরসির এই সচিব বলেছিলেন, ‘এসব অনাকাঙ্ক্ষিত এসএমএস পেয়ে যদি কেউ সংক্ষুব্ধ হন তাহলে প্রতিকারের জন্য তিনি কমিশনের চেয়ারম্যান বা সচিব বরাবর অভিযোগ করতে পারেন। আমরা সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করবো। এতে অপারেটর দায়ী প্রমাণিত হলে আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হবে।’

তবুও বিভিন্ন অফারের এসএমএস পাঠানোর বিষয়টি বন্ধ হয়নি। এ কারণে ২০১৬ সালের ১৫ মে মোবাইল অপারেটরগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি বলেন,‘আগেই এ বিষয়ে বলা হয়েছে, কিন্তু এসব বন্ধ হয়নি।’

তখন অপারেটরগুলোকে সতর্ক করে দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘রাত ১২টার পর থেকে ভোরে ফজরের নামাজের আগ পর্যন্ত মোবাইল ফোনে এসব এসএমএস পাঠানো যাবে না।’

জানা যায়, বিটিআরসির ওয়েবসাইটে ই-মেইল ঠিকানা দেওয়া আছে, অভিযোগ বক্সও রয়েছে। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সেখানে অভিযোগ পাঠালে কমিশনের যে ‘কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট টিম’ আছে তারা তা যাচাই-বাছাই করে গ্রাহকের পক্ষে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকেন।’

বিআরসির ওয়েবসাইটের (http://www.btrc.gov.bd/complain-management) লিংকে গিয়ে অভিযোগ জানানো যাবে। এছাড়া বিটিআরসির শর্টকোড ২৮৭২ নম্বরে অফিস সময়ে ফোন করেও অভিযোগ জানানো যাবে।

বিটিআরসির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নিজেকে উদ্ধৃত না করে  জানান, ব্লক করে হয়তো সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটরের পাঠানো অপ্রয়োজনীয় এসএমএস পাওয়া বন্ধ করা যাবে। কিন্তু যারা বা যেসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন নম্বর থেকে এসএমএস পাঠায় সেগুলো ব্লক করা কঠিনই বটে। তার ভাষ্য, ‘এছাড়া মাস্কিং করে (প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির নামে) এসএমএস পাঠালে ব্লক করা মুশকিল। যদিও এই প্রযুক্তিও আছে। তবে এত জটিলতার মধ্যে মানুষ যেতে চায় না।’

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমরা বিভিন্নভাবে জানতে পেরেছি, মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সদস্য হতে গিয়ে অফার নেওয়ার জন্য নিজের মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে আসেন। তখন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোও এসএমএস পাঠিয়ে থাকে। এছাড়া বাজারে বিভিন্ন ধরনের টেলিফোন ডিরেক্টরি রয়েছে। সেসব জায়গা থেকে মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করে বিভিন্ন বিপণন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের অফার পাঠিয়ে থাকে। ফলে সব এসএমএস যখন একের পর এক আসতে থাকে তখনই বিষয়টি বিরক্তির পর্যায়ে চলে যায়। অনেকে মোবাইল অপারেটরগুলোর কাছ থেকে বাল্ক (একসঙ্গে অনেক) এসএমএস কিনে থাকেন। সেগুলো বিভিন্ন নম্বর থেকে পাঠানো হয়ে থাকে। এ কারণে একটা ব্লক করলে আরেক নম্বর থেকে তা আসতে থাকে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিটিআরসির এই কর্মকর্তা বলেছেন, “মোবাইল ফোনে এসএমএস আসা ব্লক বা বন্ধ করার জন্য সাধারণত কমিশনে অভিযোগ আসে না। যদি আসে তাহলে ‘কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট’-এর দায়িত্বরতরা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর আর সংস্থা থেকেও প্রচারণামূলক এসএমএস পাঠানো হয়। বিশেষ দিবসগুলোতেও এসএমএস আসে মোবাইল ফোনে। অনেক সময় এসব এসএমএসও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মনে হয় গ্রাহকদের।”

এ প্রসঙ্গে দেশের মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর সংগঠন অ্যামটবের মহাসচিব টিআইএম নুরুল কবির  বলেন, ‘বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এসএমএস পাঠায়, কয়টাকেই বা ব্লক করা যায়। এসব অপ্রয়োজনীয় এসএমএস এলে আমরাও বিরক্ত হই। তারপরও সংশ্লিষ্ট নম্বরগুলোতে এসএমএস পাঠিয়ে বা মোবাইল অপারেটরগুলোর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারগুলোতে গিয়ে এগুলোর আসা ব্লক করা যায়।

অ্যামটবের মহাসচিব জানান, একটি প্রতিষ্ঠান কখনও একই নম্বর থেকে এসএমএস পাঠায় না। বিভিন্ন সময়ে একাধিক নম্বর থেকে পাঠায়। এ কারণে সব বন্ধও করা যায় না। তিনি মনে করেন, এ বিষয়ে সরকার ও বিটিআরসির সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা উচিত।

ডিরেক্টরি থেকে নম্বর কপি করা বা বিভিন্ন জায়গা থেকে নম্বর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিপণন কাজে এসএমএস পাঠানো বন্ধের সংস্কৃতি তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন অ্যামটবের মহাসচিব। তা না হলে নীতিমালা করেও এসব ঠেকানো যাবে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি। তার কথায়, ‘আমাদের সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনতে হবে। কিসে মানুষ আনন্দ পাবে আর কিসে বিরক্ত হবে তা বুঝতে হবে।’

অপ্রয়োজনীয় এসএমএস বন্ধের নিয়মাবলী
গ্রামীণফোনের কোনও গ্রাহক এসব এসএমএস পেতে না চাইলে ১২১ নম্বরে ফোন করে বন্ধের জন্য অনুরোধ জানাতে পারবেন। এরপরই এসব বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে গ্রামীণফোন সূত্রে জানা গেছে।

রবি গ্রাহকরা ১২৩ নম্বরে ফোন দিয়ে ডিএনডি (ডু নট ডিস্টার্ব) সেবা চালুর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন। এজন্য ফোন করে বলতে হবে, ‘আমি এই সেবা চাই না।’ তাহলে সংশ্লিষ্টরা ফোনদাতাকে নিয়ে যাবে ডিএনডি বিভাগে।

এয়ারটেলের গ্রাহকরা ১২৩ নম্বরে ফোন দিয়ে ডিএনডি (ডু নট ডিস্টার্ব) সেবা চালুর জন্য অনুরোধ করতে পারবেন।

কেউ বাংলালিংক নম্বরে এসএমএস না চাইলে মেসেজ অপশনে গিয়ে অফ (OFF) লিখে ৬১২১ নম্বরে এসএমএস পাঠানো যাবে।

অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের এ ধরনের কোনও সেবা (এসএমএস ব্লক) নেই বলে জানা গেছে।

রেসিপি: কলাপাতায় মোড়ানো বেকড ফিশ 


শীতের রাতে মজাদার বেকড ফিশ হলে কেমন হয়? কলাপাতায় মোড়ানো বেকড ফিশ পরিবেশন করতে পারেন অতিথিদের সামনেও। জেনে নিন রেসিপি।


উপকরণ


কোরাল মাছ অথবা যেকোনো বড় মাছ- ১ কেজি
কাঁচামরিচ কুচি- ২ চা চামচ
পেঁয়াজ- ৪টি
লবণ- ২ চা চামচ
ফিশ সস- ২ চা চামচ
টমেটো সস- আধা কাপ
কলাপাতা- ২টি
লেবুর রস- ২ টেবিল চামচ
সরিষার তেল- ২ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালি

কলাপাতা ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন। আগুনের হালকা আঁচ লাগান পাতায়। মাছ টুকরা করে কেটে নিন। মাছের টুকরার সঙ্গে পেঁয়াজ কুচির অর্ধেক অংশ, লেবুর রস, মরিচ কুচি, ফিশ সস, টমেটো সস, সরিষার তেল দিয়ে মাখান। এবার মসলার মিশ্রণসহ মাছের টুকরাগুলো পাতার মধ্যে রেখে ভালো করে ভাঁজ করুন। পাতার মুখ আঁটকে দিন। চুলায় মাঝারি আঁচে তাওয়া বসান। তাওয়া গরম হলে মাছসহ কলাপাতা দিয়ে দিন তাওয়ায়। ১০ থেকে ১৫ মিনিট করে প্রতি সাইড বেক করুন। চাইলে ওভেনেও বেক করতে পারেন।

পাতার ভাঁজ খুলে পেঁয়াজ ও মরিচ কুচির বাকি অংশ দিয়ে গরম গরম বেকড ফিশ পরিবেশন করুন। 

ইন্দোনেশিয়ার ইউএসএম বিশ্ববিদ্যালয়ে ঊদ্যোক্তা বিষয়ে বক্তব্য দিলেন মোঃ সবুর খান 

ইন্দোনেশিয়ার ইউনিভার্সিটি সারি মুতিয়ারায় (ইউএসএম) উদ্যোক্তা বিষয়ে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দিয়েছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খান। গত ১৪ ডিডেম্বর ২০১৭ ইন্দোনেশিয়ার মেদানে অবস্থিত ইউএসএম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পসে এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের সামনে তিনি এ বক্তব্য প্রদান করেন।


বক্তৃতায় মোঃ সবুর খান নিজের জীবনের শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও দর্শন তুলে ধরেন যা শিক্ষার্থীদেরকে ক্যারিয়ার গঠনে সামনের দিকে অগ্রসর হতে ও উদ্যোক্তা হতে অনুপ্রাণিত করে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ড. মোঃ সবুর খান বলেন, ভবিষ্যতের নেতা ও স্মার্ট গ্রাজুয়েট হতে হলে নেতৃত্ব দক্ষতা অর্জন, সময়ের মূল্য উপলব্ধি করা, ক্লাসে নোট নেয়া, তথ্য-প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করা, জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা, কাজের প্রতি বিশ্বস্ত থাকা, সুযোগ তৈরি করে নেয়া ও সুযোগ কাজে লাগানো, মা বাবার প্রতি যতœশীল হওয়া ইত্যাদি গুণাবলী অর্জন করা আবশ্যক।

ইউএসএম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর ড. ইভান এলিজাবেথ পুর্বার আমন্ত্রণে মোঃ সবুর খান বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিদর্শনে যান এবং শিক্ষার্থীদের সামনে বক্তৃতা প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি ইউএসএম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন এবং ভবিষ্যৎতে শিক্ষার্থীদেরকে কী ধরনের সুযোগ সুবিধা প্রদান করা যায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্যুভেনির বিনিময় করেন।

উল্লেখ্য, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যৌথ সমন্বয়ের ভিত্তিতে ২০১৩ সালে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে সারি মুতিয়ারা ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয়টির সঙ্গে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় প্রকল্প রয়েছে।


    আর মাত্র তিন দিন তার পরেই সবার জন্য উপহার নিয়ে চলে আসবে সান্তা ক্লজ মানে বড়দিন। আর বড়দিনে আয়োজন সান্তা ক্লজকে ছাড়া কখনো সম্পূর্ণ হয়েছে এমনটা কি কেউ কখনো শুনেছেন? সান্তার গাড়ি, বেয়ার, শ্নো ফল, ক্রিসমাস ট্রি সবই তো থাকবে। তাহলে এবারের কেক ডিজাইনে সান্তা ক্লজ কেনো বাদ যাবে? চলুন এবারের বড়দিনের কেক আমরা সান্তা ক্লজের জন্য তৈরি করি। সান্তা ক্লজ আমাদের জন্য অনেক উপহার নিয়ে আসবে আমাদের তো তার জন্য কিছু করা উচিৎ তাই না? আসুন আপনার সোনামণিদের সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য এবার তৈরি করে ফেলুন সান্তা ক্লজ কেক। এবার আসুন দেখে নেই কেকের রেসিপিটা।


উপকরণ


ডিম ৬টি,

চিনি আধা কাপ,

ময়দা ১ কাপ,

ভ্যানিলা এসেন্স আধা চা চামচ,

গুঁড়া দুধ ২ টেবিল চামচ,

বেকিং পাউডার ১ চা চামচ,

মাখন ২০০ গ্রাম,

আইসিং সুগার ১ কাপ,

বরফ কিউব ২/৩টি।

লাল ফুড কালার পরিমাণ মতো (সাজাবার সুবিদার জন্য চাইলে অন্য কালারও নিতে পারেন)

প্রয়োজন মতো অন্য সকল ডেকোরেশন পিস। 

প্রণালি:



ময়দা, গুঁড়া দুধ, বেকিং পাউডার এক সঙ্গে চেলে নিন। ডিমের সাদা অংশ ফোম করে চিনি ডিমের কুসুম ও ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে কিছুক্ষণ বিট করে অল্প অল্প করে ময়দার মিশ্রণ মিলিয়ে বেকিং ডিশে ঢেলে ১৬০ ডিগ্রি তাপে ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট বেক করে স্পঞ্জ কেক বানাতে হবে।

মাখন, আইসিং সুগার, বরফ এক সঙ্গে বিট করে সফট ক্রিম তৈরি করে নিতে হবে।

ক্রিম তৈরি হয়ে গেলে পরিমার মতো টিউবে ভরে নিন।

বাকিটা কেকে কটিং দেয়ার জন্য রেখে দিন।

কেক ঠাণ্ডা হলে সফট ক্রিম দিয়ে আপনার পছন্দ মতো সান্তা ক্লজ কেকের ডিজাইন তৈরি করুন।

কেক সাজানো হলে ঠাণ্ডা স্থানে রাখুন এবং আপনার সোনামণিদের সারপ্রাইজ দিন।

বিপাশা বসু কি মা হচ্ছেন?  


বলিউড মডেল ও অভিনেত্রী বিপাশা বুস নাকি মা হতে যাচ্ছেন। এমনই একটা গুজব রটেছে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে। বি টাউনেও বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা। মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে সম্প্রতি বিপাশা বসু ও তার স্বামী করণ সিং গ্রোভারকে দেখা গিয়েছিল। আর এরপর থেকেই গুঞ্জনের আগুন আরও বাড়তে থাকে। কারণ এই হাসপাতার থেকেই বলিউডের অনেক সেলিব্রেট্রিরই সন্তান হয়েছে।


যদিও বিপাশা বসুর তরফ থেকে জানানো হয় যে তার স্বামীর পেটের সমস্যার কারণে তারা ঐ হাসাপাতালে গিয়েছিলেন।

বলে রাখা ভালো, গত বছর ৩০ এপ্রিল নিজের অভিনীত ‘অ্যালোন’ ছবির সহশিল্পী করণ সিং গ্রোভারকে বিয়ে করেন বিপাসা বসু।

 


 একজন আশাবাদী মানুষের সাথে একজন নিরাশাবাদী মানুষের মাঝে আদৌ কি কোন পার্থক্য থাকে? এমন প্রশ্ন যদি আপনার মনের মাঝে উঁকি দেয় তবে জেনে রাখুন, এই দুই ধরণের মানুষের মাঝে রয়েছে বিস্তর ফারাক। যা তাদের জীবনযাপনের ধরণ থেকে জীবনের অর্জন সব কিছুর উপরেই প্রভাব ফেলে।


দেখতে দেখতেই এই বছরটা বিদায় নেবার জন্য একেবারে দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়ে গেছে। নতুন একটি বছর শুরু হবে কিছুদিন পরেই। কীভাবে শুরু করবেন এই নতুন বছরটি? একজন আশাবাদী মানুষ প্রতিদিন যে কাজগুলো করে থাকেন অথবা তাদের প্রাত্যহিক জীবনযাপনের সাথে যে কাজগুলো জড়িত থাকে তার কিছু জেনে নিন এই ফিচার থেকে। নতুন বছরে নিজের জীবনধারার মাঝে এই সকল কাজের কিছুটা যোগ করার চেষ্টা করতে পারেন। যা এনে দিতে পারে আপনাকে নতুন সাফল্যের হাতছানি। 

তারা নিজেদের পছন্দের কাজকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন


প্লুটো টিভির চীফ গ্রোথ অফিসার এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়া প্লুটো বলেন, "প্রতিদিন সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য যদি নিজের মনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হয়, তবে সেই কাজ থেকে আপনার সরে আসা প্রয়োজন। কারণ সেই কাজ আপনার জন্যে নয়। যে কাজ করে আপনি আনন্দ পান এবং যেটা করতে আপনার ভালো লাগবে সেই কাজটি করার চেষ্টা করুন।"

আশাবাদী মানুষেরা বারংবার চেষ্টা করতে থাকেন


আশাবাদী মানুষ কোন কাজের ক্ষেত্রে বিফল হলেও হাল ছেড়ে দেন না। বরং সেই কাজটিতে সফলতা অর্জন করতে বারবার কাজটি করেন, চেষ্টা করতে থাকেন। যেখানে অন্য কেউ, বিশেষ করে নিরাশাবাদী মানুষ কোন কিছুতে একবার বিফল হলেই হাল ছেড়ে দেন। আশাবাদী মানুষদের বারংবার চেষ্টা করার এই মানসকতা ও ধৈর্য তাদের জীবনে এনে দেয় সফলতা, সেটা ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে হোক অথবা সম্পর্কের ক্ষেত্রে। 

তারা অন্যান্য আশাবাদী মানুষদের সাথে মেশেন


একজন মানুষের চিন্তাধারা অন্য একজন মানুষের মাঝেও সঞ্চারিত হয়ে থাকে। বিশেষ করে, একজন নিরাশাবাদী মানুষের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী খুব দ্রুতই আরেকজনের মাঝে প্রভাব ফেলে দেয়। আশাবাদী মানুষেরা এই ব্যাপারটি খুব ভালভাবেই জানেন। যে কারণে, তারা সবসময় অন্য আশাবাদী মানুষদের সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করেন এবং নিরাশাবাদী মানুষদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করেন।

প্রিয় মানুষদের সাথে দেখা করেন আশাবাদী মানুষেরা


হয়তো প্রতিদিন কিংবা প্রতি সপ্তাহেও নয়। মাসে একবারের জন্যে হলেও তারা প্রিয় ও পছন্দের মানুষদের সাথে দেখা করতে চেষ্টা করেন। জীবনে ইতিবাচক প্রভাব রাখার মতো মানুষদের সাথে দেখা করার মাধ্যমে আশাবাদী মানুষরা অনেক মানসিক প্রশান্তি অনুভব করে থাকে। যা তাকে আরো ভালো কাজ করার জন্য অনুপ্রেরণা দান করে, ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভেনিয়া’র এক গবেষণা থেকে জানান যায় এমন তথ্য। 

তারা অন্যান্য কাজের সাথে নিজেকে সংযুক্ত রাখার চেষ্টা করেন


শুধুমাত্র জীবিকা অর্জনের জন্যেই তারা কাজ করেন না। তার পাশপাশি সৃজনশীল মূলক কাজ, জনসচেতনতা মুলক কাজ এবং বিভিন্ন ধরণের ভলান্টিয়ার মূলক কাজের সাথেও নিজেকে জড়িত রাখার চেষ্টা করেন। এতে করে তাদের ভেতরের সুপ্ত ও গোপন প্রতিভা বিকশিত হতে থাকে। একই সাথে অনেক মানুষের সাথে পরিচিত হবার সুবাদে তাদের আলাদা পরিচিতি তৈরি হয়। যেটা তাদের ক্যারিয়ারের জন্যেও উপকারী হয়ে থাকে।

তারা সবসময় হাসিমুখে থাকেন


হাসিখুশি থাকা মানুষকে সকলেই পছন্দ করেন। এছাড়াও, একজন হাসিখুশি মানুষের সাথে সকলেই মিশতে আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন। আশাবাদী মানুষদের লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তারা সর্বদা হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করে থাকেন। বিশেষ করে, তারা সবসময় হাসি মুখে থাকেন। মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উপরে হাসির রয়েছে দারুণ ইতিবাচক প্রভাব। যেটা প্রায় সকলেই জানেন। কিন্তু হাসিখুশি থাকার ফলে সামাজিকভাবেও যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে থাকে, সেটা বোঝা যাবে নিজেকে সবসময় হাসিখুশি রাখার মাধ্যমে 

আশাবাদী মানুষেরা ক্ষোভ পুষে রাখেন না


অনেকেই হয়তো বলবেন যে, ‘বলা সহজ তবে করা কঠিন!’ হ্যাঁ, কিছু ক্ষেত্রে ক্ষোভ ঝেড়ে ফেলা, রাগ ভুলে যাওয়ার ব্যাপারটা কঠিন বটে। তবে আশাবাদী মানুষেরা জানেন, অহেতুক মনের মাঝে ক্ষোভ পুষে রেখে কোন লাভ নেই। তাই তারা পেছনের কথা, ক্ষোভ, রাগ, অভিমান সকলই ভুলে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলতে চেষ্টা করেন। 

তারা সম্পর্কে প্রতি বেশী মনোযোগী হন


একজন আশাবাদী জানেন, তাদের জীবনে প্রিয় মানুষদের গুরুত্ব অনেক। যে কারণে তারা প্রতিটি সম্পর্কের ব্যাপারে অনেক বেশি সিরিয়াস থাকেন। প্রতিটি সম্পর্ককে অনেক গুরুত্ব নিয়ে সামলান। সেটা হতে পারে পরিবারের কারোর সাথে সম্পর্ক, বন্ধুর সাথে সম্পর্ক কিংবা ভালোবাসার মানুষের সাথে সম্পর্ক! ভালো শ্রোতা হিসেবে তারা চেষ্টা করেন সকলের সকল কথা শোনার জন্য। তাদের জীবনেও ইতিবাচক প্রভাব রাখার জন্য কখনোই পিছপা হন না আশাবাদী মানুষেরা।

তারা স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করেন


এটা নিশ্চয় জানেন, শরীরচর্চার ফলে সেরোটোনিন হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এই হরমোনকে বলা হয়ে থাকে হ্যাপীনেস হরমোন। যা একজনকে অনেক বেশী আনন্দে থাকতে এবং সন্তুষ্ট রাখতে সাহায্য করে থাকে। আশাবাদী মানুষেরা তাদের জীবনকে এমনভাবে পরিচালিত করেন এবং এমনভাবে গুছিয়ে নিয়ে আসেন, যা খুবই স্বাস্থ্যকর। খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে যে কোন কাজের মাঝেই তারা নিজেদের ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে থাকেন। যার ফলে, তাদের সাধারণ জীবনধারাও হয়ে ওঠে অসাধারণ।

আশাবাদী মানুষ হওয়া একটি ‘চয়েজ’। এটা সম্পুর্ণরূপে আপনার উপরেই নির্ভর করবে, আপনি সেটাকে বেছে নেবেন কিনা! নিজের জীবনে সফলতা অর্জন করতে সকলেই চায়। সেই সফলতা অর্জনের লক্ষ্যে নিজের চিন্তাধার ও জীবনধারাকে ইতিবাচক ভাবে পরিচালিত করতে পারলে দিনশেষে লাভবান হবেন আপনি নিজেই! তাই নতুন বছরের শুরু থেকেই চেষ্টা করুন, একজন আশাবাদী মানুষের মতো জীবন যাপন শুরু করা।

অ্যাপলের এক সেকেন্ডের আয় কত? 

বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠান প্রান্তিক বাই প্রান্তিক তাদের মুনাফার বিশাল অঙ্ক প্রকাশ করে থাকে। কিন্তু সবচেয়ে লাভজনক অ্যাপল কিংবা গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানের সেকেন্ডে মুনাফা কত? সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর সেকেন্ড প্রতি মুনাফার অংক প্রকাশ করেছে টাইটেলম্যাক্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান।


প্রকাশিত তালিকার শীর্ষে রয়েছে আইফোন নির্মাতা অ্যাপল। বিজনেস ইনসাইডার এর প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় অনেক প্রতিষ্ঠানের সেকেন্ড প্রতি বা মাসিক অথবা বার্ষিক লাভের কাছে সাধারণ কোনো প্রতিষ্ঠানের লাভের তুলনা করা অনেকটা বড় বালতির মধ্যে এক বিন্দু পানি ফেলার মতোই।

তালিকা অনুযায়ী, ২০১৬ সালে অ্যাপল সেকেন্ড প্রতি মুনাফা করেছে ১ হাজার ৪৪৫ ডলার। সে হিসাবে প্রতি ঘণ্টায় ৫২ লাখ ডলার, প্রতিদিন ১২ কোটি ৭০ লাখ এবং বার্ষিক নিট মুনাফা করেছে ৪ হাজার ৫৭০ কোটি ডলার।

তালিকায় সেকেন্ড প্রতি মুনাফা বিবেচনায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সার্চ জায়ান্ট গুগলের প্যারেন্ট কোম্পানি অ্যালফাবেট। প্রতিষ্ঠানটি গত বছর সেকেন্ডপ্রতি মুনাফা করেছে ৬১৫ ডলার।

টাইটেলম্যাক্সের প্রকাশিত তালিকায়, সেকেন্ড প্রতি আয়ের বিবেচনায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইন্টেল, ফেসবুক ও ওরাকল আছে যথাক্রমে অষ্টম, নবম ও দশম স্থানে।

 

সংসার শুরু করার পর বড়পর্দাকে বিদায় জানিয়েছিলেন রানি মুখার্জি। কন্যা আদিরা জন্ম হওয়ার সময় থেকেই লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান একসময়ের বলিউড কুইন। কিন্তু এই বছর তিনি কামব্যাকের ঘোষণা দেন। যশরাজ প্রোডাকশনের হাত ধরে ‘হিচকি’ সিনেমার মাধ্যমে আগামী বছর পর্দায় আসবেন রানি। আজ মুক্তি পেলো ‘হিচকি’র ট্রেলার।


মুক্তির কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে রানির ট্রেলার। ট্রেলার দেখে বলিউডের অনেকেই বলছেন, রানির আরও একটা পাওয়ার প্যাক্ট পারফরম্যান্স দেখতে চলেছে ইন্ডাস্ট্রি। ফেসবুকে লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে ট্রেলার লঞ্চ হয়েছে। সিদ্ধার্থ পি মালহোত্রা পরিচালিত এই ছবি আগামী বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে।


ট্রেলার প্রসঙ্গে রানি বলেছিলেন, ‘আমি এমন একটা স্ক্রিপ্টের জন্য অপেক্ষা করছিলাম যেটা আমার কাছে চ্যালেঞ্জ। হিচকি আমাকে সেই সুযোগটা দেবে। আমাদের সকলেরই কিছু না কিছু দুর্বলতা থাকে। কিন্তু সেটাই যদি আমরা নিজেদের শক্তিতে পরিণত করতে পারি, তা হলে আমরা যে কোনও পরিস্থিতিতে জিতবই।’

শিক্ষিকা হতে চেয়ে নামী স্কুলে যাওয়া এক মেয়ের কাহিনি ‘হিচকি’। সেই চরিত্রেই দেখা যাবে রানিকে। কথায় কথায় তার শুধু হিচকি ওঠে। ফলে হিচকির জন্য বিভিন্ন স্কুল থেকে তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে অবশেষে নামি এক স্কুলে পড়ানোর সুযোগ পান নায়িকা। আর সেখান থেকেই শুরু ‘হিচকি’র গল্প। গত এপ্রিল থেকে ‘হিচকি’র শুটিং শুরু হয়েছে। দেখে নিন রানির ‘হিচকি’ ট্রেলার-


মোবাইল ডেটা ব্যবহারে এগিয়ে গ্রামীণফোন 

মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ডেটা ব্যবহার করছে মোবাইল ফোনে। বিনোদন, শিক্ষাসহ আরও নানা কাজে মোবাইল ডেটার ব্যবহার হচ্ছে।আর গ্রাহক প্রতি মাসে ডেটা ব্যবহারের দিক থেকে এগিয়ে গ্রামীণফোন। গ্রাহকের বিচারে দেশের সবচেয়ে বড় অপারেটরটির তিন কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক এখন গড়ে মাসে ৭৫৪ এমবি ডেটা ব্যবহার করছেন। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ের গড় হিসাব এটি। এর ঠিক এক বছর আগেও ইন্টারনেট গ্রাহক প্রতি ডেটার ব্যবহার ছিল মাসে ৫৮৯ এমবি।


এ সময়ে রবির গ্রাহকরা মাসে ডেটা ব্যবহার করেছেন গড়ে ৬৩০ এমবি করে। গত বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে এ অপারেটরটির গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও বড় একটি উল্লম্ফন দেখা যাবে।আগের বছর একই সময়ে এ অপারেটরের ইন্টারনেট গ্রাহকরা গড়ে ৩৭০ এমবি করে ডেটা ব্যবহার করতেন।এত বেশি ডেটা ব্যবহার বাড়ার ক্ষেত্রে অপারেটরটির এয়ারটেলের সঙ্গে এক হওয়াকে বড় করে দেখা হচ্ছে।

এয়ারটেলের গ্রাহকরা অপেক্ষাকৃত বয়সে তরুণ এবং তাদের মধ্যে ডেটা ব্যবহারের প্রবণতা অনেক বেশি বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টদের অনেকে।বর্তমানে একীভূত অপারেটরটির ৩২ শতাংশ গ্রাহকের হাতে এখন স্মার্টফোন আছে যেখানে অন্যরা তাদের চেয়ে পিছিয়ে।

বাংলালিংকের গ্রাহকরা সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে ব্যবহার করছে মাসে গড়ে ৪৬৫ এমবি ডেটা। ২০১৬ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে মাসে গড়ে বাংলালিংকের ইন্টারনেট গ্রাহক ২৫৩ এমবি ডেটা ব্যবহার করেছেন।বাংলালিংকের গ্রাহকপ্রতি ডেটা ব্যবহারে প্রবৃদ্ধি হয়েছে এপ্রিল-জুন থেকে জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে। এপ্রিল-জুন সময়েও তাদের ইন্টারনেট গ্রাহক গড়ে ৩৬৪ এমবি ডেটা ব্যবহার করেছেন।

চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন এ তিন মাসের হিসাবেও গ্রামীণফোনের গ্রাহকপ্রতি মাসে ডেটার ব্যবহার ছিল ৬৬০ এমবি।একই সময়ে রবি-এয়ারটেলের গ্রাহকরা ব্যবহার করতেন গড়ে ৫৩০ এমবি।

বড় তিন অপারেটর তাদের হিসাবগুলো প্রকাশ করলেও রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক কখনও তা করে না। তবে তাদের গ্রাহকদের ডেটার ব্যবহার অনেক বেশি বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।অপারেটর সংশ্লিস্টরা বলছেন, দিনকে দিন দেশে ডিজিটাল কনটেন্টের পরিমান বাড়ছে সে কারণে ডেটার ব্যবহারও বাড়ছে।তবে ডেটার ব্যবহার বাড়লেও ডেটা থেকে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর আয় খুব একটা বাড়ছে না বলেও বলছেন তারা।

ত্বকের ধরণ অনুযায়ী টমেটোর প্যাক 


টমেটোকে অনেক গুণবতী সবজি বলা হয়। টমেটোতে এমন কিছু উপকারি উপাদান আছে যা আমাদের দেহের ভিতরে যেমন উপকার করে থাকে তেমনেই টমেটো সরাসরি ত্বকের মাধ্যমেও উপকার করে থাকে। তাই আমাদের ত্বকের উপকারে লাগে এমন অনেক ফেইস প্যাকে টমেটো ব্যবহার করে থাকে। ঠিক তেমনে টমেটো কীভাবে আমাদের উপকার করে থাকে এমন কিছু টিপস আমাদের জানাবেন সায়মা জামান, বিউটি এক্সপার্ট, সায়মা বিউটি পার্লার।


স্বাভাবিক ত্বকের জন্য


টমেটোর রস ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ

টমেটোর রস এবং লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। ১০-১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার ত্বক নরম করার পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। আপনি এতে ওটমিল পাউডারও মিশিয়ে নিতে পারেন। ওটমিল খুব ভালো স্ক্রাবিং হিসেবে কাজ করে।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য


টমেটো ১টি, শসার রস ২\৩ টেবিল চামচ, চামচ মধু ২ টেবিল

টমেটোর রস এবং শসার পেষ্ট এবং মধু পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার একটি তুলার বল বা হাত দিয়ে পেষ্টটি মুখে লাগান। ১৫-২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার ত্বকের তেল কমিয়ে দিয়ে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে থাকে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য


টমেটোর রস ১টি, অলিভ অয়েল ১ চা চামচ

টমেটোর রস এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এবার এটি ভালো করে মুখে লাগান। ১৫-২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি আপনার ত্বক নরম কোমল করার পাশাপাশি ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে থাকে।

কিছু টিপস:


একটি টমেটো কেটে বীচি ফেলে রস করে ফেলুন।

মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

মুখ শুকিয়ে গেলে টমেটোর রস ম্যাসাজ করে লাগান।

আধা ঘণ্টা মুখে লাগিয়ে রাখুন।

তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি দ্রুত ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে।

প্যাক লাগানোর পর যখন ধুয়ে ফেলেবেন তখন সাথে সাথে কোনো ক্রিম ব্যবহার করা যাবে না।

প্যাক ধোয়ার পর মুখ কোনো ধরণের শক্ত কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে মুছবেন না। তাহলে ত্বকের অনেক ক্ষতি করতে পারে।

মুখ ধোয়ার পর হালকা ধরণের কোনো ভালো মশ্চারাইজার ব্যাবহার করতে পারেন।

জয়ার জন্য ‘খোঁটা’ শুনতে হয় বন্যাকে! 

ভারতের মুম্বাইয়ে মঙ্গলবার বিকেলে জি সিনে অ্যাওয়ার্ডসে সেরা নায়িকার পুরস্কার জিতেছেন জয়া আহসান। এ উপলক্ষে তাকে শুভেচ্ছা জানালেন অভিনেত্রী বন্যা মির্জা। আর ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করলেন, জয়ার জন্য ‘খোঁটা’ শুনতে হয় তাকে।


তিনি লেখেন, ‘আমার বন্ধু জয়া আহসান আবার একটা জি সিনে অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। মহাঝামেলা তাঁকে নিয়ে। একটা শেষ না হতেই আবার আরেকটা এইভাবে একটার পর একটা...। আমার বন্ধু বললাম কারণ এই খোঁটা আমাকে সারাক্ষণ শুনতে হয়!’

বন্যা আরো বলেন, ‘খোঁটা বললাম বটে, আমি খুব ভালোই বোধ করি তাতে, তাই যাই হোক আমি কেবল তোমার জন্য, আমরা সবাই (তাই হওয়া উচিত) তোমার জন্য সম্মানিত হয়ে চলেছি। এইভাবেই চলুক তোমার যাত্রা দীর্ঘকাল। অনেক ভালোবাসা বাবু।’

‘বিসর্জন’ পরিচালনা করেছেন কলকাতার কৌশিক গাঙ্গুলি। জয়ার বিপরীতে ছিলেন আবীর চ্যাটার্জি। সিনেমাটি চলতি বছরের বৈশাখে ভারতে মুক্তি পায়। মুক্তির আগেই জেতে আঞ্চলিক ভাষার সেরা সিনেমার পুরস্কার।

সিনেমাটি ব্যবসায়িকভাবে সফল। পাশাপাশি সমালোচকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে। আর এতে অভিনয় করে এ বছরের নায়িকা দৌড়ে কলকাতায় এক নম্বর অবস্থানে আছেন জয়া।

বড়দিনে ক্রিসমাস ট্রি কেক 

কদিন বাদেই বড়দিন। আর বড়দিনে অন্য কিছু হোক বা না হোক একটা কেক হবে না তাতো হতেই পারে না। আর বড়দিন আসলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বড় একটা ক্রিসমাস ট্রি। যার ডালে ডালে সাজানো অনেক উপহার। আরো অনেক কিছু। আচ্ছা এবার আপনার বড়দিনের কেকটাও যদি একটা ক্রিসমাস ট্রি হয় তাহলে কেমন হবে বলুন তো? অনেকে বেকারি থেকে অর্ডার দিয়ে তৈরি করেন। আবার অনেকে বাড়িতেই কেক তৈরি করতে পছন্দ করেন। যারা বাড়িতে তৈরি করবেন তারা আমাদের রেসিপি ফোলো করতে পারেন। তাহলে আসুন জেনে নেই ক্রিসমাস ট্রি কেকের রেসিপি।


উপকরণ:


ময়দা ১/২ কাপ,

মাখন ১০০ গ্রাম,

ডিম ৪টা,

চিনি ৫/৬ টেবিল চামচ,

বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ,

বেকিং সোডা ১/২ চামচ,

কোকো পাওডার ১/২ কাপ,

ভেনিলা এসেন্স ১ চা চামচ,

চকোলেট এসেন্স ১ চা চামচ,

চকোলেট সিরাপ ২ চেবিল চামচ

ক্রিম তৈরির উপকরণ, হুইপ ক্রিম ৩ কাপ, আইসিং সুগার ২০০ গ্রাম, ভ্যানিলা এসেন্স।

চেরি সস তৈরির উপকরণ

চেরি ২০০ গ্রাম,

চিনি ১ কাপ,

পানি ১ কাপ

প্রণালি:


. ইলেকট্রিক বিটার দিয়ে ডিমের সাদা অংশ ভালো করে বিট করে নিতে হবে ৭-৮ মিনিট।

. অন্য আরেকটি পাত্রে মাখন, ডিমের কুসুম, চিনি ও এসেন্স মিক্সড করতে হবে।

. ফোম তৈরি হলে এর সঙ্গে অন্য মিশ্রণটি দিয়ে ৪-৫ মিনিট বিট করুন যেন সব উপকরণ ভালোমতো মিক্সড হয়ে যায়।

. এবার একটি পাত্রে ময়দা, কোকো পাউডার, বেকিং পাউডার ও বেকিং সোডা মিক্সড করে একসঙ্গে চেলে নিন।

. এবার লম্বা চামচ দিয়ে ময়দার মিশ্রণটি অল্প অল্প করে কেকের বেটারের মধ্যে মিক্সড করুন।

. ময়দা দেয়ার পরে কোনো বিট করবেন না বা চামচ দিয়েও বেশি মিক্সড করবেন না, মিশে গেলেই হবে। বেশি মিক্সিং করলে কেকের ফোমে বাতাস ঢুকে যায় ফলে ফোম চুপসে গিয়ে কেক কম সফট হয় আর বেশি ফুলতে চায় না।

. এরপর বেকিং ট্রে-তে কাগজ বসিয়ে তেল ব্রাশ করে নিন। এতে কেকের মিশ্রণটি ঢালুন। ওভেন ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে (৩২০ ফারেনহাইট) প্রিহিট করুন ১৫ মিনিট (বোথসাইড মানে ওপর ও নিচের দুটি দিকই হিট করতে হবে)।

. প্রিহিট হয়ে গেলে বেকিং ট্রে ওভেনে দিয়ে ১৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ৩০ মিনিট দিন।

. মনে রাখতে হবে ট্রে ওভেনে দেয়ার পর শুধু নিচের দিক অন করতে হবে।

. বেক হওয়ার পরে ওভেনেই কেক ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন সেট হওয়ার জন্য।

. তারপর বের করে নরমাল টেম্পারেচারে ঠাণ্ডা করুন।

. হুইপ ক্রিম, ভ্যানিলা এসেন্স ও আইসিং সুগার ইলেক্ট্রিক বিটারে ফুল স্পিডে ৭-৮ মিনিট বিট করতে হবে।

. একটি সসপ্যানে চেরি, পানি ও চিনি দিয়ে কিছুক্ষণ ফোটাতে হবে। তারপর সামান্য ঠাণ্ডা হলে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করতে হবে। বেশি ব্লেন্ড বা স্মুথ করা যাবে না।

. এরপর কেক ঠাণ্ডা হলে সমান করে মাঝখানে কাটুন।

. এর ওপর চিনির পাতলা সিরা ব্রাশ দিয়ে লাগান। এতে কেক নরম হবে।

. তারপর ক্রিমের স্তরের ওপর চেরি সস দিয়ে ওপরে অন্য টুকরা রাখুন।

. পছন্দমতো ক্রিসমাস ট্রির শেপ দিন।

. এরপর গ্রিন কালার ক্রিম দিয়ে কেকটা ঢেকে দিন ও ফ্রিজে সেট হতে দিন।

. এরপর চকোলেট সস ও চেরি দিয়ে সাজান।

. আপনি চাইলে ডেকোরেশনের জন্য চকলেট, কুকিজ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করতে পারেন।

. আর কালারের মাঝে গ্রিনের সাথে হোয়াইট, রেড ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে পারফেক্ট ক্রিসমাস ট্রি লুক আসবে আপনার বড়দিনের কেকে।


শীতের দিনে একটু অসতর্ক হলেই শিশুদের ঠাণ্ডা লেগে যায়। তাছাড়া স্কুল পড়ুয়া বাচ্চাদের খুব সকালে স্কুল-কোচিংয়ের উদ্দেশ্যে বের হতে হয়। তাইতো শীতের সকাল কিংবা সন্ধ্যায় বাইরে বের হলেই শিশুর পরনে চাই উপযুক্ত পোশাক।


আজকালের বাচ্চারা একটু বেশিই স্টাইলিশ। তাইতো তাদের পছন্দের রঙ, ডিজাইন ও মোটিফে ফ্যাশন হাউসগুলোতে সাজানো আছে শিশুর শীতের পোশাক। মেয়ে শিশুদের শীতের পোশাকগুলো করা হয়েছে শৈল্পিকভাবে। ফুল, লতাপাতা, প্রাণিজগৎ ও তারার মোটিফগুলো সোয়েটার, জ্যাকেট বা জিন্সে যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। শিশুদের শীতের পোশাক

বাচ্চাদের হুডি, ফুল স্লিভ টি-শার্ট, ফুলস্লিভ পলো টি-শার্ট, ম্যাগি হুডিসহ শিশুদের জন্য পাবেন ডেনিমের বর্ণিল রঙের প্যান্ট। হুডিসহ এবং হুডি ছাড়া রেকসিন, চামড়ার লং জ্যাকেট লাল, কফিসহ বিভিন্ন রঙের পোশাক।

শীতের পোশাকের নিচে বিশেষ করে উলের পোশাকের নিচে একটি পাতলা সুতি কাপড়ের পোশাক পরিয়ে দিলে আরাম পাবে শিশুরা। শিশুর শীতের পোশাক বৈচিত্র্যে ভরপুর। প্রতি বছরই চলতি ট্রেন্ডের সাথে তাল মিলিয়ে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন ডিজাইন আর কাটিং।
পোশাক ৩০০ টাকা থেকে শুরু, পোশাক কেনার সময় সম্ভব হলে শিশুদের সঙ্গে নিন, তার পছন্দের রঙের আরামদায়ক পোশাক কিনে দিন।  

 

অবশেষে বিয়ে করছেন ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ মডেল মিলিন্দ সুমন। ৫২ বছর বয়সে তার বিয়ের এই সিদ্ধান্ত চমকে দিয়েছেন মডেল ও অভিনেতার হাজারও ভক্তদের। কারণ বিয়ের পাত্রী ২৬ বছরের তরুণী অঙ্কিতা কোনওয়ার। গত অক্টোবর থেকে প্রেম করছেন তারা। এখন লিভ-ইন সম্পর্কে আছেন। এই সম্পর্ককে পরিণতি দিতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন মিলিন্দ।


অঙ্কিতা গুয়াহাটির মেয়ে। অসমিয়া ছাড়াও জানেন বাংলা, হিন্দি, ইংরেজি ও ফরাসি। সম্প্রতি অঙ্কিতা ভাইয়ের ছেলের জন্মদিন উপলক্ষে গুয়াহাটিতে হাজির হন মিলিন্দ। আর সেখানেই অঙ্কিতার বাড়ির লোকদের দেখা করেন মিলিন্দ। শুধু তাই নয়, মিলিন্দ গুয়াহাটিতে গিয়ে তাদের বিয়ের কথাও সবাইকে জানিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ২০১৮ সালেই অঙ্কিতার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চান বলেও জানানো হয়েছে মিলিন্দের পক্ষ থেকে। তবে মিলিন্দ ও অঙ্কিতার বিয়ের কথা শোনা গেলেও, এ বিষয়ে তারা এখনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি।


অঙ্কিতার বয়স মিলিন্দের থেকে ২৬ বছর কম। ফলে অনেকের বক্তব্য, তিনি তার মেয়ের বয়সি। অল্পবয়সী প্রেমিকার সঙ্গে ছবি শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসির খোরাকও হতে হয়েছে মিলিন্দকে। তবে কোন মন্তব্য করেননি মিলিন্দ। এদিকে প্রথমে ৫২-র মিলিন্দের সঙ্গে ২৬ বছরের অঙ্কিতার বিয়ে নিয়ে কোনওয়ার পরিবারে বেশ কিছুটা মতান্তর ছিল। কিন্তু মিলিন্দ সুমনের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর বয়সের ফারাক নিয়ে আর কোনও আপত্তি অঙ্কিতার পরিবারের নেই বলেই জানা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে মাইলিন জাম্পানোই নামে এক ফরাসি অভিনেত্রীকে বিয়ে করেন মিলিন্দ। কিন্তু মাইলিন থাকতেন ফ্রান্সে আর মিলিন্দ ভারতে। ফলে ৩ বছর পর ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। অভিনেত্রী সাহানা গোস্বামীর সঙ্গে কিছুদিন প্রেম করেন মিলিন্দ। টেকেনি সেই সম্পর্কও। এর আগে বিপাশা বসু, দীপান্বিতা শর্মা, গুল পানাগের সঙ্গেও মিলিন্দের সম্পর্ক ছিল বলে শোনা যায়।

ঢাকার প্রথম অটোরিকশায় অ্যাপ ‘গতি’ আসছে ১ জানুয়ারি  

আসছে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিন থেকে ঢাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা মিলবে অ্যাপে। এটাই হবে সিএনজি অটোরিকশার প্রথম অ্যাপ যাত্রা। অ্যাপে রিকোয়েস্ট দিয়ে যেমন সিএনজি মিলবে তেমনি অ্যাপ ছাড়া শুধু চালকের মোবাইল ব্যবহার করে চলাচল করা যাবে। এজন্য দুই হাজার স্মার্টফোন চালকের হাতে তুলে দিয়ে এ সেবা শুরু করবে ‘গতি-লেটসগো’ নামের অ্যাপ।


১ জানুয়ারি থেকেই এ যাত্রা শুরু বলে- জানিয়েছেন ‘গতি-লেটসগো’ অ্যাপের সিইও এন জামান চৌধুরী জেমস।

সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরায় সঙ্গে আলাপকালে অ্যাপ কর্তৃপক্ষ এসব জানায়। শুরুতে তারা ২ হাজার মোবাইলফোন চালকের হাত দিয়ে সেবাটি শুরু করবে। আর স্বল্প সময়ে চালকদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।

অ্যাপ বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) এএইচ এম মোস্তফা কামাল   জানান, সিএনজি অটোরিকশার মালিককে মূলত মোবাইল ফোনটি দেওয়া হবে। কারণ একজন মালিকের একাধিক সিএনজি রয়েছে। আবার একটি সিএনজি ২ থেকে ৩ জন চালক চালান। যখন যে চালাবে তার আইডি লগইন করে চালাতে পারবে। আর সিএনজি মালিক অ্যাপটির ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজস্ব আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে ঢুকে দেখতে পারবে কতটি ট্রিপ কোথায় কোথায় হয়েছে।

২১ থেকে ৩১ ডিসেম্বর রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শেষ করে ১ জানুয়ারি ৩ হাজারের বেশি সিএনজি অটোরিকশা অ্যাপে ছাড়ার ইচ্ছা তাদের।

এমডি আরো জানান, সিএনজি চালকদের অ্যাপে নিয়ে আসতে যেসব প্রতিবন্ধকতা তা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। শুরুতে সিএনজি চালক আর মালিকদের বহু সমিতি দেখে পরে পৃথকভাবে মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেই অ্যাপ সেবার কথা তুলে ধরেছিলেন। এতেই মালিকপক্ষ রাজি হয়। এ নিয়ে তারা ৩টি কাজ করেছেন।
তবে রাইড শেয়ারিং যে নীতিমালা করছে সরকার সেখানে সবশেষ খসড়ায় ‘সিএনজি অটোরিকশাকে অ্যাপ সেবার বাইরে রাখার বিধান যুক্ত করা হয়। যদিও সরকার নির্ধারিত মিটার কার্যত অচল।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিইও এন জামান চৌধুরী জেমস বলেন, ‘এটা ঠিক রাইড শেয়ারিং অ্যাপ নয়, তবে অ্যপ ভিত্তিক সেবা। আবার যাদের অ্যাপ নেই তারাও রাস্তায় যে সিএনজি পাবেন তাতে উঠে চালকের অ্যাপে ট্রিপ স্টার্ট দিয়ে গন্তব্যে যেতে পারবেন।

টক-মিষ্টি-ঝাল 

থরে থরে কাঁচামরিচ, পুদিনা, গুড়, চিনি, আদা, লেবু, জলপাই, কমলা, বিলম্বি, কামরাঙা, আমড়া, তেঁতুল সাজানো। পাশে হামানদিস্তাও আছে।  নির্ঘাত ভেবে বসেছেন আচারের দোকান। আমিও তাই ভেবেই এগিয়ে গিয়েছিলাম। তবে সারি সারি গ্লাস সাজানো দেখে ভাবলাম জ্যুস বোধহয়। সেটিও ভুল ভাবনা। আসলে কী আছে এখানে সেটি দেখতেই যাওয়া।


গত চার বছর ধরে পান্থপথ বসুন্ধরা সিটির উলটো পাশে, কালভার্ট রোডের কোনায় বসেন জুরুল ভাণ্ডারি। পেশা চা বিক্রি। ১৪ বছর ধরে পান্থপথের এই সড়কদ্বীপের নানা স্থানে চা বিক্রি করছেন, ছিলো কলা, বিস্কুট, সিগারেটের পশরা। তবে চার বছর ধরে হরেকরকম চা বিক্রি করছেন।

চায়ে এমন টক-ঝাল মিষ্টি ব্যবহার কেনও প্রশ্নের উত্তরে হাসলেন। বললেন, মানুষ আজিব জিনিস পছন্দ করে। আর খাইতে তো খারাপ না। তেতুল-পুদিনা- কাঁচামরিচ হামানদিস্তায় ছেঁচে নিয়ে চায়ের লিকার মিশিয়ে খেয়ে দেখার অনুরোধ করলেন। দারুণ নাকি এই টক-ঝাল চা।

বললেন, আপনে আদা চিনি দেওয়া রং চায়ে লেবুর টক খান না? তেঁতুলের টকেও স্বাদ সমান। আরও বেশি।


জুরুলের দোকানে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ঘন দুধ দেওয়া গুড়ের চা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে টক-মিষ্টি-ঝাল চা।  তৃতীয় মালটা-পুদিনা চা এবং চতুর্থ আদা দিয়ে দুধ চা।

তবে সব কিছু খুব ভালোভাবে মেলাতে হবে। এমনি কুচিকুচি করে আদা- তেতুল ছেড়ে দিলেই হবে না। যে মিকচারই খেতে চান লাগবে আসল নির্যাস। তাই হামান দিস্তায় ভালোমতো ছেঁচে নেওয়ার পরামর্শ দিলেন জুরুল ভাণ্ডারি। কড়া লিকারের চায়ের সঙ্গে নাকি জমে দারুণ।

রাত প্রায় ১০টা বাজলেও প্রচুর ভিড় চায়ের দোকানে। ভিড়-বাট্টা সরিয়ে মামার একটা ক্লোজআপ ছবি তোলা হলো। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে এই শীতের রাতে খেজুরের গুড়ের কিংবা টক মিষ্টি চা মন্দ লাগবে না।

 

রাজধানীর দয়াগঞ্জে চলন্ত রিকশা থেকে হাতব্যাগ ছিনতাইয়ের সময় মায়ের কোলে থাকা পাঁচ মাসের এক শিশুর পড়ে মৃত্যু হয়েছে।


১৮ ডিসেম্বর সোমবার ভোরে দয়াগঞ্জ ঢালে এ ঘটনা ঘটে।    

নিহত শিশুটির নাম আরাফাত। সে শরীয়তপুরের শাহ আলম ও আকলিমা বেগম দম্পতির ছেলে। সোমবার ভোরে আলম ও আকলিমা তাদের ২ বছরের ছেলে আল-আমিনের চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর থেকে লঞ্চে ঢাকায় আসেন।

আকলিমা বলেন, ‘লঞ্চ থেকে আলম তার অসুস্থ ছেলে আল আমিনকে নিয়ে শ্যামলী শিশু হাসপাতালে যায়। অন্য দিকে আমি আরাফাতকে নিয়ে রিকশাযোগে শনির আখড়ায় বোন মাকসুদার বাসায় যাচ্ছিলাম। আমাদের রিকশা দয়াগঞ্জে পৌঁছালে ২-৩ জন ছিনতাইকারী হঠাৎ ভ্যানিটি বেগে টান দেয়।’ 

এ সময় ছিনতাইকারীদের ‘হেঁচকা টানে’ কোল থেকে আরাফাত পড়ে যায়। তারা আমার ব্যাগ কেড়ে নিয়েছে। আমার কলিজার টুকরাকেও কেড়ে নিয়েছে, বলেন আকলিমা।’ 

পরে মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) নিয়ে এলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া।

গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, দয়াগঞ্জে শিশুর মৃত্যুর সংবাদ পুলিশ পেয়েছে। ঘটনাটি গেন্ডারিয়া থানার মধ্যে হয়েছে কি-না জানার চেষ্টা করছেন তারা।

বাংলালিংকের নতুন সেবা এমকানেক্স 

দেশের অন্যতম মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লি. তাদের করপোরেট গ্রাহকদের জন্য নিয়ে আসছে নতুন সেবা এমকানেক্স। এই সেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা মুঠোফোনের সাহায্যে একইসঙ্গে মোবাইল পিএবিএক্স ও কল সেন্টারের সুবিধা পাবেন।


সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এই সেবাটি গ্রাহকদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সহযোগিতা করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইবি সল্যুশনস লিমিটেড (ইবিএস)। ১৭ ডিসেম্বর রোববার এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিটুবি বিজনেস এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ফাহমিদুল হাসান, ডিজিটাল সার্ভিস পরিচালক আব্দুল মুকিত আহমেদ, আই সি টি প্রোডাক্ট ম্যানেজার রাকিব হাসান ও ই-বিজনেস ম্যানেজার আরিফুল হকসহ আরও অনেকে। এছাড়া ইবিএসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাফিউর রহমান খান ইউসুফজাই, ডিরেক্টর এনামুল হক, ফয়সাল আহমেদ, রফিকুল আলম প্রমুখ।

চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কর্মকর্তারা জানান, এ মাসের মধ্যেই গ্রাহকরা এমকানেক্স সেবা উপভোগ করতে পারবেন।


প্রতিটি মানুষের জীবনধারা হয়ে থাকে ভিন্ন। একেকজন মানুষ একেকভাবে তার জীবনধারা নিয়ে স্বপ্ন দেখেন, কল্পনা করেন। ভিন্নতা থাকলেও সকলের চিন্তাধারার মাঝে সাধারণ কিছু বিষয়ে মিল পাওয়া যাবেই। সকলেই সুখী হতে চান। নির্ঝঞ্ঝাট জীবনযাপন করতে চান। নিজের প্রিয় মানুষগুলোর সাথে আনন্দ সহকারে পার করে দিতে চান একটা জীবন। তবে বাস্তবতার সাথে নিজের কল্পিত জীবনধারার মিল খুব কমই থাকে।


নানান ধরণের অশান্তি, অস্থিরতা, সমস্যার মাঝে নিজের জন্যে ভেবে রাখা জীবনের ধারা হারিয়ে যায় এক ফাঁকে। এমন সময়গুলোর কারণে মনে হতে থাকে, সকল কিছুর সাথে তাল মিলিয়ে জীবনে এগিয়ে যাওয়াটাই অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। অথচ চাইলেই জীবনের এই নেতিবাচক প্রভাবকে দূর করে ফেলা সম্ভব। জীবনের মোড়কে ইতিবাচকভাবে ঘুরিয়ে ফেলা সম্ভব নিজের স্বদিচ্ছা ও কিছু পদক্ষেপের সাহায্যে। জানতে চান কী সেই সকল পদক্ষেপ?

বিষাক্ত মানুষদের সাথে সম্পর্ক চুকিয়ে ফেলুন


যদি কেউ আপনার জীবনে বিন্দুমাত্র ইতিবাচক প্রভাব না রেখে থাকে, তবে তাকে জীবনের খাতা থেকে ফেলে দিন। এমন কোন মানুষকে জীবনের সাথে জড়িয়ে রাখার মানেই হল, কিছু বাড়তি সমস্যাযুক্ত মানুষকে জীবনের সাথে যুক্ত রাখা। যদি কোন পরিচিত মানুষ বা বন্ধুর সাথেও অনেকদিন ধরে কোন যোগাযোগ নেই কথা নেই তবে বুঝে নিতে হবে তাদের জীবনে আপনাকে কোন প্রয়োজন নেই। সেক্ষেত্রে আপনারও প্রয়োজন নেই তাদের সাথে যোগাযোগ করার। জীবনে ভালো থাকার জন্য খুব কম সংখ্যক মানুষের প্রয়োজন। অগণতি মানুষের সাথে পরিচয় হলেও তাদের সকলকেই জীবনের সাথে জড়িত রাখার প্রয়োজন নেই।

নিজের চারপাশ গুছিয়ে রাখুন


একজন মানুষের চারপাশ তার কার্যক্ষমতা ও দক্ষতার উপরে অনেকখানি প্রভাব ফেলে থাকে। নিজের ঘর কিংবা অফিসে নিজের ঘর অথবা টেবিলের অংশটুকু গুছিয়ে রাখার ফলে নিজের কাজের প্রতি ভালোমতো মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়। এতে করে কাজ খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তাই নিজের চারপাশে একবার ভালোমতো চোখ বুলিয়ে নিন। কোন জিনিসগুলো আপনার প্রয়োজন এবং প্রয়োজন নয় সেটার একটি তালিকা তৈরি করুন। এবার তালিকা অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো গুছিয়ে ফেলে দিন। এর ফলে আপনার চারপাশ অনেকটা খালি হয়ে যাবে এবং গোছানো পরিবেশে নিজের কাজগুলো ভালমতো করা সম্ভব হবে।

সিদ্ধান্ত গ্রহণের ব্যাপারে সচেতন হোন


অনেক সময় এমন কিছু কঠিন ও জটিল বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, যেটা নিয়ে মনের মাঝে দ্বিধা কাজ করতে থাকে। কারণ, আজকের সিদ্ধান্ত হয়তো আপনার ভবিষ্যৎ জীবনের উপরে প্রভাব ফেলতে পারে। এক্ষেত্রে অনেকেই নানান জনের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে থাকেন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময়ে। এই অভ্যাসটি যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে। নিজের সিদ্ধান্ত নিজেকে নিতে হবে। কারণ, ভিন্ন ভিন্ন মানুষ একটা ব্যাপারকে ভিন্নভাবে দেখে থাকেন। বিশেষত আপনার সমস্যা ও অবস্থান অন্য কেউ আপনার মতো করে কখনোই বুঝতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে অন্যের সিদ্ধান্তের উপরে নিজের ভবিষ্যতকে ছেড়ে দেওয়া খুব একটা যুক্তিযুক্ত হবে না।

স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলুন


কীভাবে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব? এমন প্রশ্ন যদি আপনার মাথায় ঘুরতে থাকে তবে কোমল পানীয়ের বোতল ফেলে দিয়ে পানির গ্লাস তুলে নিন হাতে। ইতিবাচক যেকোন কিছুই জীবনের কোন না কোন ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে আসবে। একই ব্যাপার ঘটে থাকে নেতিবাচক ব্যাপারের ক্ষেত্রেও। তাই প্রতিদিনের খাদ্যাভাস ও ছোটোখাটো নিয়মের মাঝে পরিবর্তন নিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। এই স্বাস্থ্যকর নিয়মগুলো কেমন হবে? সকালে মেডিটেশন করা অভ্যাস গড়ে তুলুন, পর্যাপ্ত পানি পান করুন, প্রচুর শাক-সবজী খান, দুধ-ডিম সহ স্বাস্থ্যকর ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন, নতুন কোন ভাষা শেখার চেষ্টা করুন, নিজের দক্ষতা বাড়াতে কোন কোর্সে ভর্তি হোন অথবা দারুণ কোন বই পড়ুন। প্রতিটি অভ্যাস কোন না কোনভাবে জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে।

নিয়মিত শরীরচর্চা করুন


নিয়মিত শরীরচর্চা যদি না করা হয়, তবে ওজনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ চলে যাবার ব্যাপারটি খুবই সাধারণ। শুধু ওজন নয়, সুস্বাস্থ্যের উপরেই আর নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব হয় না। যে কারণে প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততার মাঝে শুধুমাত্র আধা ঘণ্টা সময় শরীরচর্চার জন্য আলাদা করে রাখা প্রয়োজন। শরীরচর্চা শুধু ওজনকে নিয়ন্ত্রণের মাঝে রাখে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে তাই কিন্তু নয়। মনের উপরেও শরীরচর্চা অনেকখানি প্রভাব ফেলে থাকে। সকালের পরিষ্কার বাতাসে আধা ঘণ্টা হাটলে কিংবা দৌড়ালে মন একদম সতেজ হয়ে ওঠে। একইসাথে কাজ করার জন্যে আলাদা উদ্যমও পাওয়া যায়। তাই হাজার অজুহাতের ভিড়ে নিজের জন্য অন্তত আধাঘণ্টা সময় বের করা আবশ্যিক।

নিজের জন্য ‘একান্ত’ সময় বের করুন


ব্যস্ততা ও পরিবারের সকলের সাথে সময় কাটানোর ফাঁকে নিজের জন্য কিছু একান্ত সময় কাটানোর কথা নিশ্চয় একেবারেই ভুলে গেছেন আপনি! শুধুই নিজের সাথে, নিজের জন্য একান্ত কিছু সময় কাটানোর ব্যাপারটি মোটেও স্বার্থপর চিন্তাভাবনা নয়! কারণ, কিছু সময় থাকে যখন মানুষ একদম একা থাকতে চান, সকল কিছু থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চান। তেমনভাবেই, নিজের জন্য একান্ত কিছু সময় মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে থাকে। এই একান্ত সময় কাটানো হতে পারে একাকী কোথাও ঘুরতে যাওয়া, কফিশপে বসে গান শোনা, কোন পুরনো বন্ধুর সাথে সময় কাটানো কিংবা নতুন কোন সিনেমা দেখতে যাওয়া।

ঝুঁকি নিতে কখনোই পিছ-পা হবেন না


বেশীরভাগ মানুষ যেকোন বিষয় নিয়েই ঝুঁকি নিতে ভয় পেয়ে থাকেন। যার ফলে ফলে তাদের আর কখনোই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে ওঠে না। জীবনে এগিয়ে যেতে চাইলে, পরবর্তি পদক্ষেপ নিতে চাইলে এবং অন্য সকলের থেকে এগিয়ে থাকতে চাইলে কিছু ঝুঁকি আপনাকে নিতেই হবে। সেটা অনেক বড় কোন ব্যাপার হতে পারে, আবার হতে পারে ছোট কোন ব্যাপারেও। যেমন: কর্মক্ষেত্রে হয়তো কোন ব্যাপারে আপনি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন অথবা কারোর আচরণ আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে হচ্ছে। এই ব্যাপারগুলো সরাসরি বসকে জানিয়ে দিন। তিনি কী ভাববেন বা কী পদক্ষেপ নেবেন সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করলে আপনাকে সেই একই সমস্যার মাঝে পড়ে থাকতে হবে। আবার, এই ঝুঁকি নেওয়া ভিন্ন রকম হয়ে থাকতে পারে। হয়তো কোন ভিন্ন আইডিয়া এসেছে আপনার মাথায়। সেটা নিয়ে কাজ করা শুরু করে দিন। সেটা আদৌ সফল হবে কি হবে না, সেটা নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই। কথিতই রয়েছে- ‘নো রিস্ক, নো গেইন।‘ ঝুঁকি নেওয়ার মাধ্যমেই আপনি জীবনের পরবর্তি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.