কুঁচির পর কুঁচি, ভাঁজের পর ভাঁজ-এ যেন নকশার খেলা। কুঁচি সালোয়ারের আসল সৌন্দর্য এটাই।


এ সালোয়ারে নকশা নিয়ে খেলা করা যায় অনেকভাবে; কাটছাঁটে আনা যায় পরিবর্তন। নানা রকম নামে সালোয়ারটি চলছে। বলা যায়, কুঁচির রকমফেরেই তৈরি হয় আলাদা স্টাইল। এখন অনেকে ঘের দেওয়া সালোয়ার পরছেন। কারও কাছে এটি পাটিয়ালা সালোয়ার, কেউবা চেনে কুঁচি দেওয়া সালোয়ার নামে। আবার এর মাঝে একটি ডিজাইনকে ‘হারমেস’ ও বলে। যে নামেই পরিচিতি হোক না কেনো, ফ্যাশন আটকে আছে সালোয়ারের কুঁচির ভাঁজে ভাঁজে।
কামিজের কাটছাঁটে পরিবর্তন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলে এসেছে বহুদিন ধরে। ইদানীং সালোয়ারেও দেখা যাচ্ছে নানান ঢং বা নকশা। কখনো ধুতির আদলে গোড়ালির কাছে কাটা, আবার কখনও প্রচুর কুঁচি দেওয়া ঢিলেঢালা সালোয়ার। কামিজ যেকোনো নকশারই হোক না কেন এ সালোয়ারের কাপড় এক রঙা হওয়াই ভালো। এতে কুঁচি ও ভাঁজের সৌন্দর্য ফুটে উঠে ভালোভাবে।

যে রকম কাপড়ই নেওয়া হোক না কেনো, তা হতে হবে নরম। সিল্ক, ধুপিয়ান, সুতি, উন্নত খাদি দিয়ে বানালে কুঁচি সালোয়ার ভালো হয়। তবে কাপড় শক্ত ও মোটা হলে পরার পর পায়ের গড়ন ভারী হয়ে যায়। এ সালোয়ারের অনেক রকম ডিজাইন হয়ে থাকে নিচে কিছু ডিজাইনের কথা বলা হল।


১. সালোয়ারের পেছনে কোনো কুঁচি হবে না, যা হবে সব সামনে। সামনের দুই পাশে দু-একটা বড় কুঁচি, বাকি ছোট কুঁচির সংখ্যা হবে ৩-৪টি। বড় কুঁচিগুলোর মাপ হবে সাধারণত আড়াই ইঞ্চি। ছোট কুঁচিগুলো হয় আধা ইঞ্চি করে।

২. এ সালোয়ারের কুঁচিগুলো হয় অনেক বেশি এবং ঘন। তবে অনেকে কম কুঁচি পছন্দ করেন। তাই সামনে ও পেছনে চারদিকে ঘুরিয়ে সমানসংখ্যক কুঁচি দেওয়া হয়।

৩. কোমরের দুইদিকে ৪ থেকে ৫ ইঞ্চির মতো জায়গায় কুঁচি হবে না, বাকি জায়গায় মনমতো বসান হয় কুঁচি। এক থেকে সোয়া এক ইঞ্চির মতো বড় হবে কুঁচিগুলো।

৪. কম কুঁচি দিয়ে এবং অনেক ফুলিয়ে করা হয় এ স্টাইলটি। গোড়ালির দিকে এসে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাবে মুহুরি। স্টাইলও ফুটে উঠে কম মুহুরির মধ্য দিয়ে। মুহুরির জায়গায় করাতে পারেন কারুকাজ। এটা আর কিছুই নয়, নিচের দিকে ২ থেকে সাড়ে ৩ ইঞ্চির মতো জায়গা শক্ত করে বেঁধে দেয়। দেখতে ভালোই লাগে। এ ছাড়া দিতে পারেন পাইপিং, হুক, চেইন ইত্যাদি। চাইলে লেসও লাগাতে পারেন।



৫. লম্বায় ছোট বা বড় টি-শার্ট, ফতুয়া দিয়ে এ সালোয়ার পরলে বেশ মানায়। কামিজ পরলে লম্বায় ছোট কামিজই এ সালোয়ারের সঙ্গে ভালো যায়। না হলে কুঁচি ও ভাঁজের বাহার বৃথা যাবে। ভালো লাগবে ফতুয়া, টিউনিক ধাঁচের খাটো টপ এবং ছোট বেবি ফ্রক। সব বয়সেই এটি পরা যায়। তবে সাবলীলভাবে পরার বিষয়টা নির্ভর করবে যার যার ব্যক্তিত্বের ওপর।

যেখানে পাবেন
বিবিয়ানা, অঞ্জনস, বিবি প্রোডাকশনস, কে ক্রাফট, যাত্রাসহ বেশিরভাগ ফ্যাশন হাউজেই কিনতে পাওয়া যায় এ সালোয়ার। এ ছাড়া নিজের মনের মতো করে বানিয়ে নিতে বিভিন্ন দর্জিবাড়ি তো আছেই।

Airtel-is-the-one-at-75-GB-data-pack 


তরুণ প্রজন্মকে আরো কাছে নিয়ে আসতে ‘ইয়োলো’ নামে একটি সোস্যাল-সার্কেল চালু করেছে দেশের অন্যতম ইয়ুথ ব্র্যান্ড এয়ারটেল।

 অবিশ্বাস্য কল রেট ও ইন্টারনেট প্যাক উপভোগ করতে পারবেন এ সার্কেলের সদস্যরা। তারুণ্যের অবাধ উদ্দীপনাকে উদযাপনই ‘ইয়োলো’র উদ্দেশ্য।

‘ইয়োলো’ সার্কেলের সদস্যরা একে অপরের সাথে প্রতি মিনিট ২৫ পয়সা রেট এবং এক সেকেন্ড পালসে কথা বলতে পারবেন। *১২৩*০১৬# নম্বরে ডায়াল করে এ সার্কেলের সদস্য হতে পারবেন যে কোন এয়ারটেল গ্রাহক। সার্কেল থেকে বেরিয়ে যেতে ডায়াল করতে হবে *১২৩*০০০০# কোডটিতে।

এছাড়া ‘ইয়োলো’র সদস্যরা *১২৩*০৭৫# ডায়াল করে ৭৫ টাকায় সাত দিন মেয়াদী এক জিবি ডাটা প্যাক অথবা *১২৩*১৯৮১# ডায়াল করে ১৯৮ টাকায় একই পরিমাণ ডাটা প্যাক উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা যার মেয়াদ হবে ২৮ দিন। শুধু ‘ইয়োলো’ সার্কেলের সদস্যরাই এই অফারগুলো উপভোগ করতে পারবেন। ডাটা প্যাকের ব্যালেন্স জানতে ডায়াল করতে হবে *৭৭৮*১৬# কোডটিতে।




Symphony-Call-for-selaphi

বাংলাদেশের বাজারে সামনে ভালো মানের ক্যামেরাযুক্ত স্মার্টফোন বা সেলফি ফোনের চাহিদা বাড়ছে বলে দাবি করেছে সিম্ফনি কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি সেলফিপ্রেমীদের কথা মাথায় রেখে দেশের বাজারে ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘সিম্ফনি জেড এইট’ উন্মুক্ত করেছে এডিসন গ্রুপ।


এডিসন গ্রুপের বিপণন ব্যবস্থাপক আশরাফুল হক প্রথম আলোকে বলেন, সাধারণত প্রতি প্রান্তিকে নতুন স্মার্টফোন বাজারে আনার চেষ্টা থাকে। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া স্মার্টফোন ও ট্যাব মেলা উপলক্ষে ‘জেড এইট’ নামের নতুন স্মার্টফোন ছাড়া হয়েছে। এটি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন।

কী আছে জেড এইটে? স্মার্টফোনটির সামনে আছে ৮ মেগাপিক্সেল ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা আর পেছনে ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এতে আছে ডুয়াল ফ্ল্যাশ। ব্লু-গ্লাস অপশনের মাধ্যমে অতিরিক্ত আলো ফিল্টার হয়ে ছবি উঠবে আরও ঝকঝকে। ক্যামেরাতে ফিচার হিসেবে রয়েছে ফেস বিউটি মোড, প্যানারোমা মোড, নাইট মোড, প্রফেশনাল মোড এবং ফ্ল্যাশ ল্যাম্প মোড।

নকশার দিক থেকে এটি প্রিমিয়াম ডিজাইনের স্মার্টফোন। ধাতব কাঠামোর ফোনটি হাতে সহজে আটকে থাকে। এতে আছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। পাওয়ার ও ভলিউম বাটন ডান পাশে এবং সিম ও মেমোরি কার্ড ট্রে আছে বাঁ পাশে। এর ডিসপ্লে পাঁচ ইঞ্চি মাপের ফুল এইচডি। অ্যান্ড্রয়েড মার্শম্যালো অপারেটিং সিস্টেমচালিত ফোনটিতে আছে স্মার্ট অ্যাকশন ও স্মার্ট জেশ্চার মোড। এর মাধ্যমে ডাবল ট্যাপ হোমস্ক্রিন অন বা অফ করা যাবে। অক্ষর এঁকে অ্যাপ চালু করা যাবে। হোম বাটনটি ফিঙ্গারপ্রিন্টের কাজ করে। বাটনটি শুধু টাচ করেই ফোন আনলক করা যাবে। ব্যক্তিগত ফাইল, ছবি, ভিডিও লক করে রাখা যাবে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে।


এক দশমিক ৪ গিগাহার্টজের কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৪৩০ প্রসেসরের ফোনটিতে র‍্যাম তিন জিবি।


এর ব্যাটারি তিন হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। এতে পাওয়ার শেয়ারিং অপশন থাকায় পাওয়ার ব্যাংক হিসেবে অন্য ফোনে চার্জ দেওয়া যাবে।

ফোনটিতে ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটির অভিজ্ঞতাও পাওয়া যাবে। সোনালি ও কালো রঙে বাজারে এসেছে ফোনটি। এর দাম ১৩ হাজার ৯৯০ টাকা।

Six-images-were-produced-ebrahama 


ছয়টি ছবি প্রযোজনা করতে যাচ্ছেন বলিউড তারকা জন আব্রাহাম। কৃআর্জ এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে যৌথভাবে ছবিগুলো তৈরি হবে। কৃআর্জ এন্টারটেইনমেন্ট অক্ষয় কুমারের ‘রুস্তম’-এর মতো চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছে।


তবে সব ছবিই হিন্দি ভাষার নয়, তিনটি হিন্দি, একটি মারাঠি, একটি গুজরাটি ও একটি মালয়ালাম। কৃআর্জ এন্টারটেইনমেন্টের একটি সূত্র জানিয়েছে, তাঁরা শুধু হিন্দি ছবিরই প্রসার ঘটাবেন না, আঞ্চলিক ছবি নিয়েও কাজ করবেন। তিনটি হিন্দি ছবির মধ্যে দুটির মূল চরিত্রে অভিনয় করবেন জন এব্রাহাম নিজেই। প্রথম ছবিটি হবে থ্রিলার অ্যাকশন ধর্মী। আগামী জুলাই মাসে ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা আছে।

জন এব্রাহামকে শেষ দেখা গেছে ‘ফোর্স টু’ ও ‘ঢিশুম’ ছবিতে। বলিউড হাঙ্গামা

Running-Project-fairytale 


প্রতিটি ছবিই এক একটি গল্প বলে। কখনও কখনও এই ছবিও মুহূর্তগুলো অনুপ্রেরণা জাগায়। এই সব মুহূর্তগুলোকে ফ্রেমে বেঁধে প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ‘প্রজেক্ট ইয়ুথ বি’ নামক এক তরুন সংগঠন। ‘প্রজেক্ট রূপকথা– জাদুর শহর’ শীর্ষক এই প্রদর্শনী শুরু হয়েছে রাজধানীর বনানী ১১ নম্বর সড়কে গ্যালারি ইলেভেন বাই এজ-এ।


৩০টি ছবির সমন্বয়ে চলছে ছয় দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী। প্রদর্শনীর পাশাপাশি রয়েছে পুরস্কার এবং সেলফি কন্টেস্ট। এর পাশাপাশি লাইভ মিউজিকেরও ব্যবস্থা রয়েছে। প্রদর্শনীটি চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ৩টা থেকে রাত ৮টা এবং সকলের জন্য উন্মুক্ত।

7-easy-ways-to-quit-smoking 


আপনার ধূমপান নিয়ে ভীষণ বিরক্ত আশেপাশের মানুষ। নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, এবং সেটি বুঝতেও পারছেন। কিন্তু কিচ্ছু করতে পারছেন না। ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা অনেকবার করেও আবার ধরেছেন সিগারেট নামক মরণ নেশা। কোনও একটি নেশায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে সেটি ছাড়তে অনেক কষ্ট হয়। তবে এই নেশাকে নিয়ন্ত্রণের জন্য গবেষকরাও কম গবেষণা করেননি। সিগারেটের প্যাকেটে ক্ষতিগ্রস্ত রোগীর ভয়াবহ ছবি দেওয়া থেকে শুরু করে, নানা সতর্ক বাণীও লেখা আছে। তবু ধূমপান ছাড়া কঠিন। তারপরেও যারা ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন তাদের জন্য কিছু পরামর্শ। 
) হঠাৎ করে একবারে ছাড়ার চেষ্টা করবেন না। শরীর নিকোটিনে অভ্যস্ত থাকার ফলে একটু সময় লাগে এই অভ্যাস মুক্ত হতে। সাধারণত দেখা যায়, শতকরা ৯০ ভাগ লোক ধূমপান ছাড়ার জন্য হঠাৎ করেই ধূমপান বন্ধ করে দেন। এভাবে ৫ থেকে ৭ শতাংশ লোক সফল হন। বাকিরা হতাশ হয়ে পুনরায় ধূমপান শুরু করেন। ধূমপান ত্যাগের সহজ উপায় হচ্ছে একটু সময় নেওয়া এবং সকলের সাহায্য নিয়ে ধূমপান ত্যাগের চেষ্টা।

২) আপনি কেন ধূমপান ছাড়তে চান সে বিষয়টি নির্ধারণ করুন। শুধুমাত্র ছাড়তে হবে বলে ছাড়ছেন সেটা পর্যাপ্ত নয়। ধূমপান ছাড়ার কাল অনেক দীর্ঘ এবং যেকোনও সময় আবার আপনি ধূমপান শুরু করতে পারেন। তাই নিজের সংকল্পে অটুট থাকতে আপনার ধূমপান ছাড়ার কারণ অনেক সাহায্য করবে। ধূমপান ত্যাগের সহজ উপায় জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

৩) তামাকের নিকোটিনের পরিবর্তে অন্য কোনও নিকোটিন গ্রহণ করুন। ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার সময় মস্তিস্ক নিকোটিনের অভাবে ভোগে। তাই ধূমপান ছাড়ার সময় সাময়িকভাবে নিকোটিন গাম, প্যাচ, ইনহেলার, স্প্রে এবং লজেন্স গ্রহণ করা যেতে পারে।

৪) নিয়মিত শরীর চর্চার বা ব্যায়াম করলে ধূমপানের প্রতি চাহিদা কমে যায়। ধূমপান ছেড়ে দিতে হাঁটাহাঁটি বা অন্যান্য ব্যায়াম করা ধূমপান ত্যাগের সহজ উপায়।

৫) শাকসবজি এবং ফল খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। ধূমপানের সময় আপনার ডায়েট চললে সেটি এড়িয়ে চলুন কিছুদিনের জন্য।

৬) পরিচ্ছন্ন থাকুন। আপনি নিজে পরিচ্ছন্ন ও ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখুন। ঘরের কোনায় বা নিজের পোশাকের কোথাও সিগারেটের গন্ধ পেলে আবার ধূমপানের ইচ্ছা জাগতে পারে। তাই সব পরিস্কার করে সাবান পানিতে ধুয়ে নিলেই হয়।

৭) যেসব কর্মকাণ্ড আপনার ধূমপানের ইচ্ছা জাগায় সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। মনে রাখবেন প্রথম কয়েক দিন খুবই কষ্টের। হতাশ বা নিরাশ হওয়া যাবেনা।

elecommunications-Secretary-Faizur-Rahman-being-transferred 


 ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী বদলি হচ্ছেন। সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে তাঁকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে। আর ফয়জুর রহমানের স্থানে বসছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শওকত মোস্তফা (পি.এইচ.ডি. অর্থনীতি)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।


মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী ২০১৪ সালের ২২ জুলাই ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব ছিলেন। দুদকে ২০১০ সালে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে যোগদান করেন। ২০১১ সালে পদোন্নতি পেয়ে সচিব হন। দুদকে প্রথমে তিনি ভারপ্রাপ্ত সচিব ছিলেন। এরপর ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ সচিব হন তিনি। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম সচিব দম্পতি ফয়জুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী নাছিমা বেগম (এনডিসি)। নাছিমা বেগম বর্তমানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী ১৯৫৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম সৈয়দুর রহমান চৌধুরী ও মাতার নাম আতিকা খাতুন চৌধুরী। মোহনগঞ্জ উপজেলা সদরে আতিকা ভিলায় তাঁরা বসবাস করতেন। তিনি ময়মনসিংহ শহরস্থ রেলওয়ে সরকারী উচ্চবিদ্যালয় হতে এসএসসি এবং ময়মনসিংহ আনন্দমোহন সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮১ ও ১৯৮২ সালে যথাক্রমে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম পাশ করেন। ১৯৮২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তৎকালীন বৃহত্তর কুমিল্লা জেলায় চাকরিতে যোগদান করেন।

কর্মজীবনে উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, উপসচিব, যুগ্মসচিব ও সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশন হিসেবে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশ গ্রহণ করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক।

 


বাংলাদেশের বাজারে এসেছে তাইওয়ান বেইজ আসুসের পরিপূর্ণ স্টোরেজ সার্ভার। গ্লোবাল ব্র্যান্ড বাংলাদেশে এ সার্ভার বাজারজাত করবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।



বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সার্ভারটির মডেল আরএস৭২০-ই৪-আরএস২৪-ইসিপি। এই সার্ভারে রয়েছে ডুয়েল সিপিইউ, ১০ কোর প্রসেসর এবং ২৫ এম.বি ক্যাশ। এছাড়াও এতে রয়েছে ১+১ রিডানডেন্ট ৮০০ ওয়াট ৮০ প্লাস প্লাটিনাম পাওয়ার সাপ্লাই। আরও রয়েছে ২জিবি ক্যাম মেমোরিসহ রেইড কার্ড।

The-seventh-generation-of-ASUS-Motherboard 

বাংলাদেশের বাজারে এসেছে আসুসের সপ্তম প্রজন্মের ২০০ সিরিজের মাদারবোর্ড। সম্প্রতি এ মাদারবোর্ডটি বাজারে ছাড়া হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন ২০০ সিরিজের বোর্ডগুলো ইন্টেলের সর্বাধুনিক সপ্তম প্রজন্মের ক্যাবিলেক প্রসেসর সাপোর্ট করে। যার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৮০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া সঙ্গে থাকছে তিন বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি।

ঝাঁঝালো সরিষা তেল রান্নায় নিয়ে আসে বাড়তি স্বাদ। খাসির মাংস রান্না করতে পারেন সরিষার তেল দিয়ে। স্বাদে ভিন্নতা নিয়ে আসবে ঝাল এই আইটেমটি। পরিবেশন করতে পারবেন ভুনা খিচুড়ি, ভাত অথবা রুটির সঙ্গে।


                                                                  Mustard-oil-mutton
                           জেনে নিন কীভাবে রান্না করবেন

উপকরণ


খাসির মাংস- ১ কেজি
হলুদ- ১ চা চামচ
রসুন বাটা- ১ চা চামচ
দই- আধা কাপ
পেয়াজের স্লাইস- ৬টি
টমেটো- ২টি
ধনে গুঁড়া- ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া- আধা চা চামচ
লবণ- স্বাদ মতো
সরিষার তেল- ৫ টেবিল চামচ
আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ
গরম মসলা গুঁড়া- ২ টেবিল চামচ
কাঁচামরিচ- ৫টি


প্রস্তুত প্রণালি

খাসির মাংস ধুয়ে শুকিয়ে নিন। লবণ, হলুদ গুঁড়া, সরিষার তেল, দই ও সামান্য আদা-রসুন বাটার দিয়ে মাংস মেখে রাখুন। প্রেসার কুকারে সরিষার তেল গরম করুন। ধোঁয়া বের হতে শুরু করলে গরম মসলা গুঁড়া, কাঁচামরিচ কুচি ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেঁয়াজ লালচে হয়ে গেলে আদা-রসুন বাটা দিয়ে নাড়ুন। টমেটো কুচি দিয়ে তেল ছাড়ার আগ পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। হলুদ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া ও জিরা গুঁড়া দিন। ৫ থেকে ৭ মিনিট নাড়ুন। মসলার মিশ্রণে খাসির মাংস ও লবণ দিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট চুলায় রান্না করুন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিন।
গরম পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন প্রেসার কুকার। ৫ থেকে ৬টি সিটি উঠলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন খাসির মাংস।

Smartphone-washable-with-soap-and-water

   

 সাবান কিংবা গরম পানি দিয়ে ধোয়া যাবে স্মার্টফোন। নোংরা হাতে ব্যবহারের ফলে স্মার্টফোন যদি নোংরা হয়ে যায় তবে কী করবেন? সহজ উত্তর, পরিষ্কার করতে হবে। জাপানি ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাতা কায়োসেরা ঠিক একই উত্তর দিয়েছে, তবে ভিন্নভাবে। ২৬ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটি কায়োসেরা র‌্যাফ্রে নামের স্মার্টফোনের ঘোষণা দেয়। এটি শুধু পানিরোধকই না, প্রয়োজন হলে সাবান, এমনকি গরম পানি ব্যবহার করেও পরিষ্কার করা যায়।



আসছে মার্চে শুধু জাপানের বাজারে ছাড়া হবে স্মার্টফোনটি। মূলত রান্নাঘরে ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে এটি। সে অনুযায়ী রান্নার অ্যাপ আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকবে এতে। সেই অ্যাপ আবার ব্যবহার করা যাবে পর্দায় হাত না লাগিয়েই। তবে চাইলে ভেজা হাতে কিংবা গ্লাভস পরেও এর স্পর্শকাতর পর্দা ব্যবহারে কোনো সমস্যা হবে না।

এর বাইরে স্মার্টফোনটি অবশ্য গড়পড়তা স্মার্টফোনের মতোই। পাঁচ ইঞ্চি পর্দার কায়োসেরা র‌্যাফ্রেতে ২ গিগাবাইট র‌্যাম, ১৬ গিগাবাইট অভ্যন্তরীণ মেমোরি, ১৩ মেগাপিক্সেল ব্যাটারি থাকছে। স্মার্টফোনটি চলবে অ্যান্ড্রয়েড ৭.০ ন্যুগাট অপারেটিং সিস্টেমে।

মজার ব্যাপার হলো, স্মার্টফোনটিতে স্পিকার কিংবা হেডফোন জ্যাক নেই। ধুলা ও তরল থেকে আরো বেশি প্রতিরোধী করে তুলতেই এমন ব্যবস্থা। শব্দ উৎপাদনের জন্য অনেকটা শিয়াওমির মি মিক্স স্মার্টফোনের মতো কম্পনের মাধ্যমে স্মার্ট সনিক রিসিভার প্রযুক্তির সাহায্য নিতে হয়েছে।


                         Aishwarya-in-front-of-his-father-s-closeness

তিনি বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই নন, দক্ষিণী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া অর্জুন। দক্ষিণী তামিল ছবিতে তিনি খুব জনপ্রিয় অভিনেত্রী। শুধু অভিনেত্রী হিসেবেই নন, পুরো তামিল ইন্ডাস্ট্রিতে তার পরিবারের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। তার বাবা অর্জুন তামিল ছবির নামকরা পরিচালক ও প্রযোজক। বাবার পরিচালিত ছবিতেই অভিনয় করতে গিয়ে ঐশ্বরিয়াকে ছবির নায়ক এর সাথে ঘনিষ্ঠ চরিত্রে অভিনয় করতে হয়েছে।


বর্তমানে ঐশ্বরিয়া তার বাবার পরিচালিত এবং প্রযোজিত ‘কাথালিন পোনভিথিযেইল’ ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় রয়েছেন। তার বিপরীতে রয়েছেন নতুন নায়ক শান্থান। এই ছবির মধ্য দিয়ে তামিল ছবিতে অভিষেক ঘটছে এই নায়কের। রোমান্টিক ধাঁচের এই ছবিটিতে একাধিক ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে হয়েছে ঐশ্বরিয়া, অর্জুন এবং শান্থানকে।

Arif-Akram-virtual-life-will-be-easy-Uday 


মানবীয় কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা নির্ভর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা দেশের প্রথম অ্যাপ ‘উদয়’। ভ্রমণ, কেনাকাটা, বিভিন্ন বুকিং, এবং হোম সার্ভিসসহ বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে সেবা দিতে সক্ষম এই চ্যাটিং সহকারী।



 অর্থাৎ চ্যাটবটের সাহায্যে বার্তা পাঠানোর পর খুব সহজে একান্ত সহকারী হয়ে ওঠে ‘উদয়’। অ্যাপটি’র মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘোরাঘুরির দরকার নেই। উদয় ই কাস্টমার কেয়ার সেন্টার হয়ে কাজটি করে দেবে। এমন তথ্য জানালেন উদয় এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ আকরাম।

উদয় অ্যাপের কর্মকৌশল সম্পর্কে তিনি বলেন, ৩০ শতাংশ কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা এবং ৭০ শতাংশ মানবীয় যোগাযোগের সম্মিলন ঘটানো হয়েছে উদয় চ্যাটিং সfহায্যকারী অ্যাপে। অ্যাপটি ডাউনলোড করে ‘উদয়’ থেকে কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে সবার আগে সেবার ধরন পছন্দ করতে হবে। এরপর পূর্বে নির্বাচিত জিজ্ঞাস্য অথবা অনুরোধটি লিখে পঠাতে হবে। হাল জামানার আলাদিনের দৈত্য হয়ে মুহূর্তে হাজির হবে উদয় অ্যাসিস্ট্যান্ট। যতক্ষণ পর্যন্ত না কাজটি সম্পন্ন হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার সঙ্গী হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে অ্যাপটি তাৎক্ষণিক ব্যবহারকারীর তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারীর সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়ে দেবে। এতে করে কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা যেমন সম্ভব হবে তেমনি ভিন্ন সেবা পেতে ভিন্ন ট্যাব ওপেন করা কিংবা ফোন করার ঝামেলা পোহাতে হবে না।

উদয়’র বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে আরিফ আকরাম বলেন, ‘একটি অ্যাপ থেকেই সুবিধাজনক সব সেবা নিয়ে হাজির হতেই আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মানবীয় সেবার সর্বোত্তম সেতু বন্ধন তৈরি করেছি। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই উদয় এর পরবর্তী সংস্করণ ‘উদয় ফর বিজনেস’ অবমুক্ত করা হবে জানিয়ে আরিফ আকরাম বলেন, প্রাথমিক অবস্থায় পাঁচটির মতো সেবা দিতে সক্ষম হলেও আরও বড় পরিসরে সেবা দেওয়ার জন্য অ্যাপটির উন্নয়নে কাজের পাশাপাশি এখন বিভিন্ন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আলোচনা করা হচ্ছে। এই সংস্করণটি কাস্টমার কেয়ার সাপোর্ট খাতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসতে সক্ষম হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
       
আরিফ আকরাম ১৯৮৫ সালের ২ নভেম্বর রাজধানীর গুলশানে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মো. আকরাম এবং মা নুর আফরোজ আকরামের তিন সন্তান। অন্য দুইজন হচ্ছেন আদনান আকরাম ও আজম আকরাম। ব্যক্তিগত জীবনে আরিফ বিবাহিত। তাঁর সহধর্মিণী তেহসিন আরিফ। তাদের একমাত্র ছেলে আরিজ আরিফ। তিনি পড়াশোনা করেছেন বাংলাদেশ ইন্টারন্যশনাল টিউটোরিয়াল, ব্রিটিশ স্কুল অব ল' এবং ইউনিভারসিটি অব লন্ডনে। পেশা জীবনে তিনি চেয়ারম্যান, সারকো স্টেট এজেন্স্ লি:। ডাইরেক্টর, ফ্যাশানআইডি কোম্পানি। ডাইরেক্টর, আইএসএফ সারফেন্স লি:। ছোট সময় তিনি আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তবে তিনি হয়েছেন ব্যবসায়ী।

 


ফ্যাশনেবল পোশাক পরতে কিংবা সবচেয়ে বেশি স্টাইলিস্ট হিসেবে নিজে প্রমাণ করতে কে না চায়। কিন্তু ফ্যাশনের ফ্যাক্টগুলো কি আমরা জানি? দারুণ দারুণ মজার তথ্য রয়েছে ফ্যাশন জগতকে ঘিরে। কোন পোশাক কে চালু করেন। কার কোন পোশাক কে চুরি করেছিল, চলুন দেখে নেই-


১। আপনি কি পোশাকের চেইনে ওয়াইকেকে নামটি প্রায়ই দেখেন? ওয়াইকেকে হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় জাপানের জিপার চেইন নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান।

২। ভিক্টোরিয়ান পুরুষরা তাদের প্রেমিকার স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে তাদের হ্যাটে প্রেমিকার একটি চুল লাগিয়ে রাখত।

৩। সেনাদের ইউনিফর্মে নাক মোছা থেকে বিরত রাখার জন্য নেপোলিয়ন ইউনিফর্মের হাতায় পিতলের বোতাম লাগানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।

৪। এডওয়ার্ড জোন্স হচ্ছেন প্রথম ব্যক্তি, যিনি চারবার রানি ভিক্টোরিয়ার অন্তর্বাস চুরি করার চেষ্টায় ধরা পড়েছিলেন।

৫। ২০০১ সালের আগ পর্যন্ত ডিজনির কর্মচারীরা তাদের পোশাকের নিচে নিজেদের অন্তর্বাস পরিধান করতে পারতেন না এবং তাদেরকে ডিজনির ইস্যু করা অন্তর্বাস ভাগাভাগি করতে হত।

৬। গায়িকা জেন বারকিন এর নামানুসারে হারমস বারকিন ব্যাগের নামকরন করা হয়।

৭। টাই প্রেমী বা সংরক্ষণকারীদের গারবলজিস্ট বলা হয়।

৮। মিচেল কর মাত্র ৫ বছর বয়স থেকে পোশাক ডিজাইন করা শুরু করেন। তার প্রথম ডিজাইন করা ড্রেসটি ছিল তার মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের ড্রেস।

৯। পুরানো অন্তর্বাস টয়লেটে ফ্লাশ করার জন্য একবার নর্দার্ন ইংল্যান্ডের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যাবস্থার দারুণ ক্ষতি হয়েছিল।

How-can-the-proper-use-of-smartphones-Bangladesh 


বাংলাদেশে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ছে ব্যাপক হারে কিন্তু এর অনেক সুবিধা অব্যবহৃতই রয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী অর্থ লেনদেন থেকে শুরু করে বাসের টিকিট বা সরকারি সেবা সবই মিলছে স্মার্টফোনে।



 কিন্তু বাংলাদেশে ফেসবুক, ছবি তোলা আর বড় জোর ইউটিউবের মতো কয়েকটি বিষয়েই সীমাবদ্ধ রয়ে যাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। এমন প্রেক্ষাপটে ঢাকায় আজ শুরু হচ্ছে তিন দিনের স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, কম্পিউটার মেলা। তথ্যপ্রযুক্তিবিদ জাকারিয়া স্বপন বলছিলেন বাংলাদেশে মোবাইলফোনের গ্রাহক অনেক। প্রায় দশ কোটি মানুষের হাতে মোবাইল আছে। কিন্তু স্মার্টফোনের মধ্যে যে একটা কম্পিউটার রয়ে গেছে ওই জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না’। কিন্তু এতে ইন্টারনেটভিত্তিক অনেক কাজ করা সম্ভব, বিশেষ করে কাজকে, জীবনকে অনেকটা সহজ করে নেয়ার উপাদান
আছে এখানে এই ব্যবহারটা বাংলাদেশে হচ্ছে না-বলছিলেন জাকারিয়া স্বপন

স্বপনের মতে- এর মূল প্রতিবন্ধকতা হলো গ্রাহক পর্যায়ে স্মার্টফোন কিভাবে ব্যবহার করতে হবে এ বিষয়ে মানুষ আসলে এখনো ঠিকভাবে জানতে পারেনি। সরকারি অনেক সেবা যেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাওয়া যায় সেই চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। কিন্তু যে হারে এটা করা উচিত ছিল সে ব্যাপক পরিসরে করা সম্ভব হয়নি এবং জনপ্রিয় করা যায়নি- বলছিলেন জাকারিয়া স্বপন। অনলাইনে বাস-ট্রেনের টিকিট কাটার মতো সুবিধা চালু হয়েছে, ভ্যাট দেয়া যাচ্ছে, ট্যাক্স এবার থেকে দেয়া যাচ্ছে। কিন্তু মানুষ এখনো এ বিষয়ে? এতটা সম্পৃক্ত হয়নি। এছাড়াও অনলাইনে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি বিশ্বের অন্যান্য দেশে জনপ্রিয় হলেও বাংলাদেশে এখনো জনপ্রিয় হয়নি।

বাংলাদেশের প্রযুক্তিবিদরা বলছেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বেশিরভাগই ফেসবুক, ছবি তোলা আর ইউটিউবের মতো কয়েকটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ রয়েছেন। দৈনন্দিন কাজের যে অনেক কিছুই সম্ভব সেটা কারও নজরে আসছে না। ইন্টারনেটে ব্যাংকিং সুবিধা বা কেনাকাটাসহ যত আর্থিক লেনদেনের সুবিধা আছে সেগুলো করতে এখনো ভয় পায়? বাংলাদেশের মানুষ। আর এর মূল কারণ হলো নিরাপত্তা- বলছিলেন তথ্যপ্রযুক্তিবিদ জাকারিয়া স্বপন। অর্থাৎ ‘নিরাপত্তাহীনতা’ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারে পিছিয়ে? থাকার একটা বড় কারণ বলে মনে করছেন মি. স্বপন।

এছাড়াও মোবাইল গ্রাহকরা ইন্টারনেট সুবিধা পেতে যে পরিমাণ টাকা খরচ করেন সেটা অতিরিক্ত বলে উল্লেখ করেন তিনি। জাকারিয়া স্বপনের ভাষ্য অনুযায়ী ‘বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যয়বহুল। ছোট ছোট প্যাকেজ যে পরিমাণ টাকার বিনিময়ে মানুষ ব্যবহার করে, সেটার মাধ্যমে সত্যিকার ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়? না’। বিবিসি বাংলা

২৮ জানুয়ারি থেকে হোটেল লা মেরিডিয়ানে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী চাইনিজ খাবারের উৎসব।


 আয়োজনে অতিথিদের জন্যে থাকছে ডামপিলিং নুডলস, বেইজিং রোষ্ট ডাকস, সোয়েট ফিস,সোর ফিস ও চাইনিজ ফ্রাইড রাইসসহ আরও বহু বৈচিত্র্যের চাইনিজ খাবারের আয়োজন। লা মেরিডিয়ান ঢাকায় নতুন যোগ দেওয়া চাইনিজ শেফ জুজিনলেই নিজ হাতে রান্না করবেন সব আইটেম।


Chinese-food-festival-is-underway


আগামীকাল ৩০ জানুয়ারী পর্যন্ত চলবে উৎসব। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত লেটেস্ট রেসিপি রেস্টুরেন্টে বুফে ডিনারের সাথে চাইনিজ খাবারের এই বিশেষ আয়োজন উপভোগ করা যাবে।

10-tips-for-pregnant-working-women



গর্ভাবস্থা এমন একটি সময় যখন শরীর আপনার আনুগত্য পালন করবে না বরং আপনাকেই শরীরের আনুগত্য মেনে নিতে হয়। গর্ভবতী কর্মজীবী নারীদের জীবন অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু গর্ভাবস্থা কোন রোগ নয়, তাই আপনি এই সময়েও স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন এবং কর্মক্ষেত্রেও ভালো করতে পারেন যদি কিছু নিয়ম মেনে চলেন। চলুন, তাহলে জেনে নিই গর্ভবতী কর্মজীবী নারীদের জন্য ১০ টি টিপস।


১। আপনার স্ট্রেসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন। প্রতিটা কর্মক্ষেত্রেই কিছুনা কিছু স্ট্রেস থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি আপনার জীবনের সবচেয়ে সুন্দরতম অবস্থাটি পার করছেন। তাই এই সময়টাতে সকল নেতিবাচক চিন্তাকে দূর করে দিন এবং আপনার শরীরের ভেতরে বেড়ে ওঠা ছোট শিশুটিকে নিয়ে ভাবুন।

২। গর্ভাবস্থায় আপনার ইমিউন সিস্টেম দুর্বল থাকে বলে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই বাইরের খাবার খাবেন না। নিজেই খাবার তৈরি করে নিয়ে যান অফিসে।

৩। বিরতি নেয়া আবশ্যক। কাজ থেকে বিরতি নিয়ে কিছুক্ষণ হেঁটে আসুন, দম চর্চা করুন এবং প্রতি দুই ঘন্টা পর পর কিছু খান।

৪। সচেতনভাবে সোজা হয়ে বসুন। স্বাস্থ্যকর দেহভঙ্গি বজায় রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে এই বিষয়ে সচেতন হোন। যদি আপনার পা ফুলে যায় তাহলে একটি পাদানির উপর পা রাখুন।

৫। সিঁড়ি এড়িয়ে চলুন । গর্ভাবস্থায় শ্রমসাধ্য কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। তাই অফিসে লিফট ব্যবহার করুন।

৬। কর্মক্ষেত্রে মনোযোগী থাকার জন্য কফি অনেক কার্যকরী হলেও গর্ভকালীন সময়ে কফি বা সিগারেট গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন। ক্যাফেইন এবং নিকোটিন আপনার গর্ভস্থ শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।

৭। সুপারওমেন হওয়ার চেষ্টা করবেন না। গর্ভাবস্থায়ও আপনি আপনার কাজ চালিয়ে যেতে পারছেন এটাই যথেষ্ট। কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে যে এই সময়ে আপনার শরীর দুর্বল থাকে বলে আপনার বিশ্রাম নেয়া প্রয়োজন। তাই এই সময়ে নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না।

৮। অফিসে যাওয়া আসার সময় ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন এড়িয়ে চলুন। অনেক বেশি ঝাঁকুনি হলে তা আপনার ও আপনার সন্তানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

৯। প্রচুর পরিমাণে পানি ও জুস পান করুন। হাইড্রেটেড থাকলে বমি বমিভাব দূর হয় এবং পেট ফাঁপা কমতেও সাহায্য করে।

১০। আপনার পার্সে এবং অফিসের ডেস্কে আপনার জরুরী নাম্বারগুলো রাখুন।

Helicopter-trips-to-shopping-priyasape


অনলাইন শপিং সাইট প্রিয়শপ ডট কমে যেকোনও মূল্যের কেনাকাটায় থাকছে প্রিয়জন নিয়ে হেলিকপ্টারে ঢাকা ভ্রমণের সুযোগ। ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রিয়শপ ডট কম থেকে পণ্য কিনলেই থাকছে এই সুযোগ। এছাড়া শীতকালীন পণ্যে থাকছে ৫০ শতাংশ ছাড়। এছাড়া সাইট জুড়ে থাকা বিভিন্ন পণ্যে থাকছে ছাড়।




ফোন, ফেসবুক কিংবা অনলাইনে অর্ডার করা যাবে এবং ক্যাশ অন ডেলিভারিসহ কার্ড, বিকাশ, পেইজা বা মোবাইল ব্যাংকিং -এর মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করা যাবে। প্রিয়শপ ডট কম দীর্ঘ ৫ বছর ধরে সমগ্র বাংলাদেশে লাইফ স্টাইল পণ্য সরবারহ করে আসছে।

অনলাইন কেনাকাটায় ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করতে এই অফারের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান প্রিয়শপ ডট কমের প্রধান নির্বহী আশিকুল আলম খাঁন। মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের ক্রেতাদের মধ্য থেকে ১ জন পাবেন প্রিয়জনসহ হেলিকপ্টারে ঢাকা শহর দেখার সুযোগ। এছাড়া ২ জন ক্রেতা পাবেন বিশেষ গিফট ও ৫০ জন ক্রেতা পাবেন ক্যাশ ভাউচার।

Using-the-keyboard-Facebook


যারা নিয়মিত কম্পিউটারে ফেসবুক ব্যবহার করেন তাদের জন্য মাউস অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে কিছু কৌশল জানা থাকলে আপনি মাউস ছাড়া শুধু কি-বোর্ডের সাহায্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি ব্যবহার করতে পারবেন। দেখে নেওয়া যাক সেরকম কিছু কৌশল-




নিউজফিড: নিউজ ফিডের ওপরের দিকে যাওয়ার জন্য কি-বোর্ডের K বাটন এবং নিচের দিকের জন্য J বাটন ব্যবহার করলেই হবে। এতে আর মাউস দিয়ে স্ক্রল করার প্রয়োজন হবে না।

নতুন স্ট্যাটাস: নতুন কোনও স্ট্যাটাস লেখার জন্য কি-বোর্ডের P বাটন ব্যবহার করলেই চলবে। এতে স্ট্যাটাস পোস্ট করার জন্য বক্স আসবে। তারপর সেখানে আপনার স্ট্যাটাস লিখুন এবং পোস্ট করুন।

লাইক-কমেন্ট-শেয়ার: ফেসবুক নিউজফিড J বাটন দিয়ে স্ক্রল ডাউন করার সময় ফেসবুকের নির্দিষ্ট কোনও পোস্টে লাইক দিতে L বাটন চাপলেই হবে। এছাড়া কমেন্টের জন্য C এবং শেয়ারের জন্য S বাটন ব্যবহার করতে পারেন। কোনও নির্বাচিত পোস্টকে ওপেন করতে O বাটন ব্যবহার করুন।

মেসেজ অপশন: সরাসরি আপনার ফেসবুক ইনবক্সে যেতে Alt+4 চাপুন। কোনও নতুন মেসেজ পাঠাতে Alt+M ব্যবহার করুন।

এগুলো ছাড়া ফেসবুক হোমপেজে যাওয়ার জন্য Alt+1 এবং নিজের টাইমলাইনে যাওয়ার জন্য Alt+2 ব্যবহার করতে পারেন। নোটিফিকেশন দেখার জন্য Alt+5, সেটিংসে যাওয়ার জন্য Alt+6 এবং অ্যাক্টিভিটি লগে যেতে Alt+7 ব্যবহার করুন।

 Beef-steak-dinner-like


গরুর মাংস আমাদের সবারই খুব প্রিয় খাবার। ভুনা, কষানো, ভাজি, কালাভুনা, ঝোল এগুলো নিত্যই খেয়ে থাকি আমরা। তবে স্টেকের চল হয়ে ওঠেনি এখনও। কেমন হয় যদি আজকে রাতের খাবারে হয় যায় বিফ স্টেক? ঝটপট বিফ স্টেকের রেসিপি দিচ্ছে বাংলা ট্রিবিউন।

 

উপকরণ:

এক ইঞ্চি পুরু বিফ স্টেক ৪টি
গোটা গোলমরিচ- ১/৪ কাপ
লেবুর রস- ৩ চায়ের চামচ
লবণ- পরিমাণ মতো
অলিভ অয়েল- ৪ চা চামচ
রোজ মেরি বা বাসিল লিফ- গার্নিশিংয়ের জন্য

প্রণালি: হামানদিস্তায় গোটা গোটা গোলমরিচ থেতো করুন। যাতে মিহিন না হয়, আধ ভাঙা গোল মরিচ লাগবে। এবার পানি ঝরানো মাংসের টুকরোগুলোতে লবণ ও লেবুর রস লাগিয়ে গোল মরিচের গুঁড়ায় গড়িয়ে নিন। এপিট ওপিঠ উভয় পিঠেই যেনও সমানভাবে গোলমরিচ লাগে। এবার ফ্রিজে রেখে দিন ৩ঘণ্টা।

ম্যারিনেট হয়ে গেলে মোটা তলার নন স্টিক ফ্রায়িং প্যানে এক চা চামচ অলিভ অয়েল গরম করুন। তেল বেশ ভালো রকম গরম হলে একটা স্টেক ছাড়ুন। তিন মিনিট পর আঁচ কমিয়ে আরও দু`মিনিট রাখুন। অল্প তেল স্টেকের উপরের দিকে ব্রাশ করে উলটে দিন। আঁচ বাড়িয়ে একই পদ্ধতিতে গ্রিল করুন।

স্টেকের এক পিঠ একবারই ভাজবেন। খুব বেশি আঁচে রাখলে স্টেকের জুস ভিতর থেকে শুকিয়ে যাবে। এমনকী রান্নার সময় যে জুস বেরোবে তাও শুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করবেন না। প্যান থেকে নামিয়ে ওপরে জুস ছড়িয়ে দিন। স্টেক নামিয়ে উপরে রোজমেরি বা বাসিল লিফ ছড়িয়ে দিন। ম্যাশড পটেটো বা স্টির ফ্রাই ভেজিটেবল দিয়ে পরিবেশন করুন।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ কি মানবসভ্যতাকে একেবারে বোকা বানাতেই ঘোষণা করেছিল নিল আর্মস্ট্রং, বাজ অলড্রিনরা চাঁদের মাটিতে নেমেছেন- ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই? সেই জুলাইয়ে কি আমাদের ‘এপ্রিল ফুল’ বানিয়েছিল নাসা?

তা হলে কি ‘অ্যাপোলো-১১’ মহাকাশযানের দুই মহাকাশচারী আর্মস্ট্রং-অলড্রিনের ‘পদচিহ্ন’ আদৌ আঁকা হয়নি চাঁদের বুকে? ঘোষণার বেশ কয়েক দিন পর মানবসভ্যতার সেই ‘প্রথম চন্দ্র-বিজয়’-এর ভিডিওটা কি ছিল তা হলে একেবারেই ‘ডক্টরড’? বানানো? হলিউডের কোনও স্টুডিওয় শ্যুট করা হয়েছিল বিশ্ববাসীকে ‘ঠকানোর সেই শতাব্দী-সেরা চিত্রনাট্য’?
আর কেউ নন, কোনও ‘কনস্পিরেসি থিয়োরিস্ট’ (যাঁরা নাসার ওই অভিযানকে বিশ্বাসই করেন না) নন। নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেছে নেওয়া তাঁর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ডেভিড গেলার্নটারই সবার সামনে কথাটা বলে দিলেন, সোজাসাপটা। এই সেই দিন।
গত মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিজ্ঞান উপদেষ্টা ও ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানের ডাকসাইটে অধ্যাপক ডেভিড গেলার্নটারকে সাংবাদিকরা যখন প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তিরিশের দশকের মধ্যেই কি আমরা (আমেরিকা) মঙ্গল গ্রহে পাঠাতে পারবো মহাকাশচারীদের?’

এই প্রশ্নে বিন্দুমাত্র দেরি না করেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিজ্ঞান উপদেষ্টা অধ্যাপক গেলার্নটার চটজলদি জবাব দেন, ‘‘আমরা এখনও পর্যন্ত চাঁদেই যেতে পারলাম না! তা হলে আর কী ভাবেই-বা তিরিশের দশকের মাঝামাঝি মানুষ পাঠাতে পারব মঙ্গলে? খুবই হাস্যকর ভাবনা! আমার বলা উচিত কি না জানি না, এ সব ওবামা প্রশাসনের ভাবনা ছিল। খুব হাস্যকর! খুব হাস্যকর!’’
তার এই বক্তব্যকে তো আর হেলাফেলা করা যায় না! তিনি যে নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা! অন্তত যখন ওই মন্তব্যের পর ‘আমি বলিনি’ বলে তাঁর মন্তব্য প্রত্যাহার করেননি গেলার্নটারের মতো এক জন প্রথিতযশা অধ্যাপক।
তা হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিজ্ঞান উপদেষ্টার মুখ দিয়েই কি প্রথম সরকারি ভাবে বেরিয়ে গেল সেই সত্যটা যে, আমেরিকা ৪৮ বছর আগে গোটা বিশ্বের মানুষকে বোনা বানিয়েছিল? আর টানা ৪৮ বছর ধরে গোটা পৃথিবীর কাছে সেই ‘মিথ্যে’টাকেই ‘সত্য’ বলে বার বার প্রমাণ করে গিয়েছে আমেরিকা চাঁদে মানুষের পদার্পণের বার্ষিকী উদযাপন আর বিভিন্ন স্মারক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে?
২০ জুলাই ১৯৬৯। চাঁদের মাটিতে পা দিলেন কম্যান্ডার নিল আর্মস্ট্রং এবং বাজ অলড্রিন। চাঁদের মাটিতে পা দেওয়া ‘বিশ্বের প্রথম দুই মানুষ’ হিসেবে সেই দিনই ইতিহাসের পাতায় ঢুকে পড়েছিলেন দুই আমেরিকান মহাকাশচারী। বিশ্বজোড়া অভিনন্দনে ভেসে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিছু দিন পর ‘অ্যাপোলো-১১’-এর সেই চন্দ্রাভিযানের ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিল নাসা। আর তার পরেই শুরু হয়ে যায় যাবতীয় বিতর্ক। নাসার প্রকাশিত সেই ছবিগুলি থেকে একাধিক ‘খুঁত’ বের করতে শুরু করলেন ‘কন্সপিরেসি থিওরিস্ট’রা। যাঁরা আনুষ্ঠানিক ভাবে নাসার মহাকাশ গবেষণাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চলেছেন, তাঁদেরই বলা হয়, ‘কন্সপিরেসি থিওরিস্ট’। তাঁরাই প্রশ্ন তুললেন, নাসার এই চন্দ্রাভিযানের দাবি কি আদৌ সত্যি? নাকি পুরোটাই সাজানো? নাসা অবশ্য এই সব প্রশ্নে আদৌ কর্ণপাত করেনি।
ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরেই লেখা রয়েছে আর্মস্ট্রংদের নাম। কিন্তু অভিযানের সত্যতা নিয়ে খচখচানিটা সেই থেকে রয়ে গিয়েছে আজও। ‘কন্সপিরেসি থিওরিস্ট’দের পাশে মাঝেমধ্যেই দাঁড়িয়েছেন স্বনামধন্য মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন বিশিষ্ট জাপানি বিজ্ঞানী মিশিও কাকু। প্রবাদপ্রতিম বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের পর যদি সত্যি-সত্যিই কোনও নাম উঠে আসে এই একুশ শতকে, তা হলে তিনি ‘সুপার জিনিয়াস’ কাকু।
এক মাস আগে নিউইয়র্ক সিটি কলেজের থিয়োরেটিক্যাল ফিজিক্সের অধ্যাপক মিশিও কাকুর অফিসে আনন্দবাজারের তরফে একটি প্রশ্নমালা পাঠানো হয়েছিল। জবাব এসেছে, ‘‘বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন বক্তৃতা দিয়ে বেড়াচ্ছেন অধ্যাপক কাকু। তার পক্ষে ব্যক্তিগত ভাবে উত্তর দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে এ ব্যাপারে তাঁর বক্তব্যের একটি ভিডিও পাঠানো হল। তাঁর মতামত হিসেবে ওই ভিডিওটিকে ব্যবহার করা যাবে।’’
ওই ভিডিও’য় বিশিষ্ট বিজ্ঞানী মিশিও কাকু ’৬৯ সালের জুলাইয়ে আর্মস্ট্রং-অলড্রিনের চাঁদে পদার্পণের ‘সত্য’কে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি যা বলেছেন, তা একে একে নীচে তুলে দেওয়া হল:
১) নাসার প্রকাশিত ছবি দেখে মনে হয়েছে, চাঁদের মাটিতে পোঁতা মার্কিন পতাকা যেন হাওয়ায় নড়ছে। এমনকী মার্কিন টেলিভিশনে সেই সময়ে দেখানো ভিডিওতেও দেখা গিয়েছিল পতাকা সামান্য উড়ছে। বাতাসহীন চাঁদের মাটিতে পতাকা উড়ছে কী ভাবে? নাসার দাবি অবশ্য এই যে, দীর্ঘ দিন ভাঁজ করা অবস্থায় থাকার ফলে ছবিতে পতাকা ওই রকম দেখতে লাগছিল। একেবারেই আজগুবি কথা।
২) নাসার এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে চন্দ্রযান যে জায়গায় চাঁদের মাটি ছুঁয়েছে, সেখানে অভিঘাতজনিত কোনও গর্তই তৈরিই হয়নি। এটা কখনওই হতে পারে না। ওই অসম্ভব রকমের অভিঘাতে বড় একটা গর্ত তৈরি হবেই চাঁদের পিঠে। গ্রহাণু আছড়ে পড়ায় পৃথিবীর বহু জায়গায় যেমন প্রচুর বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।
৩) চাঁদে আলোর উত্স একটাই, সূর্য। নাসার ছবি কিন্তু সে কথা বলছে না। নাসার প্রকাশিত ছবিতে বিভিন্ন বস্তুর বিভিন্ন রকমের ছায়া দেখা গিয়েছে। যা একমাত্র সম্ভব আলোর একাধিক উত্স থাকলে। নাসার দাবি, চাঁদের বুকে সূর্যের আলো পাহাড়ে প্রতিফলিত হয়ে এই বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু পাহাড়ের পক্ষে এই রকম ছায়া তৈরি করা সম্ভব নয়।
৪) নাসা দাবি করেছিল, ‘অ্যাপোলো-১১’ গিয়েছিল ‘ভ্যান অ্যালিয়েন রেডিয়েশন বেল্ট’ দিয়ে। ‘ভ্যান অ্যালিয়েন রেডিয়েশন বেল্ট’ একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলেই থাকে। ওই বেল্ট দিয়ে অতটা সময় ধরে গেলে মহাকাশচারীরা স্রেফ ঝলসে যেতেন। নাসা পাল্টা যুক্তি দিয়েছিল, ‘‘অ্যাপোলো-১১’ মহাকাশযান খুব কম সময় বেল্টের সংস্পর্শে এসেছিল। তাই মহাকাশচারীদের অতটা ক্ষতি হয়নি।’’ এটাও হাস্যকর!
৫) চন্দ্রাভিযানের ছবি প্রকাশের পর আরও একটি প্রশ্ন ওঠে। চন্দ্রাভিযানের যে ছবি নাসা প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা গিয়েছে মহাকাশচারীর হেলমেটের কাচে একটি অস্পষ্ট ছবি ধরা পড়েছে। যেখানে দড়ি বা তারে ঝুলছে একটি বস্তু। এমন দৃশ্য নাকি ফিল্ম স্টুডিওয় দেখা যায় বলে দাবি ওই বিজ্ঞানীদের। নিম্নমানের ছবির দোহাই দিয়ে এই অভিযোগও খারিজ করে দিয়েছে নাসা!
৬) আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ওঠে ‘অ্যাপোলো-১১’র চন্দ্রাভিযানের ভিডিও এবং ছবি নিয়ে। সেই ছবিতে দেখা গিয়েছে পরিষ্কার আকাশ। কোনও মেঘ নেই। তবে কেন কোনও তারা দেখা যাচ্ছে না? এ ক্ষেত্রেও নাসার তরফে যুক্তি দেখানো হয়, ‘‘ছবিটি নিম্ন মানের হওয়ায় তারা স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়নি।’’ এটাও নাসার হাস্যকর যুক্তি।
৭) চন্দ্রাভিযানের যে সব ছবি প্রকাশ করেছে নাসা, তার মধ্যে একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে চাঁদে থাকা একটি নুড়ির গায়ে ইংরেজি হরফে ‘সি’ লেখা এবং একটি ‘ক্রস’ দাগ রয়েছে। আমার (কাকু) ধারণা, স্টুডিওতে শ্যুট করার সময় ওই সংকেত ব্যবহার করা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে নাসার দাবি, ‘‘ফোটো ডেভেলপ করতে গিয়ে ওই লেখা ও দাগ ব্যবহার করা হয়েছে।’’ নাসার এই যুক্তি কাকুর গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়নি।
৮) নাসার চন্দ্রাভিযানের ছবিতে দেখা গিয়েছে, বেশ কয়েকটি ‘ক্রস’ দাগ রয়েছে। মহাকাশচারীর ক্যামেরায় স্কেলিং করার জন্য ওই ‘ক্রস’ দাগ ফুটে উঠেছে। আমার মনে হয়, ছবিটি বিকৃত করা হয়েছে।
৯) চন্দ্রাভিযানের নানা ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মেশানো হয়েছে। নাসার ওই ফুটেজ ‘ডক্টরড’!
কাকুর এই বক্তব্য যেমন সম্প্রতি শোরগোল ফেলেছে বিজ্ঞানী মহলে, তেমনই হইচই ফেলে দিয়েছে বিখ্যাত মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক স্ট্যানলি কুবরিকের সাক্ষাত্কার প্রকাশিত হওয়ার পর। তিনি দাবি করেছেন, তদানীন্তন মার্কিন সরকার চন্দ্রাভিযানের শ্যুট করার প্রস্তাব দেয় তাঁকে। কুবরিকের দাবি, তিনিই নাকি সেই ফিল্ম শ্যুট করেছিলেন।




অভিনেতা: শাহরুখ খান, মাহিরা খান, নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি, মহম্মদ জিশান আয়ুব
পরিচালক: রাহুল ঢোলাকিয়া
ছবির ধরন: Action
সময়সীমা: 2 hrs. 35 Min.

বনিয়ে কা দিমাগ অউর মিঞাভাই কি ডেয়ারিং'৷ অঙ্কের হিসেবের মতো সিনেমার রইস মিঞার বদলে স্বয়ং শাহরুখ খান ধরলে, এ যেন তাঁরই জীবনের সংলাপ৷ স্টার হতে যেকোনও কিছু করতে বদ্ধপরিকর তিনি৷ শুরু করেছিলেন অ্যান্টি-হিরো দিয়ে৷ সেখান থেকে রোম্যান্টিক হিরো৷ আবার তিনিই 'চক দে ইন্ডিয়া'র কবীর খান৷ ২০১৭-য় আবার গ্যাংস্টার৷ অন্যদিকে অভিনেতা থেকে প্রযোজক৷ অভিনেতা হিসেবে 'শিখরে' থাকার চেষ্টার পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবে ছবির প্রমোশনে নিত্য নতুন চমক৷ বছর দেড়েক আগে টিজার থেকে টেনে এনে গত ডিসেম্বরে 'ট্রেলার' দিয়ে শুরু করেছিলেন৷ প্রমোশনে ট্রেনে করে মুম্বই থেকে দিল্লি যাওয়া৷ 'বনিয়ে কা দিমাগ' যে দারুন কাজ করেছে, তা ছবির প্রথমদিনের সিনেমা হলে উপচে পরা ভিড়ই বুঝিয়ে দেয়৷
এবার আসা যাক ছবির গল্পে৷ ৯০-এর দশকে 'শুকনো' গুজরাটে পানীয়ের জোগান দিয়ে প্রচারে আসেন আব্দুল লতিফ৷ তাঁর জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই নাকি এই ছবি৷ শুরু হয় বিতর্ক৷ পরবর্তীকালে কোনও জীবিত বা মৃত ব্যক্তির সঙ্গে ছবির কোনও যোগাযোগ নেই বলা হলেও, সিনেমা দেখতে দেখতে এটা বুঝতে অসুবিধে হয় না গল্পের ভিত্তিটা কী? গ্যাংস্টার কি এত সহজে হওয়া যায়? ছোটবেলায় রইসের মা বলেছিল 'কোনও কাজই ছোট নয়, যতক্ষণ না তা কারও ক্ষতি করছে৷' তাই ছোট থেকেই মদের ব্যবসায় ঢুকে যায় রইস৷ বইয়ের ব্যাগে মদের বোতল পাচার দিয়ে শুরু৷ বড় হতে হতে এবার আর অন্যের জন্য কাজ নয়৷ এবার নিজের ব্যবসা করতে হবে৷ কারও 'ক্ষতি' না করে মদের ব্যবসা শুরু হল৷ ব্যবসা দাঁড়িয়েছে৷ এবার রাজনীতি৷ সেখানেও বিনা বাধায় সফল৷ এবার তিনি এলাকার মসিহা৷ উফ! কত সহজ সব কিছু৷ কোনও উত্তেজনা নেই৷ ছবি এগিয়ে গিয়েছে নিজের মতো করে৷
ছবির শুরুতে মহরমে মিছিলে শরীরের রক্ত ঝরাচ্ছেন, আর শেষের দিকে চাঁরই সংলাপ, যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় 'ব্যবসা করি, কিন্ত্ত ধর্মের নয়'৷ ঠিক কী বলতে চাইছেন শাহরুখ? তাঁর আগের দুটো ছবি 'দিলওয়ালে' আর 'ফ্যান' বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি৷ তাই তিনি কি একটু বেশি সাবধানী?

ছবির নায়িকা মাহিরা খান৷ পাকিস্তানি নায়িকা৷ শাহরুখের অভিনয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী জায়গা রোম্যান্স৷ কিন্ত্ত ছবিতে সেটার বড়ই অভাব৷ নায়িকার যেখানে কোনও ভূমিকাই নেই, তার জন্য শুধু শুধু পাকিস্তান থেকে নায়িকা উড়িয়ে আনতে হল কেন? এখানেও কি ব্যবসাই কারণ? ছবির সবথেকে বড় পাওনা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি৷ যতক্ষণ পর্দায়, হাততালির ধুম৷ যদিও পুলিশ-গ্যাংস্টারের ডুয়েল দেখার আশাতেও ছেদ পড়েছে৷ আবার এক গ্যাংস্টার একজন মুখ্যমন্ত্রীর দন্তরে বিনা বাধায় ঢুকে পড়ছে! রাজনীতির লোকজনের সঙ্গে অন্ধকার জগতের যোগাযোগ রয়েছে, এটা বলা হলেও সরাসরি তারা তাদের ঘরে ঢুকে যাচ্ছে, এটা দেখানো কি যায়?

এত খামতি, তাহলে হঠাত্ তিন স্টার কেন? উত্তর, শাহরুখ-নওয়াজউদ্দিন-সানি লিওনি৷ ছবিতে পুলিশ-গ্যাংগস্টারের ডুয়েল থাকুক বা না থাকুক, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শাহরুখ আর নওয়াজ ফাটিয়ে অভিনয়টা করে গিয়েছেন৷ কেউ-ই জমি ছাড়েননি৷ আর সিনেমা হল থেকে বেরোনোর পর যেটা মাথায় ঘুরতে থাকে, তা 'লায়লা মঁ্যায় লায়লা'-র সুরে সানি লিওনির লাস্য৷ পুরো ছবিতে মাহিরা যা করতে পারলেন না, একটা গানে সানি সেটাই করে দেখালেন৷ দর্শকের নজরটা চুম্বকের মতো আটকে দিলেন৷
--- মহুয়া দত্তমিত্র

তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতা অনেক দিন আগেই চিঠি লিখার সেকালে রীতি-নীতি চলে গেছে জাদুঘরে। মোবাইল ফোন কানে রেখে কয়েক পয়সা খরচ করলেই কথা বলা যায় দূর-দূরান্তে। কিন্তু ‘ফোর্থ জেনারেশন’ বা ‘চতুর্থ প্রজন্ম’ কাছে ফোনে শুধু কথা বলা হয়ে যাচ্ছে সেকালে। তাই তো প্রযুক্তি প্রেমীদের ফ্যাশনের খোরাক নতুন নতুন স্মার্ট ফোন বাজারে আনছে দেশে ব্যবসারত স্মার্ট ফোন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো।
শুধু ফোন কল নয়, স্মার্ট ফোনে ইচ্ছে করলেই ইমো, হোটসআপ, ফেসবুক কিংবা ভাইভারে স্বল্প খরচে লাইভ চ্যাট কিংবা অডিও কলের সুযোগ পাচ্ছে নতুন প্রজন্ম। পাশাপাশি নিচেদের ইচ্চামত গেইমিং, ওয়েব ব্রাউজিং, টাইপিংয়ের মত কাজও করছে তারা।
প্রযুক্তি প্রেমীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) শুরু হওয়া  স্মার্টফোন ও ট্যাব মেলা ঘুরে খুজে বের (দর্শনার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে) করা হয়েছে সেরা ১০ স্মার্ট ফোন।
১. স্মার্টফোন ও ট্যাব মেলা সর্বোচ্চ ৭৪ হাজার ৯০০ টাকার স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ জে থাকার পাশাপাশি ছিল ম্যাঙ্গ মোবাইলের আড়াই হাজার টাকার স্মার্ট ফোন। তবে চতুর্থ প্রজন্মের সেলফি প্রেমীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে ছিল অপ্পো’র এফ১এস (F1s)।
এফ১-এর উন্নত সংস্করণ এফ১এস। ফোনটির সামনে আছে ১৬ মেগাপিক্সেলের অবিশ্বাস্য ক্যামেরা, ৩ জিবি র‌্যাম ও ৩২ জিবি রোম, ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার, ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে, অক্টাকোর প্রসেসর  এবং ৩০৭৫ এমএএইচের ব্যাটারি।
২. পছন্দের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ এজ (Galaxy S7 edge)। তবে, উচ্চ মূল্যের কারণে শুধু হাতে ছুঁয়ে দেখেই দুধের স্বাদ গোলে মিঠাচ্ছে অনেকেই।
আইপি ৬৮ সনদপ্রাপ্ত এস-৭ এজ ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চির ইউনিক এজ ডিজাইনের ডিসপ্লে যুক্ত। যা ১ দশমিক ৫ মিটার পানির নিচে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট পর্যন্ত সম্পূর্ণ কার্যকর অবস্থায় টিকে থাকতে সক্ষম। ৬.০.১ কাস্টম প্রসেসর, অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন জিপিইউ এবং ৪ গিগাবাইট র‌্যাম ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া আছে ৩২ গিগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরি। যা মাইক্রোএসডি কার্ডের মাধ্যমে ২০০ গিগাবাইট পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে। এছাড়াও আছে ৩৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি।
৩.  ১০ হাজারের নিচে থাকা হুয়াওয়ে ওয়াই১১ (HUAWEI Y5II) রয়েছে ক্রেতাদের পন্দের তালিকায়। ৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে যুক্ত স্মার্ট ফোনটিতে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামরা। পাশাপাশি ১ জিবি র‌্যাম ও ৮ জিবি রোম। এছাড়াও আছে ২২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি।
৪. হালকা পাতলা গড়নের হুয়াওয়ে পি৯ লাইট (HUAWEI P9) রয়েছে পছন্দের তালিকায়। ২২ হাজার ৯০০ টাকা মূল্যের স্মার্ট ফোনটিতে রয়েছে ৩ জিবি র‌্যাব ও ১৬ জিবি রোম। ৫ দশমিক ২ ইঞ্চির ফুল এইচডি ডিসপ্লে সম্পন্ন ফোনটির ব্যাটারি ধারণ ক্ষমতা ৩০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।
৫. মোবাইল মেলায় মূল্য হ্রাস হওয়ায় সিম্পনি এইচ ১২০ (Symphony H120) এর প্রতি রয়েছে ক্রেতাদের ভিন্ন ধরনের আকর্ষণ। মেলা উপলক্ষে ১ হাজার টাকা মূল্য হ্রাসে ৫ হাজার ৯৯০ টাকায় ফোনটি পাচ্ছে ক্রেতারা।৫ ইঞ্চি আইপিএস এইচডি ডিসপ্লে সম্পন্ন ফোনটির ব্যাক ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল ও ফন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। এছাড়াও রয়েছে ১ জিবি র‌্যাম ও ১৬ জিবি রোম।
৬. পাওয়ার ব্যাংকের ক্ষমতা সম্পন্ন সিম্পনি জেড৮ (Symphony Zviii)-এর নতুনত্বে আগ্রহ রয়েছে ক্রেতাদের। ৩০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারির ফোনটি থেকে অন্য মোবাইল চার্জ দেওয়া যাবে। ৩ জিবি র‌্যামের সাথে রয়েছে ১৬ জিবি রোম।
১৩ মেগাপিক্সেল ব্যাক ক্যামরার ফোনটিতে রয়েছে ৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি ডিসপ্লে।
৭. ১৬ মেগাপিক্সেলের ব্যাক ক্যামরাধারী শাওমি’র রিডমি নোট ৩ প্রো এডিশনেও (Redmi Note 3 Pro Edition) গ্রাহকদের আগ্রহ ছিল লক্ষ্যণীয়। ১৬ হাজার ৯৯০ টাকার ফোনটিতে রয়েছে ৪০৫০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের লি-পো ব্যাটারি।
প্রিমিয়াম ম্যাটেল বডির ফোনটিতে রয়েছে তিন জিবি র‌্যাম ও ৩২ জিবি রোমের ব্যবস্থা। এছাড়ার রয়েছে ফিঙ্গারপিন্ট সেন্সর।
৮. মাইক্রেম্যাক্স ক্যানভাস ৬ ই ৪৮৫ (micromax CANVAS 6-E485) এ আছে ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি ডিসপ্লে ১.৩ গিগাহার্স প্রসেসর, ৩ জিবি র‌্যাম ১৩ মেগাপিক্সেল ব্যাক ক্যামেরা।
৯. দামের কারনে মেলায় ক্রেতাদের নজর ছিল ম্যাঙ্গ মোবাইলের ই-৬০(E-60)। মেলায় দাম ১৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ায় বর্তমান মূল্য ২৫৫০ টাকা।

যুগে যুগে ফ্যাশনে এসেছে নানা পরিবর্তন এবং তৈরি হয়েছে নতুন ট্রেন্ড। এমনকি বর্তমানে যেসব ট্রেন্ড চলছে তা এক-দুই বছর পর নাও থাকতে পারে। তবে ফ্যাশনের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য এমন কিছু অসাধারণ আইটেম ছিল যা যুগের পর যুগ ধরে রাজত্ব করেছে।
১। মেরিলিন মনরো, দ্য সেভেন ইয়ার ইচ, ১৯৫৫
দ্য সেভেন ইয়ার ইচ চলচ্চিত্রে মেরিলিন মনরোর উড়ন্ত পোশাকটি আইকনিক পোশাক হিসেবে খ্যাতি পেয়েছে অনেক আগেই। এই পোশাকে এখনও হলিউডের স্টাররা এবং ডিজাইনাররা অনুপ্রাণিত হন। খুবই সাধারণ ডিজাইনের এই পোশাকে যেকোনো নারীকেই বেশ মার্জিত ও সুন্দর লাগবে।
২। জুলিয়া রবার্টস, প্রিটি উইম্যান, ১৯৯০
রিচার্ড গেরে’র এডওয়ার্ড লুইস চরিত্রে অভিনীত প্রিটি উইম্যান চলচ্চিত্রে ভিভিয়ান ওয়ার্ড চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জুলিয়া রবার্টস। ওই চলচ্চিত্রে তিনি একটি সন্ধ্যায় পার্টির জন্য তিনি পরেন ঐতিহাসিক সিনডারেলা স্টাইলের লাল গাউন ও সঙ্গে সাদা গ্লাভস।
৩। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
স্টাইল আইকন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি রেড কার্পেটে পরেছিলেন তার নিজের জন্য ডিজাইন করা একটি ব্ল্যাক ড্রেপড পোশাক।
৪। অড্রে হেপবার্ন, সাবরিনা, ১৯৫৪
সাবরিনা চলচ্চিত্রে অড্রে হেপবার্নের চরিত্র সবাইকে শুধু মুগ্ধই করে না, একইসঙ্গে আকর্ষণ করে যারা সাদা বল গাউন পছন্দ করেন তাদেরকে।
৫। গ্রেস ক্যালি, টু ক্যাচ এ থিফ, ১৯৫৫
টু ক্যাচ এ থিফ চলচ্চিত্রে গ্রেস ক্যালির স্ট্র্যাপবিহীন সাদা পোশাকটি এখনো আকর্ষণ করে অনেক সৌন্দর্যপ্রেমীদের।
৬। অড্রে হেপবার্ন, ব্রেকফাস্ট অ্যাট টিফানি’স, ১৯৬১
ব্রেকফাস্ট অ্যাট টিফানি’স চলচ্চিত্রটি মুক্তির পরপরই অড্রে হেপবার্নের হাতাবিহীন কালো পোশাকটি ফ্যাশন বিশ্বে হয়ে ওঠে একটি আইকনিক পোশাক। এর মাধ্যমেই অড্রে হেপবার্ন সবার কাছে একজন আকর্ষণীয় ও সুরুচিপূর্ণ অভিনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
৭। সিনডারেলা, সিনডারেলা, ১৯৫০
ডিজনি প্রিন্সেস সিনডারেলার বল গাউনটি ডিজনি’র ইতিহাসে সবার কাছে স্বীকৃত পোশাক হিসেবে পরিচিত।
৮। ক্যাথারিন ডেনিউভ, দ্য আমব্রেলাস অব চেরবোর্গ, ১৯৬৪
দ্য আমব্রেলাস অব চেরবোর্গ চলচ্চিত্রে জেনেভিভ ইমেরি চরিত্রে অভিনয় করেন ক্যাথারিন ডেনিউভ। এতে তার বিখ্যাত সেই আইকনিক পোশাকটি এখনও বিমোহিত করে অনেক নারীকে।
৯। এলিজাবেথ টেইলর, ক্লিওপেট্রা, ১৯৬৩
ক্লিওপেট্রা চলচ্চিত্রে এলিজাবেথ টেইলর পরেছিলেন সোনালি রঙের একটি গাউন যা সেই রাণী চরিত্রের জন্য ছিল যথাযথ মানাসই।
১০। মেরিলিন মনরো
জন এফ. কেনেডির জন্য ‘হ্যাপি বার্থডে’ গানটি গাওয়ার সময় মেরিলিন মনরো পরেছিলেন ঐতিহাসিক রাইন পাথর খচিত সিথ পোশাক।
১১। ভিভিয়ান লেই, গন উইথ দ্য উইন্ড, ১৯৩৯
গন উইথ দ্য উইন্ড চলচ্চিত্রে মেলানি’র বার্থডে পার্টির সময় ভিভিয়ান লেই পরেছিলেন মার্জিত পার্পল পোশাক।
১২। টুইগি
সুপার মডেলদের মধ্যে অন্যতম টুইগি অভিনব কায়দায় একটি ট্রাপেজ পরে ফটোশুট করেছিলেন। সে সময়ে এই পোশাক বিশ্বজুড়ে বেশ বড় একটি ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছিল এবং লক্ষাধিক নারী এটি পরেছিলেন।
১৩। ফায়ে ডুনাওয়ে, দ্য থমাস ক্রাউন অ্যাফেয়ার, ১৯৬৮
দ্য থমাস ক্রাউন অ্যাফেয়ার চলচ্চিত্রে ফায়ে ডুনাওয়ের ঢলঢলে পোশাকটি ছিল চলচ্চিত্রটির অন্যতম একটি চমক।
১৪। এলিজাবেথ অব ব্যাভারিয়া (সিরি)
অস্ট্রিয়ার সম্রাজ্ঞী এলিজাবেথ শুধু সৌন্দর্যের এবং মার্জিত পোশাকের জন্যই পরিচিত ছিলেন না, একইসঙ্গে তিনি ছিলেন অনেক দানশীল এবং উদার।
১৫। জেনিফার গ্রে, ডার্টি ড্যান্সিং, ১৯৮৭
বিখ্যাত চলচ্চিত্র ডার্টি ড্যান্সিং’র শেষে জনি এবং বেবির নাচের দৃশ্য এখনও সবার মন কাড়ে। ওই চলচ্চিত্রে বেবি চরিত্রে অভিনীত জেনিফার গ্রে’র পিংক পোশাক এখনও দর্শকদের বিমোহিত করে।
১৬। মিশেল ফেইফার, স্কারফেস, ১৯৮৩
উত্তেজনাপূর্ণ চলচ্চিত্র স্কারফেসে মিশেল ফেইফারের বিলাসবহুল স্লিপ পোশাকটি অনেকের কাছে এখনও বেশ আকর্ষণীয়।
১৭। ডায়না প্রিন্সেস অব ওয়েলস
যথাযথ পোশাক নির্বাচনের জন্য প্রিন্সেস ডায়নার সুন্দর একটি পছন্দ ছিল এবং তার পেল ব্লু পোশাকটি তারই একটি উদাহরণ।
১৮। শ্যারন স্টোন, বেসিক ইনস্টিংক্ট, ১৯৯২
বেসিক ইনস্টিংক্ট চলচ্চিত্রের সেই বিখ্যাত দৃশ্য যেখানে শ্যারন স্টোন পরেছিলেন সাদা শর্ট টারটালনেক পোশাক।
১৯। ক্যামেরুন ডিয়াজ, দ্য মাস্ক, ১৯৯৪
দ্য মাস্ক চলচ্চিত্রে ক্যামেরুন ডিয়াজকে লাল পোশাকে অসাধারণ লাগছিল। জিম ক্যারি’র অভিনীত চরিত্র প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ার জন্য যথার্থই ছিলেন তিনি।
২০। কেট উইন্সলেট, টাইটানিক, ১৯৯৭
টাইটানিক চলচ্চিত্রে কেট উইন্সলেটকে জাহাজের সামনে ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। বিখ্যাত সেই দৃশ্যে কেট উইন্সলেটের সেই ঐতিহাসিক পোশাক এখনও আসা কেউ ভুলে যাননি।
২১। কোকো শ্যানেলের ছোট কালো পোশাক
ফ্যাশন ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়, কিন্তু কিছু আইটেম আছে যা সবার ওয়ারড্রবেই জায়গা করে নেয়। তেমনই একটি পোশাক ডিজাইন করেছিলেন কিংবদন্তী ফ্যাশন ডিজাইনার শ্যানেল। এটি ছিল ছোট ও পূর্ণহাতাযুক্ত একটি কালো পোশাক।
২২। ফ্রিডা কাহলোর সবুজ পোশাক
শুধু ছবি আঁকার জন্যই নয়, পোশাক নির্বাচনের জন্য ফ্রিডা কাহলোর পছন্দ যে দারুণ তা তিনি প্রমাণ করেছিলেন।
২৩। জর্ক
২০০১ সালে অস্কার অনুষ্ঠানে ঐতিহাসিক সোয়ান পোশাকে উপস্থিত হয়েছিলেন জর্ক।
২৪। জেনিফার লোপেজ
জেনিফার লোপেজের সবসময়ই ছিল একটি নিখুঁত আউয়ারগ্লাস বডি। রেড কার্পেটে তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন স্বচ্ছ প্লাঙ্গিং পোশাকে।

২৫। মনিকা বেলুচ্চি, দ্য ব্রাদারস গ্রিম, ২০০৫
মনিকা বেলুচ্চি সবসময় সব পোশাকেই সুন্দর ছিলেন। দ্য ব্রাদারস গ্রিম চলচ্চিত্রে মনিকা বেলুচ্চির লাল পোশাক ছিল আরও মনোমুগ্ধকর।
২৬। ন্যাটালি পোর্টম্যান, স্টার ওয়ারস, ২০০২
স্টার ওয়ারস ছিল বাণিজ্যিকভাবে বিখ্যাত অন্যতম একটি টিভি সিরিজ এবং এর জন্য ন্যাটালি পোর্টম্যানের কৃতিত্ব হয়তো খুব কমই ছিল। কিন্তু ওই ছবিতে তার পরিহিত উল্লেখযোগ্য পোশাকের জন্য তিনি বেশ খ্যাতি পেয়েছিলেন।
২৭। এলসা, ফ্রোজেন, ২০১৩
তালিকায় চলে আসা আরও একজন ডিজনি প্রিন্সেস। যার আইস-ব্লু পোশাক সবাইকে আকর্ষণ করে।
২৮। সারাহ জেসিকা পারকার, সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি, ১৯৯৮
সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি টিভি সিরিজটি এখনও অনেক নারীর কাছে ফ্যাশন গাইডের মতো। এতে সারাহ জেসিকা পারকারের সাদা ফ্লাউয়ার পোশাক বলে দেয় কীভাবে পা থেকে মাথা পর্যন্ত স্টাইল করতে হয়।
২৯। ক্যাথারিন, ডাচেজ অব ক্যাম্ব্রিজ
ব্রিটিশ রাজবধূ ক্যাথারিনের সাধারণ, মার্জিত এবং অপূর্ব বিয়ের পোশাকটি অনেকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে তা নির্দ্বিধায় বলা যায়। তার অতিরিক্ত লম্বা বিয়ের গাউনটি যেন  প্রিন্সেস ডায়নার বিয়ের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

প্রথম দিনের জমজমাট অবস্থার পর দ্বিতীয় দিনে ব্যাপক দর্শনার্থী-ক্রেতা সমাগম ঘটেছে ‘এডাটা স্মার্টফোন ও ট্যাব’ মেলায়।
শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় সব শ্রেণী-পেশার মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। দ্বিতীয় দিনের শুরু থেকেই মেলায় দর্শনার্থীদের আনাগোনায় মুখর হতে থাকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (বিআইসিসি)।
প্রথম দিন থেকেই বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাদের অফার ও ছাড় ঘোষণা দিয়েছে। মূল্যছাড়, বান্ডেল অফার আর ফোন কিনে পুরস্কার জেতার সুযোগও দিচ্ছে বেশ কয়েকটি স্মার্টফোন ব্র্যান্ড। এমন কি একটি কিনলে আরেকটি ফ্রি অফারও দিয়েছে দেশিয় প্রতিষ্ঠান উই।
Mela-Techshohor
শুক্রবার সকাল থেকেই দর্শনার্থী ও ক্রেতারা দেখছেন তাদের পছন্দের স্মার্টফোন ডিভাইস। দাম আর পছন্দের সঙ্গে মিলে গেলে কিনছেনও।
বিকেল শুরু হয় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে। আবার বিকেল ও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় অতীত ছাড়ায়। এমন ভিড় আর বেচাকেনায় খুশি মেরায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো।
প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধি ও বিক্রয় কর্মীরা বলছেন, দ্বিতীয় দিনের শুরু থেকেই তারা ভালো ক্রেতা সাড়া পেয়েছেন। বিকেল থেকে সেই সাড়া আরও বেশি। তারা আশা করছেন শেষ দিন শনিবারও তারা তেমনই সাড়া পাবেন।
Mela-tab-Techshohor
বরাবরের মতো এই মেলাতেও বিশ্বখ্যাত সব ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট পাওয়া যাচ্ছে। মেলায় এডাটা, স্যামসাং, হুয়াওয়ে, লিনেক্স মোবাইল, অপ্পো, সিম্ফনি, উই, লাভা, শাওমি, মাইসেল, মাইক্রোম্যাক্স, লেনোভো, গ্যাজেট গ্যাং সেভেন, সেলস্ট্রিম, কুলপ্যাড, ম্যাংগো, মেইজু, কিকশা ডটকম, আজকের ডিলের মতো প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ড অংশ নিয়েছে।
মেলায় প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা। তবে স্কুলের শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবে। এছাড়াও প্রতিবন্ধীরা বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। মেলার টিকিট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত পরিবারের সহায়তায় দান করা হবে।

প্রিয়জনের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া সহজ কথা নয়। এমনিতেই নানা বাস্তব সমস্যা দেখা দেয়। আর সোশাল মিডিয়াল কল্যাণে তো সমস্যা দশ গুন হয়ে যায় বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
আমরা দিনের অনেকটা সময়ই ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম কিংবা অন্যান্য সোশাল মিডিয়াতে কাটিয়ে দেই। কাজেই যার সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছেন, তিনিও নিয়মিত সোশাল মিডিয়ায় ঢুঁ মারেন ধরেই নিতে পারেন। কাজেই বিচ্ছেদের যন্ত্রণাদায়ক সময়গুলোতে দুজনই দুজনের ফেসবুক বা অন্যান্য সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল ঘাঁটাঘাঁটি করে থাকেন। সোশাল মিডিয়া সংক্রান্ত নানা ভুল কর্মকাণ্ডে ঝামেলা বেড়ে যায়। তাই জানতে হবে, এ সময়টাতে সোশাল মিডিয়া কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন। এখানে সেই পরামর্শই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
১. সম্পর্ক বিষয়ক স্ট্যাটাস
কারো সঙ্গে সম্পর্ক হলে ভার্চুয়াল বন্ধুদের সঙ্গে সঙ্গে জানান দেন যে, আপনি নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন। আবার ভাঙার পর অনেকেই তার খবরটাও ফেসবুকে দিয়ে ফেলতে দেরি করেন না। কিন্তু এ কাজটি কখনো করা উচিত নয়। এমন হতে পারে যে, সদ্য সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে এবং তা আবারো ঠিকঠাক হওয়ার সুযোগ রয়েছে। হয়তো মনের ক্ষোভ থেকেই সম্পর্ক ভেঙেছেন, কিন্তু কিছু দিন পরই অনুতাপে ভুগছেন। তাই এ ঘটনা ঘটার পর কিছু দিন দারুণ স্পর্শকাতর সময় যায়। এ সময় অস্থির হয়ে কিছু করে ফেলা উচিত নয়। এ সময়টা চুপচাপ থাকুন। আপনি খুব দ্রুত স্ট্যাটাস পরিবর্তন করলে অপরের মনের ক্ষোভ আরো তীব্র হতে পারে। এতে পরিস্থিতি আরো বেশি ঘোলাটে হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।
২. আনফলো, নাকি আনফ্রেন্ড?
যখন কারো কাছ থেকে দূরে সরতে চান, তখন তার চেহারা নিশ্চয়ই প্রতিদিন দেখতে ভালো লাগবে না। কাজেই এ ক্ষেত্রে নিজের ফেসবুক প্রোফাইল এমনভাবে সাজিয়ে ফেলুন যাতে করে ওই মানুষটি আপনাকে অনেক কম দেখতে পান। আবার আপনারও এমন করা উচিত। ফেসবুকে এই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আপনি কাউকে আনফ্রেন্ড না করেও তার পোস্টগুলো নিউজ ফিডে আসা বন্ধ করতে পারেন। আনফলো করতে হবে তাকে। একইভাবে টুইটারেও কাউকে মিউট করে রাখা যায়। প্রথমে আনফ্রেন্ড নাই বা করলেন। এতে যার সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটেছে, তার মাঝে প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা সৃষ্টি হতে পারে। আসলে আনফ্রেন্ড বা ব্লক করার মাধ্যমে তার প্রতি কঠোরে বার্তা প্রদান করা হয়। কিন্তু বিষয়টি তো আঘাত-পাল্টা আঘাতের নয়। তাই আপাতত আনফলো করে রাখুন।  
৩. পোস্টের বিষয়ে সাবধান
এ সময় দারুণ আবেগ কাজ করে। একে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। ভাঙনের পর আবেগময় কোনো পোস্ট দিতে নেই। দোষারোপের খেলা খেলতে যাবেন না। এতে অবস্থা বেগতিক হয়ে যাবে। অন্যের মনে আঘাত দিয়ে কোনো পোস্ট না দেওয়াই উত্তম। বরং কিছু অনুপ্রেরণাদায়ক পোস্ট দিতে পারেন যা এই সময়টাতে আপনাকে উদ্যমী করে তোলে।
৪. শেয়ার করা ছবি
সোশাল মিডিয়া আসার আগে মানুষ বিচ্ছেদের পর সব ছবি ছিঁড়ে বা পুড়িয়ে ফেলে দিতে পারতো। কিন্তু এখন ফেসবুক বা ইন্সটাগ্রামের কারণে ছবি ঠিকই থেকে যায়। এই যন্ত্রণার স্মৃতিগুলোকে সরাতে কি দরকার? বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলোকে ঝটপট না সরিয়ে ফেলাই ভালো। তারচেয়ে বরং ফেসবুক মেমোরির সেটিংস বদলে ফেলুন। অন্যান্য ছবিগুলো আনট্যাগ করতে পারেন।
৫. হুমকি-ধামকি নয়
বিচ্ছেদ মানেই শত্রুতা নয়। যে সাবেক হয়ে গেছেন তাকে নিজের মতো থাকতে দিন। প্রতিনিয়ত তাকে ফলো করে আজেবাজে মেসেজ পাঠানো খুব বাজে বিষয়। এতে সম্পর্ক ভাঙার পরই সবকিছু শেষ হয়ে যায় না। বরং তা আরো তিক্ত হতে থাকে। বিপদজনক কিছু ঘটেও যেতে পারে। আর হুমকি-ধামকি তো কখনোই ভালো কিছু বয়ে আনে না। এ ধরনের কাজ অনেক খারাপ বিষয় ঘটিয়ে দিতে পারে। কখন কার জন্য কি পরিস্থিতি বয়ে আনে তা আগেই বলা যায় না।
আসলে এ সময়টা নিজের জীবনটা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ুন। তার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি ঘটলো তাকে নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না। সেই মানুষটি কি করছেন না করছেন তা আপনার চিন্তার বিষয় হতে পারে না। সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট

কলকাতার রসগোল্লা সম্পর্কে কে না জানে! তবে শুধু রসগোল্লাতেই আটকে গেলে হবেনা। কলকাতায় মিষ্টির ক্ষেত্রে রয়েছে প্রচুর অপশন। কলকাতা ভ্রমণে গেলে এ মিষ্টিগুলো চেখে দেখতে ভুলবেন না।

লবঙ্গ লতিকা
যেকোনো অনুষ্ঠান জমিয়ে দিতে পারে এই মিষ্টি। ময়দা, খোয়া, নারকেল, ঘি, কিশমিশ, কাজু, এলাচ, লবঙ্গ টপিং-এ এই মিষ্টি একেবারে লাজবাব। সুন্দর করে পেস্ট্রির মতো করে মুড়ে এলাচ দিয়ে সিল করে চিনির রসে ডোবানো হয় একে। খেতে একেবারে ইয়াম!
ভাপা দই
এই বিশেষ রকম দইটি ইয়োগার্ট এবং কনডেন্স মিল্ক দিয়ে বানানো হয়। ভাপা দই খেতে আরও ভালো লাগে কারন এতে প্রচুর পেস্তা এবং আমন্ড দেওয়া থাকে। রেফ্রিজারেটরে একদম চিলড করে খেলে সবথেকে বেস্ট স্বাদ পাবেন।
মোহনভোগ
ট্র্যাডিশনাল মিষ্টি লাভারদের জন্য আদর্শ এটি। যেকোনো অকেশনে মুখে পুরতে পারেন মোহনভোগ। বিভিন্ন দোকানে বিভিন্ন আকারে মেলে এই মিষ্টি। খেতে জাস্ট ফাটাফাটি।
মালাই চমচম
অনেকটা স্যান্ডউইচের মতো দেখতে। বাদামি ক্ষীর চমচমের মধ্যের অংশে মালাইয়ের ফিলিং অসাধারণ টেস্ট আনে। এই মিষ্টি ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা খেতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। কোনো অনুষ্ঠানই এই মিষ্টি ছাড়া সম্পূর্ণ নয়।
নলেন গুড়ের পায়েস
বাঙালির পায়েসের প্রতি প্রেম চিরকালের। মায়ের হাতের হোক বা বউয়ের হাতের। ভোজনরসিকরা সবই খুব তরিজুত করে খান। তবে শীতকালে নলেন গুড়ের ফ্লেভার পড়লে যেন রোজকার পায়েস অন্য মাত্রা পায়। পাতে পিপড়া চলিয়া যেতে যে বেশী সময় লাগেনা তা বলা বাহুল্য।
পান্তুয়া
বাদামি রঙা এই মিষ্টি বাঙালীর ঐতিহ্য বহন করে। বিশেষ বাদামি রংটির জন্য একে ডিপ ফ্রাই করা হয়। শিরায় ডুবানো পান্তুয়া গরম গরম খেতে দারুণ লাগে।
পাটিসাপটা
পিঠে-পুলির পার্বণ তো ভীষণ ফেমাস কলকাতায়। ময়দা বা চালের গুঁড়োয় মোড়া নারকেল বা ক্ষিরের পুর খেলে বার বার খেতে ইচ্ছা হবে। ঠাণ্ডা হোক বা গরম গরম খেলে হ্যাপি ফিলিং আসতে বাধ্য।
রাজভোগ
রসগোল্লার মামাতো ভাই! জাম্বো সাইজের হলুদ রঙা এই মিষ্টি খেলে জিভে জল আসবেই। ওপরে কেসরের টপিং থাকায় দেখতেও দারুণ লাগে।
দরবেশ
বুন্দি লাড্ডুরই বাংলা ভারসান হল দরবেশ। অনেক বাঙালি বাড়ির হেঁসেলেই বানানো হয় এই মিষ্টি। দরবেশ খুবই লোভনীয়।
সরভাজা
সরকে ডিপ ফ্রাই করে এই মিষ্টি বানানো হয়। কারিগররা ভীষণ খেটে এই মিষ্টি বানান। আর কথাতেই আছে কষ্ট করলেই কেষ্ট। ফুডিরা এই মিষ্টি একদম মিস করবেন না।
রসগোল্লা
কলকাতার রসগোল্লা দিয়েই যখন কথা শুরু করেছিলাম তখন শেষপাতেও রসগোল্লা না রাখলে ভীষণ অন্যায় হবে। মোস্ট ওয়ান্টেড এই মিষ্টি এখনও না খেলে আজই টেস্ট করুন।
কোন দোকানে কি
এসপ্ল্যানেড মোড়ের কেসি দাসের রসগোল্লা ট্রাই করতে পারেন। সেন্ট্রাল এভিনিউয়ের নবীন চন্দ্র দাসের রসগোল্লাও দারুন।
অমৃতর দই এককথায় ফাটাফাটি। দোকানটি একদম ফড়িয়াপুকুর মোড়ে। গড়িয়াহাটের যুগলের দইও জমজমাট।
বড়বাজারের দেশবন্ধুর সীতাভোগ আর মিহিদানা অসাধারণ। ট্রাই করতে পারেন বাঞ্ছারামের আবার খাবো সন্দেশ। এ ছাড়া ভীম নাগের কড়াপাকের সন্দেশ তো ভীষণ জনপ্রিয়।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.