ভার্চুয়াল জীবনকে সহজ করবে আরিফ আকরামের ‘উদয়’

Arif-Akram-virtual-life-will-be-easy-Uday 


মানবীয় কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা নির্ভর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা দেশের প্রথম অ্যাপ ‘উদয়’। ভ্রমণ, কেনাকাটা, বিভিন্ন বুকিং, এবং হোম সার্ভিসসহ বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে সেবা দিতে সক্ষম এই চ্যাটিং সহকারী।



 অর্থাৎ চ্যাটবটের সাহায্যে বার্তা পাঠানোর পর খুব সহজে একান্ত সহকারী হয়ে ওঠে ‘উদয়’। অ্যাপটি’র মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘোরাঘুরির দরকার নেই। উদয় ই কাস্টমার কেয়ার সেন্টার হয়ে কাজটি করে দেবে। এমন তথ্য জানালেন উদয় এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ আকরাম।

উদয় অ্যাপের কর্মকৌশল সম্পর্কে তিনি বলেন, ৩০ শতাংশ কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা এবং ৭০ শতাংশ মানবীয় যোগাযোগের সম্মিলন ঘটানো হয়েছে উদয় চ্যাটিং সfহায্যকারী অ্যাপে। অ্যাপটি ডাউনলোড করে ‘উদয়’ থেকে কাঙ্ক্ষিত সেবা পেতে সবার আগে সেবার ধরন পছন্দ করতে হবে। এরপর পূর্বে নির্বাচিত জিজ্ঞাস্য অথবা অনুরোধটি লিখে পঠাতে হবে। হাল জামানার আলাদিনের দৈত্য হয়ে মুহূর্তে হাজির হবে উদয় অ্যাসিস্ট্যান্ট। যতক্ষণ পর্যন্ত না কাজটি সম্পন্ন হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার সঙ্গী হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে অ্যাপটি তাৎক্ষণিক ব্যবহারকারীর তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারীর সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়ে দেবে। এতে করে কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা যেমন সম্ভব হবে তেমনি ভিন্ন সেবা পেতে ভিন্ন ট্যাব ওপেন করা কিংবা ফোন করার ঝামেলা পোহাতে হবে না।

উদয়’র বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে আরিফ আকরাম বলেন, ‘একটি অ্যাপ থেকেই সুবিধাজনক সব সেবা নিয়ে হাজির হতেই আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মানবীয় সেবার সর্বোত্তম সেতু বন্ধন তৈরি করেছি। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই উদয় এর পরবর্তী সংস্করণ ‘উদয় ফর বিজনেস’ অবমুক্ত করা হবে জানিয়ে আরিফ আকরাম বলেন, প্রাথমিক অবস্থায় পাঁচটির মতো সেবা দিতে সক্ষম হলেও আরও বড় পরিসরে সেবা দেওয়ার জন্য অ্যাপটির উন্নয়নে কাজের পাশাপাশি এখন বিভিন্ন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আলোচনা করা হচ্ছে। এই সংস্করণটি কাস্টমার কেয়ার সাপোর্ট খাতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসতে সক্ষম হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
       
আরিফ আকরাম ১৯৮৫ সালের ২ নভেম্বর রাজধানীর গুলশানে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মো. আকরাম এবং মা নুর আফরোজ আকরামের তিন সন্তান। অন্য দুইজন হচ্ছেন আদনান আকরাম ও আজম আকরাম। ব্যক্তিগত জীবনে আরিফ বিবাহিত। তাঁর সহধর্মিণী তেহসিন আরিফ। তাদের একমাত্র ছেলে আরিজ আরিফ। তিনি পড়াশোনা করেছেন বাংলাদেশ ইন্টারন্যশনাল টিউটোরিয়াল, ব্রিটিশ স্কুল অব ল' এবং ইউনিভারসিটি অব লন্ডনে। পেশা জীবনে তিনি চেয়ারম্যান, সারকো স্টেট এজেন্স্ লি:। ডাইরেক্টর, ফ্যাশানআইডি কোম্পানি। ডাইরেক্টর, আইএসএফ সারফেন্স লি:। ছোট সময় তিনি আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তবে তিনি হয়েছেন ব্যবসায়ী।

মানবীয় কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা নির্ভর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা দেশের প্রথম অ্যাপ ‘উদয়’। ভ্রমণ, কেনাকাটা, বিভিন্ন বুকিং, এবং হোম সার্ভিসসহ বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে সেবা দিতে সক্ষম এই চ্যাটিং সহকারী। অর্থাৎ চ্যাটবটের সাহায্যে বার্তা পাঠানোর পর খুব সহজে একান্ত সহকারী হয়ে ওঠে ‘উদয়’।