খাবারের গলি ‘ফুডলেন’

সরু গলিতে এক এক করে প্রায় ১২টি খাবারের গাড়ি সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। প্রত্যেকটিতে খাবারের আইটেমই ভিন্ন ভিন্ন। কোনটি রেখে কোনটি খাবেন সেটা নিয়েই পড়তে হবে দোটানায়! স্ট্রিট ফুডের এই গলির খোঁজ পেতে চাইলে আপনাকে চলে যেতে হবে মিরপুরে। মিরপুর এক নাম্বারের মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের বিপরীতে আন-নুরি মসজিদ। মসজিদের পাশ দিয়ে চলে গেছে এক সরু গলি। গলিতে ঢুকলেই এসব সারি সারি খাবারের গাড়ির দেখা মিলবে।


 Food-lane-phudalena
 

 যাদের স্ট্রিট ফুডের প্রতি আকর্ষণ বেশি, তারা সময় করে ঢুঁ মেরে আসতে পারেন ফুডলেন থেকে। যদি সব খাবারের স্বাদ নিতে চান তাহলে হাতে দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় নিয়ে যেতে হবে। পুরান ঢাকার খাবার থেকে শুরু করে বিহারি কাবাব- সবই আছে এখানে। দামটাও হাতের নাগালেই।


খাবারের গলি ‘ফুডলেন’
 

গলির প্রথম গাড়িতে পাবেন টক-ঝাল আলুর দম, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আর চিকেন ফ্রাই। তারপর আছে ভিন্ন স্বাদের মুরগির বিভিন্ন অংশ দিয়ে বানানো মুড়ি ভর্তা। মুরগি ছাড়াও রয়েছে ডিম আর ছোলা। তার পাশেই রয়েছে বিহারি কাবাবের পসরা। চিকেন চাপ, বিফ বটি, বিফ শিক, টিকাও পেয়ে যাবেন খাবারের এই গলিতে।  এরপর আছে পুরান ঢাকার বিখ্যাত খেতা পুরি আর টিকা, সাথে তেঁতুলের চাটনি। খাবার গরম থাকে সবসময়ই।

খাবারের গলি ‘ফুডলেন’


তার ঠিক পরেই রয়েছে গরম গরম চাপড়ির সঙ্গে ৮ রকমের ভর্তা, মুগডাল ও ঝোল। আছে নলা হালিম, নুডুলস ও স্যুপ। ঠাণ্ডা এবং গরম দু’রকম কফিও পাওয়া যায়।
এসব বাহারি খাবারের আয়োজন শেষ করে মেইন রোডে আসলেই পাবেন সাভার মিষ্টান্ন ভাণ্ডার। এক নিমিষেই খেয়ে ফেলা যায় তাদের দই এবং রসমালাই।


খাবারের গলি ‘ফুডলেন’


বিকাল থেকেই এই লেনে শুরু হয়ে যায় ভোজনবিলাসিদের আনাগোনা। সন্ধ্যা 
গড়িয়ে রাত যত বাড়তে থাকে, ভিড় বাড়তে থাকে ততই। শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম খাবারের স্বাদ চেখে দেখতে চাইলে সময় করে একদিন চলে যান আপনিও!

খাবারের গলি ‘ফুডলেন’ সরু গলিতে এক এক করে প্রায় ১২টি খাবারের গাড়ি সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। প্রত্যেকটিতে খাবারের আইটেমই ভিন্ন ভিন্ন।