মাঝেমধ্যেই পৃথিবীতে বেড়াতে আসে ‘ভিনগ্রহের প্রাণীরা’ !(ভিডিও)

সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে সিআইএর ১৯৪০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ভিনগ্রহের প্রাণীর আসা-যাওয়া বিবিধ ঘটনা সম্বলিত এক সুবিশাল নথি-সংগ্রহ।
 
এসব নথিতে এমন কিছু বিষয় উঠে এসেছে, যাদের বাস্তবতা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিতে পারে। এদিকে সিআইএর মতো একটি সংস্থার এসব নথিকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে তুলকালাম চলছে গণমাধ্যমে।
১৯৬৬ সালে ইরান ও তৎকালীন সোভিয়েত সীমান্তে তোলা একটি ছবিকে নিয়ে প্রথম সন্দেহ প্রকাশ করে সিআইএ। এই ছবিতে প্রদর্শিত একটি চাকার মতো দেখতে উড়ন্ত বস্তুকে সিআইএ রহস্যময় হিসেবে সাব্যস্ত করে।
বিভিন্ন বিচিত্র তথ্যের মধ্যে যে তথ্যটি নিয়ে সবথেকে বেশি আলোচনা হচ্ছে তা হলো, ভিনগ্রহের প্রাণীদেরা মাঝেমধ্যে পৃথিবীতে বেড়াতে আসা।আনআইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট বা ইউএফও সংক্রান্ত প্রচুর ছবি সিআইএর কাছে নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
জানানো হয়, ছবির বস্তুটিকে যারা দেখে ছিলেন তাদের মতে বস্তুটি ছিল দারুণ উজ্জ্বল। ক্রমাগত দপ্তরে জমা পড়তে থাকা ছবিগুলিকে দেখতে দেখতে সিআইএর বিশ্বাস জন্মায়, এগুলি ইউএফও হতে পারে!
আরও একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, সিআইএ মার্কিন সরকারকে এই মর্মে জানিয়েছিল যে, ক্রমাগত ইউএফওর আগমন মার্কিন দেশের নিরাপত্তাকে রীতিমতো বিঘ্নিত করছে। ১৯৪৭ সালের পর থেকে এমন প্রায় ১৫০০ তথ্য সিআইএর হাতে পৌঁছেছিল। তাদের দপ্তরে জমা পড়া এসব ১০০ নিবন্ধের মধ্য থেকে ২০ শতাংশেরও রহস্য ভেদ করা যায়নি।
তা হলে কি অফিসিয়ালি জনগন মেনে নেবে ভিনগ্রহের প্রাণীদের আগমনের এই তথ্য? নিন্দুকদের মতে, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের গোপন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ইউএফওর গুজব রটানো হয়। আর সেই দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করে সিআইএর মতো সংস্থা। সুতরাং, ভিনগ্রহের প্রাণী সংক্রান্ত এই সব নথিই নাকি ভিত্তিহীন!

ভিডিও টি দেখুনঃ

সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে সিআইএর ১৯৪০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ভিনগ্রহের প্রাণীর আসা-যাওয়া বিবিধ ঘটনা সম্বলিত এক সুবিশাল নথি-সংগ্রহ।