মহাকাশে যাবে বাংলাদেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট

The-country-s-first-nano-satellite-inspace 
 নিজেদের তৈরি ন্যানো স্যাটেলাইট হাতে তিন বাংলাদেশি।


এবার মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব ক্ষুদ্রাকৃতির কৃত্রিম উপগ্রহ (ন্যানো স্যাটেলাইট) ‘ব্র্যাক অন্বেষা’। আগামী মার্চ মাস নাগাদ ন্যানো স্যাটেলাইটটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত হবে। মে মাস থেকে সেটি মহাকাশে ঘুরে বেড়াবে। 


সম্প্রতি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে এবং জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (কিউটেক) শিক্ষা ও প্রযুক্তি সহায়তায় এ উপগ্রহটি তৈরি করা হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা ১০ সে

কিউটেকে গবেষণারত বাংলাদেশি তিন শিক্ষার্থীর (ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী) তৈরি ব্র্যাক অন্বেষা মহাকাশে উৎক্ষেপণের জন্য জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির (জেএএক্সএ) কাছে গতকাল বুধবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) হস্তান্তর করা হয়েছে। 

জাপানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈয়দ সাদ আন্দালিব কিউটেক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কৃত্রিম এ উপগ্রহটি গ্রহণ করেন। পরে তা জেএএক্সএর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ওই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কিউটেকের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ইউজি অই, ল্যাবরেটরি অব স্পেস ক্র্যাফট এনভায়রনমেন্ট ইন্টারঅ্যাকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিচালক মেংগু চো, জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর (রাজনৈতিক) জিয়াউল আবেদিন প্রমুখ।

এ স্যাটেলাইট প্রকল্পের উদ্যোক্তারা হলেন, রায়হানা শামস ইসলাম অন্তরা, আবদুল্লা হিল কাফি ও মায়সূন ইবনে মনোয়ার।



ব্র্যাক অন্বেষা স্যাটেলাইট সামনে রেখে প্রকল্পের উদ্যোক্তারা। ছবি: সংগৃহীত

প্রকল্পের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর হিসেবে রয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. খলিলুর রহমান।

তিনি জানান, ব্র্যাক অন্বেষা পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার ওপরে অবস্থান করবে। এটি পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করে আসতে ৯০ মিনিট সময় নেবে। বাংলাদেশের উপর দিয়ে দিনে চার থেকে ছয়বার উড়ে যাবে এ স্যাটেলাইট।

এবার মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব ক্ষুদ্রাকৃতির কৃত্রিম উপগ্রহ (ন্যানো স্যাটেলাইট) ‘ব্র্যাক অন্বেষা’। আগামী মার্চ মাস নাগাদ ন্যানো স্যাটেলাইটটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত হবে। মে মাস থেকে সেটি মহাকাশে ঘুরে বেড়াবে।