সুন্দরবনে কচ্ছপের পিঠে স্যাটেলাইট - দৈনিক মানবজমিন

The-forest-turtle-on-satellite-Daily-Manabjamin 



বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রে বিশ্বে ‘বিলুপ্তপ্রায়’ প্রজাতির কচ্ছপ বাটাগুর বাসকা’র এখন সংরক্ষণ ও প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে চলেছে। এই প্রজনন কেন্দ্রে কচ্ছপ বাটাগুর বাসকা’র বেড়ে ওঠা, প্রজনন এবং ডিমপাড়ার জন্য ইতোমধ্যেই তৈরি ও খনন করা হয়েছে একাধিক পুকুর, নালা, শেডসহ প্যান (কৃত্রিম পুকুর) ও ডিমপাড়ার স্থান।


সোমবার দৈনিক মানবজমিনে প্রকাশিত ‘সুন্দরবনে কচ্ছপের পিঠে স্যাটেলাইট’ শিরোনামে এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বর্তমানে এই প্রজনন কেন্দ্রে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির ১শ’ ১৭টি কিশোর ও ১০টি বড় বাটাগুর বাসকা কচ্ছপ রয়েছে।

এর মধ্য থেকে সব থেকে বড় দুটি বাটাগুর বাসকা কচ্ছপের পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে গতকাল ভাটার সময় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সুন্দরবনের বঙ্গোপসাগর মোহনায়। বড় দুটি বাটাগুর বাসকা’র পিঠে বসিয়ে দেওয়া স্যাটালাইট ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে এখন সুদুর ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় বসে এই কচ্ছপের জীবনাচরণের তথ্য ও ছবি স্পষ্ট দেখা যাবে।

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গবেষণার মধ্য দিয়ে জানা যাবে বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির এই কচ্ছপের স্বভাব, খাদ্য সংগ্রহ, বিচরণ, পরিবেশসহ বঙ্গোপসাগেরর গভীর, না অগভীর পানিতে থাকতে পছন্দ করে- সেসব বিষয়। এ ছাড়া এই দুটি কচ্ছপ বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ অংশ ছেড়ে ভারত ও শ্রীলঙ্কা অংশে যায় কি না, তা জানা সম্ভব হবে। এখন থেকে আগামী এক বছর ধরে কচ্ছপ দুটির গতিবিধি পর্যালোচনা করা হবে।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রে বিশ্বে ‘বিলুপ্তপ্রায়’ প্রজাতির কচ্ছপ বাটাগুর বাসকা’র এখন সংরক্ষণ ও প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে চলেছে। এই প্রজনন কেন্দ্রে কচ্ছপ বাটাগুর বাসকা’র বেড়ে ওঠা, প্রজনন এবং ডিমপাড়ার জন্য ইতোমধ্যেই তৈরি ও খনন করা হয়েছে একাধিক পুকুর, নালা, শেডসহ প্যান (কৃত্রিম পুকুর) ও ডিমপাড়ার স্থান।