ত্রিশের কোঠায় প্রেম


এই বয়সে আকাশের চাঁদ এনে দেওয়ার মতো রোমান্টিকভাব থাকে না। তার মানে এই নয় যে আপনি বুড়িয়ে গেছেন। 


বয়স ত্রিশ পেরিয়ে যাচ্ছে, তবে এখনও প্রেমের জলে ডুব দেওয়া হল না। বন্ধুমহল, পরিবার সবারই পরামর্শ, সম্পর্ক নিয়ে ছেলেখেলা না করে জলদি জীবনসঙ্গী বেছে নাও। ‘সময় আর স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না’— এমন নীতিবাক্য শুনিয়ে যাচ্ছে অনেকেই। এই পরিস্থিতির সঙ্গে হয়ত মিল খুঁজে পাবেন অনেকেই।


সম্পর্কবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, অনেকের মতে ঘর বাঁধার স্বপ্ন নিয়ে সম্পর্ক শুরু করার এটাই উপযুক্ত সময়। কারণ এ বয়সে আপনার জীবনের লাগাল আপনার হাতেই।

তবে ত্রিশের কোঠায় প্রেম করতে চাই ভিন্ন কৌশল।

ভেতরের মানুষটা কেমন: বাহ্যিক রূপে মোহে পাগল হয়ে যাওয়ার বয়স আর আপনার নেই। তাই দেখতে হবে তার মন-মানসিকতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও তাকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা যায় কিনা।

যাচাই-বাছাই: ‘যেখানে দেখিবে চাই, উড়াইয়া দেখ তাই’- বয়স ত্রিশের কোঠায় হলে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই প্রবাদটি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তাই কার সঙ্গে সম্পর্ক শুরু করবেন সে বিষয়ে একটু খুঁতখুঁতে হওয়া চাই। আপনার সঙ্গে মিল আছে এমন মানুষগুলোর মধ্য থেকেই কাউকে বেছে নেওয়া ভালো।

নিজের চাহিদা সম্পর্কে জানানো: জীবনের এতটা বছর পার করে, সম্পর্কের প্রতি নিজের চাহিদা নিয়ে পরিষ্কার ধারণা হওয়া উচিত। তাই যার সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে যাচ্ছেন তাকেও সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা দিন।

সাবলম্বিতা: ত্রিশের ঘরে যাদের বয়স তাদের সবাই নিজের পায়ে গুছিয়ে দাঁড়াতে পারে না। আবার সাবলম্বি হলেও সংসার বাঁধার ইচ্ছা নাও থাকতে পারে। তাই সাবলম্বি হওয়াটা যদি আপনার প্রথম পছন্দ হয় কিংবা এখনই সংসারের দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা না থাকে তবে সে বিষয়ে স্পষ্টভাষি হতে হবে। আর আপনার চাহিদার সঙ্গে মানানসই কাউকে খুঁজে নিতে হবে।

সম্পর্কের দিকে এগোচ্ছে কী: সম্পর্কের যদি কোনো ভবিষ্যৎ দেখতে না পান তবে মাথায় দিয়ে বসে থাকা চলবে না। তাকে আঁকড়ে পড়ে থাকাও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। যদি অপর পক্ষের আগ্রহ না থাকে তবে একলা চলো রে।