বাংলাদেশে কেইমু ও দারাজ এক হচ্ছে ২৮ ফেব্রুয়ারি


জার্মানভিত্তিক রকেট ইন্টারনেটের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কেইমু আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ২০১৬ সালের জুন মাসে বাংলাদেশে দারাজ ডটকম ও কেইমু ডটকম একীভূত হওয়ার ঘোষণা দেয়। দুটি কোম্পানি এক হলেও দুটি প্লাটফর্মই পূর্বের আলাদা নামে চালু থাকার কথা ছিল।
তবে আজ ২১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দারাজের হেড অব পাবলিক রিলেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন নাওশাবা সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, ‘দুটি প্রতিষ্ঠানের একীভূত করার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল দুটো প্ল্যাটফর্মকে একটি প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর করা যাতে কোয়ালিটি এবং অথেন্টিসিটির সাথে আরও বেশি প্রোডাক্ট সিলেকশন সম্ভব হয়। সম্প্রতি এই দুইটি  প্ল্যাটফর্মের একটি প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়। ফলে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি কেইমু বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।’
এ ব্যাপারে দারাজ বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বেঞ্জামিন দে ফোউসিয়ে বলেন, ‘আমরা অনেক আনন্দিত এই একত্রীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একই প্লাটফর্মে আশার জন্য এবং আমরা অনেক আশাবাদী যে আমরা এই দেশের একটি প্রতিযোগী শপিং প্লাটফর্মে পরিনত হব।’
তিনি বলেন, ‘দারাজ এখনও সবসময়ের মতো আসল ব্র্যান্ডের পণ্যের আস্থাঘর থাকবে এবং আমরা আমাদের ক্রেতাদের কথা দিচ্ছি যে আমরা চেষ্টা করব তাদের প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদান করতে এবং যথাসময়ে পণ্য ডেলিভারি দিতে। আমরা আপনাদেরকে দারাজে সাইন আপ করতে স্বাগতম জানাচ্ছি এবং একটি ৩৬০ শপিংয়ের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’
প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবরে কেইমু এশিয়ার দুটি দেশ ফিলিপাইন এবং কম্বোডিয়াতে কার্যক্রম বন্ধ করছে। অন্যদিকে, মিয়ানমারে কেইমুর আলাদা কার্যক্রম থাকলেও সম্প্রতি রকেট ইন্টারনেটের অপর ভেঞ্চার ‘শপ’-এর সাথে একীভূত হয়েছে কেইমু। ২০১৫ সালে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টেক ইন এশিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেইমুর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরোশান বালাসুব্রামানিয়াম জানিয়েছিলেন, খুব বেশি শপিং মল কিংবা মেগা রিটেইলার নেই, এমন দেশগুলোতে নজর দিচ্ছে কেইমু।
অন্যদিকে, ২০১৬ সালের জুনে রকেট ইন্টারনেট এক ঘোষণায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দারাজ এবং কেইমু একীভূত করার ঘোষণা দিয়েছিল। কেইমুর ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কেইমুর কার্যক্রম চালু আছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল এবং সৌদি আরবে।