ম্যারাথন স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ বলে সতর্ক করেছেন গবেষকেরা 

ম্যারাথন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে যে, ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের ৮০ শতাংশই কিডনির ক্ষতির সম্মুখীন হন পানিশূন্যতার কারণে। 

গবেষকেরা বলেন, যদিও ২৬.২ মাইলের দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের কিডনি দুই দিনের মধ্যেই পুরোপুরি পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়। তাদের এই গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবের বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয় যেহেতু ম্যারাথনের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গবেষণাটি আমেরিকান জার্নাল অফ কিডনি ডিজিজে প্রকাশিত হয় যখন হাজার হাজার মানুষ লন্ডন ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে আগামী মাসে।

পূর্ববর্তী গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, উষ্ণ আবহাওয়ায় অনেকবেশি সক্রিয়তার কাজ যেমন- সামরিক প্রশিক্ষণ এর সাথে যুক্ত হলে কিডনির ক্ষতি হতে পারে। তেমনি ম্যারাথন দৌড়ের ক্ষেত্রেও সামান্য প্রভাব পড়তে পারে।

আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চিরাগ পারিখ এর নেতৃত্বে একদল গবেষক ২০১৫ সালে হার্টফোরড ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের একটি ছোট দলকে নিয়ে গবেষণা করেন।

তারা অংশগ্রহণকারীদের রক্ত ও মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করেন দৌড়ে অংশগ্রহণ করার আগে ও পরে। তারা কিডনির জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন চিহ্নের বিশ্লেষণ করেন, এর  মাঝে ছিলো – সিরাম ক্রিয়েটিনিন লেভেল, কিডনির কোষের আণুবীক্ষণিক পর্যবেক্ষণ এবং প্রস্রাবে প্রোটিনের মাত্রা। 

গবেষকেরা দেখেন যে, দৌড়বিদদের মধ্যে ৮২ শতাংশের ষ্টেজ অয়ান একুইট কিডনি ইনজুরি (AKI) হয় প্রতিযোগিতার পরে। AKI এমন একটি সমস্যা যেখানে আক্রান্তদের কিডনি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করতে ব্যর্থ হয়।

অধ্যাপক পারিখ বলেন, ম্যারাথন দৌড়ের শারীরিক চাপের ফলে যদি কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাহলে কিডনি প্রতিক্রিয়া দেখায়। এটা ঠিক সেরকম একটি বিষয় যখন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর চিকিৎসা ও অপারেশনের জটিলতার ফলে তার কিডনি আক্রান্ত হয়।

গবেষকেরা বলেন যে, ম্যারাথন সম্পর্কিত কিডনি ড্যামেজের সম্ভাব্য কারণ হচ্ছে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, পানিশূন্যতা অথবা কিডনিতে কম রক্ত প্রবাহিত হওয়া।

যেহেতু ম্যারাথন দৌড়ের দুই দিন পরই ক্ষতিগ্রস্থ কিডনির সমস্যা ভালো হয়ে যায় তাই গবেষকেরা বলেন যে, বারবার চাপপূর্ণ কাজের ফলে বিশেষ করে গরমের সময় কিডনির উপর কেমন প্রভাব পরে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। 

অধ্যাপক পারিখ বলেন, আমাদের এটি তদন্ত করে দেখতে হবে। গবেষকেরা এটাও দেখিয়েছেন যে, ম্যারাথন দৌড় হৃদপিণ্ডের কাজের পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত।

রেস্টুরেন্ট স্বাদের চিকেন হট উইংস তৈরি করুন ঘরেই (ভিডিও রেসিপি) 


রেস্টুরেন্টে গেলে চিকেন ফ্রাইয়ের পর যে খাবারটি বেশি অর্ডার করা হয় তা হলো চিকেন উইংস। মশলাদার এই খাবারটি ফ্রাইড রাইস, নুডুলসের সাথে ভালো মানিয়ে যায়। শুধু ফ্রাইড রাইস বা নুডুলস, নয় স্ন্যাক্স হিসাবেও খেতে পারেন এই খাবারটি। এমনকি অতিথি আপ্যায়নও করতে পারবেন এই খাবারটি দিয়ে। আজ জেনে নিন রেস্টুরেন্ট স্বাদের হট চিকেন উইংস তৈরির রেসিপিটি।


উপকরণ:

১০-১২টি চিকেন উইংস

১ টেবিল চামচ সরিষা গুঁড়ো

১/২ কাপ ময়দা

১/৪ কাপ কর্নফ্লাওয়ার

লবন

১ চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়ো

সস তৈরির জন্য

১ টেবিল চামচ তেল

২ টেবিল চামচ রসুনের পেস্ট

১ কাপ টমেটো কেচাপ

১ টেবিল চামচ মরিচের গুঁড়ো

১ চা চামচ মিক্সড হার্ব

লবণ

তিল (সাজানোর জন্য)

প্রণালী:

১। প্রথমে মুরগির পাখনাগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। উইংসে যেন কোনো পানি না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

২। এবার মুরগির পাখনাগুলো, সরিষা গুঁড়ো, মরিচের গুঁড়ো, লবণ দিয়ে ভালো করে মেশান।

৩। মুরগির পাখনাগুলোতে মশলা ভালো করে মিশিয়ে গেলে এতে ময়দা, কর্ণ ফ্লাওয়ার, গোল মরিচের গুঁড়ো দিয়ে দিন।

৪। চুলায় তেল গরম হয়ে এলে এতে মুরগির পাখনাগুলো দিয়ে ভাজুন। বাদামী রং হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন।

৫। আরেকটি প্যানে তেল গরম  হয়ে এলে এতে রসুনের পেস্ট, টমেটো কেচাপ, মরিচের গুঁড়ো, মিক্সড হার্ব, লবণ, ভিনেগার দিয়ে এক মিনিট নাড়ুন।

৬। সসের মিশ্রণে মুরগির পাখনাগুলো দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। সসের সাথে পাখনাগুলো মিশে গেলে নামিয়ে ফেলুন।

৭। গোল মরিচের গুঁড়ো এবং তিল দিয়ে পরিবেশন করুন মজদার হট চিকেন উইংস।

সম্পূর্ণ রেসিপিটি দেখে নিন ভিডিওতে

                             .                  

 বৈদ্যুতিক গাড়ির দিকে ঝুঁকছে হিউন্দাই

 ভবিষ্যতে গাড়ির বাজারে বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদার কথা বিবেচনা করে দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিউন্দাইও এ পথে ঝুঁকছে। এ লক্ষ্যে বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির জন্য আলাদা প্ল্যান্ট বানাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। 


বাজারে মূলত আরেক বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা মোটরসের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে হবে তাদের।

নতুন এ বৈদ্যুতিক গাড়িটি হবে বেশ কিছু দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি চালিত। এটিকে প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি বড় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

হিউন্দাইয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, বৈদ্যুতিক গাড়ির প্ল্যান্টে বড় ধরনের বিনিয়োগ লাগবে। কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত থাকতে আমরা এটি করছি।

এ প্রকল্পে প্রথমে হিউন্দাইয়ের লোকসান হতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, ৩০০, ৫০০ বা ৬০০ কিলোমিটার যেতে পারে এমন মডেল তৈরি করতে না পারলে তারা বাজারে টিকতে পারবে না।

 


একই ডিভাইসকে ল্যাপটপ, আবার ট্যাবলেট পিসি হিসাবে ব্যবহারের সুবিধাসহ জেডবুক ডব্লিউ-টু-ইন-ওয়ান এখন বাংলাদেশেও পাওয়া যাচ্ছে। মাসে ১ হাজার ৪১৬ টাকা কিস্তিতে এটি বিক্রি করছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান পিকাবু ডট কম। এর সঙ্গে এক বছর মেয়াদের রিভ ইন্টারনেট সিকিউরিটি, ওয়্যারলেস মাউস ও ১৬ জিবি পেনড্রাইভ থাকছে উপহার হিসেবে।

১.৮৩ গিগাহার্টজের ইন্টেল প্রসেসরসমৃদ্ধ জেডবুক টু ইন ওয়ান ল্যাপটপ কাম ট্যাব এসেছে জেনুইন উইন্ডোজ-১০সহ। এইচডিএমআই, ৩.৫ মিমি জ্যাক, দুই ধরনের ইউএসবি সংযোগ, ব্লুটুথ, ওয়াইফাই ও মাইক্রো এসডি কার্ড সংযুক্তির সুবিধাসহ জেডবুক টু ইন ওয়ানে আছে ২ জিবি র‍্যাম ও ৩২ জিবি স্টোরেজ। ১০.১ ইঞ্চি মাপের পর্দায় ১২৮০ বাই ৮০০ হাই ডেফিনিশন এই ল্যাপটপ কাম ট্যাব একবার চার্জ দিয়ে একটানা ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছাড়াই ব্যবহার করা যায়।

নিরাপদ ইন্টারনেট অভিজ্ঞতার জন্য উপহার হিসাবে পাওয়া রিভ ইন্টারনেট সিকিউরিটিও দিচ্ছে দারুণ সব ফিচার ও পারফরমেন্স। অন্যান্য অ্যান্টিভাইরাসের নজরদারি কার্যক্রমে কেবল নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ব্লক করা গেলেও রিভ অ্যান্টিভাইরাসের অ্যাডভান্সড প্যারেন্টাল কন্ট্রোলে ক্যাটাগরি ও টাইমবেজড ব্লকিংয়ের পাশাপাশি রয়েছে সার্ভেইলেন্সের সুযোগ। এতে ইন্টারনেটে কি কি ব্রাউজ করা হচ্ছে তা লাইভ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানার পাশাপাশি চাইলে সঙ্গে থাকা ফ্রি মোবাইল অ্যাপ দিয়ে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণও করা যায়।

ভাইরাস শনাক্ত ও অপসারণে সর্বাধিক উপযোগী রিভ অ্যান্টিভাইরাস টার্বো স্ক্যানিং প্রযুক্তি সমৃদ্ধ বলে পিসি স্লো না করেই নিশ্চিত করে সার্বক্ষণিক পরিপূর্ণ নিরাপত্তা। এছাড়া নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহকসেবায় রিভ অ্যান্টিভাইরাস টেলিফোন ও মেইলে সাপোর্টসহ আরও দিচ্ছে ২৪ বাই ৭ www.reveantivirus.com লাইভ চ্যাট সার্ভিস।

 


পুরোনো মডেলের আইফোনগুলোতে সফটওয়্যার অপডেট বন্ধ করে দিতে পারে অ্যাপল।

অ্যাপল তাদের ডেভলপার ডাউনলোডস ওয়েবপেইজে আইওস’র ১০.৩.২ আপডেটের জন্য যেসব মডেলগুলোর তালিকা দিয়েছে, সেখানে আইফোন ৫, আইফোন ৫সি এবং চতুর্থ প্রজন্মের আইপ্যাডের নাম নেই। আইওএসের এ আপডেটটি এখনো বেটা ভার্সনে আছে।

অ্যাপল ইনসাইডার এর প্রতিবেদন অনুসারে এর অর্থ হচ্ছে এ বছর থেকে অ্যাপল এসব ডিভাইসে সাপোর্ট দেয়া বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে এখনো যেসব ব্যবহারকারী এসব ডিভাইস ব্যাবহার করছেন, তারা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে যাবেন। যদিও আইফোন ৫ এখনো অনেক জনপ্রিয় ফোন হিসেবে বিবেচিত।

২০১২ ও ২০১৩ সালে আইফোন ৫, আইফোন ৫সি এবং চতুর্থ প্রজন্মের আইপ্যাড বাজারে এনেছিল অ্যাপল।

 


বয়স ধরে রাখতে বেশির ভাগ মানুষই চান। কিন্তু বয়স একটি প্রাকৃতিক বিষয়, সময়ের সাথে সাথে বয়স বৃদ্ধি পাবে।  সত্যিকার ভাবে শরীর ও ত্বকের বয়স কমিয়ে দেয়ার কোন ম্যাজিক নেই। ত্বকের বয়স ধরে রাখার জন্য নানান ধরনের ক্রিম, লোশন ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এতে ত্বক কিছুটা সুস্থা থাকলেও বয়স কমানো সম্ভব হবে না। এরজন্য  শরীরের আভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গও তরুণ থাকতে হবে এবং সেটা তখনই সম্ভব যখন সঠিক খাবার গ্রহন করা হবে। কিছু খাবার আছে যা শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সুস্থ রেখে বয়স কমিয়ে দেবে। এমন কিছু খাবারের তালিকা নিয়ে আজকের এই ফিচার।


১। পালংশাক

শাক অনেকে পছন্দ করেন না। কিন্তু যদি বয়স ধরে রাখতে চান, তবে পালংশাক খাদ্য তালিকায় রাখুন। পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ই রয়েছ যা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে থাকে। এটি হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে এবং রক্তচাপ কমিয়ে দেয় এবং কলেস্টরল হ্রাস করতে সাহায্য করে।  রান্না বা সালাদ যেকোনোভাবে খেতে পারেন পালং শাক।

২। গ্রিন টি বা সবুজ চা
তারুণ্য ধরে রাখতে অনেক জনপ্রিয় একটি পানীয় হচ্ছে সবুজ চা। সবুজ চায়ে রয়েছে একাধিক পুষ্টি উপাদান ও খনিজ পদার্থ যেমন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ভাজহীন ত্বক এবং আভ্যন্তরীণ অবস্থা ভালো রাখতে সাহায্য করে। 

৩। ব্রকলি

ব্রকলি বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটিকে ধীরে করে থাকে। এতে সালফারোফেন এবং ইনডোল রয়েছে যা স্ট্রেসের সাথে লড়াই করে ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করে দেয়।  ব্রকলিতে থাকা ভিটামিন বি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ব্রকলিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন কে১ যা হাড় মজবুত করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।  সপ্তাহে তিন বা চারবার ব্রকলি খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৪। ডার্ক চকলেট
কোকো প্রোটিন ও ভিটামিন বি সমৃদ্ধ অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি উৎসও যা চুলের গুনগত মান ভালো করে। এছাড়া এটি শরীরের বাড়তি চর্বি পুড়িয়ে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

৫। অলিভ অয়েল

অলিভ অয়েল প্রতিদিনকার রান্নায় ব্যবহার করুন। এছাড়া এক টেবিলচামচ অলিভ অয়েল নিয়ে প্রতিদিন দুইবার করে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ত্বকের শুষ্কতা দূর করে যেকোন দাগ দূর করতে সাহায্য করে থাকে।

৬। ব্লুবেরি
উচ্চ ভিটামিন, খনিজ পদার্থ এবং পটাসিয়াম সমৃদ্ধ ব্লুবেরি শরীরে বার্ধক্যের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং ত্বকের ফোলা ভাব কমায়।

৭। টমেটো

টমেটো ত্বকে কোলাজেন তৈরি করে এবং ত্বকে প্রোটিনের সরবারহ বজায় রাখে। এছাড়া এতে লিকোফেইন নামক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্নি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। প্রতিদিন এক গ্লাস টমেটোর জুস পান করতে পারেন। 

 


ইউ হ্যাভ টু বুঝতে হবে’ কিংবা ‘আবেগে চক্ষে পানি’- ধরনের মজার মজার সংলাপ টি শার্টে পেতে চাইলে ঢুঁ মারতে পারেন বাংলার গঞ্জি ফেস্টিভ্যালে। গতকাল ৩০ মার্চ ধানমণ্ডির দৃক গ্যালারিতে শুরু হয়েছে অনলাইন শপ ‘বাংলার গঞ্জি- টি অব বেঙ্গল’-এর প্রদর্শনী। দুই দিনব্যাপী প্রদর্শনীর শেষ দিন আজই।


‘ইউ হ্যাভ টু বুঝতে হবে’ কিংবা ‘আবেগে চক্ষে পানি’- ধরনের মজার মজার সংলাপ টি শার্টে পেতে চাইলে ঢুঁ মারতে পারেন বাংলার গঞ্জি ফেস্টিভ্যালে। গতকাল ৩০ মার্চ ধানমণ্ডির দৃক গ্যালারিতে শুরু হয়েছে অনলাইন শপ ‘বাংলার গঞ্জি- টি অব বেঙ্গল’-এর প্রদর্শনী। দুই দিনব্যাপী প্রদর্শনীর শেষ দিন আজই।



মুখের ভাষাকে বুকে ধারণ করার প্রত্যয় নিয়ে শুরু হয়েছিল ব্যতিক্রমধর্মী এ অনলাইন শপটির যাত্রা। এ প্রচেষ্টা থেকেই তরুণদের মুখে মুখে প্রচলিত বিভিন্ন সংলাপ টি শার্টে নিয়ে আসতে শুরু করে তারা। সব বয়সীদের মাঝেই তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে ব্যতিক্রমী এই আয়ডিয়া।

দুই দিনব্যাপী এ ফেস্টিভ্যালে আগের ৩০টি ডিজাইনের পাশাপাশি ৭টি নতুন ডিজাইনের টি শার্ট থাকছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের অফার পাচ্ছেন ক্রেতারা।

ফেস্টিভ্যালে ফ্যাশনের পাশাপাশি ক্যারিয়ারসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন বিভিন্ন তারকারা। চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব, সংগীতশিল্পী পান্থ কানাইসহ আরও অনেক তারকা থাকবেন এ আলোচনা অনুষ্ঠানে।

১ এপ্রিল আসছেন রানা ও মিস নেপাল!গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ‘এক ফালি চাঁদের আলো’ নামের গানের কাজ হয়। শুটিংয়ের স্থান- নেপাল। আরও নির্দিষ্ট করে বললে দেশটির থামেল পোখরা, নাগরকোট, মুসতাং হিমালয় ও হিমাচলসহ বেশ কয়েকটি জায়গা।


আর এতে মডেল হিসেবে রাখা হয়েছে মিস নেপাল শীতল আচারিয়াকে। এমনই ছিল গানটির ভিডিওর পরিকল্পনা। যার পরিকল্পক ও গায়ক এইচএম রানা। আর এভাবেই ‘এক ফালি চাঁদের আলো’র কাজটি হয়েছে। অবশেষে এটি প্রকাশ হতে যাচ্ছে। আগামী ১ এপ্রিল ইউটিউবে অবমুক্ত হবে গানটি। পাশাপাশি এদিন রাতে এশিয়ান টিভিতে এর প্রিমিয়ার প্রদর্শনী হবে।

বিষয়টি নিয়ে রানা বললেন, ‘বেশ সময় নিয়ে আমরা গানটির কাজ করেছি। নেপালে শুটিংয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সহযোগিতায় করেছেন ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশান অব পার্ফমিং আর্টসের উপদেষ্টা-চেয়ারম্যান ও নেশনাল এভারেস্ট নেপাল কালচারাল ইভেন্টস অ্যান্ড অর্গানাইজেশানের ভাইস-প্রসিডেন্ট আর সি কইরালা। তার জন্যই আমরা শুটিং দল নিয়ে হিমালয়ের এত কাছাকাছি ভালোভাবে কাজটি করতে পেরেছি। ’

‘এক ফালি চাঁদের আলো’ গানটি গাওয়ার পাশাপাশি লিখেছেন রানা নিজে। এর সংগীত করেছেন আশিকুর রহমান আশিক। ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন রুহুল আমীন বাবু।


১ এপ্রিল আসছেন রানা ও মিস নেপাল!                             

রেষ্টুরেন্টের স্বাদে আমেরিকান চপসি

    আমেরিকান চপসি খুব জনপ্রিয় খাবার। রেষ্টুরেন্টে গেলে আমাদের অনেকেরই অর্ডারের তালিকায় প্রথমে থাকে এই খাবার। আসুন ঘরে বানাই রেষ্টুরেন্টের এই প্রিয় খাবার আমেরিকান চপসি। ঘরে বসেই আমেরিকান চপসির আর সাথে সসের মজার স্বাদ নিতে চাইলে আজই বানিয়ে ফেলতে পারেন তাহলে আসুন জেনে নেই কিভাবে বাড়িতেই তৈরি করবেন আমেরিকান চপসি।


উপকরণ :

স্টিক নুডুলস ২৫০ গ্রাম (এক প্যাকেট)।
তেল-ডুবিয়ে ভাজার জন্যে যতটুকু লাগে।

রেষ্টুরেন্টের স্বাদে আমেরিকান চপসি

মুরগির বুকের মাংস ১ কাপ (পাতলা করে কাটা)।
আদা আধা ইঞ্চি মাপের ১ টুকরা
রসুন ৩,৪ কোঁয়া (আদা-রসুন দুটোই ছেঁচে নেওয়া)।
পেঁয়াজ ৫,৬টি।
সবজি ২ কাপ (এখানে নেওয়া হয়েছে গাজর, বাঁধাকপি, বরবটি ও মাশরুম)।
টমেটো সস ৪ টেবিল-চামচ।
চিকেন স্টক ১ কাপ।
কর্নফ্লাওয়ার ২ থেকে ৩ চা-চামচ।
সয়া সস ১ টেবিল-চামচ।
চিলি সস ১ টেবিল-চামচ(ইচ্ছা)।
লবণ
গোলমরিচের গুঁড়া স্বাদ মতো।

ডিম ৪টি।
তেল ৩ টেবিল-চামচ।
লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া স্বাদ মতো।

রেষ্টুরেন্টের স্বাদে আমেরিকান চপসি

প্রনালি :

নুডুলস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ন্যুডলস যেন বেশি সেদ্ধ না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
সিদ্ধ নুডুলস চার ভাগে ভাগ করে রাখুন। ৪টি ডিম আলাদা আলাদা করে পোচ করে রাখুন।
চিকেন স্টকের সঙ্গে সয়াসস, টমেটো সস, চিলি সস, গোলমরিচের গুঁড়া ও কর্নফ্লাওয়ার গুলিয়ে রাখুন।
প্যানে তেল গরম করে সোনালি করে সিদ্ধ নুডুলস ভেজে, পেপার টাওয়েলের উপর রাখুন বাড়তি তেল শুষে নেওয়ার জন্যে।

রেষ্টুরেন্টের স্বাদে আমেরিকান চপসি

সস তৈরি করতে : বেশি আঁচে প্যান গরম করুন। ২ টেবিল-চামচ তেল গরম করে তাতে চিকেন ভেজে নিন মিনিট দুয়েক। একে একে আদা, রসুন, পেঁয়াজ দিয়ে নাড়তে থাকুন। আঁচ বাড়ানোই থাকবে। এবার এতে সবজিগুলো দিয়ে নাড়তে থাকুন। মিনিট তিনেক সবজি ভেজে স্টকের মিশ্রণ দিয়ে দিন। দরকার হলে লবণ দিন। ঘন হয়ে আসলে নামিয়ে ফেলুন।

চপসি পরিবেশন করবেন যেভাবে: একটি প্লেটে ভাজা নুডুলস রাখুন। এর উপর রান্না করা সবজি দিয়ে সবার উপর বুলস আই মানে ডিম পোচ একটা দিন।

সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশন করুন। নয়তো নুডুলসের ক্রিসপি ভাব থাকবে না।


’মৃৎ’ মানে মাটি আর ’শিল্প’ মানে সুন্দর সৃষ্টিশীল বস্তু। তাই মাটি দিয়ে নিজহাতে তৈরি শিল্পকর্মকে ‘মৃৎশিল্প’ বলে। কুমোররা অসম্ভব শৈল্পিক দক্ষতা ও মনের মধ্যে লুকায়িত মাধুর্য দিয়ে চোখ ধাঁধানো সব কাজ করে থাকেন। এই শিল্পটি হল বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও অন্যতম একটি শিল্প। মাটির তৈরি শিল্পকর্মকে আমরা বলি মৃৎশিল্প। কারণ, এ শিল্পের প্রধান উপকরণ হলো মাটি। কালের আবর্তে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পগুলো। মৃৎশিল্প তাদের একটি। বহুমুখী সমস্যা আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আজ সংকটের মুখে এ শিল্প।

এ শিল্পের সব মহলেই কদর ছিল। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এ শিল্পের মালামাল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও সরবরাহ করা হতো। সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গে কুমাররা মাটি দিয়ে তৈরি পাতিলের বোঝাই ভার নিয়ে দলে দলে ছুটে চলত প্রতিটি গ্রাম ও মহল্লায়।  পাতিল, গামলা, কূপি বাতি, থালা, জাতা, দুধের পাত্র, ভাঁপাপিঠা তৈরির কাজে ব্যবহৃত খাঁজ, গরুর খাবার পাত্র, কুলকি, ধান-চাল রাখার বড় পাত্র, কড়াই, কূয়ার পাট, মাটির ব্যাংক, শিশুদের জন্য রকমারি নকশার পুতুল, খেলনা ও মাটির তৈরি পশুপাখি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেত এবং পণ্যের বিনিময়ে ধান সংগ্রহ করে সন্ধ্যায় ধান বোঝাই ভার নিয়ে ফিরে আসত বাড়িতে। 

স্বাধীনতার প্রায় ৪৫ বছরে দেশের অনেক কিছুর পরিবর্তন হলেও পরিবর্তন হয়নি মৃৎশিল্পের। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় কুমার পরিবারগুলোর নেই কোনো আধুনিক মেশিন ও সরঞ্জাম। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত অনেকেই বাপ-দাদার এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়ছেন। যদিও দেশে এবং দেশের বাইরে আমাদের মৃৎশিল্পের চাহিদা ব্যাপক । এসব পণ্য আমেরিকা, লন্ডন, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, কানাডা, জাপান, হল্যান্ড, ইতালিসহ বিশ্বের প্রায় ১৫/২০ টি দেশে অনেক চাহিদা রয়েছে, এবং রয়েছে রপ্তানির সুযোগ । 

এই পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মৃৎ শিল্প প্রায় ধ্বংসের  হাত থেকে উদ্ধারের এগিয়ে এসেছে ঢাকা বাজার নামের একটি প্রতিষ্ঠান । পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি মৃৎ শিল্পিদের তৈরি বিভিন্ন তৈজসপত্র বিক্রি করছে তারা এবং এবারের পহেলা বৈশাখ কে ঘিড়ে তাদের এই ভিন্ন আয়োজনে তারা শুধুমাত্র দেশি শিল্প প্রমট করছে । তাদের কাছ থেকে ক্রয় করা প্রতিটি মৃৎ পন্যের ৭০ ভাগ তারা পৌঁছে দিবে সে সকল মৃৎশিল্পীর কাছে, যারা দেশ, মাটি ও ঐতিহ্য'কে বাঁচিয়ে রাখতে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন প্রতিটি মুহুর্তে। 
ঢাকা বাজারের ফেসবুক ফ্যান পেইজ ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন । অথবা ফোন করুনঃ ০১৯১১৭৭২৩৯৮/ ০১৬১১৭৭২৩৯৮ নাম্বারে । 

চলুন প্রিয়জনকে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে মৃৎশিল্প উপহার দেই এবং পহেলা বৈশাখ এর আনন্দটি ভাগ করে নেই মা আর মাটির সাথে। আমাদের সংরক্ষণ আর একটু আকর্ষণ হয়ত প্রাণ ফিরে পেতে পারে মৃৎশিল্প, যেন হারাতে না হয় এই ঐতিহ্যকে।



ওয়াইফাই ইন্টারনেটের গতি বহু মানুষেরই সমস্যা। আর এ সমস্যা সমাধান করতে তিনটি কৌশল তুলে ধরা হলো এ লেখায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ। 

শুরুর আগে
ওয়াইফাই ইন্টারনেটের সংযোগে আপনার যদি উচ্চগতি নেওয়া থাকে কিন্তু কম্পিউটারে বা অন্যান্য ডিভাইসে পর্যাপ্ত গতি না পান তাহলে এ ট্রিকসগুলো কাজ করবে। অর্থাৎ আপনার ওয়াইফাই রাউটারের সমস্যা থাকলে যদি ইন্টারনেটের গতি কমে যায় তাহলে রাউটারে কয়েকটি পরিবর্তনের ফলে আপনার ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি পাবে। 

আপনার রাউটারের সেটিং ঠিক করার জন্য এটি একটি ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। এরপর ব্রাউজার ওপেন করে ঠিকানার স্থানে আইপি নম্বর লিখুন। সাধারণত এগুলো এ ধরনের হয়ে থাকে-
192.168.1.1
192.168.0.1 বা
192.168.2.1
এরপর আপনার কাছে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড চাইবে। এগুলো আপনার রাউটারের ম্যানুয়ালে পাবেন। 

ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর Wireless Settings বা Advanced Wireless Settings-এ যান। সেখান থেকেই প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে যেসব পরিবর্তন করতে পারেন তা তুলে ধরা হলো নিচে। 

১. ব্যান্ড পরীক্ষা করুন
নতুন ওয়াইফাই রাউটারগুলো 802.11n সাপোর্ট করার কথা। এগুলো ৬০০ এমবিপিএস তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। তবে এটি যদি পুরনো 802.11g হয় তাহলে গতি কিছুটা কম হবে। তবে তা যদি 802.11ac থাকে তাহলে আরও গতিশীল ইন্টারনেট। এ ছাড়া আপনার রাউটারে যদি উভয় অপশন থাকে তাহলে সর্বদা গতিশীল অপশনটি সিলেক্ট করে দিন। অন্যথায় গতি কম হবে। 

২. নতুন চ্যানেল
আপনার রাউটারের জন্য উপযুক্ত চ্যানেল নির্বাচন করুন। এ ক্ষেত্রে 2.4GHz বহুল ব্যবহৃত। আর এর কারণ কর্ডলেস সেট, ব্লুটুথ স্পিকার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ইত্যাদি সব ডিভাইসই চ্যানেলটি ব্যবহার করে। ফলে এ চ্যানেলে তথ্য আদান-প্রদান প্রায়ই গতি কমে যায়। তাই সম্ভব হলে অন্য কোনো চ্যানেল সিলেক্ট করুন। 

৩. রাউটারের নিরাপত্তা
আপনার রাউটারের সিগন্যাল চুরি করে অন্য কেউ ইন্টারনেট ব্যবহার করলে স্বভাবতই আপনার ইন্টারনেটের গতি কমে যাবে। আর এ চুরি ঠেকাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার নেটওয়ার্ক যদি কোনোরকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার না করে তাহলে Open থাকবে। এটি যেমন ব্যবহার করা উচিত না তেমন WEP, WPA বা TKIP থাকলে তাও বাদ দিন। এক্ষেত্রে WPA2 বা AES সিলেক্ট করুন। এগুলো যথেষ্ট নিরাপদ। এছাড়া ভালো একটি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজন ছাড়া রাউটারটি বন্ধ করে রাখুন।

“মানুষ যত বেশি ক্লাউড ব্যবহার করছে, খরচ ততই বেড়ে যাচ্ছে।” শাহ্ বলেন।
মাইক্রোসফটের তথ্যানুসারে, দুই-তিন বছর আগে প্রতি সপ্তাহে ২০ হাজার বারের মত সাইবার আক্রমণের চেষ্টা হত, যা তা ছয় থেকে সাত লাখ।
উইন্ডোজ সফটওয়্যারের জন্য দীর্ঘদিন যাবত পরিচিত মাইক্রোসফট সম্প্রতি ক্লাউড-এর দিকে তাদের লক্ষ্যবস্তু স্থির করেছে। এই বাজারে তাদের লড়তে হবে বৃহত্তর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যামাজন-এর সঙ্গে।
অক্টোবর মাসে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তাদের ফ্ল্যাগশিপ ক্লাউড পণ্য অ্যাজিউর (যা থেকে ব্যবসায়ীরা তাদের ওয়েবসাইট, অ্যাপস বা তথ্য হোস্ট করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন) এর ত্রৈমাসিক বিক্রি প্রায় ১১৬ শতাংশ বেড়েছে।
তা ছাড়াও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিনিয়োগ বাড়াতে মাইক্রোসফট দুই বছরের বেশি সময়ে ইসরাইলে তিনটি নিরাপত্তা সংস্থা কিনেছে। আর এগুলো হল-  এন্টারপ্রাইজ নিরাপত্তা স্টার্ট আপ আওরাটো, ক্লাউড নিরাপত্তা সংস্থা অ্যাডালোম আর সিকিউর আইল্যান্ডস, যাদের ফাইল সংরক্ষ্ণ পদ্ধতি ক্লাউড সেবাদাতা অ্যাজিউর ইনফরমেশন প্রটেকশন-এ ব্যবহৃত হয়। তবে এসব চুক্তির কোন আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করা হয়নি। 
“যদি আপনি ৪০০ স্টার্ট আপ সংবলিত ইকোসিস্টেমের কথা বলেন, তাহলে তা মোটেও কাকতালীয় হবেনা। ইসরায়েল-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশ ভাল।” সিকিউর আইল্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা ইউভাল এলডার বলেন।
মাইক্রোসফটের উদ্যোগে আরও সাইবার নিরাপত্তায়  আরও তিনটি খাতে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে ইলিউসিভ নেটওয়ার্ক স্থাপন কাজে অপ্রকাশিত বিনিয়োগও এর অন্তর্ভুক্ত। ব্যাংক ও খুচরা বিক্রেতারা এটি ইনস্টল করেছেন।
চলতি মাসের শুরুতে মাইক্রোসফট জানিয়েছিল, তারা এই নেটওয়ার্ক বানানোর জন্য ইসরায়েলের টিম৮ -এ বিনিয়োগ করেছে। তবে এই প্রযুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে তেমন পরিকল্পনা তাদের নেই জানিয়ে শাহ্ বলেন, “ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে এমন বিভিন্ন প্রযুক্তি আমরা দেখছি।”



ব্যাপারটি মিটমাট হয়ে গেছে সেই ১৯২০-এর দশকে। তবু মানুষের ধন্দ ঘোচেনি। এখনো মানুষ বিশ্বাস করে বারবার শেভ করলে চুল বাড়ে। একটি নয়, কয়েকটি গবেষণায় গবেষকরা একই ফল পেয়েছেন যে চুল বৃদ্ধিতে শেভিং কোনো ভূমিকা রাখে না। চুলের বৃদ্ধি নির্ভর করে হেয়ার ফলিকলের ওপর, যা থাকে চামড়ার নিচে আর শেভিং সেখানে কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারে না। ফলিকল নির্ধারণ করে চুলের পুরুত্ব, রং ও বৃদ্ধির হার। শেভ করা বা না করায় এর কোনো ব্যত্যয় ঘটে না। কত দিন ধরে ভুল ধারণাটি মানুষের মধ্যে চালু আছে তার পরিষ্কার হিসাব পাওয়া যায় না। এর পেছনে কোনো একক মানুষের ভূমিকার খবরও মেলে না। একটা কারণ আন্দাজ করা হয়, সম্ভবত মাতা-পিতা ছেলেমেয়েদের কোনো কারণে বলে থাকবেন, দেখো চুল কামালে আরো ঘন হয়ে চুল উঠবে। অথচ ব্যাপারটি সত্যি হলে মানুষ যেসব স্থানে ব্লেড চালায় তার সর্বত্র চুল উঠে জঙ্গল হয়ে যেত। ভুল ধারণাটি তৈরির পেছনে এটাও কারণ হতে পারে, শেভ করার পর গজিয়ে ওঠা ছোট চুল শক্ত লাগে। যেমন একটি গাছের লম্বা ডাল ভাঙতে সহজ হয়, কিন্তু যত ছোট করবেন তত তা ভাঙা কঠিন হবে। অনেকে আবার বিশ্বাস করে, বারবার শেভ করলে চুল ঘন কালো হয়। এটিও ভুল ধারণা। সত্যি হলে সাদা বা বাদামি রঙের চুলওয়ালা মানুষ দিনে দিনেহারিয়ে যেত।

তবে শেভিংয়ে একটি ফল মেলে, তা হলো মরা চুলের শেষটাও নিঃশেষ হয়। ভুল ধারণা তৈরিতে এটিও সাহায্য করে থাকতে পারে। অনেকে মনে করে, এর ফলে স্থানটি পরিষ্কার হয়ে যাওয়ায় নতুন চুল গজাবে।

এ ছাড়া আরেকটি ব্যাপার মানুষ খেয়াল করে, প্রথম দিককার তুলনায় বড় বেলার শেভিংয়ের পর চুল অধিক ঘন হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য, ব্যাপারটিতে শেভিংয়ের ভূমিকা নেই বরং বয়স কারণ।

ডাল দিয়ে মাংস রান্না বেশ জনপ্রিয় এবং প্রচলিত  একটি খাবার। যারা মাংস খেতে পছন্দ করেন, এবং যারা মাংস খেতে পছন্দ করেন না উভয়ই এই খাবারটি পছন্দ করেন। হায়দ্রাবাদী এই খাবারটি ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে রান্না করা যায়। আজ আপনাদের পারফেক্ট রেস্টুরেন্টের মত ডাল মাংস রান্নার রেসিপিটি জানিয়ে দেব।
উপকরণ:  
১ কাপ বুটের ডাল
খাসির মাংস
১টি বড় পেঁয়াজ কুচি
১ ইঞ্চি আদা কুচি
১/৪ কাপ পুদিনা পাতা কুচি
১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
২ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
১ টেবিল চামচ ধনিয়া গুঁড়ো
১ টেবিল চামচ গরম মশলা
লবণ
১/৪ কাপ টমেটো কুচি
১টি লেবুর রস
১ লিটার পানি
পেঁয়াজ বেরেস্তা (সাজানোর জন্য)

প্রণালী:
১। প্রথমে বুটের ডাল ভাল করে ধুয়ে পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন।
২। এরপর প্রেশার কুকারে বুটের ডাল, মাংস,হলুদের গুঁড়ো, লবণ, আদা কুচি এবং পানি দিয়ে ঢেকে দিন। ৪ থেকে ৫ হুইসেল দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
৩। একটি প্যানে তেল গরম করে, এতে পেঁয়াজ কুচি, এক চিমটি লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ ভেঁজে নিন (সাজানোর জন্য বেরেস্তা করা)
৪। এবার প্যানে টমেটো কুচি, ধনিয়া গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো এবং গরম মশলা দিয়ে ভাঁজুন।
৫। ডালে কিছু পানি দিয়ে নেড়ে সেটি মশলার মধ্যে দিয়ে দিন।
৬। প্রয়োজন হলে আরেকটু লবণ দিয়ে জ্বাল দিন। এর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে নাড়ুন।
৭। পরিবেশন পাত্রে এটি ঢেলে ধনে পাতা কুচি, পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার ডাল মাংস।

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে কম্পিউটার মেলাআজ ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার  দেশের বৃহত্তম কম্পিউটার মার্কেট আগারগাঁয়ের আইডিবি ভবনের বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে শুরু হতে যাচ্ছে ‘সিটিআইটি ফেয়ার-২০১৭ কম্পিউটার মেলা’। ৭ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই মেলা। ‘ভার্চুয়াল রিয়েলিটি নকিং দ্য ডোর’ এর আলোকে এবারের মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কম্পিউটার সিটির আয়োজনে এটি তাঁদের ১৫ তম মেলা।


গতকাল মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) আগারগাঁয়ের আইডিবি ভবনের বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মেলার সমন্বয়ক মুসা মিহির কামাল।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিসিএস কম্পিউটার সিটির ম্যানেজমেন্ট কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম, রায়ানস কম্পিউটার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হাসান, হাইটেক প্রফেশনালসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান স্বপন, ব্যাতিক্রম ইলেকট্রনিকসের চেয়ারম্যান শাফকাতুল বদরসহ স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

মেলার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে মুসা মিহির কামাল বলেন, আমাদের মেলায় অন্যান্যবার যে আয়োজনগুলো থাকত তা এবারও থাকছে। সঙ্গে আরও নতুন কিছু যোগ করা হয়েছে। তাই আমরা আশা করছি, এবারের মেলা এর আগের সকল মেলার চেয়ে আরও জমজমাট হবে।

আমরা আমাদের মেলায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপর জোর দিচ্ছি। তাই আমরা থ্রি ডি শোর ব্যবস্থা করেছি এতে। রয়েছে লাল-সবুজের সমন্বয়ে স্কাইলাইট, ফটোবুথ। এছাড়াও প্রতিবারের মতো মেলায় থাকছে গেমিং জোন, মেলার শুরুর দিনে সঙ্গীত অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা।

তিনি আরো জানান, মেলা চলাকালীন যে কেউ একটি পণ্য কিনলে সঙ্গে মূল্যছাড় অথবা উপহার পাবেন। মেলায় থাকছে ১৫৬ টি স্টল। মেলায় বিভিন্ন অফার ও ছাড় দিয়ে তাদের পণ্য বিক্রি করবে সবাই।

৩০ মার্চ সকালে মেলার উদ্বোধন করবেন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। মেলা চলবে প্রতিদিন ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত। মেলার প্রবেশমূল্য ২০ টাকা। মেলায় প্রবেশ টিকিটের ওপর প্রতিদিন র্যা ফেল ড্র অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীরা পরিচয় পত্র দেখিয়ে মেলায় বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবে।

প্রতিবারের মতো মেলায় থাকছে গেমিং জোন, মেলার শুরুর দিনে সঙ্গীত অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। এছাড়াও রয়েছে লাল-সবুজের সমন্বয়ে স্কাইলাইট, ফটোবুথ।

 বৈশাখে সাজের অফার!

দেখতে দেখতে চলে এলো বাঙালির প্রিয় উৎসব পহেলা বৈশাখ। বিশেষ দিনে আপনার সাজকে পূর্ণতা দিতে সবার মাঝে আপনাকে অনন্যা করে তুলতে অন্যতম সৌন্দর্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওমেন্স ওয়ার্ল্ড প্রতিবারের মতো এবারও দিচ্ছে মাত্র ১৪২৪ টাকায় বৈশাখী সাজের বিশেষ অফার।


বৈশাখী মেকআপ, হেয়ারস্টাইল আর শাড়ি পরা সবই রয়েছে এ প্যাকেজে। এই অফার চলবে পহেলা বৈশাখের সারাদিন ওমেন্স ওয়ার্ল্ডের সবগুলো আউটলেটে।

আর বৈশাখের রঙিন সাজের আগে তো চাই চেহারা ঠিকঠাক করে প্রস্তুত থাকা এজন্যও চলে আসতে পারেন ওমেন্স ওয়ার্ল্ডে। প্রতিষ্ঠানটি আপনাদের জন্য নতুন বছরের আনন্দ দ্বিগুণ করতে পহেলা বৈশাখের দিন পর্যন্ত ফেসিয়াল, পেডিকিওর-মেনিকিওর, হেয়ার ট্রিটমেন্ট দিচ্ছে মাত্র ১৪২৪ টাকায়।  

আপনাদের সুবিধায় পহেলা বৈশাখে কাকরাইল ও মিরপুর শোরুম সকাল ৬টা থেকে আর অন্যগুলো সকাল ৯টা থেকে খোলা থাকবে।

জয়েন্টের ব্যথা বাড়িয়ে দেবে এই খাবারগুলো 


হাত, পায়ের গিঁটে কিংবা মেরুদন্ডের হাড়ে জয়েন্টের ব্যথা হয়ে থাকে। এই সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। হাত পায়ের ব্যথার কারণে স্বাভাবিক চলাচলের ক্ষমতা ব্যহত হয় এবং স্বাভাবিক কাজ কর্মে এর প্রভাব পড়ে থাকে। এই ব্যথাকে দ্বিগুণ করে দিতে পারে কিছু খাবার। জয়েন্টের ব্যথার সময় এই খাবারগুলো এড়িয়ে যাওয়া উচিত।


১। চিনি এবং আর্টিফিসিয়াল চিনি

অতিরিক্ত চিনি ইনফ্লামেশন বাড়ায়। এতে এজিই (AGE) রয়েছে যা ওজন বৃদ্ধি করে এবং জয়েন্টে প্রেশার ফেলে থাকে। আমেরিকান জার্নাল অফ নিউট্রিশনে ২০১৪ সালের এক জরিপে প্রকাশ করে যে, চিনি জাতীয় খাবারগুলো নারীদের বাতের ব্যথা বৃদ্ধি করে। সোডা জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

২। রেড এবং প্রসেসড মিট

লাল এবং প্রসেসড মিটে প্রচুর পরিমাণ কেমিক্যাল পিউরাইন এবং নাইট্রাইট রয়েছে যা জয়েন্টের ব্যথা বৃদ্ধি করে। আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনের এক রিপোর্টে দেখা গেছে যে, লাল মাংস এবং ইনফ্লামেশনের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

৩। ডিম

নিয়মিত ডিম খাওয়ার কারণে হাত-পা ফুলে যেতে পারে এবং ইনফ্লামেশন সৃষ্টি হয়। ডিমের কুসুমে রয়েছে অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড যা ইনফ্লামেশনকে আর বাড়িয়ে দেয়।

৪। বিয়ার

অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়। বিয়ারে পিউরাইন্স নামক উপাদান রয়েছে যা ইউরিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত করে থাকে। জয়েন্ট ব্যথার সময় বিয়ার এড়িয়ে চলুন।

৫। দুগ্ধজাত পণ্য

দুগ্ধজাত পণ্যে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন রয়েছে যা ব্যথাকে বাড়িয়ে দেয় অনেকখানি। ফিজিশিয়ান কমিটির মতে প্রোটিন জয়েন্টের আশাপাশের টিস্যুকে উত্তেজিত করে তোলে। এই কারণে চিজ, দুধ, মাখন ইত্যাদি দুগ্ধজাত পণ্য খাওয়া থেকে বিরত থাকুন জয়েন্টের ব্যথার সময়।

৬। শস্য এবং রিফাইন্ড ময়দা

এটির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশী যা এজিই এবং ইনফ্লামেশন বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন এই জাতীয় খাবার খাওয়া জয়েন্টের ব্যথা বৃদ্ধি করার সাথে সাথে ডায়াবেটিস, হৃদরোগের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

৭। লবণ

লবণ শরীরে পানির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। হাড়ের দৃঢ়তার জন্য ক্যালসিয়াম অনেক প্রয়োজনীয় উপাদান। এই ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমিয়ে দেয় অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ। সাদা লবণের পরিবর্তে হিমালয় সল্ট গ্রহন করতে পারেন।

বেওয়াচ’ তারকাদের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার ‘খুনসুটির’ গান 

হলিউডে নিজের প্রথম ছবির প্রচারণায় বেশ অন্যরকম সময় কাটল বলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার। ছবি নিয়ে বেশ উত্তেজিত প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ‘বেওয়াচ’ তারকা ডোয়াইন জনসন, জ্যাক এফ্রন, আলেকজান্দ্রা দাদ্দারিও, কেলি রোরবাক এবং জন ব্যাস।


ছবিটির প্রচারণায় চলতি সপ্তাহে লাস ভেগাসের সিনেমাকোনে উপস্থিত হন তারা। মঞ্চে উঠার আগে বেশ ঝালিয়েও নেন নিজেদের। সে মুহূর্তগুলোর কয়েক ঝলক এসেছে টুইটারের বদৌলতে। ছবিগুলো আপলোড করেন প্রিয়াঙ্কা।

এ সময় সহশিল্পী আলেক্সান্দ্রা ও কেলির সঙ্গে ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী ব্রিটনি স্পিয়ার্সের বহুলজনপ্রিয় গান ‘উপস! আই ডিড ইট অ্যাগেইন’-এর সঙ্গেও তাল মেলান প্রিয়াঙ্কা। মূলত মজা করতেই তাদের এই সংগীতশিল্পী সাজা।

গানের সে ভিডিওটি ইতোমধ্যেই টুইটারে সংক্রমিত হয়েছে!
এদিকে, সেঠ গর্ডন পরিচালিত ‘বেওয়াচ’ ছবিটি যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পাচ্ছে চলতি বছরের ২৬ মে। ছবির অন্যতম তারকা হিসেবে দেখা যাবে ভারতীয় প্রিয়াঙ্কাকে।

রাজনীতির পথে লিফলেট হাতে অঞ্জনা 


উপমহাদেশের অন্যতম নৃত্যশিল্পী অঞ্জনা। তবে দেশের মানুষের কাছে তার সর্বাধিক পরিচিতি চিত্রনায়িকা হিসেবে। তার আরও একটি পরিচয় আছে, যার কথা তেমন কেউ জানে না বললেই চলে।


অঞ্জনা সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত। বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য তিনি। আর তাই প্রায়শই দলীয় কাজে ব্যস্ত সময় কাটান রাজপথ কিংবা দলীয় বৈঠক-জনসভায়।

সম্প্রতি তারই কিছু স্থিরচিত্র পাওয়া গেছে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। চলতি সপ্তাহে তিনি ঢাকা থেকে কুমিল্লায় ছুটে গেছেন নির্বাচনী প্রচারণার কাজে। সেখানে তিনি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন।

নির্বাচনের লিফলেট হাতে কুমিল্লার পথে অঞ্জনা

 

আগামী ৩০ মার্চ দ্বিতীয়বারের মতো কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এতে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমার পক্ষে মাঠে নেমেছেন অঞ্জনা।

তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত ২৬ মার্চ আমি সেখানে গিয়েছিলাম। কুমিল্লার মানুষ আমাকে এমনভাবে গ্রহণ করেছে, আমি খুবই কৃতজ্ঞ তাদের কাছে। সুন্দরভাবে প্রচারণা চালাতে পেরেছি।’

এদিকে শুধু প্রচারণাই নয়, কুমিল্লার কিছু নেতা কর্মী গান গেয়ে অঞ্জনাকে বরণও করেছেন তাদের শহরে। অঞ্জনা বলেন, ‘‘প্রথমে আমরা ব্যানার নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। রাস্তাটা একটু দূরের হওয়ায় আওয়ামী সাংস্কৃতিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান আমাকে রিক্সায় উঠিয়ে দেন। এরপর সেখানে আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে নামতেই দেখি মহিলাদের জটলা। তারা হঠাৎ গেয়ে উঠলেন, ‘অঞ্জনারে দেইখা আমার আশা মিটাইছে’ (ঢাকা শহর আইসা আমার আশা মিটাইছে)। বেশ ভালো লেগেছে তাদের এমন অভ্যর্থনা।’’

অঞ্জনা জানান, শুধু রাস্তায় লিফলেট বিতরণেই নয়, কুমিল্লার বিভিন্ন মহল্লায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে প্রিয় প্রার্থীর জন্য ভোট চাইছেন এ অভিনেত্রী। পাশাপাশি বিভিন্ন সমাবেশেও অংশ নিচ্ছেন তিনি।

অদূর ভবিষ্যতে নিজে নির্বাচন করবেন কিনা, জানতে চাইলে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘অবশ্যই সে ইচ্ছে আছে। যদি জননেত্রী শেখ হাসিনা চান, আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আর এখনও নিজেকে প্রস্তুত করতে সেভাবেই এগুচ্ছি।’


 বাংলা ভাষার জন্য চালু হলো গুগল সার্চের ‘নলেজ গ্রাফ

সার্চ জায়ান্ট গুগল বুধবার এক ঘোষণায় জানিয়েছে, তাদের গুগল সার্চে বাংলা ভাষাভাষীদের আরও উন্নত অনুসন্ধান অভিজ্ঞতা দিতে নলেজ গ্রাফ চালু করেছে। এছাড়াও গুগল অনুসন্ধানে এখন থেকে বাংলা জিজ্ঞাসার জন্য বানান সংশোধন সমর্থন করবে বলেও জানিয়েছে।


নলেজ সার্চ ব্যবহারকারীদের বস্তু, মানুষ এবং স্থানের সর্বাধিক তথ্য দেয়। গুগল নলেজ গ্রাফ এর মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে একটি নিদির্ষ্ট অংশে প্রদর্শন করে যাতে ব্যবহারকারীরা মূল তথ্য সমূহ সার্চের মাধ্যমেই পেয়ে যায়। সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটারদের জন্য সার্চ র‌্যাংকিং এবং ক্লিক রেট বৃদ্ধি করার জন্য অন্যতম উপায় এটি । অনেকে অবশ্য এটিকে নেতিবাচক ভাবে দেখেন কারণ অধিকাংশ তথ্য গুগল প্রদর্শন করার ফলে ব্যবহারকারী অনেক সময় সাইটে প্রবেশ করে না।

গুগল আস্তে আস্তে বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীদের জন্য বাংলা ভাষার এই নলেজ গ্রাফ চালু করা হবে। আর এই আপডেট ২০০ মিলিয়নেরও বেশি বাংলা ভাষাভাষীর গুগল অনুসন্ধানকে আরও সহজ করবে বলে গুগল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত গুগলের নলেজ গ্রাফ বর্তমানে ৪১টি ভাষায় রয়েছে।

 

বেসরকারি উদ্যোগে দুই লাখ ইন্টারনেট সংযোগ তৈরির উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে গ্রামে ৫শ’ টাকায় এক এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড) গতির ইন্টারনেট দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)।


ইতোমধ্যে আইএসপিএবি এ বিষয়ে একটি ‘পরিকল্পনাপত্র’ তৈরি করে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগে জমা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কম দামে উচ্চগতির (ব্রডব্যান্ড) ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।

সংগঠনটির সভাপতি আমিনুল হাকিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অনেকটা বাধ্য হয়েই আমরা গ্রামে ঢাকার চেয়ে বেশি দামে ইন্টারনেট বিক্রি করি। কারণ  ট্রান্সমিশন (সঞ্চালন) খরচ বেশি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে দুই লাখ সংযোগ দেওয়া হবে, সেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে। সেই সংযোগ তৈরি, চালু, ব্যান্ডউইথ পরিবহন, মেরামত, এককালীন চার্জ, ডাটা কানেক্টিভিটি চার্জ ইত্যাদির জন্য ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কোনও চার্জ নেবে না।  মাস ভিত্তিতে কেবল বাজারমূল্যে ব্যান্ডউইথের খরচটাই নেবে। সরকার সংযোগ তৈরি করে দিলে সেখান থেকে আমরা গ্রাহকের দরজা পর্যন্ত (লাস্ট মাইল কানেক্টিভিটি) ইন্টারনেট সেবা দিতে পারব। ট্রান্সমিশন সেবাদানের জন্য যদি এনটিটিএন (নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক) প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচন করা হয় তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানের চার্জ দিতে হবে। আর সেটা করতে হলে আমাদের প্রস্তাবিত দামের চেয়ে কয়েকগুণ দামে ইন্টারনেট প্যাকেজ বিক্রি করতে হবে।’

জানা গেছে, ঢাকার বাইরে বিশেষ করে মফস্বল এলাকায় এক মেগা গতির ইন্টারনেট কিনতে ব্যয় হয় প্রায় ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা হলো ট্রান্সমিশন খরচ। এই ট্রান্সমিশন খরচ কমানো না হলে কোনওভাবেই ইন্টারনেট খরচ কমানো যাবে না।

আমিনুল হাকিম আরও বলেন, ‘ট্রান্সমিশনের এই পুরো খরচটা চলে যায় এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে। হয় সরকারি উদ্যোগে ট্রান্সমিশন পর্বটির সমাধান হোক অথবা এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলোর ট্রান্সমিশন চার্জ আনুপাতিক হারে কমানো তথা ‘সিলিং’ করে দেওয়া হলে ৫০০ টাকার উদ্যোগ সফলতা পাবে।

জানা গেছে, বর্তমানে আইএসপিগুলো মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ক্যাপাসিটি ব্যবহার করে এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলোর। এর পুরোটাই প্রায় ঢাকা কেন্দ্রিক। অবশিষ্ট অংশ ব্যবহার করছে মোবাইলফোন অপারেটরগুলো।

অভিযোগ আছে, এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণহীন চার্জ আরোপের ফলে অনেক আইএসপি ওভার হেড ক্যাবলের (ঝুলন্ত তার) মাধ্যমে সেবাদান করছে। আইএসপিএবির প্রস্তাব অনুযায়ী জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনও সম্পৃক্ততা না থাকলেও তাদের ব্যবসায়ে কোনও প্রভাব ফেলবে না। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ব্যবস্থার ফলে মোবাইলফোন অপারেটরগুলোর কোনও সংযোগ নেই। যেহেতু মোবাইলফোন অপারেটরগুলোই এনটিটিএন কোম্পানিগুলোকে প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবসা দিয়ে থাকে।

যদিও আইএসপিএবি দুটো বিকল্প প্রস্তাবও সরকারকে দিয়ে রেখেছে। বিকল্প প্রস্তাবে সরকারের গৃহীত উদ্যোগই যদি বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে ২ লাখ কানেক্টিভিটি তৈরি করার খরচ এবং ব্যান্ডউইথের ট্রান্সমিশন চার্জসহ অন্যান্য খরচ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে (যেসব প্রতিষ্ঠানে কানেক্টিভিটি দেওয়া হবে) বহন করতে হবে। ফলে সেইসব প্রতিষ্ঠানে আসা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা অসীমিত সময় ধরে সেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেওয়া সম্ভব হবে না বা দেওয়া হলেও তা স্বল্প সময়ের জন্য। কারণ এ জন্য তো ওই প্রতিষ্ঠানকে মাসিক বিল দিতে হবে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে। প্রস্তাবনায় এই বিষয়গুলো স্পষ্ট কেরে উল্লেখ করা হয়েছে।

Keep-the-cheese-festival-in-different-flavors-of-fried-rice-see-video


যেকোনো উৎসব কিংবা অকারণে প্রায় বাসাতে পোলাও রান্না করা হয়। নানা রকমভাবে পোলাও রান্না করা যায়। কখন মটরশুঁটি দিয়ে, আবার কখন মাংস দিয়ে রান্না করা হয় পোলাও। মটরশুঁটি কিংবা মাংস দিয়ে অনেক তো পোলাও রান্না করা হয়। পনির দিয়ে কখন পোলাও রান্না করেছেন কী? এই খাবারটি মাছ, মাংস উভয়ের সাথে বেশ মানিয়ে যায়। তাই আজকের আয়োজন এই পনির পোলাও নিয়ে।


উপকরণ:

১ কাপ বাসমতী চাল

৪ কাপ পানি

১টি তেজপাতা

১/২ চা চামচ লবণ

১ চা চামচ তেল

১ টেবিল চামচ ঘি/ মাখন

৮টি পনিরের টুকরো

১ চা চামচ জিরা

১ ইঞ্চি দারুচিনি

৫টি লবঙ্গ

১০টি গোল মরিচ

১টি মাঝারি আকৃতির পেঁয়াজ কুচি

১ ইঞ্চি আদা

১-২টি রসুনের কোয়া

১টি কাঁচা মরিচ

১টি মাঝারি আকৃতির টমেটো কুচি

১/৪ কাপ মটরশুঁটি

১টি গাজর

৩/৪ চা চামচ লাল মরিচ

১/২ চা চামচ গরম মশলা

১/৪ কাপ কটেজ চিজ

২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি

প্রণালী:

১। প্রথমে একটি প্যানে ঘি গরম হয়ে এলে এতে পনির দিয়ে ভাজুন। বাদামী রং হয়ে এলে পনিরগুলো নামিয়ে ফেলুন।

২। একই প্যানে জিরা, দারুচিনি, লবঙ্গ এবং গোলমরিচ দিয়ে অল্প আঁচে ভাজুন।

৩। এরপর এতে পেঁয়াজ, আদা, রসুন এবং কাঁচামরিচ কুচি দিয়ে দিন। এর সাথে টমেটো দিয়ে নাড়ুন।

৪। টমেটো নরম হয়ে এলে এতে গাজর, মটর শুঁটি, লবণ, মরিচ গুড়ো, গরম মশলা দিয়ে দিন।

৫। এবার এতে কটেজ চিজ কুচি দিয়ে ভালো করে মেশান। 

৬। সবগুলো উপাদান মশলার সাথে মিশে গেলে এতে রান্না করা পোলাও দিয়ে দিন।

৭। পোলাওয়ের সাথে ভাজা পনিরের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করুন।

৮। মাংসের কারি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার পনির পোলাও।

সম্পূর্ণ রেসিপিটি দেখে নিন ভিডিওতে


                   

 


সফল মানুষদের সাফল্য আমাদের আকৃষ্ট করে। তাদের সমস্যা মোকাবেলা করার ক্ষমতা অভাবনীয়। যেখানে অন্যেরা দুর্ভেদ্য বাঁধা দেখেন, সেখানে তারা চ্যালেঞ্জ খুঁজে পায় এবং তা সমাধান করেন। জীবনে সফল হতে হলে নানান বাঁধা বিপত্তি মোকাবেলা করতে হয়। বাঁধাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে তা অতিক্রম করার মধ্যে সকল সফলতা নিহিত। এমন ৭টি চ্যালেঞ্জ আছে যা অতিক্রম করতে পারলে আপনি আরও বেশি সফল হতে পারবেন।


১। বয়স

প্রায় সবাই বয়সকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কিন্তু বয়স শুধু একটা সংখ্যা মাত্র। সফল ব্যক্তিরা বয়স নিয়ে মাথা ঘামান না। তারা তাদের মনের কথা শোনেন এবং প্যাশনকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। হয়তো আশেপাশের মানুষেরা বলবে এই কাজটি করার বয়স আপনার নেই। এটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করুন, এবং তা করে দেখান।

২। নেতিবাচকতা

জীবন সবসময় একইরকম ভাবে চলবে না। জীবনে চলার পথে সমস্যা আসবে। এই সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করতে হবে। “আমি পারবো না, আমাকে দিয়ে হবে না” -এই ধরনের নেতিবাচক চিন্তা সফল ব্যক্তিরা করেন না। সকল ধরনের নেতিবাচকতা এড়িয়ে চলেন। সকল ব্যর্থতার মূলে রয়েছে নেতিবাচক চিন্তা।

৩। বিষাক্ত মানুষ

সফল ব্যক্তিরা একটি কথা বিশ্বাস করেন, তা হলো, আপনি জীবনের বেশিরভাগ সময় খুব সাধারণ কিছু মানুষের সাথে কাটিয়ে থাকেন। যারা অন্যরকম চিন্তা করেন না, চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে ভয় পেয়ে থাকেন। তারা নিজেদের ভয় আপনার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে, সেটিকে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন অসাধারণ মানুষের সাথে থাকলে অসাধারণ কিছু আসবে। নেগেটিভ মানুষদের কাছ থেকে শুধু নেতিবাচকতা পাবেন। আপনি কখনও লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত সঠিক মানুষটিদের পাশে থাকছেন না।

৪। অন্যদের চিন্তা

আপনি যখন অন্যদের কথা, অন্যদেরে চিন্তাকে গুরুত্ব দেওয়া শুরু করবেন তখন নিজের লক্ষ্য থেকে সরে আসতে বাধ্য হবেন। এটা কঠিন হবে অন্যদের কথা এড়িয়ে যাওয়া, অন্যদের গুরুত্ব না দেওয়া। অন্যদের কথা শুনবেন কিন্তু সেটিকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিবর্তে এড়িয়ে যান। অন্যরা কী বলুক সেটাকে গুরুত্ব দেওয়া বন্ধ করুন, মনে রাখুন অন্যরা আপনার দক্ষতার পরিমাপক নয়।

৫। ভয়

“ভয়”  কল্পনাময় আবেগ ছাড়া আর কিছু না। ভয়কে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আপনার নিজের হাতে। ভয়কে আপনি কীভাবে নেবেন সেটি আপনার উপর নির্ভর করছে। জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয়টা হলো জীবিত অবস্থায় ভয়ের কারণে নিজের সম্ভাবনাকে মেরে ফেলা।

৬। অতীত এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা

অতীত যা  ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করতে পারবেন না, আবার ভবিষ্যৎ আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। কিন্তু বর্তমান আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। সফল ব্যক্তিরা এই বিষয়টি জানেন, তাই তারা বর্তমানকে বেশি গুরুত্ব প্রদান করেন। অতীতকে মেনে নিন। যেটা পরিবর্তন করা সম্ভব নয় সেটি চিন্তা করে সময় নষ্ট করবেন না। ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ না হয়ে বর্তমান সময়কে কাজ লাগান ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য। উদ্বেগ হলো এমন একটি ঋণ যা আপনি গ্রহণ করেন নি।

৭। বিশ্বকে নিয়ে চিন্তা

সফল ব্যক্তিরা যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, তা নিয়ে চিন্তা করেন না। তারা দুটি বিষয়কে গুরুত্ব প্রদান করেন, তাদের মনোযোগ এবং তাদের প্রচেষ্টা। তারা তাদের লক্ষ্য সম্পূর্ণ মনোযোগ প্রদান করেন। এবং তা অর্জনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে থাকেন।

If-the-speculation-is-falseসম্প্রতি দিল্লির একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি রণবীর কাপুরকে। যদিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। পরের ঘটনা আরও ভয়াবহ, রণবীর অসুস্থ, হাসপাতালে।


কিন্তু দীপিকাকে দেখা যায় পার্টি করতে! ব্যস, ‘ব্রেক-আপ থিউরি’ ঘোরপাক খাওয়া শুরু!

ভক্তরা ধরেই নিয়েছিলেন পর্দার বাইরে সম্ভবত আর ওই জুটিকে একসঙ্গে দেখা যাবে না। কিন্তু না, সেই জল্পনার অবসান হলো। তাদের দেখা গেল মুম্বাই বিমানবন্দরে। সেই ছবিও প্রকাশিত হয়েছে। তা দেখে আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাসই ফেলতে পারেন দীপিকা-রণবীরের ভক্তরা।

সঞ্জয়লীলা বানসালির ‘গোলিও কি রাসলীলা, রামলীলা’ ছবির পর থেকে দীপিকা-রণবীরের সম্পর্ক নিয়ে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল। তারপর তারা করেছেন ‘বাজিরাও মাস্তানি’। পর্দায় আসছে এই জুটির পরবর্তী ছবি ‘পদ্মাবতী’ও। কিন্তু সম্প্রতি তাদের সম্পর্ক নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়। অনেকে বলতে শুরু করেন, দু’জনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

তবে কেন তারা একসঙ্গে বাইরে বের হচ্ছিলেন না, ‘পদ্মাবতী’র প্রচারণার আগে পরিচালক সঞ্জয়লীলার সৌজন্যে সেই রহস্যও অবশ্য ফাঁস হয়েছে। তিনি নাকি দু’জনকে একসঙ্গে বাইরে  যেতে বারণ করেছেন।

পরিচালকের এই নিষেধের কারণও আছে। ‘পদ্মাবতী’ সিনেমায় ইতিহাসকে ‘বিকৃত’ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগকে ঘিরে এমনিতেই বিতর্ক কম হয়নি। সেই বিতর্ক আরও বাড়িয়েছে সিনেমার একটি দৃশ্যকে নিয়ে। শোনা যাচ্ছে, সেই দৃশ্যে দেখা যাবে, পদ্মাবতী ও আলাউদ্দিন খিলজিকে রোমান্স করতে। যদিও সিনেমা নির্মাতাদের দাবি, সেরকম কোনও দৃশ্যই নাকি নেই!



পরিচ্ছন্ন ত্বকই ভালো ত্বক। ব্রণ, ফুসকুড়ি বা কালচে দাগ ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। তাই কিছু বিষয় নিয়মিত মেনে চললে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ধরে রাখা সম্ভব।

মাখুন সানস্ক্রিন
এই মৌসুমে ত্বকের সবচেয়ে বড় শত্রু সূর্য। কড়া রোদ ত্বকের বারোটা বাজাতে যথেষ্ট। তাই বাইরে যাওয়ার আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন মেখে নিতে হবে। তাই বলে শুধু মুখের ত্বকে মাখলেই চলবে না, শরীরের যতখানি অংশ খোলা থাকবে, সেখানেই সানস্ক্রিন মেখে নিন। কয়েক ঘণ্টা পরপর শরীরের যে অংশে রোদ পড়ছে, সেখানে ব্যবহার করুন।

ব্যায়াম
শখের বশে এক টুকরো পিৎজা খেয়ে ফেললেও তার ফল আপনার শরীরে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে ধরা দেবে। মানে শরীর মুটিয়ে যেতে থাকবে। যার প্রভাবে আপনার মুখের মাংসও বেড়ে যাবে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আর যেদিন এমন ফ্যাটযুক্ত খাবার খাবেন, সেদিন আরেকটু বাড়িয়ে নিন ব্যায়ামের সময়। বাড়তি ক্যালরি ক্ষয় হবে, আপনার ত্বক থাকবে ভালো।

মেকআপ না তুলে ঘুমাবেন না
অনুষ্ঠান থেকে বাসায় ফিরেই ক্লান্ত লাগলেও কষ্ট করে মেকআপ তুলে নিন। মেকআপসহ ঘুমালে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেবে। তাই যতই ক্লান্তি আসুক, মেকআপ তুলে তারপর ঘুমাতে যান।

ব্রণে হাত দেবেন না
মুখে ব্রণ দেখা দিলে কখনোই হাত দিয়ে খুটবেন না। এতে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়। অনেক সময় সারা মুখে ক্ষত হয়ে যায়। কালো কালো দাগ পড়ে তা স্থায়ী হয়ে যেতে পারে মুখে। তার বদলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ঠিকমতো ব্যবস্থা নিলে দাগ ভালো হয়ে যাবে।

ঠিকমতো খাবার খান
নিয়ম করে তিনবেলা খাবার খান। বাড়তি তেল বা ভাজাপোড়া কম খাওয়াই ভালো। ডায়েটে থাকলেও ফলমূল ও সবজি অবশ্যই খাবার তালিকায় রাখুন। রোজ পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।

ধূমপান থেকে বিরত থাকুন
ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তা ছেড়ে দিতে চেষ্টা করুন। কারণ, ধূমপান করলেও ত্বকের ক্ষতি হয়।


কথায় বলে প্রথম প্রেম নাকি ভোলা অসম্ভব। প্রথম প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর জীবনে যত প্রেমই আসুক না কেন তা কখনই প্রথমের জায়গাটা নিতে পারে না। প্রথম প্রেম সব সময়ই স্পেশাল। কিন্তু জানেন কি কেন এ রকম হয়? কেন প্রথম প্রেম ভোলা যায় না?
১। প্রথম প্রেমের সঙ্গে সেই সব অনুভূতিগুলো জড়িয়ে থাকে যেগুলোর স্বপ্ন নিয়ে আপনি বড় হয়েছেন। যে রোম্যান্টিক গানের সঙ্গে নিজের জীবনকে মেলাতে চাইতেন, প্রথম প্রেম সেগুলোকেই যেন সত্যি করে দেয়।
২। জীবনে আসা সেই মানুষটির সঙ্গে কাটানো প্রতিটা মুহূর্তই আপনার কাছে চির মূল্যবান হয়ে থাকে। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া প্রথম প্রেম নিবেদন কি ভোলা যায়?
৩। সব থেকে বেশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা হয় প্রথম প্রেমেই। নিজেদের বাড়ি বা ফ্ল্যাট থেকে শুরু করে কোথায় বেড়াতে যাবেন, এমনকী ছেলেমেয়ের ভবিষ্যতের মতো সমস্ত পরিকল্পনাই করতে শুরু করেন দু’জনে মিলে। তাই ব্রেকআপের পর কষ্টও অনেক বেশি হয়।
৪। প্রথম আর দ্বিতীয় প্রেমের মধ্যে প্রধান বাধা হল তুলনা। জীবনের দ্বিতীয় প্রেমের ক্ষেত্রে সব সময়ই একটা প্রশ্ন মনে উঁকি মারে। তাঁর প্রতিটা কথার পিছনেই কারণ খোঁজার চেষ্টা করেন। সব সময়ই প্রথমের সঙ্গে দ্বিতীয়ের তুলনা টেনে আনেন। সুস্থ সম্পর্কের জন্য যা খুবই ক্ষতিকর। তা ছাড়া দ্বিতীয়ের মধ্যে যদি প্রথমকে খুঁজে পেতে চেষ্টা করেন তা হলে তাঁকে ভুলবেন কী করে?
৫। অতীতকে ভোলা সম্ভব নয়, ভোলা উচিতও নয়। তাই বলে বর্তমানের উপরে অতীতের প্রভাব পড়তে দেবেন না। উপরন্তু প্রথম সম্পর্ক ভাঙার পিছনে নিজের গাফিলতিগুলো খুঁজে বের করুন আর নতুন সম্পর্ক নিয়ে সমস্ত নেতিবাচক চিন্তা দূর করে এগিয়ে চলুন।



বিভিন্ন লোভনীয় অফারের নামে প্রতারণার আশ্রয়ে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাজিব শেঠিসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম (চতুর্থ) মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন গ্রামীণফোণ গ্রাহক অ্যাডভোকেট এসএইচএম হাবিবুর রহমান আজাদ। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে মামলাটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার জন্য ইপিজেড থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।


বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইমুল চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেশন আইন ২০০১- এর ৬৬(২)/৭৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

সিইও ছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন, গ্রামীণফোনের সাবেক সিইও টরি জনসন, প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা ও পরিচালক শরীফ আহমেদ, স্পেশালিস্ট টেকনিক্যাল বিভাগের আহমেদ মঞ্জুর দৌলা, চেয়ারম্যান অর্থ তহবিল-ট্রাস্টি বোর্ড কাজী মোহাম্মদ সাহেদ, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মাইনুর রহমান ভুঁইয়া, মইনুল কাদের, মনজ উদ দোহা ও হেড অব এক্সটার্নাল কমুনিকেশন সৈয়দ তালাত কামাল।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮ টায় বাদী গ্রামীণফোনের জিপি-টু-জিপি মিনিট ২৫ পয়সার একটি প্যাকেজ কেনেন। পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি অফারটি সম্পর্কে জানতে পারেন। অফারটি কেনার সময় অপারেটর করসহ ১১টাকা ৫০ পয়সা কেটে নেয়। একটি ক্ষুদে বার্তায় এ কর্তনের বিষয়টি জানায় কোম্পানি। কিন্তু আধা ঘণ্টা পর অপারেটর তার কেনা অফারটি বাতিল করে। এর ফলে তিনি পুরো টকটাইম ব্যবহার করতে পারেননি। যদিও অফারটির মেয়াদ দুই দিন ছিল।

এরপর ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বাদী অপারেটরের হেল্প লাইনে ফোন করলে কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, এ বিষয়ে তার কিছুই করার নেই।

অ্যাডভোকেট এসকে ইফতিখার শিমুল চৌধুরী জানান, ‘এ বিষয়ে ২০১২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বাদী মহানগর হাকিম মুনতাসির আহমেদের আদালতে অভিযোগ করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেশন অথরিটি (বিটিআরসি)-এর বক্তব্যসহ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ারও আদেশ দেন আদালত।’ তিনি শিমুল বলেন, ‘টক-টাইমের অর্থ রিচার্জ করা ও কৌশলে ফ্রি-টক টাইমে ফাঁকি দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয় বিটিআরসির বিবৃতিতে।’ তিনি আরও জানান, ‘এরপর অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আরও প্রমাণাদি সংগ্রহ করে নতুন মামলা দায়ের করা হয়।’



নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন গ্যালাক্সি এস ৮ ও এস৮+ প্রকাশ করেছে স্যামসাং। আজ বুধবার রাতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে এক অনুষ্ঠানে স্মার্টফোন দুটি প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে নতুন ধরনের স্মার্টফোন হিসেবে গ্যালাক্সি এস ৮ বাজারে ছাড়া হয়েছে। ব্যাটারিতে ত্রুটি থাকার ফলে গ্যালাক্সি নোট ৭ নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। আর তাই নতুন স্মার্টফোন দুটি প্রকাশের সময় সে কথাই স্মরণ করিয়ে দিলেন স্যামসাংয়ের মোবাইল ব্যবসার প্রেসিডেন্ট ডিজে কোহ। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তায় নতুন মাইলফলক স্থাপনের মাধ্যমে আপনাদের আস্থার স্বীকৃতি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৮ ও এস৮ +।’

৪ জিবি র‍্যামের নোগাট অপারেটিং সিস্টেমের এ ফোন দুটিতে আছে ১২ মেগাপিক্সেল ডুয়েল ক্যামেরা, যার সামনের ক্যামেরা এইট মেগাপিক্সেল।



একটা সময় লাখের বাতি জ্বালানোর প্রচলন ছিল। কেউ লাখপতি হলে বাড়ির সামনে উঁচুতে একটা বাতি বেঁধে দেওয়া হতো। আর তাতেই লোকে বুঝতে পারত, এটা লাখপতির বাড়ি। এই লাখের বাতির কথা কেবল বইতেই পড়েছি। দেখার কোনো সুযোগ হয়নি। দুই সপ্তাহ আগে একটা সংবাদ পড়ে ক্ষীণ একটা আশা জেগেছিল লাখের বাতি দেখার। চীনের একটি সংস্থা খবর দিল যে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় বাংলাদেশের একজনের নাম আছে। আর তিনি হলেন সালমান এফ রহমান। বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান। আবার আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টাও তিনি।
এমনিতেই আমাদের সাফল্যের খবর খুব কম। চারদিকে অসংখ্য খারাপ খবর। ব্যক্তিগত অর্জনও তেমন নেই। উদ্যাপন করার মতো ঘটনা এখন তো ক্রিকেট ছাড়া আর তেমন কিছুতে নেই। সেখানে সালমান এফ রহমানের বিরল কৃতিত্বের ওই খবর তীব্র গরমে একপশলা বৃষ্টির মতোই। কিন্তু শেয়ারবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মতোই হতাশ হতে হলো আমাদের। দ্রুতগতিতে তিনি প্রতিবাদ করে জানিয়ে বললেন, এত অর্থ তাঁর নেই।
চীনের প্রতিষ্ঠান হুরুনডটনেটের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান ১৩০ কোটি ডলারের মালিক। প্রতি ডলার ৮০ টাকা হিসাবে এ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। তালিকা অনুযায়ী, ডলারের হিসাবে বিশ্বে বর্তমানে ২ হাজার ২৫৭ জন বিলিয়নিয়ার (১০০ কোটি ডলারের মালিক) রয়েছেন। তাঁদের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮ লাখ কোটি ডলার, যা বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১০ দশমিক ৭ শতাংশ। বাংলাদেশি ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের অবস্থান ১ হাজার ৬৮৫তম। তালিকা অনুযায়ী শীর্ষ ধনী বিল গেটস।
সালমান এফ রহমান তাঁর প্রতিবাদলিপিতে বলেছেন, ‘চীনা প্রতিষ্ঠান হুরুন গ্লোবাল বলেছে, আমার সম্পদের পরিমাণ ১৩০ কোটি ডলার। প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে এ সম্পদের হিসাব করেছে, তা আমার জানা নেই। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেক্সিমকো গ্রুপের নিট সম্পদের পরিমাণ এর কাছাকাছি হতে পারে। আমার ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ এটা নয়।’ দেখা যাচ্ছে, সালমান এফ রহমান কেবল নিজের কোম্পানির প্রচারই করলেন।
সালমান এফ রহমান কেন অস্বীকার করলেন? ইংরেজিতে ‘মানিগিল্ট’ বলে একটা কথা আছে। সাধারণত, কিছু না করেই উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদ যাঁরা পান, তাঁদের মধ্যে একধরনের অপরাধবোধ দেখা দেয়। একেই বলে মানিগিল্ট। তবে শেয়ারবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অর্থ নিয়ে কারসাজি বা ব্যাংকঋণ নিয়ে ফেরত না দিয়ে যাঁরা বিপুল অর্থের মালিক হয়ে যান, তাঁদের মধ্যে মানিগিল্ট কাজ করে কি না, তা অবশ্য জানা যায়নি। এই মানিগিল্ট নিয়ে কিন্তু মজার মজার অনেক গল্প আছে। পরিবেশটা হালকা করার জন্য ছোট্ট একটা গল্প বলি। এক ধনী ব্যক্তির ছোট ছেলে স্কুলের শিক্ষাসফর থেকে বাবাকে এক বার্তা পাঠাল, ‘বাবা, আমি দামি পোরশে গাড়িতে করে যাচ্ছি, আর আমার বন্ধুরা সবাই ট্রেনে যাচ্ছে। এটা দেখে আমার অপরাধবোধ হচ্ছে, খারাপ লাগছে।’ বাবা দ্রুত জবাব পাঠালেন, ‘এক্ষুনি ২০ মিলিয়ন ডলার পাঠাচ্ছি, একটা ট্রেন কিনে নাও।’
হুরুনডটনেট ছাড়াও বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকা তৈরি ও প্রকাশ করার জন্য অনেক সংস্থা আছে। তারা নিয়মিতভাবে তালিকা প্রকাশ করে থাকে। বছরজুড়ে শীর্ষ ধনীদের নানা ধরনের খবর প্রকাশিত হয়। তাঁদের শখ, তাঁদের দান, সম্পদ ওঠানামাসহ নানা ধরনের তথ্য আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে পড়ি ও দেখি। ওই সব ধনী তাঁদের সম্পদের তথ্য লুকান না। নিজেরাই প্রকাশ করেন। যাঁরা বিভিন্ন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক, তাঁদের সম্পদের তথ্য পাওয়া আরও সহজ। খুব সহজে জানা যায় সম্পদ বৃদ্ধি বা হ্রাসের তথ্যও। ফোর্বস বা ব্লুমবার্গ-এর মতো সংবাদমাধ্যম সারা বছর ধনীদের নিয়ে নানা ধরনের গবেষণা করে। এই তো ১৭ মার্চ ফোর্বস বিশাল আয়োজন করে ২০১৭ সালের শীর্ষ ধনীর তালিকা প্রকাশ করেছে। এসব তালিকায় নাম ওঠা নিশ্চয়ই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ ধনীদের জন্য বিশেষ কিছু। মর্যাদা বাড়ায় এই তালিকা।
কিন্তু বাংলাদেশের শীর্ষ ধনী কে বা কারা, কত তাঁদের সম্পদ—এ তথ্য পাওয়া যায় না। এখানে যাঁদের অনেক সম্পদ, তাঁরা কেউই তার হিসাব দিতে আগ্রহী হন না। সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন থাকে বলেই এই লুকোচুরি। জানার একমাত্র উপায় হতে পারত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দেওয়া সম্পদের হিসাব। কিন্তু সমস্যা এখানেও আছে। এমনও দেখা গেছে, একই ব্যক্তি কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য এনবিআরকে দিয়েছেন কম সম্পদের হিসাব, আর ব্যাংকঋণ পেতে দিয়েছেন বেশি সম্পদের তথ্য। শীর্ষ ধনী যাঁরা, তাঁরা সব ধরনের কর দেওয়ার পরেই শীর্ষ ধনী। বাংলাদেশে উল্টো। কর দেন না বলেই অনেকে এখানে বিরাট ধনী।
বাংলাদেশের শীর্ষ করদাতা জর্দা ব্যবসায়ী কাউছ মিয়া। বছরে ছয় কোটি টাকা কর দেওয়ার কথা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। এ হিসাবে তাঁর আয় ও সম্পদের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকার ধারেকাছেও থাকার কথা নয়। ১০০ কোটি ডলারের সম্পদ না থাকলে তো শীর্ষ ধনীদের তালিকায় নাম ওঠানো সম্ভব নয়। আবার এমন অনেক ধনী আছেন, যাঁরা বিলাসবহুল গাড়িতে চড়েন, ততোধিক বিলাসবহুল বাড়িতে থাকেন। তবে এই বাড়ি-গাড়ি কাগজে-কলমে কোম্পানির নামে। কোম্পানির চেয়ারম্যান বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়ার কারণে কোম্পানি বাড়িতে থাকতে দেয়, গাড়িতে চড়তে দেয়। বাংলাদেশে এ রকম কৌশলী ধনীর সংখ্যাই যে বেশি, তা জানা যায় এনবিআর সূত্রে। রবীন্দ্রনাথের সেই কথা মনে পড়ছে, ‘ধন জিনিসটাকে আমাদের দেশ সচেতনভাবে অনুভব করিতেই পারিল না, এইজন্য আমাদের দেশের কৃপণতাও কুশ্রী, বিলাসও বীভৎস। (বোম্বাই শহর, পথের সঞ্চয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
কিছু অনলাইন পত্রিকার সুবাদে বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ধনীর একটি তালিকা পাওয়া যায়। তবে এর উৎস কী, তার কোনো উল্লেখ নেই। সহযোগী দৈনিক বণিক বার্তা একবার আয়কর বিবরণীতে ১০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদ দেখিয়েছেন এমন ১০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছিল। ২০১৩-১৪ করবর্ষ সম্পদের হিসাব ধরে তালিকাটি করা হয়েছিল। সেই তালিকা অনুযায়ী চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী শওকত আলী চৌধুরীর সম্পদ ছিল সবচেয়ে বেশি, ২৭৫ কোটি টাকা। আর সালমান এফ রহমানের সম্পদ ছিল ১৬৫ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ করবর্ষ ধরে সরকার শীর্ষ করদাতার যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে সবার ওপরে নাম কাউছ মিয়ার। অবশ্য আগেই বলেছি, আয়কর বিবরণীতে দেওয়ার তথ্য মেনে প্রকৃত সম্পদের হিসাব বের করা বাংলাদেশে কঠিন। কারণ, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সঠিক তথ্য দেওয়া হয় না।
বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের বড় অংশই নিজ চেষ্টায় বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। বিশেষ করে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ধনীরা অর্থ অর্জন করেছেন নিজেদের চেষ্টায়। আবার অনেকে ধনী হয়েছেন উত্তরাধিকার সূত্রে। এর বাইরে আরেক শ্রেণির ধনী আছেন, যাঁরা রাষ্ট্র ও ক্ষমতাকে ব্যবহার করে ধনী হয়েছেন। এমন সংখ্যাও কম নয়। মূলত লাতিন আমেরিকা ও রাশিয়ার ধনীদের বেশির ভাগ এই গোত্রের। একে বলা হয় ক্রনি ক্যাপিটালিজম।
আর বাংলাদেশে? প্রথমত, আশির দশকে ছিল ব্যাংক লুটপাটের কাহিনি, নব্বইয়ের দশকে শেয়ারবাজার লুটপাটের কাহিনি। এর পরের প্রায় দুই দশকে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার লুটপাট—দুটোই ঘটেছে। বাংলাদেশে একটি শ্রেণি বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক হয়েছে মূলত এই দুই পথেই। আমরা এমন কয়েকজন ব্যবসায়ীর কথা জানি, যাঁদের নামে-বেনামে নেওয়া ব্যাংকঋণের পরিমাণই ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা।
অনেকেরই দেশের ভেতরে তো বটেই, বিদেশেও রয়েছে বিপুল পরিমাণ সম্পদ। এমনকি পাঁচতারকা একাধিক হোটেলের মালিকানার খবরও পাওয়া যায়। ২০১০ সালের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরাই হারান কম করে হলেও ৩০ হাজার কোটি টাকা। কেউ কেউ মনে করেন, অর্থের পরিমাণ অনেক বেশি, এক লাখ কোটি টাকারও বেশি। হল-মার্ক ও বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে আত্মসাৎ হয় প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। এসব অর্থ কোথায় গেল? এভাবে অর্থের হিসাব করলে কিন্তু শীর্ষ ধনীর তালিকায় একাধিক ব্যবসায়ীর নাম থাকা উচিত।
বাংলাদেশে শীর্ষ ধনীদের তালিকা চাই। আয়কর বিবরণীতে সম্পদের হিসাব ঠিকঠাক দিলে তালিকাটি করা সহজ। এমন দিন নিশ্চয়ই আসবে, তখন তালিকায় নাম উঠলে শীর্ষ ধনীরা অস্বীকার করবেন না; বরং একে মর্যাদা বলেই মনে করবেন।

শওকত হোসেন: সাংবাদিক।
massum99@gmail.com

 


ইন্টারনেট দুনিয়ায় জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ওয়েবসাইটটির নাম গুগল। হঠাৎ কোনো জিজ্ঞাসা কিংবা দরকারি যে কোনো তথ্যের জন্য সবার আগে আমাদের মাথায় আসে এই সার্চ ইঞ্জিনটির নাম। কিন্তু, গুগল আমাদের যা জানায় সবই কি সত্যি? তবে গুগল আমাদের এমন অনেক কিছুই জানায়, যা জানতে আমরা অপ্রস্তুত থাকতেই পারি।


শব্দ: ফর্নিয়ের (Fournier)

বিষয়: এই শব্দ দিয়ে সার্চ করলে দুটি রেজাল্ট মেলে। একটি বাস্টেকবল খেলোয়াড়ের জীবন। অন্যটি ফর্নেয়ের গ্যাংগ্রেন (Fournier Gangrene)। যা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত এক রোগের লক্ষ্মণ।

কেন সার্চ নয়: দ্বিতীয় বিষয়টি এমনই জটিল যে এর ছবি স্বাভাবিক নয়। প্রস্তুতি ছাড়া ওই ছবি দেখলে সমস্যা হতেই পারে।

শব্দ: দ্য গ্যাগ রিফ্লেক্স (The Gag reflex)

বিষয়: অর্থাৎ মৃত্যু এড়াতে শেষ মুহূর্তে শরীরের নিজস্ব লড়াই।

কেন সার্চ নয়: বিষয়টি ছবি বা ভিডিওতে না দেখাই শ্রেয়। বিশেষত কাজের জায়গায় তো একদমই নয়।

শব্দ: ডিগভ্লিং (Degloving)

বিষয়: ‘টার্মিনেটর’ ছবিতে আর্নল্ড শোয়ার্জেনেগার-এর হাত কাটার দৃশ্য মনে আছে?

কেন সার্চ নয়: না দেখলেই ভালো নয় কি?

শব্দ: ব্লু ওয়াফেল (Blue Waffle)

বিষয়: এই বিষয়ে সার্চ করলে নারী শরীরে এক বিশেষ রোগের ছবি সার্চ রেজাল্টে দেখানো হয়।

কেন সার্চ নয়: যদিও এর কোনও বাস্তব ব্যাখ্যা নেই। কিন্তু, ওই ছবি সহজে মন থেকে মোছা মুশকিল।

শব্দ: ট্যারেটোমা (Teratoma)

বিষয়: হাড়, দাঁত কিংবা চুলও। এই সব নিয়েই সৃষ্টি হয় ট্যারেটোমা টিউমারের।

কেন সার্চ নয়: টিউমারের ছবিটি ভোলার মতো নয়।

শব্দ: স্ক্যুইডওয়ার্ড টো নেইল ভার্সেস সোফা (Squidward Toenail VS Sofa)

বিষয়: পায়ের নোখ ঘষে সোফা সরাচ্ছেন একজন।

কেন সার্চ নয়: ক্লিপটি আপনাকে ভিডিও বন্ধ করতে বাধ্য করবে।

শব্দ: ট্রাইপোফোবিয়া (Trypophobia)

বিষয়: অর্থাৎ, ছোটো গর্তের প্রতি ভয়।

কেন সার্চ নয়: তেমন ক্ষতিকারক নয়। তবে অনেকেই এই সংক্রান্ত সার্চ রেজাল্ট দেখে অস্বস্তি বোধ করেছেন।

শব্দ: শ্যানকার (Chancre)

বিষয়: যৌনব্যাধী সংক্রান্ত ছবি ও তথ্য।

কেন সার্চ নয়: এমন বীভৎস ছবি কম দেখা যায়।

 


অনেকেই আছেন পার্কিং লটে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রেখে এসে পরে গাড়ির অবস্থানের কথা ভুলে যান। তাই খুব সহজেই আপনাকে পার্কিং করে রাখা গাড়ির অবস্থান জানাতে গুগল ম্যাপসে নতুন একটি ফিচার যুক্ত হয়েছে। অ্যাপটির মাধ্যমে গাড়ির অবস্থান সনাক্ত করা যায়।

গুগলের ম্যাপস অ্যাপ্লিকেশনটির বিটা সংস্করণে এ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে শুধু অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা এ সুবিধা পাচ্ছেন। সুবিধাটি পেতে গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন-ইন করতে হয়। গাড়ির অবস্থান কোথায়, তা অ্যাপ চালু করে নীল রঙের লোকেশন ডট চেপে ‘সেভ ইওর পার্কিং’ অপশন নির্বাচন করে দেওয়া যায়। এ ছাড়া সেখানে পার্কিং-সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। আশপাশের ছবি তুলে রাখা, এমনকি দূরত্বও ঠিক করে রাখা যায়।

ফিচারটি অনেকের কাজে লাগবে বলে মনে করছে গুগল কর্তৃপক্ষ। অ্যাপল ম্যাপসেও এ সুবিধা রয়েছে। তবে এতে আইফোনকে গাড়ির সঙ্গে ব্লুটুথ দিয়ে সংযোগ রাখতে হয়। আইওএস প্ল্যাটফর্মে এ সুবিধা কবে আসবে, তা এখনো জানায়নি গুগল।

সম্প্রতি গুগল ম্যাপে লোকেশন শেয়ারিং ফিচার যুক্ত করেছে। তবে এ ফিচারটি নিয়ে প্রাইভেসি-সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলছেন ব্যবহারকারীরা।

 


মার্কিন ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন ভারতে অফলাইন খুচরা বিক্রির দোকান খুলতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন । এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকট্রনিক পণ্যের দোকান খোলারও পরিকল্পনা করছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

অ্যামাজনের দোকান খোলার পরিকল্পনায় অবাক হবার কিছু নাই। কেননা প্রতিষ্ঠানটির ইতোমধ্যে নিউ ইয়র্কে একটি বইয়ের দোকান এবং সিয়াটলে ‘অ্যামাজন গো’ নামের স্বয়ংক্রিয় দোকান রয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমের প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যামাজন যুক্তরাষ্ট্রের বাহিরে অফলাইন দোকান হিসেবে ভারতকে বেছে নিয়েছে এবং এজন্য ‘এভারেস্ট’ কোডনেমের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ভারতের বেঙ্গালুরুতে এই দোকান হবে। এছাড়া অ্যামাজন সম্প্রতি পত্রিকায় দেয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শক্তিশালী খাদ্য সাপ্লাই চেইনে বিদেশি বিনিয়োগে উৎসাহিত করার জন্য ভারতীয় সরকারের প্রচেষ্টায় উত্তেজিত অ্যামাজন।

এছাড়াও অ্যামাজন ভারতে বিনিয়োগের জন্য সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন নিশ্চিত করেছে।

টেলিযোগাযোগ টাওয়ার তৈরির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাঁশের কাঠামোয় টাওয়ার স্থাপন করেছে ইডটকো গ্রুপ (ইডটকো)। রাজধানীর উত্তরার ৫ নাম্বার সেক্টরের একটি বাড়ির ছাদে সম্প্রতি উদ্ভাবনীমূলক এই টাওয়ার স্থাপন করা হয়।

প্রথাগত টাওয়ারের বাইরে নিত্য নতুন উদ্ভাবনীমূলক পরিবেশ-বান্ধব টাওয়ার তৈরিতে ইডটকোর ধারাবাহিক গবেষণার আরেকটি নতুন সংযোজন বনজসম্পদ বাঁশ দিয়ে তৈরি নবায়ণযোগ্য এই অবকাঠামো। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর সাথে ইডটকো’ এর যৌথ উদ্যোগ মূলত টেকসই এবং সবুজ প্রকৌশল (গ্রিন ইঞ্জিনিয়ারিং) ইডটকো’র নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে।  

বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ’এর নেতৃত্বে একটি গবেষক দল টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর নকশা এবং নির্মাণে গতানুগতিক স্টিলের অবকাঠামোর বিকল্প উপাদান হিসাবে বাঁশের সক্ষমতার উপর গবেষণা কাজটি পরিচালনা করেন।

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘টেলিযোগাযোগ সেবাগুলো আলাদা করার লক্ষ্যে ভিন্ন টাওয়ার শেয়ারিং নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।’

মোবাইল ফোন অপারেটররা বিভিন্ন সেবা প্রদান করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শিগগিরই তারা (অপারেটররা) টাওয়ারের মতো সেবাগুলো আর প্রদান করতে পারবে না।’

চেয়ারম্যান আরও বলেন, বাঁশের তৈরি টাওয়ার যদি সফলতা লাভ করে তবে দেশীয় প্রযুক্তি হিসেবে এ খাতে প্রণোদনা দেয়া হবে।   

টাওয়ারটি নির্মাণে নেতৃত্ব প্রদানকারী বুয়েটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘দেশে প্রথম বাঁশের তৈরি টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো স্থাপিত হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে বাঁশ একটি সহজলভ্য উপাদান। প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে অবদান রাখতে এ ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার এ দেশের পরিবেশের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাঁশের ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখা গেছে,  বাঁশের বৈচিত্রময় গঠন বৈশিষ্ট্যের কারণে টেলিকম টাওয়ার তৈরির জন্য এটি একটি ভালো উপাদান হতে পারে। পরিবেশ সংরক্ষণের মাধ্যমে ও পরিবেশসচেতন জাতি গঠনে এটি  অবদান রাখতে সক্ষম। এ ধরনের একটি উদ্যোগে আস্থা রাখার জন্য আমরা ইডটকো’কে ধন্যবাদ জানাই।’

গবেষণায় দেখা গেছে যে, কাঁচা বাঁশকে নমনীয় এবং প্রসারনীয় শক্তি দিয়ে কংক্রিটের ওজন বহন করার উপযোগী করলে এটি টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো তৈরিতে সক্ষম উপাদানে পরিনত হয়। এটি প্রতি ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাতাসের গতিতে টিকে থাকতে পারে এবং সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করলে এর আয়ুষ্কাল প্রায় ১০ বছর পর্যন্ত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। বাঁশের তৈরি একটি টাওয়ার নির্মাণ করতে সময় লাগে ১২ দিন। গতানুগতিক স্টিলের টাওয়ারের চেয়ে এটি তৈরিতে কম জ্বালানী ব্যয় হয়। এ  টাওয়ারে একই সাথে সর্বোচ্চ আটটি এন্টেনা স্থাপন করা সম্ভব, যার প্রতিটিই একই সাথে কার্যকর থাকবে।

এ টাওয়ারটির আরেকটি সুবিধা হল, বাঁশের ওজন প্রাকৃতিকভাবে হালকা হওয়ার কারণে এটি সহজেই বহন করা যায় এবং ভবনের উপর অতিরিক্ত কোনো চাপ সৃষ্টি না করেই স্থাপন করা যায়। উই বা ঘুনপোকা এবং ছত্রাকের আক্রমণ থেকে বাঁশকে রক্ষা করতে এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় টিকিয়ে রাখতে এটিকে রাসায়নিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

ইডটকো গ্রুপের সিইও সুরেশ সিধু বলেন, ‘ইডটকো বরাবরই টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপাদান এবং উদ্ভাবনীমূলক সল্যুশন নিয়ে পরীক্ষা-নীরিক্ষা বা গবেষণা পরিচালনা করে থাকে। বাঁশের তৈরি এ টেলিযোগাযোগ টাওয়ার আমাদের সর্বশেষ উদ্ভাবন। টেকসই প্রাকৃতিক সম্পদ বাঁশকে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহার করে পরিবেশের উপর এর প্রভাব কমানোর উদ্দেশ্যেই মূলত আমরা এ উদ্যোগটি নেই। বিশেষ এই টাওয়ারটি নির্মানে অংশীদার হিসাবে বাংলাদেশের শীর্ষ প্রকৌশল বিদ্যাপীঠ বুয়েটকে পাশে পেয়ে আমরা  কৃতজ্ঞ। আশা করি ভবিষ্যতেও তাদের এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের রাজধানীর অধিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে আমাদের অগ্রগণ্য ভূমিকার আরেকটি নিদর্শন হবে এই টাওয়ার।’

চলতি বছরে ইডটকো ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তাদের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন (প্রুফ অব কন্সেপ্ট- পিওসি) হিসাবে আরও কিছু বাঁশের টাওয়ার স্থাপন করবে। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি যেসব দেশে তাদের কার্যক্রম রয়েছে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ বাঁশের সহজলভ্যতা রয়েছে সেসব দেশে এই সল্যুশন নিয়ে যাবে। 

 

যখন ব্যায়ামের কথা আসে তখন ভালো ফলাফল পাওয়ার জন্য আপনার ফিটনেস রুটিনটিকে সমন্বয় করার প্রয়োজনীয়তার কথাও চলে আসে। । কিন্তু আপনার কসমেটিক পণ্যের  ক্ষেত্রে কী করেন আপনি? আপনি কী একই ধরনের কসমেটিক পণ্য সব সময় ব্যবহার করেন? তাহলে এই বিষয়ে একজন ডারমাটোলজিস্ট এর পরামর্শ জেনে নিই চলুন। 


একই ধরনের কসমেটিক পণ্য দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবহার করলে কোন সমস্যা নেই যদি সেটা আপনার ত্বকের জন্য উপযোগী হয়। বয়স, হরমোনের পরিবর্তন এবং স্ট্রেসের কারণে আপনার ত্বক পরিবর্তিত হতে পারে। তাই আপনার ত্বকের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে আপনার ত্বকের যত্নের রুটিনেও পরিবর্তন আনতে হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, নির্দিষ্ট কয়েক মাস আপনার ত্বক শুষ্ক বা তৈলাক্ত থাকতে পারে অন্য মাসের চেয়ে। তাই যখন আপনার ত্বক শুষ্ক থাকবে তখন আপনি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন আপনার শুষ্ক ত্বকের মোকাবেলায়। যদি পরিবর্তনের কারণে আপনার ত্বকের সমস্যা হয়, আপনার ত্বকে যদি পণ্যটি কাজ না করে তাহলে আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনার সেই পণ্যটি পরিবর্তন করার সময় এসেছে বুঝতে পারবেন আপনি।

আপনার ত্বকের পরিচর্যার পণ্য খুব ঘন ঘন পরিবর্তন করা উচিৎ নয়। যদি কোন পণ্য আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত না হয় তাহলে ত্বকে যন্ত্রণা হতে পারে বা ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। ত্বকে কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আপনার ত্বক পরীক্ষার মাধ্যমে ও উপসর্গ দেখে আপনার সমস্যা শনাক্ত করবেন এবং সে অনুযায়ী আপনাকে পরামর্শ দেবেন যাতে আপনি অপ্রয়োজনীয় কসমেটিকস এর পরিবর্তে ত্বকের উপযোগী কসমেটিক ব্যবহার করতে পারেন।

পরিশেষে বলা যায় যে, একই পণ্য সব সময় ব্যবহার করলে তা আপনার জন্য উপকারী নাও হতে পারে যদি না আপনি আপনার ত্বকের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে আপনার কসমেটিকগুলোর প্রয়োজনীয় সমন্বয় না করেন। এটাও মনে রাখবেন যে, কোন জিনিসই অতিরিক্ত করা ভালো নয়। গাদা গাদা রাসায়নিক ফেস প্যাক ব্যবহার করলে এবং স্ক্রাব করলে ত্বকের ক্ষতিই শুধু হবে।


খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফরিদুর রেজা সাগরের গল্প অবলম্বনে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘লাল সবুজের সুর’ চ্যানেল আইতে ওয়ার্ল্ড টিভি প্রিমিয়ার হবে ৩০ মার্চ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে। 
সরকারি অনুদানের এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন মুশফিকুর রহমান গুলজার। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন ওমর সানী, সুব্রত, সেরা জামান, রফিকুল্লাহ সেলিম, ঝুনা চৌধুরী, শিশুশিল্পী মাহি ও লিখন প্রমুখ।


মোগলাই ধরণের খাবারগুলো রান্না করতে সাধারণত বেশ ঝামেলা হয়। এতে অনেক উপকরণ দরকার হয়, অনেকটা সময় চলে যায়, আর রাঁধুনিকেও হতে হয় বেশ দক্ষ। কিন্তু আজকের এই রেসিপিটা তার তুলনায় অনেকটাই সহজ। দেখে নিন কোরমা ধাঁচে রান্না করা বাদামি মুরগির রেসিপিটি।
 
উপকরণ
- ১ কেজি মুরগির পিস
- আধা কাপ কাঠবাদাম (সারারাত ভিজিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া)
- ২ টেবিল চামচ লেবুর রস
- ১ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
- ৩ টেবিল চামচ টক দই
- ৫ টেবিল চামচ তেল
- ২টি মাঝারি পিঁয়াজ চিকন করে কাটা
- ২ টেবিল চামচ আদা বাটা
- ৩ টেবিল চামচ রসুন বাটা
- ৫/৬টা কাঁচামরিচ
- আধা কাপ দুধ
- ৪/৫টি এলাচ
- ২ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি
- ৪/৫টি লবঙ্গ
- ২টি তেজপাতা
- ১ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো
- লবণ স্বাদমতো
- চিনি স্বাদমতো
- সাজানোর জন্য ভাজা কাঠবাদাম এবং ধনেপাতা কুচি
 
প্রণালী
১) মুরগির মাংসে লেবুর রস, লবণ এবং মরিচের গুঁড়ো মাখিয়ে রাখুন আধা ঘন্টা।
২) দইয়ের সাথে গরম মশলা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন এবং মেরিনেট করা চিকেন এতে মাখিয়ে নিন। এরপর এটা ২-৩ ঘন্টা ফ্রিজে রাখুন। সম্ভব হলে সারারাত রাখুন।
৩) বড় একটি প্যানে আস্ত মশলাগুলো (এলাচ, দারুচিনি এবং লবঙ্গ) টেলে নিন। সুবাস এলে এতে তেল দিয়ে দিন। গরম তেলে তেজপাতা, পিঁয়াজ, এক চিমটি লবণ ও চিনি দিন। পিঁয়াজ নরম হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন।
৪) এরপর এতে আদা-রসুন বাটা দিন। ভালো করে মশলা কষিয়ে নিন। এরপর এতে মুরগির টুকরো দিয়ে দিন। ম্যারিনেডের মশলাটা ফেলে দেবেন না, রেখে দিন। মুরগির রং হালকা বাদামি হওয়া পর্যন্ত কষিয়ে নিন। নাড়তে থাকুন যাতে নিচে ধরে না যায়।
৫) কাঠবাদাম, দুধ, বাড়তি ম্যারিনেড এবং কাঁচামরিচ দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। মুরগি বাদামি হয়ে এলে এতে পেস্টটি দিয়ে দিন। ৫-৭ মিনিট রান্না হতে দিন। মাঝে মাঝে নাড়ুন। এরপর ১ কাপ গরম পানি দিন এতে। আঁচ কমিয়ে ঢাকনা চাপা দিয়ে রান্না করুন মুরগি নরম হয়ে আসা পর্যন্ত। এ সময়ে তেল ওপরে উঠে আসবে। দরকার হলে লবণ বা চিনি আরেকটু দিতে পারেন। এরপর আঁচ বন্ধ করে দিন।
 
ধনেপাতা এবং কাঠবাদাম দিয়ে পরিবেশন করুন বাহারি এই পদ। নান অথবা পোলাওয়ের সাথে দারুণ লাগবে এই খাবারটি।
 
টিপস
- আপনি ঝাল পছন্দ না করলে কাঁচামরিচের ভেতর থেকে বীজ বের করে ফেলে বাকিটা ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু কাঁচামরিচ একেবারে বাদ দেবেন না। এর ফ্লেভারটা এই ডিশের জন্য জরুরী।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.