আট দেশের ফ্লাইটে ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেট বহনে নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

 

ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটের মতো ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলো মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আট দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রগামী ও ফিরতি বিমানের ফ্লাইটে নেয়া যাবে না বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। বিমানে কেবিন ব্যাগেজ হিসেবে এই ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস বহন করতে যাতে না পারে সেজন্য নিষেধাজ্ঞা জারী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, ক্যামেরা, পিসি, ডিভিডি প্লেয়ার্স ও ভিডিও গেমস।  তবে মোবাইল ফোন ও স্মার্টফোন বিষয়ে এখনও কোনো কিছু বলা হয়নি। ব্যাগেজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন করা যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশের ১০টি বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট পরিচালনাকারী নয়টি এয়ারলাইনস এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে। তবে দেশগুলোর নাম জানানো হয়নি এবং সেটি কতদিন থাকবে সে বিষয়টি এখনও পরিষ্কার নয়।

তবে সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, রয়্যাল জর্ডানিয়ান এয়ারলাইনস সোমবার এক টুইটে উত্তর আমেরিকাগামী ও ফিরতি ফ্লাইটে যাত্রীরা কোনো ধরনের ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস বহন করতে পারবে না বলে ঘোষণা দেয়। কিন্তু কিছু সময় পর টুইট মুছে ফেলা হয়।

গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দুবাই ভিত্তিক একটি এয়ারলাইন্সের বিমান সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসু থেকে উড্ডয়নের পরপরই সেখানে বিস্ফোরণ হয়। তদন্তকারীরা জানিয়েছিলেন, একজন যাত্রী একটি ল্যাপটপের মধ্যে বোমা বহন করছিল।

ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটের মতো ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলো মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আট দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রগামী ও ফিরতি বিমানের ফ্লাইটে নেয়া যাবে না বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। বিমানে কেবিন ব্যাগেজ হিসেবে এই ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস বহন করতে যাতে না পারে সেজন্য নিষেধাজ্ঞা জারী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।