টাচপ্যাডের বিকল্প শরীরের চামড়া

টাচপ্যাডের বিকল্প শরীরের চামড়া 

বর্তমানে বাটন চেপে চেপে কাজ করার হার কমে আসছে। প্রযুক্তি দুনিয়ায় টাচস্ক্রিন আসার পর থেকেই মানুষের মাঝে এই পরিবর্তন ব্যাপকভাবে লক্ষণীয়। এভাবে প্রযুক্তি বিজ্ঞানীদের ধারাবাহিক সব নব্য উদ্ভাবনার হাত ধরে মানুষ অনেক দূর পর্যন্ত এসেছে।

যন্ত্রের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক ক্রিয়া আরো নিবিড় করতে বিজ্ঞানীদের মাথায় টাচপ্যাডের পরিবর্তে এখন নতুন কিছু এসেছে। এরইমধ্যে তা বাস্তবায়নও করেছেন তারা। কার্নেগী মেলন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের তৈরি সেই প্রযুক্তি মানুষের শরীরের চামড়াকে ডিভাইসের টাচপ্যাডের মতো কাজ করায়।

অভিনব আর বিষ্ময়কর এ প্রযুক্তি কিভাবে কাজ করবে, তার একটি ভিডিও ইতিমধ্যে অনলাইনে ছড়িয়ে গেছে। যেটা দেখে মনে করা হচ্ছে, ইনপুট দেয়ার এই পক্রিয়া বিজ্ঞানীদের একটি বিশাল পদক্ষেপ।

তথ্য মতে, স্ক্রিন ট্র্যাক পদ্ধতি একটি সিগনাল-ইমিটিং রিঙ  এবং একটি সেন্সিং ব্যান্ডের সমন্বয়ে কাজ করে। ব্যবহারকারীর আঙ্গুলে পড়া এই রিঙ চামড়ার ভেতর দিয়ে বৈদ্যুতিক সিগনাল পাঠায়। এরপর সিগনালগুলোকে সেন্সর ব্যান্ড তার ইলেকট্রোডের মাধ্যমে চিনে নেয়।

সবচেয়ে চমকপ্রদ ব্যাপার স্ক্রিন ট্র্যাকের মাধ্যমে স্মার্টওয়াচেও অ্যাঙ্গরি বার্ডসের মতো মজার মজার গেম খেলা সম্ভব হবে।

গবেষকরা তাদের নব্য-উদ্ভাবনার এ মুহূর্তের অবস্থা নিয়ে দাবি করছে, এটি  ৯৯ শতাংশ সঠিকভাবে কাজ করে। গড় ক্রুটি ৭.৫ মিমি.।

আশা করা হচ্ছে, নিখুঁতভাবে পদ্ধতিটি প্রকাশ হলে স্মার্টওয়াচের ভেতরেও এটি যথাযথভাবে স্থাপন করা যাবে। ফলে হাতের চামড়াতে স্পর্শ করে বর্তমানের সব কাজ মুহূর্তেই সারা ‍যাবে।

সেইসাথে পরিধেয় পণ্যের সাথে পারস্পরিক ক্রিয়ার ক্ষেত্রে পদ্ধতিটি আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে।

বর্তমানে বাটন চেপে চেপে কাজ করার হার কমে আসছে। প্রযুক্তি দুনিয়ায় টাচস্ক্রিন আসার পর থেকেই মানুষের মাঝে এই পরিবর্তন ব্যাপকভাবে লক্ষণীয়। এভাবে প্রযুক্তি বিজ্ঞানীদের ধারাবাহিক সব নব্য উদ্ভাবনার হাত ধরে মানুষ অনেক দূর পর্যন্ত এসেছে।