গুগল ম্যাপ সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন একটি ফিচার নিয়ে এসেছে। ফিচারটির নাম সেভ ইওর পার্কিং। এর সাহায্যে যেকোনও ব্যবহারকারী তাদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা সেভ করে রাখতে পারবেন। এতে পরবর্তীতে আবার সেখানে গেলে পার্কিংয়ের জন্য নতুন করে জায়গা খুঁজতে হবে না। গুগল ম্যাপই আপনাকে মনে করিয়ে দেবে আগের পার্কিংয়ের স্থানের কথা।


সেভ ইওর পার্কিং ফিচার ব্যবহার করতে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীকে গুগল ম্যাপের নীল ডট চিহ্নিত জায়গায় চাপ দিতে হবে। তারপর তিনি যেখানে অবস্থান করছেন সেটা দেখাবে এবং অন্যান্য অপশনের পাশাপাশি একেবারে নিচের দিকে সেভ ইওর পার্কিং অপশনটি আসবে। সেখানে ক্লিক করলেই সেভ হয়ে যাবে স্থানটি।

এই ফিচারের সাহায্যে পার্কিং সম্পর্কিত নোট টুকে রাখা যাবে। এছাড়া কতক্ষণ একটি জায়গায় আপনার গাড়ি পার্ক করা ছিল তাও ফিচারটির মাধ্যমে জানা যাবে। এসব কারণে সেভ ইওর পার্কিং ফিচারের মাধ্যমে গাড়ি পার্কিং সম্পর্কিত জটিলতা অনেকটাই কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফেসবুকের কাছে তথ্যের আবদার বাড়িয়েছে সরকার 


 বাংলাদেশ সরকার ফেসবুকের কাছে গত বছরের শেষ ছয় মাসে ৪৯টি অনুরোধ করেছে। এতে ৫৭টি অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধের ক্ষেত্রে ২৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ তথ্য দেওয়ার কথা বলেছে ফেসবুক।


২৭ এপ্রিল ফেসবুকের প্রকাশ করা ‘গ্লোবাল গভর্নমেন্ট রিকোয়েস্টস রিপোর্ট’ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ফেসবুক প্রতি ছয় মাস পরপর এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে কোন দেশের সরকার ফেসবুকের কাছে কী ধরনের অনুরোধ জানায়, তা তুলে ধরা হয়। তবে কোন অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়, তা উল্লেখ করা হয় না।

এর আগে গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত তথ্য নিয়ে ২১ ডিসেম্বর ফেসবুক প্রকাশিত ‘গ্লোবাল গভর্নমেন্ট রিকোয়েস্টস রিপোর্ট’-এ বলা হয়, ওই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৯টি অ্যাকাউন্টের ব্যাপারে ১০টি অনুরোধ করা হয়েছিল।

অর্থাৎ, ২০১৬ সালে ফেসবুকের কাছে বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকে মোট ৫৯টি অনুরোধ করা হয়েছে।

ফেসবুক প্রকাশিত প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশে দেখা যায়, আইনি প্রক্রিয়ার (লিগ্যাল প্রসেস) জন্য ২৪টি অনুরোধে ৩২টি অ্যাকাউন্টের তথ্য জানতে চাওয়া হলে ফেসবুক আট দশমিক ৩৩ শতাংশ ক্ষেত্রে তথ্য দিয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ২৫টি অনুরোধে ২৫টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হলে ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে সাড়া দিয়েছে ফেসবুক।

এ ছাড়া প্রথমবারের মতো ফেসবুকের এ প্রতিবেদনে সরকারিভাবে ফেসবুক বন্ধ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে একবার ফেসবুক বন্ধ করার তথ্য প্রকাশ করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ থেকে অপরাধ তদন্ত বিষয়ে ১৫টি অ্যাকাউন্টের তথ্য ৯০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের অনুরোধও পাওয়ার কথা ওই প্রতিবেদনে বলেছে ফেসবুক।

 


অবশেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। প্রতিষ্ঠানটি বাজার থেকে নোট-৭ প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল, তার অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পেরেছে।


স্যামসাং গত বছরের শেষ তিন মাসের আয়ের হিসাব প্রকাশ করেছে সম্প্রতি। সেখানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি তাদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি মুনাফা তুলে নিতে সক্ষম হয়। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ছিল বাজার থেকে ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার আয় করা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা ৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন আয় করে যা ২০১৫ সালের শেষ তিন মাসের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি।

এর আগে গত বছর নোট-৭ স্মার্টফোনটি নিয়ে বেশ বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়ে স্যামসাং। এই ফোনের ব্যাটারিতে আগুন ধরে যাওয়ার অভিযোগে ২৫ লাখ সেট বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এরপর বিরাট লোকসানের মুখোমুখি হয় প্রতিষ্ঠানটি। তবে শেষ তিন মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আয় হওয়ায় ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্যামসাং। মূলত মেমোরি চিপ, টেলিভিশনের ফ্ল্যাট স্ক্রিন ও স্মার্টফোনের চাহিদা বেড়ে যাওয়াতে এই মুনাফা অর্জন সম্ভব হয়।

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং এ বছর বেশ বড় উদ্দেশ্য নিয়েই নেমেছে। তারা স্মার্টফোন বাজারে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে থাকতে চায়। ইতিমধ্যে স্যামসাং এস-৮ এবং নোট-৮ নামের দুটি নতুন স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। বিশ্বব্যাপী এগুলোর চাহিদাও নাকি উল্লেখযোগ্য। তবে নতুন স্মার্টফোনগুলোতে যেন নোট-৭ এর মতো কোনও সমস্যা দেখা না দেয় সে ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে তারা।



  

  বর্ষায় ছাতা রেইনপকোট সব গুছিয়ে নেওয়ার পর যদি পায়ের দিকে খেয়াল না দেওয়া হয় তাহলে সব সব সাজসজ্জা মাটি হয়ে যাবে। এছাড়া কাদা পানিতে একাকার অবস্থা হয়ে যাবে। বর্ষায় নিচু হিলের রাবারের জুতা বেছে নিন। এ মৌসুমে চামড়া বা কাপড়ের জুতা অনুপযোগী। কারণ একবার ভিজলে জুতাতো নষ্ট হবেই, সেই সঙ্গে ভেজা জুতা থেকে ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। পুঁতি ও জরি বসানো জুতা কাদায় নোংরা হয় তাড়াতাড়ি।


বাজারে এসেছে রাবার, রেক্সিন ও স্পঞ্জের তৈরি বিভিন্ন ডিজাইনের জুতা এবং স্যান্ডেল। যা পানিতে ভিজলেও নষ্ট হয় না। এছাড়াও আছে বিভিন্ন ধরনের পানিরোধক গামবুট।


স্টাইলিশ বর্ষার জুতা পাবেন এলিফ্যান্ট রোড, ইস্টার্ন প্লাজা, রাপা প্লাজা, রাইফেলস স্কয়ার ও বসুন্ধরা সিটিতে। নিউমার্কেট ও গাউছিয়ার ফুটপাতে মিলবে বর্ষার স্যান্ডেল এবং স্লিপার। পাদুকা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বাটা এনেছে বিভিন্ন ডিজাইনের স্যান্ডেল। গ্যালারি এপেক্সে পাবেন গামবুট। 
 


দাম : আকারে ছোট গামবুটের দাম  ৩৫০ থেকে ৯শ টাকা। বড় আকারের দাম ৫৫০ থেকে ২৫শ টাকা। রাবার ও স্পঞ্জের জুতা ৩শ থেকে ১ হাজার টাকা। দুই ফিতা বেল্টযুক্ত স্যান্ডেল ২শ থেকে ৬শ টাকা। ফুটপাতে স্যান্ডেল মিলবে ১৫০-২৪০ টাকায়।

 


তিন মাসের ব্যবধানে আজ (২৮ এপ্রিল) আবারও মুক্তি পেয়েছে বাপ্পি-পরীমনি জুটির নতুন সিনেমা। নাম ‘আপন মানুষ’।


শাহ আলম মণ্ডলের পরিচালনায় এটি ঢাকাসহ দেশের ৯০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। ইমন খান ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত এ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন শ্রাবণ শাহ, এমিয়া এমি, মিশা সওদাগর, ডি জে সোহেলসহ আরো অনেকে।

বাপ্পি চৌধুরী ও পরীমনি এর আগে ফারুক ওমরের ‘লাভার নাম্বার ওয়ান’ ও ওয়াকিল আহমেদের ‘কত স্বপ্ন কত আশা’ ছবিতে জুটি বাঁধেন। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি এ জুটির ‘কত স্বপ্ন কত আশা’ ছবিটি মুক্তি পায়।

উল্লেখ্য, ‘আপন মানুষ’ ছবির বাইরে পরীমনি অভিনীত ‘অন্তর জ্বালা’ ও ‘স্বপ্নজাল’ ছবি দুটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। আর বাপ্পি বর্তমানে আইরিনকে নিয়ে ‘ভোলা’ নামের একটি ছবির শুটিং করছেন।

শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতা 


 বিশ্বের তিন শতাধিক নগরীর মতো তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশে আয়োজিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৭’।


আজ ২৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজনকারী সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এই তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বের তিন শতাধিক নগরীর মতো বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, রংপুর, খুলনা ও বরিশালে বড় পরিসরে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। এবারের প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্যায়ের ৫০টি দল এই হ্যাকাথনে অংশগ্রহণ করবে। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাস্থ ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (আইইউবি)-এ এই ফাইনাল হ্যাকাথন হবে বলে জানিয়েছে বেসিস।

এই বিষয়ে বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় নির্বাচিতদের অভিনন্দন। আশাকরি ফাইনাল হ্যাকাথনের মাধ্যমে আমরা ভালো কিছু পাব। একইসাথে নাসার প্রতিযোগিতায়ও বাংলাদেশ ভালো করবে।

বেসিসের পরিচালক, বেসিস স্টুডেন্টস ফোরামের আহ্বায়ক ও এবারের নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের যুগ্ম-আহ্বায়ক রিয়াদ এস এ হোসেন বলেন, নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ একটি প্লাটফর্ম। এই প্লাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে আমরা ভালো উদ্যোগ আনতে পারবো। শুধু নাসার এই প্রতিযোগিতায় নয়, প্রকল্পগুলো উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা সেটিকে ব্যবসায়ে রূপান্তর করাতে পারবো। এবারের আয়োজনের অংশ হিসেবে আমরা শতাধিক ইউনিভার্সিটিতে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ডেটা বুটক্যাম্প করেছি। সেখান থেকে ৫০টি দল বাছাই করা হয়েছে। ফাইনাল হ্যাকাথনে নির্বাচিত দলগুলো নাসার ফাইনাল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের যুগ্ম-আহ্বায়ক আরিফুল হাসান অপু বলেন, নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ বর্তমানে বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা। গতবছর আমরা পিপল চয়েজ ক্যাটাগরিতে শীর্ষ ৩ টিমের মধ্যে স্থান পেয়েছিলাম। এবছর আমরা প্রথম অবস্থানে যেতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি।

এবারের প্রতিযোগিতার সহযোগিতায় রয়েছে বেসিস স্টুডেন্টস ফোরাম, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম ও ক্লাউড ক্যাম্প বাংলাদেশ। এছাড়া প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে প্রিজম ইআরপি। অ্যাকাডেমিক পার্টনার হিসেবে আছে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতা সম্পর্কে ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত জানা যাবে।

 



২০১২ সালে শুটিং শুরু। মাঝে টানা পাঁচ বছর। অবশেষে ৫ মে মুক্তি পাচ্ছে ‘পরবাসিনী’। দেশের প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিভিত্তিক এই ছবিটি বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, আরবআমিরাতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তি পাচ্ছে একসঙ্গে অথবা একই মাসে।


আর এই সুখ সংবাদ জানাতেই ‘পরবাসিনী’র পরিচালক স্বপন আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম কোনও সংবাদ সম্মেলন করলেন। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুলশানের এক অভিজাত হোটেলে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সের বাংলাদেশস্থ অ্যাম্বাসেডর সোফি ওবাট, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, প্রযোজনা সংস্থা রেগে এন্টারটেইনমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম জামাল উদ্দিন, বাংলাদেশের পরিবেশনা দায়িত্বে থাকা টিওটি ফিল্মসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রযোজক খোরশেদ আলম, আন্তর্জাতিক পরিবেশনার দায়িত্বে থাকা স্বপ্ন স্কেয়ারক্রোর সিইও সৈকত সালাহউদ্দিন, ছবিটির পরিচালক স্বপন আহমেদ, অভিনয়শিল্পী মামনুন হাসান ইমন, অপ্সরা আলী, সোহেল খান, দাউদ হোসাইন রনি প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে সোফি ওবাট বলেন, ‘আমাকে এই আয়োজনে অতিথি হিসেবে ডেকেছেন এজন্য ধন্যাবাদ। ছবিটি প্যারিসে শুটিংয়ের সময়ও চেষ্টা করেছি সহযোগিতা করার। ভবিষ্যতেও পাশে থাকবো।’

 




ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, ‘স্বপন আহমেদ অনেক সময় নিয়ে কাজ করেন। যত্ন সহকারে ছবি নির্মাণে সময় একটু লাগে। এই ছবিতে দর্শক নতুন কিছু পাবে। নির্মাতার জন্য শুভকামনা রইল।’

প্রযোজক খোরশেদ আলম বলেন, ‘বর্তমানে চলচ্চিত্রের ক্রান্তিকাল চলছে। বিশেষ করে সাউথ ইন্ডিয়ার অনুকরণ প্রীতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দর্শক বিরক্ত এসব ছবি দেখে। এসময়ে এসে স্বপন আহমেদ ভিন্নধর্মী এ ছবি নির্মাণ করেছেন। তাকে সাধুবাদ জানাই।’ 

এদিকে পরিচালক স্বপন আহমেদ ‘পরবাসিনী’ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘আমাদের পাঁচ বছরের যুদ্ধের ফসল এই সিনেমা। তাই সবাইকে প্রেক্ষাগৃহে এসে এটি উপভোগ করার অনুরোধ করছি।’ 
‘পরবাসিনী’তে ইমন ছাড়াও অভিনয় করেছেন রিথ মজুমদার, সব্যসাচী চক্রবর্তী, জুন মালিয়া, উর্বশী রতেলা, সোহেল খান, অপ্সরা আলী, চাষী আলম  প্রমূখ।


২০১২ সালে প্রথমে নিরব ও মেহজাবীনকে নিয়ে সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়। পরবর্তীতে অভিনয়শিল্পীদের পরিবর্তন হয়। ইমন, উর্বশী রতেলা, সব্যসাচী, অপ্সরাসহ আরও  বেশ ক’জন নতুন করে প্রবেশ করেন এতে। বাদ পড়েন নিরব ও মেহজাবীন।

সিনেমাটির শুটিং হয়েছে বাংলাদেশ, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম, জার্মানি ও ইতালিতে।

কেন ঠান্ডা বা বরফ দেয়া পানি পান করা উচিৎ নয়? 

আপনি কী গরমের সময়ে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করেন? তাহলে এটি আপনার জন্য একটি ক্ষতিকর অভ্যাস। বরফের অনেক উপকারিতা আছে এটা আমরা জানি। যদিও ঠান্ডা পানি বা বরফ দেয়া পানি পান করলে অস্থায়ী প্রশান্তি পাওয়া যায়, কিন্তু নিয়মিত বরফ পানি পান করলে স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ে। কেন ঠান্ডা বা বরফ দেয়া পানি পান করা উচিৎ নয় সে বিষয়ে জেনে আসি চলুন।


১। হজমে বাঁধার সৃষ্টি করে

ঠান্ডা পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়ায় বাঁধার সৃষ্টি হয়, কারণ ঠান্ডা পানি রক্তনালীকে সংকুচিত করে দেয়। এটি হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। যদি খাবার ঠিকমত হজম না হয় তাহলে পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয়ে যায় এবং শরীরে সঠিকভাবে শোষিত হয়না।

২। পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয়ে যায়

আমাদের শরীরের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। যখন আপনি খুব কম তাপের পানীয় পান করেন তখন আপনার শরীরকে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক বেশি শক্তি ব্যয় করতে হয়। এই ক্ষয়িত শক্তি হজমের কাজে ব্যবহার হতে পারতো এবং শরীরে পুষ্টি শোষিত হতে পারতো। এ কারণেই ঠান্ডা পানি নিয়মিত পান করলে শরীর কম পুষ্টি পায়।

৩। গলা ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়

ঠান্ডা পানি পান করলে শ্বাসযন্ত্রে শ্লেষ্মা জমা হয়। শ্লেষ্মা শ্বাসনালীর সুরক্ষা নিশ্চিত করে। কিন্তু যখন এই শ্লেষ্মা জমে যায় তখন শ্বাসনালী উন্মুক্ত বা প্রকাশিত হয়ে যায় এবং সংক্রমণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে গলাব্যথা হতে পারে।

৪। হৃদস্পন্দন কমায়

ঠান্ডা পানি পান করলে হৃদস্পন্দন কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ঠান্ডা পানি পান করলে ভেগাস স্নায়ু উদ্দীপিত হয়। ভেগাস স্নায়ু হচ্ছে করোটির ১০ ক্রেনিয়াল স্নায়ু যা শরীরের স্বতন্ত্র স্নায়ুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি শরীরের অনিচ্ছাকৃত কাজগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। ভেগাস স্নায়ু হৃদস্পন্দনের মাত্রা কম হওয়া এবং ঠান্ডা পানির কম তাপমাত্রার মধ্যস্থতা করে উদ্দীপক হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে, যার ফলে হৃদস্পন্দন কমে যায়।

৫। চর্বি জমা হয়

খাবারের সাথে সাথে যদি ঠান্ডা পানি পান করেন অথবা খাওয়ার পর পরই যদি ঠান্ডা পানীয় পান করেন তাহলে খাদ্যে উপস্থিত চর্বি কঠিন আকার ধারণ করে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত চর্বি হজম হওয়া কঠিন হয়ে যায়। 

ঠান্ডা পানি পান করলে বেশি ক্যালোরি পুড়ে এটা সত্যি। কিন্তু যেহেতু হজম প্রক্রিয়াকে সহজ রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ তাই ক্যালোরি পোড়ানোর জন্য অন্য উপায় বেছে নেয়া জরুরী। সাধারণ তাপমাত্রার পানি পান করাই স্বাস্থ্যসম্মত। কারণ স্বাভাবিক পানি পান করলে হজমের কাজে সহায়তাকারী প্রাকৃতিক এনজাইম উদ্দীপিত হয় বলে হজম হয় ভালোভাবে।   

গ্রামীণফোনকে ‘৩ কোটি ব্লক সিম’ বিক্রির অনুমতি 


 বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের ব্লক, নিবন্ধনবিহীন এবং বাতিল সিম পুনরায় বিক্রির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তবে গ্রামীণফোন নতুন করে যে নম্বর সিরিজ বরাদ্দ চেয়েছিল সেটা দিতে সম্মত হয়নি কমিশন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।


গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পেটার ফারবার্গ গত ২৩ এপ্রিল বিটিআরসির চেয়রাম্যান বরাবর সিম বিক্রির ইস্যু নিয়ে চিঠি দিয়েছেন। তিনি চিঠিতে লিখেছেন, বর্তমান সিরিজের নম্বর প্ল্যানে আমরা সিম বিক্রি অব্যাহত রাখতে পারব না। আগামী ১১ মে ২০১৭-এর মধ্যে আমাদের সব সিম বিক্রি শেষ হয়ে যাবে। এ জন্য নতুন নম্বর সিরিজের অনুমতি প্রয়োজন।

গ্রামীণফোন এর আগে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছিল। সমস্যার বিষয়টি বিবেচনা করে সংস্থাটি গত বছর ২১ আগস্ট শর্তসাপেক্ষে গ্রামীণফোনের নামে ‘০১৩’ নামের নতুন একটি নম্বর সিরিজ বরাদ্দ দিয়েছিল। তবে পুনরায় কমিশন আলোচনা করে নিরীক্ষা কার্যক্রমসহ আরও কয়েকটি পুরানো সমস্যার সমাধান করতে অপারেটরটিকে এই সিরিজ দেওয়ার বিষয়টি স্থগিত রাখা হয়।

সূত্র জানিয়েছে, কমিশন অনেকটা তড়িঘড়ি করেই গ্রামীণফোনকে নতুন আরেকটি নম্বর সিরিজ বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে এরই মধ্যে সরকারের টেলিযোগাযোগ বিভাগের কর্মকর্তারা এত সহজে ও নিঃখরচায় অপারেটরটিকে আরেকটি নম্বর সিরিজ দেওয়ার বিষয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে বিরোধিতা করেন। কর্মকর্তাদের মতে, ১৯৯৭ সালে যখন তিনটি অপারেটরকে নামমাত্র মূল্যে স্পেকট্রাম ও লাইসেন্স দেওয়া হয়, তখন সেটা ছিল সময়ের বাস্তবতা। পরে এর সুফল দেশ ও অপারেটরগুলোও পেয়েছে।

এরপর অপারেটরগুলো সেবার বিপরীতে অনেক মুনাফা করছে এবং সরকারও এ খাত থেকে আয় করতে চাইছে। বিটিআরসির কর্মকর্তারা বলেন, নতুন নম্বর সিরিজ দেশের সম্পদ। এটি কোনো অবস্থাতেই বিনাখরচায় দেওয়া যায় না। তবে সাময়িক সমস্যা সমাধানের জন্য শেষ পর্যন্ত গ্রামীণফোনের ব্লক, নিবন্ধনবিহীন এবং বাতিল সিম পুনরায় বিক্রির অনুমতি দিয়েছে বিটিআরসি। বর্তমানে গ্রামীণফোনের মোট সক্রিয় গ্রাহক রয়েছে ৫ কোটি ৯৯ লাখ।

এ ব্যাপারে বিটিআরসির চেয়ারাম্যান ড. শাজাহান মাহমুদ বলেন, আগামী ১১ মে থেকে গ্রামীণফোন নতুন সিম বিক্রি করতে সমস্যায় পড়বে বলে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে সেটা সত্য নয়। কারণ এখনও তাদের কাছে লাখ লাখ সিম খালি রয়েছে। তবে এখন থেকে তাদের ব্লক সিমগুলোও বিক্রি করতে পারবে।

তিনি জানান, ভিওআইপির দায়ে অভিযুক্ত সিমের বিপরীতে গত জানুয়ারি মাসে ৭ কোটি ৩২ লাখ ৯৩ হাজার ১৯ টাকা জরিমানা বাবদ বিটিআরসির কাছে জমা দেওয়া সাপেক্ষে তাদের এসব সিম পুনরায় বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়। তবে গ্রামীণফোনের বর্তমান ব্যবহারকারীরা এখন প্রচণ্ড কলড্রপের সমস্যায় রয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বিকেলের নাস্তায় ঝটপট তৈরি করে ফেলতে পারেন নুডলস। একইভাবে রান্না করা নুডলস খেতে একঘেয়েমি লাগলে তৈরি করে নিন মজাদার চিলি-গার্লিক নুডলস। অতিথি অ্যাপায়নেও ভিন্ন স্বাদ নিয়ে আসবে আইটেমটি।

জেনে নিন কীভাবে রান্না করবেন-

ভিন্ন স্বাদের চিলি-গার্লিক নুডলস 

জেনে নিন কীভাবে রান্না করবেন-
উপকরণ
নুডলস- ১ কাপ
গাজর কুচি- আধা কাপ
রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ
লবণ- স্বাদ মতো
পেঁয়াজ কুচি- আধা কাপ
আদা বাটা- আধা টেবিল চামচ
মরিচ-রসুন বাটা- আধা টেবিল চামচ
তেল- ২ টেবিল চামচ






প্রস্তুত প্রণালি

প্যানে ৩ কাপ পানি গরম করুন। ফুটে উঠতে শুরু করলে নুডলস দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ নুডলস নামিয়ে পানি ঝরিয়ে আলাদা করুন। মাঝারি আঁচে প্যানে তেল গরম করুন। সামান্য গরম হলে গাজর কুচি, পেঁয়াজ কুচি, আদা-রসুন বাটা, লবণ ও মরিচ-রসুন বাটা দিয়ে নাড়তে থাকুন। মসলার মিশ্রণে সেদ্ধ নুডলস দিয়ে দিন। ভালো করে নাড়ুন ৫ মিনিট। চুলার জ্বাল কমিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে নিন প্যান। ২ থেকে ৩ মিনিট রান্না করুন। ঝাল খেতে পছন্দ করলে কাঁচামরিচ দিতে পারেন।
রান্না হয়ে গেলে নামিয়ে ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার চিলি-গার্লিক নুডলস।

 


তাকে বলা হয় বলিউড অন্যতম হার্টথ্রব। সত্তর-আশির দশকের ঝড় তোলা সেই নায়ক বিনোদ খান্না আর নেই। থেমে গেছে তার হৃদয় স্পন্দন। বৃহস্পতিবার সকালে সবাইকে ছেড়ে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন বিনোদ (৭০)।

 



বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন শতাধিক সিনেমায়। এছাড়া রাজনীতিতেও ছিল তার সরব বিচরণ। পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। মৃত্যুর সময় তার পাশে ছিলেন স্ত্রী কবিতা খান্না, ছেলে রাহল ও অক্ষয় খান্না এবং মেয়ে শ্রদ্ধা।

১৯৭০ ও ৮০ এর দশকে সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল ছিলেন বিনোদ। প্রথমদিকে তাকে নেতিবাচক ও ছোট চরিত্রের জন্য প্রস্তাব করা হতো। ১৯৬৮ সালে ‘মান কা মিত’ ছবিতে অভিষেক হয় তার। মেরে আপনে, মেরা গাঁও মেরা দেশ, ইমতিহান, ইনকার, অমর আকবর অ্যানথনি ছবি দিয়ে আলো কাড়েন তিনি।

‘হাতি মেরা সাথি’ ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জেতেন। এরপর ১৯৯৯ (ফিল্মফেয়ার), ২০০১ (কালাকার) ও ২০০৭ (জি-সিনে পুরস্কার) সালে পান আজীবন সম্মাননা পুরস্কার।

১৯৮২ সালে তিনি অভিনয় থেকে অবসরে যান। এরপর পাঁচ বছর পরে আবারও ‘ইনসাফ’ ও ‘সত্যমে জয়তে’ ছবির মাধ্যমে সদর্পে ফিরে আসেন।

রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকলেও বলিউডে ঠিকই নিজের জাদু দেখিয়েছেন। বলিউড অন্যতম খান সালমান তাকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করতেন। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে অসুস্থ বিনোদকে দেখতেও গিয়েছিলেন সালমান।  তার সর্বশেষ জনপ্রিয় ছবিগুলোর মধ্যে আছে- ‌ দাবাং, প্লেয়ার্স ও দিলওয়ালে।

 


 চুলে মেহেদি ব্যবহার করা খুব সাধারণ একটি ঘটনা। চুল পড়া বন্ধ করা থেকে শুরু করে চুলের গোড়া মজবুত করতে মেহেদির জুড়ি নেই। কিন্তু মেহেদি চুলে দেয়ার আগে কিছু নিয়ম আছে  যা অবশ্যই পালনীয়। অনেক সময় এই নিয়ম না মানার কারণে মেহেদির সঠিক ফল পাওয়া সম্ভব হয় না। চুলে মেহেদি দেয়ার আগে করুন কিছু কাজ, যা মেহেদির সম্পূর্ণ গুণকে কাজে লাগাবে। আসুন তাহলে জেনে নিন চুলে মেহেদি দেয়ার কিছু টিপস।


১। মাথায় তালুতে কোনো ইনফেকশন

চুলে মেহেদি ব্যবহারে আগে ভালো করে দেখে নিন মাথার তালুতে কোনো ইনফেকশন আছে কিনা। মাথার তালুতে কোনো ইনফেকশন থাকলে মেহেদি না দেয়াই ভালো।  তাই ইনফেকশন ভালো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ইনফেকশন ভালো হওয়ার পর চুলে মেহেদি ব্যবহার করুন।

২। ভ্যাসলিনের ব্যবহার

চুলে মেহেদি দেয়ার সময় কপাল, কানের আশেপাশে মেহেদি লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কপালে, কানের আশেপাশে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। এতে করে শরীরে অন্যান্য অংশগুলোতে মেহেদি রং লাগবে না।

৩। লেবুর রসের ব্যবহার নয়

অনেকেই মেহেদির প্যাকে লেবুর রস ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু মেহেদিতে লেবুর রস ব্যবহার করা উচিত নয়। লেবুর রসে অ্যাসিড আছে যা চুলকে শুষ্ক করে দেয়। লেবুর রসের পরিবর্তে আপনি চায়ের লিকার বা কফি ব্যবহার করতে পারেন। এটি মেহেদির রং আরও গাঢ় করবে।

৪। চুল কালার করা থাকলে

আপনি যদি চুল রং করে থাকেন, তবে মেহেদি লাগাবেন না। কেমিক্যাল রং  এবং মেহেদি রং দুটি মিশে আপনার চুলের ক্ষতি করতে পারে। এমনকি চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। চুলে রং করার ৬ মাস পর মেহেদি লাগাবেন।

৫। লেবুর রসের ব্যবহার

অনেকেই মেহেদির প্যাকে লেবুর রস ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু মেহেদিতে লেবুর রস ব্যবহার করা উচিত নয়। লেবুর রসে এসিড আছে যা চুলকে শুষ্ক করে দেয়। লেবুর রসের পরিবর্তে আপনি চায়ের লিকার বা কফি ব্যবহার করতে পারেন। এটি মেহেদির রং আরও গাঢ় করবে। মেহেদির পেস্ট ঘন করার জন্য চিনি ব্যবহার করতে পারেন।

৬। চুল রুক্ষ করে তোলে

অনেকেই বলে মেহেদি চুল রুক্ষ করে থাকে। হ্যাঁ, আপনার মাথার তালু রুক্ষ হলে মেহেদি চুল রুক্ষ করে তুলবে। তাই মেহেদির প্যাকের সাথে তেল, টকদই ব্যবহার করুন। কিংবা মেহেদি লাগিয়ে শ্যাম্পু করে মাথায় তেল লাগান।

৭। সময় দিন

মেহেদি লাগিয়ে সাথে সাথে চুল ধুয়ে ফেলবেন না। কমপক্ষে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এতে মেহেদির রং চুলে ভালভাবে বসবে। তাই হাতে সময় নিয়ে চুলে মেহেদি লাগান।

 Google-search-changes-to-stop-false-news

সার্চ জায়ান্ট গুগল এবার ভুয়া সংবাদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য রুখতে তাদের সার্চ পদ্ধতিতে পরিবর্তন নিয়ে আসছে। ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে ভুয়া সংবাদ ছড়ানো, সার্চ এর ফলাফলে উগ্রপন্থী কনটেন্ট বা ভুয়া সংবাদ দেখানো নিয়ে কঠিন সমালোচনার মুখে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি।


এক ব্লগ পোস্টে গুগল জানিয়েছে, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে এর অ্যালগরিদমকে অপব্যবহার করে উগ্রপন্থীদের কনটেন্ট প্রচারের চেষ্টা ব্যাহত হবে। আর নতুন পরিবর্তনে গুগল তাদের অ্যালগরিদমকে এমন ভাবে সাজিয়েছে যেখানে ‘ভুয়া খবরের’ কোনো লিংক সবার উপরে দেখাবে না। তবে ভুয়া খবরগুলো সার্চ অপশন থেকে মুছে ফেলা হবে না। এর বদলে এগুলোকে ‘নিম্নমানের’ খবর বলে চিহ্নিত করে সেগুলোকে সার্চ ফলাফলের সবার নীচে নামিয়ে দেয়া হবে।

গুগল সার্চ বিভাগের প্রকৌশলবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট বেন গোমেজ বলেন, গুগল সার্চের অ্যালগরিদম এর কৌশল ব্যবহারকারীরা বুঝে ফেলায় নতুন করে ‘কাঠামোগত’ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

 The-new-VR-camera-of-17-thousand-dollars-has-17-lenses



সার্চ জায়ান্ট গুগল নতুন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ক্যামেরা উন্মুক্ত করে ভিআর প্ল্যাটফর্মে পাকাপাকি করল তাদের অবস্থান। চীনা ক্যামেরা প্রতিষ্ঠান ই হ্যালোর (Yi Halo) সাথে যৌথভাবে এই ক্যামেরা উন্মুক্ত করছে গুগল।


ই হ্যালো নামের এই ক্যামেরা লাসভেগাসে উন্মুক্ত করা হয়েছে এবং এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ হাজার মার্কিন ডলার। এই ক্যামেরা ৮কে রেজলিউশনে পার সেকেন্ডে ৩০টি ফ্রেম ক্যাপচার করতে পারে এবং ৫.৮ কে পার সেকেন্ডে ৬০ ফ্রেম ক্যাপচার করতে পারে। এছাড়াও ভিডিও দেখার জন্য এখানে একটি ছোট ডিসপ্লেও রয়েছে। আর ক্লাউডের মাধ্যমে ক্যামেরার ছবি ও তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে।

বেশিরভাগ ভিআর ক্যামেরা রিগসের মতো ই হ্যালো’তে বড় একটি ক্যামেরার সঙ্গে একটি রিঙে অনেকগুলো অ্যাকশন ক্যামেরা যুক্ত করা। এবং এই ক্যামেরার ওজন প্রায় ৮ পাউন্ডের মতো। এই ক্যামেরার ব্যাটারি ১০০ মিনিট পর্যন্ত ব্যাকআপ দিবে।

The-countrys-first-Digital-Island-started-in-Moheshkhali 


 বাংলাদেশের কক্সবাজারের উপকূলবর্তী দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীকে ‘ডিজিটাল আইল্যান্ড’ হিসেবে রূপান্তরের জন্য একটি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ২৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। এর উদ্যোক্তা আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা বা আইওএম বলছে এটি বাস্তবায়িত হলে শহরের ভালো চিকিৎসক ও শিক্ষকদের সহায়তা পাবে স্থানীয়রা।


সংস্থাটি মূলত উচ্চ গতির ইন্টারনেটের মাধ্যমে দ্বীপের মানুষের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে শিক্ষা,স্বাস্থ্য ও ই-কমার্স এ তিনটি খাতে বিশেষভাবে দ্বীপবাসীকে সহায়তা করা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ‘শিক্ষামূলক কর্মসূচি’ চালু ও শিক্ষার্থীদের এমআইএস ডেটাবেইস তৈরি, কৃষকদের জন্য ই-বাণিজ্য সুবিধা, তথ্যপ্রযুক্তিতে শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষ করতে প্রশিক্ষণ ইত্যাদি কার্যক্রম চালু করা হবে।

‘কনভার্টিং মহেশখালী ইনটু ডিজিটাল আইল্যান্ড’ প্রকল্পে ব্যয় হবে প্রায় ২২ কোটি ৩৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা। আর এর কাজ ২০১৮ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হবে।

বাজেট সাশ্রয়ী মেইজু ই২ উন্মুক্ত 



চীনা প্রতিষ্ঠান মেইজু তাদের বাজেট সাশ্রয়ী ফোন মেইজু ই২ উন্মুক্ত করেছে। ইউনিবডি মেটাল ডিজাইনের এই ফোন ২৯ এপ্রিল থেকে চীনের বাজারে ১ হাজার ২৯৯ ইয়েনে পাওয়া যাবে।


নতুন এই ফোনটিতে ক্যামেরা ফ্ল্যাশের জন্য চারটি ফ্ল্যাশ ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের দাবি, এই ফোনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ফিচারটি এতটাই দ্রুতগতির যে ০.২ সেকেন্ডেরও কম সময়ে ফোন আনলক করতে সক্ষম। মেইজু ই২ ফোনের স্পেসিফিকেশনে আছে মিডিয়াটেক হেলিও প্রসেসর এবং ১৯২০*১০৮০ পিক্সেলের ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে। সেলফির জন্য আছে ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা। ব্যাকআপের জন্য ফোনটিতে আছে ৩৪০০ এমএএইচ ব্যাটারি। এই ব্যাটারি ৩০ মিনিট চার্জেই ৪০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ হতে সক্ষম।

ল্যারি পেজের পরে এবার সের্গেই ব্রিনের ‘এয়ারশিপ’ প্রকল্প 


সম্প্রতি গুগলের প্রধান এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজের ফ্লাইং কার কিট্টি হক প্রোটোটাইপ উন্মুক্ত করা হয়েছে। আর এবার জানা গেলো, প্রতিষ্ঠানের আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন গোপনে ‘এয়ারশিপ’ প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছেন বলে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। 


নাসা এইমস রিসার্চ সেন্টার-এর হ্যাঙ্গার ২-এ গোপনে একটি বিশাল আকাশযান বানাচ্ছেন তিনি। আর এটি দেখতে জেপলিন এর মতো। জেপলিন হলো বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের জার্মান আকাশযান। এটি লম্বা, নলাকৃতি ও একটি শক্ত কাঠামোতে বানানো হয়।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিন-এর এই আকাশযান প্রকল্পের সঙ্গে অ্যালফাবেট-এর কোনো সম্পর্ক নেই। নাসা এইমস এর সাবেক পরিচালক অ্যালান ওয়েসটন ব্রিনের এই এয়ারশিপ প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে ওয়েস্টন এই প্রকল্পের বিষয়ে কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানান।


 আইফোন ৮ এর ছবি ফাঁস

নতুন আইফোন নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের উৎসাহের কমতি নেই। এই ফোন কিনতে কিডনি বেঁচার খবরও পাওয়া গেছে। শিগগিরই বাজারে আসছে পরবর্তী প্রজন্মের আইফোন ৮। এটিকে ঘিরে এখন অনলাইনে চলছে নানান গুজব। অবশেষে এই ফোনের ছবি ফাঁস হলো।   


ডিজাইনার বেঞ্জামিন গেস্কিন একটি ডামি মোবাইলের ছবি প্রকাশ করে দাবী করেন যে আইফোন-৮ দেখতে অনেকটা এরকম হবে। ডামি ফোনটি শুধুই একটি ফাঁকা খোলস অর্থাৎ ভেতরে কিছুই নেই।

প্রকাশিত ছবিগুলোতে ফোনটিকে সব কোণ থেকে দেখানো হয়েছে। ফোনটি পরবর্তী আইফোনকে নিয়ে হওয়া অনেক গুঞ্জনের বর্ণনার সাথেই মিলে যায়। ফোনটির দুপাশেই রয়েছে অবিচ্ছিন্ন গ্লাস ও তার মাঝে আছে স্টেইনলেস স্টিলের ফ্রেম। পেছনের ক্যামেরাটি খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরের কোন নাম গন্ধও নেই। যার অর্থ হচ্ছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর সামনের গ্লাসের নিচে রয়েছে। 

সামনের গ্লাস স্টিল ফ্রেমের সাথে পুরোপুরি মসৃণ ভাবে রয়েছে। পিছনে তা একটু বাঁকা ফলে এটি সত্যিকারের আইফোনের কথা মনে করিয়ে দেয়।

এর আগে আমরা গুঞ্জন শুনেছি আর এখন সম্ভাব্য ডামি দেখছি। আমরা বুঝতে পারছিনা ঠিক কি ভাবা উচিত। ডামিটি দেখতে সুন্দর কিন্তু অসাধারণ না। কিন্তু চমকের যে এখনো শেষ হয়নি। গেস্কিনের দাবী  স্টেইনলেস স্টিলের ফ্রেমটি কালো রঙ করা হবে ফলে গোটা ফোনটিকে চকচকে কালো মুক্তার মতো লাগবে।

গেস্কিনের দাবী অনুযায়ী নতুন আইফোনটি আকারে আইফোন-৭ এর সমান হবে। এর একটি লাইটনিং কানেক্টর থাকবে ও এর কালো রূপের একমাত্র ব্যতিক্রম হবে পিছনের ক্যামেরা।

কিন্তু সেলফি ক্যামেরা, স্পিকার গ্রিল আর সামনের সেন্সর কোথায় গেল? গেস্কিনের কাছে এই প্রশ্নেরও জবাব আছে ডায়াগ্রাম রূপে। ডায়াগ্রামটিতে দেখা যায় যে অ্যাপল এই সবকিছুই ফোনের সামনে উপরের অংশে রাখবে তাও আবার স্ক্রিন সাইজ খুব বেশি ছোট না করে। 

এই সব বর্ণনা শুনে ধারণা করা যায় নতুন আইফোনটি অসাধারণই হবে। কিন্তু সাম্প্রতিক গুঞ্জনগুলো যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে এটি অনেক গুলো সম্ভাব্য আইফোনের মধ্যে একটি, নতুন আইফোনটিই নয়।

ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে দাবী করা হয় অ্যাপল অনেকগুলো সম্ভাব্য নতুন আইফোন পরীক্ষা করে দেখছে এবং তার মধ্যে একটিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর পিছনে রাখা হয়েছে। 

 


ইয়ুথ অপরচুনিটিস (ওয়াইও) হলো বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশের তরুণদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগ, বৃত্তি, সম্মেলন ইত্যাদির সম্পর্কে জানার এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম। এই প্ল্যাটফর্মটির মোবাইলভিত্তিক অ্যাপ উদ্বোধন হলো বুধবার।




এ উপলক্ষে রাজধানীর কাওরান বাজারের জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এ ধরনের উদ্যোগকে সব সময় প্রাধান্য দিয়েছে এবং সহযোগিতা করে আসছে। এর একটাই কারণ, তরুণরা যেন ডিজিটাল সেবা ও পণ্যে নতুন পরিবর্তন আনার সুযোগ পায়। তিনি আরও বলেন, এটি গর্ব করার বিষয় যে ইয়ুথ অপরচুনিটিস শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের আরও লাখো তরুণদের জন্য একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম। আমি মনে করি মোবাইল অ্যাপটি এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে দিতে অর্থবহ ভূমিকা পালন করবে।

ইয়ুথ অপরচুনিটিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন নূর বলেন, www.youthop.com ওয়েবসাইটটি তরুণদের যাবতীয় সুযোগ অন্বেষণের জন্য সবচেয়ে বড় অনলাইন নেটওয়ার্ক এবং এর পরিধি বিশ্বব্যাপী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় এই উন্মুক্ত সাইটটি প্রতিমাসে ১২ লাখ বারের মতো দেখা হয়। তরুণদের উন্নতি এবং তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে ইয়ুথ অপরচুনিটিস। ফলস্বরূপ ওয়েবসাইটটি ইতিমধ্যে বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সন্মাননায় ভুষিত হয়েছে। যার মধ্যে কুইনস ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ড ও ফোর্বস থার্টি আন্ডার থার্টি উল্লেখযোগ্য।

মোবাইল অ্যাপটি তরুণদের তথ্য হাতছাড়া হওয়া এবং সময় মতো জানতে না পারার আশঙ্কা থেকে মুক্ত রাখে বলে জানান অ্যাপটির নির্মাতারা।

Precious-sweets-will-be-the-fun-pink-rose-cheeses-cake  মিষ্টি  খেতে যারা পছন্দ করেন তাদের কাছে গোলাপজাম পছন্দের একটি মিষ্টির নাম। অনেক সময় ঘরে বাড়তি মিষ্টি থেকে যায়, বাসী মিষ্টি খেতেও ভালো লাগে না। এই বাড়তি মিষ্টি দিয়ে তৈরি করতে পারেন চিজ কেক! কী অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। ঝটপট তৈরি করে নিতে পারেন গোলাপ জাম চিজ কেক। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক গোলাপজাম চিজ কেক তৈরির প্রণালীটি।

 

 উপকরণ:


১৫টি গোলাপজাম মিষ্টি

১০টি ডাইজেস্টিভ বিস্কিট

৩ টেবিল চামচ মাখন

আনফ্লেভারড জেলেটিন

১/৪ কাপ কুসুম গরম পানি

২ কাপ টকদই

৩ কাপ ছানার কুচি

১/২ কাপ কনডেন্সড মিল্ক

সাজানোর জন্য:

জাফরান

পেস্তা কুচি



প্রণালী:


১। একটি পাত্রে মাখন এবং বিস্কিট একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

২। কেক তৈরির পাত্রে সামান্য তেল লাগিয়ে নিন। এরপর সম্পূর্ণ মিশ্রণটি এতে ঢালুন।

৩। এটি ফ্রিজে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট রাখুন।

৪। ১/৪ কাপ কুসুম গরম পানিতে জেলাটিন গুলিয়ে রেখে দিন কয়েক মিনিট।

৫। ব্লেন্ডারে ছানা, টকদই এবং কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে ব্লেন্ড করুন। টকদই এবং ছানার মিশ্রণের সাথে জেলাটিন গোলানো দিয়ে ভালো করে মেশান।

৬। ফ্রিজ থেকে বিস্কিটের মিশ্রণটি বের করে নিন। এর উপর গোলাপজাম দিয়ে দিন।

৭। গোলাপজামের উপর ছানার মিশ্রণটি ঢালুন। একটি ছুড়ির ভোঁতা অংশ দিয়ে সম্পূর্ণ অংশটুকু সমান করুন।

৮।  এটি ৫-৬ ঘন্টা ফ্রিজে রাখুন। ফ্রিজ থেকে বের করে কেকের প্যানটি ৩ থেকে ১০ সেকেন্ড কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, এতে খুব সহজে কেকটি বের হয়ে আসবে।

৯। কেকের উপর জাফরান এবং পেস্তা কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার গোলাপজাম চিজ কেক।

এস৮ নিয়ে যত অভিযোগ 

গ্যালাক্সি এস৮ ও ৮ প্লাস নিয়ে কোনো সমস্যা হোক, স্যামসাং কর্তৃপক্ষ তা চায় না। কিন্তু এই দুটি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ঘিরে বেশ কিছু অভিযোগ উঠছে। এর মধ্যে আছে রেড টিন্ট স্ক্রিন (স্ক্রিনে লাল আভা), তারহীন চার্জিংয়ে সমস্যা ও স্ক্রিনে চিড় ধরার প্রবণতার ঝুঁকি।

 




সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু গ্রাহক গ্যালাক্সি এস৮ স্মার্টফোনের স্ক্রিনে (রেড টিন্ট) লাল আভা দেখার অভিযোগ করেন। স্যামসাং কর্তৃপক্ষ সফটওয়্যার হালনাগাদের মাধ্যমে ওই সমস্যা ঠিক করার কথা বলেছে। এ ছাড়া এটি সেটিংস থেকে ঠিক করা যায় বলে জানান স্যামসাংয়ের কর্মকর্তারা।

রেড টিন্ট ছাড়াও স্যামসাং ও এক্সডিএ ফোরামে কয়েকজন ব্যবহারকারী এস৮ ও ৮ প্লাসে ওয়্যারলেস চার্জিং সমস্যার বিষয়টিকে সামনে এনেছেন। কিউআই সনদপ্রাপ্ত ওয়্যারলেস চার্জারের সঙ্গে এস৮ ঠিকভাবে কাজ করছে না বলে অভিযোগ করেন অনেকেই। চার্জ দেওয়ার সময় ‘ইরেগুলার চার্জিং ডিটেকটেড’ নোটিফিকেশন দেখতে পাওয়ার কথা বলেন অনেকে। যাঁরা নতুন ফোনে পুরোনো কিউআই সনদপ্রাপ্ত চার্জার ব্যবহার করছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে বলে জানান অনেকে। কেউ অভিযোগ করছেন দ্রুত চার্জিং মোডে সমস্যা হচ্ছে। আবার কেউ বলছেন, হ্যান্ডসেট রিবুট হলে এটি ঠিক হয়ে যায়। তবে ওয়্যারলেস চার্জিং বিষয়টি নিয়ে সঠিক কারণ জানা যায়নি। স্যামসাং কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের স্কয়ারট্রেড নামের একটি প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অভিযোগ করেছে, এস৮ স্মার্টফোনের কাচ দ্রুত ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে। কাচ ব্যবহারের কারণে এটি সুদৃশ্য হলেও এটি পড়ে গেলে চিড় ধরার চরম ঝুঁকি থেকে গেছে। গত সোমবার স্কয়ারট্রেড এস৮ ও এস৮ প্লাস দুটি মডেলের স্ক্রিন নিয়ে এ অভিযোগ তোলে। স্কয়ারট্রেড বলছে, ড্রপ টেস্টে আশানুরূপ না করলেও পানিতে ভেজানোর পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফল দেখিয়েছে ফোন দুটি।
 


যামসাংয়ের নতুন স্মার্টফোন দুটি অবশ্য পর্যালোচনাকারীদের কাছে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। এস৮-এর আগের সংস্করণ এস৭-এর চেয়ে এটি কিনতে ৩০ শতাংশ বেশি আগাম ফরমাশ পেয়েছে স্যামসাং। এস৮ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ মার্কিন ডলারে, যা এস৭-এর চেয়ে ১০০ মার্কিন ডলার বেশি।

 

পুড়িং খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি। ঘরোয়া পরিবেশে কিংবা কোন অনুষ্ঠানে পুড়িং এর যেন জুড়ি নেই। একই রকম পুডিং তো আমারা খেয়েই যাচ্ছি। কিন্তু পুডিং এ যদি একটু ভিন্নতা নিয়ে আসতে পারেন তাহলে দেখতে যেমন সুন্দর লাগবে তেমনি খেতেও দারুণ। আজ আপনাদের জন্য রয়েছে ব্রোকেন গ্লাস পুডিং তৈরির দারুণ রেসিপি। এটি একটি ভিন্ন ধরনের কালারফুল পুডিং। বিভিন্ন ফ্লেবার ও বিভিন্ন কালারে তৈরী বলে একে ব্রোকেন গ্লাস পুডিং বলা হয়। তবে যে যাই বলুক না কেন, খেতে কিন্তু দারুণ। চলুন জেনে নিই রেসিপি।


উপকরণ :
দুধ আধা লিটার
গুঁড়ো দুধ আধা কাপ
চিনি ১ কাপ
চায়না গ্রাস ১২ গ্রাম (বাজারে/ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে পাবেন)
যে কোনো তিন রংয়ের জেলো পাউডার


প্রাণালি :
তিন রংয়ের জেলো তিনটি বাটিতে প্যাকেটের গায়ের নিয়ম অনুযায়ী বানিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। না হলে ঠিক মতো জমবে না আর ভেঙে যাবে। (একটা পরামর্শ, প্যাকেটের গায়ে যে পরিমাণ পানি দেওয়ার কথা লেখা থাকে, চাইলে অর্ধেক পানি ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে জেলো ভালো জমবে আর ঘন হবে।) চায়না গ্রাস ছোট টুকরা করে কেটে নিন। চুলায় দুধ দিন আর চায়না গ্রাসগুলো দিয়ে দিন। দুধ গরম হতে থাকলে মাঝে মাঝে নেড়ে দিন যেন পুড়ে না যায়। এবার গুঁড়ো দুধ এর মধ্যে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে দিন। যতক্ষণ পর্যন্ত চায়না গ্রাসগুলো ভালো করে গলে না যাবে ততক্ষণ দুধ গরম করতে থাকুন। জ্বাল দিতে দিতে দুধ বেশ ঘন করুন। এখন এই দুধ থেকে এক চামচ পরিমাণ নিয়ে একটা প্লেটে ঢালুন আর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। যদি দেখেন এটা পুডিংয়ের মতো হয়েছে তাহলে চুলায় রাখা পুডিং মিশ্রণটি তৈরি। এবার চিনি দিয়ে আরও কয়েক মিনিট চুলায় রেখে নামিয়ে নিন। মিশ্রণটি নেড়ে ঠাণ্ডা করুন।

এবার ফ্রিজে রাখা রঙিন জেলিগুলো বের করে কিউব করে কাটুন। একটা যে কোনো আকারের বাটি নিন, কিউব করা জেলিগুলো অর্ধেকের কম পরিমাণ নিয়ে বাটিতে ছড়িয়ে দিন। এবার পুডিং মিশ্রণটি কিছু পরিমাণ ঢালুন। তারপর আবার জেলি দিন। এভাবে আরও দুটি লেয়ার তৈরি করুন।

এভাবেই হয়ে গেলো মাজাদার কালারফুল ব্রোকেন গ্লাস পুডিং। ফ্রিজে কমপক্ষে ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। যে কোন সময় বের করে সুন্দর করে কেটে পরিবেশন করুন।


সারা বিশ্বে ব্র্যান্ড তো প্রচুর রয়েছে। রয়েছে তাদের নানারকম ভ্যালুও। কিন্তু সারা পৃথিবীতে কোন ব্র্যান্ড কত নম্বরে আর তাদের ব্র্যান্ড ভ্যালুই বা কত এবার তা দেখে নেওয়া যাক।
১০) ওয়েলস ফার্গো- বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে ১০ নম্বরে রয়েছে ওয়েলস ফার্গো কোম্পানিটি। এটি আমেরিকার একটি মাল্টিন্যাশনাল ব্যাঙ্কিং অ্যান্ড ফিনানশিয়াল হোল্ডিং কোম্পানি। বিশ্বের বাজারে এই কোম্পানির ব্র্যান্ড ভ্যালু ৪৪ বিলিয়ন ইউএসডি। মার্কেট ভ্যালুর দিক থেকে এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক। আর তাই এর ব্র্যান্ড ভ্যালুও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৯) চায়না মোবাইল- এখন বেশিরভাগ মানুষের হাতে হাতে যে মোবাইল দেখা যায় তা অবশ্যই চায়না মোবাইল। সারা বিশ্বে এর সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যাটা নেহার কম নয়। ৮০৬ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার নিয়ে চায়না মোবাইল কোম্পানি বিশ্বের সর্ববৃহত্‌ মোবাইল ফোন অপারেটর। আর তাই বিশ্বের মূল্যবান ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে এর স্থান ৯ নম্বরে। এর ব্র্যান্ড ভ্যালু ৪৯ বিলিয়ন ইউএসডি।
৮) ওয়ালমার্ট- আমেরিকার মাল্টিন্যাশনাল রিটেল কর্পোরেশন এই ওয়ালমার্ট। ২০১৪-এর পরিসংখ্যানে এর কর্মী সংখ্যা ২.২ মিলিয়ন নিয়ে একে বিগেস্ট প্রাইভেট এমপ্লয়ার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। ওয়ালমার্ট আসলে ওয়ালটন পরিবারের ব্যবসা। বংশ পরম্পরায় তাঁরা এই ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। সারা পৃথিবী জুড়ে ব্যবসা করে ওয়াল মার্ট। এদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৫৩ বিলিয়ন ইউএসডি।
৭) অ্যাট অ্যান্ড টি- ৫৯ বিলিয়ন ব্র্যান্ড ভ্যালু নিয়ে বিশ্বের মূল্যবান ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে ৭ নম্বরে রয়েছে আমেরিকার এই মাল্টিন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন কর্পোরেশন। টেক্সাসের তৃতীয় বৃহত্তম কোম্পানি অ্যাট অ্যান্ড টি। সারা বিশ্বে এর অন্তর্গত ১৮টি মোবাইল টেলিকম অপারেটর রয়েছে। যা নিয়ে এর গ্রাহক সংখ্যা ১২৮.৬ মিলিয়ন।
৬) ভেরাইজন- আমেরিকার ব্রডব্যান্ড আর টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানিগুলির মধ্যে ভেরাইজন সর্ববৃহত্‌। আর তাই এর ব্র্যান্ড ভ্যালুও ৬৩ বিলিয়ন ইউএসডি। ৩২ বছর ধরে বিশ্বের বাজারে একইভাবে নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছে এই কোম্পানি।
৫) মাইক্রোসফট- মাইক্রোসফটের নাম আজ আমাদের কাছে অতি পরিচিত। এটি আমেরিকার একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি। কম্পিউটরের যাবতীয় সফটওয়্যার তৈরি করে এই কোম্পানি। বহু বছর ধরে বিভিন্ন নতুন নতুন সফটওয়্যার তৈরি করে আসছে এরা। আর তাই এদের ব্র্যান্ড ভ্যালুও ইর্ষনীয়। ৬৭ বিলিয়ন ইউএসডি। গ্রাহকদের সফটওয়্যার থেকে শুরু করে অপারেটিং সিস্টেম সবই সবসময় আপডেটেড ভার্সন দিয়ে থাকে।
৪) অ্যামাজন- ইন্টারনেট বেসড রিটেলার কোম্পানিগুলির মধ্যে অ্যামাজন সর্ববৃহত্‌ কোম্পানি। এটি প্রধাণত আমেরিকার কোম্পানি হলেও এর ব্যবসা সারা পৃথিবী জুড়ে। গয়না থেকে খাবার, খেলনা থেকে আসবাবপত্র, সবই রয়েছে এর কাছে। অর্ডার করা মাত্র এরা পৌঁছে দেবে আপনার কাছে। এদের এই দ্রুত পরিষেবা এদের গ্রাহক সংখ্যা দিনের পর দিন ক্রমশ বাড়াচ্ছে। আর তাই এদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৬৯ বিলিয়ন ইউএসডি ছুঁয়ে ফেলেছে।
৩) স্যামসং- দক্ষিণ কোরিয়ার মাল্টিন্যাশনাল কংগ্লোমারেট কোম্পানি স্যামসং। ১৯৩৮ সাল থেকে সারা বিশ্ব জুড়ে এদের ব্যবসা। বিশেষত মোবাইল এবং কিছু ইলেকট্রনিকস দ্রব্যও প্রস্তুত করে এই কোম্পানি। যদিও এরা মোবাইল কোম্পানি হিসেবেই বেশি পরিচিত। এর ব্র্যান্ড ভ্যালু ৮৩ বিলিয়ন ইউএসডি।
২) গুগল- ইন্টারনেট চালালেই আমরা সবার আগে যে ছবিটা দেখতে পাই সেটা গুগলের। যে কোনও কিছু জানতে চাওয়া হয় এর কাছে। এটিও আমেরিকার একটি মাল্টিন্যাশনাল টেকনোলজি কোম্পানি। ইন্টারন্ট এবং কম্পিউটর সফটওয়্যার নিয়েই এদের ব্যবসা। সারা বিশ্বের সমস্ত মানুষই এদের গ্রাহক। এদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৯৪ বিলিয়ন ইউএসডি।
১) অ্যাপল- তবে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে যে ব্র্যান্ড শীর্ষে রয়েছে তা অ্যাপল। আমেরিকার এই মাল্টিন্যাশনাল টেকনোলজি কোম্পানি কম্পিউটর এবং মোবাইলের যাবতীয় জিনিস তৈরি করে। তবে এর ব্র্যান্ড ভ্যালু বাকি অন্য কোম্পানিগুলির তুলনায় একধাপে অনেকটাই এগিয়ে। ১৪৫ বিলিয়ন ব্র্যান্ড ভ্যালু নিয়ে এখকার সেরা ব্র্যান্ড অ্যাপল।
তথ্য সূত্রঃ দেসি অফার

টিপ বাঙালি মেয়েদের সাজে থাকেই। একসময় মেয়েরা সিঁদুর দিয়ে টিপ আঁকতেন, এরপর লাল রং দিয়ে কপালে বৃত্ত আঁকার চল এল। আরও পরে কাপড়ের টিপ পরা শুরু হয়। যুগে যুগে পরিবর্তন হয়েছে এর রং, আকার ও ধরনে। তবে গোলাকৃতির লাল টিপের আবেদন চিরদিনই এক রয়ে গেছে।
‘টিপ ছাড়া বাঙালি সাজ যেন পূর্ণতা পায় না, এর উপস্থিতিতেই তো সাজে ষোলোআনা বাঙালিয়ানা ফুটে ওঠে।’ বলছিলেন রূপ পরামর্শক শারমিন কচি। তিনি নিজে সব সময় টিপ পরতে ভালোবাসেন, তাঁর রয়েছে নানা রকমের টিপের সংগ্রহ।
শাড়ির সঙ্গে টিপ সবচেয়ে মানানসই। পাশ্চাত্য ধাঁচের পোশাকের সঙ্গে টিপ খাপ খায় না বটে, তবে জিনস ফতুয়ার সঙ্গেও তো অনেকে দিব্যি কপালে আঁকছেন নানা আকৃতির টিপ। যিনি বহন করতে পারবেন তিনি চাইলে পশ্চিমা ধাঁচের পোশাকের সঙ্গেও টিপ পরতে পারেন। দেশি নকশার লম্বা স্কার্টের সঙ্গে কপালে খুব সাধারণ একটি ছোট গোল টিপ বা লম্বাটে টিপও মানিয়ে যেতে পারে। কেমন দেখাবে তা নির্ভর করবে সাজের অন্য অনুষঙ্গের ওপরেও। যেমন খুব আধুনিক বা জাঙ্ক গয়নার সঙ্গে এটি ঠিক যায় না। কিন্তু তারপরেও কথা থেকে যায়, কাউকে মানিয়ে গেলে পরা যায়।
একসময় পাথর, জরি দিয়ে কারুকার্য করা টিপের প্রচলন শুরু হয়েছিল। এখন একদম সাধারণ নকশার গোল বা লম্বা টিপ মেয়েদের পরতে দেখা যাচ্ছে। গোল টিপে আবার কখনো ফুটে উঠছে ফুল। একটু জমকালো ভাব আনতে কেউ কেউ আবার টিপের ওপর বসিয়ে নিচ্ছেন একটি পাথর। বউসাজে লাল টিপের চারপাশে বিন্দু বিন্দু চন্দনের ফোঁটা দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে, আবার কখনো শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে মাঝখানে নকশা করা হয় আফসান দিয়ে।
টিপের ধরনে অনেকে নিজস্ব একটি স্টাইল বেছে নেন। যেমন ভারতের ‘পপ সম্রাজ্ঞী’ ঊষা উত্থুপ সব সময় শাড়ির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে কপালে পরেন একই ধরনের গোল টিপ, তার ওপরে লেখা থাকে ‘ক’। এটা তাঁর নিজস্ব স্টাইল। এদিকে আমাদের দেশের নৃত্যশিল্পী শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সব সময় কপালে টিপ পরতে দেখা যায়। তিনি নাকি রোজ ঘুম থেকে উঠেই টিপ পরে নেন, তা না হলে নাকি নিজেই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে চিনতে পারেন না। তিনি বলছিলেন, ‘কবে শেষ টিপ ছাড়া ছিলাম মনে করতে পারি না। আমি সব সময় মেরুন রঙের গোল টিপ পরি। মাঝে মাঝে হয়তো তার ওপর আলপনা এঁকে নিই বা মেরুনের ওপর কালো রঙের আরেকটি টিপ পরি।’
শারমিন কচি জানালেন, শৌখিন মেয়েরা চাইলে সোনার টিপও গড়িয়ে নিতে পারেন। তিনি নিজেই এমনটি করে থাকেন। সোনার দোকানে, পছন্দের নকশা অনুযায়ী সোনা আর পাথর দিয়ে নানা আকৃতির টিপ বানিয়ে নিয়েছেন।
কোন মুখে কেমন টিপ মানাবে সেই পরামর্শ দিয়েছেন এই রূপ পরামর্শক—
* গোল মুখে সাধারণত সব আকারের টিপই মানিয়ে যায়। তবে লম্বা আকৃতির টিপে বেশি ভালো লাগে।
* মুখ লম্বাটে হলে পরুন গোল টিপ।
* কপাল বড় হলে ছোট নয়; মাঝারির চেয়ে একটু বড় টিপ পরুন।
* ছোট কপালের জন্য খুব বড় টিপ একেবারে মানানসই নয়।
* টিপের আকার ছোট হলে তা পরতে হবে দুই ভ্রুর মাঝ বরাবর।
* বড় ও মাঝারি টিপ হলে তা ভ্রু থেকে সামান্য ওপরে পরুন।
* যাঁদের জোড়া ভ্রু, তাঁরাও টিপ খানিকটা ওপরে পরবেন। আর সব সময় বেছে নেবেন উজ্জ্বল রঙের টিপ।

 


পরিচিত কাঁঠালের বিচির নানা পুষ্টিগুণের কথা নিশ্চয়ই জানেন। এটি বিপাকক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। হজমশক্তি বাড়ায়। কিন্তু এবারে কাঁঠালের বিচির আরেকটি গুণের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকেরা। তাঁরা বলছেন, চকলেট তৈরিতে কোকো বিনের বদলে কাঁঠালের বিচি ব্যবহার করা যেতে পারে।


‘এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রি’ নামের এক সাময়িকীতে গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে।

চকলেট তৈরিতে সুবাস আর স্বাদের বিকল্প উৎস খুঁজতে গিয়ে কাঁঠালের বিচির সন্ধান পেয়েছেন ব্রাজিলের গবেষকেরা।

চকলেট তৈরির মূল উৎস হিসেবে ব্যবহৃত কোকো বিনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গবেষকেরা তাই ঘাটতি মেটাতে পরিচিত কাঁঠালের বিচিকেই বেছে নেওয়ার কথা বলছেন।

সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা বলছেন, কাঁঠালের বিচিতে চকলেটের মতোই সুবাস তৈরি করা যায়। এ ছাড়া এ বিচি সাশ্রয়ী। চকলেট তৈরিতে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা যাবে।

বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর ৩৭ লাখ টন কোকো উৎপন্ন হয়। কিন্তু আগামী ১০ বছরে কোকো উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা কম। সে তুলনায় চকলেটের চাহিদা বাড়ছে। ২০২০ সাল নাগাদ কোকো বিনের চাহিদা ৪৫ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে।

চকলেটের স্বাদ ও গন্ধের বিকল্পের সন্ধান করতে উঠেপড়ে লেগেছেন গবেষকেরা। তাঁরা কাঁঠালের বিচি থেকে ২৭ ধরনের আটা তৈরি করেছেন। এ আটা তাঁরা বিভিন্ন তাপমাত্রায় পুড়িয়ে চকলেটে ব্যবহারের উপযোগী করেছেন।

গবেষকেরা বলছেন, কাঁঠালের বিচি থেকে তৈরি আটার সঙ্গে কোনো চকলেটের গন্ধে পার্থক্য


প্রতিদিন তো কত রকমের কাজই করে চলেছেন আপনি। কিন্তু কেন? একবারের জন্যে ভাবুন তো। সফলতা। হ্যাঁ! এই চার অক্ষরের শব্দটার জন্যেই পুরোটা জীবন মানুষ বিভিন্ন জিনিসের পেছনে ধাওয়া করে বেড়ায়। ছুটে চলে পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। করে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম। আর এসব কিছু করার পেছনে থাকে কেবল একটাই উদ্দেশ্য। সফল হওয়া। কিন্তু অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও জীবনে অনেকে সফল হতে পারেননা। কেন? এই কয়েকটি ছোট্ট কথার জন্যে।
১. এটা আমার জন্যে নয়
অনেকেই প্রায়ই এ কথাটা বলে থাকেন যে এই কাজটা তার জন্যে নয়। এই ধরনের মানুষগুলোর সারাটা জীবন কেটে যায় নিজের জন্যে সঠিক জায়গাটি খুঁজতেই। নিজেদের বর্তমান নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকায় বর্তমানের ভিতে গড়ে ওঠা তাদের ভবিষ্যতও হয়ে ওঠে অনেকটা অনিশ্চিয়তাপূর্ণ। আর তাই সফল হতে পলে এড়িয়ে চলুন এই কথাটা।
২. আমি ছুটির দিনেও কাজ করি
আদতে কাজ করাটা খুব ভালো হলেও অতিরিক্ত এই কাজ কিছু সময়ের পরে খুব বেশি ফলপ্রসূ হয় না। বরং জীবন সম্পর্কে আরো উদাসীন করে তোলে মানুষকে মানসিকভাবে। করে তোলে বিরক্তও। আর তাই অল্প সময় কাজ করলেও নিজের পুরোটা দেবার চেষ্টা করুন। বিল গেটসের কথাটা ভুলে যাবেননা। তিনি সবসময়ই কোম্পানীতে অলস লোকদের রাখতে চাইতেন। যাতে করে খুব দ্রুত কঠিন কাজটাও শেষ হয়ে যায়। করন অলস মানুষেরা বেশি কাজ করতে চায় না। অল্প সময়েই তারা খুব কঠিন কাজেরও কোন না কোন একটা সমাধান তৈরি করে ফেলে।
৩. আমি পারব না
এই কথাটি দিনে কতবার বলেন আপনি? যদি সংখ্যাটা বড় হয় তাহলে এখনই আপনার থেমে যাওয়া উচিত। নিজেকে শোধরানো উচিত। কারন পারব না কথাটি বারবার বলা হলে আপনার নিজের প্রতি বিশ্বাস কমে যায়। এই ছোট্ট কথাটি আপনাকে মানসিকভাবেও এটাই মনে করিয়ে দেয় যে আপনি সত্যই পারবেননা। হয়তো এমনিতেই কথাটা বলেন আপনি। কিন্তু আপনার অবচেতন মন কথাটাকে একেবারের মতন গেঁথে নেয়। আর তাই এটি বলা থেকে বিরত থাকুন। পারব না না বলে বলুন এটা আমি কিভাবে করতে পারি?
৪. ভালো লাগছে না
খুব ছোট্ট আর স্বাভাবিক একটা কথা। কিন্তু এই কথাটি আপনার দূর্বল মানসিকতাকে খারাপ সময়ে আরো ভেঙে দেবার জন্যে যথেষ্ট। আর তাই খারাপ লাগলেও নিজেকে বলুন সব ঠিক হয়ে যাবে। এতে করে আপনার মন নতুন উদ্যম পাবে।
৫. আমি কেয়ার করিনা
শুধু আপনার নিজের জন্যেই নয়, নিজের সফলতার জন্যেই নয়, আপনার চারপাশের মানুষগুলোর সাথে গড়ে ওঠা সুন্দর সম্পর্কটির জন্যের ক্ষতিকর হতে পারে কথাটি। অহংকারী মনোভাব প্রকাশ করার জন্যে ব্যবহৃত এই কথাটি আপনার কাছের মানুষগুলোকে নিয়ে যাবে দূরে। আপনার সহযোগীদেরকে দূরে ঠেলে দেবে। আর সবার থেকে দূরে গিয়ে জীবনে সফলতার মুখ খুঁজে পাবেন একার চেষ্টায় এটা ভাবাটা খুব একটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

 ২০১৭ সালে সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফিতে পুরষ্কারপ্রাপ্ত অসাধারণ ছবিগুলো



সনি ফটোগ্রাওয়ার্ল্ড ফি অ্যাওয়ার্ডস বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছবি প্রতিযোগীতা।  বিগত ১০ বছর ধরে এই প্রতিযোগীতা হয়ে আসছে। এই বছর মিলিয়নের উপর ছবি জমা পড়ে। সারা বিশ্বের সেরা ফটোগ্রাফাররা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তাদের সেরা ছবি জমা দিয়ে থাকেন।


২০১৭ সালে ১৮৩ দেশ থেকে ২,২৭,০০০ ছবি এই প্রতিযোগীতায় জমা পড়ে। ১০টি ক্যাটাগরিতে ছবি জমা দেওয়া হয়। ফ্রেডরিক বুয়েক্স সেরা ফটোগ্রাফার হিসেবে পুরষ্কৃত হন।  ১০টি  ক্যাটগরিতে প্রথম পুরষ্কার পাওয়া ছবিগুলো নিয়ে আজকের এই আয়োজন। এক নজরে দেখে নিন ছবিগুলো।

১। ফটোগ্রাফার অফ দ্যা ইয়ার, ফ্রেডরিক বুয়েক্স   



বেলজিয়ামের ফটোগ্রাফার ফ্রিডরিক বুয়েক্স   বেলজিয়াম খবরের কাগজের একজন ফ্রিল্যান্সার ফটোগ্রাফার। ছবির মাধ্যমে একটি গল্প বলার চেষ্টা করছেন ফ্রেডরিক। চারটি ছবি দিয়ে তিনি একটি শীতকালের প্রকৃতি তুলে ধরেছেন।

২। প্রতিকৃতি ছবি, জর্জ মেয়ার
 


রাশিয়ান ফটোগ্রাফার জর্জ মেয়ার এই ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরষ্কার লাভ করেন।

৩। স্পোর্টস উইনার, ইউয়ান পাং
 


চিনের জিনিং শহরের একটি স্কুলের স্পোর্টস প্রতিযোগিতায় এই ছবিটি তুলেছেন ইউয়ান পাং।

৪। ডেইলি লাইফ, সান্ড্রা হ্যন
 


মা কাজল ছয় মাসের শিশু মেহেদিকে দেখাশোনা করছে। আর তার পাশে শুয়ে আছে তার কাস্টমার! এই এক অদেখা জীবনের ছবি তুলে ধরেছেন জার্মানির ফটোগ্রাফার সান্ড্রা হ্যন।

৫। স্থাপত্য, ডোংনি  
 


আধুনিক জীবনের বাস্তবতা তুলে ধরেছেন চীনের এই ফটোগ্রাফার।

৬। ন্যাচারাল ওয়াল্ড উইনার, উইল বার্লার্ড-লুকাস 
 


ইংল্যান্ডের উইল বার্লার্ড লুকাসের বৃষ্টির এই ছবিটি ন্যাচারাল ওয়ার্ল্ড উইনারে পুরষ্কার পান।

৭। স্টিল লাইফ, হেনরি আগডেলো
 


কলম্বিয়ার ফটোগ্রাফার হেনরি আগডেলো এই ক্যাটগরিতে প্রথম পুরষ্কার লাভ করেন।

৮। সাম্প্রতিক বিশ্ব এবং খবরের, অ্যালেসিও রোমানজি
 


ইটালির ফটোগ্রাফার অ্যালেসিও রোমানজি লিবিয়ার এই ছবিটি তুলেছেন।

৯। কনসেপচুয়াল, সাবিন কাতানাও
 


সুজারল্যান্ডে চারজন মানুষের মধ্যে তিনজন মানুষ নিজের বাসস্থানে মৃত্যুবরণ করেন।

১০। সমসাময়িক ইস্যু, তাসনিম আলসুলতান



সৌদি আরবের সমাজে তালাক নিষেধ। আপনি কী করবেন আর কী করবেন না তা অন্যেরা নিয়ন্ত্রণ করবে না, আপনার সুখ আপনার হাতে, এমনটি বলেন একজন ফ্যাশন ডিজাইনার সিঙ্গেল মা নাসিবা। আর তার চিত্র তুলে ধরেছেন তাসনিম আলসুলতান।

১১। স্টুডেন্ট ফটোগ্রাফার, মিশেল ডায়ানা জেনেটেল 



২১ বছর বয়সী আর্জেন্টিনার ফটোগ্রাফার মিশেল ডায়না স্টুডেন্ট ফটোগ্রাফার ক্যাটগরিতে পুরষ্কার লাভ করেন।

১২। ইয়থ ফটোগ্রাফার, ক্যাটলিন ওয়াং


১৬ বছর বয়সী ক্যাটলিন ওয়াং এই ক্যাটগরিতে পুরষ্কার পান। চিলির টেরস ডেল পাইন ন্যাশনাল পার্কের লেক পেহো এবং তার আশেপাশের দৃশ্য তুলে ধরেছেন ক্যাটলিন।

১৩। ওপেন ফটোগ্রাফার, আলেক্সান্ডার ভিনোগ্রাদওভ


রাশিয়ার আলেক্সান্ডার ভিনোগ্রাদওভ এই ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার পেয়ে থাকেন।

Ocean-look-old-continent 


 ভারত মহাসাগরের তলদেশে পুরোনো মহাদেশের অস্তিত্ব পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। 


গবেষকরা দাবি করেছেন, মহাদেশটি ৩০০ কোটি বছরের পুরোনো। 

গত ৩১ জানুয়ারী ন্যাচার জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে এই দাবী করা হয়, ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র মরিশাসের কাছে সাগরতলে ওই মহাদেশের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

গবেষকদের দাবি, এটা ‘হারিয়ে যাওয়া মহাদেশ’। কোটি কোটি বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া গন্ডোয়ানা মহাদেশের একটি অংশ বলে দাবি করছেন তাঁরা। এর যুক্তি হিসেবে রঙিন গোমেদ পাথর যা জারকন নামে পরিচিত তাকেই তুলে ধরেছেন তাঁরা। গবেষকদের দাবি, বৈচিত্র্যময় ওই পাথরের চিহ্নের উপস্থিতিই প্রমাণ করে দেয় এটি মহাদেশের অংশ। আর গন্ডোয়ানা শেষ হয়ে যাওয়ার পর থাকা চিহ্ন।

গন্ডোয়ানা প্রাচীন একটি মহাদেশের নাম। দক্ষিণ গোলার্ধের বেশির ভাগ ভূভাগ এই মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল। 

দক্ষিণ আফ্রিকার উইটওয়াটারস্রান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ববিদ লুইস অ্যাশওয়াল জানান, মরিশাসের কাছে সাগরতলে যে জারকন (গোমেদ পাথর) পাওয়া যায়, এতে বোঝা যাচ্ছে এলাকাটি মহাদেশের কোনো অংশ।

বলা হয়, ভারত মহাসাগরের দ্বীপ মরিশাসের জন্ম হয় আগ্নেয়গিরির কারণে। নতুন ওই গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ২০ কোটি বছর আগে যখন গন্ডোয়ানা প্রদেশ ভেঙে যায়, তখন ওই মহাদেশটি থেকে যায়। আর বহু বছর পর এর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার দাবি করলেন গবেষকরা।

ইন্টারনেটের দাম কমছে 


ইন্টারনেটের দাম কমানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। আর এর ফল পাওয়া যাবে আগামী ছয় মাসের মধ্যে। বুধবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।এর আগে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। 


বৈঠকের পর তারানা হালিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ভ্যাট ট্যাক্স ও রাজস্ব ভাগাভাগি করে, ছাড় দিয়ে হলেও দাম কমাবো। আমি দু-একদিনের মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দেবো। যেভাবেই হোক দাম কমাবো। তবে এর ফল পেতে ছয় মাস সময় লাগবে।’ 

বৈঠকে আইআইভি, আইটিসি, বিএসসিসিএল ওআইএসপিসহ বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুক থেকে অবিলম্বে এই ৪টি জিনিস ডিলিট করুন 


রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করা আপনার বিশেষ কয়েকটি তথ্যকেই তারা আপনার বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। অবিলম্বে নিজের ফেসবুক প্রোফাইল খুলুন, আর ডিলিট করে দিন চারটি বিশেষ তথ্য। না হলে সমূহ বিপদের সম্ভাবনা।


যতই প্রাইভেসি ফিল্টার ব্যবহার কাজে লাগাক ফেসবুক, আদপে হ্যাকারদের পরাস্ত করা অত সহজ নয়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করা আপনার বিশেষ কয়েকটি তথ্যকেই তারা আপনার বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এই সমস্ত তথ্য কাজে লাগিয়ে তারা শুধু যে আপনার প্রোফাইল হ্যাক করতে পারে তা-ই নয়, আপনার আইডেন্টিটি জাল করে তারা গড়ে তুলতে পারে আপনার ডুপ্লিকেট আইডেন্টিটিও। সুরক্ষিত থাকার জন্য অবিলম্বে ডিলিট করুন এই চারটি তথ্য-

১. জন্মদিন: আপনার জন্মদিন ফেসবুকে উল্লেখ করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভেবে দেখুন, প্যান কার্ড হোক বা ভোটার আই কার্ড কিংবা আধার কার্ড— সর্বত্রই আপনার বয়স অথবা জন্মদিনের উল্লেখ থাকে। কাজেই আপনার ডুপ্লিকেট আইডেন্টিটি তৈরি করতে হলে আপনার জন্মদিন অপরিহার্য তথ্য।

২. নিজের চেক ইন: কখন কোথায় যাচ্ছেন, কোন রেস্তরাঁয় খাচ্ছেন কিংবা কোন সিনেমা হলে সিনেমা দেখছেন- তা ফেসবুকে জানাবেন না। আপনার পরিচিতি জাল করতে চায় যারা, তারা কিন্তু এই তথ্যগুলোই কাজে লাগাবে।

৩. নিজের ঠিকানা: নিজের বাসস্থানের ঠিকানা কখনওই জানাবেন ফেসবুকে। এতে শুধু যে নিজের আইডেন্টিটি ডুপ্লিকেসির সম্ভাবনা বাড়বে তা নয়, কেউ চাইলে সরাসরি আপনার বাসস্থানে হামলাও চালাতে পারে।

৪. আপনার কর্মক্ষেত্র: আপনার অফিসের ঠিকানা শেয়ার করাও একই রকম বিপজ্জনক। দিনের একটা বড় অংশ সেই ঠিকানাতেই আপনি কাটাচ্ছেন। কতক্ষণ আপনি সেখানে থাকছেন, আপনার অফিস থেকে বাড়িতে যেতেই বা কতটা সময় লাগে- ইত্যাদি তথ্য আপনার প্রোফাইল হ্যাকিং-এর সম্ভাবনা বাড়ায়। কাজেই এই তথ্যও গোপন রাখাই ভাল।
Blogger দ্বারা পরিচালিত.