ফেসবুকে যাদের বাদ দেবেন!



   

 মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক এখন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের ফেসবুকের প্রভাব ব্যাপক। জীবনের সুখ-দু:খের অনুভূতিগুলো এখন সহজেই ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা শেয়ার করে থাকেন। ছেলে বুড়ো সবাই মধুর স্মৃতিগুলোও এখন ছবির ফ্রেমে বন্দি না রেখে ছড়িয়ে দেন ফেসবুকের পরিচিত বন্ধুদের মাঝে।


তবে যে অনুভূতিগুলো ব্যবহারকারীরা ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন তা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে এমনটা ভাবা ঠিক নয়। যদিও প্রোফাইল সমৃদ্ধ করতে অনেকেই তার ফেসবুকে চেনা অচেনা অনেক মানুষকে ফেসবুক ফ্রেন্ড হিসেবে অ্যাড করে থাকেন।

অবশ্য ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বন্ধু তালিকা ঠিক করার ব্যাপারে বরাবরই সতর্ক করে থাকেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা। তাই ফেসবুকে বন্ধু তালিকা বাড়ানোর আগে একটু সতর্ক থাকাই বাঞ্ছনীয়। আর বন্ধু তালিকা দীর্ঘায়িত না করে তা সংক্ষিপ্ত রাখাটাই উত্তম।

 


সেক্ষেত্রে প্রশ্ন থেকে যায়, তাহলে কাদের বন্ধু তালিকায় রাখা উচিৎ আর কাদের নয়! সেটি নিয়েই এবারের আয়োজন।

* ফেসবুকে বন্ধু তালিকায় এমন অনেক ব্যক্তি থাকেন যারা লোক দেখিয়ে কোনো কিছু করতে ভালোবাসেন। ঘুম থেকে উঠে সেলফি দেয়াসহ কোথায় কি খাচ্ছেন, কোথায় ঘুরতে যাচ্ছেন, কখন হাঁচি দিচ্ছেন ইত্যাদি ফেসবুকে পোস্ট করে থাকেন। এমন ফেসবুক বন্ধুকে তালিকা থেকে বিদায় জানানোটাই উত্তম বলে মনে করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষজ্ঞেরা। তাদের মতে, যারা এই ধরনের পোস্ট বেশি দেন তারা অন্যকে নিজের সুখের জীবনযাপন দেখিয়ে অন্যকে ইর্ষান্বিত করে তোলেন। এর ফলে অপরের মনের মধ্যে হীনমন্যতা দেখা দিতে পারে। এমনকি সেই মানুষটি নিজেকে ব্যর্থ মনে করতে পারেন। তাই খুব ঘনিষ্ট না হলে এই ধরনের মানুষকে তালিকায় না রাখাই ভালো।

* ফেসবুকে কিছু বন্ধু জুটেই যান যারা সামান্য বিষয়ে তর্ক করতে পছন্দ করেন। ফেসবুকে নিজেদের সবজান্তা জাহির করতে চান। প্রমাণ করতে চান তাদের ব্যক্তিত্ব কত দৃঢ়! আপনার নিজের অনুভূতিকে খাটো করে দেখতে এবং দেখাতে এদের জুড়ি মেলা ভাড়! কাজেই বাড়াবাড়ি কিছু করার আগেই এমন বন্ধুদের তালিকা থেকে বাদ দিন।
 


অফিসের বসকে আপনার বন্ধু তালিকায় না রাখাটাই নিরাপদ। নচেৎ তা খাল কেটে কুমির আনার মতোই হতে পারে! হয়ত কোনো একদিন অফিসে মিথ্যা কথা বলে ঘুরতে গেলেন! কিন্তু ফেসবুকে সেই ছবি পোস্ট করার পর তা আপনার বসের চোখে পড়ে গেল। এতে আপনার বিপদ কমবে না বাড়বে? তাছাড়া আপনিও সারাক্ষণ ভয়ে থাকবেন। না জানি আপনার ফেসবুকে দেওয়া কোন পোস্ট পড়ে বস নাখোশ হবেন। তাই ফেসবুকে বন্ধু তালিকায় যদি বস থেকে থাকেন তবে এখনই বাদ দিন।

* আপনার প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকাকে ফ্রেন্ড লিস্টে না রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অতীতকে আঁকড়ে ধরে রাখতে গেলে আর এগুতে পারবেন না। এমনকি আপনার বর্তমান বা ভবিষ্যত সম্পর্কেও সাবেক মানুষটি জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে।

মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক এখন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনের ফেসবুকের প্রভাব ব্যাপক। জীবনের সুখ-দু:খের অনুভূতিগুলো এখন সহজেই ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা শেয়ার করে থাকেন। ছেলে বুড়ো সবাই মধুর স্মৃতিগুলোও এখন ছবির ফ্রেমে বন্দি না রেখে ছড়িয়ে দেন ফেসবুকের পরিচিত বন্ধুদের মাঝে।