গরমে আরামের পোশাক কেনাকাটা

গরমে আরামের পোশাক কেনাকাটা

 প্রকৃতির পালা বদলের সঙ্গে সঙ্গে আমাদেরও জীবনাচরণে পরিবর্তন আসে। পরিবর্তনের এ তালিকায় পোশাক অন্যতম। আমাদের দেশের মানুষ এখন অনেক বেশি ফ্যাশনসচেতন। আগেকার সনাতনী ধারণাকে পেছনে ফেলে অনেকদূর এগিয়ে গেছে বর্তমান ফ্যাশন ট্রেন্ড। কিন্তু যেই না অফিসে বা বাইরে যাওয়ার জন্য বের হওয়া তারপর পরই ঘেমে-নেয়ে একাকার। রোদ আর গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। শুধু অফিস নয়, স্কুল-কলেজ সব জায়গাতেই একই অবস্থা। যেটার উদ্দেশ্যেই বের হন না কেন গরম যেন পিছু ছাড়বে না। ফাল্গুনের শেষ আর চৈত্রের শুরুর রূপটাই বুঝি এমন। প্রকৃতির পালা বদলের সঙ্গে সঙ্গে আমাদেরও জীবনাচরণে পরিবর্তন আসে। পরিবর্তনের এ তালিকায় পোশাকের আরামটা খুবই জরুরি।


পোশাক যদি আরামদায়ক না হয় তাহলে ঘামে ভিজে একাকার হয়ে যাওয়ার উপক্রম। সৃষ্টি হয় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির। অতএব, আবহাওয়ার সঙ্গে তাল-মিলিয়ে পোশাক না পরলে অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। যে কারণে ঋতুভিত্তিক পোশাক মানুষের এখন প্রথম পছন্দ। ফ্যাশন হাউসগুলো এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

শুরুতে পশ্চিমা ধাঁচটা অনুসরণ করা হলেও এখন তা দেশীয় ডিজাইনারদের অন্যতম ব্যস্ততার কারণ। অর্থাৎ আমাদের দেশের আবহাওয়া উপযোগী কাপড় সিলেক্ট এবং ডিজাইন করা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ডিজাইনাররা। দেশীয় কাপড় এবং ডিজাইনের সমন্বয় ঘটানোয় রেজাল্টও ভালো পাওয়া গেছে। দেখা গেছে ক্রেতারা হুবহু পশ্চিমা ড্রেসের ডিজাইনের চেয়ে আমাদের ডিজাইনকৃত পোশাকের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। কারণ আমরা দেশীয় আবহাওয়ার সঙ্গে তাল-মিলিয়ে কাপড় সিলেক্ট করে থাকে। শুধু দেখতে ভালো হলেই তো হবে না তা পরতেও আরামদায়ক হতে হবে।

টপস এখন কটন, এন্ডি কটন, সিল্ক এবং এন্ডি সিল্কের মতো কাপড় দিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে। ইদানীং টি-শার্টের ফেব্রিক দিয়েও টপস তৈরি হচ্ছে, যা খুবই আরামদায়ক। ডিজাইনেও রাখা হয়েছে বৈচিত্র। সংমিশ্রণ ঘটানো হয়েছে পশ্চিমা এবং দেশীয় ডিজাইনের। প্রায় প্রতিটি ফ্যাশন হাউসেই দেখা মিলবে টপসের। এর মধ্যে আড়ং, দেশি দশ, এক্সট্যাসি, রেক্স, মনসুন রেইন, মানজা, আর্টিস্টি, ইয়েলো, ওয়েজেসসহ আরও অনেক শো-রুমে। স্লিভলেস, ফুলহাতা কিংবা হাফহাতা টপস রয়েছে এখন। গরম থেকে প্রশান্ত, ইজি মুভমেন্ট এবং ফ্যাশন ট্রেন্ডের আধুনিকতার ছোঁয়া সব মিলিয়ে টপস বর্তমান তরুণীদের দারুণ পছন্দের। প্যাটার্ন এবং ডিজাইন ভেদে ড্রেসগুলোর মূল্য পড়বে ১২৫০ টাকা থেকে ৩৫০০ টাকা। সুতি কুর্তাগুলোর দাম পড়বে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা। নানা রং আর নকশায় নতুনভাবে কুর্তা বানাচ্ছে ফ্যাশন হাউসগুলো। রঙের বৈচিত্র্য আছে, তবে সব রংই হালকা। কারণ গাঢ় রঙের যে কোনো পোশাকই এই আবহাওয়ায় অস্বস্তির কারণ হতে পারে। সব সময় হাল ফ্যাশনের পোশাক কিনতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তরুণীরা। সারা বছর চাহিদা থাকলেও গরমে আরামদায়ক পোশাক হিসেবে কুর্তার জুড়ি নেই। ট্র্যাডিশনাল, ক্যাজুয়াল আবার ফরমাল যে কোনো ধরনের কুর্তাই কিনতে পাওয়া যায়। গরমে পরার জন্য এবার খানিকটা ঢিলেঢালা ভাব আনা হয়েছে কুর্তায়। কাপড় ও রং দুটোই হালকা হলে ভালো আরাম মিলবে এই সময়ে।

প্রকৃতির পালা বদলের সঙ্গে সঙ্গে আমাদেরও জীবনাচরণে পরিবর্তন আসে। পরিবর্তনের এ তালিকায় পোশাক অন্যতম। আমাদের দেশের মানুষ এখন অনেক বেশি ফ্যাশনসচেতন। আগেকার সনাতনী ধারণাকে পেছনে ফেলে অনেকদূর এগিয়ে গেছে বর্তমান ফ্যাশন ট্রেন্ড। কিন্তু যেই না অফিসে বা বাইরে যাওয়ার জন্য বের হওয়া তারপর পরই ঘেমে-নেয়ে একাকার। রোদ আর গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। শুধু অফিস নয়, স্কুল-কলেজ সব জায়গাতেই একই অবস্থা। যেটার উদ্দেশ্যেই বের হন না কেন গরম যেন পিছু ছাড়বে না। ফাল্গুনের শেষ আর চৈত্রের শুরুর রূপটাই বুঝি এমন। প্রকৃতির পালা বদলের সঙ্গে সঙ্গে আমাদেরও জীবনাচরণে পরিবর্তন আসে। পরিবর্তনের এ তালিকায় পোশাকের আরামটা খুবই জরুরি।