খারাপ দিনটিকে ভালো করে তুলুন ৮টি কৌশলে

খারাপ দিনটিকে ভালো করে তুলুন ৮টি কৌশলে প্রতিটি দিন আগামীকালের মতো ভাল যাবে তা কিন্তু নয়। খারাপ দিনটিকে ভালো করে তোলার মধ্যে রয়েছে সার্থকতা। অনেকেই মনে করেন খারাপ দিনকে কীভাবে ভালো করা যায়? এই কাজটি খুব বেশি কঠিন কিছু না। মূলত সুখ কোন বস্তু বা অন্য কোন মানুষের উপর নির্ভর করে না। নিজের সুখ নিজেকেই খুঁজে নিতে হয়। হয়তো তা আপনার পাশেই রয়েছে আপনি দেখতে পারছেন না। কিছু কৌশলে খারাপ দিনটিকেও আপনি চাইলে সফল সুন্দর দিনে রূপান্তরিত করে ফেলতে পারেন। জেনে নিন সেই জাদুকরী কৌশলগুলো।

১। পছন্দের খাবার খান

আপনার দিনটি বা কাজগুলো পরিকল্পনা মত না হলে হতাশ হয়ে পড়তে পারেন। তখন আপনার পছন্দের কোন খাবার খান। এটি আপনার মস্তিষ্কে খুশির হরমোনগুলোকে জাগিয়ে তুলবে, যা আপনাকে খারাপ ঘটনাকে ভুলতে সাহায্য করবে।
২। নিজেকে সময় দিন


নিজের পছন্দের কোনো কাজ করুন। আপনি হয়তো শপিং করতে পছন্দ করেন। ঘুরে আসুন কোনো শপিং মল থেকে। খুব বেশি কিছু না কিনে অল্প কিছু কিনুন, তা হতে পারে এক জোড়া ছোট কানের দুলও। শপিং আপনাকে খারাপ ঘটনাকে ভুলতে সাহায্য করে হ্যাপি হরমোনগুলোকে জাগিয়ে তুলবে। শপিং ভালো না লাগলে পছন্দের যেকোনো কাজ করতে পারেন।
৩। পছন্দের গান শুনুন


সমীক্ষায় দেখা গেছে গান আপনার মুডকে পরিবর্তন করে দিতে পারে। এমনকি আপনার হতাশা কমিয়ে দিতে পারে। চেষ্টা করুন মজার, মন ভাল করে দেওয়ার মত গান শোনার। শুধু গান শুনবেন না এর সাথে নিজের গলায় গানও গেয়ে ফেলুন। আর দেখুন মনটা কেমন ভাল হয়ে গেছে।
৪। হাসুন


হাসিকে মন খারাপের ওষুধ বলা হয়। মন খারাপের সময়টুকু হাসির কোন মুভি বা হাসির কোন কিছু দেখুন। অতীতে হাসির মজার কোন স্মৃতি থাকলে সেটি মনে করুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যে আপনি অনেকটা হালকাবোধ করছেন।  
৫। এক


প্রতিটি দিন আগামীকালের মতো ভাল যাবে তা কিন্তু নয়। খারাপ দিনটিকে ভালো করে তোলার মধ্যে রয়েছে সার্থকতা। অনেকেই মনে করেন খারাপ দিনকে কীভাবে ভালো করা যায়? এই কাজটি খুব বেশি কঠিন কিছু না। মূলত সুখ কোন বস্তু বা অন্য কোন মানুষের উপর নির্ভর করে না। নিজের সুখ নিজেকেই খুঁজে নিতে হয়। হয়তো তা আপনার পাশেই রয়েছে আপনি দেখতে পারছেন না। কিছু কৌশলে খারাপ দিনটিকেও আপনি চাইলে সফল সুন্দর দিনে রূপান্তরিত করে ফেলতে পারেন। জেনে নিন সেই জাদুকরী কৌশলগুলো।
১। পছন্দের খাবার খান

আপনার দিনটি বা কাজগুলো পরিকল্পনা মত না হলে হতাশ হয়ে পড়তে পারেন। তখন আপনার পছন্দের কোন খাবার খান। এটি আপনার মস্তিষ্কে খুশির হরমোনগুলোকে জাগিয়ে তুলবে, যা আপনাকে খারাপ ঘটনাকে ভুলতে সাহায্য করবে।
২। নিজেকে সময় দিন


নিজের পছন্দের কোনো কাজ করুন। আপনি হয়তো শপিং করতে পছন্দ করেন। ঘুরে আসুন কোনো শপিং মল থেকে। খুব বেশি কিছু না কিনে অল্প কিছু কিনুন, তা হতে পারে এক জোড়া ছোট কানের দুলও। শপিং আপনাকে খারাপ ঘটনাকে ভুলতে সাহায্য করে হ্যাপি হরমোনগুলোকে জাগিয়ে তুলবে। শপিং ভালো না লাগলে পছন্দের যেকোনো কাজ করতে পারেন।
৩। পছন্দের গান শুনুন


সমীক্ষায় দেখা গেছে গান আপনার মুডকে পরিবর্তন করে দিতে পারে। এমনকি আপনার হতাশা কমিয়ে দিতে পারে। চেষ্টা করুন মজার, মন ভাল করে দেওয়ার মত গান শোনার। শুধু গান শুনবেন না এর সাথে নিজের গলায় গানও গেয়ে ফেলুন। আর দেখুন মনটা কেমন ভাল হয়ে গেছে।
৪। হাসুন

হাসিকে মন খারাপের ওষুধ বলা হয়। মন খারাপের সময়টুকু হাসির কোন মুভি বা হাসির কোন কিছু দেখুন। অতীতে হাসির মজার কোন স্মৃতি থাকলে সেটি মনে করুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যে আপনি অনেকটা হালকাবোধ করছেন।  
৫। একটি লিস্ট তৈরি করুন

এই ছোট জীবনে অনেক অপ্রাপ্তির মাঝে প্রাপ্তির সংখ্যাটি নেহাত কম নয়। হতাশার সময়ে একটি লিস্ট তৈরি করে ফেলুন যেখানে জীবনের প্রাপ্তিগুলো লেখা থাকবে। প্রাপ্তি যত ছোটই হোক না কেন সেটি লিস্টে যুক্ত করে ফেলুন। দেখবেন অপ্রাপ্তির চেয়ে প্রাপ্তির লিস্টই বেশ বড় হয়ে গেছে।
৬। অন্যকে সাহায্য করুন
অন্যের জন্য কিছু করুন। আপনি অন্যের সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করলে আপনার সমস্যাও কেউ না কেউ সমাধান করে দিবে। সম্পূর্ণ অপরিচিত কোন মানুষকে সাহায্য করুন, দেখবেন অনেক ভাল লাগছে।

৭। প্রার্থনা করুন
আপনি একা নন। আপনার সাথে আপনার সৃষ্টিকর্তা আছেন।  প্রার্থনা আপনাকে এটি মনে করিয়ে দিবে। যা আপনাকে শক্তি প্রদান করবে পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোকে সফল করতে।

৮। পছন্দের বন্ধুর সাথে কথা বলুন

মানুষের কষ্টের, মন খারাপের সময়টিতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পরে প্রিয় মানুষ বা প্রিয় কোন বন্ধুর। প্রিয় কোন বন্ধুকে ফোন করুন, তার সাথে কথা বলুন। তবে এমন কাউকে ফোন করবেন না যে আপনার কষ্ট বোঝার পরিবর্তে সেটিকে নিয়ে হাসাহাসি করে। এমন বন্ধুর সাথে কথা বলুন যে আপনার কষ্টটি বুঝতে পারে।

টি লিস্ট তৈরি করুন

এই ছোট জীবনে অনেক অপ্রাপ্তির মাঝে প্রাপ্তির সংখ্যাটি নেহাত কম নয়। হতাশার সময়ে একটি লিস্ট তৈরি করে ফেলুন যেখানে জীবনের প্রাপ্তিগুলো লেখা থাকবে। প্রাপ্তি যত ছোটই হোক না কেন সেটি লিস্টে যুক্ত করে ফেলুন। দেখবেন অপ্রাপ্তির চেয়ে প্রাপ্তির লিস্টই বেশ বড় হয়ে গেছে।
৬। অন্যকে সাহায্য করুন
অন্যের জন্য কিছু করুন। আপনি অন্যের সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করলে আপনার সমস্যাও কেউ না কেউ সমাধান করে দিবে। সম্পূর্ণ অপরিচিত কোন মানুষকে সাহায্য করুন, দেখবেন অনেক ভাল লাগছে।
৭। প্রার্থনা করুন
আপনি একা নন। আপনার সাথে আপনার সৃষ্টিকর্তা আছেন।  প্রার্থনা আপনাকে এটি মনে করিয়ে দিবে। যা আপনাকে শক্তি প্রদান করবে পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোকে সফল করতে।

৮। পছন্দের বন্ধুর সাথে কথা বলুন

মানুষের কষ্টের, মন খারাপের সময়টিতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পরে প্রিয় মানুষ বা প্রিয় কোন বন্ধুর। প্রিয় কোন বন্ধুকে ফোন করুন, তার সাথে কথা বলুন। তবে এমন কাউকে ফোন করবেন না যে আপনার কষ্ট বোঝার পরিবর্তে সেটিকে নিয়ে হাসাহাসি করে। এমন বন্ধুর সাথে কথা বলুন যে আপনার কষ্টটি বুঝতে পারে।

প্রতিটি দিন আগামীকালের মতো ভাল যাবে তা কিন্তু নয়। খারাপ দিনটিকে ভালো করে তোলার মধ্যে রয়েছে সার্থকতা। অনেকেই মনে করেন খারাপ দিনকে কীভাবে ভালো করা যায়? এই কাজটি খুব বেশি কঠিন কিছু না। মূলত সুখ কোন বস্তু বা অন্য কোন মানুষের উপর নির্ভর করে না। নিজের সুখ নিজেকেই খুঁজে নিতে হয়। হয়তো তা আপনার পাশেই রয়েছে আপনি দেখতে পারছেন না। কিছু কৌশলে খারাপ দিনটিকেও আপনি চাইলে সফল সুন্দর দিনে রূপান্তরিত করে ফেলতে পারেন। জেনে নিন সেই জাদুকরী কৌশলগুলো।