রঙে রঙে রঙিন হয়ে উঠুক আপনার ঘর


ঘর সাজানোর কথা এলেই রুচিবোধ ও সৌন্দর্যকেই প্রাধান্য দেয়া হয়ে থাকে। যদি আপনি আপনার কর্মক্ষমতাকে বাড়াতে চান, তাহলে আপনার অন্দরমহলকে হালকা রঙে সাজান। পারলে রঙের ভুবনকে আলোকিত করে দিন।
শুধু দামি আসবাবপত্র দিয়ে ঘর সাজালে সুন্দর লাগে না। ঘরের সৌন্দর্যের জন্য দেয়ালের রঙটা মনের মতো হতে হবে। গতানুগতিক সাদা রঙের দেয়াল থেকে বেরিয়ে সবাই এখন রঙিন দেয়ালই পছন্দ করেন। সেইসঙ্গে দেয়ালের রং আর উপাদানে এসেছে নানা বৈচিত্র্য। ফলে অন্দরসজ্জাটা এখন অনেকটাই চার দেয়ালের কাব্য হয়ে উঠেছে।
অন্দরের দেয়ালসজ্জা আজকাল শুধু বাহারি রং কিংবা নকশার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ঘরের দেয়ালের রঙের প্রভাব আমাদের মনের ওপর পড়ে সবচেয়ে বেশি। নিজের পছন্দের রং যদি দেয়ালে থাকে, তখন ঘরে ঢোকার পরপরই মন অনেক ভালো হয়ে যায়। কাজকর্মে স্পৃহা আসে। অনেকেই ভাবেন, ঘরের দেয়াল সাদা কিংবা অফ হোয়াইট হলেই ভালো দেখায়।
আসলে ঘরে যেকোনো রঙের খেলাই ভালো লাগে। এ কথা পরখ করতে নিজের মনের মতো করে দেয়াল রাঙিয়ে নিন। চাইলে কনট্রাস্ট করে ২টি রং ব্যবহার করতে পারেন একটি ঘরের চার দেয়ালে। দেখবেন ঘর যেমন সুন্দর লাগছে, তেমনি আপনার মনেও উত্ফুল্ল ভাব চলে এসেছে। দেয়াল সাজনোর আরেকটি সহজ ও সুন্দর উপায় হলো দেয়ালে ছবি লাগানো। বিভিন্ন আকার-আকৃতির ফ্রেমে নিজের বা পরিবারের সকল স্মৃতি বন্দি করে ঝুলিয়ে দিন দেয়ালে।
এক্ষেত্রে মনের মতো ছবি বাছাই করুন। চাইলে দু-একটি বড় ছবি বাঁধাই করে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন দেয়ালে। দেখবেন দেয়ালটাই ঘরের মূল আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। কারণ একটি সুন্দর পেইন্টিংস ঘরের চেহারা পাল্টে দিতে পারে। পেইন্টিংস যে শুধু দামিই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। সাধারণ পেইন্টিংস একটু বুদ্ধি করে দেয়ালে ঝুলিয়ে দেখুন ঘরটি কতটা আকর্ষণীয় লাগছে।
পেইন্টিংস আপনার সৃজনশীল মনের পরিচয় বহন করে। দেয়ালে আঁকাআকি করা শুধু বাচ্চাদের কাজ ভেবে হেসে উড়িয়ে দেবেন না।
বর্তমানে দেয়াল সাজাতে সবচেয়ে সহজ ও সুন্দর পদ্ধতি হলো দেয়ালে আঁকা চিত্রকর্ম। অনেকেই আছেন যারা নিজের শৈল্পিক মনের চিন্তা ভাবনা মনেই দাবিয়ে রেখেছেন। তারা একটুখানি সময় বের করে অ্যানামেল পেইন্ট ও তুলি নিয়ে লেগে যান কাজে। দেখবেন আপনার মনের ভাষা কীভাবে দেয়ালকে সাজিয়ে তুলছে।